✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীগম্ভীরা মঠে ঝালি সমর্পণ উৎসব ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস এবং শ্রী দীপ বাগুই একত্রে 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/gambhira.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীগম্ভীরা_মঠে_ঝালি_সমর্পণ_উৎসব
প্রাণগৌর সন্ন্যাসী হয়েছে। কতদূরে আছে।কোথায় নবদ্বীপ কোথায় পুরী! বঙ্গদেশের মত সুজলা সুফলা দেশ তো আর নয়। বিশাল সমুদ্রের তীরের বালি কখনো তপ্ত ।পায়ে ফোসকা পড়ে যায়।কতকষ্টে আছে আমার গৌর!
এই আর্তি নবদ্বীপের তথা গৌড় বঙ্গের ভক্তদের! এই আর্তি গৌরপার্ষদ দের। প্রভুকে দেখতে যে মন চায় তাদের। কতদিন দেখেনি তারা ঐ চাঁদবদন।
রথযাত্রা উৎসব পুরীর তথা উড়িষ্যার সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব। জগন্নাথত্রয়ী রথারূঢ় হবেন।ভক্তদের দেখবেন।ভক্তরাও দেখবে।ব্যাস। এইতো সুযোগ।
চলো তবে নীলাচলে।প্রাণ গৌর দেখব বলে চলো তবে নীলাচলে।
শচীমায়ের অনুমতি নিয়ে নবদ্বীপ থেকে রওনা হলেন মহাপ্রভুর ভুবনমঙ্গল পার্ষদগণ।অতিবৃদ্ধ অদ্বৈত প্রভু চলেছেন সীতা ঠাকুরাণিকে নিয়ে । শ্রীবাস পণ্ডিত চলেছেন মালিনী দেবীকে নিয়ে । সস্ত্রীক চলেছেন শিবানন্দ সেন। আছেন মুরারি গুপ্ত মুকুন্দ বাসুঘোষ। আছেন ঠাকুর হরিদাস আর অভিন্নতনু নিতাইচাঁদ ।
আরো আছেন দুইজন। নবদ্বীপের শ্রীধর পণ্ডিত আর পানিহাটির রাঘব পণ্ডিত। চোখের জল বাঁধ মানে না তাদের। একদিন নবদ্বীপের রাস্তায় নিমাই পণ্ডিত শ্রীধরের থেকে থোড় মোচা কেড়ে খেয়েছিলেন।সেসব মনে পড়ছে শ্রীধরের।তাই প্রাণের প্রাণ গৌরহরিকে দেখতে যেতে সাথে নিয়েছে চাষের থোড় মোচা লাউ আরো কত কি !! পথ প্রায় আঠারো দিনের।তাতে কি? প্রভুর নাম মুখে নিয়ে জিনিসপত্র মাথায় নিয়ে এগিয়ে যাব- শ্রীধরের পণ।
আর পানিহাটির রাঘব পণ্ডিত! তাঁর সৌভাগ্যের তুলনা নেই।তাঁর ঘরে মহাপ্রভু সদা বিরাজমান।নিজমুখেই বলেছেন গৌরহরি।সেই রাঘব পণ্ডিতের একবোন আছেন।দময়ন্তী ঠাকুরাণি।গৌরে তাঁর বড় প্রীতি।নিজে হাতে কত কি বানিয়েছেন।আলাদা আলাদা পাত্রে রেখেছেন কত খাদ্যদ্রব্য।সব খাবারের গুণাগুণ বিচার করে তবেই দিয়েছেন। কোনো খাবার মাটির পাত্রে; কোনোটা বা কলা পাতাতে মুড়ে। কোনোটা শালপাতার আবরণে। যে পাত্রে যে খাবারের গুণ থাকবে সেই পাত্রে সেই খাবার। গৌর আমার সারাবছর ধরে খাবেন সেইসব প্রীত দ্রব্য ।পাত্রে বেঁধে ভালো করে মুড়ে দিয়েছে।যাতে মাথায় নিয়ে যেতে সুবিধা হয়।
বাৎসল্যময়ী দময়ন্তী দেবী!
কী কী খাবার দিয়েছেন?? তাহলে তো কবিরাজ গোস্বামী র পদাঙ্ক অনুসরণ করতেই হয়। দেখি তবে--
অপরূপ ভক্ষ্যদ্রব্য প্রভুর যোগ্যভোগ।
বৎসরেক প্রভু যেন করেন উপভোগ।।
আম্রকাসুন্দি, ঝালকাসুন্দি, আদাকাসুন্দি আর।
লেবু আদা আম্রকলি বিবিধ প্রকার।।
আমসি আম্রখণ্ড আর তৈলাম্র আমতা।
চূর্ণ করি দিয়াছেন পুরাণ শুকুতা।।
__বাৎসল্যবতী দময়ন্তী
আম দোষ নাশিবে বলে__ বাৎসল্যভাবে দিয়াছেন
চূর্ণ করি দিয়াছেন পুরাণ শুকুতা।।
শুকুতা বলি' অবজ্ঞা না করিহ চিতে।
শুকুতায় যে প্রীতি প্রভুর নহে পঞ্চামৃতে।।
ধনিয়া মহুরী তণ্ডুল চুর্ণ করিয়া।
লাড়ু বান্ধি দিয়াছেন চিনি পাক দিয়া।।
শুঁটিখণ্ড লাড়ু হয় আম পিত্তহর।
পৃথক পৃথক বাঁধা আছে কুথলি ভিতর।।
কোলি-শুঁটি, কোলিচুর্ণ, কোলি খন্ড আর।
কত নাম লব যত প্রকার আচার।।
নারিকেল খন্ড আর নাড়ু গঙ্গাজল।
চিরস্থায়ী খণ্ড বিকার দিয়েছে সকল।।
শালিকা চুটি ধান্যের আতপ চিঁড়া করি।
দিয়াছেন বড় বড় কুথলিতে ভরি।।
কতক চিঁড়া হুড়ুম করি ঘৃতেতে ভাজিয়া।
চিনি পাকে লাড়ু কৈল কর্পুরাদি দিয়া।।
শালি তণ্ডুল ভাজা চূর্ণ করিয়া।
ঘৃত সিক্তে লাড়ু কৈল চিনি পাক দিয়া।।
কর্পূর মরিচ এলাচ লবঙ্গ রসবাস।
চুর্ণ করি নাড়ু কৈল পরম সুবাস।।
কভু নাহি জানি নাম এ জন্মে যাহার।
ঐছে নানা দ্রব্য দিল সহস্র প্রকার।।
গঙ্গা মৃত্তিকা আনি বস্ত্রেতে ছানিয়া।
পাপড়ী করিয়া দিল গন্ধদ্রব্য দিয়া।।
কহিতে না পারি নাম কতেক প্রকার।
দিয়াছেন দময়ন্তী প্রীতি উপহার।।
হেন মতে রাঘব-পন্ডিত ঝালি সমর্পিল।
ভোজন গৃহের কোণে গোবিন্দ রাখিল।।
--------------------------------------------------------------------
পানিহাটিবাসী রাঘবপন্ডিত প্রতি বৎসরই রথের আগে আসতেন মহাপ্রভুর কাছে তার সাথে সংরক্ষিত সম্পূট মধ্যে__ সুব্যবস্থাপিত দীর্ঘস্থায়ী বিবিধ নাড়ু,খণ্ড, মোরব্বা, আচার,কাসন্দি, আমসত্ত্ব, তেতো পাটপাতা-চূর্ণ হতে মহাপ্রভুর শৌচাদির পর ব্যবহারের অনুকূলে কর্পূরবাসিত গঙ্গামৃত্তিকায় তৈরি 'পাপড়ি'ও থাকতো। রাঘব স্বয়ং এগুলো সমর্পন করতেন শ্রীমন্মহাপ্রভুর সেবক শ্রীগোবিন্দদাসকে । এই প্রীতি দ্রব্য সমূহ তৈরি করতেন রাঘব পণ্ডিতের বোন দময়ন্তী ঠাকুরানি । গৌর সেবার জন্য তিনি সদা বাৎসল্যময়ী।
মাত্র রাঘবই নহেন, অপর অপর ভক্তরাও আনতেন নানা সুস্বাদু দ্রব্যাদি। ভালোবাসাভরা সেই দানে আর গ্রহণে পরিমণ্ডল হয়ে উঠত অবাধ আনন্দময়, যা একান্তই অনির্বচনীয়। রাঘবের ঝালিসমর্পণের কালে, অতি দৈন্যে গৌরজন শ্রীধরপন্ডিত দাঁড়িয়ে আছেন একপাশে, সংকুচিত অন্তরে। মনে মনে গনছেন, রাঘবের এই সুস্বাদু উত্তম সেবোপচারের পাশাপাশি নবদ্বীপ হতে আনীত সামান্য থোড়মোচা, কেমন করে দিব আমি।
ঐতিহাসিক 'ঝালিসমর্পন' অনুষ্ঠানটিকে পুঁথির পাতা হতে, সবার সামনে নিয়ে এসেছিলেন বড় বাবাজি ও বাবাজি মহাশয়ের(শ্রীপাদরামদাস বাবাজী মহাশয়) যৌথ উদ্যোগে,১৩০১সনে ভক্ত-সম্মেলন ও গুণ্ডিচামন্দির মার্জন শুরু হলেও বিধিবদ্ধভাবে ঝালি-সমর্পণ লীলার শুভারম্ভ হয় ১৩০৮ বঙ্গাব্দে। প্রথমতঃ বড় বাবা ও পরে বাবাজি মহাশয় অনুভবের মনিকোঠায় বসে এ কীর্তন করতেন। করুণরসের অথৈ প্লাবনে সব হোত একাকার! আবহ নিথর!বাতাসও বুঝি দাঁড়িয়ে পড়েছে, সে বিরহোচ্ছ্বাসের ব্যঞ্জনানুভবে। এই ঝালি-সমর্পণ অনুষ্ঠানের পরদিনই শ্রীজগন্নাথের গুণ্ডিচামন্দির মার্জনোৎসব।
*নিত্যানন্দ প্রভু ও গৌড়ীয় গোস্বামী সিদ্ধান্ত সম্বলিত বিবিধ প্রসঙ্গ জানতে এই গ্রুপে অ্যাড হোন, বন্ধুদের অ্যাড করুন , লাইক,কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথে থাকুন।*
*এখানে ধর্মীয় ভক্তি-জ্ঞান সম্বন্ধে অনেক নতুন নতুন পোস্ট পেতে পারবেন।*
*🌹🪴🙏🪴🌹*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি, উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

