✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ১. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তত্ত্ব ꧂
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
জন্মাষ্টমীতে অবশ্য অবশ্যই এই তত্ত্ব পরিবেশন করবে।
আবির্ভাবের কারণ:-
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
শ্রীভগবান গীতায় বলেছেন------------
যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত।
অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মনং সৃজাম্যহং
পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাং।
ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।।
(বেদ-পুরাণাদি প্রতিপাদিত শ্রীভগবদ্ভজনই প্রকৃত ধর্ম) (ধর্মো মদ্ভক্তিকৃৎপ্রোক্ত) ভাগবত।।
ভাবার্থ= কোনও কোনও সময়ে জগতের এমন দুভার্গ্য আসিয়া উপস্থিত হয়, যে সে সময়ে জগতের জীব বেদপুরাণাদির অপেক্ষা না রাখিয়া নিজের মনোমত আচরণকেই ধর্ম বলিয়া বুঝে ও তারই অনুষ্ঠানে তৎপর হয়। ক্রমে ক্রমে বেদ-পুরাণ আদির ব্যাখ্যাও তাদের নিজের মনোমত হয়ে উঠে।যাঁহারা পূর্বাচার্য্য-গণের মতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়া সেইমতে সাধন-ভজনাদি করেন,তাঁহারা জগতে আদর পান না,পদে পদে লাঞ্জিত,অপমানিত ও তিরস্কৃত হন। তাঁদের প্রকৃত ধর্মকে গোঁড়ামী, সঙ্কীণতা, সাম্প্রদায়িকতা প্রভৃতি আখ্যায় অনাদরের অন্ধকারে ডুবাইয়া দিয়া ধর্ম ও উদারতার ধ্বজা উড়াইয়া কতকগুলি স্বার্থপর ভোগ-পরায়ণ ব্যক্তি জগতে ধার্মিক বলিয়া পরিচিত হয়।প্রকৃত-ধর্ম তখন ভ্রান্ত- ধারণারূপে ও স্বেচ্ছাচার ধর্ম উদার মতরূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ইহারই নাম ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ্যুত্থান। গীতায় ভগবান অর্জুনকে বলেছেন-- হে অর্জুন! যখনই ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ্যুত্থান হয়, আমি সেই সময়েই আত্মপ্রকাশ করি। প্রকৃত ধর্মনিষ্ঠ সাধুগণের পরিত্রাণ এবং ধর্ম-ধ্বজী,স্বেচ্ছাচারী পাষন্ডগণকে বিনাশ করিয়া জগতে পুনরায় বেদপ্রতিপাদিত ধর্ম সংস্থাপন করিবার জন্য আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হয়ে থাকি।
*********************************
দ্বাপরের শেষে পৃথিবী একবার এই অবস্থায় উপনীত হয়েছিল।তখন পৃথিবীতে অসুরস্বভাবসম্পন্ন নরপতি-
গণ তাদের দলবল সহ কেবল পররাষ্ট্র লুন্ঠন, পরপীড়ন, ধার্মিকের অবমাননা, অধর্মের প্রশ্রয়, স্বার্থপরতা, ক্ষুদ্র স্বার্থের অনুরোধে অপরের মহাক্ষতি সাধন প্রভৃতিকেই জীবনের ব্রতরূপে অবলম্বন করিয়া অভ্যুত্থিত হয়েছিল। তাই পৃথিবী এই সমস্ত ভগবদ্ভজন-গন্ধবিহীন স্বার্থান্ধ ব্যক্তির ভারবহনে অক্ষম হইয়া সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার শরণাপন্ন হইলেন। পৃথিবী বা বসুমাতা গো-রূপ ধারণ করিয়া অশ্রুব্যাপ্ত-নয়নে উচ্চৈঃস্বরে রোদন করিতে করিতে ব্রহ্মার নিকট উপস্থিত হইলেন।বসুমাতা অতি কৃশা, যেন কতদিন আহার জোটে নাই,অতি দুর্বলা,তিনি পথে চলতেও প্রতি পদে পদে কম্পিতা হচ্ছেন।কোনরকমে ব্রহ্মলোকে গিয়া উপস্থিত হয়ে নিজের দুঃখ কাহিনী বলতে লাগলেন।বসুমাতা,ব্রহ্মা ও ব্রহ্মলোকবাসী দেবগণকে বললেন-সম্প্রতি কালনেমী প্রভৃতি দৈত্যগণ পৃথিবীতে আসিয়া প্রজাপীড়ন করতে আরম্ভ করেছে। দেবাসুর যুদ্ধের সময়ে হিরণ্যাক্ষের পুত্র কালনেমি বিষ্ণুচক্রে প্রাণত্যাগ করেছিল, কিন্তু সম্প্রতি সে-ই উগ্রসেনপুত্র কংসরূপে জন্মগ্রহণ করেছে। সঙ্গে অরিষ্ট, ধেনুক, কেশী, প্রলম্ব, নরক, সুন্দ, বলিপুত্র বাণ প্রমুখ অসংখ্য মহাবলপরাক্রান্ত দৈত্যবৃন্দ পৃথিবীতে রাজগণের বংশে জন্মগ্রহণ করেছে।(এখানে বসুমাতা বললেন এই যে, আমি সর্বংসহা, সকল দুঃখই আমি সহিতে পারি, সুমেরু,হিমালয়, গন্ধমাদন প্রভৃতি পর্বতের ভারেও আমি ভারবোধ করি না, কিন্তু হরিভজনবিহীন ব্যক্তির ভার আমার কিছুতেই সহ্য হয় না, তারা বুঝি সুমেরু ও হিমালয় অপেক্ষাও ভারবিশিষ্ট।
হে চতুরানন! আপনি তো সৃষ্টিকর্তা, আপনি এইরূপ বহির্মুখ জীব সৃষ্টি করে কেন আমাকে দুঃখ দিচ্ছেন?
আপনার চরণে ধরি,যেভাবে হোক, আমার ভারাপনোদন করিয়া আমাকে সুস্থ করুন।বসুমাতার এই কাতরোক্তি
শ্রবণ করিয়া ব্রহ্মা বললেন- বসুমাতা! আমার কোন দোষ নেই। আমি সৃষ্টি করি বটে, কিন্তু আমি তো সৃষ্টিকর্তা নহি; স্বয়ং ভগবান শ্রীগোবিন্দের সৃষ্টি শক্তি আমাতে সঞ্চারিত হওয়াই আমাকে সৃষ্টিকর্তা করে।বিশেষত আমি দেহ সৃষ্টি করি, কিন্তু জীব তো আমার সৃষ্টি নহে।জীবের কর্মানুসারে
দেহসৃষ্টি হইলে নিজ নিজ কর্মফলানুযায়ী দেহে জীবগণ জগতে আগমন করিয়া নিজ নিজ কর্মফল ভোগ করে।সুতরাং তোমার ভারহরণও আমার কর্ম নহে।পালনকর্তা বিষ্ণু তোমার ভার হরণ করিয়া তোমাকে পালন করবেন।অতএব চলো,আমরা শ্রীবিষ্ণুর নিকট গমন করি। এবারে ব্রহ্মা পালনকর্তা ক্ষীরোদশায়ী বিষ্ণুর নিকট গমন করলেন। ব্রহ্মা ক্ষীরোদ-সাগরতীরে উপস্থিত হইয়া পুরুষসূক্ত মন্ত্রে (বেদের যে কোন একটি সমগ্র স্তোত্র) শ্রীভগবানের স্তুতি করিয়া তাঁর চরণ- দ্বন্দ্বধ্যানপূর্বক সমাধিস্থ হইলে ভগবানের আদেশ বাণী শুনতে পেলেন। এই আদেশবাণী কেবল ব্রহ্মায় শুনতে পেলেন অন্য কেহ নহে। ব্রহ্মা সমাধিযোগে ক্ষীরোদশায়ীর আদেশবাণী শুনিয়া নিজ সৌভাগ্যজ্ঞানে আনন্দে পুলকিত হইয়া নানাবিধ আনন্দকোলাহলরত দেবগণকে সম্বোধন করিয়া বললেন- হে অমরগণ! ক্ষীরোদশায়ী পুরুষের আদেশবাণী শ্রবণ করিয়া বলি, তোমরা আদেশবাণী শুনিয়া অচিরাৎ তাহা পালন করিবার জন্য প্রস্তুত হও। এবার তোমাদের সৌভাগ্যের সীমা নাই, কারণ এবার তোমরা শ্রীভগবৎ- কৃপায় তাঁর লীলায় সাহায্য করবার সুযোগ পেয়েছ। ব্রহ্মার এইকথা শুনে ইন্দ্রাদি দেববৃন্দ, শ্রীশঙ্করও বসুমাতা,পরমানন্দে উল্লসিত ও ব্রহ্মার নিকটস্থ হইয়া নীরবে উৎকর্ণ হইয়া ভগবানের আদেশবাণী শুনবার অপেক্ষায় দন্ডায়মান হলেন। তখন ব্রহ্মা বললেন-ক্ষীরোদশায়ী আদেশ করলেন যে, হে দেগণ! বসুমাতার ভারহরণের জন্য তোমরা আমার শরণাপন্ন হয়েছ,কিন্তু এবার বসুমাতার জন্য আমার আর কোন চিন্তা করতে হবে না।(আমি যাঁহার আদেশে এই ব্রহ্মান্ড পালনে রত আছি, সেই আমার পরমাংশী স্বয়ং ভগবান গোলোকপতি শ্রীকৃষ্ণ, এবার বসুমাতার প্রতি কৃপাদৃষ্টিপাত করেছেন। তোমরা এখানে আসার অনেক পূর্বেই এই করুণার কাহিনী তিনি আমার নিকট ব্যক্ত করেছেন। এবার তিনিই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হইয়া লীলা করবেন ও সেই মধুর লীলার সঙ্গে সঙ্গে বসুমাতার ভারও হরণ করবেন।)
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের একটি কারণ।
সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলি চারযুগ জানি।
চারিযুগে এক দিব্যযুগ মানি।।
একাত্তর দিব্যযুগে এক মন্বন্তর।
চৌদ্দ মন্বন্তরে ব্রহ্মার এক দিবস অন্তর।।
মানবের একদিন যেমন, সকাল ছয়টা হতে সন্ধ্যে ছয়টা, তেমন ব্রহ্মার একদিন, এইরকম আরেক পরাদ্ধ হলে ব্রহ্মার পূর্ণ দিনরাত হয়।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

