✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 ১. শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী 🙇 শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ 🌷 প্রথম ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/02/name.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(০১)🐚শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী🐚*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*মধুর-মধুরমেতৎ মঙ্গলং মঙ্গলানাং,*
*সকল নিগম-বল্লী-সৎফলং চিৎ স্বরূপম্ ;*
*সকৃদেব পরিগীতং হেলয়া শ্রদ্ধয়া বা,*
*ভৃগুবর!নরমাত্রং তারয়েৎ কৃষ্ণ-নাম।*
*🌻লেখক--শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ, পুরীধামস্থ শ্রীশ্রীগৌরগম্ভীরা মন্দির হতে প্রকাশিত।*
*🌻১৩৩১ সাল, ফাল্গুন মাস,শ্রীশ্রীগৌর-পূর্ণিমা, গ্রন্থমূল্য-- একটাকা মাত্র।*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*🙏শ্রীশ্রীনামব্রহ্ম🙏*
🙏🙏🙏🙏🙏
*🍀প্রায় সকল ধর্ম-সম্প্রদায়ের সাধকগণই আত্মার উন্নতি-সাধনের জন্য শ্রীভগবানের নাম জপ করেন। হিন্দু ধর্মাশ্রিত সৌর,শাক্ত,শৈব,গাণপত্য প্রত্যেক সমাজের সাধকগণের মধ্যে নাম-জপ-প্রথা পরিলক্ষিত হয়। মুসলমানদেরও নাম জপের সাধনা আছে।যে সব কাবুলী মুসলমানবণিক অতীব উদ্ধতভাবে লগুড় বা লাঠি হাতে নিয়ে কলকাতার রাজপথে সগর্বের বিচরণ করে,তাদেরকেও মালা জপ করতে দেখতে পাওয়া যায়।সাধনার এই প্রথাটির সর্বত্রই আদর আছে,বললে বেশী বলা হবে না।*
*🍀উপাস্য দেব-দেবীর নাম জপে হৃদয়ে যে স্থিরতা ও সাধন-শক্তি আবির্ভূত হয়,এতে কোন সন্দেহ নেই। বৈষ্ণব সাধক বলেন ঃ---*
*🌷যেই নাম সেই হরি ভজ শ্রদ্ধা করি।*
*🌷নামের সহিত আছেন আপনি শ্রীহরি।।*
*🍀এই পয়ারটি একটি সংস্কৃত শ্লোকেরই আংশিক অনুবাদ।শ্লোকটি শ্রীপাদ শ্রীজীব গোস্বামীকৃত সন্দর্ভে বিবৃত হয়েছে।বৈষ্ণব-স্মৃতি শ্রীহরিভক্তিবিলাসে এবং শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থেও এর উল্লেখ দেখা যায়। সে শ্লোকটি এই ঃ--*
*🌷নাম চিন্তামণিঃ কৃষ্ণ শ্চৈতন্য-রস-বিগ্রহঃ।*
*🌷নিত্যঃশুদ্ধঃ পূর্ণো মুক্তোহভিন্নত্বান্নামনামিনোঃ।।*
*🍀এই শ্লোকটি অতি সারগর্ভএর অর্থও অতি গূঢ়।এতে জানা যাচ্ছে যে নাম ও নামীতে ভেদ নাই।যেই নাম সেই নামী।শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীকৃষ্ণ-নাম বস্তুতঃ এক পদার্থ।শ্রীদূর্গা ও শ্রীদূগা-নাম এক পদার্থ। কিন্তু প্রাকৃত বস্তুতে আমরা সেরকম ভাব বুঝতে পারি না।জল দ্রব্য ভিন্ন,--'জল' শব্দোচ্চারণে পিপাসা নিবৃত্তি হয় না। জ্ঞানী বেদান্তীরা বলেন শব্দ,ব্রহ্ম ; ভক্তবেদান্তীরা নামের ব্রহ্মত্ব স্বীকার করেন, কিন্তু ভক্তগণ বলেন ব্রহ্ম-তত্ত্বের উপরেও উপাস্য-তত্ত্বের অন্য সমুন্নত ঘনীভূত প্রকাশ, ভক্ত-হৃদয়ে স্ফুরিত হন,সেই বস্তুকে তাঁরা সচ্চিদানন্দরস বিগ্রহ নামে অভিহিত করেন।শ্রীপাদ শ্রীজীব গোস্বামী, শ্রীভগবৎ-সন্দর্ভে এইভাবে সচ্চিদানন্দস্বরূপ বিনির্ণয় করেছেন,তদ্বস্তুই যে যশোদানন্দন শ্রীকৃষ্ণ এবং এই শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীকৃষ্ণ-নাম যে অভিন্ন ভক্তি-সন্দর্ভে তাও প্রতিপন্ন করেছেন। সুতরাং সাধারণ ব্রহ্মতত্ত্ব অপেক্ষা শ্রীশ্রীনাম-ব্রহ্মের সবিশেষ বিশিষ্টতা আছে।*
*🍀শ্রীপাদ শ্রীরূপ গোস্বামীমহোদয় ভগবন্নাম-উপাসনায় বিভোর থাকতেন এবং নামেই পরমানন্দ চিদঘনসুখ-স্বরূপের উপলব্ধি করতেন, যথা তৎকৃত স্তবে ঃ--*
*🌷সূদিতাশ্রিত জনার্ত্তিরাশয়ে।*
*🌷রম্যচিদ্ ঘন-সুখ-স্বরূপিণে।।*
*🌷নাম গোকুল-মহোৎসবায় তে।*
*🌷কৃষ্ণ পূর্ণবপুষে নমো নমঃ।।*
*🍀অর্থ্যাৎ "হে নাম,তুমিই কৃষ্ণ,যাঁরা তোমার আশ্রয় গ্রহণ করেন,তুমি তাঁদের সর্ব প্রকার দুঃখ বিনাশ কর ; অবিদ্যাজনিত নানান দুঃখ বিনষ্ট হলে তুমি স্বয়ং রমণীয় চিদঘন সুখ-স্বরূপে স্ফুরিত হয়ে আশ্রিতজনের পরমানন্দ বর্দ্ধন কর। সুতরাং তোমায় নমস্কার।তুমি গোকুলের মহোৎসব-স্বরূপ।যেহেতু তুমি সাক্ষাৎ শ্রীকৃষ্ণ।তুমি অচিন্ত্য শক্তি-প্রভাবে মূর্তিমান অথচ সর্বত্র ব্যাপক।হে অচিন্ত্য প্রভাবশীল নাম, তোমাকে নমস্কার।*
*🍀শ্রীপাদ শ্রীরূপ গোস্বামীর এই স্তবেও জানা যাচ্ছে যে শ্রীভগবানের নামও শ্রীশ্রীভগবানের মত চৈতন্যরসবিগ্রহ ও রমণীয় সচ্চিদানন্দসুখমূর্তি।*
*🍀নাম জপ করতে করতে প্রথমে অবিদ্যাজনিত কষ্ট নিবৃত্ত হতে থাকে,তার পরে অবিদ্যার ধ্বংস হয়, সর্ব শেষে শ্রীনাম, সচ্চিদানন্দ সুখ-মূর্তিতে নামাশ্রিত ভক্তের হৃদয়-আকাশে স্ফুরিত হন।*
*🍀শ্রীপাদ শ্রীরূপগোস্বামীকৃত নাম-স্তবের আর একটি শ্লোকে জানা যায় যে নাম-উপাসনার প্রভাবে প্রারব্ধ কর্ম বিনষ্ট হয়,যথা=*
*🌷যদ্ব্রহ্ম-সাক্ষাৎ-কৃত নিষ্ঠয়াপি,*
*🌷 বিনাশমায়াতি বিনা ন ভোগৈঃ।*
*🌷অপৈতি নাম স্ফুরণেন তত্তে,*
*🌷 প্রারব্ধ কর্মেতি বিরৌতি বেদঃ।।*
*🍀ভোগ ব্যতিরেকে প্রারব্ধ কর্মের বিনাশ হয় না "ভোগাদেব ক্ষয়" ; ভোগ দ্বারা প্রারব্ধ কর্মের ক্ষয় হয়।ব্রহ্ম চিন্তা দ্বারা অবিদ্যা নষ্ট হয় ; অবিচ্ছিন্ন তেল ধারাবৎ নিরন্তর ব্রহ্ম-চিন্তা দ্বারা পরমাত্মার সাক্ষাৎকার হলেও ভোগ ব্যতিরেকে প্রারব্ধ কর্মের ক্ষয় হয় না। কিন্তু নাম-উপাসনার এমনই মহিমা,যে একান্ত ভাবে নাম-উপাসনায় প্রারব্ধ কর্ম পর্য্যন্ত বিনষ্ট হয়।* *🌹প্রারব্ধ=আরম্ভিক বা পূর্বজন্মের কারণভূত অদৃষ্ট।*
*আরব্ধ=যার আরম্ভ বা সূত্রপাত হয়েছে।*
*🍀ভোগ না হওয়া পর্য্যন্ত যে প্রারব্ধ কর্মের ক্ষয় হয় না,তার সম্বন্ধে শ্রুতিবাক্য এই যে ঃ--*
*🌷তস্য তাবদেব চিরং যাবন্নবিমোক্ষ্যেহথ সংপৎস্যে হেতি শ্রুতেঃ। ছান্দোগ্য--৬|১৪|২।*
*🍀বেদান্ত দর্শনেও এ সম্বন্ধে বহুল সূত্র আছে,যথা ঃ--*
*(১)তদধিগমে উত্তরপূর্বাঘয়োরশ্লেষবিনাশৌ তদ্ব্যপদেশাৎ, ৪|১|১৩ ।*
*(২)ইতরাস্যোপ্যেবমসংশ্লেষঃ পাতে তু। ৪|১|১৪ ।*
*(৩)অনারব্ধ কার্য্যে এবতু পূর্বে তদবধেঃ।৪|১|৫ ।*
*🌻অর্থ্যাৎ ব্রহ্ম-অনুভবে ক্রিয়মাণ এবং সঞ্চিত পাপের আশ্লেষ(পরিরম্ভন) ও বিনাশ হয়।পাপ ও পুণ্য উভয়ই জীবাত্মায় বিজড়িত থাকে।ব্রহ্ম-অনুভবে জীবাত্মা হতে পাপের ভার খসে পড়ে এবং বিনষ্ট হয়, এবং উত্তরকালের (ভবিষ্যতের)পাপেরও সংযোগ হয় না। শ্রুতিতে এই কথা বলা হয়েছে, যথা=*
*🌷ব্রহ্মবিদ্যয়া অভ্যুদিতয়া সঞ্চিতক্রিয়মাণয়োঃ পুণ্যপাপয়ো বিনাশাশ্লোষৌ ভবতঃ "উভে উহৈবেষ এতে তরত্যমৃতঃ সাধ্ব সাধুনীতি। (বৃহৎদারণ্যক=৪|৪|২২)*
*🙏ক্রমাগত🙏*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🌷🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী 🙇 শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ 🌷 প্রথম ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/02/name.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(০২)🐚শ্রীশ্রীনাম--মাধুরী🐚*
*শ্রীশ্রীনামব্রহ্ম*
^^^^^^^^^^^^^
*🌷ভিদ্যতে হৃদয়-গ্রন্থিশ্ছিদ্যন্তে সর্ব সংশয়াঃ।*
*🌷ক্ষীয়ন্তে চাস্য কর্ম্মাণি তস্মিন্ দৃষ্টে পরাবরে।।*
*(মুন্ডক উপনিষদ্)*
*🍀সুতরাং ব্রহ্মজ্ঞান সঞ্জাত বা উদয় হলে পাপ ক্ষয় হয়,এটি সুসিদ্ধান্ত।সঞ্চিত পাপ-পুণ্যের বিনাশ হয়,উত্তরকালের বা ভবিষ্যতের পাপ আশ্লেষেরও কোন আশঙ্কা থাকে না,অনারব্ধকর্মবিনাশও ব্রহ্ম-অধিগমে (লাভে)সংঘটিত হয়। কিন্তু প্রারব্ধ কর্মের গতি দেহ পাত না হওয়া পর্যন্ত নিঃশেষ হয় না।অগ্নিতে দগ্ধ করলে সব বীজেরই যে অঙ্কুর-উৎপাদিকা শক্তি বিনষ্ট হয়, এমন অবধারণা অসঙ্গত নহে।ব্রহ্মজ্ঞান দ্বারা অনারব্ধ কর্মবিপাক সমুচ্ছিন্ন হতে পারে, কিন্তু আরব্ধ কর্ম-বিপাকের বিনাশ,দেহপাত না হওয়া পর্যন্ত হয় না।কুলাল চক্রে (কুমারর চাকায়) রত বেগের অন্তরালে বা আড়ালে প্রতিবন্ধ না থাকাই তা যেমন বেগ-ক্ষয় না হওয়া পর্যন্ত কুলালচক্রকে বনবন করে ঘুরায় ; আরব্ধ কর্মও ফল ভোগ না হওয়া পর্যন্ত নিঃশেষ হয় না। তাই শ্রীমৎশঙ্করাচার্য্য লিখেছেন=*
*🌷ভবতি বেগক্ষয়-প্রতিপালনম্।*
*🍀প্রতিবন্ধের অভাবে আরব্ধ কর্ম দেহপাত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে।*
*🌻 কিন্তু ভগবৎ-নাম-উপাসনার প্রভাবে এই প্রারব্ধ কর্ম পর্যন্ত বিনষ্ট হয়। নাম ব্রহ্ম,-- প্রারব্ধ কর্মের গতি রোধ করে কর্ম-ব্যাকুল জীবের চিত্ত প্রসন্ন করতে সমর্থ হন।*
*🌺নাম-উপাসনার এই রূপ অচিন্ত্য অতুল প্রভাব জেনেও শ্রীভগবৎপার্ষদ শ্রীপাদ শ্রীরূপগোস্বামী মহোদয় প্রার্থনা করেছেন=*
*🌷নিখিল শ্রুতি-মৌলিরত্ন-মালা-,*
*🌷দ্যুতিনীরজিত-পাদ-পঙ্কজান্ত,*
*🌷অয়ি মুক্তকুলৈরুপাস্যমানং,*
*🌷 পরিত স্ত্বাং হরি-নাম সংশ্রয়ামি।*
*🌻হে হরি-নাম, তোমার শ্রীচরণ কমল কর্ণিকান্তভাগ নিখিল শ্রুতির শিরোভূষণ মণিমালার দ্যুতিতে নীরাজিত।তুমি মুক্তগণেরও উপাস্য।আমি সর্বতোভাবে তোমার আশ্রয় গ্রহণ করি।*
*🌺উপনিষদ্ বলেন "সর্বে বেদা যৎপদমামনন্তি " সকল বেদ যাঁর পদ আমনন করেন। "এতৎ সামগায়ন্নাস্তে" "নিবৃত্ততর্ষৈরুপগীয়মানাৎ" ইত্যাদি শ্রুতি ও স্মৃতি বচনে জানা যায় যে মুক্তগণও শ্রীহরি নামের আশ্রয় গ্রহণ করেন।*
*🌷এতন্নির্ব্বদ্যমানানাং মিচ্ছতামকুতোভয়ং।*
*🌷যোগীনাং নৃপ নির্নীতং হর্রেনামানকীর্তনম্।।*
*🌻অর্থ্যাৎ শ্রীমদ্ভাগবত বলেন, ভগবদ্ভক্তিযোগযুক্ত মুক্তগণের মধ্যে যাঁরা সর্বতোভাবে সর্বত্র অভয় ইচ্ছা করেন,হে নৃপ!তাঁদের পক্ষেও হরিনামানকীর্তনই ব্যবস্থেয় হয়েছে*।
*🍀নির্ব্বিন্ন মুনিগণ ও নিবৃত্ততৃষ্ণ সিদ্ধপুরুষগণ যে নাম জপ উপাসনায় নিরত থাকেন,তাদৃশ বা সেইরকম সাধনায় পাপাত্ম ব্যক্তিগণের অধিকার থাকতে পারে কি? এই প্রশ্ন হতে পার্র। শ্রীপাদ শ্রীরূপ গোস্বামী এই আশঙ্কা নিরসনের জন্য লিখেছেন=*
*🌷জয় নামধেয় মুনি বৃন্দগেয়,*
*🌷জনরঞ্জনায় পরমাক্ষরকৃতে।*
*🌷ত্বমানাদরাদপি মনাগুদীরিতং,*
*🌷নিখিলোগ্রতাপং বিলুম্পসি।।*
*🌻হে নাম! তোমার জয় হোক। তুমি মুনিগণের নিত্য জপ্য হলেও পতিত পাষন্ডগণ হেলায় বা সেইরকম কোন প্রকারে যেমতভাবে তোমায় রসনায় বা জিহ্বায় গ্রহণ করলে তুমি তাদের মহামহা তাপ অনায়াসেই বিলুপ্ত করে দাও। হে নাম! তুমি প্রাকৃত অক্ষরময় নও,সচ্চিদানন্দঘন অক্ষরময়। তুমি চিৎস্বরূপ চিদানন্দ অক্ষরস্বরূপ।এ সম্বন্ধে শাস্ত্রীয় প্রমাণ যথেষ্টই আছে। যথা=*
*🌷মধুর-মধুর মেতন্মঙ্গলং মঙ্গলানাং,*
*🌷সকল নিগম বল্লী সৎফলং চিৎস্বরূপম্।*
*🌷সকৃদেব পরিগীতং হেলয়া শ্রদ্ধয়া বা,*
*🌷ভৃগুবর নরমাত্রং তারয়েৎ কৃষ্ণ নাম।।*
*🙌এমন নাম মধুর হতেও মধুর এবং সর্ব মঙ্গলের মঙ্গল, নিখিল নিগমবল্লীর নিত্য ফল স্বরূপ, ইধি চিন্ময়।এই কৃষ্ণ নাম হেলায় বা শ্রদ্ধায় সামান্য পরিমাণে বলিলে বা গান হলেই জীবদেরকে নিস্তার করেন।*
*(২) শ্রীভাগবতে ৬|২|১৪ পাই=*
*🌷সাঙ্ক্যেত্যং পরিহাস্যং বা স্তোভং হেলনমেব বা।*
*🌷বৈকুন্ঠনাম গ্রহণমশেষাঘহরং বিদুঃ।।*
*🌻যে যমদূতগণ পুত্রাদিতে সঙ্কেত করেই হোক,পরিহাসচ্ছলেই হোক, পীতালাপের পরমার্থেই হোক কিম্বা হেলাক্রমেই হোক, যে কোন প্রকারে হোক নারায়ণের নাম গ্রহণ করলেই অশেষ পাপ নষ্ট হয়।*
*(৩) শ্রীনায়ায়ণ ব্যুহস্তবে পায়=*
*🌷পরিহাসোপহাসাদ্যৈর্বিষ্ণো র্গৃহ্নন্তি নাম যে,*
*🌷কৃতার্থাস্তেহপি মনুজাস্তেভ্যোহপীহ নমো নমঃ।*
*🌻পরিহাস উপহাসাদি করেও যাঁরা বিষ্ণুর নাম গ্রহণ করেন, আমি তাঁদেরকে পুনঃপুনঃ নমস্কার করি।*
*(৪) কাশীখন্ডে দেখা যায়=*
*🌷প্রমাদাদপি সংস্পৃষ্টো যথানলকণো দহেৎ।*
*🌷তথোষ্ঠপুটসংস্পৃষ্টং হরি নাম দহেদঘম্।।*
*🌻অর্থ্যাৎ আগুনের কণা ভুলকরেও যদি সংস্পৃষ্ট হয়,তা যেমন রাশি রাশি দাহ্যবস্তু পুড়িয়ে ছাই করে, তেমনি শ্রীভগবানের নাম কোন প্রকারে ওষ্ঠ-স্পর্শ হলেই পাপ রাশি পুড়িয়ে শেষ করে থাকেন।*
*(৫)শ্রীভাগবতের ৬|২|১৫ পায়=*
*🌷পতিতঃ স্খলিতোভগ্নঃ সন্দষ্ট স্তপ্ত আহতঃ।*
*🌷হরিরিত্যবশেনাহ পুমান্নার্হতি যাতনাঃ।।*
*🌻পতনে স্খলনে,দংশনে,ভাঙ্গা অবস্থায়,তাপে বা আহত অবস্থায় অবশ ভাবে হরি এই শব্দ উচ্চারণ করলেই জীব যম-যাতনা হতে মুক্তি পায়।*
*(৬)শ্রীমদ্ভাগবতে ৬|২|১৮ পায়=*
*🌷অজ্ঞানাদথবা জ্ঞানাদুত্তমঃশ্লোক নাম যৎ।*
*🌷সঙ্কীর্ত্তিতমঘং পুংসো দহেদেধো যথানলঃ।।*
*🌻জ্ঞানে বা অজ্ঞানে শ্রেষ্ঠ বা উত্তর শ্লোক ভগবানের নাম সংকীর্তন হলেই আগুন যেমন কাঠ পুড়িয়ে ছাই করে দেয় সেইরকম ভগবানের নাম করলেই পাপরাশি নষ্ট হয়।*
*ক্রমাগত*
🙌🙏🙌🙏🙌🙏🙌🙏🙌🙏🙌🙏🙌
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী 🙇 শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ 🌷 প্রথম ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/02/name.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(০৩)🐚শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী🐚*
