✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহাপ্রভুর গুণ্ডিচা মার্জন লীলা 🏵️ আষাঢ়ী শুক্লা প্রতিপদ তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/gundicha.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*মহাপ্রভুর_গুণ্ডিচা_মার্জন_লীলা*
(আষাঢ়ী_শুক্লা_প্রতিপদ_তিথি )
শ্রীজগন্নাথদেব রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নকে স্বপ্নাদেশ দিলেন। প্রতি বছর আষাঢ়ের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে তাঁর শ্রীবিগ্রহ কে রথে আরোহণ করিয়ে তাঁর প্রাকট্য ভূমি গুণ্ডিচা-মন্দিরে আনয়ন করতে হবে। শুক্লা দশমীতে পুনরায় রথে আরোহণ করিয়ে শ্রীমন্দিরে নিয়ে যেতে হবে। প্রসঙ্গত: এই গুণ্ডিচা মন্দিরেই জগন্নাথ দেব প্রকট হয়েছিলেন জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে। তাই এই তিথিতে জগন্নাথ - বলরাম - সুভদ্রা - সুদর্শন এই চতুর্ধা মূর্তির অভিষেক করানো হয় ১০৮ কলস পবিত্র জল দিয়ে । তাই এই তিথির শুভ নাম স্নানযাত্রা । জগন্নাথের স্বপ্নাদেশ মতোই রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন আষাঢ়ের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে জগন্নাথ সহ চতুর্ধা মূর্তিকে রথে আরোহণ করিয়ে গুণ্ডিচা মন্দিরে নিয়ে আসেন। এই উৎসবের ভুবনমঙ্গল নাম রথযাত্রা মহোৎসব । তারপর রাজা-রাজত্ব-রাজনীতির পরিবর্তন হয়। বহু রাজার রাজত্বের পর এখন পুরীর রাজা গজপতি প্রতাপরুদ্রদেব । এই প্রতাপরুদ্রদেবের রাজত্ব কালেই পুরীধামে পদার্পণ করেন কলিযুগপাবনাবতার শ্রীমন্মহাপ্রভু। এই গুণ্ডিচা-মার্জন লীলা শ্রীমন্মহাপ্রভুর একান্ত নিজস্ব দান। ভক্তদের ভগবৎ সেবার যোগ্য করে তোলার জন্যেই মহাপ্রভুর এই লীলা।আষাঢ়ের শুক্লা দ্বিতীয়া তে জগন্নাথদেব রথে চড়ে গুণ্ডিচা মন্দিরে যাবেন।সারাবছর গুণ্ডিচা মন্দির ধুলো বালিতে জমে থাকে। মহাপ্রভুর একান্ত ইচ্ছা যে, তিনি তার ভক্তদের সাথে গুণ্ডিচা মন্দির পরিষ্কার করবেন। কারণ মহাপ্রভুর কাছে গুণ্ডিচা মন্দির হলো শ্রীধাম বৃন্দাবন । দ্বারকাধীশ কৃষ্ণ পুনরায় বৃন্দাবনে ফিরে আসছেন। তাই বৃন্দাবন রূপী গুণ্ডিচা মন্দিরের জমে থাকা ধুলো-ময়লা পরিষ্কার করে জায়গাটি ভগবৎসেবার উপযুক্ত করে তুলতে হবে। কারণ ভগবৎ সেবার প্রধান শর্ত হল পরিচ্ছন্নতা। এই পরিচ্ছন্নতা আন্তরিক এবং বাহ্যিক উভয়তই। তাই মহাপ্রভু গুণ্ডিচা মার্জন করবেন। এই গুণ্ডিচাই সেই গুণ্ডিচা যেখানে ভক্তের হৃদয়ে ভগবান বিরাজ করবেন। সুতরাং নিজের হৃদয় ক্ষেত্রকে সবার আগে পরিষ্কার করতে হবে। কলুষিত হৃদয়ে যেখানে সবসময় পরনিন্দা পরচর্চা হয় সেই হৃদয়ে ভগবান আসতে পারেন না। তাই নিজের হৃদয় কে সংশোধন করানোর শিক্ষা দিলেন মহাপ্রভু এই গুণ্ডিচা মার্জনের মধ্যে দিয়ে।মহাপ্রভুর অন্তরে অভিলাষ জেগেছে গুণ্ডিচা মন্দির পরিষ্কার করার। রাজগুরু কাশীমিশ্র; জগন্নাথের পড়িছা পাত্র এবং সার্বভৌম ভট্টাচার্য কে নিজ অন্তরের অভিলাষ ব্যক্ত করলেন মহাপ্রভু। পড়িছা সেবক জানাল যে রাজার আদেশ হয়েছে মহাপ্রভুর ইচ্ছাকে যেন পূর্ণতা দেওয়া হয়। সুতরাং মহাপ্রভুর যখন গুণ্ডিচা মার্জনের ইচ্ছা হয়েছে, তখন সেই ইচ্ছা অবশ্যই পূর্ণ হবে। পড়িছা সেবক একথাও জানাল যে মন্দির পরিষ্কার করা মহাপ্রভুর কাজ নয়, তথাপি এটা তাঁর এক লীলা।প্রাণনাথ কে নিজের হাতে সেবা করে যে সুখ তা কি আর অপরের দ্বারা হয়!
তাই মহাপ্রভু নিজেই এই সেবাটি গ্রহন করলেন।
মহাপ্রভুর আজ্ঞাক্রমে একশো নতুন ঘট আর একশো নতুন সংমার্জনীর (ঝাঁটা) ব্যবস্থা করে দিল পড়িছা সেবক। রথযাত্রার আগের দিন মহাপ্রভু সকালবেলাতে উড়িয়া এবং গৌড়ীয়া উভয় ভক্তদের কপালে চন্দন পরালেন আর প্রত্যেকের হাতে দিলেন একটি করে নূতন ঝাঁটা ।তারপর ভক্ত সহ মহাপ্রভু এলেন গুণ্ডিচা মন্দিরে।প্রথমে ঝাঁটা দিয়ে সমস্ত ধুলো-বালি পরিষ্কারের আদেশ দিলেন মহাপ্রভু । শুধু আদেশ দিলেনই না নিজেও ধুলো পরিষ্কার করতে লাগলেন।গুণ্ডিচা মন্দিরের ভিতর বাহির জগমোহন সমস্ত পরিষ্কার হতে লাগল।তবে নীরব হয়ে কাজ করলে চলবে না। মুখে অনবরত কৃষ্ণ নাম করে যেতে হবে।এটাই মহাপ্রভুর আদেশ।
*#প্রেমোল্লাসে_শোধেন_লয়েন_কৃষ্ণ_নাম।#ভক্ত_গণ_কৃষ্ণ_কহে_করে_নিজ_কাম।*
প্রাণনাথ আসবেন ভেবে মহাপ্রভু চোখের জলে সিংহাসন পরিষ্কার করতে লাগলেন। সাথে সাথে নিজের হৃদয় খানাও স্বচ্ছ বিধৌত হয়ে গেল। জগন্নাথ লুব্ধ হয়ে পড়লেন সেথায় আগমনের জন্য।জগমোহন পরিষ্কারের শেষে ভোগমন্দিরের ধুলো ঝাড়া শেষ হল।যত ধুলো ছিল সব একত্র করে নিজের বহির্বাসে নিয়ে তা বাইরে ফেলে দিলেন মহাপ্রভু।মহাপ্রভুর দেখাদেখি ভক্তগণও নিজের নিজের কাপড়ে ধুলো নিয়ে বাইরে ফেলতে লাগল।রঙ্গ রসিক মহাপ্রভু এবার ভক্ত দের সাথে রসিকতা আরম্ভ করলেন। বলে বসলেন যে যত ধুলো বাইরে ফেলার জন্য নিজের নিজের কাপড়ে জড়ো করতে পারবে তাঁর পরিশ্রমের পরিমাণ জানা যাবে। সমস্ত ভক্ত নিজ নিজ কাপড়ে ধুলো জড়ো করতে লাগল। শেষে দেখা গেল সবার জমা করা ধুলোর থেকে মহাপ্রভুর জমাকরা ধুলোর পরিমাণ সবথেকে বেশি ।এইভাবে দুইবার ধুলো পরিষ্কার করার পর মহাপ্রভু এবার জল আনতে বললেন। যে একশো ঘটে জল রাখা ছিল সেই একশো ঘট এবার আনতে লাগল ভক্তগণ।
*#জল_আন_বলি_যবে_মহাপ্রভু_কহিল।
#তবে_শত_ঘট_আনি_প্রভু_আগে_দিল।*
মহাপ্রভু নিজে হাতে সেই ঘটের জল দিয়ে মন্দির পরিষ্কার শুরু করলেন।মন্দিরের মধ্যে বিরাজিত সিংহাসন; মন্দিরের উপরের ও নীচের ভিত এই সব স্থানে জল দিয়ে পরিষ্কার করলেন ।কোন ভক্ত কলসীতে জল এনে মহাপ্রভুর হাতে দিচ্ছেন আবার কেউ মহাপ্রভুর চরণে ঢেলে দিচ্ছে। কোনো ভক্ত আবার মহাপ্রভুর অলক্ষ্যে সেই চরণ ধোয়া জল নিজে পান করছেন।মন্দিরের মধ্যে জল ঢেলে পরিষ্কার করা হলে প্রণালিকা (নর্দমা) খুলে দেওয়া হল।এবার মহাপ্রভু নিজের বস্ত্র দিয়ে সিংহাসন মুছতে আরম্ভ করলেন। আসলে এই গুণ্ডিচা মার্জনের মধ্যে দিয়ে মহাপ্রভু নিজের হৃদয় কে মার্জনের পদ্ধতি শেখালেন।
*#নির্মল_শীতল_স্নিগ্ধ_করিল_মন্দিরে।
#আপন_হৃদয়_যেন_ধরিল_বাহিরে।*
এই ভাবে ভক্ত সঙ্গে মহাপ্রভু গুণ্ডিচা মন্দির পরিষ্কার করলেন। তবে মহাপ্রভু তার ভক্তদের বারংবার মুখে কৃষ্ণ নাম করতে করতে কাজ করতে শিখিয়েছেন। হাতে কাজ মুখে নাম - এটাই মহাপ্রভুর আদর্শ ।
*#জল_ধরে ,#ঘর_ধোয় ,#করে_হরিধ্বনি।
'#কৃষ্ণ', '#হরি' #ধ্বনি_বিনা_আর_নাহি_শুনি।*
নিজে আচরণ করে জগৎবাসীকে দেখালেন ভগবত সেবার নিদর্শন।কারণ নিজে আচরণ করে না দেখালে যে কেউ তার এই শিক্ষা গ্রহণ করবে না। যে ভক্ত খুব ভালো ভাবে পরিষ্কার করেছে তার কাছে মহাপ্রভু প্রশংসা করলেন।
এইভাবে ভক্তদের সাথে মহাপ্রভু গুণ্ডিচামন্দির পরিষ্কার করলেন।জগমোহন, ভোগমন্দির,নাটশালা, পাকশালা সমস্ত কিছু পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে গেল। জগন্নাথের আগমনের উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে উঠল গুণ্ডিচা মন্দিরে।এমন সময়ে এক সরলমতি গৌড়ীয় বৈষ্ণব এক ঘট জল এনে মহাপ্রভুর পায়ের ওপর ঢেলে দিয়ে তার সামনেই সেই জল পান করতে লাগল। এই দেখে মহাপ্রভু অত্যন্ত দুঃখিত হলেন।স্বরূপদামোদরকে ডেকে বললেন "এই দেখ স্বরূপ! তোমার গৌড়ীয়ার ব্যবহার!ভগবানের মন্দিরে আমার পা ধুইয়ে দিয়ে সেই জল নিজে পান করল। এই পাপে আমার কোথায় গতি হবে?" স্বরূপদামোদর মহাপ্রভুর প্রসন্নতার জন্য তাকে ঘাড়ে ধাক্কা দিয়ে বাইরে নিয়ে গেলেন। পরে স্বরূপদামোদর মহাপ্রভুর কাছে নিবেদন করলেন, অজ্ঞজীব ক্ষমা করে দাও, তার কথায় মহাপ্রভু প্রসন্ন হলেন ও ক্ষমা করে দিলেন। গুণ্ডিচামন্দির পরিষ্কার অন্তে মহাপ্রভু আনন্দে নৃত্য আরম্ভ করলেন।ভক্তগণ মহাপ্রভুকে বেষ্টন করে নাম সংকীর্তন আরম্ভ করলেন।এমন সময়ে অদ্বৈত প্রভুর ছেলে গোপাল ভাবাবেশে মূর্চ্ছিত হয়ে পড়লেন। শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ । অদ্বৈত প্রভু নিজ পুত্রের এই অবস্থা দেখে নৃসিংহদেবের মন্ত্র স্মরণ করে জলের ঝাপটা দিতে লাগলেন।তবুও গোপালের দেহে প্রাণের চিহ্ন নেই। মহাপ্রভু এবার গোপালের বুকে হাত দিয়ে "উঠহ গোপাল" বলে ডাকলেন। মহাপ্রভুর হস্তস্পর্শে গোপালের দেহে আবার প্রাণ ফিরে এল।এখন গুণ্ডিচা মার্জন করতে গিয়ে সবাই পরিশ্রান্ত। একটু বিশ্রাম করেই ভক্তদের সাথে করে মহাপ্রভু চললেন ইন্দ্রদ্যুম্ন সরোবরে। সেখানে জলকেলি অন্তে সকলে শুষ্ক বসন পরিধান করলেন। এরপরে ভোজনলীলা। বানীনাথ সবার জন্য মহাপ্রসাদের আয়োজন করেছিল।
কাশীমিশ্র এবং জগন্নাথের পড়িছা সেবক আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করে রেখেছিলেন।জগন্নাথের অন্ন-মহাপ্রসাদ পিঠা-পানা সব প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত হল। অদ্বৈত প্রভু নিত্যানন্দ প্রভু সহ সমস্ত ভক্তদের নিয়ে মহাপ্রভু প্রসাদ পেতে বসলেন। হঠাৎ মহাপ্রভু খেয়াল করলেন তাঁর প্রিয় হরিদাস অনুপস্থিত । হরিদাস বলে ডাকতেই দূরে এককোণে বসে থাকা ঠাকুর হরিদাস এসে বললেন "প্রভু , তোমার ভক্তদের সাথে প্রসাদ পাবার যোগ্যতা আমার নেই। তুমি পেয়ে নাও। পরে তোমার অধরামৃত গোবিন্দ আমাকে দেবে।আমি আলাদা ভাবে প্রসাদ পেয়ে নেব"। অন্তর্যামী গৌরহরি হরিদাসের অন্তরের দৈন্য ভাব বুঝতে পারলেন।এরপর মহাপ্রসাদ ভোজন লীলা আরম্ভ হল। বৃন্দাবনে যমুনার তীরে বসে সেই পুলিন ভোজন লীলা পুনরায় প্রকট হল নীলাচলে।নানাবিধ প্রসাদের মধ্যে মহাপ্রভু শুধু লাফরা ব্যঞ্জন নিলেন আর পিঠা পানা অমৃত গুটিকা সমস্ত কিছু ভক্তদের বিতরণ করতে বললেন। তবুও কি ভক্তদের প্রাণ সন্তুষ্ট হয়, মহাপ্রভুর ঐটুকু প্রসাদ পাওয়া দেখে? কখনো জগদানন্দ পণ্ডিত কখনো স্বরূপ দামোদর মহাপ্রভুর পাতে হঠাৎ করে প্রসাদ ঢেলে দিয়ে চলে যান।মহাপ্রভুও প্রসাদের অমর্যাদা হবে এই ভেবে সেই সমস্ত প্রসাদ গ্রহণ করেন। প্রসাদ পেতে পেতে কত কৌতুক হতে লাগল। কখনো গোপীনাথ আচার্য আর সার্বভৌম ভট্টাচার্য কৌতুক করেন তো কখনো আবার অদ্বৈত প্রভু আর নিত্যানন্দ প্রভু কৌতুক করেন। সমস্ত কিছুতেই গৌরহরি পরিতুষ্ট । ভোজন সমাপ্ত করে "#হরিবোল" ধ্বনি করে সবাই উঠলেন। যারা এতক্ষণ প্রসাদ পরিবেশন করছিলেন, তাঁরা এবার প্রসাদ পেতে বসলেন। তাদের প্রসাদ পাওয়া হয়ে গেলে পূর্ব প্রতিশ্রুতি মতো গোবিন্দ মহাপ্রভুর অধরামৃত জগন্নাথের মহাপ্রসাদ হরিদাস কে দিয়ে এলেন। হরিদাস পরমানন্দে প্রসাদ পেলেন। সম্পূর্ণ হলো গুণ্ডিচা মন্দির মার্জন উৎসব । উড়িষ্যা রাজ্যে এই উৎসব "#ধোয়াপাখলা" নামে পরিচিত । এইদিন সন্ধ্যায় সপার্ষদ মহাপ্রভু চললেন জগন্নাথের নেত্রোৎসব দর্শন করতে । প্রায় পনেরো দিন অনবসর এরপর আজ জগন্নাথদেব পুনরায় ভক্তদের দর্শন দেবেন।
ত্রিকাল সত্য গৌর লীলা । লীলার কখনো পরিসমাপ্তি ঘটে না। প্রকটে অপ্রকটে আজও লীলা চলছে এবং চলবেও। আজ মহাপ্রভু আবার গুণ্ডিচা মার্জন করতে আসবেন। ভাগ্যবান ভক্ত প্রভু কে দর্শন করতে পারবে। কারণ
*#অদ্যাপিহ_সেই_লীলা_করে_গোরারায়।
#কোনো_কোনো_ভাগ্যবান_দেখিবারে_পায় "।।*
*জয় নিতাই!*
*নিত্যানন্দ প্রভু ও গৌড়ীয় গোস্বামী সিদ্ধান্ত সম্বলিত বিবিধ প্রসঙ্গ জানতে এই গ্রুপে অ্যাড হোন, বন্ধুদের অ্যাড করুন , লাইক,কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথে থাকুন।*
*এখানে ধর্মীয় ভক্তি-জ্ঞান সম্বন্ধে অনেক নতুন নতুন পোস্ট পেতে পারবেন।*
*জয় নিতাই!*
*জয় জয় নিতাই!!*
*🌹🌹🙏🙏🌹🌹*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি, উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
