✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৬৪. শ্রীকৃষ্ণের মান লীলা ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*অন্তরে কৃষ্ণ বর্হির গৌর যেই পরে মনে।
*আপনা আপনি গৌর ধরয়ে চরণে।।*
*আপনি করিয়া মান পালটী বৈঠল।*
*আপনার চরণ ধরি সাধিতে লাগিল।।*
*ভাবেতে বিভোর গোরা পূরবের ভাবে।*
*সহচর গণ কিছু কহিছেন তবে।।*
*বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে*
*মান ভাব গোরাচাঁদ করিলা প্রকাশে।।*
*🌻সর্বজগতের ভাগ্যে প্রভু গৌরচন্দ্র।*
*প্রেমভক্তি-প্রকাশের করিলা আরম্ভ।।*
*দৈবযোগে অন্তরের ইচ্ছায় মাধবেন্দ্র পুরী গোসাঞির প্রিয় শিষ্য ঈশ্বরপুরীপাদ সেখানে (গয়ায়) উপস্থিত।* *শ্রীগৌরহরি ঈশ্বরপুরীকে সাষ্টাঙ্গে দন্ডবৎ করলেন,* *পুরীপাদও করুণাময় গৌরহরিকে আলিঙ্গন করলেন।*
*দুইজনের নয়নের জলে দুইজনের বক্ষ ভেসে গেল।মহাপ্রভু বললেন,প্রভুপাদ!তোমার শ্রীচরণ দর্শনে আমার গয়া যাত্রা সফল হল।* *গৌরহরি বললেন,গোসাঞি!তুমি আমাকে সংসার সমুদ্র হতে উদ্ধার কর।* *এই দেহ আমি তোমার শ্রীচরণে সমর্পণ করলাম।তুমি আমায় অমৃতরস পান করাও।*
*"তব পদাম্বুজযুস্মমিদং প্রভো বহুল ভাগ্যভরেণ বিলোকিতম্।*
*বদ যথা হরিভক্তি গুণাদ্ভবেৎ প্রভবতো ভবতোয়ধিশোচনম্।।*
*৪|৫৮ কবি কর্ণপুর*
*যে মত হরিভক্তির গুণপ্রভাবে ভব-সমুদ্র পার হতে পারি আমাকে সেই মত উপদেশ প্রদান কর।* *গৌরহরি ঈশ্বরপুরীপাদের নিকটে মন্ত্রদীক্ষা চাইলেন,পুরী গোসাঞি তাঁকে দশাক্ষর মন্ত্র প্রদান করলেন।* *তখন গোসাঞিকে প্রদক্ষিণ করে গৌরহরি বললেন---------*
*এই দেহ আমি দিলাম তোমারে।*
*হেন শুভদৃষ্টি তুমি করহ আমারে।।* *যেন আমি ভাসি কৃষ্ণ প্রেমের সাগরে।।*
*একদিন পতিতপাবন গৌরসুন্দর নিভৃতে বসে ইষ্টমন্ত্র ধ্যান করতে করতে আকুলভাবে ক্রন্দন করতে লাগলেন।* *আর বলতে লাগলেন,*
*আর্তনাদ করি প্রভু ডাকে উচ্চৈস্বরে।*
*কোথা গেলা বাপ কৃষ্ণ ছাড়িয়া আমারে।।*
*গয়া যাবার পূর্বে মহাপ্রভুর এক ভাব ছিল,দীক্ষমন্ত্র নেবার পর আরেক মহাপ্রভুর আবির্ভাব হল।যে প্রভু ছিলেন পরম গম্ভীর,আজ তিনি কৃষ্ণপ্রেমে অস্থির।* *কাহাকেও না বলে গৌরহরি প্রমের আবেশে রাত্রিশেষে মথুরা অভিমুখে চললেন।তখন হঠাৎ দৈব-বাণী শুনলেন এখন মথুরায় যেও না,নবদ্বীপ যাও।*
*এ খণে মথুরা না যাইবা দ্বিজমণি*
*যাইবার কাল আছে,যাইবা তখনে।*
*নবদ্বীপে নিজ-গৃহে চলহ এ খণে।।*
*🌻দৈববাণী শুনে জগতজীবন চিরসুন্দর গৌরসুন্দর ফিরলেন,চন্দ্রশেখর ও অন্যান্য পার্ষদবর্গের সঙ্গে নবদ্বীপে প্রত্যাবর্তন করলেন।*
*গয়ায়া ইত্যেবং স্বগৃহম গমদ্ভূরিকরুণঃ।*
*প্রভুঃ পৌষস্যান্তে সকল তনুভৃত্তা পশনঃ।*
*অত মাঘস্যাদৌ নিরবাধ নৈজৈঃ কীর্তন রসৈঃ।*
*প্রকাশং চাবেশং ভুবি বিকিরতি স্মানুদিবসম্।।*
*🌻৪|৭৬ কবি কর্ণপুর।🌻*
*🌼সকল জীবের তাপ উপশমকারী দয়ালপ্রভু গৌরসুন্দর পৌষ মাসের শেষে গয়া হতে গৃহে আগমন করলেন।মাঘ মাসের প্রথম দিন হতে নিজ কীর্তনরস দ্বারা প্রকাশ ও আবেশ দিন দিন পৃথিবীতে বিকিরণ করতে লাগলেন।* *গয়াধাম হতে ফিরলেন,আর সেই নবদ্বীপের অধ্যাপক নিমাইপন্ডিত নেই, নেই আর সেই বিদ্যাদৃপ্ত তর্ক-কুশল নিমাই পন্ডিত।* *কেবল দেখা গেল,* *কৃষ্ণপ্রেমে গদ গদ,কৃষ্ণ বিরহে উন্মাদ এক হরিভক্তি শিরোমণি।* *আর বিদ্যা চর্চা নেই,শাস্ত্রপাঠও নেই।* *আছে কেবল রোদন আর অশ্রুবর্ষণ।*
*অদ্বৈতাচার্য্য,শ্রীবাস পন্ডিত ইঁনারা সকলেই পূর্ব হতে বৈষ্ণব মার্গের শ্রেষ্ঠ সাধক।গৌরসুন্দরের অপূর্ব মহিমা দর্শনে ইঁনারা বিস্ময়ান্বিত ও অমৃত সাগরে নিমজ্জিত হলেন।*
*প্রেমের ঠাকুর গৌরহরির "হা কৃষ্ণ"বলে বুক ফাটা আর্তনাদ শুনে সকলে অনুভব করলেন সুদুর্লভ কৃষ্ণপ্রেম মূর্ত হয়ে ধরায় নেমে এসেছেন।* *পন্ডিত শ্রীবাসের শ্রীঅঙ্গনে বৈষ্ণবচাঁদের হাট বসিল।নানা অলৌকিক ঘটনা ঘটতে লাগল।* *বর্তমানে নিমাই পন্ডিত যে আর সাধারণ নহে,ইহা সকলে হৃদয়ঙ্গম করলেন।মধুময় হরিনাম,খোল-করতালে নৃত্য কীর্তন অবিরত চলতে লাগল।*
*আবার আবেশে কখনও গৌরহরি ভক্তগণকে উপদেশ দেন কৃষ্ণভজনের।কখনও বলেন,কোথা যাব,কোথা গেলে কৃষ্ণ পাব বলে আর্তস্বরে কাঁদতে লাগলেন।*
*ভাবনিধি গৌরহরি কখনও নাচেন,হেমদন্ড বাহু তুলে।কখনও বা ধূলোয় গড়াগড়ি,আর অশ্রুনীরে ভাসেন,আর সকলকে ভাসান।*
*এই স্বর্গীয় দৃশ্যের প্রত্যক্ষসাক্ষী মুরারি গুপ্ত,বাসুদেব ঘোষ প্রাণস্পর্শী ভাষায় বর্ণনা করে রেখেছেন।* *তাঁদের পদাঙ্গ অনুসরণে কবি কর্ণপুর লিখেছেন,শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত কাব্যে।*
*ইতি ক্ষণোৎক্ষিপ্ত সমস্ত চেষ্টিতঃ প্রতিক্ষণঃ সায়তি নির্ভরং মুহুঃ।*
*পদে পদে রোদিতি রোমহর্ষণৈঃ বিমুক্তকন্ঠং করুণাপয়োনিধিঃ।।*
*৪|৭৭*
*করুণার মহাসমুদ্র গৌরসুন্দর আনন্দ আস্বাদনে সমস্ত চেষ্টা আক্ষিপ্ত,(যাতে আক্ষেপ জন্মিয়েছে)।* *প্রতিক্ষণে রোমাঞ্চের সঙ্গে মুক্তকন্ঠে গান কীর্তন করেন,আর প্রতি পদে বারংবার রোদন করতে লাগলেন।*
*🌻অতি সংক্ষেপে গৌরচন্দ্রিকার ব্যাখ্যা রইল,জয় নিতাই।🌻*
*ব্রজ লীলা কৃষ্ণের মান*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*শ্রীগোবিন্দ কেন মান করলেন?*
*গুরুজনের মর্য্যাদা রক্ষার উদাহরণ স্বরূপ উজ্বলনীলমণি গ্রন্থে বর্ণিত আছে,বৃন্দা,বিরহ ব্যাকুলা শ্রীরাধাকে অভিসারের জন্য অনুরোধ করলে,শ্রীমতী বলেছিলেন, ব্রজেশ্বরী (যশোমতি) আমাকে ডেকে পাঠিয়েছেন, গুরুজনের আজ্ঞা অবজ্ঞা করলে কারো মঙ্গল হয় না,এইকথা বলে শ্রীমতী রাইধনি নন্দমন্দিরে গমন করেছিলেন।*
*শ্রীকৃষ্ণ এই সংবাদ না জেনে মান করে বসেছিলেন।পদকর্তা এই পদে তারই ইঙ্গিত করেছেন।*
*🌻প্রথম পদ🌻*
*সখীর উক্তি শ্রীরাধার প্রতি*
*শুন সখী বুঝল বচন তোহারি।*
*নন্দ মন্দিরে গেলি সংকেত ছোড়ি।।*
*অতএ সে নাগর করহুঁ মান।*
*মোরি বচনে সখী করু অবধান।।*
*চল তুহুঁ লে চলু সংকেত ঠাম।*
*নাগর পূরব মনোরথ কাম।।*
*মান তেজব হরি ইথে নাহি বাধ।*
*তুহুঁ ধনি ছোড়হ নিজ মরিয়াদ।।*
*দাস হরেকৃষ্ণ অব রস জান।*
*অহেতু কানু করল তোহে মান।।*
*🌼শ্রীকৃষ্ণ,শ্রীমতী রাইধনিকে নিদিষ্ট জায়গায় যাবার জন্য সঙ্কেত করেছিলেন, সেই স্থানে শ্রীমতী রাইধনিকে দেখতে না পেয়ে,নিজের ধ্যানে বস্তুর প্রতি মান করেছিলেন,তা সখীগণ যখন জানলেন,রাধার প্রাণবঁধূ মান করেছেন,তখন রাধাকে সেই কথা জানালেন, এবং বললেন তুই সংকেত স্থল ছেড়ে নন্দ মন্দিরে এসেছিস, হয়ত এই বিষয়টি কৃষ্ণের জানা ছিল না বলেই মান করেছেন আমার মনে হয়।* *তো সখী চল আর বিলম্ব করিস না বঁধূর মান ভঙ্গ করতে হবে।* *মান ভঙ্গিয়ে তোর বঁধূর মনের ইচ্ছে পূরণ করবি।* *তুই আর নিজে অন্যভাবে কিছু মনে করিস না,পদকর্তা হরেকৃষ্ণ দাস* *বললেন,আমি সমস্ত বিষয়বস্তু জানি,*
*কৃষ্ণ অহেতু মান করে আছেন।*
-------------------------------------------------
*সখীর কথায় রাধা সম্মতি প্রদান করলেন,যখন কৃষ্ণ সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাবেন,ঠিক সেই সময় দেখা গেল*-------
*গগন গরজ ঘন জামিনী ঘোর।*
*রতন হুঁ ন লাগি সঞ্চর চোর।।*
*এহনা তেজি অএলাহুঁ নি এ গেহ।*
*অপন হুঁ ন দেখিঅ অপনুক দেহ*
*তিলা এক মাধব পরিহর মান।*
*তুঅ লাগি সংশয় পড়ল পরাণ।।*
*দুসহ জমুনা নদি এলি হুঁ ভাঁগি।*
*কুচযুগ তরল তরণি তঁ লাগি।।*
*দেহ অনুমতি হে জুঝও পঁচবাণ।*
*তোহে সন নগর নাগর নহি আন*
*ভণ ই বিদ্যাপতি নারী সো ভাব।*
*অপুনক অভিমত উকুতি বুঝব।।*
*রাজা রূপ নারায়ণ জান।*
*সিব সিংহ লখিমা দেই রমান।।*
*🌼যেই সময়ে রাধারাণী কৃষ্ণের কাছে যাবার জন্য ঘর হতে বেড়োলেন, সাংঘাতিক অবস্থা,আকাশে মেঘ গর্জন করছে,এত ভয়াণক রাত্রি বলে বুঝান যাবে না।* *এইরকম ভয়ানক রাতে চোর পর্যন্ত রত্ন চুরি করবার জন্য বাহির হয় না।* *এ হেন সময়ে নিজ গৃহ ছেড়ে আমি* *তোমার কাছে এলাম।(এত অন্ধকার )*
*অপুনক=আপনার বা নিজের, আপন শরীর আপনিই দেখতে পাচ্ছি না,অর্থ্যাৎ নিজের শরীর নিজেই দেখতে পাচ্ছি না এই ঘোর অন্ধকারে।* *ওগো প্রাণের মাধব!একতিলের জন্যও তুমি মান পরিহর কর।* *তোমার জন্য নিজের প্রাণ সংশয় ঘটল।দুঃসহ যমুনা নদী কুচ-যুগলকে তরণী করে অতিভাগ্যে তরিয়ে আসিলাম।* *ওগো প্রাণবঁধূ,অনুমতি দাও,পঞ্চবাণ যুদ্ধ করুক,তোমার তুল্য নাগর আর নগরে নাই।বিদ্যাপতি বলছেন,নারীর স্থভাব,আপনার মত উকুতি(উক্তি)বুঝায়(নিজ মনোমত কথা বলে)লছিমা দেবীর রমণ রায় শিব সিংহ রূপনারায়ণ রাজা তাহা জানেন।*
---------------------------------------------------
*রাধারাণী তাঁর সখীকে বলছেন*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*সজনি!মৌনী পেখলুঁ কাহে কান।*
*হেরি মঝু বদন,পালটী মুখ বঙ্কিম,*
*কাহে করল নাহি জান।।*
*বহু বিধ ভাবি,অন্ত নাহি পাওল,*
*কিয়ে ইথে আছয়ে বিশেষ।*
*যব হাম মান,করল হরি সঙ্গতি,*
*তব নাহি কৈল এতদেশ।।*
*যো হরি লাগি,সহই গুরু গঞ্জন,*
*গৃহপতি মতি ভেল আন।*
*সো পহুঁ এত মুঝে,মান করব সখী,*
*সপনেও না ছিল ভান।।*
*কহে হরেকৃষ্ণ,ভাব না বুঝয়ে,*
*হরিপদে সোঁপি নিজ দেহে।*
*ধিক ধিক জীবন,নারীক যৌবন,*
*যাকর পরবশ নহে।।*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*রাইর মুখেতে, দুখের কথনা,*
*শুনি প্রিয় সখি যান।*
*ঈষত হাসিয়া, সকলে ত্বরিতে,*
*ভাঙ্গাইতে কানু মান।।*
*বিদগধ হইয়া,কি দোষ দেখিয়া,*
*বাঁকা কৈলে নিজমুখ।*
*রাই পালটিয়া,গমন করিলা,*
*মরমে পাইয়া দুখ।।*
*দূতীর চাতুরী,বুঝিয়া কংসারি,*
*মান মন কথা কয়।*
*কহে হরেকৃষ্ণ,সখির বচনে,*
*রাইরে সদয় হয়।।*
******************************
*এখানেই রহিল কৃষ্ণের মান*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