*শ্রীশ্রীনামব্রহ্ম*
**************
*(৭)শ্রীবৃহন্নারদীয় পুরাণে পায়=*
*🌷যথাকথঞ্চিদ্ যন্নাম্নি কীর্ত্তিতে বা শ্রুতেহপি বা,*
*🌷পাপানোহপি বিশুদ্ধাঃস্যু শুদ্ধাঃ মোক্ষমবাপ্নুয়ুঃ।*
*🌻যে কোনভাবে ভগবানের নামকীর্তন বা শ্রবণ করলে পাপীদের পাপ বিনষ্ট হয়।নিষ্পাপগণ মোক্ষ প্রাপ্ত হন।*
*(৮) বিষ্ণুধর্মোত্তরেও দেখা যায় =*
*🌷নাম-সংকীর্তনং বিষ্ণোঃ ক্ষুত্তৃটপ্রস্খলিতাদিষু,*
*🌷যঃ করোতি মহাভাগ তস্য তুষ্যতি কেশব।*
*🌻ক্ষুধায়-তৃষ্ণায় পতনে অর্থ্যাৎ অতর্কিত ভাবে জীবনের যে কোন কাজে শ্রীভগবানের নাম উচ্চারণ করলেন শ্রীভগবান তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট থাকেন।*
*(৯)বৈষ্ণব চিন্তামণৌ শিব-সম্বাদ=*
*🌷অঘচ্ছিৎ স্মরণং বিষ্ণোর্ব্বহ্বায়াসেন সাধ্যতে।*
*🌷ওষ্ঠ-স্পন্দন মাত্রেণ কীর্তনন্তু ততো বরম্।।*
*🌻মনের স্থিরতা সাধনাদি দ্বারা বিষ্ণুর স্মরণ কর।সেটির ফলে পাপ নষ্ট হয়, কিন্তু সেটি বহু আয়াস সাধ্য। কিন্তু ওষ্ঠস্পন্দন মাত্রই নাম কীর্তন হয়, অথচ নামকীর্তনের ফল স্মরণ অপেক্ষাও অত্যুত্তন বা অনেক বেশী।*
*(১০)অগ্নিপুরাণে স্পষ্ট লেখা আছে=*
*🌷শ্রদ্ধয়া হেলয়া নাম রটন্তি মম জন্তবঃ।*
*🌷তেষাং নাম সদা পার্থ বর্ত্ততে হৃদয়ে মম।।*
*🌻শ্রদ্ধাতেই হোক বা অবহেলাতেই যারা আমার নাম প্রচার করেন, তাঁদের নাম চিরদিনই আমার হৃদয়ে বিরাজ করে।*
*🌹ভগবানের চিন্ময় নাম-অক্ষরের এই মহিমা ভারতীয় শাস্ত্রগুলিতে পুনঃ পুনঃ পরিকীর্তিত হয়েছে। ভগবৎ নাম যে চিদাত্মক সেটির যথেষ্ট প্রমাণ আছে,যথা=*
*(০১)শ্রীবৃহন্নারদীয়ে পায়=*
*🌷সকৃদুচ্চারয়ন্ত্যেব হরি-নাম চিদাত্মকং।*
*🌷ফলং নাস্য ক্ষমে বক্তুং সহস্রাবদনো বিধিঃ।।*
*🌻চিদাত্মক (আনন্দরূপ ভগবানের ) হরিনাম উচ্চারণ করলে যে ফল হয়,হাজারবদন ব্রহ্মাও তা বলতে অসমর্থ।*
*(২)লঘু-ভাগবতে প্রমাণ =*
*🌷প্রয়াণে চাপ্রয়াণে চ যন্নাম স্মরণান্নৃণাং।*
*🌷সদ্যো নশ্যতি পাপোঘো নমস্তস্মৈ চিদাত্মনে।।*
*🌻জীবনে মরণে যে নাম স্মরণ করলে জীবগণের অশেষ পাপ নষ্ট হয়,সেই চিদাত্মা নামকে নমস্কার।*
*🌹নামের চিৎরূপতা ও মাহাত্ম্য সম্বন্ধে শ্রীশ্রীহরিভক্তি বিলাসে শ্রৌত প্রমাণেও উদ্ধৃত হয়েছে,যথা=*
*(১)ওঁ আস্য জানন্তো নাম চিদ্ বিবিক্তন মহস্তে বিষ্ণো সুমতিং ভজামহে।*
*(২)ওঁ তৎসৎ ওঁ পদং দেবস্য নমসাব্যন্ত শ্রবস্যব শ্রব আপন্ন মৃক্তং নামামি চিদ্দধিরে যজ্ঞিয়ানি ভদ্রায়ন্তে রণয়ন্তঃ সঃদৃষ্টৌ।*
*(৩)ওঁ তমু স্তোতারং পূর্বং যথা বিদ ঋতস্য গর্ভং জনুষা পিপত্তনঃ আস্য জানন্তো নাম চিদ্ বিবিক্তন মহন্তে বিষ্ণো সুমতিঃ ভজামহে ইত্যাদি।*
*🌻অর্থ্যাৎ হে বিষ্ণো!আমরা তোমার এই নাম জেনে,তোমার নাম চিৎস্বরূপ সর্বপ্রকাশক পরম ব্রহ্ম পরমানন্দস্বরূপ এটিই বুঝি এবং এটিই শ্রেষ্ঠ বলে আমরা তোমার নাম উপাসনা করি।আত্মস্বরূপ যেমন দুর্জ্ঞেয় (সাধারণের অসাধ্য), তোমার নাম পরম ব্রহ্মস্বরূপ হলেও তা দুর্জ্ঞেয় না।তাই আমরা তোমার নাম উপাসনা করি। তোমার পদ-নির্বাচনে বহুরকম বাদানুবাদ করে অবশেষে তোমার নাম-অক্ষর গুলিকেই ব্রহ্মস্বরূপ জেনে তোমার সাক্ষাৎকার লাভ জনিত মঙ্গললাভের জন্য তোমার নামেরই উপাসনা করি। তোমার ঐ নামই তোমার ভক্তগণের চিত্তশোধক। তোমার নামই পরম ব্রহ্মস্বরূপ।হে শ্রীকৃষ্ণ, তুমিই সুপ্রসিদ্ধ ভগবান। আমরা তোমার স্তব করি।তুমি পুরাতন পুরুষ, তোমার নাম ভজনে দেশ-কালাদির নিয়ম নাই, এতে সকলেরই সমান অধিকার, তুমি ব্রহ্মের ও ব্রহ্ম অর্থ্যাৎ সচ্চিদানন্দঘন।। তুমি স্বকীয় বা নিজের ইচ্ছায় বহুভাবে জগতে আবির্ভূত হও। হে বিষ্ণো! আমরা তোমার স্তব করতে পারি না, কেবল তোমার নামই ভজনা করি।এতেই তোমার স্মরণ মননাদি সবরকম উপাসনা সিদ্ধ হয়।অতএব তোমার নামই আমাদের একমাত্র উপাসনার বিষয়।*
*🌹শাস্ত্রাদিতে ভগবানের হাজার হাজার নাম দেখা যায়, এক এক নামের এক এক রূপ প্রয়োজনীয়তা ও ফল সাধকত্বেরও উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায় কিন্তু সিদ্ধান্ত এই যে, ভগবানের যে কোন নাম জপ করলেই সর্বার্থ সিদ্ধ হয়,যথা=বিষ্ণুধর্মোত্তরে।*
*🌷সর্বানি নামানি হিতস্য রাজন সর্বার্থ সিদ্ধ্যৈত্ব ভবন্তি পুংসঃ।*
*🌷তস্মাদ্ যথেষ্ট খলু কৃষ্ণনাম সর্বেষু কার্য্যেষু জপেত ভক্ত্যা।।*
*🌷সর্বার্থ শক্তিযুক্তস্য দেবদেবস্য চক্রিণঃ।*
*🌷যথাভিরোচতে নাম তৎসর্বার্থেষু কার্ত্তয়েৎ।।*
*🌷সর্বার্থসিদ্ধিমাপ্নোতি নাম্নামেকার্থতা যতঃ।*
*🌷সর্বাণ্যেতানি নামানি পরস্য ব্রহ্মণো হরেঃ।।*
*🌻সব নামই এক পরব্রহ্ম হরির, নাম সব একার্থক। সুতরাং তাঁর যে কোন নামের উপাসনাতেই সর্বসিদ্ধি হয়।তথাপি শ্রীকৃষ্ণনামের সবিশেষ মহিমার উল্লেখ আছে।শ্রীহরিভক্তি বিলাসে লিখিত হয়েছে =*
*🌷শ্রীমন্নাম্নাঞ্চ সর্বেষাং মাহাত্ম্যেষু সমেষ্বপি।*
*🌷কৃষ্ণেস্যেবাবতারেষু বিশেষঃ কোহপি কস্যচিৎ।।*
*🌻ব্রহ্মান্ডপুরাণে শ্রীকৃষ্ণশতনাম মাহাত্ম্যে লিখিত আছে =*
*🌷সহস্রানাম্নাংচ পুণ্যানাং ত্রিরাবৃত্ত্যা তু যৎ ফলং।*
*🌷একাবৃত্ত্যা তু কৃষ্ণস্য নামৈকঃ তৎ প্রযচ্ছতি।।*
*🌻সহস্র বা হাজার নাম তিনবার পাঠ করলে যে ফল হয়, একবার শ্রীকৃষ্ণনাম করলেই সেই ফল লাভ হয়ে থাকে।*
🪔🪔🪔🪔🪔🪔🙏🪔🪔🪔🪔🪔🪔
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী 🙇 শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ 🌷 প্রথম ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/02/name.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(০৪)🐚শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী🐚*
*শ্রীশ্রীনামব্রহ্ম*
^^^^^^^^^^^^^^
*🌷ইদং কীরিটী সংজপ্য জয়ী পাশুপতাস্ত্রভাক্।*
*🌷কৃষ্ণস্য প্রাণভূতঃ সন্ কৃষ্ণং সারথিমাপ্তবান্।।*
*🌷কিমিদং বহুনা শংসন্ মানুষানন্দনির্ভরঃ।*
*🌷ব্রহ্মানন্দমবাপ্যান্তে কৃষ্ণসাযুজ্যমাপ্নুয়াৎ।।*
*🌻অর্জুন কৃষ্ণনাম জপ করতে করতে পাশুপত অস্ত্র লাভ করে সমরজয়ী বা যুদ্ধজয়ী হয়েছিলেন।এমন কি শ্রীকৃষ্ণের প্রাণপ্রিয় হয়েও তাঁকে সারথিরূপে পেয়েছিলেন।অন্য কথার আর কি প্রয়োজন,-- শ্রীকৃষ্ণনাম জপ করতে করতে ব্রহ্মানন্দ লাভকরে জীব শ্রীকৃষ্ণ-সাযুজ্য পেয়ে থাকেন।*
*🍀সাযুজ্য=পঞ্চবিধ মুক্তির মধ্যে এক প্রকার মুক্তি,ব্রহ্মে বিলয়মুক্তি বা ভগবানের সঙ্গে একত্ব হওয়া।*
*🌹বারাহপুরাণে মথুরা-মাহাত্ম্যে লিখিত আছে=*
*🌷তত্র গুহ্যানি নামানি ভবিষ্যন্তি মম প্রিয়ে।*
*🌷পুণ্যাণি চ পবিত্রাণি সংসারচ্ছেদনানি চ।।*
*🌹ঐ পুরাণেই দ্বারকা-মাহাত্ম্যে শ্রীকৃষ্ণনামের সবিশেষ মাহাত্ম্য কীর্তিত হয়েছে,---প্রহ্লাদ বলিকে বলছেন=*
*🌷অতীতা পুরুষাঃ সপ্ত ভবিষ্যাশ্চ চতুর্দ্দশ।*
*🌷নরস্তারয়তে সর্বান্ কলৌ কৃষ্ণেতি কীর্তনাৎ।।*
*🌷কৃষ্ণ কৃষ্ণেতি কৃষ্ণেতি স্বপন্ জাগ্রদ্ব্র জন স্তথা।*
*🌷যো জল্পতি কলৌ নিত্যং কৃষ্ণরূপী ভবেদ্ধি সঃ।।*
*🌻শ্রীকৃষ্ণনাম কীর্তন করলে যে কেবল নিজের ত্রাণ লাভ হয়,তা নয়,অতীত সাত পুরুষ, এবং ভবিষ্যৎ চৌদ্দ পুরুষও শ্রীকৃষ্ণনামের ফলে পরিত্রাণ পেয়ে থাকেন।যিনি নিদ্রায়, জাগরণে, ও চলাচলাদি জীবনে যাবতীয় ব্যাপারে "কৃষ্ণ-কৃষ্ণনাম" উচ্চারণ করেন, এই কলিকালে নিশ্চয়ই তিনি শ্রীকৃষ্ণ-স্বরূপ পেয়ে থাকেন। তথা ব্রহ্মবৈবর্ত্তে ঃ---*
*🌷হনন্ ব্রাহ্মণ মত্যন্তং কামতোবা সুরাং পিবন্।*
*🌷কৃষ্ণকৃষ্ণেত্যহোরাত্রং সঙ্কীর্ত্ত্য শুদ্ধিতা মিয়াৎ।।*
*🌻ব্রহ্মহত্যা ও সুরাপান পঞ্চ মহাপাতকের মধ্যে মুখ্য দুই মহাপাপ।অহোরাত্র শ্রীকৃষ্ণনাম উচ্চারণ করলে এই দুই মহাপাপও প্রশান্ত হয়। সুরাপানের তো একবারেই মরণান্ত প্রায়শ্চিত্ত। কিম্বা শ্রীকৃষ্ণনাম দ্বারা এটিরও প্রায়শ্চিত্ত হয়।আত্মা কৃষ্ণনাম কীর্তনে শুদ্ধি প্রাপ্ত হন।*
*🍀মহাপাতক নাশের জন্য শ্রীকৃষ্ণনাম যে মহৌষধ, বিষ্ণুধর্মোত্তরে তার প্রমাণ আছে, যথা=*
*🌷কৃষ্ণেতি মঙ্গলং নাম যস্য বাচি প্রবর্ত্ততে।*
*🌷ভস্মীভবন্তি রাজেন্দ্র মহাপাতক কোটয়ঃ।।*
*🌻হে রাজেন্দ্র!পরম মঙ্গল শ্রীকৃষ্ণ নাম যে কোন প্রকারে উচ্চারিত হলে কোটি কোটি মহাপাপ ভস্মীভূত হয়ে যায়।🍀নারসিংহ পুরাণে শ্রীভগবান্ শ্রীমুখে বলেছেন=*
*🌷কৃষ্ণকৃষ্ণেতিকৃষ্ণেতি যো মাং স্মরতি নিত্যশঃ।*
*🌷জলংভিত্বা যথা পদ্মং নরকাদুদ্ধরাম্যহম্।।*
*🌻যে আমায় "কৃষ্ণ,কৃষ্ণ,কৃষ্ণ" বলে স্মরণ করে,জল ভেদ করে যেমন পদ্ম উত্থিত হয়,আমি তাকে তেমন সহজ সরল ও স্বাভাবিক ভাবে নরক হতে উদ্ধার করি।*
*🙏শ্রীপাদ সনাতন গোস্বামী মহোদয় এই শ্লোকটির অন্য রকম অর্থও করেছেন,তদ্ যথা--- এই শ্লোকের "জল" শব্দের অর্থ "একার্ণবোদক" প্রলয় সমুদ্র। এবং পদ্ম শব্দের অর্থ পৃথিবী, সমস্ত কথার অর্থ এই যে শ্রীভগবান্ বলেছেন, "আমি যেমন প্রলয় সমুদ্র হতে পৃথিবীকে উদ্ধার করি,যে ব্যক্তি আমার নাম গ্রহণ করে,তাকে আমি তেমনি নরকার্ণব বা নরকসাগর হতে উদ্ধার করি।" অথবা আর এক অর্থও হতে পারে,তা এই যে পদ্মপত্র জলে থেকেও জল সম্পর্কবিহীন হয়,যে আমার নাম গ্রহণ করে,সে ব্যক্তি সংসারে থেকেও সংসার-সম্পর্কে কলুষিত হয় না।এতৎদ্বারা এটিও সপ্রমাণ হল যে নাম-সাধনায় প্রারব্ধ কর্মেরও বিনাশ হয়।*
*🌹গরুড়পুরাণ ও পদ্মপুরাণ এক কথায় বলছেন=*
*🌷সংসারসর্পসংদষ্টনষ্টচেতস্য ভেষজং।*
*🌷কৃষ্ণেতি বৈষ্ণবমন্ত্রং শ্রুত্বা মুক্তো ভবেন্নরঃ।।*
*🌻কালসর্প-দংশনে লোকের চেতনা নষ্ট হয়,গারুড় মন্ত্র প্রয়োগে তার প্রশমনের বা চেতনা ফিরানোর ব্যবস্থা আছে, কিন্তু সংসাররূপ কালসর্প দংশনে শ্রীকৃষ্ণনামই একমাত্র মহা ভেষজ বা মহৌষধী,এটিদ্বারা অবিদ্যারূপ মহারোগ প্রশমিত হয়।*
*🌻প্রভাসপুরাণে নারদ কুশধ্বজ সম্বাদে শ্রীভগবানের শ্রীমুখোক্তি এই যে ------*
*🌷নাম্নাং মুখ্যতরং নাম কৃষ্ণাখ্যং মে পরন্তপ।*
*🌷প্রায়শ্চিত্তমশেষাণাং পাপানাং মোচকং পরম্।।*
*🌻আমার বহুনাম আছে,তারমধ্যে "কৃষ্ণ" এই নামটি মুখ্যতম,এই নামটি অশেষ পাপের প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ ও মোচক। যথা পদ্মপুরাণে=*
*যত্র তত্র স্থিতো বাপি কৃষ্ণকৃষ্ণেতি কীয়েৎ।*
*🌷সর্বপাপ বিশুদ্ধাত্মা স গচ্ছেৎ পরমাং গতিম্।।*
*🌻এই নাম গ্রহণ করলে দেশ কালের নিয়ম নেই।যে কোন জায়গায় যে কোন সময়ে "কৃষ্ণ-কৃষ্ণ" এই নাম উচ্চারণ করলে আত্মা সর্বপাপ বিমুক্ত হয়ে পরমা গতি প্রাপ্ত হন।*
*🍀শ্রীবিষ্ণুধর্মোত্তরে শ্রীকৃষ্ণ সহস্রনাম স্তোত্রে লিখিত আছে =*
*🌷বল্লভীকান্তা কিন্তৈস্তৈরুপায়ৈঃ কৃষ্ণনাম তে।*
*🌷কিন্তু জিহ্বাগ্রজং জাগ্রৎ নিরুদ্ধে হি মহাভয়ম্।।*
*🌻হে বল্লভীকান্ত!কর্মজ্ঞানাদি এবং শ্রবণাদি নববিধা ভক্তি সাধনেরই বা কি প্রয়োজন, যদি জিহ্বাগ্রে তোমার ঐ কৃষ্ণনাম সর্বদা করতে থাকেন,তাহলে ঐ শ্রীনামই সংসাররূপ মহাভয় নিরোধ করে থাকেন। অথবা অভয় যে মোক্ষ,তাকে পর্যন্ত তুচ্ছীকৃত করিয়ে দেন। কেননা, তোমার ঐ শ্রীকৃষ্ণনাম, পরমানন্দরস- চমৎকার বিশেষময়।*
*ক্রমাগত*
👣👣👣👣👣👣🙏👣👣👣👣👣👣
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী 🙇 শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ 🌷 প্রথম ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/02/name.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(০৫)🐚শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী🐚*
*শ্রীশ্রীনামব্রহ্ম*
°°°°°°°°°°°°°°
*🌻শ্রীবিষ্ণুধর্মোত্তর গ্রন্থেই অন্যত্র লেখা আছে =*
*🌷সত্যং ব্রব্রীমি তে শম্ভো গোপনীয় মিদং মম।*
*🌷মৃত্যুসঞ্জীবনং নাম কৃষ্ণাখ্যমবধারয়।।*
*🌻হে শম্ভু! আমার এই কৃষ্ণনামটি প্রকৃত পক্ষেই মৃতসঞ্জীবনী বিদ্যা বা মৃতসঞ্জীবন ঔষধস্বরূপ।তুমি এটি নিশ্চয় জানিও,আমি সত্য সত্যই তোমায় বলছি।ভারতবিভাগে উক্ত হয়েছে =*
*🌷কৃষ্ণঃ কৃষ্ণঃ কৃষ্ণ ইত্যন্তকালে,*
*🌷জল্পন্ জন্তু জীবিত যো জহাতি।*
*🌷আদ্যঃ শব্দঃ কল্পতে তস্য মুক্ত্যৈ,*
*🌷 ব্রীড়ানম্রৌ তিষ্ঠতোন্যাবৃণস্থৌ।।*
*🌻অন্তঃকালে বা জীবনের মরণকালে যিনি "কৃষ্ণ,কৃষ্ণ,কৃষ্ণ" এই নাম তিনবার উচ্চারণ করেন,প্রথমবারের উচ্চারণেই তিনি মুক্তি প্রাপ্ত হন। অন্য দুই বারের উচ্চারণে শ্রীকৃষ্ণনাম ঋণী হয়ে তাঁর জিহ্বাগ্রে সলজ্জভাবে অবস্থান করেন।নাম ও নামী অভিন্ন।নাম ঋণী হন ও লজ্জিত হন, এটির অর্থ শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ংই নাম-উচ্চারণকারীর কাছে ঋণী হন।এটি দ্বারা প্রতিপন্ন হল যে নাম সাধনায় শ্রীভগবান বশীভূত হন।*
*🍀অতঃপরে "নামচিন্তামণিঃ কৃষ্ণঃ" ইত্যাদি শ্লোক লিখিত হয়েছে।আমরা বহুপূর্বে এই শ্লোক উদ্ধৃত করেছি।যে মণি চিন্তিত অর্থ প্রদান করেন,তাঁরই নাম চিন্তামণি। নামও উপাসকের চিন্তিত অর্থ প্রদান করেন এইজন্য শ্রীভগবানের নামও চিন্তামণিস্বরূপ।এই শ্লোকের চৈতন্য রসবিগ্রহ পদটি নামের বিশেষণ হওয়ায় নপুংসকলিঙ্গ হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু নাম ও নামী অভিন্ন, এই জন্য পুংলিঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে।▪তারপরে নাম শ্রবণানন্দি ভক্তগণের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য শ্লোকটি শ্রীহরিভক্তি বিলাসে উদ্ধৃত হয়েছে,যথা=*
*🌷তেভ্যোনমোহস্তু ভববারিধি জীর্ণপঙ্ক-,*
*🌷-সংমগ্ন-মোক্ষণ-বিচক্ষণ-পাদুকেভ্যঃ।*
*🌷কৃষ্ণেতি বর্ণযুগল-শ্রবণেন যেষাং,*
*🌷আনন্দথুর্ভবতি নৃত্যতি রোমবৃন্দঃ।।*
*🌻যাদের পাদুকা ভবসাগরের জীর্ণকাদায় সংমগ্ন ব্যক্তিকেও পরিত্রাণে প__, শ্রীকৃষ্ণ এই বর্ণযুগল যাদের কানে প্রবেল হলে আনন্দকম্প ও রোমাঞ্চ হয় সেই সব ভক্তদেরকে নমস্কার।*
*🍀ফলে ভগবৎ সাধনায় নাম জপের মহামহিমা আমাদের পুরাণাদি শাস্ত্রগুলিতে বহুপ্রকারে কীর্তিত হয়েছে।সকাম ভক্তগণ ইহকাল ও পরকালে পাপাদি ক্ষয়ের জন্য ও শুভফল পাওয়ার জন্য দেশ-কাল বিশেষে শ্রীভগবানের নাম বিশেষের উপাসনা করতেন।এক্ষণে এ সব বিশ্বাস দিন দিন বিলুপ্ত-প্রায় হয়ে পড়ছে-- কিন্তু শাস্ত্রে সেটির ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে।পূজ্যপাদ শ্রীহরিভক্তিবিলাসকার লিখেছেন=*
*🌷তত্র শ্রীভগন্নাম-বিশেষস্যচ সেবনম্।*
*ঋষিভিঃ কৃপয়াদিষ্টং তত্তৎকামহতাত্মনাম্।।*
*🌻কামহতাত্মাদের জন্য ঋষিগণ শ্রীভগবানের-নাম বিশেষের সেবন ব্যবস্থাপিত করেছেন।প্রশ্ন হতে পারে যে নাম কীর্তন মহাফলজনক।তুচ্ছ ফলের জন্য সেটির উল্লেখ কেন?তাতেই বলা হয়েছে কামহতাত্মা ব্যক্তিগণের জন্য সেটি কৃপা করে ঋষিগণ বলেছেন। প্রথম পাপক্ষয়ের জন্য যথা=*
*🌷শ্রীশব্দপূর্বং জয়শব্দপূর্বং,*
*🌷জয়দ্বয়াদুত্তরত স্তথাহি।*
*🌷ত্রিঃসপ্তকৃত্ব নরসিংহ নাম,*
*🌷 জপ্তং নিহন্যাদপি বিপ্রহত্যাম্।।*
*🌻শ্রীনরসিংহ,জয় নরসিংহ, জয় জয় নরসিংহ এইভাবে একুশবার জপ করলে ব্রহ্মহত্যাজনিত পাপও নষ্ট হয়।*
*🌹মহাভয় নিবারণের জন্য শ্রীনৃসিংহ নাম জপের বিধান কূর্ম্মপুরাণে দেখা যায় =*
*🌷শ্রীপূর্বো নরসিংহো দ্বির্জয়াদুত্তরস্তু সঃ।*
*🌷ত্রিঃসপ্তকৃত্বো জপ্তন্তু মহাভয়নিবারণঃ।।*
*🌻শ্রীনরসিংহ এবং জয় জয় নরসিংহ নাম একুশবার জপ করলে মহাভয় নিবারণ হয়।*
*🌹কালবিশেষে মঙ্গলের জন্য বিষ্ণোধর্মোত্তরে মার্কন্ডেয় বজ্রসংবাদে=*
*🌷পুরুষং বামদেবঞ্চ তথা সঙ্কর্ষণং বিভুং।*
*🌷প্রদ্যুম্নমণিরুদ্ধঞ্চ ক্রমাদব্দেষু কীর্তয়েৎ।।*
*🌻পুরুষ,বামদেব,সঙ্কর্ষণ,প্রদ্যুম্ন ও অনিরুদ্ধ ভগবানের এই পাঁচটি নাম পঞ্চব্দ ক্রমে জপ করবে।ব্রহ্মবৈবর্তে পঞ্চাব্দের বিবরণ এইরকম লিখিত হয়েছে =*
*ক্রমাগত*
🔻🔺🔻🔺🔻🔺🔻🔺🔻🔺🔻🔺🔻
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী 🙇 শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ 🌷 প্রথম ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/02/name.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(০৬)🐚শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী🐚*
*শ্রীশ্রীনামব্রহ্ম*
••••••••••••••••
*🍀ভগবানের নাম পঞ্চাব্দ ক্রমে জপ করবে।ব্রহ্মবৈবর্ত্তে পঞ্চাব্দের বিবরণ এইরকম লেখা হয়েছে*
*🌷সম্বৎরস্তু প্রথমো দ্বিতীয়ঃ পরিবৎসরঃ।*
*🌷ইদা বৎসরস্তৃতীয় শ্চতুর্থ শ্চানুবৎসরঃ।*
*🌷উদ্ বৎসরঃ পঞ্চমস্তু কালস্য যুগসংজ্ঞিতঃ।*
*🌻প্রথম সম্বৎসর,দ্বিতীয় পরিবৎসর, তৃতীয় ইদাবৎসর চতুর্থ অনুবৎসর পঞ্চম উদ্ বৎসর।*
*🌷বলভদ্রং তথা কৃষ্ণং কীর্ত্তয়েদয়নদ্বয়ে।*
*🌷মাধবং পুন্ডরীকাক্ষং তথা বৈ ভোগশায়িনং।।*
*🌷পদ্মনাভং হৃষীকেশং তথা দেবং ত্রিবিক্রমং।*
*🌷ক্রমেণ রাজশার্দ্দুল বসন্তাদিষু কীর্ত্তয়েৎ।।*
*🌷বিষ্ণুঞ্চ মধুহন্তারং তথা দেবং ত্রিবিক্রমং।*
*🌷বামনং শ্রীধরঞ্চৈব হৃষীকেশং তথৈবচ।*
*🌷দামোদরং পদ্মনাভং কেশবঞ্চ যদূত্তমং।।*
*🌻যদুত্তমং পদটি বিশেষণ,অন্যথা এয়োদশ (১৩) নাম হয়।যদূত্তম পাঠ রেখে সম্বোধনও করা যেতে পারে।অথবা কখনো মলমাস হলে এয়োদশ মাস ধরে যদূত্তম পৃথক নামও করা যেতে পারে।*
*🌷নারায়ণং মাধবঞ্চ গোবিন্দঞ্চ তথা ক্রমাৎ।*
*🌷চৈত্রাদিষু চ মাসেষু দেব-দেব মনুস্মরেৎ।।*
*🌷প্রদ্যুম্নমনিরুদ্ধঞ্চ পক্ষয়োঃ কৃষ্ণশুক্লয়োঃ।*
*🌷সর্বঃ সর্বশিবঃ স্থাণুর্ভূতাদিনিধিরব্যয়ঃ।।*
*🌷আদিত্যাদিষু বারেষু ক্রমাদেব মনুস্মরেৎ।*
*🌷বিশ্বং বিষ্ণু র্বষটকারো ভূতভব্যভবৎপ্রভুঃ।।*
*🌷ভূতভৃৎ ভূতকৃৎ ভাবো ভূতাত্মা ভূতভাবনঃ।*
*🌷অব্যক্তঃ পুন্ডরীকাক্ষো বিশ্বকর্মা শুচিশ্রবাঃ।।*
*🌷সদ্ভাবো ভাবনোভর্ত্তা প্রভবো প্রভুরীশ্বরঃ।*
*🌷অপ্রমেয়ো হৃষীকেশঃ পদ্মনাভোহমরপ্রভুঃ।।*
*🌷অগ্রাহ্যঃ শাশ্বতো ধাতা কৃষ্ণশ্চৈতান্যনুস্মরেৎ।*
*🌷দেবদেবস্য নামানি কৃর্ত্তিকাদিষু যাদব।।*
*🌷ব্রহ্মাণং শ্রীপতিং বিষ্ণুং কপিলং শ্রীধরং প্রভুং।*
*🌷দামোদরং হৃষীকেশং গোবিন্দং মধুসূদনং।।*
*🌷ভূধরং গদিনং দেবং শঙ্খিনং পদ্মিনন্তথা।*
*🌷চক্রিণঞ্চ মহারাজ প্রথমাদিষু সংস্মরেৎ।।*
*🌻ফলে,শ্রীভগবানের সব নামই সর্বদা সেবনীয়।"সর্বং বা সর্বদা নাম দেবদেবস্য যাদব"।*
*🌷নামানি সর্বাণি জনার্দ্দনস্য,*
*🌷কালশ্চ সর্বঃপুরুষপ্রবীরঃ।*
*🌷তস্মাৎ সদা সর্বগতস্য নাম,*
*🌷 গ্রাহ্যং যথেষ্টং বরদস্য রাজন্।।*
*🌻শ্রীভগবান্ সর্ব-বরদাতা এবং তিনি সর্বগত সুতরাং তাঁর যে কোন নাম যে কোন সময়ে কীর্তনযোগ্য।*
*খাইতে,শুইতে,চলতে ফিরতে,উঠতে,বসতে,হাসতে, নাচতে, হেলায়, শ্রদ্ধায়,পরিহাস,উপহাসে কর,কোন নিয়ম নাই, চিন্তামণির মত তাঁর সব নামেরই সমান ফল।আপত্তি হতে পারে যে নাম-বিশেষের মাহাত্ম্য বিশেষ কীর্তন দ্বারা অন্যান্য নামের মাহাত্ম্য সঙ্কোচ করা হয় না কি?এ আপত্তি অমূলক নয়, কিন্তু কামাদি দ্বারা অত্যন্ত উপহত (বিনষ্ট)চিত্ত ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা ও রুচি উৎপাদনের জন্য নাম-বিশেষের মাহাত্ম্য উল্লিখিত হয়েছে।বস্তুতঃ তাঁর সব নামই সর্বদা সেব্য।*
*নানান কামনা-সিদ্ধির জন্য ভগবানের এক একটি নামের সবিশেষ শক্তির উল্লেখ শাস্ত্রে দেখতে পাওয়া যায়।তদ্ যথা পুলস্ত্য বলেন=*
*(১)🔻কামনা-সিদ্ধির জন্য =*
*🌷কামঃ কামপ্রদঃ কান্তঃ কামপাল স্তথা হরিঃ।*
*🌷আনন্দোমাধবশ্চৈব কাম সংসদ্ধিয়ো জপেৎ।।*
*(২)অরি বা রিপু জয়ের জন্য =*
*🌷রামঃ পরশুরামশ্চ নৃসিংহো বিষ্ণুরেবচ।*
*🌷বিক্রমশ্চৈবমাদীনি জপ্যান্যরিজিগুষিভিঃ।।*
*(৩)বিদ্যালাভের জন্য =*
*🌷বিদ্যাহভ্যস্যতা নিত্যং জপ্তব্যং পুরুষোত্তমঃ।*
*(৪)বন্ধ-মোচনের জন্য =*
*🌷দামোদরং বন্ধগতো নিত্যমেব জপেন্নরঃ।*
*(৫)নেত্রবাধা-প্রশমনের জন্য =*
*🌷কেশবং পুন্ডরীকাক্ষমনিশং হি তথা জপেৎ নেত্রবাধাসু সর্বাসু।*
*(৬)ভয়-নাশের জন্য =*
*🌷হৃষীকেশং ভয়েষু চ।*
*(৭)ঔষধ-কর্মে=*
*🌷অচ্যুতাঞ্চামৃতঞ্চৈব জপেদৌষধকর্ম্মণি।*
*(৮)যুদ্ধ-গমন কালে=*
*🌷সংগ্রামাভিমুখে গচ্ছন্ সংস্মরেদপরাজিতম্।*
*(৯)পূর্বাদি দিকে গমন=*
*🌷চক্রিণং গদিনাঞ্চৈব শার্ঙ্গনং খড়্গিনং তথা।*
*🌷ক্ষেমার্থী প্রবসন্ নিত্যং দিক্ষুপ্রাচ্যাদিষু স্মরেৎ।।*
*(১০) সর্ব্ব ব্যবহারে=*
*🌷অজিতঞ্চাধিপঞ্চৈব সর্বং সর্বেশ্বরং তথা।*
*🌷সংস্মরেৎপুরুষো ভক্ত্যা ব্যবহারেষু সর্বদা।।*
*(১১)ক্ষুৎপ্রস্খনাদি ও গ্রহ পীড়াদি ও অতিবৃষ্টিতে=*
*🌷নারায়ণং সর্বকালং ক্ষুৎপ্রস্খলনাদিষু।*
*🌷গ্রহনক্ষত্র পীড়াসু দেববাধাসু সর্বতঃ।।*
*(১২)দস্যবৈরিনিরোধে ব্যাঘ্রপীড়াদি সঙ্কটে=*
*🌷অন্ধকারে তমস্তীব্রে নরসিংহমনুস্মরেৎ।।*
*(১৩)অগ্নিদাহে=*
*🌷অগ্নিদাহে সমুৎপন্নে সংস্মরেৎ জল-শায়িনং।*
*(১৪)সর্প-বিষাদি প্রশমনে=*
*🌷গরুড়ধ্বজানুস্মরনাদ্ বিষবীর্য্যং ব্যপোহতি।*
*(১৫)স্নানে দেবার্চনে হোমে প্রণিপাতে প্রদক্ষিণে=*
*🌷কীর্ত্তয়েৎ ভগবন্নাম বাসুদেবেতি তৎপরঃ।।*
*(১৬)স্থাপনে,বিত্তধান্যাদে রূপধ্যানেচ দুষ্টজে=*
*🌷কুর্ব্বীত তন্মনাভূত্বা অনন্তাচ্যুত কীর্তনম।।*
*(১৭) দুষ্ট বা খারাপ স্বপ্নে=*
*🌷নারায়ণং শার্ঙ্গধরং শ্রীধরং পুরুষোত্তমং।*
*🌷বামনং খড়্গিনঞ্চৈব দুষ্ট স্বপ্নে সদা স্মরেৎ।।*
*(১৮)মহার্ণবে=*
*🌷মহার্ণবাদৌ পর্য্যঙ্ক-শায়িনঞ্চ নরঃ স্মরেৎ।*
*(১৯)সর্বকর্ম সমৃদ্ধি জন্য =*
*🌷বলভদ্রং সমৃদ্ধ্যর্থং সর্বকর্মণি সংস্মরেৎ।*
*(২০)অপত্যার্থ বা সন্তানের জন্য =*
*🌷জগৎপতিমপত্যর্থং স্তুবন্ ভক্ত্যা ন সীদতি।*
*(২১)সর্বাভ্যুদয়িকে=*
*🌷শ্রীশং সর্বাভ্যুদয়িকে কর্মণ্যাশু প্রকীর্ত্তয়েৎ।*
*(২২)অরিষ্টে বা অমঙ্গলে=*
*🌷অরিষ্টেষু হ্যশেষেসু বিশোকঞ্চ সদা জপেৎ।*
*(২৩)নির্জনদেশে গমনে অথবা বাত্যাদিতে মরণাদিতে=*
*🌷মরুৎপ্রপাতাগ্নিজলবন্ধনাদিষু মৃত্যুষু।*
*🌷স্বতন্ত্রপরতন্ত্রেষু বাসুদেবং জপেদবুধঃ।।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🌻🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী 🙇 শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ 🌷 প্রথম ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/02/name.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(০৭)🐚শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী🐚*
*শ্রীশ্রীনামব্রহ্ম*
^^^^^^^^^^^^^
*🌻বিষ্ণু ধর্মোত্তরে মার্কন্ডেয়-বজ্র-সংবাদে নাম বিশেষের মাহাত্ম্য লিখিত আছে=*
*(১)জল-প্রতরণে=*
*🌷কূর্ম্মং বরাহং মৎস্যম্বা জল-প্রতরণে স্মরেৎ।*
*(২)অগ্নিজননে=*
*🌷ভ্রাজিষ্ণুমগ্নিজননে জপেন্নাম ত্বখন্ডিতং।*
*(৩)আপদে,জ্বরে,শিরোরোগে বিষবীর্য্যে=*
*🌷গরুড়ধ্বজানুস্মরণাদাপদোমুচ্যতে নরঃ।*
*🌷জ্বরজুষ্ট-শিরোরোগ-বিষবীর্য্যঞ্চ শাম্যতি।।*
*(৪)যুদ্ধার্থে=*
*🌷বলভদ্রং তু যুদ্ধার্থী।*
*(৫)কৃষ্যারম্ভে=*
*🌷হলায়ুধম্।*
*(৬)উত্তারণ বণিজ্যার্থী=*
*(৭)রামমভ্যুদয়ে নৃপ=*
*(৮)মঙ্গলে=*
*🌷মাঙ্গল্যং মঙ্গলং বিষ্ণুং মাঙ্গল্যেষুচ কীর্ত্তয়েৎ।*
*(৯)উঠিতে=*
*🌷উত্তিষ্ঠন্ কীর্ত্তয়েদ্ বিষ্ণুং।*
*(১০)নিদ্রাকালে=*
*🌷প্রস্ববন্ মাধবং নরঃ।*
*(১১)ভোজনে=*
*🌷ভোজনে চৈব গোবিন্দং সর্বত্র মধুসূদনম্।*
*🌻আবার অন্যত্র উক্ত হয়েছে =*
*🌷ঔষধে চিত্তয়েদ্ বিষ্ণুং ভোজনে চ জনার্দনং।*
*🌷শয়নে পদ্মনাভঞ্চ বিবাহেচ প্রজাপতিম্।।*
*🌷সংগ্রামে চক্রিনং ক্রুদ্ধং স্থানভ্রংশে ত্রিবিক্রমং।*
*🌷নারায়ণং তনুত্যাগে শ্রীধরং প্রিয়সঙ্গমে।।*
*🌷জলমধ্যেবরাহঞ্চ পাবকে জলশায়িনং।*
*🌷কাননে নরসিংহঞ্চ পর্বতে রঘুনন্দনম্।।*
*🌷দুঃস্বপ্নে স্মর গোবিন্দং সঙ্কটে মধুসূদনম্।*
*🌷গমনে বামনঞ্চৈবং সর্বকার্য্যেষু মাধবম্।।*
*🌻অপিচ=*
*🌷কীর্ত্তয়েদ্ বাসুদেবঞ্চ অনুক্তেষ্বপি যাদব।*
*🌷কার্য্যারম্ভে তথা রাজন্ যথেষ্টং নাম কীর্ত্তয়েৎ।।*
*🌻হরিভক্ত-বিলাসে শ্রীশ্রীভগবন্নামের নানা রকম ফলশ্রুতি শ্রেণীবদ্ধ ভাবে লিখিত হয়েছে,যথা=*
*(১)অখিল-পাপ-উন্মুলনত্ব-- বিষ্ণুধর্মোত্তরে নারদ-উক্তি---*
*🌷অহো সুনির্মলা যূয়ং রাগোহি হরিকীর্তনে।*
*🌷অবিধূয় তমঃ কৃৎস্নং নৃণাং নোদতি সূর্য্যবৎ।।*
*🌻অহো!তোমরা অতি সুনির্মল, কেন না,হরিকীর্তনে তোমাদের শ্রদ্ধা দেখা যাচ্ছে।হরিকীর্তনে শ্রদ্ধার এমনই প্রভাব যেমন সূর্য্য উদিত হলে অন্ধকার নষ্ট হয়, তেমনি হরিকীর্তনে শ্রদ্ধার উদয়মাত্রই সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়ে যায়।*
*🌷পাপানলস্য দীপ্তস্য মাকুর্ব্বন্তু ভয়ং নরাঃ।*
*🌷গোবিন্দ-নাম-মেঘৌঘৈ র্নশ্যতে নীরবিন্দুভিঃ।।*
*(গারুড় পুরাণ)*
*🌻আর যেন নরগণ পাপানলের ভয় না করেন।যেহেতু শ্রীগোবিন্দের নামই মেঘ-পুঞ্জ-সদৃশ।এর বিন্দুমাত্র জলকণিকাতেও বিশাল পাপ দাবদাহ প্রশমন করতে সমর্থ।*
*🌷অবশে নাপি যন্নাম্নি কীর্ত্তিতে সর্ব পাতকৈঃ।*
*🌷পুমান্ বিমুচ্যতে সদ্যঃ সিংহ ত্রস্তৈর্মৃগৈরিব।।*
*🌻মানুষ অবশভাবেও শ্রীভগবানের নাম কীর্তন করলে,সিংহ-ভীত হরিণের মত পাপসকল সুদূরে পালিয়ে যায়। অথবা সিংহ সহসা সমুপস্থিত হলে হরিণ-অবরোধকারী বাঘগুলি যেমন ভয়ে ভয়ে অনেক দূরে পালিয়ে যায়, তেমনি শ্রীভগবানের নাম শুনলে পাপ সব অনেক দূরে পালিয়ে যায়।*
*☘অবশভাবে ভগবানের নাম গ্রহণ করলে যদি এরকম পাপ-মুক্তির সম্ভাবনা হয়,তবে ভক্তিকরে নাম গ্রহণ করলে যে কত ফল হয়, শাস্ত্র তাও বলেছেন=*
*🌷যন্নামকীর্তনং ভক্ত্যা বিলাপনমনুত্তমং।*
*🌷মৈত্রেয়াশেষপাপানাং ধাতুনামিব পাবকঃ।।*
*🌻হে মৈত্রেয়!দ্বাদশ বৎসর প্রায়শ্চিত্ত দ্বারা পাপ নষ্ট হয় বটে, কিন্তু পাপের সংস্কার হয় না, সেটি থেকে যায় ; কিন্তু হরিনাম দ্বারা পাপের সংস্কার পর্যন্ত নষ্ট হয়।যেমন ধাতুতে ধাত্বন্তর-সংযোগজনিত ময়লা, উদ্বর্ত্তন প্রক্ষালনাদি দ্বারা বিনষ্ট হয় না, কিন্তু আগুনের দ্বারা সেটি নষ্ট হয়,সেইরকম বহু প্রকার প্রায়শ্চিত্ত দ্বারাও পাপের বীজ নষ্ট হয় না, কিন্তু হরিনাম দ্বারা সেটি নিঃশেষ ভাবে বিনষ্ট হয়। সুতরাং হরিনাম গ্রহণ রূপ প্রায়শ্চিত্ত সর্বাপেক্ষা উত্তম।*
*🌷যস্মিন্ন্যস্তমতির্ন যাতি নরকং স্বর্গোহপি যচ্চিন্তনে।*
*🌷বিঘ্নো যত্র নিবেশিতাত্মমনসো ব্রহ্মেহপি লোকোহল্পকঃ।।*
*🌷মুক্তিং চেতসি যঃ স্থিতোহমলধিয়াং পুংসাং দদাত্যব্যয়ঃ।*
*🌷কিঞ্চিত্রং যদঘং প্রযাতি বিলয়ং তত্রাচ্যুতে কীর্ত্তিতে।।*
*🌻হরি-কীর্তন মাত্রে সব পাপ ক্ষয় হয়।যাতে চিত্ত-অর্পণে কখনও নরক দর্শন হয় না,যাঁর ধ্যানের কাছে স্বর্গসুখও বিঘ্নস্বরূপ বলেই বোধ হয়, যাঁতে চিত্ত সমাহিত হলে ব্রহ্মলোকও তুচ্ছ পদার্থ বলে অনুমিত হয়, যে কোন ভাবে যে অব্যয় পুরুষ অন্তরে স্থিত হলে ধীমান মুনিগণের মুক্তি লাভ ঘটে অথবা মলিন মতিগণেরও মুক্তি সহজে লাভ হয়,সেই ভগবানের নাম কীর্তন হলে যে পাপ বিদূরিত হবে এতে আর আশ্চর্য্য কি?*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী 🙇 শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ 🌷 প্রথম ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/02/name.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(০৮)🐚 শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী🐚*
*শ্রীশ্রীনামব্রহ্ম*
☆☆☆☆☆☆
*🙏বিষ্ণুধর্মোত্তরে-------*
*🌷সায়ং প্রাতস্তথা কৃত্বা দেবদেবস্য কীর্তনং।*
*🌷সর্ব পাপবিনির্মুক্তঃ স্বর্গলোকে মহীয়তে।।*
*🌻সন্ধার সময় ও সকালবেলায় দেবদেব মুকুন্দের নাম কীর্তন করলেই সর্ব পাপ হতে মুক্ত হয়ে সুখে স্বর্গলোকে বাস ঘটে থাকে।*
*🌷নারায়ণো নাম নরো নরাণাং,*
*🌷প্রসিদ্ধ চৌরঃ কথিতঃ পৃথিব্যাম্।*
*🌷অনেক জন্মার্জ্জিত পাপ সঞ্চয়ং,*
*🌷হরত্যশেষং শ্রুত মাত্র এব।।*
*(বামন পুরাণ)*
*🌻নর নারায়ণ নামটি পৃথিবীতে প্রসিদ্ধ চোর।যেহেতু চোর যেমন লোকের বহুকাল অর্জ্জিত অর্থ চুরি করে, সেইরকম এই নামও উচ্চারণমাত্রই মানুষের বহু কাল-সঞ্চিত পাপ সব নিঃশেষ রূপে চুরি করে থাকে। অথবা যে নর নামই নারায়ণ স্বরূপ--- এরকম অর্থও হ'তে পারে।*
*🌻🌻স্কন্দ পুরাণে🌻🌻*
*🌷গোবিন্দেতি তথা প্রোক্তং ভক্ত্যা বা ভক্তি-বর্জ্জিতৈঃ।*
*🌷দহতে সর্ব্ব পাপানি যুগান্তাগ্নিরিবোত্থিতঃ।।*
*🌻প্রলয়াগ্নি(সমস্ত ধ্বংসকালে যে আগুন) যেমন সমগ্র বিশ্বকে ভস্মীভূত করে ফেলে, গোবিন্দ নামটিও সেইরকম ভক্তিতে বা অভক্তিতে উচ্চারিত হওয়ামাত্রই সবরকম পাপ ভস্মীভূত করেন।*
*🌷গোবিন্দো নাম্না যঃ কশ্চিন্নরো ভবতি ভূতলে।*
*🌷কীর্ত্তনাদেব তস্যাপি পাপং যাতি সহস্রধা।।*
*🌻কোন মানুষের নাম যদি গোবিন্দ হয়,তাঁকেও যদি গোবিন্দ বলে ডাকা হয়,তাতেও হাজার প্রকারের পাপ নষ্ট হয়।*
*🌹কাশীখন্ডে লিখিত আছে=*
*🌷প্রমদাদপি সংস্পৃষ্টো যথানলকণো দহেৎ।*
*🌷তথৌষ্ঠ-পুটসংস্পষ্টং হরি নাম দহেদঘম্।।*
*🌻ভুলেও যদি আগুনের কণা সংস্পৃষ্ট বা সম্পর্ক হয়,তাতেও যেমন দাহ্য পদার্থ পুড়ে ছাই হয়ে যায়, সেইরকম জ্ঞানে বা অজ্ঞানে হেলায় বা শ্রদ্ধায় হরিনাম ওষ্ঠপুট (উপর ও নিচের ঠোঁট মিলিত) সংস্পৃষ্ট হলেই তাতে পাতকরাশি বিনষ্ট হয়ে যায়।আগুনের কাজ যেমন দহন করা স্বাভাবিকী শক্তি, সেইরকম পাপনাশ করাও শ্রীভগবানের নামের অক্ষরগুলির স্বাভাবিকী শক্তি।*
*🌻বৃহন্নারদীয় লুব্ধক-উপাখ্যানে লিখিত আছে=*
*🌷নরাণাং বিষয়ান্ধনাং মমতাকুলচতসাং।*
*🌷একমেব হরের্নাম সর্বপাপ-বিনাশনম্।।*
*🌻মমতা-কুল-চিত্ত-বিশিষ্ট ( সংসারের মায়া মমতায় পরিপূর্ণ যাদের মন ) চরমভাবে বিষয়ান্ধ, মানুষগণের পক্ষে একমাত্র হরিনামই সর্ব পাপ বিনাশক।*
*🌻উক্তস্থলেই শ্রীযমরাজ বলছেন=*
*🌷হরি হরি সকৃদুচ্চারিতং,*
*🌷দস্যু চ্ছলেন যৈ র্মনুস্যৈঃ,*
*🌷জননী জঠরমার্গ-লুপ্তা,*
*🌷ন মম পট লিপিং বিশন্তি মর্ত্ত্যাঃ।*
*🌻দস্যুবৃত্তি করতে গিয়েও যদি কারও দ্বারা একবার "হরি হরি" এই শব্দ উচ্চারিত হয়,তাহলে তার জননী জঠরের পথ লুপ্ত হয় অর্থ্যাৎ তার আর জন্ম হয় না এবং সে আর আমার অধিকারে আনীত হয় না।*
🛑🛑🛑🛑🛑🛑🛑🛑🛑🛑🛑
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী 🙇 শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ 🌷 প্রথম ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/02/name.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(০৯)🐚শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী🐚*
*শ্রীশ্রীনামব্রহ্ম*
☆☆☆☆☆☆
*🌻পদ্মপুরাণে বৈশাখ-মাহাত্ম্যে দেবশর্ম্মোপখ্যানান্তে শ্রীনারদ বলছেন=*
*🌷হত্যাযুতং পাপ-সহস্রমুগ্রং,*
*🌷গুর্ব্বঙ্গনাকোটি নিষেবণঞ্চ,*
*🌷স্তেয়ান্যনেকানি হরি-প্রিয়েণ,*
*🌷গোবিন্দ নাম্না নিহতানি সদ্যঃ।*
*🌻অযুত (দশহাজার) ব্রহ্মহত্যা, সহস্রবার উগ্রসুরাপান, কোটি কোটি গুর্ব্বঙ্গনা নিষেবণ (সেবা) এবং সোনা চুরিকরা মহাপাপগুলিও হরিপ্রিয়তা-প্রাপ্ত ব্যক্তি গোবিন্দ নাম বলে বিনষ্ট করেন।*
*🌷অনিচ্ছয়াপি দহতি স্পৃষ্টো হুতবহো যথা।*
*🌷তথা দহতি গোবিন্দ নাম ব্যজাদপীরিতম্।।*
*🌻অনিচ্ছায় আগুন স্পৃষ্ট হলেও সেটি যেমন পুড়ে যায়,সেইরকম পুত্রাদিচ্ছলে অনিচ্ছাতেও যদি গোবিন্দ নাম উচ্চারিত হয়,তাতেও পাপরাশি বিনষ্ট হয়।*
*🌻তত্রৈব যম-ব্রাহ্মণ-সংবাদে--*
*🌷কীর্ত্তনাদেব কৃষ্ণস্য বিষ্ণোরমিত তেজসঃ।*
*🌷দুরিতানি বিলীয়ন্তে তমাংসীব দিনোদয়ে।।*
*🌻সূর্যোদয়ে যেমন অন্ধকার রাশি বিনষ্ট হয়, সেইরকম সর্বব্যাপী অমিততেজা শ্রীকৃষ্ণের নাম-কীর্তনে সর্বপাপ নষ্ট হয়।*
*🌷নান্যৎ পশ্যামি জন্তুনাং বিহায় হরি কীর্ত্তনং।*
*🌷সর্ব্বপাপ-প্রশমনং প্রায়শ্চিত্তং দ্বিজোত্তম।।*
*🌻হে দ্বিজোত্তম!সবাসন পাপক্ষলনে অশক্ত ব্যক্তির পক্ষে হরি-কীর্তন ছাড়া সর্বপাপ প্রশমনের আমি আর অন্য কোনও উপায় দেখতে পায় না।*
*🌻শ্রীভাগবতের ষষ্ঠ স্কন্ধে অজামিল উপাখ্যানে লিখিত আছে =*
*🌷অয়ং হি কৃতো নির্ব্বেশো জন্মকোট্যংহসানপি।*
*🌷যদ্ব্যজহার বিবশো নাম স্বস্ত্যয়নং হরেঃ।।*
*🌻এই অজামিল বিবশভাবে অর্থ্যাৎ মৃত্যুর সময়ে নারায়ণ নামক পুত্রের আহ্বানচ্ছলে যে শ্রীহরির পরম "নারায়ণ" স্বস্ত্যয়ন নাম গ্রহণ করেছিলেন,তাতেই ইহার কোটি কোটি জন্মের পাপের প্রায়শ্চিত্ত হয়েছে।এই হরিনাম কেবল প্রায়শ্চিত্ত মাত্র নয়, সেটি মোক্ষ সাধনেরও উপায়।*
*🌷স্তেনঃ সুরাপো মিত্রধ্রুগ্ ব্রহ্মহা গুরুতল্পগঃ।*
*🌷স্ত্রী-রাজ-পিতৃ-গোহন্তা যে চ পাতকিনোহপরে।*
*🌷সর্ব্বেষামপ্যঘবতামিদমেব সুনিষ্কৃতং।*
*🌷নামব্যহরণং বিষ্ণোর্যতস্তদ্বিষয়া মতিঃ।।*
*🌻যারা সোনা চুরি করে, মদ্যপায়ী,মিত্রদ্রোহী, ব্রহ্মহত্যাকারী,গুরুপত্নীগামী, স্ত্রীঘাতী,গোহত্যাকারী, এবং অন্যান্য পাপাচারী সকলের পক্ষেই নারায়ণের নাম কীর্তন প্রায়শ্চিত্ত বলিয়া কীর্ত্তিত হয়েছে, কারণ নাম-উচ্চারণকারী ব্যক্তিকে তিনি তাঁর নিজের লোক বলিয়া রক্ষা করেন।*
*🌷ন নিষ্কৃতৈ রুদিতৈ র্ব্রহ্মবিদিভি,*
*🌷স্তুথা বিশুদ্ধত্যঘবান্ ব্রতাদিভিঃ।*
*🌷যথা হরের্নাম পদৈ রুদাহৃতৈ,*
*🌷স্তদুত্তমঃশ্লোক গুণোপলম্ভকম্।।*
*🌻ভগবান্ হরির নাম-উচ্চারণকারী জীব যেরকম শুদ্ধি লাভ করেন,মনু প্রভৃতি ব্রহ্মবেত্তা মুনিগণ যদিও পাপক্ষয়ের জন্য প্রায়শ্চিত্তের বিধান করেছেন কিন্তু তাতে সেরকম শুদ্ধি ঘটে না।বিশেষকরে নাম উচ্চারণের সবিশেষ ফল এই যে,সেটিতে পাপনাশের সঙ্গে উত্তমশ্লোক ভগবানের গুণগরিমা প্রকাশিত হয়। প্রায়শ্চিত্তের সে সামর্থ্য নাই।প্রায়শ্চিত্ত দ্বারাও মহাপাপ বহুপাপ প্রভৃতি এক জন্মে ধ্বংস হওয়া অসম্ভব।জীবাত্মা ঐ সব পাপে এমনভাবে কলুষিত ও বিজড়িত হয়ে পড়ে যে একবারে ঐ সব পাপ প্রায়শ্চিত্ত দ্বারা জীবাত্মা হতে দূরীকৃত হয় না। কিন্তু নামের সামর্থ্য অতি চমৎকার, শ্রীভগবানের নাম পাপের মূল পর্যন্ত বিনষ্ট করে ফেলেন।*
👣👣👣👣👣🙏👣👣👣👣👣
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী 🙇 শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ 🌷 প্রথম ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/02/name.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(১০)🐚শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী🐚*
*শ্রীশ্রীনামব্রহ্ম*
°°°°°°°°°°°°°°°
*🌷সঙ্কেত্যং পরিহাসম্বা স্তোভং হেলনমেববা।*
*🌷বৈকুন্ঠ-নাম-গ্রহণমশেযিঘহরং বিদুঃ।।*
*🌻অজামিলের উদাহরণে দেখা যায় যে তিনি মৃত্যুকালে তাঁর নারায়ণ নামে পুত্র ছিল, সেই নারায়ণ নাম বলে ডেকেছিলেন, এই নারায়ণ নামটি তাঁর পুত্রে সাঙ্কেতিক হয়েছিল, কিন্তু নামের এমনই চরম শক্তি যে তাতেও তিনি যমদূতগণের হাত হতে নিষ্কৃতি লাভ করলেন। সুতরাং ভগবানের নামে পুত্রাদির ডাকে,পরিহাসনে,গীতালাপাদি পরিপূরণে, হেলাচ্ছলে, (যেমন বিষ্ণু আমার কি করতে পারে? এইরকম অবজ্ঞায়) ভগবানের নাম উচ্চারিত হলেও অশেষ পাপ নষ্ট হয়।*
*🌷পতিতঃ স্খলিতো ভগ্নঃ সংদষ্ট স্তপ্ত আহতঃ।*
*🌷হরিরিত্যবশেনাহ পুমান্নার্হতি যাতনাঃ।।*
*🌹পতিত, স্খলিত,ভগ্নগাত্র,(নানান চিন্তায় দেহ ভেঙ্গে যাওয়া) সর্পাদিদষ্ট,(সাপের দংশনে কষ্ট পাওয়া ) জ্বরাদি-রোগাভিভূত বা দন্তাহতাবস্থাতেও(দাঁতের কামড়ে আহত হয়ে ভীষণ কষ্ট পাওয়াতেও) যদি লোক অবশ হয়ে হরিনাম উচ্চারণ করে, তার ফলেই আর তাকে নরকভোগ করতে হয় না।*
*🌷অজ্ঞানাদথবা জ্ঞানাদুত্তমংশ্লোক-নাম যৎ।*
*🌷সংঙ্কীর্ত্তিতমঘং পুংসোদহেদেধো যথানলঃ।।*
*🌹জ্ঞানেই হোক বা অজ্ঞানেই হোক,আগুনের দাহ্য বস্তু দহনের মত, হরিনাম পাপরাশিকে ভস্মীভূত করে।*
*🌷ব্রহ্মহা পিতৃকা গোঘ্নো মাতৃহাচার্য্যহাঘবান্।*
*🌷শ্বাদঃ পুক্বশকোবাপি শুদ্ধ্যেরন্ যস্য কীর্ত্তিনাৎ।।*
*🌻ব্রহ্মঘাতী,পিতৃঘাতী,গো-ঘাতী, মাতৃঘাতী,আচার্য্যঘাতী, এবং অন্যান্য পাপকারী ব্যক্তি শ্বপচ ও পুক্কশ প্রভৃতিও হরিনাম কীর্তন দ্বারা সদ্য সদ্য পাপ হতে মুক্তি লাভ করে।*
*🌹লঘুভাগবতে=*
*🌷বর্ত্তমানন্তু যৎপাপং যদ্ভূত যদ্ ভবিষ্যতি।*
*🌷তৎসর্ব্বং নির্দ্দহত্যাশু গোবিন্দানল-কীর্ত্তনাৎ।।*
*🌻বর্তমান পাপ,অতীত পাপ ও ভবিষ্যৎ পাপ এই সবরকম পাপই শ্রীগোবিন্দের অনলরূপ নামকীর্তন দ্বারা ভস্মীভূত হয়। "গোবিন্দানল কীর্তন" পদের অর্থ গোবিন্দ নামের অনলবৎ কীর্তন। "কীর্তন"-- অনল স্বরূপ।*
*🌷সদাদ্রোহপরো যস্তু সজ্জনাণাং মহীতলে।*
*🌷জায়তে পাবনোধন্যো হরের্নামানুকীর্ত্তনাৎ।।*
*🌳যে ব্যক্তি সর্বদাই সাধুজনের প্রতি দ্রোহাচরণ (অনিষ্ট আচরণ) করে,সে মহা অপরাধী।এতাদৃশ (এরকম বা এমন) সজ্জন-দ্রোহীকে(অনিষ্টকারীকে) স্বয়ং ভগবানও ক্ষমা করেন না।ইহার পক্ষে অন্য কোনও প্রায়শ্চিত্ত নাই। ভোগ ছাড়া এ মহা-অপরাধের নাশের আর অন্য প্রায়শ্চিত্ত নাই। কিন্তু ভগবানের নামের এমনই মহিমা যে এমন মহা-অপরাধও শ্রীনামে বিনষ্ট হয়। নিরন্তর বা সবসময় নামকীর্তন দ্বারাই এমন অপরাধ হতে লোক মুক্তি লাভ করে। "অনুকীর্তন" পদের অনুশব্দের অর্থ "নিরন্তর, বা সবসময় "।কেবল যে পাপ নষ্ট হয়,তা নয়,সে ধন্য হয়,পরম শুদ্ধ হয়। অথবা "পাবন" পদের অর্থ,এই যে সে যে কেবল নিজে পবিত্র হয়,তা নয়, অন্যকেও পবিত্র করতে সমর্থ্য হয়। আবার "ধন্য" পদের অর্থ এই যে,সর্বদা হরিকীর্তন দ্বারা সে ব্যক্তি প্রেম-লক্ষণ ভগবদ্ভক্তি রূপ ধন-লাভের অধিকার যোগ্য হয়।*
*🍀যদিও অন্যত্র দেখা যায় যে, "সতাং নিন্দা নাম্নঃ পরমপরাধং বিতনুতে" ইত্যাদি, অর্থ্যাৎ সাধুগণের নিন্দা করলেই নামাপরাধ ঘটে, কিন্তু এ স্থলে শুধু নিন্দা নয়, সাধুদ্রোহ! তাও আবার "সদা" অর্থ্যাৎ সর্বদাই সাধুদ্রোহ! এ যে ভীষণতম মহাপরাপ।এই পরম মহদপরাধের অবশ্যম্ভাবী অতি বিষময় ফল মহানরক ভোগ। শাস্ত্রকার বলেন "নাম্নোপি সর্ব্বসুহৃদঃ অপরাধাৎ পতত্যধঃ"। অর্থ্যাৎ সর্ব সুহৃৎ নামের কাছে অপরাধী হলে অধঃপাত (উচ্ছন্নে যাওয়া) একেবারেই সুনিশ্চিত। তবে এ পাপ হতে নিস্তারের কোনও উপায় নাই!না থাকবে কেন? নাম-- পরম করুণাময়। নামের কাছে অপরাধী হলে অনন্তর নাম করলে নামাপরাধও বিনষ্ট হয়। পরমকারুণিক শাস্ত্র বলেন=*
*🌷নামাপরাধযুক্তানাং নামান্যেব হরন্ত্যঘম্।*
*🌻নাম-অপরাধ করলে নামগুলিই তার পাপ হরণ করেন, এবং নামাপরাধী পাপমুক্ত হয়ে ভক্তি-বিশেষকে লাভ করেন। অতএব মূল শ্লোকে ভালই বলা হয়েছে যে "জায়তে পরমোধন্যঃ"। সর্বদা নাম করলে নামাশ্রয়ী পরম ধন্য হন।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
🔜 ক্রমাগত 👉 ২. শ্রীশ্রীনাম-মাধুরী 🙇 শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ 🌷 দ্বিতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/02/name2.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇꧂
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
