শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

২. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা 🌷 শ্রীকৃষ্ণ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_92.html


    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ ২. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*🌻🌻শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলার গৌরচন্দ্র🌻🌻*।
*গোরা মোর গোকুলের শশী।*
*কৃষ্ণের জনম আজি কহে হাসি হাসি*।।
*আবেশে থির হইতে নারে*।
*ধরি গোপবেশ নাচে উল্লাস-অন্তরে*।।
*নিতাই গোপের বেশ ধরি*।
*হাতে লৈঞা লগুড় নাচয়ে ভঙ্গী করি*।।
*গৌরীদাস রামাই সুন্দর*।
*নাচে গোপবেশে কাঁধে ভার মনোহর*।।
*শ্রীবাস অদ্বৈত গোপবেশে*।
*ছড়ায় হলদি দধি মনের হরিষে*।।
*কেহ কেহ নানা বাদ‍্য বায়*।
*মুকুন্দ মাধব সে জনমলীলা গায়*।।
*করে সুমঙ্গল নারীগণ*।
*শ্রীবাস আলয় যেন নন্দের ভবন*।।
*জয়ধ্বনি করি বারে বারে*।
*ধায় লোক ধৈরজ ধরিতে নারে*।।
*কত সাধে দেখে আঁখি ভরি*।
*শোভায় ভূবন ভুলে ভণে নরহরি*।।
🌻🌻জয় জয় মহাপ্রভুর জয়🌻🌻


*🌻🌻🌻ব্রজলীলা শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব🌻🌻🌻*
*শঙ্খ দুন্দুভি বাজে নাচে দেবগণ*।
*জয় জয় হরিধ্বনি ভরিলা ভূবন*।।
*ভাদ্র কৃষ্ণাষ্টমী তিথি নক্ষত্র রোহিণী*।
*দশদিগ সুমঙ্গল শুভক্ষণ জানি*।।

*🌻বৈবস্বত মন্বন্তরীয় অষ্টাবিংশ চতুর্যুগের দ্বাপরের শেষভাগে ভাদ্রমাসের কৃষ্ণাষ্টমী তিথিতে,মধ‍্যরাতে,দিবস বুধবারে পৃথিবীর ভাগ‍্যে এই শুভ মুহূর্তের উদয় হয়েছিল।* *প্রায় আজ হতে সাড়ে পাঁচহাজার বৎসর পূর্বের কথা*। *রোহিণীনক্ষত্র যোগে কংসের কারাগারে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।* *পক্ষটিও ছিল কৃষ্ণপক্ষ।* *বুধবারে,কৃষ্ণপক্ষে,মধ‍্য্য* *রাত্রে,অষ্টমীতিথিতে,রোহিণীনক্ষত্র যোগে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অবতীর্ণ হন।* *সেইসময় দেবদুন্দুভির আনন্দময় মন্দ্রনাদ**(গভীরধ্বনি)*, *গন্ধর্ব ও কিন্নরগণের শ্রীকৃষ্ণের গুণগান, সিদ্ধ**ও চারণগণের স্তুতি পাঠ,এবং অপ্সরা* *গণের নৃত‍্যকালীন নূপুর বলয়াদির সুমধুর ধ্বনি একত্র মিলিত হয়ে স্থর্গরাজ‍্যে এক আনন্দের মহারোল* *তুলে দিল ও তাতে তেত্রিশকোটি দেবতার শয়নপ্রাসাদ মুখরিত হয়ে উঠিল।* 
*জনমিলা ব্রজপুরে ব্রজেন্দ্রনন্দন*।
*অন্তরীক্ষে করে দেবী পুষ্প বরিষণ*।।
*পঞ্চগব‍্য পঞ্চামৃতে গন্ধাদি সাজায়া*।
*অভিষেক করে দেবী জয় জয় দিয়া*।।

*🌻সকলেই নিদ্রাভঙ্গে ইতঃস্তত (এদিক ওদিক)* *চমকিত দৃষ্টি নিক্ষেপ করে মন্ত্রমুগ্ধের ন‍্যায় আনন্দিত হয়ে অবস্থান করতে* *লাগলেন এবং পরমানন্দে সকলেই নিজ নিজ বাসস্থান ত‍্যাগ করে* *নন্দনকাননে এসে পারিজাত কুসুম*
*চয়ন করে পৃথিবীতে বর্ষণ করতে লাগলেন।* 
*🌻জনমিলা ব্রজপুরে ব্রজেন্দ্রনন্দন🌻*।
 *প্রাতকালে ব্রজবাসীগণ জানলেন যে এই সন্তান যশোদার গর্ভজাত।* *প্রকৃত* *সত‍্য একমাত্র জানেন বসুদেব* *যাইহোক,তারপর পঞ্চগব‍্য,অর্থ‍্যাৎ* *দধি,দুগ্ধ,ঘৃত,গোমূত্র ও গোময় এবং পঞ্চামৃত অর্থ‍্যাৎ দধি,দুগ্ধ,ঘৃত,মধু ও চিনি এবং গন্ধাদি অর্থ‍্যাৎ সুবাসিত তেল,চন্দন,অগুরু ইত‍্যাদি সাজিয়ে জাতকর্ম করলেন।* *আজ কৃষ্ণের রূপ দর্শন করে ব্রজবাসীগণ উলুধ্বনি* *দিয়ে কৃষ্ণের মঙ্গল কামনা করলেন।* 


*অপ্সরা নাচয়ে গান করয়ে গন্ধর্ব*।
*মঙ্গল জয়কার দেয় দেবপত্নী সর্ব*।।
*কত কত কোটি চাঁদ জিনিয়া উদয়*।
*এ দ্বিজ মাধব কহে আনন্দ হৃদয়*।।
*অপরূপ রূপ নিয়ে শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভাব*
*হলেন,স্বর্গ হতে দেবদেবীগণ মঙ্গল জয়কার করতে লাগলেন।* 
      

 🌻দ্বিতীয় পদ পরে🌻
*🌻🌻দ্বিতীয় পদ কৃষ্ণের আবির্ভাব🌻🌻*
*নিদ্রায় অচেতন রাণী কিছু নাহি জানে*
*চেতন পাইয়া পুত্র দেখিল নয়নে*।।

*🌻মা যশোমতী গভীর নিশিতে নিদ্রায় অচেতন হয়ে আছেন,* *ইতিমধ‍্যে কংস কারাগারে চতুর্ভূজ হৈয়া স্বয়ং ভগবান আবির্ভাব হলেন।* *এবং বসুদেব প্রতি কংসের ভয়ে ভগবান নিজেই বললেন,আমায় নন্দালয়ে রেখে এসো।* *তোমাদেরও কোন চিন্তা থাকবে না,আমি সময়মত তোমাদের কাছে যাব।* *অতি চুপিসারে ভগবানের মায়ায় সব স্তব্ধ*  *হয়ে গেল।* *বসুদেব ভগবানের নির্দেশে নন্দালয়ে রাখতে গেলেন,* *এবং মা যশোদার সূতিকা মন্দিরে রেখে এলেন, যশোমতী কিছুই জানতে পারলেন না।* *কারণ ভগবানের আদেশে যশোদার গর্ভে স্বয়ং যোগমায়া প্রবেশ করেছিলেন।* *কৃষ্ণকে যশোদার পাশে রেখে যোগমায়াকে এনে কংস কারাগারে রাখলেন।* *ভোর*
*বেলা চেতন পেয়ে যশোমতী পুত্রমুখ দর্শন করলেন এবং পুত্রমুখ দর্শন করে মহানন্দ লাভ করলেন।*

*ব্রজরাজ বলি রাণী ডাকে ধীরে ধীরে*
*শুনিয়া আইল নন্দ সূতিকা মন্দিরে*
*হরল গেয়ান দেখি আপন তনয়*
*লাখ পূর্ণিমার চাঁদ জিনিয়া উদয়*।।
*🌻মা যশোমতী পুত্রমুখ দর্শন করে মহানন্দ পেলেন বটে, সঙ্গে সঙ্গে নন্দমহারাজকে আহ্বনও করলেন,* *মহারাজ সূতিকা মন্দিরে এলেন,হঠাৎ পুত্রের অঙ্গ হতে চরম জ‍্যোতি দেখে যশোদা মা অচেন হলেন।* *(পুত্রের অঙ্গ হতে যেন কোটি চন্দ্রের জ‍্যোতি নির্গত হয়েছিল)* *তারপর ধীরে ধীরে চেতন ফিরে পেলেন।*

*উপানন্দ অভিনন্দ সানন্দ নন্দন*।
*একে একে আসি সবে ভরিল ভবন*।।
*যে যায় দেখিতে পুনঃ আসিতে না পারে*।
*জগন্নাথ দাস দেখি ধৈরজ না ধরে*।।

*🌻এবারে ধীরে ধীরে অন‍্যান‍্য চারভাই ভবনে এলেন।* *কারণ তাঁরা সকলেই নন্দভবনের আশেপাশে*
*বসবাস করেন,পুত্রসন্তান হয়েছে জেনে সকলেই যশোদাপুত্রকে দর্শন করবার জন্য এলেন।* *নন্দমহারাজের চারভাই নন্দপুত্রের মুখ দর্শন করে আনন্দে আত্নহারা হলেন।* *ব্রজের যারা নন্দপুত্রকে দর্শন করতে এসেছিলেন* *তারাও আনন্দ সিন্ধুতে ডুবে গেলেন।* *গীতকর্তা জগন্নাথ দাস শ্রীকৃষ্ণ বদন দর্শন করে আর নিজে* *ধৈর্য‍্য ধারণ করতে পারছেন না।*

*🌻🌻🌻🌻তৃতীয় পদ 🌻🌻🌻🌻*
*যোগমায়া ভগবতী দেবী পৌণমাসী*
*দেখিলা যশোদা পুত্র নন্দগৃহে আসি*।।
*সভে সাবধান করি যশোদারে কহে*।
*বহু পূণ‍্যফলে এহেন বালক মিলে তোহে*।।
*বহু আশীর্বাদ কৈল হরষিত হৈয়া*
*রূপ নিরখয়ে এক দিঠে চাহিয়া*।।
*যশোদা নন্দন দেখি,আনন্দে পূর্ণিত আঁখি*
        *কৌতুকে নাচে গোপরাণী।*
*তৈল হরিদ্রা পায়,সবে সবার অঙ্গে দেই*
       *হুলাহুলি দিয়া জয়ধ্বনি*।।
*কেহ নাচে কেহ গায়,*
*কেহ নানা বাদ‍্য বাজায়*
*নন্দের আনন্দের নাহি সীমা*।
*উৎসব করয়ে রোলে*
*ঘন ঘন হরি বোলে*
*কি কহিব যশোদার মহিমা।।*

*🌻🌻নন্দমহারাজের গৃহে মহোৎসব শুরু হয়েছে🌻🌻*
*স্বর্গে দুন্দুভি বাজে নাচে দেবগণ*।
*হরি হরি হরিধ্বনি ভরিল ভূবন*।।
*ব্রহ্মা নাচে শিব নাচে আর নাচে ইন্দ্র*।
*গোকুলে গোয়ালা নাচে পাইয়া গোবিন্দ*।।
*নন্দের মন্দিরে রে গোয়ালা আইল ধাঞা*
*হাতে লড়ি কান্ধে ভাড় নাচে থৈয়া থৈয়া।।*
*দধি দুগ্ধ ঘৃত ঘোল অঙ্গনে ঢালিয়া*।
*নাচেরে নাচেরে নন্দ গোবিন্দ পাইয়া*।।
*আনন্দ হইল বড় আনন্দ হইল*।
*এ দাস শিবাইর মন ভুলিয়া রহিল*।।
*🌻🌻🌻 পঞ্চম পদ 🌻🌻🌻*
      *জয় জয় ব্রজ ভরিয়া*
*উপনন্দ অভিনন্দ, সানন্দ নন্দন*
        *পাঁচ ভাই নাচে বহু তুলিয়া*।
*যশোধর যশোদেব,সুদেব আদি গোপসব*
      *আনন্দে নাচয়ে সবে মাতিয়া*
*নাচের নাচেরে নন্দ,সঙ্গে নাচে গোপবৃন্দ*
      *হাতে লড়ি কান্ধে ভাড় করিয়া*
*খেনে নাচে খেনে গায়,সূতিকা মন্দিরে যাই*
        *গীরয়ে বালক মুখ হেরিয়া*
*দধি দুগ্ধ ভারে ভারে,ঢালয়ে আঙ্গিনাপরে*
       *কেহ শিরে ঢালে দধি তুলিয়া*
*লগুড় করিয়া করে,নাচয়ে ধীরে ধীরে*
        *নন্দের জননী বরীয়সী বুড়িয়া*
*যত ব্রজ গোপনারী,জয়কার ধ্বনি করি*
       *আশীষ করয়ে শিশু বেড়িয়া*
*নর্তক বাদক যত,ধাওত শত শত*
         *ধেনু ধায় উচ্চ পুচ্ছ করিয়া*
*ভোর হৈল গোপসব,অপরূপ নন্দোৎসব*
      *এদাস শিবায় নাচ ফিরিয়া*।।

*🌻🌻🌻বিরাম পদ🌻🌻🌻*
*সূতিকা মন্দিরে যাইয়া আনন্দে বলাই*
*দু'নয়নে ধারা বহে ভাইপানে চাই*
*যশোমতী ধরিয়া দক্ষিণ কোলে নিল*
*বসিয়া রাণীর কোলে দোলিতে লাগিল*
*ভায়ের চাঁদমুখ পানে একদিঠে চাই*
*আধ আধ বোলে কিছু না বুঝিল মায়*
*আনন্দে অচেতন পেল সব ব্রজবাসী*
*বিজুরী উজোর ভেল দুঁহু মুখের হাসি*
*ক্ষণে অচেতন ভেল যশোমতী মাই*
*পুন ডাকে যশোমতী আইস হেথাই*
*এ বৈষ্ণব দাস কহে মনের হরিষে*
*জনম নিত‍্যলীলা প্রভু করিলা প্রকাশে*।।
*🌻🌻কৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা এখানেই রহিল🌻🌻*
*ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






২. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_92.html


    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ ২. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*🌻🌻শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলার গৌরচন্দ্র🌻🌻*।
*গোরা মোর গোকুলের শশী।*
*কৃষ্ণের জনম আজি কহে হাসি হাসি*।।
*আবেশে থির হইতে নারে*।
*ধরি গোপবেশ নাচে উল্লাস-অন্তরে*।।
*নিতাই গোপের বেশ ধরি*।
*হাতে লৈঞা লগুড় নাচয়ে ভঙ্গী করি*।।
*গৌরীদাস রামাই সুন্দর*।
*নাচে গোপবেশে কাঁধে ভার মনোহর*।।
*শ্রীবাস অদ্বৈত গোপবেশে*।
*ছড়ায় হলদি দধি মনের হরিষে*।।
*কেহ কেহ নানা বাদ‍্য বায়*।
*মুকুন্দ মাধব সে জনমলীলা গায়*।।
*করে সুমঙ্গল নারীগণ*।
*শ্রীবাস আলয় যেন নন্দের ভবন*।।
*জয়ধ্বনি করি বারে বারে*।
*ধায় লোক ধৈরজ ধরিতে নারে*।।
*কত সাধে দেখে আঁখি ভরি*।
*শোভায় ভূবন ভুলে ভণে নরহরি*।।
🌻🌻জয় জয় মহাপ্রভুর জয়🌻🌻

*🌻🌻🌻ব্রজলীলা শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব🌻🌻🌻*
*শঙ্খ দুন্দুভি বাজে নাচে দেবগণ*।
*জয় জয় হরিধ্বনি ভরিলা ভূবন*।।
*ভাদ্র কৃষ্ণাষ্টমী তিথি নক্ষত্র রোহিণী*।
*দশদিগ সুমঙ্গল শুভক্ষণ জানি*।।
*🌻বৈবস্বত মন্বন্তরীয় অষ্টাবিংশ চতুর্যুগের দ্বাপরের শেষভাগে ভাদ্রমাসের কৃষ্ণাষ্টমী তিথিতে,মধ‍্যরাতে,দিবস বুধবারে পৃথিবীর ভাগ‍্যে এই শুভ মুহূর্তের উদয় হয়েছিল।* *প্রায় আজ হতে সাড়ে পাঁচহাজার বৎসর পূর্বের কথা*। *রোহিণীনক্ষত্র যোগে কংসের কারাগারে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।* *পক্ষটিও ছিল কৃষ্ণপক্ষ।* *বুধবারে,কৃষ্ণপক্ষে,মধ‍্য্য* *রাত্রে,অষ্টমীতিথিতে,রোহিণীনক্ষত্র যোগে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অবতীর্ণ হন।* *সেইসময় দেবদুন্দুভির আনন্দময় মন্দ্রনাদ**(গভীরধ্বনি)*, *গন্ধর্ব ও কিন্নরগণের শ্রীকৃষ্ণের গুণগান, সিদ্ধ**ও চারণগণের স্তুতি পাঠ,এবং অপ্সরা* *গণের নৃত‍্যকালীন নূপুর বলয়াদির সুমধুর ধ্বনি একত্র মিলিত হয়ে স্থর্গরাজ‍্যে এক আনন্দের মহারোল* *তুলে দিল ও তাতে তেত্রিশকোটি দেবতার শয়নপ্রাসাদ মুখরিত হয়ে উঠিল।* 
*জনমিলা ব্রজপুরে ব্রজেন্দ্রনন্দন*।
*অন্তরীক্ষে করে দেবী পুষ্প বরিষণ*।।
*পঞ্চগব‍্য পঞ্চামৃতে গন্ধাদি সাজায়া*।
*অভিষেক করে দেবী জয় জয় দিয়া*।।
*🌻সকলেই নিদ্রাভঙ্গে ইতঃস্তত (এদিক ওদিক)* *চমকিত দৃষ্টি নিক্ষেপ করে মন্ত্রমুগ্ধের ন‍্যায় আনন্দিত হয়ে অবস্থান করতে* *লাগলেন এবং পরমানন্দে সকলেই নিজ নিজ বাসস্থান ত‍্যাগ করে* *নন্দনকাননে এসে পারিজাত কুসুম*
*চয়ন করে পৃথিবীতে বর্ষণ করতে লাগলেন।* 
*🌻জনমিলা ব্রজপুরে ব্রজেন্দ্রনন্দন🌻*।
 *প্রাতকালে ব্রজবাসীগণ জানলেন যে এই সন্তান যশোদার গর্ভজাত।* *প্রকৃত* *সত‍্য একমাত্র জানেন বসুদেব* *যাইহোক,তারপর পঞ্চগব‍্য,অর্থ‍্যাৎ* *দধি,দুগ্ধ,ঘৃত,গোমূত্র ও গোময় এবং পঞ্চামৃত অর্থ‍্যাৎ দধি,দুগ্ধ,ঘৃত,মধু ও চিনি এবং গন্ধাদি অর্থ‍্যাৎ সুবাসিত তেল,চন্দন,অগুরু ইত‍্যাদি সাজিয়ে জাতকর্ম করলেন।* *আজ কৃষ্ণের রূপ দর্শন করে ব্রজবাসীগণ উলুধ্বনি* *দিয়ে কৃষ্ণের মঙ্গল কামনা করলেন।* 

*অপ্সরা নাচয়ে গান করয়ে গন্ধর্ব*।
*মঙ্গল জয়কার দেয় দেবপত্নী সর্ব*।।
*কত কত কোটি চাঁদ জিনিয়া উদয়*।
*এ দ্বিজ মাধব কহে আনন্দ হৃদয়*।।
*অপরূপ রূপ নিয়ে শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভাব*
*হলেন,স্বর্গ হতে দেবদেবীগণ মঙ্গল জয়কার করতে লাগলেন।* 
      

 🌻দ্বিতীয় পদ পরে🌻
*🌻🌻দ্বিতীয় পদ কৃষ্ণের আবির্ভাব🌻🌻*
*নিদ্রায় অচেতন রাণী কিছু নাহি জানে*
*চেতন পাইয়া পুত্র দেখিল নয়নে*।।

*🌻মা যশোমতী গভীর নিশিতে নিদ্রায় অচেতন হয়ে আছেন,* *ইতিমধ‍্যে কংস কারাগারে চতুর্ভূজ হৈয়া স্বয়ং ভগবান আবির্ভাব হলেন।* *এবং বসুদেব প্রতি কংসের ভয়ে ভগবান নিজেই বললেন,আমায় নন্দালয়ে রেখে এসো।* *তোমাদেরও কোন চিন্তা থাকবে না,আমি সময়মত তোমাদের কাছে যাব।* *অতি চুপিসারে ভগবানের মায়ায় সব স্তব্ধ*  *হয়ে গেল।* *বসুদেব ভগবানের নির্দেশে নন্দালয়ে রাখতে গেলেন,* *এবং মা যশোদার সূতিকা মন্দিরে রেখে এলেন, যশোমতী কিছুই জানতে পারলেন না।* *কারণ ভগবানের আদেশে যশোদার গর্ভে স্বয়ং যোগমায়া প্রবেশ করেছিলেন।* *কৃষ্ণকে যশোদার পাশে রেখে যোগমায়াকে এনে কংস কারাগারে রাখলেন।* *ভোর*
*বেলা চেতন পেয়ে যশোমতী পুত্রমুখ দর্শন করলেন এবং পুত্রমুখ দর্শন করে মহানন্দ লাভ করলেন।*

*ব্রজরাজ বলি রাণী ডাকে ধীরে ধীরে*
*শুনিয়া আইল নন্দ সূতিকা মন্দিরে*
*হরল গেয়ান দেখি আপন তনয়*
*লাখ পূর্ণিমার চাঁদ জিনিয়া উদয়*।।
*🌻মা যশোমতী পুত্রমুখ দর্শন করে মহানন্দ পেলেন বটে, সঙ্গে সঙ্গে নন্দমহারাজকে আহ্বনও করলেন,* *মহারাজ সূতিকা মন্দিরে এলেন,হঠাৎ পুত্রের অঙ্গ হতে চরম জ‍্যোতি দেখে যশোদা মা অচেন হলেন।* *(পুত্রের অঙ্গ হতে যেন কোটি চন্দ্রের জ‍্যোতি নির্গত হয়েছিল)* *তারপর ধীরে ধীরে চেতন ফিরে পেলেন।*

*উপানন্দ অভিনন্দ সানন্দ নন্দন*।
*একে একে আসি সবে ভরিল ভবন*।।
*যে যায় দেখিতে পুনঃ আসিতে না পারে*।
*জগন্নাথ দাস দেখি ধৈরজ না ধরে*।।

*🌻এবারে ধীরে ধীরে অন‍্যান‍্য চারভাই ভবনে এলেন।* *কারণ তাঁরা সকলেই নন্দভবনের আশেপাশে*
*বসবাস করেন,পুত্রসন্তান হয়েছে জেনে সকলেই যশোদাপুত্রকে দর্শন করবার জন্য এলেন।* *নন্দমহারাজের চারভাই নন্দপুত্রের মুখ দর্শন করে আনন্দে আত্নহারা হলেন।* *ব্রজের যারা নন্দপুত্রকে দর্শন করতে এসেছিলেন* *তারাও আনন্দ সিন্ধুতে ডুবে গেলেন।* *গীতকর্তা জগন্নাথ দাস শ্রীকৃষ্ণ বদন দর্শন করে আর নিজে* *ধৈর্য‍্য ধারণ করতে পারছেন না।*

*🌻🌻🌻🌻তৃতীয় পদ 🌻🌻🌻🌻*
*যোগমায়া ভগবতী দেবী পৌণমাসী*
*দেখিলা যশোদা পুত্র নন্দগৃহে আসি*।।
*সভে সাবধান করি যশোদারে কহে*।
*বহু পূণ‍্যফলে এহেন বালক মিলে তোহে*।।
*বহু আশীর্বাদ কৈল হরষিত হৈয়া*
*রূপ নিরখয়ে এক দিঠে চাহিয়া*।।
*যশোদা নন্দন দেখি,আনন্দে পূর্ণিত আঁখি*
        *কৌতুকে নাচে গোপরাণী।*
*তৈল হরিদ্রা পায়,সবে সবার অঙ্গে দেই*
       *হুলাহুলি দিয়া জয়ধ্বনি*।।
*কেহ নাচে কেহ গায়,*
*কেহ নানা বাদ‍্য বাজায়*
*নন্দের আনন্দের নাহি সীমা*।
*উৎসব করয়ে রোলে*
*ঘন ঘন হরি বোলে*
*কি কহিব যশোদার মহিমা।।*

*🌻🌻নন্দমহারাজের গৃহে মহোৎসব শুরু হয়েছে🌻🌻*
*স্বর্গে দুন্দুভি বাজে নাচে দেবগণ*।
*হরি হরি হরিধ্বনি ভরিল ভূবন*।।
*ব্রহ্মা নাচে শিব নাচে আর নাচে ইন্দ্র*।
*গোকুলে গোয়ালা নাচে পাইয়া গোবিন্দ*।।
*নন্দের মন্দিরে রে গোয়ালা আইল ধাঞা*
*হাতে লড়ি কান্ধে ভাড় নাচে থৈয়া থৈয়া।।*
*দধি দুগ্ধ ঘৃত ঘোল অঙ্গনে ঢালিয়া*।
*নাচেরে নাচেরে নন্দ গোবিন্দ পাইয়া*।।
*আনন্দ হইল বড় আনন্দ হইল*।
*এ দাস শিবাইর মন ভুলিয়া রহিল*।।
*🌻🌻🌻 পঞ্চম পদ 🌻🌻🌻*
      *জয় জয় ব্রজ ভরিয়া*
*উপনন্দ অভিনন্দ, সানন্দ নন্দন*
        *পাঁচ ভাই নাচে বহু তুলিয়া*।
*যশোধর যশোদেব,সুদেব আদি গোপসব*
      *আনন্দে নাচয়ে সবে মাতিয়া*
*নাচের নাচেরে নন্দ,সঙ্গে নাচে গোপবৃন্দ*
      *হাতে লড়ি কান্ধে ভাড় করিয়া*
*খেনে নাচে খেনে গায়,সূতিকা মন্দিরে যাই*
        *গীরয়ে বালক মুখ হেরিয়া*
*দধি দুগ্ধ ভারে ভারে,ঢালয়ে আঙ্গিনাপরে*
       *কেহ শিরে ঢালে দধি তুলিয়া*
*লগুড় করিয়া করে,নাচয়ে ধীরে ধীরে*
        *নন্দের জননী বরীয়সী বুড়িয়া*
*যত ব্রজ গোপনারী,জয়কার ধ্বনি করি*
       *আশীষ করয়ে শিশু বেড়িয়া*
*নর্তক বাদক যত,ধাওত শত শত*
         *ধেনু ধায় উচ্চ পুচ্ছ করিয়া*
*ভোর হৈল গোপসব,অপরূপ নন্দোৎসব*
      *এদাস শিবায় নাচ ফিরিয়া*।।

*🌻🌻🌻বিরাম পদ🌻🌻🌻*
*সূতিকা মন্দিরে যাইয়া আনন্দে বলাই*
*দু'নয়নে ধারা বহে ভাইপানে চাই*
*যশোমতী ধরিয়া দক্ষিণ কোলে নিল*
*বসিয়া রাণীর কোলে দোলিতে লাগিল*
*ভায়ের চাঁদমুখ পানে একদিঠে চাই*
*আধ আধ বোলে কিছু না বুঝিল মায়*
*আনন্দে অচেতন পেল সব ব্রজবাসী*
*বিজুরী উজোর ভেল দুঁহু মুখের হাসি*
*ক্ষণে অচেতন ভেল যশোমতী মাই*
*পুন ডাকে যশোমতী আইস হেথাই*
*এ বৈষ্ণব দাস কহে মনের হরিষে*
*জনম নিত‍্যলীলা প্রভু করিলা প্রকাশে*।।
*🌻🌻কৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা এখানেই রহিল🌻🌻*
*ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






১. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তত্ত্ব ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_74.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ১. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তত্ত্ব 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
জন্মাষ্টমীতে অবশ‍্য অবশ‍্যই এই তত্ত্ব পরিবেশন করবে।

আবির্ভাবের কারণ:-
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
শ্রীভগবান গীতায় বলেছেন------------
যদা যদা হি ধর্মস‍্য গ্লানির্ভবতি ভারত।
অভ‍্যুত্থানমধর্মস‍্য তদাত্মনং সৃজাম‍্যহং
পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাং।
ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।।
(বেদ-পুরাণাদি প্রতিপাদিত শ্রীভগবদ্ভজনই প্রকৃত ধর্ম) (ধর্মো মদ্ভক্তিকৃৎপ্রোক্ত) ভাগবত।।
ভাবার্থ= কোনও কোনও সময়ে জগতের এমন দুভার্গ‍্য আসিয়া উপস্থিত হয়, যে সে সময়ে জগতের জীব বেদপুরাণাদির অপেক্ষা না রাখিয়া নিজের মনোমত আচরণকেই ধর্ম বলিয়া বুঝে ও তারই অনুষ্ঠানে তৎপর হয়। ক্রমে ক্রমে বেদ-পুরাণ আদির ব‍্যাখ‍্যাও তাদের নিজের মনোমত হয়ে উঠে।যাঁহারা পূর্বাচার্য‍্য-গণের মতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়া সেইমতে সাধন-ভজনাদি করেন,তাঁহারা জগতে আদর পান না,পদে পদে লাঞ্জিত,অপমানিত ও তিরস্কৃত হন। তাঁদের প্রকৃত ধর্মকে গোঁড়ামী, সঙ্কীণতা, সাম্প্রদায়িকতা প্রভৃতি আখ‍্যায় অনাদরের অন্ধকারে ডুবাইয়া দিয়া ধর্ম ও উদারতার ধ্বজা উড়াইয়া কতকগুলি স্বার্থপর ভোগ-পরায়ণ ব‍্যক্তি জগতে ধার্মিক বলিয়া পরিচিত হয়।প্রকৃত-ধর্ম তখন ভ্রান্ত- ধারণারূপে ও স্বেচ্ছাচার ধর্ম উদার মতরূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ইহারই নাম ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ‍্যুত্থান। গীতায় ভগবান অর্জুনকে বলেছেন-- হে অর্জুন! যখনই ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ‍্যুত্থান হয়, আমি সেই সময়েই আত্মপ্রকাশ করি। প্রকৃত ধর্মনিষ্ঠ সাধুগণের পরিত্রাণ এবং ধর্ম-ধ্বজী,স্বেচ্ছাচারী পাষন্ডগণকে বিনাশ করিয়া জগতে পুনরায় বেদপ্রতিপাদিত ধর্ম সংস্থাপন করিবার জন্য আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হয়ে থাকি।
*********************************
দ্বাপরের শেষে পৃথিবী একবার এই অবস্থায় উপনীত হয়েছিল।তখন পৃথিবীতে অসুরস্বভাবসম্পন্ন নরপতি-
গণ তাদের দলবল সহ কেবল পররাষ্ট্র লুন্ঠন, পরপীড়ন, ধার্মিকের অবমাননা, অধর্মের প্রশ্রয়, স্বার্থপরতা, ক্ষুদ্র স্বার্থের অনুরোধে অপরের মহাক্ষতি সাধন প্রভৃতিকেই জীবনের ব্রতরূপে অবলম্বন করিয়া অভ‍্যুত্থিত হয়েছিল। তাই পৃথিবী এই সমস্ত ভগবদ্ভজন-গন্ধবিহীন স্বার্থান্ধ ব‍্যক্তির ভারবহনে অক্ষম হইয়া সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার শরণাপন্ন হইলেন। পৃথিবী বা বসুমাতা গো-রূপ ধারণ করিয়া অশ্রুব‍্যাপ্ত-নয়নে উচ্চৈঃস্বরে রোদন করিতে করিতে ব্রহ্মার নিকট উপস্থিত হইলেন।বসুমাতা অতি কৃশা, যেন কতদিন আহার জোটে নাই,অতি দুর্বলা,তিনি পথে চলতেও প্রতি পদে পদে কম্পিতা হচ্ছেন।কোনরকমে ব্রহ্মলোকে গিয়া উপস্থিত হয়ে নিজের দুঃখ কাহিনী বলতে লাগলেন।বসুমাতা,ব্রহ্মা ও ব্রহ্মলোকবাসী দেবগণকে বললেন-সম্প্রতি কালনেমী প্রভৃতি দৈত‍্যগণ পৃথিবীতে আসিয়া প্রজাপীড়ন করতে আরম্ভ করেছে। দেবাসুর যুদ্ধের সময়ে হিরণ‍্যাক্ষের পুত্র কালনেমি বিষ্ণুচক্রে প্রাণত‍্যাগ করেছিল, কিন্তু সম্প্রতি সে-ই উগ্রসেনপুত্র কংসরূপে জন্মগ্রহণ করেছে। সঙ্গে অরিষ্ট, ধেনুক, কেশী, প্রলম্ব, নরক, সুন্দ, বলিপুত্র বাণ প্রমুখ অসংখ‍্য মহাবলপরাক্রান্ত দৈত‍্যবৃন্দ পৃথিবীতে রাজগণের বংশে জন্মগ্রহণ করেছে।(এখানে বসুমাতা বললেন এই যে, আমি সর্বংসহা, সকল দুঃখই আমি সহিতে পারি, সুমেরু,হিমালয়, গন্ধমাদন প্রভৃতি পর্বতের ভারেও আমি ভারবোধ করি না, কিন্তু হরিভজনবিহীন ব‍্যক্তির ভার আমার কিছুতেই সহ‍্য হয় না, তারা বুঝি সুমেরু ও হিমালয় অপেক্ষাও ভারবিশিষ্ট।
হে চতুরানন! আপনি তো সৃষ্টিকর্তা, আপনি এইরূপ বহির্মুখ জীব সৃষ্টি করে কেন আমাকে দুঃখ দিচ্ছেন?
আপনার চরণে ধরি,যেভাবে হোক, আমার ভারাপনোদন করিয়া আমাকে সুস্থ করুন।বসুমাতার এই কাতরোক্তি 
শ্রবণ করিয়া ব্রহ্মা বললেন- বসুমাতা! আমার কোন দোষ নেই। আমি সৃষ্টি করি বটে, কিন্তু আমি তো সৃষ্টিকর্তা নহি; স্বয়ং ভগবান শ্রীগোবিন্দের সৃষ্টি শক্তি আমাতে সঞ্চারিত হওয়াই আমাকে সৃষ্টিকর্তা করে।বিশেষত আমি  দেহ সৃষ্টি করি, কিন্তু জীব তো আমার সৃষ্টি নহে।জীবের কর্মানুসারে
দেহসৃষ্টি হইলে নিজ নিজ কর্মফলানুযায়ী দেহে জীবগণ জগতে আগমন করিয়া নিজ নিজ কর্মফল ভোগ করে।সুতরাং তোমার ভারহরণও আমার কর্ম নহে।পালনকর্তা বিষ্ণু তোমার ভার হরণ করিয়া তোমাকে পালন করবেন।অতএব চলো,আমরা শ্রীবিষ্ণুর নিকট গমন করি। এবারে ব্রহ্মা পালনকর্তা ক্ষীরোদশায়ী বিষ্ণুর নিকট গমন করলেন। ব্রহ্মা ক্ষীরোদ-সাগরতীরে উপস্থিত হইয়া পুরুষসূক্ত মন্ত্রে (বেদের যে কোন একটি সমগ্র স্তোত্র) শ্রীভগবানের স্তুতি করিয়া তাঁর চরণ- দ্বন্দ্বধ‍্যানপূর্বক সমাধিস্থ হইলে ভগবানের আদেশ বাণী শুনতে পেলেন। এই আদেশবাণী কেবল ব্রহ্মায় শুনতে পেলেন অন‍্য কেহ নহে। ব্রহ্মা সমাধিযোগে ক্ষীরোদশায়ীর আদেশবাণী শুনিয়া নিজ সৌভাগ্যজ্ঞানে আনন্দে পুলকিত হইয়া নানাবিধ আনন্দকোলাহলরত দেবগণকে সম্বোধন করিয়া বললেন- হে অমরগণ! ক্ষীরোদশায়ী পুরুষের আদেশবাণী শ্রবণ করিয়া বলি, তোমরা আদেশবাণী শুনিয়া অচিরাৎ তাহা পালন করিবার জন্য প্রস্তুত হও। এবার তোমাদের সৌভাগ্যের সীমা নাই, কারণ এবার তোমরা শ্রীভগবৎ- কৃপায় তাঁর লীলায় সাহায‍্য করবার সুযোগ পেয়েছ। ব্রহ্মার এইকথা শুনে ইন্দ্রাদি দেববৃন্দ, শ্রীশঙ্করও বসুমাতা,পরমানন্দে উল্লসিত ও ব্রহ্মার নিকটস্থ হইয়া নীরবে উৎকর্ণ হইয়া ভগবানের আদেশবাণী শুনবার অপেক্ষায় দন্ডায়মান হলেন। তখন ব্রহ্মা বললেন-ক্ষীরোদশায়ী আদেশ করলেন যে, হে দেগণ! বসুমাতার ভারহরণের জন্য তোমরা আমার শরণাপন্ন হয়েছ,কিন্তু এবার বসুমাতার জন্য আমার আর কোন চিন্তা করতে হবে না।(আমি যাঁহার আদেশে এই ব্রহ্মান্ড পালনে রত আছি, সেই আমার পরমাংশী স্বয়ং ভগবান গোলোকপতি শ্রীকৃষ্ণ, এবার বসুমাতার প্রতি কৃপাদৃষ্টিপাত করেছেন। তোমরা এখানে আসার অনেক পূর্বেই এই করুণার কাহিনী তিনি আমার নিকট ব‍্যক্ত করেছেন। এবার তিনিই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হইয়া লীলা করবেন ও সেই মধুর লীলার সঙ্গে সঙ্গে বসুমাতার ভারও হরণ করবেন।) 
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^

শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের একটি কারণ।

সত‍্য ত্রেতা দ্বাপর কলি চারযুগ জানি।
চারিযুগে এক দিব‍্যযুগ মানি।।
একাত্তর দিব‍্যযুগে এক মন্বন্তর।
চৌদ্দ মন্বন্তরে ব্রহ্মার এক দিবস অন্তর।।
মানবের একদিন যেমন, সকাল ছয়টা হতে সন্ধ‍্যে ছয়টা, তেমন ব্রহ্মার একদিন, এইরকম আরেক পরাদ্ধ হলে ব্রহ্মার পূর্ণ দিনরাত হয়।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






১. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তত্ত্ব ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_74.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ১. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তত্ত্ব 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
জন্মাষ্টমীতে অবশ‍্য অবশ‍্যই এই তত্ত্ব পরিবেশন করবে।

আবির্ভাবের কারণ:-
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
শ্রীভগবান গীতায় বলেছেন------------
যদা যদা হি ধর্মস‍্য গ্লানির্ভবতি ভারত।
অভ‍্যুত্থানমধর্মস‍্য তদাত্মনং সৃজাম‍্যহং
পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাং।
ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।।
(বেদ-পুরাণাদি প্রতিপাদিত শ্রীভগবদ্ভজনই প্রকৃত ধর্ম) (ধর্মো মদ্ভক্তিকৃৎপ্রোক্ত) ভাগবত।।
ভাবার্থ= কোনও কোনও সময়ে জগতের এমন দুভার্গ‍্য আসিয়া উপস্থিত হয়, যে সে সময়ে জগতের জীব বেদপুরাণাদির অপেক্ষা না রাখিয়া নিজের মনোমত আচরণকেই ধর্ম বলিয়া বুঝে ও তারই অনুষ্ঠানে তৎপর হয়। ক্রমে ক্রমে বেদ-পুরাণ আদির ব‍্যাখ‍্যাও তাদের নিজের মনোমত হয়ে উঠে।যাঁহারা পূর্বাচার্য‍্য-গণের মতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়া সেইমতে সাধন-ভজনাদি করেন,তাঁহারা জগতে আদর পান না,পদে পদে লাঞ্জিত,অপমানিত ও তিরস্কৃত হন। তাঁদের প্রকৃত ধর্মকে গোঁড়ামী, সঙ্কীণতা, সাম্প্রদায়িকতা প্রভৃতি আখ‍্যায় অনাদরের অন্ধকারে ডুবাইয়া দিয়া ধর্ম ও উদারতার ধ্বজা উড়াইয়া কতকগুলি স্বার্থপর ভোগ-পরায়ণ ব‍্যক্তি জগতে ধার্মিক বলিয়া পরিচিত হয়।প্রকৃত-ধর্ম তখন ভ্রান্ত- ধারণারূপে ও স্বেচ্ছাচার ধর্ম উদার মতরূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ইহারই নাম ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ‍্যুত্থান। গীতায় ভগবান অর্জুনকে বলেছেন-- হে অর্জুন! যখনই ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ‍্যুত্থান হয়, আমি সেই সময়েই আত্মপ্রকাশ করি। প্রকৃত ধর্মনিষ্ঠ সাধুগণের পরিত্রাণ এবং ধর্ম-ধ্বজী,স্বেচ্ছাচারী পাষন্ডগণকে বিনাশ করিয়া জগতে পুনরায় বেদপ্রতিপাদিত ধর্ম সংস্থাপন করিবার জন্য আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হয়ে থাকি।
*********************************
দ্বাপরের শেষে পৃথিবী একবার এই অবস্থায় উপনীত হয়েছিল।তখন পৃথিবীতে অসুরস্বভাবসম্পন্ন নরপতি-
গণ তাদের দলবল সহ কেবল পররাষ্ট্র লুন্ঠন, পরপীড়ন, ধার্মিকের অবমাননা, অধর্মের প্রশ্রয়, স্বার্থপরতা, ক্ষুদ্র স্বার্থের অনুরোধে অপরের মহাক্ষতি সাধন প্রভৃতিকেই জীবনের ব্রতরূপে অবলম্বন করিয়া অভ‍্যুত্থিত হয়েছিল। তাই পৃথিবী এই সমস্ত ভগবদ্ভজন-গন্ধবিহীন স্বার্থান্ধ ব‍্যক্তির ভারবহনে অক্ষম হইয়া সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার শরণাপন্ন হইলেন। পৃথিবী বা বসুমাতা গো-রূপ ধারণ করিয়া অশ্রুব‍্যাপ্ত-নয়নে উচ্চৈঃস্বরে রোদন করিতে করিতে ব্রহ্মার নিকট উপস্থিত হইলেন।বসুমাতা অতি কৃশা, যেন কতদিন আহার জোটে নাই,অতি দুর্বলা,তিনি পথে চলতেও প্রতি পদে পদে কম্পিতা হচ্ছেন।কোনরকমে ব্রহ্মলোকে গিয়া উপস্থিত হয়ে নিজের দুঃখ কাহিনী বলতে লাগলেন।বসুমাতা,ব্রহ্মা ও ব্রহ্মলোকবাসী দেবগণকে বললেন-সম্প্রতি কালনেমী প্রভৃতি দৈত‍্যগণ পৃথিবীতে আসিয়া প্রজাপীড়ন করতে আরম্ভ করেছে। দেবাসুর যুদ্ধের সময়ে হিরণ‍্যাক্ষের পুত্র কালনেমি বিষ্ণুচক্রে প্রাণত‍্যাগ করেছিল, কিন্তু সম্প্রতি সে-ই উগ্রসেনপুত্র কংসরূপে জন্মগ্রহণ করেছে। সঙ্গে অরিষ্ট, ধেনুক, কেশী, প্রলম্ব, নরক, সুন্দ, বলিপুত্র বাণ প্রমুখ অসংখ‍্য মহাবলপরাক্রান্ত দৈত‍্যবৃন্দ পৃথিবীতে রাজগণের বংশে জন্মগ্রহণ করেছে।(এখানে বসুমাতা বললেন এই যে, আমি সর্বংসহা, সকল দুঃখই আমি সহিতে পারি, সুমেরু,হিমালয়, গন্ধমাদন প্রভৃতি পর্বতের ভারেও আমি ভারবোধ করি না, কিন্তু হরিভজনবিহীন ব‍্যক্তির ভার আমার কিছুতেই সহ‍্য হয় না, তারা বুঝি সুমেরু ও হিমালয় অপেক্ষাও ভারবিশিষ্ট।
হে চতুরানন! আপনি তো সৃষ্টিকর্তা, আপনি এইরূপ বহির্মুখ জীব সৃষ্টি করে কেন আমাকে দুঃখ দিচ্ছেন?
আপনার চরণে ধরি,যেভাবে হোক, আমার ভারাপনোদন করিয়া আমাকে সুস্থ করুন।বসুমাতার এই কাতরোক্তি 
শ্রবণ করিয়া ব্রহ্মা বললেন- বসুমাতা! আমার কোন দোষ নেই। আমি সৃষ্টি করি বটে, কিন্তু আমি তো সৃষ্টিকর্তা নহি; স্বয়ং ভগবান শ্রীগোবিন্দের সৃষ্টি শক্তি আমাতে সঞ্চারিত হওয়াই আমাকে সৃষ্টিকর্তা করে।বিশেষত আমি  দেহ সৃষ্টি করি, কিন্তু জীব তো আমার সৃষ্টি নহে।জীবের কর্মানুসারে
দেহসৃষ্টি হইলে নিজ নিজ কর্মফলানুযায়ী দেহে জীবগণ জগতে আগমন করিয়া নিজ নিজ কর্মফল ভোগ করে।সুতরাং তোমার ভারহরণও আমার কর্ম নহে।পালনকর্তা বিষ্ণু তোমার ভার হরণ করিয়া তোমাকে পালন করবেন।অতএব চলো,আমরা শ্রীবিষ্ণুর নিকট গমন করি। এবারে ব্রহ্মা পালনকর্তা ক্ষীরোদশায়ী বিষ্ণুর নিকট গমন করলেন। ব্রহ্মা ক্ষীরোদ-সাগরতীরে উপস্থিত হইয়া পুরুষসূক্ত মন্ত্রে (বেদের যে কোন একটি সমগ্র স্তোত্র) শ্রীভগবানের স্তুতি করিয়া তাঁর চরণ- দ্বন্দ্বধ‍্যানপূর্বক সমাধিস্থ হইলে ভগবানের আদেশ বাণী শুনতে পেলেন। এই আদেশবাণী কেবল ব্রহ্মায় শুনতে পেলেন অন‍্য কেহ নহে। ব্রহ্মা সমাধিযোগে ক্ষীরোদশায়ীর আদেশবাণী শুনিয়া নিজ সৌভাগ্যজ্ঞানে আনন্দে পুলকিত হইয়া নানাবিধ আনন্দকোলাহলরত দেবগণকে সম্বোধন করিয়া বললেন- হে অমরগণ! ক্ষীরোদশায়ী পুরুষের আদেশবাণী শ্রবণ করিয়া বলি, তোমরা আদেশবাণী শুনিয়া অচিরাৎ তাহা পালন করিবার জন্য প্রস্তুত হও। এবার তোমাদের সৌভাগ্যের সীমা নাই, কারণ এবার তোমরা শ্রীভগবৎ- কৃপায় তাঁর লীলায় সাহায‍্য করবার সুযোগ পেয়েছ। ব্রহ্মার এইকথা শুনে ইন্দ্রাদি দেববৃন্দ, শ্রীশঙ্করও বসুমাতা,পরমানন্দে উল্লসিত ও ব্রহ্মার নিকটস্থ হইয়া নীরবে উৎকর্ণ হইয়া ভগবানের আদেশবাণী শুনবার অপেক্ষায় দন্ডায়মান হলেন। তখন ব্রহ্মা বললেন-ক্ষীরোদশায়ী আদেশ করলেন যে, হে দেগণ! বসুমাতার ভারহরণের জন্য তোমরা আমার শরণাপন্ন হয়েছ,কিন্তু এবার বসুমাতার জন্য আমার আর কোন চিন্তা করতে হবে না।(আমি যাঁহার আদেশে এই ব্রহ্মান্ড পালনে রত আছি, সেই আমার পরমাংশী স্বয়ং ভগবান গোলোকপতি শ্রীকৃষ্ণ, এবার বসুমাতার প্রতি কৃপাদৃষ্টিপাত করেছেন। তোমরা এখানে আসার অনেক পূর্বেই এই করুণার কাহিনী তিনি আমার নিকট ব‍্যক্ত করেছেন। এবার তিনিই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হইয়া লীলা করবেন ও সেই মধুর লীলার সঙ্গে সঙ্গে বসুমাতার ভারও হরণ করবেন।) 
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^

শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের একটি কারণ।

সত‍্য ত্রেতা দ্বাপর কলি চারযুগ জানি।
চারিযুগে এক দিব‍্যযুগ মানি।।
একাত্তর দিব‍্যযুগে এক মন্বন্তর।
চৌদ্দ মন্বন্তরে ব্রহ্মার এক দিবস অন্তর।।
মানবের একদিন যেমন, সকাল ছয়টা হতে সন্ধ‍্যে ছয়টা, তেমন ব্রহ্মার একদিন, এইরকম আরেক পরাদ্ধ হলে ব্রহ্মার পূর্ণ দিনরাত হয়।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের কারণ কি ❓❓❓ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_25.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের কারণ
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🌻*মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের কারণ*🌻
*প্রাণের মুকুন্দ হে আজি কি শুনিনু আচম্বিত*।
*কহিতে পরাণ যায়, মুখে নাহি বাহিরায়*
        *গৌরাঙ্গ ছাড়িবে নবদ্বীপ*।।
*ইহা তো না জানি মোরা*
    *সকলে মিলিনু গোরা*
*অবনত মাথে আছে বসি*।
*নিঝরে নয়ন ঝুরে, বুক বাহি ধারা বহে*
        *মলিন হইয়াছে মুখশশী*।।
*তখন হইতে প্রাণ,সদা করে আনচান*
       *সুধাইতে নাহি অবসর*।
*ক্ষণেক সম্বিত হৈল,তবে মুই নিবেদল*
       *শুনিয়া দিলেন এ উত্তর*।।
*আমি তো বিবশ হৈঞা*
*তারে কিছু না কহিয়া*
*ধাইয়া আইনু তব পাশ*।
*এই তো কহিনু আমি*
*যে করিতে পার তুমি*
*মোর নাহি জীবনের আশ*।।
*শুনিয়া মুকুন্দ কাঁদে*
*হিয়া থির থির নাহি বাঁধে*
*গদাধরের বদন হেরিয়া*।
*শ্রীগোবিন্দ ঘোষে কয়,*
  *ইহা যেন নাহি হয়*
 *তবে মুই যাইব মরিয়া*।।

🌻🌻দ্বিতীয় প্রভুর উক্তি🌻🌻
*প্রাণের মুকুন্দ হে তোমরা কি সুধাও আমায়*।
*যে দুঃখ মরমে পাই*
*কহিবার নাহি ঠাঁই*
*ইহা কহি কাঁদে গোরারায়*।।
*দেখিয়া জীবের দুখ*
*ছাড়িনু গোলোকের সুখ*
*লভিলাম মনুষ‍্য জনম*।
*পাইলাম কষ্ট যত,তোমরা পাইলা তত*
      *ইহল সব পন্ড পরিশ্রম*।।
*পন্ডিত পড়ুয়া যারা,আমারে না মানে তারা*
     *মোর উপদেশ নাহি লয়*
*ভাবি হই বুদ্ধিহারা,কিরূপে তরিবে তারা*
       *দূর হবে নরকের ভয়*।।
*অনেক চিন্তার পর,দঢ়ায়িনু এ অন্তর*
        *আমি ত্বরা ছাড়ি গৃহবাস*।
*মস্তক মুন্ডন করি,এ ডোর কৌপিন পড়ি*
      *অবিলম্বে লইব সন্ন‍্যাস*।।
*তবে তো পাষন্ডী সব,শুনি হরি হরি রব*
      *নামে প্রেমে হৈবে পাগল*
*সবে যাবে নিত‍্য ধাম,পূর্ণ হে মনস্কাম*
      *অবতার হইবে সফল*।।
*প্রভু যবে হেন কৈল,মুকুন্দ মূর্ছিত হৈল*
       *কতক্ষণে সম্বিত পাইলা*
*শ্রীগোবিন্দ ঘোষে কয়,এ তব উচিত নয়*
       *সাঙ্গ করা নদীয়ার লীলা*।।
🌻🌻জয় নিতাই গৌর হরিবল🌻🌻
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের কারণ কি ❓❓❓ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_25.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের কারণ
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🌻*মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের কারণ*🌻
*প্রাণের মুকুন্দ হে আজি কি শুনিনু আচম্বিত*।
*কহিতে পরাণ যায়, মুখে নাহি বাহিরায়*
        *গৌরাঙ্গ ছাড়িবে নবদ্বীপ*।।
*ইহা তো না জানি মোরা*
    *সকলে মিলিনু গোরা*
*অবনত মাথে আছে বসি*।
*নিঝরে নয়ন ঝুরে, বুক বাহি ধারা বহে*
        *মলিন হইয়াছে মুখশশী*।।
*তখন হইতে প্রাণ,সদা করে আনচান*
       *সুধাইতে নাহি অবসর*।
*ক্ষণেক সম্বিত হৈল,তবে মুই নিবেদল*
       *শুনিয়া দিলেন এ উত্তর*।।
*আমি তো বিবশ হৈঞা*
*তারে কিছু না কহিয়া*
*ধাইয়া আইনু তব পাশ*।
*এই তো কহিনু আমি*
*যে করিতে পার তুমি*
*মোর নাহি জীবনের আশ*।।
*শুনিয়া মুকুন্দ কাঁদে*
*হিয়া থির থির নাহি বাঁধে*
*গদাধরের বদন হেরিয়া*।
*শ্রীগোবিন্দ ঘোষে কয়,*
  *ইহা যেন নাহি হয়*
 *তবে মুই যাইব মরিয়া*।।

🌻🌻দ্বিতীয় প্রভুর উক্তি🌻🌻
*প্রাণের মুকুন্দ হে তোমরা কি সুধাও আমায়*।
*যে দুঃখ মরমে পাই*
*কহিবার নাহি ঠাঁই*
*ইহা কহি কাঁদে গোরারায়*।।
*দেখিয়া জীবের দুখ*
*ছাড়িনু গোলোকের সুখ*
*লভিলাম মনুষ‍্য জনম*।
*পাইলাম কষ্ট যত,তোমরা পাইলা তত*
      *ইহল সব পন্ড পরিশ্রম*।।
*পন্ডিত পড়ুয়া যারা,আমারে না মানে তারা*
     *মোর উপদেশ নাহি লয়*
*ভাবি হই বুদ্ধিহারা,কিরূপে তরিবে তারা*
       *দূর হবে নরকের ভয়*।।
*অনেক চিন্তার পর,দঢ়ায়িনু এ অন্তর*
        *আমি ত্বরা ছাড়ি গৃহবাস*।
*মস্তক মুন্ডন করি,এ ডোর কৌপিন পড়ি*
      *অবিলম্বে লইব সন্ন‍্যাস*।।
*তবে তো পাষন্ডী সব,শুনি হরি হরি রব*
      *নামে প্রেমে হৈবে পাগল*
*সবে যাবে নিত‍্য ধাম,পূর্ণ হে মনস্কাম*
      *অবতার হইবে সফল*।।
*প্রভু যবে হেন কৈল,মুকুন্দ মূর্ছিত হৈল*
       *কতক্ষণে সম্বিত পাইলা*
*শ্রীগোবিন্দ ঘোষে কয়,এ তব উচিত নয়*
       *সাঙ্গ করা নদীয়ার লীলা*।।
🌻🌻জয় নিতাই গৌর হরিবল🌻🌻
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সখ‍্যতা কেমন ভাবে হয়েছিল, কারণ কি ❓ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_82.html


   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧        
꧁ শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সখ‍্যতা কেমন ভাবে হয়েছিল, কারণ কি? ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
শ্বেতকি নামে এক মহা পরাক্রমশালী রাজা ছিলেন। তিনি যজ্ঞ প্রেমিক, দাতা, ও বুদ্ধিমান ছিলেন।তিনি বড় বড় যজ্ঞ করিতেন যজ্ঞ করতে করতে ঋত্তিকগণ পরিশ্রান্ত হয়ে পড়তেন। কখনো কখনো যজ্ঞ করতে অস্বীকার করতেন। কিন্তু রাজার যজ্ঞ চলতেই থাকত। রাজা বিভিন্ন ঋত্বিক গনকে অনুনয় বিনয় করিয়া এবং দান-দক্ষিণা দিয়ে ব্রাহ্মণদের প্রসন্ন করতেন। শেষে ব্রহ্মণগণ যখন যজ্ঞ করতে হার মেনে গেলেন, তখন রাজা শিবের তপ‍স‍্যায় রত হলেন ও শিব তুষ্ট হলেন এবং তাঁর নির্দেশে দূর্বাসাঋষিকে দিয়ে মহাযজ্ঞ করাইলেন। প্রথমে দ্বাদশ বৎসর এবং পরে একশত বৎসরের মহাযজ্ঞের দক্ষিণাদান করিয়া রাজা ব্রাহ্মণদের তৃপ্ত করেছিলেন। দূর্বাসা প্রসন্ন হলেন। রাজাযজ্ঞের পরে সপরিবারে ঋত্বিকদের সঙ্গে স্বর্গে গমন করলেন। সেই যজ্ঞে দ্বাদশ বৎসর ধরে অগ্নিদেবকে ঘৃতের ধারা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পান করতে হয়েছিল, তাতে তাঁর হজমশক্তি ক্ষীণ হয়ে গিয়েছিল। গাত্রবর্ণ হালকা হয়ে গিয়েছিল, এবং দীপ্তি কমে আসছিল। অজীর্ণতার জন্য যখন তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করল, তখন তিনি ব্রহ্মার নিকট গিয়ে অনুরোধ করেন যে, আপনি এমন কোনো উপায় বলুন যাতে পূর্বের ন‍্যায় সুস্থ ও সবল হয়ে উঠি। তখন ব্রহ্মা বললেন,অগ্নিদেব!যদি তুমি খান্ডববন পোড়াতে পার, তাহলে তুমি সমহিমায় ফিরে আসবে। অগ্নিদেব সাতবার খান্ডববন পোড়াবার চেষ্টা করেন, কিন্তু ইন্দ্রদেব বারংবার রক্ষা করায় তাঁর চেষ্টা সফল হয়নি। পুনরায় অগ্নিদেব ব্রহ্মার নিকট গিয়ে বললে,ব্রহ্মা বললেন,শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সহায়তায় খান্ডববন পোড়াবার উপায় জানিয়ে দেন। অগ্নিদেব ব্রাহ্মণ বেশ ধারণ করিয়া অর্জুনের কাছে সমস্ত পূর্বের কথা বললেন। অর্জুন বললেন,আমার দিব‍্যাস্ত্রের অভাব নেই, আমি যেকোন সময় ইন্দ্রকে পরাস্ত করতে পারি, কিন্তু আমার কাছে কিন্তু আমার কাছে দিব্য অস্ত্র ধারণ করবার মতো ধনুক নেই এবং সেই অস্ত্রের উপযুক্ত বাণও নেই,বাণের বোঝা বহিবার মত রথও নেই।এই সময় শ্রীকৃষ্ণের কাছেও এমন কোন অস্ত্র নেই যার দ্বারা ইনি নাগেদের এবং পিশাচদের বধ করতে পারেন। বল ও কৌশল আমাদের আছে, যুদ্ধ সামগ্রী আমাদের দিন।তখন অগ্নিদেব জলের দেবতা বরুণদেবকে স্মরণ করলেন, বরুণদেব তৎক্ষণাৎ আবির্ভূত হলেন।অগ্নিদেব বললেন, আপনাকে রাজা সোম অক্ষয় তূণীর, গান্ডীব ধনুক এবং বানর চিহ্নযুক্ত ধ্বজামন্ডিত দিব‍্যরথ দিয়াছেন,সেগুলি আপনি আমাকে দিন, তার সঙ্গে চক্রও দিন। শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন, চক্র ও গান্ডীব ধনুকের সাহায্যে আমার এই বড় কর্ম সম্পন্ন করবেন। বরুণ অগ্নিদেবের অনুরোধ মেনে নিয়ে অর্জুনকে অক্ষয় তূণীর এবং গান্ডীব ধনুক দিলেন, এই ধনুকের অদ্ভুত মহিমা, কোনো শস্ত্রের সাহায্যেও একে খন্ডিত করা যাবে না।তারপর রত্নজড়িত এক দিব‍্য রথও প্রদান করলেন।সেই রথটি মন ও বায়ুর ন‍্যায় বেগযুক্ত।অগ্নিদেব শ্রীকৃষ্ণকে দিব‍্য চক্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া বললেন,মধুসূদন!এই চক্রের দ্বারা যাকে খুশি তাকে বধ করতে পারবেন। এই চক্রের সামনে দেবতা, দানব, রাক্ষস,পিশাচ,নাগ ও মানুষের শক্তি তুচ্ছ।এই চক্রটি প্রতিবার প্রয়োগের পর শত্রুনাশ করে ফিরে আসবে।বরুণ শ্রীকৃষ্ণকে দৈত‍্যনাশিনীএবং বজ্রধ্বনির ন‍্যায় শব্দ দ্বারা শত্রুর হৃদয় কম্পমান করবার মতো কৌমোদ গদা অর্পণ করলেন।এবারে শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন খান্ডববন দহন করতে লাগলেন।আর অগ্নিদেব তেজোময় দাবানলের প্রদীপ্তরূপ ধারণ করে তাঁর সপ্ত অগ্নিশিখার লেলিহানরূপে খান্ডববন ঘিরে প্রলয় দৃশ্য উপস্থিত করে ভস্মস‍্যাৎ করতে আরম্ভ করলেন। বনের শত সহস্র প্রাণী ভস্মীভূত হল,কেহ কেহ বা চি‍ৎকার করতে লাগল,কেহ বা পালিয়ে বাঁচল। খান্ডববনের আগুন এতই জোরে জ্বলতে লাগল যে গগন স্পর্শ করল।দেবতাদের হৃদয় কেঁপে উঠল। ভয়ে দেবতাগণ দেবরাজের কাছে গিয়ে বলতে লাগলেন। ইন্দ্র খান্ডববনকে বাঁচাবার জন্য সমস্ত মেঘ মেঘিনী খান্ডববনের উপর বর্ষণ করতে লাগল।অর্জুন অস্ত্র কৌশলে জলধারা বন্ধ করে দিলেন।এবং সমস্ত বন বাণ দ্বারা এমনভাবে ঘিরে রাখলেন যে কেহ যেন পলায়ন করতে না পারে।সেই সময় নাগরাজ তক্ষক সেখানে ছিলেন না। কুরুক্ষেত্রে গিয়েছিল। তার পুত্র অশ্বসেন খান্ডব বনেই ছিল। অশ্বসেনকে বাঁচানোর জন্য ইন্দ্র বহু চেষ্টা করলেন,ভাগ‍্যক্রমে পালিয়ে বাঁচলেন। তাতে অর্জুন ক্রোধে রক্তবর্ণ হয়ে উঠলেন এবং তীক্ষ্ণ বাণের দ্বারা আকাশ ঢেকে ইন্দ্রকে কোণঠাসা করে দিলেন। তারপর ইন্দ্র শ্বেত ঐরাবতে চড়ে অর্জুন ও কৃষ্ণের সঙ্গে বহু যুদ্ধ করলেন, সেই বিশাল কান্ড।সেই সময় বজ্রগম্ভীর কন্ঠে আকাশবাণী হল,ইন্দ্র তোমার মিত্র কুরুক্ষেত্রে আছে তার কোন ক্ষতি হয়নি আর কৃষ্ণ অর্জুনকে কোনো মতেই হারাতে পারবে না। পরক্ষণেই শ্রীকৃষ্ণ দেখলেন ময়দানব তক্ষকের নিবাসস্থল হতে বেড়িয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তিনি ময়দানবকে মারবার জন্য অস্ত্র তুললেন, সামনে চক্র ও পেছনে অগ্নি দেখে ময়দানব সামনে অর্জুনের কাছে আত্মসমর্পণ করলে, অর্জুনের কথায় কৃষ্ণ চক্র ফিরিয়ে নিলেন।খান্ডববন পনেরদিন ধরে জ্বলতে লাগল। এই ভীষণ অগ্নিকান্ডে ছয়টি প্রাণীই কেবল বেঁচে গিয়েছিল, অশ্বসেন সর্প,ময়দানব এবং চার শাঙ্গপক্ষী। শাঙ্গপক্ষীদের পিতা মন্দপাল অগ্নিদেব, শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সাহায্যে খান্ডববনকে দহন করতে সক্ষম হলেন।তারপর ব্রাহ্মণের রূপ ধরে তাঁদের সামনে উপস্থিত হলেন। দেবরাজ ইন্দ্রও দেবতাদের সঙ্গে সেখানে এলেন।ইন্দ্র বললেন আপনারা যে অসম্ভব কর্ম সম্ভব করেছেন তাহা দেবতাদের অসাধ‍্য। আমি তুষ্ট হয়েছি, অর্জুন বললেন,আপনি আমাকে সর্বপ্রকার অস্ত্র প্রদান করুন।ইন্দ্র বললেন,অর্জুন, মহাদেব যখন তোমার প্রতি প্রসন্ন হবেন, তখন তোমার তপস‍্যার প্রভাবে আমি তোমাকে আমার সমস্ত অস্ত্র দিয়ে দিব। কৃষ্ণ তখন বললেন, দেবরাজ!আপনি আমাকে এই বর দিন যাহাতে অর্জুন আর আমার বন্ধুত্ব অটুট থাকে। কখনো যেন বিচ্ছেদ না ঘটে।ইন্দ্র বললেন,""এবমস্তু""" বেশ তাই হবে।কৃষ্ণ ও অর্জুন এবং ময়দানব যমুনার পবিত্র তীরে এসে উপবিষ্ট হলেন।
🌻🌻 জয় নিতাই গৌর হরিবল🌻🌻
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সখ‍্যতা কেমন ভাবে হয়েছিল, কারণ কি? 🖊️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_82.html


   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧        
꧁ শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সখ‍্যতা কেমন ভাবে হয়েছিল, কারণ কি? ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
শ্বেতকি নামে এক মহা পরাক্রমশালী রাজা ছিলেন। তিনি যজ্ঞ প্রেমিক, দাতা, ও বুদ্ধিমান ছিলেন।তিনি বড় বড় যজ্ঞ করিতেন যজ্ঞ করতে করতে ঋত্তিকগণ পরিশ্রান্ত হয়ে পড়তেন। কখনো কখনো যজ্ঞ করতে অস্বীকার করতেন। কিন্তু রাজার যজ্ঞ চলতেই থাকত। রাজা বিভিন্ন ঋত্বিক গনকে অনুনয় বিনয় করিয়া এবং দান-দক্ষিণা দিয়ে ব্রাহ্মণদের প্রসন্ন করতেন। শেষে ব্রহ্মণগণ যখন যজ্ঞ করতে হার মেনে গেলেন, তখন রাজা শিবের তপ‍স‍্যায় রত হলেন ও শিব তুষ্ট হলেন এবং তাঁর নির্দেশে দূর্বাসাঋষিকে দিয়ে মহাযজ্ঞ করাইলেন। প্রথমে দ্বাদশ বৎসর এবং পরে একশত বৎসরের মহাযজ্ঞের দক্ষিণাদান করিয়া রাজা ব্রাহ্মণদের তৃপ্ত করেছিলেন। দূর্বাসা প্রসন্ন হলেন। রাজাযজ্ঞের পরে সপরিবারে ঋত্বিকদের সঙ্গে স্বর্গে গমন করলেন। সেই যজ্ঞে দ্বাদশ বৎসর ধরে অগ্নিদেবকে ঘৃতের ধারা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পান করতে হয়েছিল, তাতে তাঁর হজমশক্তি ক্ষীণ হয়ে গিয়েছিল। গাত্রবর্ণ হালকা হয়ে গিয়েছিল, এবং দীপ্তি কমে আসছিল। অজীর্ণতার জন্য যখন তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করল, তখন তিনি ব্রহ্মার নিকট গিয়ে অনুরোধ করেন যে, আপনি এমন কোনো উপায় বলুন যাতে পূর্বের ন‍্যায় সুস্থ ও সবল হয়ে উঠি। তখন ব্রহ্মা বললেন,অগ্নিদেব!যদি তুমি খান্ডববন পোড়াতে পার, তাহলে তুমি সমহিমায় ফিরে আসবে। অগ্নিদেব সাতবার খান্ডববন পোড়াবার চেষ্টা করেন, কিন্তু ইন্দ্রদেব বারংবার রক্ষা করায় তাঁর চেষ্টা সফল হয়নি। পুনরায় অগ্নিদেব ব্রহ্মার নিকট গিয়ে বললে,ব্রহ্মা বললেন,শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সহায়তায় খান্ডববন পোড়াবার উপায় জানিয়ে দেন। অগ্নিদেব ব্রাহ্মণ বেশ ধারণ করিয়া অর্জুনের কাছে সমস্ত পূর্বের কথা বললেন। অর্জুন বললেন,আমার দিব‍্যাস্ত্রের অভাব নেই, আমি যেকোন সময় ইন্দ্রকে পরাস্ত করতে পারি, কিন্তু আমার কাছে কিন্তু আমার কাছে দিব্য অস্ত্র ধারণ করবার মতো ধনুক নেই এবং সেই অস্ত্রের উপযুক্ত বাণও নেই,বাণের বোঝা বহিবার মত রথও নেই।এই সময় শ্রীকৃষ্ণের কাছেও এমন কোন অস্ত্র নেই যার দ্বারা ইনি নাগেদের এবং পিশাচদের বধ করতে পারেন। বল ও কৌশল আমাদের আছে, যুদ্ধ সামগ্রী আমাদের দিন।তখন অগ্নিদেব জলের দেবতা বরুণদেবকে স্মরণ করলেন, বরুণদেব তৎক্ষণাৎ আবির্ভূত হলেন।অগ্নিদেব বললেন, আপনাকে রাজা সোম অক্ষয় তূণীর, গান্ডীব ধনুক এবং বানর চিহ্নযুক্ত ধ্বজামন্ডিত দিব‍্যরথ দিয়াছেন,সেগুলি আপনি আমাকে দিন, তার সঙ্গে চক্রও দিন। শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন, চক্র ও গান্ডীব ধনুকের সাহায্যে আমার এই বড় কর্ম সম্পন্ন করবেন। বরুণ অগ্নিদেবের অনুরোধ মেনে নিয়ে অর্জুনকে অক্ষয় তূণীর এবং গান্ডীব ধনুক দিলেন, এই ধনুকের অদ্ভুত মহিমা, কোনো শস্ত্রের সাহায্যেও একে খন্ডিত করা যাবে না।তারপর রত্নজড়িত এক দিব‍্য রথও প্রদান করলেন।সেই রথটি মন ও বায়ুর ন‍্যায় বেগযুক্ত।অগ্নিদেব শ্রীকৃষ্ণকে দিব‍্য চক্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া বললেন,মধুসূদন!এই চক্রের দ্বারা যাকে খুশি তাকে বধ করতে পারবেন। এই চক্রের সামনে দেবতা, দানব, রাক্ষস,পিশাচ,নাগ ও মানুষের শক্তি তুচ্ছ।এই চক্রটি প্রতিবার প্রয়োগের পর শত্রুনাশ করে ফিরে আসবে।বরুণ শ্রীকৃষ্ণকে দৈত‍্যনাশিনীএবং বজ্রধ্বনির ন‍্যায় শব্দ দ্বারা শত্রুর হৃদয় কম্পমান করবার মতো কৌমোদ গদা অর্পণ করলেন।এবারে শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন খান্ডববন দহন করতে লাগলেন।আর অগ্নিদেব তেজোময় দাবানলের প্রদীপ্তরূপ ধারণ করে তাঁর সপ্ত অগ্নিশিখার লেলিহানরূপে খান্ডববন ঘিরে প্রলয় দৃশ্য উপস্থিত করে ভস্মস‍্যাৎ করতে আরম্ভ করলেন। বনের শত সহস্র প্রাণী ভস্মীভূত হল,কেহ কেহ বা চি‍ৎকার করতে লাগল,কেহ বা পালিয়ে বাঁচল। খান্ডববনের আগুন এতই জোরে জ্বলতে লাগল যে গগন স্পর্শ করল।দেবতাদের হৃদয় কেঁপে উঠল। ভয়ে দেবতাগণ দেবরাজের কাছে গিয়ে বলতে লাগলেন। ইন্দ্র খান্ডববনকে বাঁচাবার জন্য সমস্ত মেঘ মেঘিনী খান্ডববনের উপর বর্ষণ করতে লাগল।অর্জুন অস্ত্র কৌশলে জলধারা বন্ধ করে দিলেন।এবং সমস্ত বন বাণ দ্বারা এমনভাবে ঘিরে রাখলেন যে কেহ যেন পলায়ন করতে না পারে।সেই সময় নাগরাজ তক্ষক সেখানে ছিলেন না। কুরুক্ষেত্রে গিয়েছিল। তার পুত্র অশ্বসেন খান্ডব বনেই ছিল। অশ্বসেনকে বাঁচানোর জন্য ইন্দ্র বহু চেষ্টা করলেন,ভাগ‍্যক্রমে পালিয়ে বাঁচলেন। তাতে অর্জুন ক্রোধে রক্তবর্ণ হয়ে উঠলেন এবং তীক্ষ্ণ বাণের দ্বারা আকাশ ঢেকে ইন্দ্রকে কোণঠাসা করে দিলেন। তারপর ইন্দ্র শ্বেত ঐরাবতে চড়ে অর্জুন ও কৃষ্ণের সঙ্গে বহু যুদ্ধ করলেন, সেই বিশাল কান্ড।সেই সময় বজ্রগম্ভীর কন্ঠে আকাশবাণী হল,ইন্দ্র তোমার মিত্র কুরুক্ষেত্রে আছে তার কোন ক্ষতি হয়নি আর কৃষ্ণ অর্জুনকে কোনো মতেই হারাতে পারবে না। পরক্ষণেই শ্রীকৃষ্ণ দেখলেন ময়দানব তক্ষকের নিবাসস্থল হতে বেড়িয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তিনি ময়দানবকে মারবার জন্য অস্ত্র তুললেন, সামনে চক্র ও পেছনে অগ্নি দেখে ময়দানব সামনে অর্জুনের কাছে আত্মসমর্পণ করলে, অর্জুনের কথায় কৃষ্ণ চক্র ফিরিয়ে নিলেন।খান্ডববন পনেরদিন ধরে জ্বলতে লাগল। এই ভীষণ অগ্নিকান্ডে ছয়টি প্রাণীই কেবল বেঁচে গিয়েছিল, অশ্বসেন সর্প,ময়দানব এবং চার শাঙ্গপক্ষী। শাঙ্গপক্ষীদের পিতা মন্দপাল অগ্নিদেব, শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সাহায্যে খান্ডববনকে দহন করতে সক্ষম হলেন।তারপর ব্রাহ্মণের রূপ ধরে তাঁদের সামনে উপস্থিত হলেন। দেবরাজ ইন্দ্রও দেবতাদের সঙ্গে সেখানে এলেন।ইন্দ্র বললেন আপনারা যে অসম্ভব কর্ম সম্ভব করেছেন তাহা দেবতাদের অসাধ‍্য। আমি তুষ্ট হয়েছি, অর্জুন বললেন,আপনি আমাকে সর্বপ্রকার অস্ত্র প্রদান করুন।ইন্দ্র বললেন,অর্জুন, মহাদেব যখন তোমার প্রতি প্রসন্ন হবেন, তখন তোমার তপস‍্যার প্রভাবে আমি তোমাকে আমার সমস্ত অস্ত্র দিয়ে দিব। কৃষ্ণ তখন বললেন, দেবরাজ!আপনি আমাকে এই বর দিন যাহাতে অর্জুন আর আমার বন্ধুত্ব অটুট থাকে। কখনো যেন বিচ্ছেদ না ঘটে।ইন্দ্র বললেন,""এবমস্তু""" বেশ তাই হবে।কৃষ্ণ ও অর্জুন এবং ময়দানব যমুনার পবিত্র তীরে এসে উপবিষ্ট হলেন।
🌻🌻 জয় নিতাই গৌর হরিবল🌻🌻
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds