শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৭১. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 🙏 মহাপ্রভুর পুরীধামে আগমন এবং নীলাদ্রিনাথ দর্শন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_9.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ ৭১. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
(৭১ )
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
 *#মহাপ্রভুর_পুরীধামে_আগমন_এবং_নীলাদ্রিনাথ_দর্শন।*

চৈতন্যভাগবতে বৃন্দাবন দাস ঠাকুর বর্ণন করলেন সুবর্ণরেখা নদী পার হয়ে দণ্ডভঙ্গ লীলা।কিন্তু চৈতন্যচরিতামৃতে কবিরাজ গোস্বামী বর্ণন করলেন ভুবনেশ্বর পার হয়ে এসে ভার্গী নদীতে দণ্ডভঙ্গ লীলা।
তাহলে কোনটা সঠিক? দণ্ডভঙ্গ লীলা তো একটি জায়গাতেই হয়েছিল? এর পূর্বেও দেখা যায় মহাপ্রভুর রাঢ়দেশ ভ্রমণ সময়ে, চৈতন্যচরিতামৃতে আছে তিনদিন ভ্রমণ করেছিলেন; সেখানে চৈতন্য ভাগবতের বর্ণনায় বারো দিন, এখানেও ঐক্যমত নেই। চৈতন্যভাগবত আগে রচিত হয়েছে চৈতন্যচরিতামৃত তারপরে। তাহলে কি কবিরাজ গোস্বামী বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের বর্ণনা মেনে নিতে পারেন নাই?
না! তেমনটিও নয়।

কবিরাজ গোস্বামী বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন - 
*মনুষ্যে রচিতে নারে ঐছে গ্রন্থ ধন্য। বৃন্দাবনদাস-মুখে বক্তা শ্রীচৈতন্য।। বৃন্দাবনদাস পদে কোটি নমস্কার। ঐছে গ্রন্থ করি তেঁহ তারিলা সংসার।।*
(চৈ.চ.আদি.৮)

*#তাহলে_এই_মতভেদের_কারণ_কি?*

প্রত্যেক কল্পে স্বয়ং ভগবান একবার আসেন।স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যে দ্বাপর যুগে অবতার গ্রহণ করেন তাঁর অব্যবহিত পরবর্তী কলিযুগে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু রূপে পুনরায় আসেন। এইভাবে প্রত্যেক কল্পে একবার করে অবতার গ্রহণ করেন। এজন্য কল্পাবতারী বলা হয়।প্রত্যেক কল্পে একই রকম লীলা হয় না। কিছু কিছু পার্থক্য হয়ে যায়। যেমন রামায়ণ চার প্রকার দেখতে পাওয়া যায়। তেমনি পুরানাদিতেও এক এক পুরানে এক এক রকম লীলার বর্ণন পাওয়া যায়। এসবের কারণ হলো *#কল্পভেদ*। কোন কল্পে একরকম লীলা করেছেন, অন্য কল্পে অন্যরকম লীলা করেছেন। যখন ত্রিকালজ্ঞ ঋষিগণ লিখতে বসলেন, সে সময় তার হৃদয়ে যে কল্পের লীলা আবির্ভূত হয়েছেন, তিনি সেভাবেই লিখেছেন বা বর্ণনা করেছেন। অতএব সব লীলাই নিত্য এবং সত্য। 
(ত্রিকাল সত্য গৌর লীলা)।

বৃন্দাবন দাস ঠাকুর যে লীলার বিস্তারপূর্বক বর্ণনা করেছেন, কবিরাজ গোস্বামী সেখানে প্রনাম করে, সে লীলা সূত্ররূপে বর্ণনা করে অন্য লীলা বিস্তারে মনোযোগী হয়েছেন।
 *"#ভুবনেশ্বর_পথে_যৈছে_করিলা_গমন। #বিস্তারি_বর্ণিয়াছেন_দাস_বৃন্দাবন।।*

এ লীলা বাদ দিয়ে এবার বর্ণন করছেন -  *#কমলপুরে_আসি_ভার্গী_নদী_স্নান_কৈল। #নিত্যানন্দ_হাতে_প্রভু_দণ্ড_ধরিল।।*

নিত্যানন্দ প্রভুর হাতে দণ্ড দিয়ে মহাপ্রভু  ভক্তগণ সঙ্গে কপোতেশ্বর  দর্শনে গমন করলেন।
এদিকে নিত্যানন্দ প্রভু দণ্ডখানা তিন খণ্ড করে ভেঙে ভার্গী নদীর জলে ভাসিয়ে দিলেন। তিনি মনে মনে ভাবলেন তিন যুগে দণ্ড ছিল, তাই তিন খণ্ড করে ভেঙে ভাসিয়ে দিলাম। এই ধন্য কলিযুগে আর কোনো দণ্ড নেই, কেবল প্রেম আর ভালোবাসা।

মহাপ্রভু কপোতেশ্বর মহাদেব দর্শন করে ফিরে এসে জগন্নাথ মন্দিরের ধ্বজা দেখতে পেলেন। দেখেই তিনি আবিষ্ট হয়ে দণ্ডবৎ করে প্রেমে নাচতে লাগলেন।মহাপ্রভু দেখতে পেলেন মন্দিরের শিখরে বসে ছোট্ট গোপাল হাসছেন।
*#প্রভু_বলে_দেখ_মন্দিরের_অগ্রমূলে।  #হাসেন_আমারে_দেখি_শ্রী_বালগোপালে*।। 
এভাবে হাসতে-কাঁদতে-নাচতে-গাইতে, হুঙ্কার-গর্জন করে প্রভু আঠারো নালায় এসে কিঞ্চিৎ বাহ্য প্রকাশ করলেন। নিত্যানন্দ প্রভুকে বললেন - "দাও আমার দণ্ডখানা‌। নিত্যানন্দ প্রভু বললেন - দণ্ড তিন খণ্ড হয়ে গেছে।
মহাপ্রভু বললেন - কি করে হল?
 নিত্যানন্দ প্রভু বললেন - তুমি প্রেমাবেশে পড়ে গেলে, তোমাকে ধরতে গিয়ে দণ্ডের উপরে আমি পড়লাম, তখনই দণ্ড ভেঙে গেল। এখন যা হয় আমাকেই দণ্ড কর।

শুনে মহাপ্রভু দুঃখ প্রকাশ করলেন। ঈষৎ ক্রোধ করে বললেন নীলাচলে এনে আমার ভালো হিত করলে!একমাত্র দণ্ডটি ছিল তাও তোমাদের দয়ায় গেল! হয় তোমরা আগে যাও, নইলে আমি আগে যাই।  মুকুন্দ দত্ত বললেন - প্রভু তুমি আগে চল, আমরা তোমার পিছে পিছে যাব। শুনে মহাপ্রভু বিদ্যুৎবেগে গমন করলেন।
তীব্র বেগে মহাপ্রভু  শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশ করলেন। গর্ভগৃহে বিরাজমান জগন্নাথ বলরাম এবং সুভদ্রা কে নয়ন ভরে দর্শন করলেন।
*#হেনকালে_গৌরচন্দ্র_জগৎ_জীবন। #দেখিলেন_জগন্নাথ_সুভদ্রা_সঙ্কর্ষণ*।

সপার্ষদ জগন্নাথ কে দেখে মহাপ্রভু আনন্দে হুঙ্কার করে উঠলেন। জগন্নাথকে আলিঙ্গন করতে ধাবিত হলেন। কিন্তু প্রেমাবেশে নাটমন্দিরেই মূর্চ্ছিত হয়ে পড়লেন।তখন মন্দিরে উপস্থিত রয়েছেন বেদান্তবিদ *#বাসুদেব_সার্বভৌম_ভট্টাচার্য*। পড়িছা পাণ্ডাগণ মারতে উদ্যত হলে সার্বভৌম ভট্টাচার্য নিবারণ করলেন। তার অদ্ভুত প্রেমের বিকার দেখে বিস্মিত হয়ে ভাবছেন এ সাধারণ মানুষ নয়। এদিকে ভোগের সময় হয়ে গেল, তথাপি প্রভুর মূর্চ্ছা ভঙ্গ না হওয়ায় সার্বভৌম নিজ শিষ্যদের দ্বারা প্রভুকে  নিজের বাড়িতে নিয়ে গেলেন।মহাপ্রভুর শরীরে প্রাণের কোনো চিহ্ন নেই । শ্বাস-প্রশ্বাস চলাচল বন্ধ। সার্বভৌম মহাপ্রভুর নাকের ডগায় তুলো ধরে দেখতে পেলেন তুলো অল্প অল্প নড়ছে।সার্বভৌম বুঝলেন এই সন্ন্যাসীর দেহে কৃষ্ণ প্রেমের #সুদ্দীপ্ত_সাত্ত্বিক_বিকার বিরাজিত।#অধিরূঢ়_মহাভাবের একটি বিকার হল এই সুদ্দীপ্ত সাত্ত্বিক বিকার,যা রাধারাণী ব্যাতীত আর কারোর মধ্যেই অসম্ভব ।সেই অসম্ভব বিকার এই সন্ন্যাসীর দেহে বর্তমান।  

ইতিমধ্যে নিত্যানন্দ প্রভু সহ ভক্তগণ জগন্নাথ মন্দিরে উপনীত হলেন।সেখানে লোকমুখে শুনতে পেলেন এক সন্ন্যাসী জগন্নাথ কে দেখে অচেতন হয়ে পড়েছিল।সার্বভৌম ভট্টাচার্য তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছেন।সবাই বুঝতে পারলেন যে এই সন্ন্যাসীই তাদের প্রাণপ্রিয় মহাপ্রভু ।সেইমুহূর্তে সেখানে গোপীনাথাচার্যের সঙ্গে দেখা হলে সব ঘটনা অবগত হয়ে সকলে মিলে সার্বভৌম ভট্টাচার্যের বাড়িতে উপনীত হলেন।সার্বভৌম ঠাকুর নিজপুত্র #চন্দনেশ্বর কে পাঠিয়ে নিত্যানন্দ প্রভু সহ অন্য ভক্তদের জগন্নাথ দর্শন করিয়ে আনলেন।সার্বভৌমের বাড়িতে সবাই ফিরে এলেন।এদিকে তিনপ্রহরেও মহাপ্রভুর মূর্চ্ছা ভঙ্গ না হওয়ায় সকলে মিলে উচ্চ সংকীর্তন শুরু করলেন। কীর্তন ধ্বনি কানে প্রবেশ করতেই মহাপ্রভু উঠে বসলেন। সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য জগন্নাথের মহাপ্রসাদ আনলেন।সকলে মধ্যাহ্ন কৃত্য সমাপন করে জগন্নাথের মহাপ্রসাদ পেতে বসলেন।জগন্নাথের প্রসাদে মহাপ্রভু বড় সন্তুষ্ট হলেন।তবে নিজে লাফড়া-ব্যঞ্জন প্রসাদ ছাড়া আর কিছুই পেলেন না।পীঠা-পানা সহ অন্যান্য প্রসাদ নিত্যানন্দ প্রভু সহ অন্যদের বিতরণ করতে বললেন।মহাপ্রভু সন্ন্যাসী জেনে সার্বভৌম ঠাকুর মহাপ্রভু কে *#নমো_নারায়ণায় বলে প্রণাম করতেই মহাপ্রভু #কৃষ্ণে_মতিরস্তু বলে আশীর্বাদ করলেন।* 
সার্বভৌম ভট্টাচার্য গোপীনাথ আচার্যকে মহাপ্রভুর পূর্বাশ্রমের বিষয়ে জানতে চাইলে গোপীনাথ আচার্য তা অবগত করালেন।সব শুনে সার্বভৌম ঠাকুর আপাতত ভাবে মহাপ্রভুর বসবাসের  জন্য একটা নির্জন স্থান খুঁজে দিলেন।সেইস্থানেই মহাপ্রভু পার্ষদ গণের সাথে থাকতেন।এবং প্রতিদিন সপার্ষদ মহাপ্রভু ভোরবেলায় স্নান সেরে জগন্নাথের মঙ্গলারতি দেখতে যেতেন।তবে সার্বভৌম ঠাকুর এবং অন্য ভক্তদের অনুরোধে মহাপ্রভু গর্ভগৃহে প্রবেশ করতেন না।জগমোহনে গরুড় স্তম্ভের পাশে দাঁড়িয়ে জগন্নাথ দর্শন করতেন।।......

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৭১. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 🙏 মহাপ্রভুর পুরীধামে আগমন এবং নীলাদ্রিনাথ দর্শন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_9.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ ৭১. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
(৭১ )
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
 *#মহাপ্রভুর_পুরীধামে_আগমন_এবং_নীলাদ্রিনাথ_দর্শন।*

চৈতন্যভাগবতে বৃন্দাবন দাস ঠাকুর বর্ণন করলেন সুবর্ণরেখা নদী পার হয়ে দণ্ডভঙ্গ লীলা।কিন্তু চৈতন্যচরিতামৃতে কবিরাজ গোস্বামী বর্ণন করলেন ভুবনেশ্বর পার হয়ে এসে ভার্গী নদীতে দণ্ডভঙ্গ লীলা।
তাহলে কোনটা সঠিক? দণ্ডভঙ্গ লীলা তো একটি জায়গাতেই হয়েছিল? এর পূর্বেও দেখা যায় মহাপ্রভুর রাঢ়দেশ ভ্রমণ সময়ে, চৈতন্যচরিতামৃতে আছে তিনদিন ভ্রমণ করেছিলেন; সেখানে চৈতন্য ভাগবতের বর্ণনায় বারো দিন, এখানেও ঐক্যমত নেই। চৈতন্যভাগবত আগে রচিত হয়েছে চৈতন্যচরিতামৃত তারপরে। তাহলে কি কবিরাজ গোস্বামী বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের বর্ণনা মেনে নিতে পারেন নাই?
না! তেমনটিও নয়।

কবিরাজ গোস্বামী বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন - 
*মনুষ্যে রচিতে নারে ঐছে গ্রন্থ ধন্য। বৃন্দাবনদাস-মুখে বক্তা শ্রীচৈতন্য।। বৃন্দাবনদাস পদে কোটি নমস্কার। ঐছে গ্রন্থ করি তেঁহ তারিলা সংসার।।*
(চৈ.চ.আদি.৮)

*#তাহলে_এই_মতভেদের_কারণ_কি?*

প্রত্যেক কল্পে স্বয়ং ভগবান একবার আসেন।স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যে দ্বাপর যুগে অবতার গ্রহণ করেন তাঁর অব্যবহিত পরবর্তী কলিযুগে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু রূপে পুনরায় আসেন। এইভাবে প্রত্যেক কল্পে একবার করে অবতার গ্রহণ করেন। এজন্য কল্পাবতারী বলা হয়।প্রত্যেক কল্পে একই রকম লীলা হয় না। কিছু কিছু পার্থক্য হয়ে যায়। যেমন রামায়ণ চার প্রকার দেখতে পাওয়া যায়। তেমনি পুরানাদিতেও এক এক পুরানে এক এক রকম লীলার বর্ণন পাওয়া যায়। এসবের কারণ হলো *#কল্পভেদ*। কোন কল্পে একরকম লীলা করেছেন, অন্য কল্পে অন্যরকম লীলা করেছেন। যখন ত্রিকালজ্ঞ ঋষিগণ লিখতে বসলেন, সে সময় তার হৃদয়ে যে কল্পের লীলা আবির্ভূত হয়েছেন, তিনি সেভাবেই লিখেছেন বা বর্ণনা করেছেন। অতএব সব লীলাই নিত্য এবং সত্য। 
(ত্রিকাল সত্য গৌর লীলা)।

বৃন্দাবন দাস ঠাকুর যে লীলার বিস্তারপূর্বক বর্ণনা করেছেন, কবিরাজ গোস্বামী সেখানে প্রনাম করে, সে লীলা সূত্ররূপে বর্ণনা করে অন্য লীলা বিস্তারে মনোযোগী হয়েছেন।
 *"#ভুবনেশ্বর_পথে_যৈছে_করিলা_গমন। #বিস্তারি_বর্ণিয়াছেন_দাস_বৃন্দাবন।।*

এ লীলা বাদ দিয়ে এবার বর্ণন করছেন -  *#কমলপুরে_আসি_ভার্গী_নদী_স্নান_কৈল। #নিত্যানন্দ_হাতে_প্রভু_দণ্ড_ধরিল।।*

নিত্যানন্দ প্রভুর হাতে দণ্ড দিয়ে মহাপ্রভু  ভক্তগণ সঙ্গে কপোতেশ্বর  দর্শনে গমন করলেন।
এদিকে নিত্যানন্দ প্রভু দণ্ডখানা তিন খণ্ড করে ভেঙে ভার্গী নদীর জলে ভাসিয়ে দিলেন। তিনি মনে মনে ভাবলেন তিন যুগে দণ্ড ছিল, তাই তিন খণ্ড করে ভেঙে ভাসিয়ে দিলাম। এই ধন্য কলিযুগে আর কোনো দণ্ড নেই, কেবল প্রেম আর ভালোবাসা।

মহাপ্রভু কপোতেশ্বর মহাদেব দর্শন করে ফিরে এসে জগন্নাথ মন্দিরের ধ্বজা দেখতে পেলেন। দেখেই তিনি আবিষ্ট হয়ে দণ্ডবৎ করে প্রেমে নাচতে লাগলেন।মহাপ্রভু দেখতে পেলেন মন্দিরের শিখরে বসে ছোট্ট গোপাল হাসছেন।
*#প্রভু_বলে_দেখ_মন্দিরের_অগ্রমূলে।  #হাসেন_আমারে_দেখি_শ্রী_বালগোপালে*।। 
এভাবে হাসতে-কাঁদতে-নাচতে-গাইতে, হুঙ্কার-গর্জন করে প্রভু আঠারো নালায় এসে কিঞ্চিৎ বাহ্য প্রকাশ করলেন। নিত্যানন্দ প্রভুকে বললেন - "দাও আমার দণ্ডখানা‌। নিত্যানন্দ প্রভু বললেন - দণ্ড তিন খণ্ড হয়ে গেছে।
মহাপ্রভু বললেন - কি করে হল?
 নিত্যানন্দ প্রভু বললেন - তুমি প্রেমাবেশে পড়ে গেলে, তোমাকে ধরতে গিয়ে দণ্ডের উপরে আমি পড়লাম, তখনই দণ্ড ভেঙে গেল। এখন যা হয় আমাকেই দণ্ড কর।

শুনে মহাপ্রভু দুঃখ প্রকাশ করলেন। ঈষৎ ক্রোধ করে বললেন নীলাচলে এনে আমার ভালো হিত করলে!একমাত্র দণ্ডটি ছিল তাও তোমাদের দয়ায় গেল! হয় তোমরা আগে যাও, নইলে আমি আগে যাই।  মুকুন্দ দত্ত বললেন - প্রভু তুমি আগে চল, আমরা তোমার পিছে পিছে যাব। শুনে মহাপ্রভু বিদ্যুৎবেগে গমন করলেন।
তীব্র বেগে মহাপ্রভু  শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশ করলেন। গর্ভগৃহে বিরাজমান জগন্নাথ বলরাম এবং সুভদ্রা কে নয়ন ভরে দর্শন করলেন।
*#হেনকালে_গৌরচন্দ্র_জগৎ_জীবন। #দেখিলেন_জগন্নাথ_সুভদ্রা_সঙ্কর্ষণ*।

সপার্ষদ জগন্নাথ কে দেখে মহাপ্রভু আনন্দে হুঙ্কার করে উঠলেন। জগন্নাথকে আলিঙ্গন করতে ধাবিত হলেন। কিন্তু প্রেমাবেশে নাটমন্দিরেই মূর্চ্ছিত হয়ে পড়লেন।তখন মন্দিরে উপস্থিত রয়েছেন বেদান্তবিদ *#বাসুদেব_সার্বভৌম_ভট্টাচার্য*। পড়িছা পাণ্ডাগণ মারতে উদ্যত হলে সার্বভৌম ভট্টাচার্য নিবারণ করলেন। তার অদ্ভুত প্রেমের বিকার দেখে বিস্মিত হয়ে ভাবছেন এ সাধারণ মানুষ নয়। এদিকে ভোগের সময় হয়ে গেল, তথাপি প্রভুর মূর্চ্ছা ভঙ্গ না হওয়ায় সার্বভৌম নিজ শিষ্যদের দ্বারা প্রভুকে  নিজের বাড়িতে নিয়ে গেলেন।মহাপ্রভুর শরীরে প্রাণের কোনো চিহ্ন নেই । শ্বাস-প্রশ্বাস চলাচল বন্ধ। সার্বভৌম মহাপ্রভুর নাকের ডগায় তুলো ধরে দেখতে পেলেন তুলো অল্প অল্প নড়ছে।সার্বভৌম বুঝলেন এই সন্ন্যাসীর দেহে কৃষ্ণ প্রেমের #সুদ্দীপ্ত_সাত্ত্বিক_বিকার বিরাজিত।#অধিরূঢ়_মহাভাবের একটি বিকার হল এই সুদ্দীপ্ত সাত্ত্বিক বিকার,যা রাধারাণী ব্যাতীত আর কারোর মধ্যেই অসম্ভব ।সেই অসম্ভব বিকার এই সন্ন্যাসীর দেহে বর্তমান।  

ইতিমধ্যে নিত্যানন্দ প্রভু সহ ভক্তগণ জগন্নাথ মন্দিরে উপনীত হলেন।সেখানে লোকমুখে শুনতে পেলেন এক সন্ন্যাসী জগন্নাথ কে দেখে অচেতন হয়ে পড়েছিল।সার্বভৌম ভট্টাচার্য তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছেন।সবাই বুঝতে পারলেন যে এই সন্ন্যাসীই তাদের প্রাণপ্রিয় মহাপ্রভু ।সেইমুহূর্তে সেখানে গোপীনাথাচার্যের সঙ্গে দেখা হলে সব ঘটনা অবগত হয়ে সকলে মিলে সার্বভৌম ভট্টাচার্যের বাড়িতে উপনীত হলেন।সার্বভৌম ঠাকুর নিজপুত্র #চন্দনেশ্বর কে পাঠিয়ে নিত্যানন্দ প্রভু সহ অন্য ভক্তদের জগন্নাথ দর্শন করিয়ে আনলেন।সার্বভৌমের বাড়িতে সবাই ফিরে এলেন।এদিকে তিনপ্রহরেও মহাপ্রভুর মূর্চ্ছা ভঙ্গ না হওয়ায় সকলে মিলে উচ্চ সংকীর্তন শুরু করলেন। কীর্তন ধ্বনি কানে প্রবেশ করতেই মহাপ্রভু উঠে বসলেন। সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য জগন্নাথের মহাপ্রসাদ আনলেন।সকলে মধ্যাহ্ন কৃত্য সমাপন করে জগন্নাথের মহাপ্রসাদ পেতে বসলেন।জগন্নাথের প্রসাদে মহাপ্রভু বড় সন্তুষ্ট হলেন।তবে নিজে লাফড়া-ব্যঞ্জন প্রসাদ ছাড়া আর কিছুই পেলেন না।পীঠা-পানা সহ অন্যান্য প্রসাদ নিত্যানন্দ প্রভু সহ অন্যদের বিতরণ করতে বললেন।মহাপ্রভু সন্ন্যাসী জেনে সার্বভৌম ঠাকুর মহাপ্রভু কে *#নমো_নারায়ণায় বলে প্রণাম করতেই মহাপ্রভু #কৃষ্ণে_মতিরস্তু বলে আশীর্বাদ করলেন।* 
সার্বভৌম ভট্টাচার্য গোপীনাথ আচার্যকে মহাপ্রভুর পূর্বাশ্রমের বিষয়ে জানতে চাইলে গোপীনাথ আচার্য তা অবগত করালেন।সব শুনে সার্বভৌম ঠাকুর আপাতত ভাবে মহাপ্রভুর বসবাসের  জন্য একটা নির্জন স্থান খুঁজে দিলেন।সেইস্থানেই মহাপ্রভু পার্ষদ গণের সাথে থাকতেন।এবং প্রতিদিন সপার্ষদ মহাপ্রভু ভোরবেলায় স্নান সেরে জগন্নাথের মঙ্গলারতি দেখতে যেতেন।তবে সার্বভৌম ঠাকুর এবং অন্য ভক্তদের অনুরোধে মহাপ্রভু গর্ভগৃহে প্রবেশ করতেন না।জগমোহনে গরুড় স্তম্ভের পাশে দাঁড়িয়ে জগন্নাথ দর্শন করতেন।।......

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৭০. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 🙏 মহাপ্রভুর ভুবনেশ্বরে আগমন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_71.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ ৭০. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
( ৭০)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
 *#মহাপ্রভুর_ভুবনেশ্বরে_আগমন।*
 
সাক্ষীগোপাল মন্দিরে ঐদিন নিত্যানন্দ প্রভু সহ সপার্ষদ মহাপ্রভু রাত্রিবাস করে পরদিন ব্রাহ্মমুহূর্তে সাক্ষীগোপালের মঙ্গলারতি দর্শন করে রওনা হলেন ভুবনেশ্বরের পথে।

*#ভুবনেশ্বর_শৈবতীর্থ* - দেবাদিদেব শিবের নিবাস ভূমি।
*#তবে_প্রভু_আইলেন_শ্রী_ভুবনেশ্বর। #গুপ্তকাশী_বাস_যথা_করেন_শঙ্কর ।।*

ভুবনেশ্বরে রয়েছে বিখ্যাত বিন্দু সরোবর।সমস্ত তীর্থের জল বিন্দু বিন্দু এনে এই সরোবর মহাদেব শিব নিজে প্রকট করিয়েছিলেন।মহাপ্রভু #শিব_প্রিয়_বিন্দুসরোবর এ স্নান করে অতি প্রসন্ন হলেন। পাশেই #ভুবনেশ্বর_শিব নামে পূজিত শ্রী #লিঙ্গরাজ_মহাদেবের মন্দিরে গিয়ে শিব দর্শন করে আনন্দে নৃত্য আরম্ভ করলেন।সেই রাত্রি মহাপ্রভু ভক্তগন সাথে ভুবনেশ্বরেই অতিবাহিত করলেন।  
স্কন্দ পুরাণে ভুবনেশ্বরের মাহাত্ম্য বর্ণণা করা আছে।সেই মাহাত্ম্যই #বৃন্দাবন_দাস_ঠাকুর #চৈতন্য_ভাগবত গ্রন্থে সংকলন করে আমাদের আস্বাদন করিয়েছেন।
কাশীতে দেবাদিদেব মহাদেব এবং মা পার্বতী বিলাস করার পরে কৈলাসে ফিরে গেলেন।কাশীতে মনুষ্য জাতির আধিপত্য বিস্তার হল।#কাশীরাজ নামে একজন শিব উপাসক রাজা হলেন।শিব উপাসক হলেও কাশীরাজ ছিলেন কৃষ্ণবিদ্বেষী।কৃষ্ণকে যুদ্ধে পরাজিত করার জন্য কাশীরাজ শিব আরাধনা করে শিবের বরপ্রাপ্ত হলেন।যুদ্ধে শিব #পাশুপত অস্ত্র নিয়ে নিজভক্ত কাশীরাজকে সহায়তা করতে লাগলেন।শ্রীকৃষ্ণ এইযুদ্ধে সুদর্শন চক্র নিক্ষেপ করলেন। সুদর্শন চক্রের প্রভাবে কাশীরাজ পরমগতি প্রাপ্ত হলেন এবং সমস্ত কাশী নগরী পুড়ে ভস্ম হয়ে গেল।নিজক্ষেত্র কাশীকে ভস্মরূপে দেখে দেবাদিদেব সুদর্শন চক্রের উদ্দেশ্যে পাশুপত অস্ত্র প্রয়োগ করলেন।কিন্তু 
#পাশুপত_অস্ত্র_কি_করিব_চক্রস্থানে।
#চক্রতেজ_দেখি_পলাইল_সেইক্ষণে।।
শেষে দেবাদিদেব মহাদেব কৃষ্ণের শরণাপন্ন হয়ে স্তবস্তুতি করে কৃষ্ণকে সন্তুষ্ট করলেন।এবং সুদর্শন চক্র শান্ত হলেন।এরপরে শিব এবং কৃষ্ণের অন্তরঙ্গ বাক্য আলাপন হল।শিবের কথায় প্রীত হয়ে কৃষ্ণ এই ভুবনেশ্বর স্থান শিবকে উপহার দিলেন।প্রাচীনকালে ভুবনেশ্বর #একাম্রকবন নামে পরিচিত ছিল ।এবং নিজেও প্রতিজ্ঞা করলেন সমুদ্র তীরে #নীলাচল ধামে তিনি নিজে বসবাস করবেন।এরপরে শিব এবং কৃষ্ণের কথোপকথনে ভুবনেশ্বর এবং নীলাচল-পুরীর মাহাত্ম্য উদ্ঘাটিত হল।কৃষ্ণ আরো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেন যে, যে ব্যক্তি শিব বিরোধিতা করবে সে কৃষ্ণ আরাধনা করলেও কোনোদিন কৃষ্ণপ্রিয় হতে পারবে না।
*#শুন_শিব_তুমি_মোর_নিজ_দেহ_সম। #যে_তোমার_প্রিয়_সে_মোর_প্রিয়তম।।*
*#যে_আমার_ভক্ত_হই_তোমা_অনাদরে। #সে_আমারে_মাত্র_যেন_বিড়ম্বনা_করে।।*
এই সেই ভুবনেশ্বর।পরবর্তীতে একাম্রকবন থেকে নাম পরিবর্তন হয়েছে।মহাপ্রভু নিজে ভুবনেশ্বরে দেবাদিদেব মহাদেব কে দর্শন করে ভুবনমঙ্গল নৃত্য করেছেন এবং ভক্তগণ সাথে শিব আরাধনা করেছেন।
*#শিব_প্রিয়_বড়_কৃষ্ণ_তাহা_বুঝাইতে। #নৃত্য_করে_গৌরচন্দ্র_শিবের_সাক্ষাতে।।*
এরপরে মহাপ্রভু ভুবনেশ্বরে অন্যান্য মন্দিরে শিব দর্শন করে এগোলেন #শ্রীক্ষেত্র_পুরীধামের দিকে।

ক্রমশ....

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৭০. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 🙏 মহাপ্রভুর ভুবনেশ্বরে আগমন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_71.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ ৭০. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
( ৭০)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
 *#মহাপ্রভুর_ভুবনেশ্বরে_আগমন।*
 
সাক্ষীগোপাল মন্দিরে ঐদিন নিত্যানন্দ প্রভু সহ সপার্ষদ মহাপ্রভু রাত্রিবাস করে পরদিন ব্রাহ্মমুহূর্তে সাক্ষীগোপালের মঙ্গলারতি দর্শন করে রওনা হলেন ভুবনেশ্বরের পথে।

*#ভুবনেশ্বর_শৈবতীর্থ* - দেবাদিদেব শিবের নিবাস ভূমি।
*#তবে_প্রভু_আইলেন_শ্রী_ভুবনেশ্বর। #গুপ্তকাশী_বাস_যথা_করেন_শঙ্কর ।।*

ভুবনেশ্বরে রয়েছে বিখ্যাত বিন্দু সরোবর।সমস্ত তীর্থের জল বিন্দু বিন্দু এনে এই সরোবর মহাদেব শিব নিজে প্রকট করিয়েছিলেন।মহাপ্রভু #শিব_প্রিয়_বিন্দুসরোবর এ স্নান করে অতি প্রসন্ন হলেন। পাশেই #ভুবনেশ্বর_শিব নামে পূজিত শ্রী #লিঙ্গরাজ_মহাদেবের মন্দিরে গিয়ে শিব দর্শন করে আনন্দে নৃত্য আরম্ভ করলেন।সেই রাত্রি মহাপ্রভু ভক্তগন সাথে ভুবনেশ্বরেই অতিবাহিত করলেন।  
স্কন্দ পুরাণে ভুবনেশ্বরের মাহাত্ম্য বর্ণণা করা আছে।সেই মাহাত্ম্যই #বৃন্দাবন_দাস_ঠাকুর #চৈতন্য_ভাগবত গ্রন্থে সংকলন করে আমাদের আস্বাদন করিয়েছেন।
কাশীতে দেবাদিদেব মহাদেব এবং মা পার্বতী বিলাস করার পরে কৈলাসে ফিরে গেলেন।কাশীতে মনুষ্য জাতির আধিপত্য বিস্তার হল।#কাশীরাজ নামে একজন শিব উপাসক রাজা হলেন।শিব উপাসক হলেও কাশীরাজ ছিলেন কৃষ্ণবিদ্বেষী।কৃষ্ণকে যুদ্ধে পরাজিত করার জন্য কাশীরাজ শিব আরাধনা করে শিবের বরপ্রাপ্ত হলেন।যুদ্ধে শিব #পাশুপত অস্ত্র নিয়ে নিজভক্ত কাশীরাজকে সহায়তা করতে লাগলেন।শ্রীকৃষ্ণ এইযুদ্ধে সুদর্শন চক্র নিক্ষেপ করলেন। সুদর্শন চক্রের প্রভাবে কাশীরাজ পরমগতি প্রাপ্ত হলেন এবং সমস্ত কাশী নগরী পুড়ে ভস্ম হয়ে গেল।নিজক্ষেত্র কাশীকে ভস্মরূপে দেখে দেবাদিদেব সুদর্শন চক্রের উদ্দেশ্যে পাশুপত অস্ত্র প্রয়োগ করলেন।কিন্তু 
#পাশুপত_অস্ত্র_কি_করিব_চক্রস্থানে।
#চক্রতেজ_দেখি_পলাইল_সেইক্ষণে।।
শেষে দেবাদিদেব মহাদেব কৃষ্ণের শরণাপন্ন হয়ে স্তবস্তুতি করে কৃষ্ণকে সন্তুষ্ট করলেন।এবং সুদর্শন চক্র শান্ত হলেন।এরপরে শিব এবং কৃষ্ণের অন্তরঙ্গ বাক্য আলাপন হল।শিবের কথায় প্রীত হয়ে কৃষ্ণ এই ভুবনেশ্বর স্থান শিবকে উপহার দিলেন।প্রাচীনকালে ভুবনেশ্বর #একাম্রকবন নামে পরিচিত ছিল ।এবং নিজেও প্রতিজ্ঞা করলেন সমুদ্র তীরে #নীলাচল ধামে তিনি নিজে বসবাস করবেন।এরপরে শিব এবং কৃষ্ণের কথোপকথনে ভুবনেশ্বর এবং নীলাচল-পুরীর মাহাত্ম্য উদ্ঘাটিত হল।কৃষ্ণ আরো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেন যে, যে ব্যক্তি শিব বিরোধিতা করবে সে কৃষ্ণ আরাধনা করলেও কোনোদিন কৃষ্ণপ্রিয় হতে পারবে না।
*#শুন_শিব_তুমি_মোর_নিজ_দেহ_সম। #যে_তোমার_প্রিয়_সে_মোর_প্রিয়তম।।*
*#যে_আমার_ভক্ত_হই_তোমা_অনাদরে। #সে_আমারে_মাত্র_যেন_বিড়ম্বনা_করে।।*
এই সেই ভুবনেশ্বর।পরবর্তীতে একাম্রকবন থেকে নাম পরিবর্তন হয়েছে।মহাপ্রভু নিজে ভুবনেশ্বরে দেবাদিদেব মহাদেব কে দর্শন করে ভুবনমঙ্গল নৃত্য করেছেন এবং ভক্তগণ সাথে শিব আরাধনা করেছেন।
*#শিব_প্রিয়_বড়_কৃষ্ণ_তাহা_বুঝাইতে। #নৃত্য_করে_গৌরচন্দ্র_শিবের_সাক্ষাতে।।*
এরপরে মহাপ্রভু ভুবনেশ্বরে অন্যান্য মন্দিরে শিব দর্শন করে এগোলেন #শ্রীক্ষেত্র_পুরীধামের দিকে।

ক্রমশ....

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৬৯. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 🙏 মহাপ্রভুর কটক আগমন সাক্ষীগোপাল দর্শন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_32.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ ৬৯. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
( ৬৯)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
 *#মহাপ্রভুর_কটক_আগমন_সাক্ষীগোপাল_দর্শন:*

রেমুনা থেকে সগণে মহাপ্রভু জাজপুর এসে উপনীত হলেন।  সেখানে প্রবাহিত বৈতরণী নদী, যে নদী পার হলে জন্তুমাত্র চতুর্ভুজ স্বরূপ ধারণ করে। তথা স্নান পানে প্রসন্ন হয়ে আসলেন বিরজাদেবীর স্থান__ #নাভিগয়ায়‌। এখান থেকে শ্রীক্ষেত্র ১০ যোজন অর্থাৎ ৪০ ক্রোশ দূরে অবস্থিত।
 #জাজপুরে অসংখ্য দেবস্থানের অবস্থিতি। প্রথমে দশাশ্বমেধ ঘাটে স্নান করলেন ভক্তগণ সাথে, তারপর সেখানে সর্ববন্ধ বিনাশন, নয়ন-মন-হরন, আদিবরাহ দর্শন করে প্রেমানন্দে নৃত্য-কীর্তন করলেন‌। নৃত্য-কীর্তন করতে করতে হঠাৎ কোথায় চলে গেলেন কেউ বুঝতে পারল না।
অনেক খোঁজাখুঁজি করে কোথাও পাওয়া গেল না। সকলেই প্রভুর জন্য চিন্তিত হয়ে পড়লেন।
নিত্যানন্দ প্রভু বললেন -"প্রভু যে জন্য গিয়েছেন তা আমি বুঝতে পেরেছি। একাই একান্তে সমস্ত দেবস্থান দর্শন করবেন বলেই এখান থেকে একা একা চলে গিয়েছেন। চলো, আমরা ভিক্ষা করে আজ থাকি, কালকে এখানেই প্রভুকে পেয়ে যাব" এই বলে সব ভক্তগণ মিলে ভিক্ষা করে এনে ভোজন করলেন। মহাপ্রভু সমস্ত জাজপুর গ্রাম দর্শন করে পরের দিন ভক্তগনের সাথে মিলিত হলেন। সব ভক্তগণ "হরি-হরি" বলে আনন্দ করে উঠলেন। সকলকে সাথে নিয়ে মহাপ্রভু চলে আসলেন #কটক নগরে।ভাগ্যবতী মহানদীর জলে স্নান করে চলে আসলেন #সাক্ষীগোপাল দর্শনে। তার অদ্ভুত রূপ-লাবণ্য দেখে মহাপ্রভু মুগ্ধ হয়ে হুঙ্কার-গর্জন পূর্বক নৃত্যগীত শুরু করলেন। ভক্তগণ সাক্ষী গোপালের কাহিনী শোনার ইচ্ছা প্রকাশ করলে নিত্যানন্দ প্রভু বলতে শুরু করলেন। 

পূর্বেই  কটকে সাক্ষী গোপাল দর্শন করেছিলেন,তখনই এই আখ্যান তিনি স্থানীয় জনদের কাছে শুনেছিলেন ।আজ সেই আখ্যান তিনি বলছেন।আর মহাপ্রভু সহ ভক্তগণ শুনছেন।

*#নিত্যানন্দ_বক্তা_যাঁর_শ্রোতা_শ্রীচৈতন্য।*

বিদ্যানগরে বাস করতেন দুই ব্রাহ্মণ । একজন বয়সে বৃদ্ধ অপরজন যুবক।দুই ব্রাহ্মণ বহুতীর্থ দর্শন করে এলেন বৃন্দাবনে। বর্তমানে যে স্থানে গোবিন্দ মন্দির বিরাজিত,তার পাশে সিংহপৌর হনুমান মন্দিরের কাছেই ছিল এই গোপাল মন্দির। 

*#বৃন্দাবনে_গোবিন্দ_স্থানে_মহাদেবালয়।*
*#সে_মন্দিরে_গোপালের_মহা_সেবা_হয়।।*

মন্দিরে গোপালের সেবা দেখে দুই ব্রাহ্মণ পুলকিত ।যুবক ব্রাহ্মণের সেবাতে বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ খুব প্রসন্ন। নিজের ছেলেও এইরকম ভাবে বাবার সেবা করেনা ।
*#পুত্রেও_পিতার_ঐছে_না_করে_সেবন।*
*#তোমার_প্রসাদে_আমি_না_পাইলাম_শ্রম।।*
যুবক ব্রাহ্মণের সেবাতে খুশি হয়ে বৃদ্ধ-ব্রাহ্মণ যুবক-ব্রাহ্মণকে নিজের কন্যা সম্প্রদান করবেন বলে স্থির করলেন। যুবক ব্রাহ্মণ এই ব্যাপারে নারাজ।কারণ বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ মহাকুলীন আর যুবক ব্রাহ্মণ অকুলীন।বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের পরিবারের লোকেরা এই বিয়েতে সম্মতি দেবে না। বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ কিন্তু একেবারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ - কন্যা সম্প্রদান তিনি  করবেনই।কারণ কন্যা তাঁর নিজের আত্মজা।কার হাতে তিনি কন্যা দেবেন তা সম্পূর্ণ তাঁর নিজের ব্যাপার। যুবক ব্রাহ্মণ তখন বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ কে বলল ,"আপনি যদি এতই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ তবে গোপালের সামনে প্রতিজ্ঞা করুন।" 
বৃদ্ধব্রাহ্মণ গোপালের সামনে কন্যা সম্প্রদানের প্রতিজ্ঞা করলেন।দুজনেই বাড়িতে এলেন।যথাবিধি বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের বাড়ির লোক; আত্মীয়-স্বজন  কেহই এই প্রস্তাবে রাজী হলেন না। বৃদ্ধের ছেলে বলল বিগ্রহের সামনে প্রতিজ্ঞা করলে বিগ্রহ তো আর হেঁটে হেঁটে সাক্ষী দিতে আসবে না।সুতরাং বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ পরিবার পরিজনের চাপে কন্যা সম্প্রদানে অস্বীকৃত হলেন। 
যুবক ব্রাহ্মণ তখন লোকজন ডাকলেন, বিচারে সর্বসম্মতিক্রমে নির্ণীত হল, যদি গোপাল এসে সাক্ষী দেয়, তাহলে কন্যা যুবক ব্রাহ্মণই পাবে। তাতেই রাজি হয়ে যুবক ব্রাহ্মণ চলে আসলেন বৃন্দাবনে।
এসে গোপালকে বললেন '"চলো সাক্ষী দিতে হবে।"
 গোপাল বলছে -"মূর্তি কখনো হেঁটে যায়?"
 ব্রাহ্মণ বলল -"যদি হাঁটতে না পার, তো কথা বলছ কি করে?
 ব্রাহ্মণের যুক্তিতে ঠাকুর হেরে গিয়ে বললেন -"আমি যেতে রাজি আছি।"
 সাক্ষী দিতে আমি যাব তোমার পেছনে পেছনে।তুমি নূপুরের শব্দ শুনে আমার অস্তিত্ব অনুমান করবে।কিন্তু পিছন ফিরে চাইবে না"। ফিরে তাকালে আমি আর সেখান থেকে যাব না। দৈনিক একসের চালের অন্নভোগ নিবেদন করতে হবে।"
ঠাকুরের শর্তে ব্রাহ্মণ রাজি হয়ে উভয়ে রওনা দিলেন।
  বিদ্যানগরের কাছে এসে যুবক ব্রাহ্মণ ভাবছে গ্রামে যাব, সেখানে গিয়ে ঠাকুর যদি না দেখাতে পারি? তাহলে লোকে হাসি করবে। আমি একবার পিছন ফিরে তাকাই, ঠাকুর যদি এখানে থেকেও যায় তাতে কোন অসুবিধা নেই, সবাইকে এখানেই ডেকে আনব। এই ভেবে পিছন ফিরে চাইতেই গোপাল বিগ্রহরূপে দাঁড়িয়ে পড়লেন। গ্রামে গিয়ে যুবক ব্রাহ্মণ সবাই কে ডেকে আনল। সবার সামনে বিগ্রহরূপী গোপাল যুবক ব্রাহ্মণের পক্ষে সাক্ষী দিল।
#সকল_লোকের_আগে_গোপাল_সাক্ষী_দিল।
#বড়_বিপ্র_ছোট_বিপ্রে_কন্যাদান_কৈল।।
 সেই থেকেই এই গোপাল #সাক্ষীগোপাল নামে পূজিত হয়ে আসছেন। বিদ্যানগরেই এই গোপাল সেবিত হতেন ।উড়িষ্যার রাজা পুরুষোত্তম দেব বিদ্যানগরের রাজাকে যুদ্ধে পরাজিত করেন। পুরুষোত্তম দেবের ভক্তিতে প্রীত  হয়ে গোপাল চলে আসেন উড়িষ্যার কটকে। উড়িষ্যার রাজমহিষী গোপালের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে বহুমূল্য নিজের নাকের নোলক পরানোর বাসনা করে ঘরে ফিরে গেলেন। রাত্রে গোপাল স্বপ্নে দেখা দিয়ে রানীকে বলছেন -"আমাকে নোলক দিলে না? তোমার নাকে যে নোলক আছে এই নোলকই  আমাকে দেবে।
 *#শিশু_কালে_মাতা_মোর_নাসা_ছিদ্র_করি।#মুক্ত_পড়াইয়াছিলা_বহু_যত্ন_করি।।* 
 সেই ছিদ্র এখনো রয়েছে। পূজারী চন্দন দিয়ে দিয়ে ঢেকে ফেলেছে।তোমার নাকের নোলক নিয়ে গিয়ে আগামীকাল আমাকে পরিয়ে দেবে। স্বপ্নভঙ্গে রানী আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে গোপালকে নোলক সমর্পন করে মহামহোৎসব করেছিলেন। 

 নিত্যানন্দ প্রভুর মুখে গোপালের কাহিনী শুনতে শুনতে আনন্দে পুলকিত হলেন মহাপ্রভু । গোপালের সেবকগণ গোপাল আর মহাপ্রভুর মধ্যে অভিন্নতা লক্ষ্য করে আশ্চর্য হয়ে গেলেন। রাত শেষে ভোরে মঙ্গলারতি দর্শন করে মহাপ্রভু এগোলেন ভুবনেশ্বরের দিকে।

ক্রমশ.....

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৬৯. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 🙏 মহাপ্রভুর কটক আগমন সাক্ষীগোপাল দর্শন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_32.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ ৬৯. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
( ৬৯)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
 *#মহাপ্রভুর_কটক_আগমন_সাক্ষীগোপাল_দর্শন:*

রেমুনা থেকে সগণে মহাপ্রভু জাজপুর এসে উপনীত হলেন।  সেখানে প্রবাহিত বৈতরণী নদী, যে নদী পার হলে জন্তুমাত্র চতুর্ভুজ স্বরূপ ধারণ করে। তথা স্নান পানে প্রসন্ন হয়ে আসলেন বিরজাদেবীর স্থান__ #নাভিগয়ায়‌। এখান থেকে শ্রীক্ষেত্র ১০ যোজন অর্থাৎ ৪০ ক্রোশ দূরে অবস্থিত।
 #জাজপুরে অসংখ্য দেবস্থানের অবস্থিতি। প্রথমে দশাশ্বমেধ ঘাটে স্নান করলেন ভক্তগণ সাথে, তারপর সেখানে সর্ববন্ধ বিনাশন, নয়ন-মন-হরন, আদিবরাহ দর্শন করে প্রেমানন্দে নৃত্য-কীর্তন করলেন‌। নৃত্য-কীর্তন করতে করতে হঠাৎ কোথায় চলে গেলেন কেউ বুঝতে পারল না।
অনেক খোঁজাখুঁজি করে কোথাও পাওয়া গেল না। সকলেই প্রভুর জন্য চিন্তিত হয়ে পড়লেন।
নিত্যানন্দ প্রভু বললেন -"প্রভু যে জন্য গিয়েছেন তা আমি বুঝতে পেরেছি। একাই একান্তে সমস্ত দেবস্থান দর্শন করবেন বলেই এখান থেকে একা একা চলে গিয়েছেন। চলো, আমরা ভিক্ষা করে আজ থাকি, কালকে এখানেই প্রভুকে পেয়ে যাব" এই বলে সব ভক্তগণ মিলে ভিক্ষা করে এনে ভোজন করলেন। মহাপ্রভু সমস্ত জাজপুর গ্রাম দর্শন করে পরের দিন ভক্তগনের সাথে মিলিত হলেন। সব ভক্তগণ "হরি-হরি" বলে আনন্দ করে উঠলেন। সকলকে সাথে নিয়ে মহাপ্রভু চলে আসলেন #কটক নগরে।ভাগ্যবতী মহানদীর জলে স্নান করে চলে আসলেন #সাক্ষীগোপাল দর্শনে। তার অদ্ভুত রূপ-লাবণ্য দেখে মহাপ্রভু মুগ্ধ হয়ে হুঙ্কার-গর্জন পূর্বক নৃত্যগীত শুরু করলেন। ভক্তগণ সাক্ষী গোপালের কাহিনী শোনার ইচ্ছা প্রকাশ করলে নিত্যানন্দ প্রভু বলতে শুরু করলেন। 

পূর্বেই  কটকে সাক্ষী গোপাল দর্শন করেছিলেন,তখনই এই আখ্যান তিনি স্থানীয় জনদের কাছে শুনেছিলেন ।আজ সেই আখ্যান তিনি বলছেন।আর মহাপ্রভু সহ ভক্তগণ শুনছেন।

*#নিত্যানন্দ_বক্তা_যাঁর_শ্রোতা_শ্রীচৈতন্য।*

বিদ্যানগরে বাস করতেন দুই ব্রাহ্মণ । একজন বয়সে বৃদ্ধ অপরজন যুবক।দুই ব্রাহ্মণ বহুতীর্থ দর্শন করে এলেন বৃন্দাবনে। বর্তমানে যে স্থানে গোবিন্দ মন্দির বিরাজিত,তার পাশে সিংহপৌর হনুমান মন্দিরের কাছেই ছিল এই গোপাল মন্দির। 

*#বৃন্দাবনে_গোবিন্দ_স্থানে_মহাদেবালয়।*
*#সে_মন্দিরে_গোপালের_মহা_সেবা_হয়।।*

মন্দিরে গোপালের সেবা দেখে দুই ব্রাহ্মণ পুলকিত ।যুবক ব্রাহ্মণের সেবাতে বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ খুব প্রসন্ন। নিজের ছেলেও এইরকম ভাবে বাবার সেবা করেনা ।
*#পুত্রেও_পিতার_ঐছে_না_করে_সেবন।*
*#তোমার_প্রসাদে_আমি_না_পাইলাম_শ্রম।।*
যুবক ব্রাহ্মণের সেবাতে খুশি হয়ে বৃদ্ধ-ব্রাহ্মণ যুবক-ব্রাহ্মণকে নিজের কন্যা সম্প্রদান করবেন বলে স্থির করলেন। যুবক ব্রাহ্মণ এই ব্যাপারে নারাজ।কারণ বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ মহাকুলীন আর যুবক ব্রাহ্মণ অকুলীন।বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের পরিবারের লোকেরা এই বিয়েতে সম্মতি দেবে না। বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ কিন্তু একেবারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ - কন্যা সম্প্রদান তিনি  করবেনই।কারণ কন্যা তাঁর নিজের আত্মজা।কার হাতে তিনি কন্যা দেবেন তা সম্পূর্ণ তাঁর নিজের ব্যাপার। যুবক ব্রাহ্মণ তখন বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ কে বলল ,"আপনি যদি এতই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ তবে গোপালের সামনে প্রতিজ্ঞা করুন।" 
বৃদ্ধব্রাহ্মণ গোপালের সামনে কন্যা সম্প্রদানের প্রতিজ্ঞা করলেন।দুজনেই বাড়িতে এলেন।যথাবিধি বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের বাড়ির লোক; আত্মীয়-স্বজন  কেহই এই প্রস্তাবে রাজী হলেন না। বৃদ্ধের ছেলে বলল বিগ্রহের সামনে প্রতিজ্ঞা করলে বিগ্রহ তো আর হেঁটে হেঁটে সাক্ষী দিতে আসবে না।সুতরাং বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ পরিবার পরিজনের চাপে কন্যা সম্প্রদানে অস্বীকৃত হলেন। 
যুবক ব্রাহ্মণ তখন লোকজন ডাকলেন, বিচারে সর্বসম্মতিক্রমে নির্ণীত হল, যদি গোপাল এসে সাক্ষী দেয়, তাহলে কন্যা যুবক ব্রাহ্মণই পাবে। তাতেই রাজি হয়ে যুবক ব্রাহ্মণ চলে আসলেন বৃন্দাবনে।
এসে গোপালকে বললেন '"চলো সাক্ষী দিতে হবে।"
 গোপাল বলছে -"মূর্তি কখনো হেঁটে যায়?"
 ব্রাহ্মণ বলল -"যদি হাঁটতে না পার, তো কথা বলছ কি করে?
 ব্রাহ্মণের যুক্তিতে ঠাকুর হেরে গিয়ে বললেন -"আমি যেতে রাজি আছি।"
 সাক্ষী দিতে আমি যাব তোমার পেছনে পেছনে।তুমি নূপুরের শব্দ শুনে আমার অস্তিত্ব অনুমান করবে।কিন্তু পিছন ফিরে চাইবে না"। ফিরে তাকালে আমি আর সেখান থেকে যাব না। দৈনিক একসের চালের অন্নভোগ নিবেদন করতে হবে।"
ঠাকুরের শর্তে ব্রাহ্মণ রাজি হয়ে উভয়ে রওনা দিলেন।
  বিদ্যানগরের কাছে এসে যুবক ব্রাহ্মণ ভাবছে গ্রামে যাব, সেখানে গিয়ে ঠাকুর যদি না দেখাতে পারি? তাহলে লোকে হাসি করবে। আমি একবার পিছন ফিরে তাকাই, ঠাকুর যদি এখানে থেকেও যায় তাতে কোন অসুবিধা নেই, সবাইকে এখানেই ডেকে আনব। এই ভেবে পিছন ফিরে চাইতেই গোপাল বিগ্রহরূপে দাঁড়িয়ে পড়লেন। গ্রামে গিয়ে যুবক ব্রাহ্মণ সবাই কে ডেকে আনল। সবার সামনে বিগ্রহরূপী গোপাল যুবক ব্রাহ্মণের পক্ষে সাক্ষী দিল।
#সকল_লোকের_আগে_গোপাল_সাক্ষী_দিল।
#বড়_বিপ্র_ছোট_বিপ্রে_কন্যাদান_কৈল।।
 সেই থেকেই এই গোপাল #সাক্ষীগোপাল নামে পূজিত হয়ে আসছেন। বিদ্যানগরেই এই গোপাল সেবিত হতেন ।উড়িষ্যার রাজা পুরুষোত্তম দেব বিদ্যানগরের রাজাকে যুদ্ধে পরাজিত করেন। পুরুষোত্তম দেবের ভক্তিতে প্রীত  হয়ে গোপাল চলে আসেন উড়িষ্যার কটকে। উড়িষ্যার রাজমহিষী গোপালের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে বহুমূল্য নিজের নাকের নোলক পরানোর বাসনা করে ঘরে ফিরে গেলেন। রাত্রে গোপাল স্বপ্নে দেখা দিয়ে রানীকে বলছেন -"আমাকে নোলক দিলে না? তোমার নাকে যে নোলক আছে এই নোলকই  আমাকে দেবে।
 *#শিশু_কালে_মাতা_মোর_নাসা_ছিদ্র_করি।#মুক্ত_পড়াইয়াছিলা_বহু_যত্ন_করি।।* 
 সেই ছিদ্র এখনো রয়েছে। পূজারী চন্দন দিয়ে দিয়ে ঢেকে ফেলেছে।তোমার নাকের নোলক নিয়ে গিয়ে আগামীকাল আমাকে পরিয়ে দেবে। স্বপ্নভঙ্গে রানী আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে গোপালকে নোলক সমর্পন করে মহামহোৎসব করেছিলেন। 

 নিত্যানন্দ প্রভুর মুখে গোপালের কাহিনী শুনতে শুনতে আনন্দে পুলকিত হলেন মহাপ্রভু । গোপালের সেবকগণ গোপাল আর মহাপ্রভুর মধ্যে অভিন্নতা লক্ষ্য করে আশ্চর্য হয়ে গেলেন। রাত শেষে ভোরে মঙ্গলারতি দর্শন করে মহাপ্রভু এগোলেন ভুবনেশ্বরের দিকে।

ক্রমশ.....

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৬৮. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 🙏 মহাপ্রভুর রেমুণা আগমন এবং ক্ষীরচোরা গোপীনাথ প্রসঙ্গ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_47.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ ৬৮. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
( ৬৮)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*

*#মহাপ্রভুর_রেমুণা_আগমন_এবং_ক্ষীরচোরা_গোপীনাথ_প্রসঙ্গ।*

রেমুনায় এসে মহাপ্রভু ক্ষীরচোরা-গোপীনাথ দর্শন করে প্রেমানন্দে ভক্তিভরে গোপীনাথের চরণে প্রনাম করতেই গোপীনাথের মাথার পুষ্পচূড়া মহাপ্রভুর  মস্তকের ওপর পড়ল। আনন্দিত চিত্তে মহাপ্রভু   সংকীর্তনানন্দে ধন্য করলেন ক্ষীরচোরা  গোপীনাথ মন্দিরের প্রাঙ্গণ।এর পূর্বেও এই প্রাঙ্গন ধন্য হয়েছে মহাপ্রভুর পরম গুরুদেব #শ্রীপাদ_মাধবেন্দ্রপুরীর আগমনে এবং গোপীনাথ কর্তৃক ক্ষীর চুরির ঘটনা তে।মহাপ্রভুর রূপ গুণ প্রভাব দেখে গোপীনাথের ভক্তগণ বিস্মিত হলেন এবং বিবিধ প্রকারে তাঁর সেবা করতে লাগলেন।এদিকে সন্ধ্যার পরে গোপীনাথের অমৃতকেলি নামে ক্ষীরভোগ হয়। সঙ্গিগণ মহাপ্রভুর কাছে গোপীনাথের ক্ষীর চুরি করার কাহিনী শুনতে চাইলে মহাপ্রভু তাঁর শ্রীগুরুদেব #শ্রীপাদ_ঈশ্বর_পুরীর কাছে শ্রুত ঘটনা টি বললেন।

মাধবেন্দ্রপুরী ছিলেন অযাচকবৃত্তি গ্রহণকারী (যিনি নিজে কিছু চেয়ে খান না।) এক বৈষ্ণব সন্ন্যাসী।একসময় বহুতীর্থ ভ্রমণ করে এসে পৌঁছালেন  শ্রীবৃন্দাবনে।গিরিরাজ গোবর্ধন পরিক্রমা করে গোবিন্দকুণ্ডের জলে স্নান সেরে কুণ্ডতীরে বসে ভগবত ধ্যানে আবিষ্ট হলেন। গোপাল এক গোপ-বালকের বেশে এসে   একভাঁড় দুধ দিয়ে হেসে বললেন।
এ বাবা! এই দুধ টা খেয়ে নাও। বসে বসে কার ধ্যান কর!
(মনের ভাব আমি সাক্ষাতে এসেছি আমাকে না দেখে কার ধ্যান করছো?)

মাধবেন্দ্র পুরী বলছেন - তুমি কি করে জানলে আমি উপবাসী আছি?
গোপাল - মেয়েরা জল নিতে এসেছিল।  তোমাকে দেখে  গিয়ে আমাকে বলল। আমাদের গ্রামে কেউ উপবাসী থাকে না। কেউ ভিক্ষা করে খায়। যারা ভিক্ষা করে না তাদেরকে আমি খাবার পৌঁছে দি।আমার বেশি সময় নেই গোরু দুইতে হবে। তুমি খেয়ে ভাঁড় টা ধুয়ে রেখো, আমি এসে নিয়ে যাব।
 বলে একটু মৃদু হেসে ছেলেটা চলে গেল। একটু দূরে গিয়েই অদৃশ্য!
 মাধবেন্দ্র পুরী ভাবছেন - আহা! কি মধুর রূপ! এত সুন্দর মুখখানা!! সেই ভাবতে ভাবতে দুগ্ধ পান করে ভাঁড়টা ধুয়ে রেখে দিলেন ।
কিন্তু সে ছেলে আর ফিরে আসলো না। মাধবেন্দ্র হরিনাম জপ করেই রাত্রি পার করলেন।শেষ রাতে স্বপ্নে দেখছেন সেই বালক আবার এসেছে।
  বালক বললেন গোবর্ধনের এই কুঞ্জে আমি থাকি।
 বহুদিন ধরে তোমার পথ পানে চেয়ে আছি।

*#বহুদিন_হইতে_করি_পথ_নিরীক্ষণ। #কবে_আসি_মাধব_মোরে_করিবে_সেবন।।*

পরদিন সকালে ব্রজবাসীদের সাহায্যে গোবর্ধন পর্বত থেকে গোপালকে বের করলেন মাধবেন্দ্রপুরী।অভিষেকাদি সম্পন্ন করে অন্নকূট উৎসব করলেন। এইভাবে দুই বছর গোবর্ধনে গোপাল সেবাতে মগ্ন থাকলেন মাধবেন্দ্রপুরী জী।
একদিন তিনি স্বপ্ন দেখলেন - গোপাল এসে বলছে "প্রচণ্ড গরমে আমার কষ্ট হচ্ছে ।নীলাচল পুরী থেকে মলয়জ চন্দন এনে আমার অঙ্গে লেপন কর।তবে আমার তাপ দূরীভূত হবে।" স্বপ্নাদেশ পেয়ে মাধবেন্দ্রপুরী গোপালের সেবাতে বঙ্গদেশ হতে আগত দুজন বৈষ্ণব ব্রাহ্মণকে নিযুক্ত করে, নীলাচলের পথে রওনা দিলেন। মাঝপথে এলেন শান্তিপুরে। গৌর আনা ঠাকুর শ্রীঅদ্বৈত প্রভু  দীক্ষা নিলেন তাঁর কাছে। আবার পথে নামলেন মাধবেন্দ্রপুরী।এলেন রেমুণা তে। 
#রেমুণা_তে_কৈল_গোপীনাথ_দরশন।
#তাঁর_রূপ_দেখিয়া_হৈল_বিহ্বল_মন।।গোপীনাথ কে দেখে মাধবেন্দ্রপুরীর হৃদয় প্রেমে দ্রবীভূত হয়ে গেল।তিনি অনুসন্ধানে জানতে পারলেন যে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ১২টি পাত্রে #অমৃতকেলি নামে ক্ষীর ভোগ হয়।মনে মনে ইচ্ছে যে একবার যদি গোপীনাথের ক্ষীর প্রসাদ পাওয়া যেত তবে সেই ক্ষীর আস্বাদন করে সেই প্রকার ক্ষীর গোপালকে ভোগ দেওয়া যেত। কিন্তু একি ! আমি না অযাচকবৃত্তি ধারী সন্ন্যাসী । আমার মনে এই বাসনাও উচিত নয়! বিষ্ণু বিষ্ণু! সেই রাতে গোপীনাথ কে দর্শন করে মাধবেন্দ্রপুরী মন্দিরের সন্নিকটে একটি হাটে রাত কাটানোর ব্যবস্থা করলেন। এদিকে রাতে গোপীনাথের শয়ন হয়ে গেল।মধ্যরাতে গোপীনাথ নিজের সেবাইত কে স্বপ্ন দিলেন -" ঘুম থেকে ওঠো।মন্দিরের দুয়ার খোলো।দেখো আমার কাপড়ের আঁচল দিয়ে এক পাত্র ক্ষীর ঢাকা আছে। সেই ক্ষীর নিয়ে তুমি হাটের দিকে গিয়ে মাধবেন্দ্রপুরী নামধারী এক সন্ন্যাসীর খোঁজ করো।সে আমার পরম ভক্ত । সারাদিন না খেয়ে আছে।আমি তাঁর জন্য ক্ষীর চুরি করেছি"। স্বপ্নানুসারে পূজারী মাধবেন্দ্রপুরীকে খুঁজে পেলেন এবং ক্ষীর প্রসাদ পাইয়ে সমস্ত ঘটনার ইতিবৃত্ত জানালেন।মাধবেন্দ্রপুরীর তখন "#প্রেমে_ভাসে_নয়ন_জলে" অবস্থা।কিন্তু এইভাবে সবাই জেনে যাবে। মাধবেন্দ্রপুরী সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী । সম্মান পূজা প্রতিষ্ঠা সব ত্যাগ করেছেন।সেই প্রতিষ্ঠাই যদি তাঁর কাছে এসে পড়ে....এই আশঙ্কায় ভোর হতে না হতেই রওনা দিলেন পুরীর উদ্দেশ্যে-মলয়জ চন্দন আনতে।জগন্নাথ দর্শনাদি সেরে মলয়জ চন্দন জোগাড় করে  ফিরে আসতে লাগলেন বৃন্দাবনে । পথে আবার রেমুণাতে এলেন ।যে গোপীনাথ তাঁর জন্য ক্ষীর চুরি করেছেন তাকে একবার না দেখে গেলে মন মানে না।পুনরায় মাধবেন্দ্রপুরী #ক্ষীরচোরা_গোপীনাথ দর্শন করলেন।রাতে গোবর্ধন-বিহারী গোপাল স্বপ্নাদেশ দিলেন-

"#গোপীনাথ_আমার_সে_একই_অঙ্গ_হয়।
#ইহাকে_চন্দন_দিলে_আমার_তাপ_ক্ষয়।।

 মাধবেন্দ্রপুরী সেইমত ব্যবস্থা করলেন। যে চন্দন তিনি ব্রজে নিয়ে গিয়ে গোপাল কে দেবেন বলে স্থির করেছিলেন। সেই চন্দন গোপালের আদেশেই #ক্ষীরচোরা_গোপীনাথ_দেবের_শ্রী_অঙ্গে  লেপন করলেন। গৌড়ীয় বৈষ্ণব জগতে প্রবর্তন করলেন #চন্দন_যাত্রা উৎসব এর। এর আগে এই উৎসব পুরীতে জগন্নাথ দেবের মন্দির  ব্যাতীত অন্য কোথাও অনুষ্ঠিত হয় নি। পরবর্তীতে মাধবেন্দ্রপুরীর অপ্রকটের পরে তাঁকে রেমুণাতেই ক্ষীরচোরা গোপীনাথ মন্দিরের নিকটেই সমাহিত করা হয় ।
এইভাবে শ্রীমন্মহাপ্রভু  নিজ মুখে নিজ পরম গুরুদেবের মহিমা বর্ণনা করলেন।আর সঙ্গের ভক্তরা তা আস্বাদন করলেন।মহাপ্রভু ভাবাবেশে প্রভু নিতাই চাঁদ কে বলে উঠলেন
"#প্রভু_কহে_নিত্যানন্দ_করহ_বিচার।
#পুরী_সম_ভাগ্যবান_জগতে_নাহি_আর।।

গোপীনাথের ১২পাত্র ক্ষীর প্রসাদ নিয়ে এলেন মন্দিরের সেবকেরা।মহাপ্রভু পঞ্চপাত্র (নিজের আর সাথের চারজনের) ক্ষীর নিয়ে বাকি সাতপাত্র সেবকদের ফিরিয়ে দিলেন। অনাবশ্যক নষ্ট হোক সেটা মহাপ্রভু চান না। লোভবশত প্রয়োজনের অতিরিক্ত গ্রহণ করা সন্ন্যাসীর কখনো উচিৎ নয়।
মাধবেন্দ্রপুরীর অমৃত চরিত্র আস্বাদন করে ক্ষীরচোরা গোপীনাথের ক্ষীর প্রসাদ পেয়ে বিশ্রাম শেষে রাত্রি প্রভাত হল।সপার্ষদ  মহাপ্রভু চললেন যাজপুরে।
ক্রমশ......

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৬৮. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 🙏 মহাপ্রভুর রেমুণা আগমন এবং ক্ষীরচোরা গোপীনাথ প্রসঙ্গ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_47.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ ৬৮. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
( ৬৮)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*

*#মহাপ্রভুর_রেমুণা_আগমন_এবং_ক্ষীরচোরা_গোপীনাথ_প্রসঙ্গ।*

রেমুনায় এসে মহাপ্রভু ক্ষীরচোরা-গোপীনাথ দর্শন করে প্রেমানন্দে ভক্তিভরে গোপীনাথের চরণে প্রনাম করতেই গোপীনাথের মাথার পুষ্পচূড়া মহাপ্রভুর  মস্তকের ওপর পড়ল। আনন্দিত চিত্তে মহাপ্রভু   সংকীর্তনানন্দে ধন্য করলেন ক্ষীরচোরা  গোপীনাথ মন্দিরের প্রাঙ্গণ।এর পূর্বেও এই প্রাঙ্গন ধন্য হয়েছে মহাপ্রভুর পরম গুরুদেব #শ্রীপাদ_মাধবেন্দ্রপুরীর আগমনে এবং গোপীনাথ কর্তৃক ক্ষীর চুরির ঘটনা তে।মহাপ্রভুর রূপ গুণ প্রভাব দেখে গোপীনাথের ভক্তগণ বিস্মিত হলেন এবং বিবিধ প্রকারে তাঁর সেবা করতে লাগলেন।এদিকে সন্ধ্যার পরে গোপীনাথের অমৃতকেলি নামে ক্ষীরভোগ হয়। সঙ্গিগণ মহাপ্রভুর কাছে গোপীনাথের ক্ষীর চুরি করার কাহিনী শুনতে চাইলে মহাপ্রভু তাঁর শ্রীগুরুদেব #শ্রীপাদ_ঈশ্বর_পুরীর কাছে শ্রুত ঘটনা টি বললেন।

মাধবেন্দ্রপুরী ছিলেন অযাচকবৃত্তি গ্রহণকারী (যিনি নিজে কিছু চেয়ে খান না।) এক বৈষ্ণব সন্ন্যাসী।একসময় বহুতীর্থ ভ্রমণ করে এসে পৌঁছালেন  শ্রীবৃন্দাবনে।গিরিরাজ গোবর্ধন পরিক্রমা করে গোবিন্দকুণ্ডের জলে স্নান সেরে কুণ্ডতীরে বসে ভগবত ধ্যানে আবিষ্ট হলেন। গোপাল এক গোপ-বালকের বেশে এসে   একভাঁড় দুধ দিয়ে হেসে বললেন।
এ বাবা! এই দুধ টা খেয়ে নাও। বসে বসে কার ধ্যান কর!
(মনের ভাব আমি সাক্ষাতে এসেছি আমাকে না দেখে কার ধ্যান করছো?)

মাধবেন্দ্র পুরী বলছেন - তুমি কি করে জানলে আমি উপবাসী আছি?
গোপাল - মেয়েরা জল নিতে এসেছিল।  তোমাকে দেখে  গিয়ে আমাকে বলল। আমাদের গ্রামে কেউ উপবাসী থাকে না। কেউ ভিক্ষা করে খায়। যারা ভিক্ষা করে না তাদেরকে আমি খাবার পৌঁছে দি।আমার বেশি সময় নেই গোরু দুইতে হবে। তুমি খেয়ে ভাঁড় টা ধুয়ে রেখো, আমি এসে নিয়ে যাব।
 বলে একটু মৃদু হেসে ছেলেটা চলে গেল। একটু দূরে গিয়েই অদৃশ্য!
 মাধবেন্দ্র পুরী ভাবছেন - আহা! কি মধুর রূপ! এত সুন্দর মুখখানা!! সেই ভাবতে ভাবতে দুগ্ধ পান করে ভাঁড়টা ধুয়ে রেখে দিলেন ।
কিন্তু সে ছেলে আর ফিরে আসলো না। মাধবেন্দ্র হরিনাম জপ করেই রাত্রি পার করলেন।শেষ রাতে স্বপ্নে দেখছেন সেই বালক আবার এসেছে।
  বালক বললেন গোবর্ধনের এই কুঞ্জে আমি থাকি।
 বহুদিন ধরে তোমার পথ পানে চেয়ে আছি।

*#বহুদিন_হইতে_করি_পথ_নিরীক্ষণ। #কবে_আসি_মাধব_মোরে_করিবে_সেবন।।*

পরদিন সকালে ব্রজবাসীদের সাহায্যে গোবর্ধন পর্বত থেকে গোপালকে বের করলেন মাধবেন্দ্রপুরী।অভিষেকাদি সম্পন্ন করে অন্নকূট উৎসব করলেন। এইভাবে দুই বছর গোবর্ধনে গোপাল সেবাতে মগ্ন থাকলেন মাধবেন্দ্রপুরী জী।
একদিন তিনি স্বপ্ন দেখলেন - গোপাল এসে বলছে "প্রচণ্ড গরমে আমার কষ্ট হচ্ছে ।নীলাচল পুরী থেকে মলয়জ চন্দন এনে আমার অঙ্গে লেপন কর।তবে আমার তাপ দূরীভূত হবে।" স্বপ্নাদেশ পেয়ে মাধবেন্দ্রপুরী গোপালের সেবাতে বঙ্গদেশ হতে আগত দুজন বৈষ্ণব ব্রাহ্মণকে নিযুক্ত করে, নীলাচলের পথে রওনা দিলেন। মাঝপথে এলেন শান্তিপুরে। গৌর আনা ঠাকুর শ্রীঅদ্বৈত প্রভু  দীক্ষা নিলেন তাঁর কাছে। আবার পথে নামলেন মাধবেন্দ্রপুরী।এলেন রেমুণা তে। 
#রেমুণা_তে_কৈল_গোপীনাথ_দরশন।
#তাঁর_রূপ_দেখিয়া_হৈল_বিহ্বল_মন।।গোপীনাথ কে দেখে মাধবেন্দ্রপুরীর হৃদয় প্রেমে দ্রবীভূত হয়ে গেল।তিনি অনুসন্ধানে জানতে পারলেন যে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ১২টি পাত্রে #অমৃতকেলি নামে ক্ষীর ভোগ হয়।মনে মনে ইচ্ছে যে একবার যদি গোপীনাথের ক্ষীর প্রসাদ পাওয়া যেত তবে সেই ক্ষীর আস্বাদন করে সেই প্রকার ক্ষীর গোপালকে ভোগ দেওয়া যেত। কিন্তু একি ! আমি না অযাচকবৃত্তি ধারী সন্ন্যাসী । আমার মনে এই বাসনাও উচিত নয়! বিষ্ণু বিষ্ণু! সেই রাতে গোপীনাথ কে দর্শন করে মাধবেন্দ্রপুরী মন্দিরের সন্নিকটে একটি হাটে রাত কাটানোর ব্যবস্থা করলেন। এদিকে রাতে গোপীনাথের শয়ন হয়ে গেল।মধ্যরাতে গোপীনাথ নিজের সেবাইত কে স্বপ্ন দিলেন -" ঘুম থেকে ওঠো।মন্দিরের দুয়ার খোলো।দেখো আমার কাপড়ের আঁচল দিয়ে এক পাত্র ক্ষীর ঢাকা আছে। সেই ক্ষীর নিয়ে তুমি হাটের দিকে গিয়ে মাধবেন্দ্রপুরী নামধারী এক সন্ন্যাসীর খোঁজ করো।সে আমার পরম ভক্ত । সারাদিন না খেয়ে আছে।আমি তাঁর জন্য ক্ষীর চুরি করেছি"। স্বপ্নানুসারে পূজারী মাধবেন্দ্রপুরীকে খুঁজে পেলেন এবং ক্ষীর প্রসাদ পাইয়ে সমস্ত ঘটনার ইতিবৃত্ত জানালেন।মাধবেন্দ্রপুরীর তখন "#প্রেমে_ভাসে_নয়ন_জলে" অবস্থা।কিন্তু এইভাবে সবাই জেনে যাবে। মাধবেন্দ্রপুরী সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী । সম্মান পূজা প্রতিষ্ঠা সব ত্যাগ করেছেন।সেই প্রতিষ্ঠাই যদি তাঁর কাছে এসে পড়ে....এই আশঙ্কায় ভোর হতে না হতেই রওনা দিলেন পুরীর উদ্দেশ্যে-মলয়জ চন্দন আনতে।জগন্নাথ দর্শনাদি সেরে মলয়জ চন্দন জোগাড় করে  ফিরে আসতে লাগলেন বৃন্দাবনে । পথে আবার রেমুণাতে এলেন ।যে গোপীনাথ তাঁর জন্য ক্ষীর চুরি করেছেন তাকে একবার না দেখে গেলে মন মানে না।পুনরায় মাধবেন্দ্রপুরী #ক্ষীরচোরা_গোপীনাথ দর্শন করলেন।রাতে গোবর্ধন-বিহারী গোপাল স্বপ্নাদেশ দিলেন-

"#গোপীনাথ_আমার_সে_একই_অঙ্গ_হয়।
#ইহাকে_চন্দন_দিলে_আমার_তাপ_ক্ষয়।।

 মাধবেন্দ্রপুরী সেইমত ব্যবস্থা করলেন। যে চন্দন তিনি ব্রজে নিয়ে গিয়ে গোপাল কে দেবেন বলে স্থির করেছিলেন। সেই চন্দন গোপালের আদেশেই #ক্ষীরচোরা_গোপীনাথ_দেবের_শ্রী_অঙ্গে  লেপন করলেন। গৌড়ীয় বৈষ্ণব জগতে প্রবর্তন করলেন #চন্দন_যাত্রা উৎসব এর। এর আগে এই উৎসব পুরীতে জগন্নাথ দেবের মন্দির  ব্যাতীত অন্য কোথাও অনুষ্ঠিত হয় নি। পরবর্তীতে মাধবেন্দ্রপুরীর অপ্রকটের পরে তাঁকে রেমুণাতেই ক্ষীরচোরা গোপীনাথ মন্দিরের নিকটেই সমাহিত করা হয় ।
এইভাবে শ্রীমন্মহাপ্রভু  নিজ মুখে নিজ পরম গুরুদেবের মহিমা বর্ণনা করলেন।আর সঙ্গের ভক্তরা তা আস্বাদন করলেন।মহাপ্রভু ভাবাবেশে প্রভু নিতাই চাঁদ কে বলে উঠলেন
"#প্রভু_কহে_নিত্যানন্দ_করহ_বিচার।
#পুরী_সম_ভাগ্যবান_জগতে_নাহি_আর।।

গোপীনাথের ১২পাত্র ক্ষীর প্রসাদ নিয়ে এলেন মন্দিরের সেবকেরা।মহাপ্রভু পঞ্চপাত্র (নিজের আর সাথের চারজনের) ক্ষীর নিয়ে বাকি সাতপাত্র সেবকদের ফিরিয়ে দিলেন। অনাবশ্যক নষ্ট হোক সেটা মহাপ্রভু চান না। লোভবশত প্রয়োজনের অতিরিক্ত গ্রহণ করা সন্ন্যাসীর কখনো উচিৎ নয়।
মাধবেন্দ্রপুরীর অমৃত চরিত্র আস্বাদন করে ক্ষীরচোরা গোপীনাথের ক্ষীর প্রসাদ পেয়ে বিশ্রাম শেষে রাত্রি প্রভাত হল।সপার্ষদ  মহাপ্রভু চললেন যাজপুরে।
ক্রমশ......

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds