শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

যোগিনী একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য 🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/06/yogini.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 যোগিনী একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য   🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/06/yogini.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী যোগিনী একাদশী নামে পরিচিত। বিষ্ণু পুরাণ এবং পদ্মপুরাণের একাদশী মাহাত্ম্য অনুসারে, যোগিনী একাদশী উপবাস পালন করলে ৮৮ হাজার ব্রাহ্মণকে ভোজন করানোর সমতুল্য পুণ্য লাভ হয়। যে একাদশী তিথি পালন করলে দেবী সাধক বা ভক্তের মনে সংযম অর্থাৎ চিত্তবৃত্তি রোধ করে তাকে পৌঁছে দেন কৈবল্যধামে, তিনি হলেন শ্রীশ্রীযোগিনী একাদশী দেবী।

যোগিনী একাদশীতে বৈষ্ণব সমাজের লোকেরা উপবাস রাখেন এবং আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে লক্ষ্মী নারায়ণ- এর পুজো করেন। এর পাশাপাশি শুভ কাজে সাফল্য লাভের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয় এই দিনে।ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, ভক্তিপূর্ণ হৃদয়ে একাদশীর উপবাস করলে জীবনে কখনও অর্থের অভাব হয় না।

যোগিনী একাদশী ভগবান বিষ্ণুর উপাসনার জন্য নিবেদিত। পদ্মপুরাণে, যোগিনী একাদশীর কাহিনী হেমমালী যক্ষ এবং পুলস্ত্য মুনির মধ্যে সংলাপের আকারে বর্ণিত হয়েছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যুধিষ্ঠিরকে তার প্রশ্নের উত্তরে এই একাদশীর কথা বর্ণনা করেছিলেন।এটি রাজা কুবেরের সেবক হেমমালীর পাপ থেকে মুক্তির গল্প, যেখানে তিনি যোগিনী একাদশী উপবাস পালন করে মোক্ষ লাভ করেছিলেন।

সারা বছরে ২৪টি একাদশী উপবাস রাখা হয়। এই একাদশীতে ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে পুজো করলে শুভ ফল পাওয়া যায়। কিছু ভক্ত নির্জলা উপবাসও করেন, যা খুবই কঠিন।ভক্তদের বিশ্বাস, যে ব্যক্তি এই একাদশীর উপবাস রাখে, তার উপর ভগবান বিষ্ণুর পাশাপাশি মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থাকে।

পুরাণের কথা। অলকাপুরীর রাজা ছিলেন শিবভক্ত কুবের। তার সেবাকার্যে নিযুক্ত ছিলেন হেমমালী যক্ষ।

হেমমালীর প্রতিদিনের কর্তব্য ছিল মানসরোবর হ্রদে গিয়ে তার গুরু কুবেরের জন্য ফুল নিয়ে আসা, যা দিয়ে তিনি শিবের পূজা করতেন।

হেমমালীর পত্নী ছিলেন অতি রূপবতী বিশালাক্ষী। একদিন, ফুল তুলে আসার সময়,হেমামালী সরাসরি তার গুরুর কাছে ফিরে না গিয়ে সংসারে অতিরিক্ত আসক্তির জন্য পূজার ফুল নিয়ে তার স্ত্রীর কাছে চলে যান। স্ত্রীর সাথে প্রেমময় সম্পর্কে মগ্ন হয়ে, তিনি কুবেরের বাড়িতে ফিরে যেতে ভুলে যান।

যখন হেমামালী তার স্ত্রীর সাথে আনন্দ উপভোগ করছিলেন, তখন কুবের তার প্রাসাদে স্বাভাবিকভাবেই শিবের পূজা শুরু করেছিলেন এবং শীঘ্রই আবিষ্কার করলেন যে দুপুরের পূজায় কোনও ফুল নিবেদনের জন্য প্রস্তুত নেই। এত গুরুত্বপূর্ণ উপচার না পাওয়ায় মহান কোশাদ-যক্ষ (দেবতাদের কোষাধ্যক্ষ) ক্রুদ্ধ হয়ে উঠলেন এবং তিনি একজন যক্ষ দূতকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘কেন হেমমালী প্রতিদিনের মতো আজ ফুল নিবেদন করে আসেননি?’ যক্ষ কুবেরকে বললেন, ‘হে প্রভু, হেমমালী তার স্ত্রীর সাথে সহবাস উপভোগ করতে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন, পুজার ফুল আনার কথা ভুলে গেছেন।’

এই কথা শুনে কুবের অত্যন্ত রেগে গেলেন এবং তৎক্ষণাৎ নীচু হেমমালীকে তাঁর সামনে ডেকে পাঠালেন। কর্তব্যে অবহেলা এবং স্ত্রীর দেহের প্রতি অতিরিক্ত ধ্যানমগ্ন থাকার অনুভূতি বুঝতে পেরে অত্যন্ত লজ্জিত হলেন। হেমামালী অত্যন্ত ভয়ে তাঁর প্রভুর কাছে গেলেন। হেমমালী প্রথমে প্রণাম করলেন এবং তারপর তাঁর প্রভুর সামনে দাঁড়ালেন।

কুবেরের চোখ রাগে লাল হয়ে গিয়েছিল এবং ঠোঁট ক্রোধে কাঁপছিল। অত্যন্ত ক্রোধে কুবের হেমামালীকে চিৎকার করে বললেন, ‘ওহে পাপী, বদমাশ! ওহে ধর্মীয় নীতি বিনাশকারী! তুই আমার আরাধ্য শঙ্করকে অবজ্ঞা করে ভার্যাকে নিয়ে ইন্দ্রিয় তর্পণ করছিস! আমার অভিশাপে তুই শ্বেতকুষ্ঠ ব্যাধিতে আক্রান্ত হবি,পত্নীর সঙ্গে তোর বিয়োগ হবে।’

কুবেরের অভিশাপে হেমমালী কুষ্ঠে আক্রান্ত হয়ে পৃথিবীতে ফিরে এলো। দেহ পুঁজ রক্তে ভরে গেছিল,শ্বেত কুষ্ঠরোগের ভয়াবহ যন্ত্রণায় অসুস্থ হয়ে পড়লেন।প্রবল কষ্টে তিনি জঙ্গলে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন কিন্তু শিব ভক্তের প্রভাবে স্মরণশক্তি ছিল তার প্রখর।

শীত ও গ্রীষ্ম উভয় ঋতুতেই তিনি কষ্ট ভোগ করেছিলেন, কিন্তু বিশ্বাসের সাথে তিনি স্বয়ং ভগবান শিবের উপাসনা চালিয়ে যাওয়ার কারণে, তাঁর চেতনা সম্পূর্ণরূপে স্থির এবং স্থির ছিল।

এখানে-সেখানে, পাহাড়-পর্বত ও সমতল ভূমি পেরিয়ে ঘুরে বেড়ানোর পর, হেমমালী অবশেষে হিমালয় পর্বতমালার বিশাল বিস্তৃতিতে উপস্থিত হন। সেখানে তিনি মহান সাধু মার্কণ্ডেয় ঋষির সংস্পর্শে আসার সৌভাগ্য লাভ করেন, যিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ তপস্বী, যাঁর আয়ুষ্কাল ব্রহ্মার সাত দিন পর্যন্ত বিস্তৃত বলে জানা যায়।

মার্কন্ডেয় ঋষি তাঁর আশ্রমে শান্তিতে বসে ছিলেন, দ্বিতীয় ব্রহ্মার মতোই তাঁকে উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল। অত্যন্ত পাপী বোধ করে হেমমালী মহৎ ঋষির থেকে দূরে দাঁড়িয়ে বিনীতভাবে প্রণাম ও মনোনীত প্রার্থনা করলেন। সর্বদা অন্যদের কল্যাণে আগ্রহী, মার্কন্ডেয় ঋষি কুষ্ঠরোগীকে দেখে তাকে কাছে ডেকে বললেন, “ওহে, তুমি কী ধরণের পাপকর্ম করে এই ভয়াবহ দুর্দশা ভোগ করেছ?”

এই কথা শুনে হেমামালী বেদনার্ত ও লজ্জিত হয়ে  বললেন,’ হে মুনিবর আমি ভগবান কুবেরের একজন যক্ষ দাস, এবং আমার নাম হেমমালী। আমার প্রভুর শিবের পূজার জন্য মানস সরোবর হ্রদ থেকে ফুল তোলা আমার প্রতিদিনের কাজ ছিল, কিন্তু একদিন আমি অবহেলা করেছিলাম এবং নৈবেদ্য নিয়ে ফিরে আসতে দেরি করেছিলাম কারণ আমি আমার স্ত্রীর সাথে শারীরিক সুখ উপভোগ করার জন্য কামুক আবেগে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম।

যখন আমার প্রভু জানতে পারলেন যে আমি কেন উপাসনার দ্রব্য যোগাড় করিনি,তখন তিনি প্রচণ্ড ক্রোধে আমাকে অভিশাপ দিলেন।  কিন্তু সৌভাগ্যবশত আমি আপনার দেখা পেয়েছি। আমাকে দয়া করে আশীর্বাদ করুন ।কারণ আমি জানি যে আপনার মতো ঋষিরা পরমেশ্বর ভগবানের মতোই করুণাময় এবং সর্বদা তাদের হৃদয়ে অন্যদের স্থান দেয়। হে ঋষিগণ, দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন!’

হেমমালী কৃতজ্ঞতায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন এবং বারবার তাঁকে বিনীত প্রণাম জানালেন। মার্কণ্ডেয় ঋষি হেমমালীকে তাঁর পায়ের কাছে তুলে নিলেন, তাঁকে বললেন,” সামনেই আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী যোগিনী।হেমমালী তুমি যদি ভক্তিভরে,কর্তব্যপরায়ণতার সাথে একাদশী উপবাস পালন  করো, তবে এর প্রভাবে তুমি আবার একজন সুদর্শন যক্ষ হয়ে উঠবে।’

মহর্ষির কথা শুনে হেমমালী ব্রতের নিয়মাবলী জেনে যথাযথভাবে যোগিনী ব্রত পালন করলেন। আর সেই ব্রতের প্রভাবে ব্যাধি হতে মুক্ত হলেন। তিনি পুনরায় অলকাপুরীতে গিয়ে পত্নীর সঙ্গে মিলিত হলেন।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ উপসংহারে বললেন, “তাহলে, হে যুধিষ্ঠির, তুমি সহজেই বুঝতে পারছো যে যোগিনী একাদশীর উপবাস অত্যন্ত শক্তিশালী এবং শুভ। ৮৮ হাজার ব্রাহ্মণকে খাওয়ানোর মাধ্যমে যে পুণ্য লাভ হয়, তা কেবল যোগিনী একাদশীর কঠোর উপবাস পালনের মাধ্যমেও লাভ হয়। যে ব্যক্তি এই পবিত্র একাদশীর উপবাস করে, তাঁকে একাদশী দেবী অতীতের পাপের স্তূপ ধ্বংস করে ধার্মিক করে তোলেন। হে রাজা, আমি তোমাকে যোগিনী একাদশীর পবিত্রতা ব্যাখ্যা করেছি।”

পুজো বিধি: যোগিনী একাদশীতে ভগবান বিষ্ণুর পুজো করার বিধান রয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্গে অশ্বত্থ গাছেরও পুজো করা উচিত। এই দিনে সকালে ঘুম থেকে উঠে স্নান করা উচিত। এর পরে হলুদ পোশাক পরা শুভ।

তারপর ভগবান বিষ্ণুর ধ্যান করুন এবং উপবাসের সংকল্প নিন। এর পরে, পদ্ধতি অনুসারে তাঁর পুজো করুন এবং যোগিনী একাদশী উপবাসের ব্রত কথা পাঠ করুন। এরপরে, শ্রী হরি বিষ্ণুর আরতি করুন। এই দিনে, আপনি অভাবী লোকদের খাবার এবং সাধ্যমত দান করতে পারেন, এতে ভগবান বিষ্ণু সন্তুষ্ট হন।

যোগিনী একাদশীর ব্রতের নিয়ম: যোগিনী একাদশী ব্রতের দিন খাবার খাওয়া উচিত নয়। যারা একাদশী উপবাস করেন না তাদেরও ভাত খাওয়া উচিত নয়। এই দিনে চুল, নখ এবং দাড়ি কাটার ভুল করবেন না। যোগিনী একাদশীর দিন ব্রাহ্মণদের কিছু দান করা উচিত। একাদশীর উপবাস ভাঙার পর খাবার দান করা শুভ বলে মনে করা হয়।।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧









পান্ডবা নির্জলা একাদশী 🌙 উন্মিলনী মহাদ্বাদশী ব্রত মাহাত্ম্য 🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/06/nirjala.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕  পান্ডবা নির্জলা একাদশী 🌙 উন্মিলনী মহাদ্বাদশী ব্রত মাহাত্ম্য 🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/06/nirjala.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
জৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের এই একাদশী ব্রত সম্পর্কে ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে শ্রীভীমসেন-ব্যাসসংবাদে বর্ণিত হয়েছে। 

মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন--হে জনার্দন! আমি অপরা একাদশীর সমস্ত মাহাত্ম্য শ্রবণ করলাম এখন জ্যৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কৃপাপূর্বক আমার কাছে বর্ণনা করুন। 

শ্রীকৃষ্ণ বললেন, এই একাদশীর কথা মহর্ষি ব্যাসদেব বর্ণনা করবেন। কেননা তিনি সর্বশাস্ত্রের অর্থ ও তত্ত্ব পূর্ণরূপে জানেন। 

রাজা যুধিষ্ঠির ব্যাসদেবকে বললেন--হে মহর্ষি দ্বৈপায়ন! আমি মানুষের লৌকিক ধর্ম এবং জ্ঞানকান্ডের বিষয়ে অনেক শ্রবণ করেছি। আপনি যথাযথ ভাবে ভক্তি বিষয়িনী কিছু ধর্মকথা এখন আমায় বর্ণনা করুন।

শ্রী ব্যাসদেব বললেন--হে মহারাজ! তুমি যেসব ধর্মকথা শুনেছ, এই কলিযুগের মানুষের পক্ষে সে সমস্ত পালন করা অত্যন্ত কঠিন। যা সুখে, সামান্য খরচে, অল্প কষ্টে সম্পাদন করা যায় অথচ মহাফল প্রদান করে এবং সমস্ত শাস্ত্রের সারস্বরূপ সেই ধর্মই কলিযুগে মানুষের পক্ষে করা শ্রেয়। সেই ধর্মকথাই এখন আপনার কাছে বলছি। 

উভয় পক্ষের একাদশী দিনে ভোজন না করে উপবাস করবে। দ্বাদশী দিনে স্নান করে শুচিশুদ্ধ হয়ে নিত্যকৃত্য সমাপনের পর শ্রীকৃষ্ণের অর্চন করবে। এরপর ব্রাহ্মণদেরকে প্রসাদ ভোজন করাবে। অশৌচাদিতেও এই ব্রত কখনও ত্যাগ করবে না। যে সকল ব্যক্তি স্বর্গে যেতে চায়, তাদের সারাজীবন এই ব্রত পালন করা উচিত। পাপকর্মে রত ও ধর্মহীন ব্যক্তিরাও যদি এই একাদশী দিনে ভোজন না করে, তবে তারা যমযাতনা থেকে রক্ষা পায়। 

শ্রী ব্যাসদেবের এসব কথা শুনে গদাধর ভীমসেন অশ্বথ্থ পাতার মতো কাঁপতে কাঁপতে বলতে লাগলেন--হে মহাবুদ্ধি পিতামহ! মাতা কুন্তী, দ্রৌপদী, ভ্রাতা যুধিষ্ঠির, অর্জুন, নকুল, সহদেব এরা কেউই একাদশীর দিনে ভোজন করে না। আমাকেও অন্নগ্রহণ করতে নিষেধ করে। কিন্তু দুঃসহ ক্ষুধাযন্ত্রণার জন্য আমি উপবাস করতে পারি না। 

ভীমসেনের এই কথায় ব্যাসদেব বলতে লাগলেন--যদি স্বর্গাদি দিব্যধাম লাভে তোমার একান্ত ইচ্ছা থাকে, তবে উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না। 

তদুত্তরে ভীমসেন বললেন--আমার নিবেদন এই যে, উপবাস তো দূরের কথা, দিনে একবার ভোজন করে থাকাও আমার পক্ষে অসম্ভব। কারণ আমার উদরে 'বৃক' নামে অগ্নি রয়েছে। ভোজন না করলে কিছুতেই সে শান্ত হয় না। তাই প্রতিটি একাদশীর পালনে আমি একেবারেই অপারগ। 

হে মহর্ষি! বছরে একটি মাত্র একাদশী পালন করে যাতে আমি দিব্যধাম লাভ করতে পারি এরকম কোন একাদশীর কথা আমাকে নিশ্চয় করে বলুন। 

তখন ব্যাসদেব বললেন--জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিতে জলপান পর্যন্ত না করে সম্পূর্ণ উপবাস করবে। তবে আচমনে দোষ হবে না। ঐ দিন অন্নাদি গ্রহণ করলে ব্রত ভঙ্গ হয়। 

একাদশীর দিন সূর্যোদয় থেকে দ্বাদশীর দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত জলপান বর্জন করলে অনায়াসে বারোটি একাদশীর ফল লাভ হয়। বছরের অন্যান্য একাদশী পালনে অজান্তে যদি কখনও ব্রতভঙ্গ হয়ে যায়, তা হলে এই একটি মাত্র একাদশী পালনে সেই সব  দোষ দূর হয়। দ্বাদশী দিনে ব্রাহ্ম মুহূর্তে স্নানাদিকার্য সমাপ্ত করে শ্রীহরির পূজা করবে। সদাচারী ব্রাহ্মণদের বস্ত্রাদি দান সহ ভোজন করিয়ে আত্মীয়স্বজন সহ নিজে ভোজন করবে। এরূপ একাদশী পালনে যে প্রকার পুণ্য সঞ্চিত হয়, এখন তা শ্রবন কর। 

সারা বছরের সমস্ত একাদশীর ফলই এই একটিমাত্র ব্রত উপবাসে লাভ করা যায়। শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্মধারী ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাকে বলছেন--'বৈদিক ও লৌকিক সমস্ত ধর্ম পরিত্যাগ করে যারা একমাত্র আমার শরণাপন্ন হয়ে এই নির্জলা একাদশী ব্রত পালন করে তারা সর্বপাপ মুক্ত হয়।'

বিশেষত কলিযুগে ধন-সম্পদ দানের মাধ্যমে সদ্ গতি বা স্মার্ত সংস্কারের মাধ্যমেও যথার্থ কল্যাণ লাভ হয় না। কলিযুগে দ্রব্যশুদ্ধি নেই। কলিতে শাস্ত্রোক্ত সংস্কার বিশুদ্ধ হয় না। তাই বৈদিক ধর্ম কখনও সুসম্পন্ন হতে পারে না। 

হে ভীমসেন!  তোমাকে বহু কথা বলার আর প্রয়োজন কি? তুমি উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না। যদি তাতে অসমর্থ হও তবে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীতে অবশ্যই নির্জলা উপবাস করবে। এই একাদশী ব্রত ধনধান্য ও পুণ্যদায়িনী। যমদূতগন এই ব্রত পালনকারীকে মৃত্যুর পরও স্পর্শ করতে পারে না। পক্ষান্তরে বিষ্ণুদূতগন তাঁকে বিষ্ণুলোকে নিয়ে যান। 

শ্রী ভীমসেন ঐদিন থেকে নির্জলা একাদশী ব্রত পালন করতে থাকায় এই একাদশী 'পান্ডবা নির্জলা বা ভীমসেনী একাদশী' নামে প্রসিদ্ধ হয়েছে। এই নির্জলা একাদশী তিথিতে পবিত্র তীর্থে স্নান, দান, জপ, কীর্তন ইত্যাদি যা কিছু মানুষ করে তা অক্ষয় হয়ে যায়। যে ব্যক্তি ভক্তি সহকারে এই একাদশী মাহাত্ম্য পাঠ বা শ্রবণ করেন তিনি বৈকুণ্ঠধাম প্রাপ্ত হন।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧










শ্রীঅপরা একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য 🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/05/apora.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕  শ্রীঅপরা একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য 🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/05/apora.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
অপরা একাদশী ব্রত কথাঃ-

জ্যৈষ্ঠ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া অপরা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য:-- 
ব্রহ্মাণ্ড পুরাণে যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে বর্ণিত আছে৷ 

মহারাজ যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞাসা করলেন: হে জনার্দন! জ্যৈষ্ঠ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি এবং তাঁর মাহাত্ম্যই বা কি? আমি শুনতে ইচ্ছা করি৷ আপনি অনুগ্রহ করে তা বর্ণনা করুন৷

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মানুষের কল্যাণের উদ্দেশ্য অমৃতসম কথাগুলি যুধিষ্ঠির কে শোনালেন৷ 

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন; হে মহারাজ! মানুষের মঙ্গলের জন্য আপনি খুব ভাল প্রশ্ন করেছেন৷ বহু পূণ্য প্রদান কারী, মহাপাপ, বিনাশকারী ও পুত্রদানকারী এই একদশী (অপরা) নামে খ্যাত৷ 

এই ব্রত পালনকারী ব্যক্তি জগতে প্রসিদ্ধি লাভ করে৷ 
ব্রহ্মহত্যা, গোহত্যা, ভ্রণহত্যা, পরনিন্দা, পরস্ত্রীগমন, মিথ্যাভাষণ প্রভৃতি গুরুতর পাপ এই পালনে নষ্ট হয়ে যায়৷ 

যাঁরা মিথ্যা সাক্ষ্যদান দেয়, ওজন ও মাপকাঠিতে ছলনা করে, শাস্ত্রের মিথ্যা ব্যাখ্যা প্রদান করে, জ্যোতিষের মিথ্যা গণনা করে, চিকিৎসা নামে কুচিকিৎসা বা অর্থ হরণ করে থাকে, তাঁরা সকলেই নরক যন্ত্রণা ভোগ করে ৷ যদি এসমস্ত ব্যক্তিরাও যদি এই ব্রত পালন করে, তবে তাঁরা সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়৷ 

ক্ষত্রিয় যদি স্বধর্ম ত্যাগ করে যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যায়, তবে সে ঘোরতর নকলগামী হয়৷ কিন্তু সেও ব্রত পালনে মুক্ত হয়ে স্বর্গগতি লাভ করে৷ 

মকররাশিতে সূর্য অবস্থান কালে মাঘ মাসে প্রয়াগ স্নানে সে ফল লাভ হয়, শিবরাত্রিতে কাশীধামে উপবাস করলে যে পূণ্য হয়, গয়াধামে বিষ্ণুপাদপদ্মে পিন্ডদানে  যে ফল পাওয়া যায়, সিংহরাশিতে বৃহস্পতির অবস্থানে গৌতম নদীতে স্নানে, কুম্ভে কেদারনাথ দর্শনে, বদরিকাশ্রম যাত্রায় ও বদ্রীনারায়ণ সেবায় যে পূণ্য হয়, সূর্যগ্রহণ কুরুক্ষেত্র স্নানে, হাতি, ঘোড়া, স্বর্ণ দানে এবং দক্ষিণাসহ যজ্ঞ সম্পাদনে যে ফল লাভ হয়, এই ব্রত পালন করলে অনায়াসে সেই ফল লাভ হয়ে থাকে ৷ 

এই অপরা ব্রত হলো পাপরূপ বৃক্ষের কুঠার স্বরূপ, পাপরূপ কাষ্ঠের দাবাগ্নির মতো, পাপরূপ অন্ধকারে সূর্যসদৃশ এবং পাপহস্তির সিংহ স্বরূপ৷ এই ব্রত পালন না করে যে ব্যক্তি জীবন ধারণ করে, জলের বুদবুদের মত তাঁদের জন্ম-মৃত্যুই কেবল সার হয়৷ 

অপরা একাদশীতে উপবাস করে, বিষ্ণুপূজা করলে সর্ব পাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গতি হয়৷ এই ব্রতকথা পাঠ ও শ্রবণ করলে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়৷ 
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧








সীতা নবমী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/05/sita.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

সীতা নবমী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/05/sita.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
সীতা চরিত্র প্রতিটি ভারতীয় এবং অভারতীয় মানুষের কাছে নিজগুণে সমুজ্জ্বল। কারণ এই চরিত্রটি যে মহাকাব্যে‌ পাই , সেই রামায়ণ শুধু ভারত নয় গোটা পৃথিবীব্যাপী চারটি বিশ্বমহাকাব্যের একটি। (বাকি তিনটি ইলিয়াড, ওডিসি এবং মহাভারত)

সীতা মায়ের জন্মবৃত্তান্ত আমরা সবাই অবগত আছি। রাজনন্দিনী হয়েও তাকে ভিখারিনীর জীবন ধারণ করতে হয়েছিল। দেবী। হওয়া সত্ত্বেও রাক্ষসের অপমান তাকে সহ্য করতে হয়েছিল। আর সেই কারণেই রাবনের বিনাশ। সমগ্র রামায়ণে  রাম চরিত্রের থেকে বেশি চিত্রায়িত হয়েছে সীতা চরিত্র।

সীতা চরিত্র আমাদের ভারতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির শিক্ষা দেয়। সর্বংসহা নারীরা আদর্শ উদাহরণ সীতা মা। যে সীতা রাজকন্যা ছিলেন, সেই সীতা শুধুমাত্র স্বামীসঙ্গ ত্যাগের ভয়ে রামচন্দ্রের সঙ্গ নিয়েছিলেন।  পতিব্রতা নারীর উজ্জ্বল নক্ষত্র সীতা ঠাকুরাণী।

বনবাসে বাল্মীকি ঋষির আশ্রমে তিনি মা হলেন। লব-কুশ তার যমজ সন্তান। সেই যমজ সন্তানকে তিনি একা মানুষ করেছেন স্বামীর সাহচর্য ছাড়া। এখনকার বর্তমান সময়ে যখন single mother concept নিয়ে আমরা বড়াই করি, ভেবে দেখতে হবে আজ থেকে শতশত বছর আগে মহাকাব্যের যুগের এই নারী ছিলেন সেইরূপ রমনী। তবে পার্থক্য একজায়গায়। সীতা মা সন্তান একা মানুষ করেছেন কিন্তু স্বামীর কর্তৃত্ব অস্বীকার করেননি।

প্রখ্যাত বৈষ্ণব তীর্থ উড়িষ্যার বালাসোরে রেমুনার ক্ষীরচোরা গোপীনাথ বিগ্রহ সীতা মায়ের আগ্রহেই রামচন্দ্র তৈরি করেছিলেন।


আজ সীতা মায়ের জন্মতিথিতে প্রার্থনা করি -
মা গো, আমরা তোমার অবোধ সন্তান, আমাদের মানুষ করে তোলো। আমরা যেন ভারতমায়ের যোগ্য সন্তান হতে পারি। দেশের হানি যেন আমাদের নিজেদের হানির সমান মনে করতে পারি। সনাতন ধর্মের অবক্ষয় যেন রোধ করতে পারি। এই শক্তি সঞ্চার করো মা।

জয় জনকনন্দিনী সীতা মহারানী - জয় বৃষভানুনন্দিনী রাধা বিনোদিনী - জয় সনাতনন্দিনী  বিষ্ণুপ্রিয়া ঠাকুরানী
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
      ꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী দীপ বাগুই📖👇꧂



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧







নববিধা ভক্তি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/04/vokti.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

 👉 নববিধা ভক্তি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/04/vokti.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*🌹🌹নববিধা ভক্তি🌹🌹*
    ********************

*শ্রীবিষ্ণোঃ শ্রবণে পরীক্ষিদভবদ্বৈয়াসকিঃ কীর্তনে,*
*প্রহ্লাদঃ স্মরণে তদঙ্ঘ্রিভজনে লক্ষ্মীঃ পৃথুঃ পূজনে।*
*অক্রূরস্ত্বভিবন্দনে কপিপতির্দ্দাস‍্যেহথ সখেহর্জুনঃ,*
*সর্বস্বাত্মনিবেদনে বলিরভূৎ কৃষ্ণাপ্তিরেষাং পরা।।*

*🌻শ্রীবিষ্ণোঃ শ্রবণে= (শ্রীবিষ্ণুর নাম-রূপ-গুণ-লীলাদি শ্রবণে) ; পরীক্ষিৎ= (মহারাজ পরীক্ষিৎ) ; কীর্তনে বৈয়াসকিঃ= (কীর্তনে ব‍্যাসনন্দন শ্রীশুকদেব) ; স্মরণে প্রহ্লাদঃ= (স্মরণে প্রহ্লাদ) ; তদঙ্ঘ্রিভজনে লক্ষ্মীঃ= (তাঁর চরণসেবায় লক্ষ্মী) ; পূজনে পৃথুঃ= (পূজায় মহারাজ পৃথু) ; অভিবন্দনে অক্রূরঃ= (বন্দনে অক্রূর) ; দাস‍্যে কপিপতিঃ= (দাস‍্যে হনুমান) ; সখ‍্যে অর্জুনঃ= (সখ‍্যে অর্জুন) ; সর্বস্বাত্মনিবেদনে বলিঃ= (সর্বস্বের সহিত আত্মনিবেদনে দৈত‍্যরাজ বলি) ; অভূৎ= (কৃতার্থ হয়েছিলেন) ; এষাং পরা= ( ইহাদের সর্বোত্তম) ; কৃষ্ণাপ্তিঃ অভবৎ= (কৃষ্ণপ্রাপ্তি হয়েছিল)।*

*🌹শ্রীবিষ্ণুর নাম-গুণ-লীলাদির শ্রবণে মহারাজ পরীক্ষিৎ, কীর্তনে শ্রীশুকদেব গোস্বামী, স্মরণে ভক্ত প্রহ্লাদ, পাদসেবনে লক্ষ্মী, পূজায় মহারাজ পৃথু, বন্দনে অক্রূর, দাস‍্যে হনুমান,সখ‍্যে অর্জুন এবং সর্বতোভাবে আত্মনিবেদনে দৈত‍্যরাজ বলি, ভগবৎপ্রেম লাভ করে শ্রীকৃষ্ণকে পেয়েছিলেন।*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🔜 ক্রমাগত 👉 

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
    ꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


এক বাঙালির বারানসী (বেনারস) আগমন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/04/baranasi.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

এক বাঙালির বারানসী (বেনারস) আগমন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/04/baranasi.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
এক বাঙালির বারানসী (বেনারস) আগমন

বঙ্গ মায়ের রত্ন সন্তান নবদ্বীপের নিমাই পণ্ডিত তখন নবদ্বীপে অধ্যাপক। অধ্যাপনাতে এতটাই সুনিপুণ যে শ্রীহট্ট (বর্তমান বাংলাদেশের সিলেট) থেকে তার ডাক এসেছে। নিমাই এগিয়ে চলেছে শ্রীহট্টের দিকে। যথাবিধি পাঠদান করে আবার নবদ্বীপের অভিমুখে ফিরে আসছেন তিনি। তপন মিশ্র নামের এক ব্রাহ্মণ শরণাপন্ন হলেন নিমাই পণ্ডিতের। তিনি সাধ্য সাধন তত্ত্ব নির্নয় করতে পারছেন না। 
হেনই সময়ে এক সুকৃতি ব্রাহ্মণ।
অতি সারগ্রাহী নাম মিশ্র তপন।
সাধ্য সাধন তত্ত্ব নিরূপিতে নারে।
হেনজন নাহি তথা জিজ্ঞাসিবে যারে।।
নিমাই পণ্ডিত পথ বাতলে দিলেন। বললেন কুটিনাটি পরিত্যাগ করে কেবল কৃষ্ণনাম কীর্তনেই মিলবে সাধ্য সাধন।
অতএব গৃহে তুমি কৃষ্ণ ভজ গিয়া।
কুটিনাটি পরিহরি একান্ত হইয়া।।
সাধ্য সাধন তত্ত্ব যে কিছু সকল।
হরিনাম সংকীর্তনে মিলিবে সকল।।
তপন মিশ্রের ইচ্ছে তিনি নিমাই পণ্ডিতের সাথে নবদ্বীপে আসবেন এবং তার সঙ্গেই থাকবেন।
কিন্তু নিমাই পণ্ডিত ভবিষ্যতে সন্ন্যাসের পথ এঁকে রেখেছেন। সুন্দর ভাবে নিমাই পণ্ডিত তপন মিশ্র কে বললেন
প্রভু কহে- তুমি শীঘ্র যাও বারানসী।
তাই আমার সঙ্গে হইবে মিলন।
কহিমু সকল তত্ত্ব সাধ্য সাধন।।
এরপর ইতিহাসের নানা অধ্যায়ের সম্মুখীন হতে হতে নিমাই পণ্ডিত ধীরে ধীরে হয়ে উঠলেন জগৎ বরেণ্য শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভু ।
মহাপ্রভু সন্ন্যাস নিয়ে পুরী ধামে জগন্নাথ ক্ষেত্রে বিচরণ করছেন। সেখানে সার্বভৌম ঠাকুর, রায় রামানন্দ, স্বরূপ দামোদর, কাশী মিশ্র, রাজা প্রতাপ রুদ্র প্রমুখ ভক্ত সঙ্গে রথযাত্রা আস্বাদন করলেন। ইচ্ছে হলো একবার নবদ্বীপে এসে শচীমা এবং মা গঙ্গা কে দর্শন করবেন।(বোধকরি মনে এ ইচ্ছাও ছিল একবার চির অভাগিনী বিষ্ণুপ্রিয়া কে নিজ চরণপাদুকা দান করে সেবা অধিকার প্রযুক্ত করার) সেই মত উড়িষ্যা থেকে মহাপ্রভু এলেন বঙ্গে। মালদহের রামকেলিতে দেখা করলেন দবীর খাস এবং সাকর মল্লিকের সঙ্গে । সঞ্জীবনী প্রজ্ঞায় বলে উঠলেন 
তোমরা দুই ভাই মোর পুরাতন জন।
আজি হৈতে দোহার নাম রূপ সনাতন।।
(এই রূপ সনাতন ই বিশ্ববন্দিত বৈষ্ণবাচার্য্য রূপ গোস্বামী এবং সনাতন গোস্বামী)
সে যাত্রায় মহাপ্রভু সনাতনের অনুরোধে বৃন্দাবন না গিয়ে পুরীতে ফিরে এলেন।
এরপরের বছরেই শরৎকালে মহাপ্রভু বৃন্দাবন দর্শন করতে চললেন। পথে ঝাড়খণ্ডের জঙ্গল পার করে  এলেন কাশীতে। বর্তমান বেনারসে।  কাশীর বিখ্যাত মণিকর্ণিকা ঘাটে স্নান সেরে উঠতেই দেখতে পেলেন সেই তপন মিশ্রকে। যাকে তিনি সর্বপ্রথম ভবিষ্যতে তার কাশী আগমনের কথা বলেছিলেন সেই তপন মিশ্র কে।
এইমত নানা সুখে প্রভু আইলা কাশী।
মধ্যাহ্ন স্নান কৈল মণিকর্ণিকায় আসি।।
সেইকালে তপন মিশ্র করে গঙ্গাস্নান।
প্রভু দেখি হৈলো তার কিছু বিস্ময় জ্ঞান।।
যে নিমাই পণ্ডিতের কথা বেদবাক্য মনে করে তিনি বেনারসে বসবাস করছেন সেই নিমাই পণ্ডিত আজ  সন্ন্যাসী হয়ে নিজের কথা রেখেছেন। বেনারসে এসেছেন। আনন্দে তপন মিশ্র মহাপ্রভু কে নিয়ে বিশ্বনাথ এবং বিন্দুমাধব দর্শন করিয়ে আনলেন। এবং যতদিন মহাপ্রভু বেনারসে ছিলেন তপন মিশ্রের ঘরেই তিনি দুপুরে প্রসাদ পেতে লাগলেন। মহাপ্রভুর কথা শুনে এক মহারাষ্ট্রীয় ব্রাহ্মণ এলেন। আর সেই সাথে এলেন মহাপ্রভুর পূর্ব পরিচিত চন্দ্রশেখর বৈদ্য।  সেইসময় বেনারসে প্রকাশানন্দ সরস্বতী নামের একজন মায়াবাদী সন্ন্যাসী ছিলেন যিনি ভক্তিরাজ্যের ধার দিয়েও যেতেন না। তপন মিশ্র, চন্দ্রশেখর বৈদ্য এনারা সবাই মহাপ্রভু কে এই প্রকাশানন্দ সরস্বতীর কথা বললেন। এর সাত আটদিন পর মহাপ্রভু বৃন্দাবনে এলেন। বৃন্দাবনের লীলাস্থলী মূলত রাধাকুণ্ড প্রকটের পর মহাপ্রভু আবার ফিরে আসছেন। পথে প্রয়াগে মিলিত হলেন শ্রী রূপ গোস্বামীর সঙ্গে। নিজ শক্তি সঞ্চার করলেন শ্রী রূপের মধ্যে। এগিয়ে চললেন মহাপ্রভু। আবার এলেন কাশীতে- বেনারসে। এইবার আর সাত আটদিন নয়। পুরো দুই মাস।  আবারো মহাপ্রভু এসে মিললেন তপন মিশ্র, চন্দ্রশেখর বৈদ্য আর মহারাষ্ট্রীয় ব্রাহ্মণ এর সঙ্গে। পুনরায় মহাপ্রভু তপন মিশ্রের ঘরেই সেবা অঙ্গীকার করলেন। এর মধ্যে ইতিহাসের বহু ঘাত প্রতিঘাত পার হয়েছেন সনাতন।  মহাপ্রভুর সঙ্গে দেখা করতে তিনি এসেছেন বেনারসে। শুনতে পেয়েছেন তপন মিশ্রের বাড়িতে মহাপ্রভুর অবস্থান। 
তবে বারানসী গোঁসাই আইলা কতদিনে।
শুনি আনন্দিত হইলা প্রভুর আগমনে।।
এরপর ইতিহাস গড়িয়েছে তার নিজের পথে। ভবিষ্যত প্রজন্মকে উপহার দিয়েছে বৈরাগ্যের চূড়ান্ত মূর্তি শ্রী সনাতন গোস্বামীকে। এইসব কিছুই ঘটেছে বেনারসে - কাশীতে। এখানেই শেষ???
উহু। এখনো বাকি আছে প্রকাশানন্দ সরস্বতী কে ভক্তি পথে আনয়ন। সেটাও করে ছাড়লেন মহাপ্রভু। সেই সবকিছু এই বেনারসে। যে দুইমাস মহাপ্রভু বেনারসে ছিলেন, প্রতিদিন মহাপ্রভু পঞ্চগঙ্গা ঘাটে স্নান সেরে পাশেই বিন্দু মাধব দর্শন করতেন।
হেনকালে মহাপ্রভু পঞ্চনদে স্নান করি।
দেখিতে চলিয়াছেন বিন্দু মাধব হরি।। আর এই দুই মাস মহাপ্রভু সনাতন গোস্বামীকে শিক্ষা দিলেন। উদ্ধার করলেন প্রকাশানন্দ সরস্বতীকে। আর কিছু করলেন কি??
হ্যাঁ। ভবিষ্যতের রঘুনাথ ভট্ট কে গড়ে নিলেন এখান থেকেই এই বেনারসেই। হ্যাঁ এই তপন মিশ্রের একমাত্র ছেলে হলেন রঘুনাথ ভট্ট গোস্বামী।
বারানসী মধ্যে প্রভুর ভক্ত তিনজন।
চন্দ্রশেখর বৈদ্য আর মিশ্র তপন।
রঘুনাথ ভট্টাচার্য মিশ্রের নন্দন।
প্রভু যবে কাশী আইলা দেখি বৃন্দাবন।।
মহাপ্রভু যখন বেনারস আসেন তখন রঘুনাথ কিশোর বালক। তখনই এই বালক রঘুনাথ মহাপ্রভু কে সেবার সৌভাগ্য পেয়েছিলেন। এইসব ঘটনা ঘটেছিল কাশীতে, বর্তমান বেনারসে।

বেনারসে এখনো তপন মিশ্রের বাড়ি, মহাপ্রভুর বিশ্রাম ক্ষেত্র, যেখানে মহাপ্রভু স্নান করতেন সেই পঞ্চগঙ্গা ঘাট এবং যাকে দর্শন করে অভিভূত হতেন সেই বিন্দু মাধব বিরাজমান। প্রতিটা বাঙালির উচিত বেনারস গিয়ে এই স্থানগুলো দর্শন করা। আমার সৌভাগ্যে ঘটেছে। 
বেনারসে প্রসিদ্ধ কাল ভৈরব মন্দিরের কাছে এসে কাউকে জিজ্ঞেস করতে হবে *#যতনবর*  যাব। কাল ভৈরব মন্দির থেকে হাঁটা পথে পাঁচ মিনিট এগোলে এই যতনবর নামক স্থানে তপন মিশ্রের বাড়ি আর মহাপ্রভুর বিশ্রামস্থলী আছে। ঐ কাল ভৈরবের মন্দির থেকে অন্যদিকে হাঁটা পথে দশমিনিট বিন্দু মাধব মন্দির এবং পঞ্চগঙ্গা ঘাট।
লেখনীর বিশ্রাম। জয় গৌর হরি।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
      ꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী দীপ বাগুই📖👇꧂



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧







আমি দেবী অন্নপূর্ণা প্রকাশ কাশীতে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/04/annapurna.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

আমি দেবী অন্নপূর্ণা প্রকাশ কাশীতে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/04/annapurna.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
আমি দেবী অন্নপূর্ণা প্রকাশ কাশীতে।
চৈত্র মাসে মোর পূজা শুক্লা অষ্টমীতে।।

কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর লিখেছেন তাঁর অন্নদা মঙ্গল কাব্যে। সার্থক অনুমান তিনি কৃষ্ণনগরের রাজার অনুগ্রহেই কাব্যটি সম্পূর্ণ করেন। মানুষ কতটা অসহায় হলে তারা ধূলায় ধূসর হয় আর দেবতারা কতটা অসহায় হলে তারা মানুষের মতো আচরণ করেন তার সুন্দর বিশ্লেষণ ভারতচন্দ্র করেছেন। সেই সব দেবতা‌ এবং মানুষেরা সহায়সম্বলহীন হয়ে দেবীর কাছে পেটের জ্বালা নেভানোর দাবি রাখে। শিব হলেন সেই সমস্ত দেবতা এবং মানুষের প্রতীক।

অন্নপূর্ণা পূজা পদ্ধতিতে আমরা দেখি দেবী অন্নপূর্ণার ভৈরব হলেন দশবক্ত্র মহাদেব। অর্থাৎ শিবের দশটা মুখ। আসলে এই দশটা মুখ দশদিকের প্রতীক।  দশদিকেই মানুষ ক্ষুধার্ত। চারিদিকে হাহাকার। এইসব কিছু থেকেই উদ্ধার করছেন দেবী অন্নপূর্ণা।

এই অন্নপূর্ণা দেবীর নিবাস কাশীতে। যেখানে দেবাদিদেব মহাদেব দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গর এক লিঙ্গ স্বরূপে বিরাজিত। এই অন্নপূর্ণা ক্ষেত্র কাশীতে কেউ অভুক্ত থাকে না। অন্নপূর্ণা মন্দিরের ব্যবস্থাপনায় আজো হাজার হাজার মানুষকে খাদ্য বিতরণ করা হয় বিনামূল্যে।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
      ꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী দীপ বাগুই📖👇꧂



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧







গৌরাঙ্গলীলা পার্ষদ শ্রীবাস পণ্ডিতের আবির্ভাব তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/03/sribas.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

গৌরাঙ্গলীলা পার্ষদ শ্রীবাস পণ্ডিতের আবির্ভাব তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/03/sribas.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*#চৈত্র_মাসের_কৃষ্ণপক্ষের_অষ্টমী_তিথি* 

*#গৌরাঙ্গলীলাপার্ষদ_শ্রীবাসপণ্ডিতের_আবির্ভাবতিথি* :

সার্থক আস্বাদন করেছেন কবিরাজ গোস্বামী।চরিতামৃতে লিখেছেন-
 *#পঞ্চতত্ত্ব_একবস্তু_নাহি_কিছু_ভেদ* । 
*#রস_আস্বাদিতে_তত্ত্ব_বিবিধ_বিভেদ* ।

অর্থাৎ নিতাই গৌর সীতানাথ গদাধর এবং শ্রীবাস সবাই একতত্ত্ব। আলাদা কিছু নয়। কেবলমাত্র লীলারস আস্বাদনের জন্য ভিন্ন দেহ ধারণ করেছেন মাত্র।একে অন্যের পরিপূরক ।
শ্রীবাসাদি যত কোটি কোটি ভক্তগণ।
শুদ্ধভক্ত তত্ত্বমধ্যে তা সবার গণন।।
পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে যে মহাপ্রভুর ভুবনমঙ্গল পার্ষদ গণের মধ্যে শ্রীবাস পণ্ডিত সহ অন্যান্য বৈষ্ণবগণ অগ্রগণ্য।
অনেক গবেষকের মতে শ্রীবাস পণ্ডিত জন্মগ্রহণ করেন বর্তমান বাংলাদেশে। পরে বিভিন্ন কারণে গঙ্গাতীরবর্তী নবদ্বীপে এসে বসবাস শুরু করেন।এর বহু পরে নবদ্বীপে মহাপ্রভুর আবির্ভাব ঘটে।মহাপ্রভু গয়াধাম দর্শন করে ঈশ্বর পুরী গোস্বামীর থেকে কৃষ্ণ মন্ত্রে দীক্ষা নিয়ে নবদ্বীপে ফিরে এসেছেন।এখন তাঁর দেহে প্রকট হচ্ছে অষ্ট সাত্ত্বিক ভাব। সবাই আনন্দিত।শ্রীবাস পণ্ডিতের কাছে এই খবর যাবার সাথে সাথেই
*#প্রথমেই_বলিলেন_শ্রীবাস_উদার* ।
*#গোত্র_বাড়াউন_কৃষ্ণ_আমা_সবাকার* ।।
এরপরেই শুরু হল শ্রীবাস পণ্ডিতের বাড়ির প্রশস্ত অঙ্গনে মহাপ্রভুর মহাভাব প্রকাশ এবং ভুবনমঙ্গল হরিনাম সংকীর্তন প্রচার।শ্রীবাস অঙ্গন হয়ে উঠল বৈকুন্ঠ ভবন।প্রতিদিন মহাপ্রভু পার্ষদদের সাথে কীর্ত্তনে মেতে উঠলেন শ্রীবাস অঙ্গনে।কীর্ত্তন বিরোধী মানুষ কাজীর কাছে নালিশ জানালে শ্রীবাস পণ্ডিত ভীত হয়ে পড়লেন।
*#শ্রীবাসপণ্ডিত_বড়_পরম_উদার* ।
*#যেই_কথা_শুনে_সেই_প্রত্যয়_তাঁহার* ।।
মহাপ্রভু আশ্বস্ত করলেন শ্রীবাস কে। একদিন শ্রীবাস পণ্ডিত নিজের ঘরে নৃসিংহ দেবের আরাধনা করছেন। ভাবাবিষ্ট গৌরহরি হাজির হলেন শ্রীবাস পণ্ডিতের বাড়িতে । শ্রীবাস পণ্ডিতকে অভয় দিয়ে বললেন
*#কাহারে_পূজিস_করিস_কার_ধ্যান* ?
*#যাহারে_পূজিস_তাঁরে_দেখ_বিদ্যমান* ।।
শ্রীবাস পণ্ডিত দেখলেন এতক্ষণ যে নৃসিংহ দেবকে তিনি আরাধনা করছিলেন সেই নৃসিংহদেব এখন মহাপ্রভুর মধ্যে বিরাজিত। মহাপ্রভুর প্রসন্ন কন্ঠস্বর 
*#তোর_উচ্চ_সংকীর্তনে_নাড়ার_হুংকারে* ।
*#ছাড়িয়া_বৈকুন্ঠ_আইনু_সর্ব_পরিবারে* ।
এইভাবে চলতে থাকল কীর্ত্তন । এরপরে নবদ্বীপে এলেন নিত্যানন্দ প্রভু । মহাপ্রভু বুঝতে পারলেন নিতাই আগমনবার্তা । ভক্তদের পাঠালেন খুঁজতে।কিন্তু কেউ খুঁজে পেলেন না নিতাই কে। শেষে মহাপ্রভু নিজেই পেলেন নন্দনাচার্যের বাড়িতে ।ভাবাবিষ্ট নিতাই কে দেখে মহাপ্রভু শ্রীবাস পণ্ডিতকে ইঙ্গিত করে ভাগবতের দশম স্কন্ধের একবিংশ অধ্যায়ের পঞ্চম শ্লোক পড়তে বললেন।
*#প্রভুর_ইঙ্গিত_শুনি_শ্রীবাসপণ্ডিত* ।
*#কৃষ্ণধ্যান_একশ্লোক_পড়িল_ত্বরিত* ।।
এরপরেই শ্রীবাস অঙ্গনে হল ব্যাসপূজা। যে পূজার তন্ত্রধারক ছিলেন স্বয়ং শ্রীবাস নিজে। ধীরে ধীরে শ্রীবাস পণ্ডিতের বাড়ির অঙ্গনে চলতে লাগল নামকীর্তন। চাপালগোপাল এই শ্রীবাস অঙ্গন অপবিত্র করলেন এবং পরিশেষে ফল ভোগ করতে হল। 
সর্বজন বিদিত শ্রীবাস পণ্ডিত প্রেমে বিগলিত হয়ে ভাগবত শ্রবণ করে কেঁদেছিলেন। বলা ভালো মহাপ্রভুই প্রেমচক্ষু দিয়ে শ্রীবাস কে কাঁদিয়ে ভাগবতের মহিমা দেখিয়েছিলেন। দেবানন্দ পণ্ডিতের কাছে ভাগবত শুনে শ্রীবাস পণ্ডিত ব্যাকুল হয়ে কেঁদে উঠলেন।কিন্তু দেবানন্দ পণ্ডিত প্রেমহীন। তিনি নিজে ভাগবত পড়লেও চোখে প্রেমাশ্রু আসে না। অথচ শ্রীবাস পণ্ডিত শুনেই কেঁদে ফেললেন। শ্রীবাস পণ্ডিত আমাদের কাছে এটাই দেখিয়েছিলেন যে ভাগবত শুধু পড়া নয়, হৃদয়ে অনুভব করার বিষয় ।
*#অক্ষরে_অক্ষরে_ভাগবত_প্রেমময়* । 
*#শুনিয়া_দ্রবিল_শ্রীনিবাসের_হৃদয়* ।। 
মহাপ্রভু এবার সন্ন্যাস নেবেন বলে মনস্থির করেছেন।এমন সময় একদিন শ্রীবাস অঙ্গনে নামকীর্তন চলছে।স্বয়ং গৌরহরি নিজে সেই সংকীর্তনে বিরাজমান । কীর্ত্তন চলাকালীন শ্রীবাস পণ্ডিতের ছেলে পরলোক গমন করলেন।
*#আনন্দে_করেন_নৃত্য_শ্রীশচীনন্দন* ।
*#আচম্বিতে_শ্রীবাস_গৃহে_উঠিল_ক্রন্দন* ।।
শ্রীবাস পণ্ডিত পুত্রশোক ভুলে স্ত্রী মালিনী দেবীকে স্বান্তনা দিলেন । এবং মহাপ্রভুর কীর্ত্তনে যেন কোনো ব্যাঘাত না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য রাখলেন।তথাপি অন্তর্যামী গৌরহরি সবই বুঝতে পারলেন। সবশুনে মহাপ্রভু মৃতশিশুকে কোলে তুলে নিলেন।এবং স্বীয় হস্তস্পর্শে মৃতশিশুর মুখে তত্ত্ববাক্য উচ্চারণ করালেন।
সন্ন্যাসের পরে মহাপ্রভু গম্ভীরা তে আছেন রথযাত্রা সমাগত। নবদ্বীপ থেকে সস্ত্রীক শ্রীবাস পণ্ডিত পুরীতে রথযাত্রা দর্শনে গেছেন। মহাপ্রভুর মধুর নৃত্য দেখছেন রথের আগে। শ্রীবাস পণ্ডিত খেয়াল করেন নি যে তাঁর পেছনে রাজা প্রতাপরুদ্রদেব দাড়িয়ে আছেন এবং তাঁর দর্শনে ব্যাঘাত ঘটছে। স্বানুভাবানন্দে শ্রীবাস পণ্ডিত মহাপ্রভুর নৃত্য দর্শন করছেন। রাজার অমাত্য হরিচন্দন সব দেখে শ্রীবাস পণ্ডিতের গায়ে হাত দিয়ে একটু সরে যেতে বললেন । কিন্তু শ্রীবাস পণ্ডিতের ভ্রূক্ষেপ নেই। বরঞ্চ মহাপ্রভুর নৃত্য দর্শনে বিঘ্ন  হয়েছে বলে হরিচন্দন কেই চাপড় মারলেন । হরিচন্দনও তার প্রতিশোধ নিতে গেলে রাজা প্রতাপরুদ্রদেব তাকে বাধা দিলেন আর বললেন 
*#ভাগ্যবান_তুমি_ইহার_হস্ত_স্পর্শ_পাইলা* ।
*#আমার_ভাগ্যে_নাহি_তুমি_কৃতার্থ_হৈলা* ।।
এইরকম ছিল শ্রীবাস পণ্ডিতের চরিত্র। আজ তাঁর আবির্ভাব তিথি তে বিনম্র প্রণাম ।
*#ভজ_ভজ_ভজ_ভাই_পণ্ডিত_শ্রীবাস* ।  
*#যাঁর_অঙ্গনে_মধুর_কীর্ত্তন_প্রকাশ* ।
প্রার্থনা করি-  প্রতি হৃদে নাচাও হে....তোমার অঙ্গনের নাটুয়া মূরতি প্রতি হৃদে নাচাও হে....

*জয় নিতাই!*
*নিত্যানন্দ প্রভু ও গৌড়ীয় গোস্বামী সিদ্ধান্ত সম্বলিত বিবিধ প্রসঙ্গ জানতে এই গ্রুপে অ্যাড হোন, বন্ধুদের অ্যাড করুন , লাইক,কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথে থাকুন।*

https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/

*এখানে ধর্মীয় ভক্তি-জ্ঞান সম্বন্ধে অনেক নতুন নতুন পোস্ট পেতে পারবেন।*
 *জয় নিতাই!*
 *জয় জয় নিতাই!!*
*🌹🌹🙏🙏🌹🌹*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
      ꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী দীপ বাগুই📖👇꧂



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧







সফলা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য 🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/12/ekadoshi.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕  সফলা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য 🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/12/ekadoshi.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

ব্রহ্মাণ্ড পুরাণে যুধিষ্ঠির মহারাজ ও শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে এই তিথির মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে।

পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম”সফলা”। যুধিষ্ঠির মহারাজ বললেন-হে প্রভু, পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম, বিধি এবং পূজ্যদেবতার বিষয়ে আমার খুব জানার ইচ্ছে নিবারণ করুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন –হে যুধিষ্ঠির মহারাজ,আপনার প্রতি স্নেহবশত সেই ব্রত কথার বিষয়ে বলছি। এই ব্রত আমাকে যেরকম সন্তুষ্ট করে,বহু দান দক্ষিণাযুক্ত যজ্ঞাদি দ্বারা আমি সেরকম সন্তুষ্ট হই না। তাই যত্নসহকারে এই ব্রত পালন করা কর্তব্য। পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম “সফলা”। নাগদের মধ্যে যেমন শেষ নাগ,পক্ষীদের মধ্যে যেমন গরুড়,মানুষের মধ্যে যেমন ব্রাহ্মণ,দেবতাদের মধ্যে নারায়ণ সর্বশ্রেষ্ঠ; তেমনই সকল ব্রতের মধ্যে একাদশী ব্রতই সর্বশ্রেষ্ঠ। হে 
মহারাজ,যারা এই ব্রত পালন করেন,তারা আমার অত্যন্ত প্রিয়। তাদের এ জগতে ধনলাভ ও পরজগতে মুক্তি লাভ হয়।হাজার হাজার বছর তপস্যায় যে ফল লাভ হয় না,একমাত্র সফলা একাদশীতে রাত্রি জাগরণের ফলে তা অনায়াসে প্রাপ্ত হওয়া যায়। মহিষ্মত নামে এক রাজা প্রসিদ্ধ চম্পাবতি নগরে বাস করতেন। রাজার চারজন পুত্র ছিল। কিন্তু তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র লুম্ভক সর্বদা পরস্ত্রী গমন,মদ্যপান প্রভৃতি অসৎ কার্মে লিপ্ত ছিল। সে সর্বক্ষন ব্রাহ্মণ,বৈষ্ণব ও দেবতাদের নিন্দা করত। পুত্রের এই আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে রাজা তাকে রাজ্য থেকে বের করে দিলেন। স্ত্রী-পুত্র, পিতা, মাতা,আত্মীয় স্বজন পরিত্যাগ হয়ে সে এক গভীর বনে প্রবেশ করল। সেখানে কখনও জীবহত্যা আবার কখনও চুরি করে জীবন ধারণ করতে লাগল। কিছুদিন পরে একদিন সে নগরে প্রহরীদের কাছে ধরা পড়ল। কিন্তু রাজপুত্র বলে সেই অপরাধ থেকে সে মুক্তি পেল। পুনরায় সে বনে ফিরে গিয়ে জীবহত্যা ও ফলমূল আহার করে দিন যাপন করতে লাগল। ঐ বনে বহু বছরের পুরনো একটি বিশাল অশ্বথ বৃক্ষ ছিল। সেখানে ভগবান শ্রী বাসুদেব বিরাজমান বলে বৃক্ষটি দেবত্ব প্রাপ্ত হয়েছে। সেই বৃক্ষতলে পাপবুদ্ধি লুম্ভক বাস করত। বহুদিন পর তার পূর্বজন্মের কোন পুণ্য ফলে সে পৌষ মাসের দশমী দিনে কেবল ফল আহারে দিন অতিবাহিত করল। কিন্তু রাত্রিতে অসহ্য শীতের প্রকোপে সে মৃতপ্রায় হয়ে রাত্রিযাপন করল। পরদিনসূর্যোদয় হলেও সে অচেতন হয়েই পড়ে রইল। দুপুরের দিকে তার চেতনা ফিরল। ক্ষুধা নিবারণেরজন্য সেঅতিকষ্টে কিছু ফল সংগ্রহ করল। এরপর সেই বৃক্ষতলে এসে পুনরায় বিশ্রাম করতে থাকল। রাত্রিতে খাদ্যাভাবে সে দুর্বল হয়ে পড়ল। সে প্রাণরক্ষার্থে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে ফলগুলি নিয়ে-‘হে ভগবান, আমার কি গতি হবে’ বলে অশ্রুপাত করতে করতে সেই বৃক্ষমূলে ,’হে লক্ষ্মীপতি নারায়ণ, আপনি প্রসন্ন হোন’বলে নিবেদন করল। এইভাবে সে অনাহারে ও অনিদ্রায় সেই রাত্রি যাপন করল। ভগবান নারায়ণ সেই পাপী লুম্ভকের রাত্রি জাগরণকে একাদশীর জাগরণ এবং ফল অর্পণকে পূজা বলে গ্রহণ করলেন। এইভাবে অজ্ঞাতসারে লুম্ভকের সফলা একাদশী ব্রত পালন হয়ে গেল। প্রাতঃকালে আকাশে দৈববাণী হল- হে পুত্র তুমি সফলা ব্রতের পুণ্য প্রভাবে রাজ্য প্রাপ্ত হবে। সেই দৈববাণী শোনা মাত্র লুম্ভক দিব্যরুপ লাভ করল। স্ত্রীপুত্র সহ কিছুকাল রাজ্যসুখ ভোগের পর পুত্রের উপর রাজ্যের ভার দিয়ে সে সন্ন্যাস আশ্রম গ্রহণ করল। অবশেষে মৃত্যুকালে সে অশোক অভয় ভগবানের কাছে ফিরে গেল। হে মহারাজ, এভাবে সফলা একাদশী যিনি পালন করেন,তিনি জাগতিক সুখ ও পরে মুক্তি লাভ করেন। এই ব্রতে যারা শ্রদ্ধাশীল তাঁরাই ধন্য। তাঁদের জন্ম সার্থক,এতে কোন সন্দেহ নেই।এই ব্রত পাঠ ও শ্রবণে মানুষের  রাজসূয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

🙇 সংগৃহীত 🙇

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧




পরম পবিত্র উৎপন্না একাদশী মাহাত্ম্য 🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/11/ekadoshi.html


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


🆕  পরম পবিত্র উৎপন্না একাদশী মাহাত্ম্য 🙇 সংগৃহীত 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/11/ekadoshi.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


অর্জুন বললেন হে দেব! অগ্রহায়ণের পুণ্যপ্রদায়ী কৃষ্ণপক্ষের একাদশীকে কেন ‘উৎপন্না’ বলা হয় এবং কি জন্যই বা এই একাদশী পরম পবিত্র ও দেবতাদেরও প্রিয়, তা জানতে ইচ্ছা করি। আপনি কৃপা করে আমাকে তা বলুন। শ্রীভগবান বললেন-হে পৃথাপুত্র! পূর্বে সত্যযুগে ‘মুর’ নামে এক দানব ছিল। অদ্ভুত আকৃতিবিশিষ্ট সেই দানবের স্বভাব ছিল অত্যন্ত কোপন। সে দেবতাদেরও ভীতিপ্রদ ছিল। যুদ্ধে দেবতাদের এমনকি স্বর্গরাজ ইন্দ্রকে পর্যন্ত পরাজিত করে স্বর্গ থেকে বিতারিত করেছিল।এইভাবে দেবতারাপৃথিবীতে বিচরণ করতে বাধ্য হয়েছিল।
.
তখন দেবতারা মহাদেবের কাছে গিয়ে নিজেদের সমস্ত দু:খ সবিস্তারে জানালেন। শুনে মহাদেব বললেন-হেদেবরাজ! যেখানে শরণাগত বৎসল জগন্নাথ, গরুধ্বজ বিরাজ করছেন, তোমরা সেখানে যাও। তিনি আশ্রিতদের পরিত্রাণকারী। তিনি নিশ্চয়ই তোমাদের মঙ্গল বিধান করবেন।দেবাদি দেবের কথামতো দেবরাজ ইন্দ্র দেবতাদের নিয়ে ক্ষীরসমুদ্রের তীরে গমন করলেন। জলে শায়িত শ্রীবিষ্ণুকে দর্শ করে দেবতারা হাতজোড়করে তাঁর স্তব করতে লাগলেন। স্তুতির মাধ্যমে নিজ নিজ দৈন্য ও দু:খের কথা তাঁরা ভগবানকে জানালেন। ইন্দ্রের কথা শুনে ভগবান নারায়ণ বললেন-হে ইন্দ্র! সেই মুর দানব কি রকম, সে কেমন শক্তিশালী, তা আমায় বল। ইন্দ্র বললেন- হে ভগবান! প্রাচীনকালে ব্রহ্ম বংশে তালজঙ্ঘা নামে এক অতি পরাক্রমী অসুর ছিল। তারই পুত্র সেই ‘মুর’ অত্যন্ত বলশালী, ভীষণউৎকট ও দেবতাদেরও ভয় উৎপাদনকারী। সে চন্দ্রাবতী নামে এক পুরীতে বাস করে।
.
স্বর্গ থেকে আমাদের বিতাড়িত করে তার স্বাজাতি কাউকেরাজা, কাউকে অন্যান্য দিকপালরূপে প্রতিষ্ঠিত করে এখন সে দেবলোক সম্পূর্ণ অধিকার করেছে। তার প্রবল প্রতাপে আজ আমরা প্রথিবীতেবিচরণ করছি। ইন্দ্রের কথা শুনে ভগবান দেবদ্রোহীদের প্রতি অত্যন্ত ক্রোধান্বিত হলেন। তিনি দেবতাদের সঙ্গে চন্দ্রবতী পুরীতে গেলেন। সেইদৈত্যরাজ শ্রীনারায়ণকে দর্শন করে পুন: পুন: গর্জন করতে লাগল। দেবতা ও অসুরের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়ে ঘেল। তখন যুদ্ধক্ষেত্রেশ্রীনারায়ণকে একা দেখে সেই দানব তাঁকে ‘দাঁড়াও দাঁড়াও’ বলতে লাগল। শ্রীভগবানও ক্রোধে গর্জন করে অর্জুন বললেন হে দেব! অগ্রহায়ণের পুণ্যপ্রদায়ী কৃষ্ণপক্ষের একাদশীকে কেন 'উৎপন্না' বলা হয় এবং কি জন্যই বা এই একাদশী পরম পবিত্র ও দেবতাদেরও প্রিয়, তা জানতে ইচ্ছা করি। আপনি কৃপা করে আমাকে তা বলুন। শ্রীভগবান বললেন-হে পৃথাপুত্র! পূর্বে সত্যযুগে 'মুর' নামে এক দানব ছিল। অদ্ভুত আকৃতিবিশিষ্ট সেই দানবের স্বভাব ছিল অত্যন্ত কোপন। সে দেবতাদেরও ভীতিপ্রদ ছিল। যুদ্ধে দেবতাদের এমনকি স্বর্গরাজ ইন্দ্রকে পর্যন্ত পরাজিত করে স্বর্গ থেকে বিতারিত করেছিল।এইভাবে দেবতারাপৃথিবীতে বিচরণ করতে বাধ্য হয়েছিল।
.
তখন দেবতারা মহাদেবের কাছে গিয়ে নিজেদের সমস্ত দু:খ সবিস্তারে জানালেন। শুনে মহাদেব বললেন-হেদেবরাজ! যেখানে শরণাগত বৎসল জগন্নাথ, গরুধ্বজ বিরাজ করছেন, তোমরা সেখানে যাও। তিনি আশ্রিতদের পরিত্রাণকারী। তিনি নিশ্চয়ই তোমাদের মঙ্গল বিধান করবেন।দেবাদি দেবের কথামতো দেবরাজ ইন্দ্র দেবতাদের নিয়ে ক্ষীরসমুদ্রের তীরে গমন করলেন। জলে শায়িত শ্রীবিষ্ণুকে দর্শ করে দেবতারা হাতজোড়করে তাঁর স্তব করতে লাগলেন। স্তুতির মাধ্যমে নিজ নিজ দৈন্য ও দু:খের কথা তাঁরা ভগবানকে জানালেন। ইন্দ্রের কথা শুনে ভগবান নারায়ণ বললেন-হে ইন্দ্র! সেই মুর দানব কি রকম, সে কেমন শক্তিশালী, তা আমায় বল। ইন্দ্র বললেন- হে ভগবান! প্রাচীনকালে ব্রহ্ম বংশে তালজঙ্ঘা নামে এক অতি পরাক্রমী অসুর ছিল। তারই পুত্র সেই 'মুর' অত্যন্ত বলশালী, ভীষণউৎকট ও দেবতাদেরও ভয় উৎপাদনকারী। সে চন্দ্রাবতী নামে এক পুরীতে বাস করে।
.
স্বর্গ থেকে আমাদের বিতাড়িত করে তার স্বাজাতি কাউকেরাজা, কাউকে অন্যান্য দিকপালরূপে প্রতিষ্ঠিত করে এখন সে দেবলোক সম্পূর্ণ অধিকার করেছে। তার প্রবল প্রতাপে আজ আমরা প্রথিবীতেবিচরণ করছি। ইন্দ্রের কথা শুনে ভগবান দেবদ্রোহীদের প্রতি অত্যন্ত ক্রোধান্বিত হলেন। তিনি দেবতাদের সঙ্গে চন্দ্রবতী পুরীতে গেলেন। সেইদৈত্যরাজ শ্রীনারায়ণকে দর্শন করে পুন: পুন: গর্জন করতে লাগল। দেবতা ও অসুরের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়ে ঘেল। তখন যুদ্ধক্ষেত্রেশ্রীনারায়ণকে একা দেখে সেই দানব তাঁকে 'দাঁড়াও দাঁড়াও' বলতে লাগল। শ্রীভগবানও ক্রোধে গর্জন করে বললেন-রে দুরাচার দানব আমারবাহুবল দেখ। এই বলে অসুরপক্ষীয় সমস্ত যোদ্ধাদের দিব্য বাণের আঘাতে নিহত করতে লাগলেন। তখন তারা প্রাণভয়ে নানা দিকে পালাতে লাগল।সেই সময় নারায়ণ দৈত্য সৈন্যদের মধ্যে সুদর্শন চক্র নিক্ষেপ করলেন। ফলে সমস্ত সৈন্য ধ্বংসপ্রাপ্ত হল। একমাত্র মুর অসুরই জীবিত ছিল।
.
সেঅস্ত্রযুদ্ধে নারায়ণকেও পরাজিত করল। তখন নারায়ণ দৈত্যের সাথে বাহুযুদ্ধে লিপ্ত হলেন। এইভাবে দেবতাদের হিসাবে এক হাজার বছর যুদ্ধ করেও ভগবান তাকে পরাজিত করতে পাররেন না। তখন শ্রীহরি বিশেষ চিন্তান্বিত হয়ে বদরিকাআশ্রমে গমন করলেন। সেখানে সিংহাবতী নামে একটি গুহা আছে। এই গুহাটি এক-দ্বার বিশিষ্ট এবং বারোযোজন অর্থাৎ ৮৬ মাইল বিস্তিৃত।ভগবান বিষ্ণু সেই গুহার মধ্যে শয়ন করলেন। সেই দৈত্যও তার পিছন পিছন ধাবিত হয়ে গুহার ভিতরে প্রবেশ করল। সে বিষ্ণুকে নিদ্রিত বুঝতেপারল। অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে ভাবতে লাগল-আমার সাথে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে বিষ্ণু এখানে গোপনে শুয়ে আছে। এখন আমি তাকে অবশ্যই বধকরব। দানবের এইরকম চিন্তার সঙ্গে সঙ্গে শ্রীবিষ্ণুর শরীর থেকে একটি কন্যা উৎপন্ন হল।এই কন্যাই 'উৎপন্না' একাদশী। তিনি রূপবতী, সৌভাগ্যশালিনী, দিব্য অস্ত্র-শস্ত্রধারিনী ও বিষ্ণু তেজসম্ভুতা বলে মহাপরাক্রমশালী ছিলেন। দৈত্যরাজসেই স্ত্রীরূপিনী দেবীর সাথে তুমুল যুদ্ধ শুরু করল। কিছুকাল যুদ্ধের পর দেবীর দিব্য তেজে অসুর ভস্মীভূত হয়ে গেল।

তারপর বিষ্ণু জেগে উঠেসেই ভস্মীভূত দানবকে দেখে বিস্মিত হলেন। এক দিব্যকন্যাকে তাঁর পাশে হাত জোর করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন। বিষ্ণু বললেন-হে মহাপরাক্রান্ত উগ্রমূর্তি! এই মুর দানবকে কে বধ করল? যিনি একে হত্যা করেছে তিনি নিশ্চয়ই প্রশংসনীয় কর্ম করেছে।সেই কন্যা বললেন-হে প্রভু! আমি আপনার শরীর থেকে উৎপন্ন হয়েছি। আপনি যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন এই দানব আপনাকে বধ করতেচেয়েছিল। তা দেখে আমি তাকে বধ করেছি। আপনাদের কৃপাতেই আমি তাকে বধ করতে পেরেছি। একথা শুনে ভগবান বললেন-আমার পরাশক্তি তুমি একাদশীতে উৎপন্ন হয়েছ। তাই তোমার নাম হবে একাদশী। আমি এই ত্রিলোকে দেবতা ওঋষিদের অনেক বর প্রদান করেছি। হে ভদ্রে! তুমিও তোমার মনমতো বর প্রার্থনা কর, আমি তোমাকে তা প্রদান করব। একাদশী বললেন-হে দেবেশ! ত্রিভুবনের সর্বত্র আপনার কৃপায় সর্ববিঘ্ননাশিনী ও সর্বদায়িনী রূপে যেন পরম পুজ্য হতে পারি, এ বিধান করুন।
.
আপনার প্রতি ভক্তিবশত: যারা শ্রদ্ধাসহকারে আমার ব্রত-উপবাস করবে, তাদের সর্বসিদ্ভি লাভ হবে-এই বর প্রদান করুন। বিষ্ণু বললেন-হে কল্যাণী! তাই হোক। 'উৎপন্না' নামে প্রসিদ্ধ তোমার ব্রত পালনকারীর সমস্ত ইচ্ছা পূর্ণ হবে। তুমি তাদের সকল মনোবাসনা পূর্ণকরবে, এতে কোন সন্দেহ নেই। তোমাকে আমার শক্তি বলে মনে করি। তাই তোমার ব্রত পালনকারী সকলে আমারই পূজা করবে। এর ফলে তারামুক্তি লাভ করবে। তুমি হরিপ্রিয়া নামে জগতে বিখ্যাত হবে। তুমি ব্রতপালনকারীর শ্রত্রুবিনাশ, পরমগতি দান এবং সর্বসিদ্ধি প্রদান করতে সমর্থহবে। ভগবান বিষ্ণু এইভাবে 'উৎপন্না' একাদশীকে বরদান করে অন্তর্হিত হলেন। সমস্ত ব্রতকারী দিবারাত্রি ভক্তিপরায়ণ হয়ে এই উৎপন্না একদশীর উৎপত্তির কথা শ্রবণ-কীর্তন করলে শ্রীহরির আশীর্বাদ লাভে ধন্য হবেন।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧








adds