✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔙 পূর্ব লীলা 👉 ১৩৪. মহাপ্রভুর শ্রীবৃন্দাবন যাত্রা👏 শ্রীরামানন্দ রায় 🦚🦚 কাষ্ঠ পুত্তুলিকা 🏵️ শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/ramananda134.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🆕 ১৩৫. পুনর্ম্মিলন 👏 শ্রীরামানন্দ রায় 🦚🦚 কাষ্ঠ পুত্তুলিকা 🏵️ শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/ramananda135.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(১৩৫)শ্রীরায় রামানন্দ, বিশাখা*
*🙏🙏পুনর্ম্মিলন🙏🙏*
*************************
*🍀শ্রীমন্মহাপ্রভুর বিরহে পুরুষোত্তম ক্ষেত্রে ভক্তগণের মনোব্যথা বর্ণনাতীত। শ্রীরামরায় এই মহাবিরহে একেবারেই মৃতপ্রায় হয়েছিলেন।এই সময়ে তিনি প্রোষিত-ভর্ত্তৃকার (প্রবাসীর)মত নীরবে নির্জনে সময় কাটাচ্ছেন,কোন উৎসবাদিতে যোগ দিতেন না,লোকসমাজে বাহির হতেন না,কেউ তাঁকে দেখতে পেতেন না। যিনি গজপতি প্রতাপরুদ্রের বিদ্যানগরের শাসনকর্তা,যিনি উক্ত অঞ্চলে গভর্ণর জেনারেলের মতো সম্মানিত,সহসা সেই তেজোদৃপ্ত রাজপুরুষ এইরকম নির্বেদে (অনুতাপে) জনসাধারণ তাঁর অস্তিত্বেই সন্দিহান হয়ে উঠলেন।ফলে শ্রীরামরায় এই মহাবিরহে জীবন্মৃতবৎ (জীবিত অবস্থায় মৃতের মত) হয়ে রইলেন।*
*🌳মহাপ্রভু শ্রীধাম বৃন্দাবন হতে প্রত্যাবর্তন করে পুরুষোত্তম ক্ষেত্রে শুভাগমন করলেন।এই খবর পেয়ে নীলাচলবাসী ভক্তবৃন্দের নিষ্প্রাণ হৃদয় সহসা সঞ্জীবিত হয়ে উঠিল।মহাপ্রভু নরেন্দ্র-সরোবরের তীরে এসে বসিলেন,ভক্তগণ এইখানে তাঁর সঙ্গে সম্মিলিত হলেন, যথা শ্রীচরিতামৃতে=*
*🌷আঠার নালাতে আসি ভট্টাচার্যের ব্রাহ্মণে।*
*🌷পাঠাইয়া বোলাইলা নিজ ভক্তগণে।।*
*🌷শুনিয়া সকল ভক্ত পুনরপি জীলা।*
*🌷দেহে প্রাণ আইলে যৈছে ইন্দ্রিয়া উঠিলা।।*
*🌷আনন্দে বিহ্বল ভক্ত ধাইয়া আইলা।*
*🌷নরেন্দ্রে আসিয়া সবে প্রভুরে মিলিলা।।*
*🙏শ্রীমন্মহাপ্রভুর আগমন বার্তা শুনে নরেন্দ্রতীরে যে সকল ভক্তের সমাগম তারমধ্যে পুরী,ভারতী,স্বরূপদামোদর,গদাধর পন্ডিত,জগদানন্দ পন্ডিত,কাশীশ্বর, বক্রেশ্বর,গোবিন্দ,কাশীমিশ্র,প্রদ্যুম্ন মিশ্র,দামোদর পন্ডিত,হরিদাস ঠাকুর, শঙ্কর পন্ডিত প্রভৃতির নাম সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। কিন্তু সার্বভৌম বাসুদেব ভট্টাচার্য্য ও শ্রীল রামানন্দ রায় তখনও হয়ত এ সংবাদ শুনতে পাননি।মহাপ্রভু ভক্তগণ সহ কীর্তন করতে করতে শ্রীশ্রীজগন্নাথদেব দর্শনে যাত্রা করলেন।তখন চারিদিকে হুলস্থূল পড়ে গেল।মহাপ্রভু এসেছেন, সকলের মুখেই এই এক কথা। তখন পুরীক্ষেত্রে যত কিছু আনন্দ হত, সকলই মহাপ্রভুকে নিয়ে।মহাপ্রভু শ্রীক্ষেত্রের বাইরে গেলেই পুরুষোত্তমক্ষেত্র নিরানন্দের বিষাদে ডুবে যেতেন, আবার তাঁর শুভ প্রত্যাবর্তন হওয়ামাত্রই সমগ্র পুরীতে আনন্দের কল্লোল-কোলাহল সাগর-কল্লোলকেও পরাহত করে প্রবাহিত হ'ত।মহাপ্রভু পৌঁছিছেন, মুহূর্তমাত্রে চারিদিকে এই খবর ছড়িয়ে পড়িল।সঙ্কীর্তনের শিরোমণি শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দরকে মধ্যে নিয়ে কীর্তন সম্প্রদায় হরিনামের হুহুঙ্কার তুলে শ্রীমন্দিরের দিকে অগ্রসর হতে লাগলেন,নগরে বিশাল কোলাহল উপস্থিত হ'ল,সকলের মুখেই এক কথা --,মহাপ্রভু এসেছেন।পরে শ্রীসার্বভৌম ও শ্রীরামরায় এই সংবাদ পেয়ে তৎক্ষণাৎ মহাপ্রভুর শ্রীচরণতলে এসে উপস্থিত হলেন, যথা=*
*🌷মহাপ্রভু আইলা গ্রামে হলো কোলাহল।*
*🌷সার্বভৌম রামানন্দাদি মিলিলা সকল।।*
*🍀শ্রীমন্মহাপ্রভুর শ্রীচরণ-সন্দর্শনে শ্রীরামরায়ের মৃতদেহে যেন পুনরায় প্রাণ আসিল। শ্রীচরিতামৃতকারের দুইটিমাত্র পংক্তিতেই তাৎকালীন অবস্থা প্রকাশিত হয়েছে। তিনি লিখেছেন=*
*🌷শুনিয়া সকল ভক্ত পুনরপি জীলা।*
*🌷দেহে প্রাণ আইলে যৈছে ইন্দ্রিয় উঠিলা।।*
*🌻এতেই স্পষ্টভাবেই বুঝা যাচ্ছে, রামরায় জীবন্মৃতের ন্যায় মহাপ্রভুর আগমন প্রতীক্ষা করছিলেন।শ্রীগৌরাঙ্গ-সুধাকরের সন্দর্শনে শ্রীরামরায় পুন জীবিত হয়ে উঠিলেন।মহাপ্রভুকে কীর্তনানন্দে বিভোর দেখে রামানন্দ আনন্দে অধীর হলেন। কীর্তনের শেষে মহাপ্রভু শ্রীকাশীমিশ্রের আলয়ে(গম্ভীরা কক্ষে) শুভাগমন করলেন।আবার মহাপ্রভু ও রামরায় দিনরাত্রি সুখময় কৃষ্ণকথায় অতিবাহিত করতে লাগলেন।শ্রীপুরুষোত্তমক্ষেত্র অপার অনন্ত নীলজলধিতটে অবস্থিত।সেই জলধির বিশাল দৃশ্য এবং সেটির অনন্ত উত্তাল তরঙ্গমালা দর্শকগণের হৃদয়ে এক বিশাল ভাবের উদয় করে দেয়।মহাপ্রভু যখন এই সমুদ্রতটস্থ পুরুষোত্তম-ক্ষেত্রে লীলাবিহার প্রকটন করছিলেন,তখন অন্তর্দৃষ্টিশালী ভক্তগণ এই পুরুষোত্তমে প্রেমের উত্তাল তরঙ্গমালা সঙ্কুল যে অপর মহাসমুদ্রে মানসিকনেত্রে প্রত্যক্ষ করতেন,তা এই প্রাকৃত সমুদ্র অপেক্ষা অধিকতর বিশাল ও অধিকতর বিস্ময়কর।এই প্রেমসমুদ্রে প্রতি অনুপলে যে আনন্দ তরঙ্গ উচ্ছসিত হত,তা বর্ণনাতীত, প্রাকৃত ভাবময় জনগণের ধারণার অতীত।সেই আনন্দতরঙ্গে শ্রীপাদ স্বরূপদামোদর ও শ্রীরামরায় নিরন্তর ভেসে বেড়াতেন, এবং অনেক সময়েই অন্যান্য ভক্তগণও তা দর্শনে বিস্মিত হতেন।*
*🌹শ্রীরামরায়মহাপ্রভুর সঙ্গে সুধাময় কৃষ্ণকথায় দিনরাত্রি বিভোর।সেরকম আনন্দ ইহজগতের কোনও আনন্দের সঙ্গে তুলনা হবার নয়,সেটি অপার,অনন্ত ও অমেয় (পরিমাপ করা যায় না এমন)।এই সময়ে শ্রীপাদ রূপগোস্বামী শ্রীবৃন্দাবন হতে নীলাচলে শুভাগমন করলেন।রথযাত্রার সময়ে মহাপ্রভুর শ্রীচরণ দর্শন করাই তাঁর এইসময়ে শুভাগমনের উদ্দেশ্য।তিনি শ্রীমৎ হরিদাস ঠাকুরের পুণ্য নিকেতনে সর্বপ্রথমে উপস্থিত হলেন।মহাপ্রভু শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের উপলভোগ সন্দর্শন করে প্রত্যহ হরিদাসকে দর্শন দিয়ে যেতেন।নিয়মিত সময়ে মহাপ্রভু হরিদাসের কাছে আসিলেন,পেছনদিক দিয়ে শ্রীপাদ রূপ এসে তাঁর শ্রীচরণে দন্ডবৎ প্রণত হলেন।মহাপ্রভু রূপকে দেখতে পাননি।হরিদাস বললেন,প্রভো!ঐ যে রূপ গোস্বামী আপনার পদতলে। করুণাসাগর শ্রীগৌরহরি তৎক্ষণাৎ শ্রীরূপকে তুলে নিয়ে আলিঙ্গন করলেন এবং কুশল প্রশ্নাদি জিজ্ঞাসা করলেন। হরিদাসএর কুটীরেই শ্রীপাদ রূপ গোস্বামীর থাকবার নির্দেশ করে মহাপ্রভু সে দিনের জন্য চলে গেলেন। অতঃপর তিনি নীলাচলবাসী ভক্তদের সঙ্গে ক্রমশ শ্রীরূপের আলাপ পরিচয় করে দিতে লাগলেন।তিনি রোজ নির্দিষ্ট সময়ে হরিদাস কুটীরে শুভাগমন করতেন এবং অনেকক্ষণ পর্যন্ত শ্রীরূপের সঙ্গে আলাপ করে যেতেন।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔜 ক্রমাগত 👉 ১৩৬. পুনর্ম্মিলন 👏 শ্রীরামানন্দ রায় 🦚🦚 কাষ্ঠ পুত্তুলিকা 🏵️ শ্রীরসিকমোহন বিদ্যাভূষণ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori136.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
