✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৪৯. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori49.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৪৯)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
*🍀তব জ্যেষ্ঠ পুত্র মোরে দেহ অকাতরে।*
*🍀সেবা সমর্পণ আমি করিব তাহারে।।*
*🌹এই শচীনন্দনের তিন পুত্র সন্তান ছিলেন শ্রীরাজবল্লভ,শ্রীবল্লভ ও শ্রীকেদার।এই জ্যেষ্ঠ রাজবল্লভ আবার অকৃতদার বা অবিবাহিত ছিলেন এবং রামচন্দ্র প্রভু তাঁর হাতে বাঘনাপাড়ার সেবাভার সমর্পণ করেন। অদ্যাপি মধ্যম ও কনিষ্ঠ ভাইয়ের বংশধর কর্তৃক এই সেবা পরিচালিত হচ্ছে।এর পর প্রায় সতের বৎসর রামচন্দ্র ভাই ও ভাইয়ের পরিবারসহ বাঘনাপাড়ায় প্রকট ছিলেন।অতঃপর এই সিদ্ধ মহাত্মা প্রকট লীলা সাঙ্গ করবার মনোবাসনা ব্যক্ত করেন এবং ভাইকে বললেন=*
*🌷একদিন শচীরে কহেন প্রভু রাম।*
*🌷এদেহ ছাড়িব মুই পূর্ণ হোক কাম।।*
*🌷কৃষ্ণ বলরামে দেহ যুগল আরাম।*
*🌷মহোৎসব কর আজ পূর্ণ হোক কাম।।*
*(বংশী শিক্ষা )*
*অতঃপর শচীনন্দন বড় ভাইয়ের মনোভাব অনুযায়ী নামযজ্ঞের শুভ ব্যবস্থাদি করতে উদ্যোগী হলেন এবং বিভিন্ন শ্রীপাট হতে বৈষ্ণব মহান্তগণ সকলে সমবেত হলেন।নামযজ্ঞ সমাপনান্তে সকলে নগর সংকীর্তনে বাহির হলেন। তাঁর আরাধ্য দেবতা কানাই-বলাইকেও যথাযোগ্য মর্য্যাদা সহকারে শোভাযাত্রা করে পরিক্রমান্তে শ্রীঅঙ্গনে প্রত্যাবর্তন করলেন।সে রাত্রিটি ছিল বসন্ত কালের শুক্লপক্ষের যামিনী।চন্দ্রের স্নিগ্ধ এবং সুনির্মল কিরণে উৎসব প্রাঙ্গণে যেন অপরূপ সৌন্দর্যের সৃষ্টি হয়েছে।প্রাণের বিগ্রহদ্বয় সিংহাসনের উপর বসে রয়েছেন,সেবকবৃন্দ চামর ব্যজন করছেন এবং নাম কীর্তনে উৎসব প্রাঙ্গণ মুখরিত।এমনই একজন পরম শুভলগ্নে রামচন্দ্র প্রভু সেই উৎসব প্রাঙ্গণে এসে সকলের নিকট হতে জনে জনে বিদায় ভিক্ষা করলেন।এ যেন হরিদাসের নির্য্যাণের মত সমান কাহিনী। শ্রীবিগ্রহের সামনে করজোড়ে দাঁড়িয়ে থেকে এই মহাপুরুষ অন্তরের ষোলআনা আর্তি নিয়ে অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন এবং শ্রীকৃষ্ণ কর্ণামৃত হতে মহাপ্রভুর অতিপ্রিয় সেই শ্লোকটি পাঠ করতে লাগলেন, যথা=*
*🙏হে দেব দয়িত ভূবনৈক বন্ধো।*
*🙏হে কৃষ্ণ,হে চপল,হে করুনৈকসিন্ধো।।*
*🙏হে নাথ,হে রমণ,হে নয়নাভিরাম।*
*🙏হা-হা-কদানু ভবিতাসি পদং দৃশোর্মে।।"*
*🌹এইরকম বারবার আবৃতি করতে করতে শ্রীবিগ্রহের সামনে বসিলেন এবং নিজনেত্রভৃঙ্গ প্রভুদ্বয়ের চরণযুগলে স্থাপনা করে যেন ধীরে ধীরে অন্তর্মনা হয়ে যেতে লাগলেন। অশ্রু কম্প পুলক কদম্ব ইত্যাদি সাত্ত্বিক ভাবভূষণে ভূষিত হয়ে হঠাৎ বলে উঠলেন=*
*🌷শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু কাঁহা দয়াময়।*
*🌷নিত্যানন্দপ্রভু কাঁহা সদয় হৃদয়।।*
*🌷রাধাকৃষ্ণ রসরাজ কহিতে কহিতে।*
*🌷বৃন্দাবন প্রাপ্তি হইল নামের সহিতে।।*
*(বংশী শিক্ষা )*
*🍀এইভাবে হরিদাসের নির্য্যাণের মত এই মহাসাধক,মহাবৈষ্ণব যিনি ঠাকুর বংশীবদনের দ্বিতীয় কলেবর তাঁর প্রকট লীলা সাঙ্গ করলেন। এতদিন পর্যন্ত আমরা রামচন্দ্র বলতে রামচন্দ্র কবিরাজকেই জানতাম কিন্তু বৈষ্ণব জগতে এই রামচন্দ্র নামক যে আর একটি উজ্জ্বল তারকা ছিলেন তা না জানবার জন্য নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে।আশাকরি রামচন্দ্রপ্রভু এই অধমের অজ্ঞানতার জন্য তাকে মার্জনা করবেন।*
*🌹মহাপ্রভুর উত্তরসুরীদের মধ্যে যে কত উজ্জ্বল ভক্তিময় চরিত্র জীবজগতের কাছে অজানা রয়েছে তা ভাবলেও অবাক লাগে।এ যেন সমুদ্রের মত অতল এবং সীমাহীন এবং গভীর, এর অতল জলে যে কত মণিমুক্তা লুকিয়ে আছে তা একমাত্র বিভিন্ন বৈষ্ণবগ্রন্থ অনুশীলনের দ্বারাই জানা সম্ভব।মা জাহ্নবা যে দুইটি সন্তানকে প্রতিপালন করেছিলেন তা হতেই বুঝা যায় যে তিনি কে ছিলেন। তিনি যে কাম্যবনে শ্রীগোপীনাথ বিগ্রহের মধ্যে লীন হয়ে গিয়েছিলেন তার দ্বারাই তাঁর ভগবত্ত্বার পরিচয় অবিসংবাদিতভাবে স্বীকৃত।শ্রীনিবাস জনক চৈতন্যদাস নামকও যে আর এক মহাবৈষ্ণব ছিলেন।এক চৈতন্যদাস হচ্ছেন শ্রীনিবাস আচার্য্যের পিতা এবং এই চৈতন্যদাস হচ্ছেন বংশীবদন ঠাকুরের জ্যেষ্ঠ পুত্র।কানু ঠাকুর ও রামচন্দ্র প্রভুর ভক্তিময় জীবন অনুশীলন করলে দেখা যায় যে জন্ম হতেই তাঁদের উভয়ের জীবন নানা অলৌকিক ঘটনার সমাবেশে জড়িত।মা জাহ্নবা তাঁর সূক্ষ্ম দৃষ্টি দ্বারা যে এই দুইটি সন্তানকে প্রতিপালন করেছিলেন তা এতক্ষণে বেশ বুঝা যায় কারণ তিনি ছিলেন মানবীরূপী অনঙ্গমঞ্জরীর স্বরূপ।*
*🙏🙏সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণ🙏🙏*
*🙌শ্রীকানু ঠাকুরের স্মৃতিচারণ।*
*🌹মহাপ্রভুর একান্ত পার্ষদ ছিলেন =সদাশিব কবিরাজ।*
*🌹সদাশিব নন্দন হচ্ছেন=শ্রীপুরুষোত্তম ঠাকুর।*
*🌹শ্রীপুরুষোত্তম নন্দন হচ্ছেন=শ্রীকানু ঠাকুর।*
*🌹শ্রীপুরুষোত্তম হচ্ছেন দ্বাদশ গোপালের একজন।*
*🌹নিত্যানন্দ প্রভুর দ্বিতীয় পত্নীর নাম,শ্রীমা জাহ্নবা দেবী।*
*🌹অর্থ্যাৎ কানু ঠাকুরের পিতার নাম=শ্রীপুরুষোত্তম ঠাকুর।*
*🌹কানু ঠাকুরের মায়ের নাম=শ্রীমতী জাহ্নবা দেবী।*
*🌹কানু ঠাকুর যে মৃত ব্রাহ্মণ কুমারকে বাঁচিয়েছিলেন তাঁর নাম শ্রীরাম এবং এই রামের বংশধরগণ অদ্যাপি মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত গড়বেথায় কানু ঠাকুরের শ্রীপাটের সেবা পূজা চালিয়ে যাচ্ছেন।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
