শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৮৫. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_98.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     ꧁ ৮৫. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৮৫ কৃত্তিবাসী রামায়ণ সংক্ষেপে*
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
*🌻হনুমান মহামায়া মন্দিরে পক্ষীরূপে এসে মা মহামায়াকে বললেন,মহীরাবণ অন‍্যায়ভাবে শ্রীরাম ও লক্ষ্মণকে এনেছে, দ্বিপ্রহরে নরবলি দিবে,আপনি কি মহীকে এই আদেশ দিয়াছেন মা?আমি রামের কিঙ্কর, তখন মা মহামায়া বললেন,*
*☘মহাদেবী কহিছেন অতি সঙ্গোপনে।*
*☘পবিত্র হইল পুরী রাম-আগমনে।।*
*🌻এই মহী অশেষ পাপের পাপী।বহু দেব,দ্বিজ,ধর্ম  নষ্ট করেছে।এই নিশাচরদের বধ করতেই শ্রীরামের অবতার।তবে আমি যা বলি শুন, যখন শ্রীরামকে বলি দিতে আসবে,*
*☘রামেরে কহিবে কর দেবীরে প্রণাম।*
*☘প্রণাম না জানি যেন কহেন রাম।।*
*☘রাম কহিবেন শুন হে মহীরাবণ।*
*☘দেখাইয়া দেহ দেখি প্রণাম কেমন।।*
*🌻তারপর মহী যখন অষ্টাঙ্গে ভূমিতে পড়ে প্রণাম করবে, তুমি খড়্গ নিয়ে মহীকে কাটবে।এই কথাগুলি রামকে বলে দাও।এবার দেবীকে প্রণাম করে হনুমান চলে গেল, প্রভু রামকে সমস্ত কথা বললেন।এইসব কথা মহামায়া দেবী বলেছেন।তারপর দ্বিপ্রহরে মহী পূজার জন্য মন্দিরে এলো।দুইজনকে দেবীর দক্ষিণদিকে রাখে।হনুমান পক্ষীরূপে অলক্ষিতে সব দেখে।মহানন্দে মহী মহামায়ার পূজা আরম্ভ করল,নরবলি দিয়ে মহী অদ‍্য দেবী মহামায়ার অশেষ অনুগ্রহ পাবেন,তার এই বাসনা।শাণিত খড়্গটিও পূজা করিল মহীরাবণ।অতঃপর মহীরাবণ শ্রীরাম-লক্ষ্মণকে দেবী মহামায়াকে প্রণাম করতে বললে,তাঁরা দেবীর শিক্ষা প্রদত্ত বুদ্ধি অনুসারে বললেন,আমরা প্রণাম কি, প্রণাম কেমন করে করতে হয় জানিনা।কেমন করে প্রণাম করার রীতি মহীরাবণকে তা দেখিয়ে দিতে বললেন,মহীরাবণ যে মুহূর্তে স্বতঃপ্রবৃত্ত বশতঃ তা দেখাতে সাষ্টাঙ্গে মহামায়ার কাছে প্রণাম করলে,সেই মুহূর্তে হনুমান দেবীর হাতের খড়্গ নিয়ে তাঁর শিরশ্ছেদ করে তাকে দ্বি-খন্ডিত করলেন।🌻কে এই মহীরাবণ?শাপভ্রষ্ট গন্ধর্ব।পূর্বজন্মে তার নাম ছিল শত্রুধনু।বিষ্ণু সামনে তিনি নিত‍্য গীত করতেন।বিষ্ণু তার প‍্যতি অতি প্রীত ছিলেন।একদিন কি হল?অষ্টবক্রা-ঋষি বিষ্ণুর কাছে উপস্থিত হলেন।তাঁর বঙ্কিম(বাঁকা)তনুভঙ্গী দর্শন মাত্রই বিদ‍্যাধর শত্রুধনু সহাস‍্যে ব‍্যঙ্গ করিল এবং তাতে বিদ‍্যাধর শত্রুধনুর তাল ভঙ্গ হল।তাঁর উপহাস অষ্টাবক্র মুনির রোষের কারণ হল।সেই কারণ বশতঃ তিনি শত্রুধনুকে অভিশাপ দিলেন= "তোমার স্ব-রূপ স্খলিত হবে  এবং তুমি বিকট রাক্ষসরূপে পাতালে অবস্থান করবে।মুনি প্রদত্ত সেই অভিশাপ শুনে শত্রুধনু অনেক অনুনয় বিনয় করে মুনির কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করল।মুনি তখন সদয় হয়ে একমাত্র কৃপা করলেন যে,তিনি শ্রীরাম লক্ষ্মণকে হরণ করে আনবার জন‍্য হনুমানের হাতে মৃত‍্যুমুখে পতিত হয়ে শাপমুক্ত হবে*।
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
             *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন ⬇️⬇️⬇️
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৮৫. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_98.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     ꧁ ৮৫. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৮৫ কৃত্তিবাসী রামায়ণ সংক্ষেপে*
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
*🌻হনুমান মহামায়া মন্দিরে পক্ষীরূপে এসে মা মহামায়াকে বললেন,মহীরাবণ অন‍্যায়ভাবে শ্রীরাম ও লক্ষ্মণকে এনেছে, দ্বিপ্রহরে নরবলি দিবে,আপনি কি মহীকে এই আদেশ দিয়াছেন মা?আমি রামের কিঙ্কর, তখন মা মহামায়া বললেন,*
*☘মহাদেবী কহিছেন অতি সঙ্গোপনে।*
*☘পবিত্র হইল পুরী রাম-আগমনে।।*
*🌻এই মহী অশেষ পাপের পাপী।বহু দেব,দ্বিজ,ধর্ম  নষ্ট করেছে।এই নিশাচরদের বধ করতেই শ্রীরামের অবতার।তবে আমি যা বলি শুন, যখন শ্রীরামকে বলি দিতে আসবে,*
*☘রামেরে কহিবে কর দেবীরে প্রণাম।*
*☘প্রণাম না জানি যেন কহেন রাম।।*
*☘রাম কহিবেন শুন হে মহীরাবণ।*
*☘দেখাইয়া দেহ দেখি প্রণাম কেমন।।*
*🌻তারপর মহী যখন অষ্টাঙ্গে ভূমিতে পড়ে প্রণাম করবে, তুমি খড়্গ নিয়ে মহীকে কাটবে।এই কথাগুলি রামকে বলে দাও।এবার দেবীকে প্রণাম করে হনুমান চলে গেল, প্রভু রামকে সমস্ত কথা বললেন।এইসব কথা মহামায়া দেবী বলেছেন।তারপর দ্বিপ্রহরে মহী পূজার জন্য মন্দিরে এলো।দুইজনকে দেবীর দক্ষিণদিকে রাখে।হনুমান পক্ষীরূপে অলক্ষিতে সব দেখে।মহানন্দে মহী মহামায়ার পূজা আরম্ভ করল,নরবলি দিয়ে মহী অদ‍্য দেবী মহামায়ার অশেষ অনুগ্রহ পাবেন,তার এই বাসনা।শাণিত খড়্গটিও পূজা করিল মহীরাবণ।অতঃপর মহীরাবণ শ্রীরাম-লক্ষ্মণকে দেবী মহামায়াকে প্রণাম করতে বললে,তাঁরা দেবীর শিক্ষা প্রদত্ত বুদ্ধি অনুসারে বললেন,আমরা প্রণাম কি, প্রণাম কেমন করে করতে হয় জানিনা।কেমন করে প্রণাম করার রীতি মহীরাবণকে তা দেখিয়ে দিতে বললেন,মহীরাবণ যে মুহূর্তে স্বতঃপ্রবৃত্ত বশতঃ তা দেখাতে সাষ্টাঙ্গে মহামায়ার কাছে প্রণাম করলে,সেই মুহূর্তে হনুমান দেবীর হাতের খড়্গ নিয়ে তাঁর শিরশ্ছেদ করে তাকে দ্বি-খন্ডিত করলেন।🌻কে এই মহীরাবণ?শাপভ্রষ্ট গন্ধর্ব।পূর্বজন্মে তার নাম ছিল শত্রুধনু।বিষ্ণু সামনে তিনি নিত‍্য গীত করতেন।বিষ্ণু তার প‍্যতি অতি প্রীত ছিলেন।একদিন কি হল?অষ্টবক্রা-ঋষি বিষ্ণুর কাছে উপস্থিত হলেন।তাঁর বঙ্কিম(বাঁকা)তনুভঙ্গী দর্শন মাত্রই বিদ‍্যাধর শত্রুধনু সহাস‍্যে ব‍্যঙ্গ করিল এবং তাতে বিদ‍্যাধর শত্রুধনুর তাল ভঙ্গ হল।তাঁর উপহাস অষ্টাবক্র মুনির রোষের কারণ হল।সেই কারণ বশতঃ তিনি শত্রুধনুকে অভিশাপ দিলেন= "তোমার স্ব-রূপ স্খলিত হবে  এবং তুমি বিকট রাক্ষসরূপে পাতালে অবস্থান করবে।মুনি প্রদত্ত সেই অভিশাপ শুনে শত্রুধনু অনেক অনুনয় বিনয় করে মুনির কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করল।মুনি তখন সদয় হয়ে একমাত্র কৃপা করলেন যে,তিনি শ্রীরাম লক্ষ্মণকে হরণ করে আনবার জন‍্য হনুমানের হাতে মৃত‍্যুমুখে পতিত হয়ে শাপমুক্ত হবে*।
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
             *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন ⬇️⬇️⬇️
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


গৃহীসন্ন্যাসী তুকারাম ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_91.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                   ꧁ গৃহীসন্ন্যাসী তুকারাম ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
গৃহীসন্ন্যাসী তুকারামের সংসারের দিকে কোন লক্ষ্য নেই। সব সময় জপতপ, সাধনভজন, নামকীর্তন আর অধ্যাত্ম চিন্তায় মগ্ন হয়ে থাকেন। সংসারে অন্নসংস্থানের কোন ব্যবস্থা নেই। ছেলেমেয়েদের মানুষ করার কোন চেষ্টা নেই। নিজেদেরই কোনরকমে দিন চলে। তার উপর বাড়িতে ভক্ত ও অতিথি অভ্যাগদের ভিড় লেগেই আছে। সংসারের সব জ্বালা সইতে হয় স্ত্রী জিজাকে। স্বামীর অধ্যাত্বসাধনার মর্ম তিনি কিছু বুঝতে পারেন না। তাই স্বামীকে তাঁর এই ঔদাসীন্য ও বৈরাগ্যের জন্য প্রায়ই ভৎসনা করেন জিজা। 
একদিন স্ত্রীর কথার জ্বালা সহ্য করতে না পেরে গ্রাম হতে কিছুদূরে এক নির্জন অরণ্যে গিয়ে সেখানে একটা কুটীর বেঁধে সাধন ভজন করতে লাগলেন তুকা। 
এদিকে স্বামী ঘরে না ফেরায় স্ত্রী জিজার মনে অনুতাপ জাগল। তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরে ভাবলেন, স্বভাবতই যিনি সংসারে অনাসক্ত ও বিষয়বাসনাহীন, ইষ্টদেবের চরণে মনপ্রাণ যার নিঃশেষে সমর্পিত, তাঁকে সংসারে আসক্ত করার চেষ্টা বৃথা। তার চেয়ে তিনি বরং ঘরে থেকেই সাধন ভজন করুন। নিজের মতে চলুন। 
এই সব কথা চিন্তা করে জিজা বনের মধ্যে তুকার কাছে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে ক্ষমা চাইলেন। বললেন, তুমি ঘরে ফিরে চল। ঘরে থেকেই সাধন ভজন করো। আমি শপথ করে বলছি তোমার কোন কাজে বাধা দেব না।  
তুকা স্ত্রীর স্বভাব জানেন। আজ তাঁর হৃদয়ে অনুতাপ জেগেছে ঠিক কিন্তু দুদিন চুপ করে থাকার পর আবার তিনি ক্রোধে ফেটে পড়বেন। তাই তিনি শান্ত কণ্ঠে স্ত্রীকে বুঝিয়ে বললেন, দেখ, তোমার আমার দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়। সুতরাং আবার অশান্তি হবেই। তার চেয়ে আমি নির্জনে থেকেই সাধনা করি। তোমাদের যা করে হোক চলে যাবে। তুমি আমায় মুক্তি দাও। 
কিন্তু স্ত্রী আবার কান্নায় ভেঙে পড়লেন। তিনি স্বামীকে না নিয়ে যাবেন না। তাই অগত্যা ঘরে ফিরে গেলেন তুকা। 
তুকা চান তাঁর স্ত্রীও তাঁর মত সব সংসার চিন্তা ঝেড়ে ফেলে 'বিঠোবাজী'র চরণে নিজেকে সঁপে দিন। তাঁর মত সাধন ভজনে মত্ত হয়ে থাকুন। তাই স্ত্রীকে উপদেশ দিতে লাগলেন। তিনি বললেন, সংসারের মায়া এবার ছাড়। সংসারকে যতই আঁকড়ে ধর সংসার তোমাকে ধরা দেবে না। তা সরে সরেই যাবে। তার চেয়ে সব কিছু বিলিয়ে দিয়ে সব ছেড়ে পরমবস্তু আমার বিঠোবাজীকে ধরো। তাঁর চরণে সঁপে দাও নিজেকে। দেখবে পরম শান্তি পাবে। সব জ্বালা যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে। 
তখনকার মত স্বামীর কথাগুলি মেনে নিলেন জিজা। তাঁরও মধ্যে তখন জাগল ভক্তিভাবের আবেশ। প্রাণে উদয় হলো মোহমুক্তির এক নিবিড় আকুতি। 
স্ত্রীর এই ভাবান্তর লক্ষ্য করে তুকা উৎসাহিত হয়ে বললেন, এস আমাদের সংসারের জিনিসপত্র দীনদুঃখীদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে হালকা হই। এই সব পার্থিব ভোগ্যবস্তু সাধনার পথে একান্ত অন্তরায়। 
জিজা সম্মতি দিলেন। তুকা তখন ঘরের সব জিনিস গরীব দুঃখীদের দান করতে লাগলেন। সব শেষে যখন স্ত্রীর একটি ছেঁড়া কাপড় দান করতে গেলেন তখন তাঁর স্ত্রী আর থাকতে পারলেন না। তিনি আর সহ্য করতে পারলেন না। তিনি তখন ঘরের কোণে যে একগাছি আখ ছিল তা নিয়ে স্বামীর পিঠে সজোরে প্রহার করতে লাগলেন।
তুকা নীরবে বসে পড়লেন। সমানে সব প্রহার সহ্য করে গেলেন। গোটা আখটি পিঠের উপর দু'খণ্ড হয়ে গেল। জিজার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এল। কিন্তু তারা ব্যাপারটি বুঝবার আগেই তুকারাম স্মিত হাসি হেসে আখের খণ্ডদুটি হাতে নিয়ে বললেন, দু'খণ্ড আখ আমাদের দরকার হওয়ায় হঠাৎ একটা অজুহাত সৃষ্টি করে এটাকে দু'খণ্ড করে নিল। 
প্রতিবেশীরা বুঝতে পারল, বৈরাগ্য ও ভক্তিসিদ্ধ  তুকার কামনা ও ক্রোধ বলে কোন জিনিস নেই অন্তরে। তিনি এক মহা সিদ্ধপুরুষ।
লোহাগাঁও এর সিবাবা কাসার নামে একটি লোক তুকার ভাগবত জীবনের প্রকৃত স্বরূপ বুঝতে পেরে তাঁর শরণাপন্ন হন। কিন্তু কাসারের স্ত্রী বড় উদ্ধত প্রকৃতির। সে ভাবল, তুকারামের প্রভাবে একবার পড়লে তার স্বামী আর ব্যবসার কাজে মন দেবে না। নামগানে মত্ত হয়ে বিষয় আশয় সব ছেড়ে দেবে‌। সুতরাং এ বিপদ হতে উদ্ধার হতে হলে তুকারামের প্রাণনাশ করা দরকার। এজন্য সে চেষ্টা করতে থাকে। 
একদিন তুকারাম কাসারের বাড়িতে কীর্তন করতে আসেন। কীর্তন শেষে তিনি ভক্ত ও শিষ্যগণসহ বাড়ির বাইরে এসে দাঁড়ান। এমন সময় কাসারের স্ত্রী বাড়ির ছাদ থেকে এক হাঁড়ি ফুটন্ত গরম জল তুকারামের গায়ে ঢেলে দেয়। ফলে তাঁর সারা শরীরে ফোসকা পড়ে যায়। পরে ঘা হয়ে যায়। সেই ঘায়ে বহুদিন তাঁকে ভুগতে হয়। 
তুকা কিন্তু নীরবে সব সহ্য করলেন‌‌। মোটেই ক্রুদ্ধ হলেন না। তিনি সকলকে কাসারের স্ত্রীকে কোনোরূপ তিরস্কার করতে বা কটুবাক্য বলতে নিষেধ করলেন। তুকার এই আশ্চর্যজনক সহনশক্তি ও মহানুভবতা দেখে অনুতপ্ত হলো কাসারপত্নী। সে অনুতপ্ত হয়ে তুকার চরণে আত্মসমর্পণ করল। 
এইভাবে তুকার এই উদার ও সহজ ভক্তিসাধনায় মুগ্ধ হয়ে বহু মুমুক্ষু ব্যক্তি এসে তাঁর চরণে আশ্রয় নেয়। দিনে দিনে বেড়ে যেতে থাকে ভক্ত শরণাগতের সংখ্যা। তাদের মধ্যে ছিল অনেক ধনী ও প্রভাব প্রতিপত্তিশালী ব্যক্তি। 
একদিন কয়েকজন ধনী ভক্ত তুকার সংসারের দুঃখ দৈন্য দেখে মনে ব্যথা পেয়ে তাঁকে প্রশ্ন করেন, আপনার এই কৃচ্ছ্রব্রত কেন? সাধন-পথে এই সব দুঃখ-দারিদ্র্যের কি সত্যিই কোন প্রয়োজন আছে? 
তুকারাম বললেন, এই সব দুঃখ দারিদ্র্য অভিশাপ নয়, তা হলো ঈশ্বরের আশীর্বাদ। সমস্ত
ভোগ ঐশ্বর্যের আবরণ ঘুচিয়ে প্রভু তাঁর ভক্তকে এই দৈন্যদুঃখের পথেই টেনে নেন তাঁর কাছে। তাই সুখস্বাচ্ছন্দ্যের পথে তাঁর প্রিয়তম ভক্তকে চলতে দেন না প্রভু। সাংসারিক স্নেহপ্রেমের সব বন্ধনকেও তিনি ছিন্ন করে দেন। তিনি জানেন, অর্থ ধন ঐশ্বর্য বাড়লে মনে অহংকার অভিমান জাগবে। তাই বরাবর চৈতন্যময় দারিদ্র্যের আঘাত হানেন তার উপর। দৈনময় জীবনের মধ্য দিয়ে ভক্তসাধক তাঁর ইষ্টদেব স্বরূপ প্রাপ্ত হন। তিনি তখন ইষ্টদেবের মতন পরম জ্ঞানী ও শক্তিধর হয়ে ওঠেন।
তুকারাম এই অভঙ্ পদে লেখেন, ভাই, নিরন্তর গোবিন্দের নাম জপ করে যাও। ফলে তুমিও হয়ে উঠবে গোবিন্দস্বরূপ। তোমার আর তোমার প্রভুর মধ্যে সব পার্থক্যই ঘুচে যাবে। পরমানন্দের আলোয় ঝলমল হয়ে উঠবে তোমার চিত্ত। প্রেমের অশ্রুধারায় নয়ন প্লাবিত হবে। 
আর একটি পদে বলেন, নিজেকে ক্ষুদ্র বলে ভাবছ কেন? তুমি যে এই বিশ্বসৃষ্টির মতই মহান। এই মুহূর্তেই পার্থিব জীবনের গণ্ডিকে অপসারিত করে দাও। নিজেকে বদ্ধ ও ক্ষুদ্র ভাবছ বলেই আঁধারে ডুবে আছ। তাইত তোমার জীবন হয়ে উঠেছে দুঃখময়। 
তুকার এই সব বাণী শুনে মুমুক্ষু ধর্মপিপাসু অসংখ্য নরনারী এক নূতন আশ্বাসে উদ্দীপিত হয়ে ওঠে। 
এইভাবে সাধনার দীর্ঘ পথ পরিক্রমা যতই শেষ হয়ে আসে, ততই ভক্তিভাবের মাধুর্যে ও আধ্যাত্মিক ঐশ্বর্যে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে তাঁর চিত্ত।
এই সময়কার অভিজ্ঞতা তিনি একটি অভঙ্ পদে লিখে যান, ওগো, আজ আমি ভগবানের শ্রীমুখ দর্শন করে অপার অফুরন্ত আনন্দ লাভ করেছি। সেই শ্রীমুখে আমার নয়ন রয়েছে কেন্দ্রীভূত, আমার হাত দুটি স্পর্শ করে আছে তাঁর শ্রীচরণ। একবার তাঁর দর্শন লাভ হলে সব পাপ দূর হয়ে যায়। তাই ত আনন্দের এক স্তর থেকে অন্য স্তরে ঘটছে আমার উত্তরণ।
ইষ্টদর্শন লাভ করে মৃত্যুভয় হতে মুক্ত হন তুকারাম। বার্ধক্য আর জরাব্যধিতে জর্জরিত হয় না তাঁর দেহ। পরমপুরুষে বহুপ্রার্থিত পরমপদ লাভ করে তিনি হন শাশ্বত ও সীমাহীন ঐশ্বর্যের অধিকারী। তিনি হন ধন্য, আর তাঁর সকল প্রয়াস হয় সার্থক। 
তুকারামের ভক্তিসাধনায় সিদ্ধির খ্যাতি আর নানা বিভূতির কাহিনী এবার দূর দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে লোকমুখে। ফলে অজস্র দর্শনার্থী ও মুমুক্ষু
নরনারীর ভিড় বাড়তে থাকে তাঁর চারদিকে।
বহু ভক্ত সব সময় ঘিরে থাকে তাঁকে। 
একদিন লোহাগাঁও নামে এক জায়গায় নামকীর্তনে মত্ত হয়ে আছেন তুকা। এমন সময় এক নারী তার মৃত পুত্রকে কোলে নিয়ে এসে তুকার সামনে মৃতদেহটি রেখে চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। 
এই সকরুণ দৃশ্য দেখে তুকা কীর্তন থামিয়ে সেই দিকে নীরবে চেয়ে রইলেন। পুত্রশোকাতুরা মাতা তখন কাতরকন্ঠে বলতে লাগল, বাবা, আমার ছেলের প্রাণ ফিরিয়ে দাও, এ দুঃখিনীকে বাঁচতে দাও। বিঠোবাজীর সত্যিকারের ভক্ত যদি হও, তাহলে আমার ছেলের প্রাণ অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে পারবে। আর যদি না পার, তাহলে বুঝব প্রভুর উদ্দেশ্যে যত কিছু নামকীর্তন করছ তা সব অর্থহীন। এ সবই তোমার ভণ্ডামি।
শোকাকুলা নারীর আর্ত ক্রন্দন শুনে করুণায় বিগলিত হয়ে উঠল তুকার অন্তর। অশ্রু ঝরে পড়তে লাগল গণ্ড বেয়ে। তিনি ধীর পদক্ষেপে এগিয়ে গেলেন মৃত বালকের দিকে। তারপর তার দেহ স্পর্শ করলেন। সঙ্গে সঙ্গে দেখা গেল প্রাণসঞ্চার হচ্ছে মৃতদেহে। দুচোখ মেলে তাকাল মৃত বালক। এই অভাবনীয় অলৌকিক দৃশ্য দেখে বিস্ময়বিমিশ্রিত আনন্দে অভিভূত ও উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠল সমবেত জনতা। ভক্ত সাধক তুকারাম ও প্রভু বিঠোবাজীর জয়ধ্বনিতে কম্পিত হয়ে উঠল লোহাগাঁওএর আকাশ বাতাস। সকালে বুঝতে পারল, তুকারাম কত বড় সাধক আর কি বিপুল আধ্যাত্ম শক্তির অধিকারী হয়েছেন তিনি। 
একদিন এক বিশিষ্ট ভক্ত প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা আপনার এই অলৌকিক শক্তির উৎস কোথায়? কি করে পেলেন এই শক্তি? 
একটি অভঙ্-এর মাধ্যমে এর উত্তর দেন  তুকারাম, ভক্তির রসসাগরে নিহিত আছে কত অমূল্য মণিমুক্তা, ভাগবত করুণার কত ঐশ্বর্য্য।
ভক্তি আর সেবা দিয়ে ভক্ত প্রভুর ভৃত্য হয়েও রাজার মত শক্তিমান ও অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়ে। তখন সে যা চায় তাই পায়। তখন সে রাজার মত সিংহাসনে বসে নিচের দিকে তাকিয়ে সবাইকে দেখে। ওগো, বিশ্বাস আর শরণাগতির জোরেই তুকা পেয়েছে তার সিংহাসন। তাই ত মানুষ শ্রদ্ধার অর্ঘ্য নিবেদন করছে তাকে। 
ঈশ্বরকে জীবনের সবকিছু সমর্পন করেও নির্জনে নিভৃতে দিনরাত ঈশ্বরচিন্তায় মগ্ন হয়ে থাকেন না। তাঁর ঘরে সব সময় অজস্র নরনারীর ভিড় লেগে থাকে। আর তুকা তাদের সকলকে উপদেশ দিয়ে মুক্তিপথের নির্দেশ দেন। তিনি তাদের সকলের কল্যাণের জন্য তার সাধনলব্ধ সমস্ত ঐশ্বর্য অকাতরে বিলিয়ে দেন।
একদিন এক দর্শনার্থী তুকাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি একটি অভঙ্এর মাধ্যমে এর উত্তর দেন। 
সংসারকে এড়িয়ে কোথায় আমি পালাব বল
ত? যে দিকেই চাই, দেখি প্রভু আমার বিরাজ করছেন সেখানেই। এ কি তাঁর অদ্ভুত লীলা।
নির্জনতা থেকে আমি বঞ্চিত হলেও তিনি ছাড়া
কোন স্থানই আমি দেখতে পাই না।
সিদ্ধপুরুষ তুকার খ্যাতি আরও বেড়ে যায়। তাঁর শত শত ভক্তিমূলক অভঙ্ গান সমাজের উচ্চ নীচ সকল স্তরে প্রচারিত হয়। বিশেষ করে তাঁর ভক্তিমূলক সহজ ধর্মসাধনা এক প্রবল আত্মবিশ্বাস ও আত্মশক্তি জাগিয়ে তোলে নিম্নশ্রেণীর ও সাধারণ মারাঠীদের মধ্যে। সমাজের নিম্নশ্রেণীর ও সাধারণ মানুষের এই জাগরণ বিশেষ সহায়ক হয়ে ওঠে মারাঠী জাতির সংগঠন ও পুনরুজ্জীবনের ক্ষেত্রে।মহারাষ্ট্র সাহিত্যের বিরাট সম্ভাবনার বীজ তুকার অভঙ্ পদগুলির মধ্যেই যে নিহিত ছিল, সেকথা
রাণাডে প্রমূখ গুণীজন মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করেন।
তুকারামের অসংখ্য ভক্ত ও শিষ্যের মধ্যে যারা চারিত্রিক মহত্ত্ব ও গুরুভক্তির জোরে সাধনায় সাফল্য লাভ করে স্বনামধন্য হয়ে ওঠেন তাঁরা হলেন নিলোবা, সন্তজী তেলী, গঙ্গারাম মাভল, রামেশ্বর ভট্ট, সিবাবা কাসার, বাহিনাবাঈ প্রভৃতি।
তুকারাম ছিলেন ঈশ্বরকোটির সাধক। তাই সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেও এই সিদ্ধপুরুষ সব সময় মানুষের কল্যাণ সাধনের কথা ভাবতেন, তাদের ত্রিতাপজ্বালা হতে চিরতরে মুক্ত করতে চাইতেন। অসংখ্য ভক্ত ও শিষ্যদের দিয়ে দেহু ও লোহাগাঁওয়ে নামকীর্তন করে বেড়াতেন সাধারণ মানুষের মধ্যে ভক্তিভাব জাগাবার জন্য। 
মারাঠা বীর শিবাজীর অন্যতম আবাসস্থল পুণা এই দেহু ও লোহাগাঁও-এর মধ্যেই অবস্থিত।
বয়সে তখন তরুণ তিনি ধর্মরাজ্য স্থাপনের স্বপ্ন দেখেন এবং স্বপ্ন ক্রমে সংকল্পে পরিণত হয়।
এই সময় মহারাষ্ট্রে সিদ্ধপুরুষ তুকারামের খ্যাতির কথা শুনে তাঁর সঙ্গে মাঝে মাঝে সাক্ষাৎ করতে আসতেন এবং ধর্ম ও রাজনীতির বিষয়ে আলোচনা করতেন।
তুকা কিন্তু শিবাজীকে নিজে দীক্ষা না দিয়ে তাঁকে রামদাস স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেন। কারণ তিনি বুঝেছিলেন, তাঁদের দুজনের সাধনপথ ও আধ্যাত্ম-দর্শন এক নয়। পরে শিবাজী তুকার নির্দেশ অনুসারে কর্মযোগী রামদাসের কাছেই দীক্ষা গ্রহণ করে সাফল্যলাভ করেন। 
সেই সময় গুরু রামদাস কৃষ্ণা নদীর তীরে কুটীর বেঁধে সেখানেই সাধনা করতেন আর তুকারাম বেশীর ভাগ সময় থাকতেন পানচনপুরে বিঠোবাজীর মন্দিরে। একবার রামদাস নিজে পানচনপুরের মন্দিরে এসে তুকার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দর্শনের সঙ্গে সঙ্গেই দুজনের অধ্যাত্মশক্তি ও সম্পদের কথা বুঝতে পারেন। দুজনেই ভাবাবিষ্ট হয়ে পড়েন। দুজনেই মৌন অবস্থায় আপন আপন অধ্যাত্মভাব ও তত্ত্বোপলব্ধির কথা কয়েকটি মুদ্রার মাধ্যমে প্রকাশ করেন। 
সেদিন ছিল ১৬৫০ খ্রীষ্টাব্দের ফাল্গুন মাসের একটি দিন। দেহু গ্ৰামের সাধন কুটীরে বসে তুকা সহসা শুনতে পেলেন স্বর্গলোকের আহ্বান।
তাঁর চির-আরাধ্য পরম প্রাণপ্রভু বিঠোবাজী আজ যেন তাঁকে হাতছানি দিয়ে ডাকছেন।
একটি অভঙ্ পদে তুকা তাঁর তখনকার মনের ভাব ও অনুভূতিটি ব্যক্ত করেন, ওগো, দিন-রাতের মধ্যে আজ আমি কোনো পার্থক্যই খুঁজে পাই না। নিখিল বিশ্বে ওতপ্রোত হয়ে আছে শুধু আলোকের এক মহা-উদ্ভাসন। সেই আলোকোদ্ভাসের প্লাবনে সব ভেদ দূরীভূত হয়ে যায় নিঃশেষে। প্রভু ও ভৃত্য, ইষ্ট ও ভক্ত, স্বর্গ ও মর্ত্য, আত্মা ও পরমাত্মা সব একাকার হয়ে যায়। দিব্যদৃষ্টি দিয়ে তিনি তখন আরও দেখলেন সারা বিশ্বজগতে জন্ম মৃত্যু আবির্ভাব তিরোভাব বলে কিছু নেই। বিশ্বের সর্ব ভূতে সকল বস্তুতে এক আত্মা প্রলয়কালীন মহাপ্লাবনের মত ব্যাপ্ত হয়ে আছে। এই আত্মাই হলো ঈশ্বর, ঈশ্বরের পরম সত্তা, পরমাত্মা।
তুকা বললেন, দেখছি, ঈশ্বরই সব কিছুর দাতা, আবার তিনিই ভোক্তা। আমাদের অনুভূতিও তাঁরই দান। ভাষা ও কণ্ঠও তাঁরই দান। সুতরাং কি ভোগ করব, কি প্রকাশ করব? 
সব শেষে তুকা দেখলেন একমাত্র ভেদের প্রাচীর হচ্ছে এই মরদেহ। এবার মহোন্মত্ত কীর্তনের মাঝে তিনি লোকচক্ষুর অন্তরালে অদৃশ্য হয়ে গেলেন। আজ তিনি লাভ করলেন তার পরমপ্রভু পরমেশ্বর বিঠোবাজীর প্রেমসেবা। 
এদিকে অগণিত ভক্ত ও শিষ্যের মুখের উপর নেমে আসলো ঘন ছায়া বিষাদের। সকলের চোখে প্রবাহিত হল শ্রাবণের বারিধার। 😭😭

(সংগৃহীত)

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



গৃহীসন্ন্যাসী তুকারাম ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_91.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                   ꧁ গৃহীসন্ন্যাসী তুকারাম ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
গৃহীসন্ন্যাসী তুকারামের সংসারের দিকে কোন লক্ষ্য নেই। সব সময় জপতপ, সাধনভজন, নামকীর্তন আর অধ্যাত্ম চিন্তায় মগ্ন হয়ে থাকেন। সংসারে অন্নসংস্থানের কোন ব্যবস্থা নেই। ছেলেমেয়েদের মানুষ করার কোন চেষ্টা নেই। নিজেদেরই কোনরকমে দিন চলে। তার উপর বাড়িতে ভক্ত ও অতিথি অভ্যাগদের ভিড় লেগেই আছে। সংসারের সব জ্বালা সইতে হয় স্ত্রী জিজাকে। স্বামীর অধ্যাত্বসাধনার মর্ম তিনি কিছু বুঝতে পারেন না। তাই স্বামীকে তাঁর এই ঔদাসীন্য ও বৈরাগ্যের জন্য প্রায়ই ভৎসনা করেন জিজা। 
একদিন স্ত্রীর কথার জ্বালা সহ্য করতে না পেরে গ্রাম হতে কিছুদূরে এক নির্জন অরণ্যে গিয়ে সেখানে একটা কুটীর বেঁধে সাধন ভজন করতে লাগলেন তুকা। 
এদিকে স্বামী ঘরে না ফেরায় স্ত্রী জিজার মনে অনুতাপ জাগল। তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরে ভাবলেন, স্বভাবতই যিনি সংসারে অনাসক্ত ও বিষয়বাসনাহীন, ইষ্টদেবের চরণে মনপ্রাণ যার নিঃশেষে সমর্পিত, তাঁকে সংসারে আসক্ত করার চেষ্টা বৃথা। তার চেয়ে তিনি বরং ঘরে থেকেই সাধন ভজন করুন। নিজের মতে চলুন। 
এই সব কথা চিন্তা করে জিজা বনের মধ্যে তুকার কাছে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে ক্ষমা চাইলেন। বললেন, তুমি ঘরে ফিরে চল। ঘরে থেকেই সাধন ভজন করো। আমি শপথ করে বলছি তোমার কোন কাজে বাধা দেব না।  
তুকা স্ত্রীর স্বভাব জানেন। আজ তাঁর হৃদয়ে অনুতাপ জেগেছে ঠিক কিন্তু দুদিন চুপ করে থাকার পর আবার তিনি ক্রোধে ফেটে পড়বেন। তাই তিনি শান্ত কণ্ঠে স্ত্রীকে বুঝিয়ে বললেন, দেখ, তোমার আমার দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়। সুতরাং আবার অশান্তি হবেই। তার চেয়ে আমি নির্জনে থেকেই সাধনা করি। তোমাদের যা করে হোক চলে যাবে। তুমি আমায় মুক্তি দাও। 
কিন্তু স্ত্রী আবার কান্নায় ভেঙে পড়লেন। তিনি স্বামীকে না নিয়ে যাবেন না। তাই অগত্যা ঘরে ফিরে গেলেন তুকা। 
তুকা চান তাঁর স্ত্রীও তাঁর মত সব সংসার চিন্তা ঝেড়ে ফেলে 'বিঠোবাজী'র চরণে নিজেকে সঁপে দিন। তাঁর মত সাধন ভজনে মত্ত হয়ে থাকুন। তাই স্ত্রীকে উপদেশ দিতে লাগলেন। তিনি বললেন, সংসারের মায়া এবার ছাড়। সংসারকে যতই আঁকড়ে ধর সংসার তোমাকে ধরা দেবে না। তা সরে সরেই যাবে। তার চেয়ে সব কিছু বিলিয়ে দিয়ে সব ছেড়ে পরমবস্তু আমার বিঠোবাজীকে ধরো। তাঁর চরণে সঁপে দাও নিজেকে। দেখবে পরম শান্তি পাবে। সব জ্বালা যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে। 
তখনকার মত স্বামীর কথাগুলি মেনে নিলেন জিজা। তাঁরও মধ্যে তখন জাগল ভক্তিভাবের আবেশ। প্রাণে উদয় হলো মোহমুক্তির এক নিবিড় আকুতি। 
স্ত্রীর এই ভাবান্তর লক্ষ্য করে তুকা উৎসাহিত হয়ে বললেন, এস আমাদের সংসারের জিনিসপত্র দীনদুঃখীদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে হালকা হই। এই সব পার্থিব ভোগ্যবস্তু সাধনার পথে একান্ত অন্তরায়। 
জিজা সম্মতি দিলেন। তুকা তখন ঘরের সব জিনিস গরীব দুঃখীদের দান করতে লাগলেন। সব শেষে যখন স্ত্রীর একটি ছেঁড়া কাপড় দান করতে গেলেন তখন তাঁর স্ত্রী আর থাকতে পারলেন না। তিনি আর সহ্য করতে পারলেন না। তিনি তখন ঘরের কোণে যে একগাছি আখ ছিল তা নিয়ে স্বামীর পিঠে সজোরে প্রহার করতে লাগলেন।
তুকা নীরবে বসে পড়লেন। সমানে সব প্রহার সহ্য করে গেলেন। গোটা আখটি পিঠের উপর দু'খণ্ড হয়ে গেল। জিজার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এল। কিন্তু তারা ব্যাপারটি বুঝবার আগেই তুকারাম স্মিত হাসি হেসে আখের খণ্ডদুটি হাতে নিয়ে বললেন, দু'খণ্ড আখ আমাদের দরকার হওয়ায় হঠাৎ একটা অজুহাত সৃষ্টি করে এটাকে দু'খণ্ড করে নিল। 
প্রতিবেশীরা বুঝতে পারল, বৈরাগ্য ও ভক্তিসিদ্ধ  তুকার কামনা ও ক্রোধ বলে কোন জিনিস নেই অন্তরে। তিনি এক মহা সিদ্ধপুরুষ।
লোহাগাঁও এর সিবাবা কাসার নামে একটি লোক তুকার ভাগবত জীবনের প্রকৃত স্বরূপ বুঝতে পেরে তাঁর শরণাপন্ন হন। কিন্তু কাসারের স্ত্রী বড় উদ্ধত প্রকৃতির। সে ভাবল, তুকারামের প্রভাবে একবার পড়লে তার স্বামী আর ব্যবসার কাজে মন দেবে না। নামগানে মত্ত হয়ে বিষয় আশয় সব ছেড়ে দেবে‌। সুতরাং এ বিপদ হতে উদ্ধার হতে হলে তুকারামের প্রাণনাশ করা দরকার। এজন্য সে চেষ্টা করতে থাকে। 
একদিন তুকারাম কাসারের বাড়িতে কীর্তন করতে আসেন। কীর্তন শেষে তিনি ভক্ত ও শিষ্যগণসহ বাড়ির বাইরে এসে দাঁড়ান। এমন সময় কাসারের স্ত্রী বাড়ির ছাদ থেকে এক হাঁড়ি ফুটন্ত গরম জল তুকারামের গায়ে ঢেলে দেয়। ফলে তাঁর সারা শরীরে ফোসকা পড়ে যায়। পরে ঘা হয়ে যায়। সেই ঘায়ে বহুদিন তাঁকে ভুগতে হয়। 
তুকা কিন্তু নীরবে সব সহ্য করলেন‌‌। মোটেই ক্রুদ্ধ হলেন না। তিনি সকলকে কাসারের স্ত্রীকে কোনোরূপ তিরস্কার করতে বা কটুবাক্য বলতে নিষেধ করলেন। তুকার এই আশ্চর্যজনক সহনশক্তি ও মহানুভবতা দেখে অনুতপ্ত হলো কাসারপত্নী। সে অনুতপ্ত হয়ে তুকার চরণে আত্মসমর্পণ করল। 
এইভাবে তুকার এই উদার ও সহজ ভক্তিসাধনায় মুগ্ধ হয়ে বহু মুমুক্ষু ব্যক্তি এসে তাঁর চরণে আশ্রয় নেয়। দিনে দিনে বেড়ে যেতে থাকে ভক্ত শরণাগতের সংখ্যা। তাদের মধ্যে ছিল অনেক ধনী ও প্রভাব প্রতিপত্তিশালী ব্যক্তি। 
একদিন কয়েকজন ধনী ভক্ত তুকার সংসারের দুঃখ দৈন্য দেখে মনে ব্যথা পেয়ে তাঁকে প্রশ্ন করেন, আপনার এই কৃচ্ছ্রব্রত কেন? সাধন-পথে এই সব দুঃখ-দারিদ্র্যের কি সত্যিই কোন প্রয়োজন আছে? 
তুকারাম বললেন, এই সব দুঃখ দারিদ্র্য অভিশাপ নয়, তা হলো ঈশ্বরের আশীর্বাদ। সমস্ত
ভোগ ঐশ্বর্যের আবরণ ঘুচিয়ে প্রভু তাঁর ভক্তকে এই দৈন্যদুঃখের পথেই টেনে নেন তাঁর কাছে। তাই সুখস্বাচ্ছন্দ্যের পথে তাঁর প্রিয়তম ভক্তকে চলতে দেন না প্রভু। সাংসারিক স্নেহপ্রেমের সব বন্ধনকেও তিনি ছিন্ন করে দেন। তিনি জানেন, অর্থ ধন ঐশ্বর্য বাড়লে মনে অহংকার অভিমান জাগবে। তাই বরাবর চৈতন্যময় দারিদ্র্যের আঘাত হানেন তার উপর। দৈনময় জীবনের মধ্য দিয়ে ভক্তসাধক তাঁর ইষ্টদেব স্বরূপ প্রাপ্ত হন। তিনি তখন ইষ্টদেবের মতন পরম জ্ঞানী ও শক্তিধর হয়ে ওঠেন।
তুকারাম এই অভঙ্ পদে লেখেন, ভাই, নিরন্তর গোবিন্দের নাম জপ করে যাও। ফলে তুমিও হয়ে উঠবে গোবিন্দস্বরূপ। তোমার আর তোমার প্রভুর মধ্যে সব পার্থক্যই ঘুচে যাবে। পরমানন্দের আলোয় ঝলমল হয়ে উঠবে তোমার চিত্ত। প্রেমের অশ্রুধারায় নয়ন প্লাবিত হবে। 
আর একটি পদে বলেন, নিজেকে ক্ষুদ্র বলে ভাবছ কেন? তুমি যে এই বিশ্বসৃষ্টির মতই মহান। এই মুহূর্তেই পার্থিব জীবনের গণ্ডিকে অপসারিত করে দাও। নিজেকে বদ্ধ ও ক্ষুদ্র ভাবছ বলেই আঁধারে ডুবে আছ। তাইত তোমার জীবন হয়ে উঠেছে দুঃখময়। 
তুকার এই সব বাণী শুনে মুমুক্ষু ধর্মপিপাসু অসংখ্য নরনারী এক নূতন আশ্বাসে উদ্দীপিত হয়ে ওঠে। 
এইভাবে সাধনার দীর্ঘ পথ পরিক্রমা যতই শেষ হয়ে আসে, ততই ভক্তিভাবের মাধুর্যে ও আধ্যাত্মিক ঐশ্বর্যে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে তাঁর চিত্ত।
এই সময়কার অভিজ্ঞতা তিনি একটি অভঙ্ পদে লিখে যান, ওগো, আজ আমি ভগবানের শ্রীমুখ দর্শন করে অপার অফুরন্ত আনন্দ লাভ করেছি। সেই শ্রীমুখে আমার নয়ন রয়েছে কেন্দ্রীভূত, আমার হাত দুটি স্পর্শ করে আছে তাঁর শ্রীচরণ। একবার তাঁর দর্শন লাভ হলে সব পাপ দূর হয়ে যায়। তাই ত আনন্দের এক স্তর থেকে অন্য স্তরে ঘটছে আমার উত্তরণ।
ইষ্টদর্শন লাভ করে মৃত্যুভয় হতে মুক্ত হন তুকারাম। বার্ধক্য আর জরাব্যধিতে জর্জরিত হয় না তাঁর দেহ। পরমপুরুষে বহুপ্রার্থিত পরমপদ লাভ করে তিনি হন শাশ্বত ও সীমাহীন ঐশ্বর্যের অধিকারী। তিনি হন ধন্য, আর তাঁর সকল প্রয়াস হয় সার্থক। 
তুকারামের ভক্তিসাধনায় সিদ্ধির খ্যাতি আর নানা বিভূতির কাহিনী এবার দূর দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে লোকমুখে। ফলে অজস্র দর্শনার্থী ও মুমুক্ষু
নরনারীর ভিড় বাড়তে থাকে তাঁর চারদিকে।
বহু ভক্ত সব সময় ঘিরে থাকে তাঁকে। 
একদিন লোহাগাঁও নামে এক জায়গায় নামকীর্তনে মত্ত হয়ে আছেন তুকা। এমন সময় এক নারী তার মৃত পুত্রকে কোলে নিয়ে এসে তুকার সামনে মৃতদেহটি রেখে চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। 
এই সকরুণ দৃশ্য দেখে তুকা কীর্তন থামিয়ে সেই দিকে নীরবে চেয়ে রইলেন। পুত্রশোকাতুরা মাতা তখন কাতরকন্ঠে বলতে লাগল, বাবা, আমার ছেলের প্রাণ ফিরিয়ে দাও, এ দুঃখিনীকে বাঁচতে দাও। বিঠোবাজীর সত্যিকারের ভক্ত যদি হও, তাহলে আমার ছেলের প্রাণ অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে পারবে। আর যদি না পার, তাহলে বুঝব প্রভুর উদ্দেশ্যে যত কিছু নামকীর্তন করছ তা সব অর্থহীন। এ সবই তোমার ভণ্ডামি।
শোকাকুলা নারীর আর্ত ক্রন্দন শুনে করুণায় বিগলিত হয়ে উঠল তুকার অন্তর। অশ্রু ঝরে পড়তে লাগল গণ্ড বেয়ে। তিনি ধীর পদক্ষেপে এগিয়ে গেলেন মৃত বালকের দিকে। তারপর তার দেহ স্পর্শ করলেন। সঙ্গে সঙ্গে দেখা গেল প্রাণসঞ্চার হচ্ছে মৃতদেহে। দুচোখ মেলে তাকাল মৃত বালক। এই অভাবনীয় অলৌকিক দৃশ্য দেখে বিস্ময়বিমিশ্রিত আনন্দে অভিভূত ও উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠল সমবেত জনতা। ভক্ত সাধক তুকারাম ও প্রভু বিঠোবাজীর জয়ধ্বনিতে কম্পিত হয়ে উঠল লোহাগাঁওএর আকাশ বাতাস। সকালে বুঝতে পারল, তুকারাম কত বড় সাধক আর কি বিপুল আধ্যাত্ম শক্তির অধিকারী হয়েছেন তিনি। 
একদিন এক বিশিষ্ট ভক্ত প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা আপনার এই অলৌকিক শক্তির উৎস কোথায়? কি করে পেলেন এই শক্তি? 
একটি অভঙ্-এর মাধ্যমে এর উত্তর দেন  তুকারাম, ভক্তির রসসাগরে নিহিত আছে কত অমূল্য মণিমুক্তা, ভাগবত করুণার কত ঐশ্বর্য্য।
ভক্তি আর সেবা দিয়ে ভক্ত প্রভুর ভৃত্য হয়েও রাজার মত শক্তিমান ও অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়ে। তখন সে যা চায় তাই পায়। তখন সে রাজার মত সিংহাসনে বসে নিচের দিকে তাকিয়ে সবাইকে দেখে। ওগো, বিশ্বাস আর শরণাগতির জোরেই তুকা পেয়েছে তার সিংহাসন। তাই ত মানুষ শ্রদ্ধার অর্ঘ্য নিবেদন করছে তাকে। 
ঈশ্বরকে জীবনের সবকিছু সমর্পন করেও নির্জনে নিভৃতে দিনরাত ঈশ্বরচিন্তায় মগ্ন হয়ে থাকেন না। তাঁর ঘরে সব সময় অজস্র নরনারীর ভিড় লেগে থাকে। আর তুকা তাদের সকলকে উপদেশ দিয়ে মুক্তিপথের নির্দেশ দেন। তিনি তাদের সকলের কল্যাণের জন্য তার সাধনলব্ধ সমস্ত ঐশ্বর্য অকাতরে বিলিয়ে দেন।
একদিন এক দর্শনার্থী তুকাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি একটি অভঙ্এর মাধ্যমে এর উত্তর দেন। 
সংসারকে এড়িয়ে কোথায় আমি পালাব বল
ত? যে দিকেই চাই, দেখি প্রভু আমার বিরাজ করছেন সেখানেই। এ কি তাঁর অদ্ভুত লীলা।
নির্জনতা থেকে আমি বঞ্চিত হলেও তিনি ছাড়া
কোন স্থানই আমি দেখতে পাই না।
সিদ্ধপুরুষ তুকার খ্যাতি আরও বেড়ে যায়। তাঁর শত শত ভক্তিমূলক অভঙ্ গান সমাজের উচ্চ নীচ সকল স্তরে প্রচারিত হয়। বিশেষ করে তাঁর ভক্তিমূলক সহজ ধর্মসাধনা এক প্রবল আত্মবিশ্বাস ও আত্মশক্তি জাগিয়ে তোলে নিম্নশ্রেণীর ও সাধারণ মারাঠীদের মধ্যে। সমাজের নিম্নশ্রেণীর ও সাধারণ মানুষের এই জাগরণ বিশেষ সহায়ক হয়ে ওঠে মারাঠী জাতির সংগঠন ও পুনরুজ্জীবনের ক্ষেত্রে।মহারাষ্ট্র সাহিত্যের বিরাট সম্ভাবনার বীজ তুকার অভঙ্ পদগুলির মধ্যেই যে নিহিত ছিল, সেকথা
রাণাডে প্রমূখ গুণীজন মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করেন।
তুকারামের অসংখ্য ভক্ত ও শিষ্যের মধ্যে যারা চারিত্রিক মহত্ত্ব ও গুরুভক্তির জোরে সাধনায় সাফল্য লাভ করে স্বনামধন্য হয়ে ওঠেন তাঁরা হলেন নিলোবা, সন্তজী তেলী, গঙ্গারাম মাভল, রামেশ্বর ভট্ট, সিবাবা কাসার, বাহিনাবাঈ প্রভৃতি।
তুকারাম ছিলেন ঈশ্বরকোটির সাধক। তাই সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেও এই সিদ্ধপুরুষ সব সময় মানুষের কল্যাণ সাধনের কথা ভাবতেন, তাদের ত্রিতাপজ্বালা হতে চিরতরে মুক্ত করতে চাইতেন। অসংখ্য ভক্ত ও শিষ্যদের দিয়ে দেহু ও লোহাগাঁওয়ে নামকীর্তন করে বেড়াতেন সাধারণ মানুষের মধ্যে ভক্তিভাব জাগাবার জন্য। 
মারাঠা বীর শিবাজীর অন্যতম আবাসস্থল পুণা এই দেহু ও লোহাগাঁও-এর মধ্যেই অবস্থিত।
বয়সে তখন তরুণ তিনি ধর্মরাজ্য স্থাপনের স্বপ্ন দেখেন এবং স্বপ্ন ক্রমে সংকল্পে পরিণত হয়।
এই সময় মহারাষ্ট্রে সিদ্ধপুরুষ তুকারামের খ্যাতির কথা শুনে তাঁর সঙ্গে মাঝে মাঝে সাক্ষাৎ করতে আসতেন এবং ধর্ম ও রাজনীতির বিষয়ে আলোচনা করতেন।
তুকা কিন্তু শিবাজীকে নিজে দীক্ষা না দিয়ে তাঁকে রামদাস স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেন। কারণ তিনি বুঝেছিলেন, তাঁদের দুজনের সাধনপথ ও আধ্যাত্ম-দর্শন এক নয়। পরে শিবাজী তুকার নির্দেশ অনুসারে কর্মযোগী রামদাসের কাছেই দীক্ষা গ্রহণ করে সাফল্যলাভ করেন। 
সেই সময় গুরু রামদাস কৃষ্ণা নদীর তীরে কুটীর বেঁধে সেখানেই সাধনা করতেন আর তুকারাম বেশীর ভাগ সময় থাকতেন পানচনপুরে বিঠোবাজীর মন্দিরে। একবার রামদাস নিজে পানচনপুরের মন্দিরে এসে তুকার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দর্শনের সঙ্গে সঙ্গেই দুজনের অধ্যাত্মশক্তি ও সম্পদের কথা বুঝতে পারেন। দুজনেই ভাবাবিষ্ট হয়ে পড়েন। দুজনেই মৌন অবস্থায় আপন আপন অধ্যাত্মভাব ও তত্ত্বোপলব্ধির কথা কয়েকটি মুদ্রার মাধ্যমে প্রকাশ করেন। 
সেদিন ছিল ১৬৫০ খ্রীষ্টাব্দের ফাল্গুন মাসের একটি দিন। দেহু গ্ৰামের সাধন কুটীরে বসে তুকা সহসা শুনতে পেলেন স্বর্গলোকের আহ্বান।
তাঁর চির-আরাধ্য পরম প্রাণপ্রভু বিঠোবাজী আজ যেন তাঁকে হাতছানি দিয়ে ডাকছেন।
একটি অভঙ্ পদে তুকা তাঁর তখনকার মনের ভাব ও অনুভূতিটি ব্যক্ত করেন, ওগো, দিন-রাতের মধ্যে আজ আমি কোনো পার্থক্যই খুঁজে পাই না। নিখিল বিশ্বে ওতপ্রোত হয়ে আছে শুধু আলোকের এক মহা-উদ্ভাসন। সেই আলোকোদ্ভাসের প্লাবনে সব ভেদ দূরীভূত হয়ে যায় নিঃশেষে। প্রভু ও ভৃত্য, ইষ্ট ও ভক্ত, স্বর্গ ও মর্ত্য, আত্মা ও পরমাত্মা সব একাকার হয়ে যায়। দিব্যদৃষ্টি দিয়ে তিনি তখন আরও দেখলেন সারা বিশ্বজগতে জন্ম মৃত্যু আবির্ভাব তিরোভাব বলে কিছু নেই। বিশ্বের সর্ব ভূতে সকল বস্তুতে এক আত্মা প্রলয়কালীন মহাপ্লাবনের মত ব্যাপ্ত হয়ে আছে। এই আত্মাই হলো ঈশ্বর, ঈশ্বরের পরম সত্তা, পরমাত্মা।
তুকা বললেন, দেখছি, ঈশ্বরই সব কিছুর দাতা, আবার তিনিই ভোক্তা। আমাদের অনুভূতিও তাঁরই দান। ভাষা ও কণ্ঠও তাঁরই দান। সুতরাং কি ভোগ করব, কি প্রকাশ করব? 
সব শেষে তুকা দেখলেন একমাত্র ভেদের প্রাচীর হচ্ছে এই মরদেহ। এবার মহোন্মত্ত কীর্তনের মাঝে তিনি লোকচক্ষুর অন্তরালে অদৃশ্য হয়ে গেলেন। আজ তিনি লাভ করলেন তার পরমপ্রভু পরমেশ্বর বিঠোবাজীর প্রেমসেবা। 
এদিকে অগণিত ভক্ত ও শিষ্যের মুখের উপর নেমে আসলো ঘন ছায়া বিষাদের। সকলের চোখে প্রবাহিত হল শ্রাবণের বারিধার। 😭😭

(সংগৃহীত)

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৪৬. শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_73.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ ৪৬. শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী 
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
          ꧁ শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৪৬🙏শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়াদেবী🙏*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌻সখীর যুক্তিপূর্ণ মধুর বচনে শ্রীমতী নয়নের জল মুছলেন,কিছুক্ষণের মধ্যে শান্ত হলেন,এবং গৃহকার্য‍্যে মন দিলেন।যথাসময়ে শচীমা গৃহে ফিরে এলেন।নিমাইকে বিদায় দিয়ে তাঁর আর ঘরে আসিতে মন চাইছিল না।কেবল পুত্রবধূর জন্য ব‍্যাকুলিত হয়ে তিনি ছুটতে ছুটতে ঘরে ফিরলেন।বিষ্ণুপ্রিয়ার কাতর ও ম্লান মুখখানি ধরে কত আদর কত সোহাগ করলেন। পুত্র-বিরহ জনিত মন-দুঃখ মনেই চেপে রাখলেন।বিষ্ণুপ্রিয়ার মুখের দিকে চেয়ে সব কিছু ভুলে রইলেন।শচীমা-বিষ্ণুপ্রিয়াতে এক প্রাণ হয়ে দেব-সেবা,অতিথিসেবা প্রভৃতি ধর্ম কার্য‍্যে দিন অতিবাহিত করতে লাগলেন।আর উৎকন্ঠিত চিত্তে উভয়েই নিমাইয়ের গয়াধাম হতে ফিরে আসবার দিন গুণতে লাগলেন।মহাপ্রভু পিতৃকার্য‍্য সম্পন্ন করে যথাসময়ে গয়াধাম হতে নবদ্বীপে ফিরে আসিলেন।গৃহ-দ্বারে এসে যখন  "মা" বলে শচীদেবীকে সম্বোধন করলেন,তাঁর কর্ণে যেন কেহ সুধার কলস ঢেলে দিলেন।তিনি দৌঁড়িয়ে এসে দরজার সামনে দাঁড়ালেন।মহাপ্রভু জননীর শ্রীচরণে প্রণাম করে পদধূলি মস্তকে নিলেন।শচীমা পুত্রকে কোলে তুলে শত শত মুখ চুম্বন করলেন।প্রেমাশ্রুজলে তাঁর বক্ষ ভেসে গেল।*
*☘পুত্র কোলে করি শচী আনন্দিত মনে।*
*☘হরিষে প্রেমার নীর ঝরে দুনয়ানে।।*
                              *(শ্রীচৈঃ মঃ)*
*🌻মহাপ্রভুর আগমন-বার্তা শুনে সনাতন মিশ্রের পরিবারের আনন্দের সীমা রইল না।শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া বহুদিন পরে পতিমুখ দর্শন করে আনন্দ সাগরে ভাসতে লাগলেন।তাঁর সব দুঃখ দূরে গেল।*
*☘লক্ষ্মীর জনক-কুলে আনন্দ উঠিল।*
*☘পতিমুখ দেখিয়া লক্ষ্মীর দুঃখ গেল।।*
                                *(শ্রীচৈঃভাঃ)*
*🌻শ্রীমতীর হৃদয়ে আনন্দের তরঙ্গ উঠল।সে তরঙ্গ দেবীর সর্ব অঙ্গ উছলিয়া পড়ল।তিনি যেন সুখের সাগরে ভাসতে লাগলেন।*
*☘বিষ্ণুপ্রিয়া হিয়া মাঝে আনন্দ হিল্লোল।*
*☘ধরিতে না পারে অঙ্গ সুখে নাহি ওর।।*
                              *(শ্রীচৈঃমঃ)*
*🌻আত্মীয় বন্ধু,কুটুম্ব পরিজন প্রভৃতি সকলেই নিমাইচাঁদকে দেখে মহা উল্লাসিত হলেন।মহাপ্রভু যথাযোগ্য সকলকে সম্ভ্রমের সহিত সম্ভাষণ করলেন।তাঁর বিনয় নম্র বচনে সকলেই পরম সন্তুষ্ট হলেন।প্রাচীন ব্রাহ্মণ পন্ডিতগণ মহাপ্রভুর মস্তকে হাত দিয়ে "চিরজীবী হও" বলে আশীর্বাদ করলেন।প্রাচীনা স্ত্রীলোকগণ মহাপ্রভুর সর্বঅঙ্গে হাত বুলিয়ে মঙ্গল-সূচক মন্ত্র পাঠ করলেন।কেহ বা মহাপ্রভুর বক্ষে হাত দিয়ে আশীর্বাদ করলেন "গোবিন্দ তোমার মঙ্গল করুন"।*
*☘পরম সুনম্র হই প্রভু কথা কহে*।
*☘সভে তুষ্ট হইলা দেখি প্রভুর বিনয়ে।।*
*☘শিরে হাত দিলা কেহ চিরজীবী করে।*
*☘সর্ব-অঙ্গ হাত দিয়া কেহ মন্ত্র পড়ে।।*
*☘কেহ বক্ষে হাত দিয়া করে আশীর্বাদ।*
*☘গোবিন্দ শীতলানন্দ করুন প্রসাদ।।*
                         *(শ্রীচৈঃভাঃ)*
*🌻সকলেই দেখছেন হমাপ্রভুর বহু বহু পরিবর্তন হয়েছে।তিনি গয়াধামে যাবার পূর্বে একরকম ছিলেন,আর যখন সেখান হতে ফিরলেন তখন ঠিক অন‍্যরকম।যে নিমাইচাঁদ গেলেন অন‍্য নিমাইচাঁদ ফিরে এলেন।জননীর সঙ্গে ধীরে ধীরে বিনত বদনে দুই-একটি কথা বললেন।মুখে সেই হাসি নেই,হৃদয়ে সে উৎসাহ নেই,যেন দেখে মনে হল প্রাণে সেই আনন্দ নাই।পুত্রের এই পরিবর্তন শচীমা কিছুই বুঝতে পারলেন না।মা হয়ত ভাবলেন পুত্র দূরদেশে গিয়েছিল,দৈহিক ও মানসিক কষ্ট পেয়েছে তাই এই ভাব।পদব্রজে তীর্থ পর্য‍্যটন করতে হয়েছে,আমার বাছার শরীর বড়ই কাতর হয়েছে,তাতেই মনে বাছার আনন্দ নেই,মুখে হাসি নাই।জননীর প্রাণ পুত্রের মলিন বদনচন্দ্র খানি দেখে ব‍্যাকুলিত হয়ে উঠল।তাড়াতাড়ি স্নান-আহারের বন্দোবস্ত করলেন।আহারান্তে মহাপ্রভু কয়েকজন অন্তরঙ্গ ভক্ত নিয়ে গয়াধামের সব কথা বর্ণনা করতে বসিলেন।*
*☘বিষ্ণুভক্ত গুটি দুই চারিজন লৈয়া।*
*☘রহঃ কথা কহিবারে বসিলেন গিয়া।।*
        *(রহঃ=গোপন)(শ্রীচৈঃভাঃ)*
*🌻ভক্তের সঙ্গে কৃষ্ণকথা বলতে বলতে মহাপ্রভু নয়নজলে ভেসে গেলেন।সর্ব-অঙ্গ পুলকে কাঁপতে লাগল।তিনি আর কথা কহিতে পারছেন না।*
*☘পুলকিত সর্ব অঙ্গ কম্প কলেবর।*
*☘নয়নে গলয়ে অশ্রুধারা নিরন্তর।।*
                                          *(ঐ)*
*🌻মহাপ্রভু নিজ গৃহে বসে কৃষ্ণকথা বলছেন,গয়াধামের মাহাত্ম‍্য ব‍্যাখ‍্যা করছেন,আর অঝোর নয়নে কাঁদছেন।কৃষ্ণ-প্রেমে মহাপ্রভুর হৃদয় উন্মত্ত হয়েছে।তিনি প্রেমে টলমল করছেন।কখনও কখনও পাগলের মতো হুঙ্কার ও গর্জন করছেন।*
*🍀প্রেমে টলমল তনু হুঙ্কার গর্জন*।
*🌻নিমাইচাঁদের এই ভাবধারা শচীমা ও বিষ্ণুপ্রিয়া সবই দেখছেন।প্রাণবল্লভের এইরকম প্রেমোন্মত্ত ভাব  শ্রীমতী আগে কখনও দেখননি।তাঁর হৃদয়ে ভয়ের উদয় হচ্ছে।কেন!আমার প্রাণবল্লভ এমন করছেন!তাঁর কি এমন হল?ধর্ম কর্ম তীর্থ দর্শন তো অনেকে করেন,তাদের তো এমন হয় না!এ সব চিন্তায় বিষ্ণুপ্রিয়ার মন নানান কথা বলতে লাগল। কিন্তু কাউকে কিছু বলতে পারছেন না।এতে যেন তিনি আরও দুঃখ পাচ্ছেন।শচীমায়েরও পুত্রের এই ভাবধারা কিছুই ভাল লাগছিল না।তিনি জড়বৎ স্থিরভাবে বসে কি ভাবতে লাগলেন।*
*🙏বানান, ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
               *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন ⬇️⬇️⬇️
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৪৬. শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_73.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ ৪৬. শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী 
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
          ꧁ শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৪৬🙏শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়াদেবী🙏*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌻সখীর যুক্তিপূর্ণ মধুর বচনে শ্রীমতী নয়নের জল মুছলেন,কিছুক্ষণের মধ্যে শান্ত হলেন,এবং গৃহকার্য‍্যে মন দিলেন।যথাসময়ে শচীমা গৃহে ফিরে এলেন।নিমাইকে বিদায় দিয়ে তাঁর আর ঘরে আসিতে মন চাইছিল না।কেবল পুত্রবধূর জন্য ব‍্যাকুলিত হয়ে তিনি ছুটতে ছুটতে ঘরে ফিরলেন।বিষ্ণুপ্রিয়ার কাতর ও ম্লান মুখখানি ধরে কত আদর কত সোহাগ করলেন। পুত্র-বিরহ জনিত মন-দুঃখ মনেই চেপে রাখলেন।বিষ্ণুপ্রিয়ার মুখের দিকে চেয়ে সব কিছু ভুলে রইলেন।শচীমা-বিষ্ণুপ্রিয়াতে এক প্রাণ হয়ে দেব-সেবা,অতিথিসেবা প্রভৃতি ধর্ম কার্য‍্যে দিন অতিবাহিত করতে লাগলেন।আর উৎকন্ঠিত চিত্তে উভয়েই নিমাইয়ের গয়াধাম হতে ফিরে আসবার দিন গুণতে লাগলেন।মহাপ্রভু পিতৃকার্য‍্য সম্পন্ন করে যথাসময়ে গয়াধাম হতে নবদ্বীপে ফিরে আসিলেন।গৃহ-দ্বারে এসে যখন  "মা" বলে শচীদেবীকে সম্বোধন করলেন,তাঁর কর্ণে যেন কেহ সুধার কলস ঢেলে দিলেন।তিনি দৌঁড়িয়ে এসে দরজার সামনে দাঁড়ালেন।মহাপ্রভু জননীর শ্রীচরণে প্রণাম করে পদধূলি মস্তকে নিলেন।শচীমা পুত্রকে কোলে তুলে শত শত মুখ চুম্বন করলেন।প্রেমাশ্রুজলে তাঁর বক্ষ ভেসে গেল।*
*☘পুত্র কোলে করি শচী আনন্দিত মনে।*
*☘হরিষে প্রেমার নীর ঝরে দুনয়ানে।।*
                              *(শ্রীচৈঃ মঃ)*
*🌻মহাপ্রভুর আগমন-বার্তা শুনে সনাতন মিশ্রের পরিবারের আনন্দের সীমা রইল না।শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া বহুদিন পরে পতিমুখ দর্শন করে আনন্দ সাগরে ভাসতে লাগলেন।তাঁর সব দুঃখ দূরে গেল।*
*☘লক্ষ্মীর জনক-কুলে আনন্দ উঠিল।*
*☘পতিমুখ দেখিয়া লক্ষ্মীর দুঃখ গেল।।*
                                *(শ্রীচৈঃভাঃ)*
*🌻শ্রীমতীর হৃদয়ে আনন্দের তরঙ্গ উঠল।সে তরঙ্গ দেবীর সর্ব অঙ্গ উছলিয়া পড়ল।তিনি যেন সুখের সাগরে ভাসতে লাগলেন।*
*☘বিষ্ণুপ্রিয়া হিয়া মাঝে আনন্দ হিল্লোল।*
*☘ধরিতে না পারে অঙ্গ সুখে নাহি ওর।।*
                              *(শ্রীচৈঃমঃ)*
*🌻আত্মীয় বন্ধু,কুটুম্ব পরিজন প্রভৃতি সকলেই নিমাইচাঁদকে দেখে মহা উল্লাসিত হলেন।মহাপ্রভু যথাযোগ্য সকলকে সম্ভ্রমের সহিত সম্ভাষণ করলেন।তাঁর বিনয় নম্র বচনে সকলেই পরম সন্তুষ্ট হলেন।প্রাচীন ব্রাহ্মণ পন্ডিতগণ মহাপ্রভুর মস্তকে হাত দিয়ে "চিরজীবী হও" বলে আশীর্বাদ করলেন।প্রাচীনা স্ত্রীলোকগণ মহাপ্রভুর সর্বঅঙ্গে হাত বুলিয়ে মঙ্গল-সূচক মন্ত্র পাঠ করলেন।কেহ বা মহাপ্রভুর বক্ষে হাত দিয়ে আশীর্বাদ করলেন "গোবিন্দ তোমার মঙ্গল করুন"।*
*☘পরম সুনম্র হই প্রভু কথা কহে*।
*☘সভে তুষ্ট হইলা দেখি প্রভুর বিনয়ে।।*
*☘শিরে হাত দিলা কেহ চিরজীবী করে।*
*☘সর্ব-অঙ্গ হাত দিয়া কেহ মন্ত্র পড়ে।।*
*☘কেহ বক্ষে হাত দিয়া করে আশীর্বাদ।*
*☘গোবিন্দ শীতলানন্দ করুন প্রসাদ।।*
                         *(শ্রীচৈঃভাঃ)*
*🌻সকলেই দেখছেন হমাপ্রভুর বহু বহু পরিবর্তন হয়েছে।তিনি গয়াধামে যাবার পূর্বে একরকম ছিলেন,আর যখন সেখান হতে ফিরলেন তখন ঠিক অন‍্যরকম।যে নিমাইচাঁদ গেলেন অন‍্য নিমাইচাঁদ ফিরে এলেন।জননীর সঙ্গে ধীরে ধীরে বিনত বদনে দুই-একটি কথা বললেন।মুখে সেই হাসি নেই,হৃদয়ে সে উৎসাহ নেই,যেন দেখে মনে হল প্রাণে সেই আনন্দ নাই।পুত্রের এই পরিবর্তন শচীমা কিছুই বুঝতে পারলেন না।মা হয়ত ভাবলেন পুত্র দূরদেশে গিয়েছিল,দৈহিক ও মানসিক কষ্ট পেয়েছে তাই এই ভাব।পদব্রজে তীর্থ পর্য‍্যটন করতে হয়েছে,আমার বাছার শরীর বড়ই কাতর হয়েছে,তাতেই মনে বাছার আনন্দ নেই,মুখে হাসি নাই।জননীর প্রাণ পুত্রের মলিন বদনচন্দ্র খানি দেখে ব‍্যাকুলিত হয়ে উঠল।তাড়াতাড়ি স্নান-আহারের বন্দোবস্ত করলেন।আহারান্তে মহাপ্রভু কয়েকজন অন্তরঙ্গ ভক্ত নিয়ে গয়াধামের সব কথা বর্ণনা করতে বসিলেন।*
*☘বিষ্ণুভক্ত গুটি দুই চারিজন লৈয়া।*
*☘রহঃ কথা কহিবারে বসিলেন গিয়া।।*
        *(রহঃ=গোপন)(শ্রীচৈঃভাঃ)*
*🌻ভক্তের সঙ্গে কৃষ্ণকথা বলতে বলতে মহাপ্রভু নয়নজলে ভেসে গেলেন।সর্ব-অঙ্গ পুলকে কাঁপতে লাগল।তিনি আর কথা কহিতে পারছেন না।*
*☘পুলকিত সর্ব অঙ্গ কম্প কলেবর।*
*☘নয়নে গলয়ে অশ্রুধারা নিরন্তর।।*
                                          *(ঐ)*
*🌻মহাপ্রভু নিজ গৃহে বসে কৃষ্ণকথা বলছেন,গয়াধামের মাহাত্ম‍্য ব‍্যাখ‍্যা করছেন,আর অঝোর নয়নে কাঁদছেন।কৃষ্ণ-প্রেমে মহাপ্রভুর হৃদয় উন্মত্ত হয়েছে।তিনি প্রেমে টলমল করছেন।কখনও কখনও পাগলের মতো হুঙ্কার ও গর্জন করছেন।*
*🍀প্রেমে টলমল তনু হুঙ্কার গর্জন*।
*🌻নিমাইচাঁদের এই ভাবধারা শচীমা ও বিষ্ণুপ্রিয়া সবই দেখছেন।প্রাণবল্লভের এইরকম প্রেমোন্মত্ত ভাব  শ্রীমতী আগে কখনও দেখননি।তাঁর হৃদয়ে ভয়ের উদয় হচ্ছে।কেন!আমার প্রাণবল্লভ এমন করছেন!তাঁর কি এমন হল?ধর্ম কর্ম তীর্থ দর্শন তো অনেকে করেন,তাদের তো এমন হয় না!এ সব চিন্তায় বিষ্ণুপ্রিয়ার মন নানান কথা বলতে লাগল। কিন্তু কাউকে কিছু বলতে পারছেন না।এতে যেন তিনি আরও দুঃখ পাচ্ছেন।শচীমায়েরও পুত্রের এই ভাবধারা কিছুই ভাল লাগছিল না।তিনি জড়বৎ স্থিরভাবে বসে কি ভাবতে লাগলেন।*
*🙏বানান, ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
               *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন ⬇️⬇️⬇️
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৮৪. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_11.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ꧁ ৮৪. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৮৪ কৃত্তিবাসী রামায়ণ সংক্ষেপে*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌻শ্রীরাম-লক্ষ্মণকে দেখতে না পেয়ে সুগ্রীব,অঙ্গদ,হনুমান,জাম্ববান,নল, নীল,আরও অন‍্যান‍্য কপিগণ কেঁদে আকুল হল।কেমন করে দুই প্রভুকে আমরা উদ্ধার করে নিয়ে আসব,কোথায় আছেন?সর্বশেষে জাম্ববান বললেন তোমরা এইভাবে ক্রন্দন কোরো না,উপায় আছে।শ্রীরাম লক্ষ্মণের বিনাশ করবে,এমন সাধ‍্য পৃথিবীতে কারও নাই।যদি সন্ধান আনতে পারে একমাত্র হনুমান পারবে, আমার দৃঢ় বিশ্বাস হনুমান সন্ধান ও উদ্ধার করতে পারবে।তখন সুগ্রীব বললেন,যেমন তুমি সীতার সন্ধান করেছিলে,তেমনি তুমি শ্রীম ও লক্ষ্মণের অন্বেষণে যাও।তখন হনুমান বললেন, আমি স্বর্গ মর্ত‍্য ও পাতালে অন্বেষণ করব,যদি না পাই তাহলে সাগরের জলে আমার প্রাণ বিসর্জন করব।*
*☘তথাপি না পাই যদি শ্রীরাম লক্ষ্মণ।*
*☘করিব জলধি-জলে এ দেহ পতন।।*
*☘এইখানে থাক সবে একত্র হইয়া।*
*☘যাবৎ না আসি আমি ত্রৈলোক‍্য খুঁজিয়া।।*
*🌻হনুমান সকলের কাছে অনুমতি নিয়ে সুড়ঙ্গে প্রবেশ করে চলেছেন।কারণ এই সুড়ঙ্গ দিয়েই রাম লক্ষ্মণকে হরণ করা হয়েছে।মুহূর্ত‍্যের মধ্যে পাতালে প্রবেশ করে দেখে সূর্য‍্যের প্রকাশ।খুব সুন্দর পুরী, প্রথমে দেখল বলিরাজার বসতি, তার পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে,*
*☘পুণ‍্যতীর্থ গঙ্গা দেখে নাম ভোগবতী।।*
*🌻মহা তপোবন,কত শত মুনি ঋষি আছেন,নাগিনী,যক্ষিণী,কত পরমারূপসী,চতুর্ভূজ,দ্বিভূজ অশেষ রূপী লোক। আবার দেখল তিনকোটি পুরুষ নিয়ে কপিলমুনি বসে আছেন। এক এক করে দেখতে দেখতে অবশেষে মহীরাবণের পুরী দেখতে পেল।এমন পুরী সত‍্য সত‍্যই বর্ণনাতীত।সেই পুরীতে এক বৃদ্ধা বসেছিল।বানরকে দেখতে পেয়ে একজনকে ডেকে একটি পূর্ব বৃত্তান্ত বলতে লাগল।*
*🌻মহীরাবণ রাজা তপস‍্যা করে মহামায়াকে তুষ্ট করলেন।মহামায়া বললেন বর চাও,তখন মহী অমর বর চাইলে দেবী বললেন অন‍্য বর চাও।*
*☘অমর হইতে দেবী নাহি দিলা বর।*
*☘দেবী বলে অন‍্য বর চাহ নিশাচর।।*
*☘মহী বলে অহি কিম্বা দেবতা গন্ধর্ব।*
*☘যক্ষ রক্ষ কিন্নর পিশাচ আদি সর্ব।।*
*☘সংগ্রামেতে কারো হাতে মরণ না হয়।*
*☘সেই বর দিল দেবী বুঝিয়ে আশয়।।*
*(অহি=সর্প। আশয়=ইচ্ছা)*
*🌻তখন মহী বলল আমি অমর হয়ে গেলাম,এখন বাকী থাকল নর-বানর।*
*☘নর আর বানর এ দুই বাকী আছে।*
*☘ভক্ষ‍্য-জাতি কি করিবে রাক্ষসের কাছে।।*
*☘ভগবতী বলে ভয় কারে নাহি আর।*
*☘নর-বানরের হাতে সবংশে সংহার।।*
*☘অমর নহেন রাজা জানি বিবরণ।*
*☘নর কপি এলে হবে রাজার মরণ।।*
*🌻মহী রাজা দুইজন শিশু রাজাকে বন্দী করে এনেছে,আমার মন হয় ঐ দুই নর শিশুর জন‍্যই বানর এসে উপস্থিত হয়েছে,এই কথাগুলি বলে বুড়ি আশেপাশে দেখছে কেউ শুনছে নাকি, কেবল একজনকেই এই কথাগুলি বলল।তাকেও বলল কাউকে বলিস না।এই সময় দেখল সব নারীরা জল ভরতে যাচ্ছে,তার মধ্যে দেখল মহীরাজার এক প্রাচীনা দাসী সঙ্গে ছিল।সেই রাজার দাসী বুড়িকে বলছে কার কথা বলছ?বুড়ি বলল আমি রাজার কথা বলতে খুবই ভয় করি এমনি গল্প করছিলাম।পরে বুড়ি,* *বলল,*
*☘জিজ্ঞাসা করলে যদি সঙ্গোপনে বলি।*
           *(সঙ্গোপনে=নিরালায়)*
*☘মহামায়া-কাছে আজি হবে নরবলি।।*
*🌻যে দুই শিশুকে ধরে এনেছে তাদের এমন রূপ কোনদিন দেখিনাই।আজ হয়ত কোন অভাগির পুত্রর বলিদান হবে,ভেবেই আমার প্রাণ ফেটে যাচ্ছে।এইকথাগুলি হনুমান একটি বৃক্ষের উপরে বসে শুনছিল।বুঝতে পারল সেই দুই শিশু আমার প্রভু।হনুমান মনে মনে বলছে যাইহোক প্রভুর সন্ধান পেলাম যে এখানেই আছে,তবে খুঁজে বাহির করতে হবে।এখানে থাকা আর উচিত নয়।এবারে চোখের নিমেষে রাজ অন্তঃপুরে গিয়ে দেখল দুই প্রভু বন্দী আছেন।ভীষণ মোটা শিকল দিয়ে বাঁধা,অসংখ‍্য নিশাচর অস্ত্র নিয়ে পাহারা দিচ্ছে।হনুমান তখন,*
*☘মক্ষীরূপে প্রবেশিল ঘরের ভিতরে।*
*☘শরীর ধারণ করি দোঁহে নমস্কারে।।*
*☘আচম্বিতে মারুতি নোঙায় গিয়া মাথা।*
*☘নিদ্রা ভঙ্গে শ্রীরাম লক্ষ্মণ কন কথা।।*
*🌻তখন লক্ষ্মণ বললেন,সুগ্রীব, অঙ্গদ, আর বিভীষণ কোথায়?তখন হনুমান বললেন,তাদের জন‍্য কোন চিন্তা করবেন না প্রভু।ভিতরে হনুমান কথা বলছে,এমন সময় ঘোষণা শুনতে পেল আজ মহামায়া পূজা হবে,ছাগল,মহিষ ও দুই নরকে বলি দেওয়া হবে।ঘোষণা শুনে শ্রীরাম বললেন,বড়ই বিপাক হনুমান,এখন কি হবে?এই রাক্ষসের হাত থেকে কেমন করে নিস্তার পাব?তখন,*
*☘যোড়হস্তে কহে হনু শ্রীরামের আগে।*
*☘রাক্ষস মারিতে প্রভু কোন ভার লাগে।।*
*☘ত্রিভুবনে খ‍্যাত তব শ্রীচরণ-দাস।*
*☘বৃক্ষ পাথরেতে রিপু করিব বিনাশ।।*
*🌻হনুমান বললেন,রাবণ রাজার বংশ যেখানে থাকবে একে একে সবাইকে মারব।ঐ মহী বহু ব্রাহ্মণ,দেব,ঋষি ও গোহত‍্যা করেছে,পাপে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে,আজ তার পাপের বিনাশ হবে। প্রভু একটি কথা বলি,এই রাক্ষস বধ করতেই প্রভু আপনার অবতার আমি বুঝতে পেরেছি।এই মহীর গৃহে জগতের মাতা আছেন,তাঁর কাছে আমি গুটিকয়েক কথা বলব,আদেশ করুন।*
*🙏মহামায়া কর্তৃক রাম লক্ষ্মণের উদ্ধারের উপদেশ দান🙏*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
               *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন ⬇️⬇️⬇️
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds