✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৭১. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
(৭১ )
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
*#মহাপ্রভুর_পুরীধামে_আগমন_এবং_নীলাদ্রিনাথ_দর্শন।*
চৈতন্যভাগবতে বৃন্দাবন দাস ঠাকুর বর্ণন করলেন সুবর্ণরেখা নদী পার হয়ে দণ্ডভঙ্গ লীলা।কিন্তু চৈতন্যচরিতামৃতে কবিরাজ গোস্বামী বর্ণন করলেন ভুবনেশ্বর পার হয়ে এসে ভার্গী নদীতে দণ্ডভঙ্গ লীলা।
তাহলে কোনটা সঠিক? দণ্ডভঙ্গ লীলা তো একটি জায়গাতেই হয়েছিল? এর পূর্বেও দেখা যায় মহাপ্রভুর রাঢ়দেশ ভ্রমণ সময়ে, চৈতন্যচরিতামৃতে আছে তিনদিন ভ্রমণ করেছিলেন; সেখানে চৈতন্য ভাগবতের বর্ণনায় বারো দিন, এখানেও ঐক্যমত নেই। চৈতন্যভাগবত আগে রচিত হয়েছে চৈতন্যচরিতামৃত তারপরে। তাহলে কি কবিরাজ গোস্বামী বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের বর্ণনা মেনে নিতে পারেন নাই?
না! তেমনটিও নয়।
কবিরাজ গোস্বামী বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন -
*মনুষ্যে রচিতে নারে ঐছে গ্রন্থ ধন্য। বৃন্দাবনদাস-মুখে বক্তা শ্রীচৈতন্য।। বৃন্দাবনদাস পদে কোটি নমস্কার। ঐছে গ্রন্থ করি তেঁহ তারিলা সংসার।।*
(চৈ.চ.আদি.৮)
*#তাহলে_এই_মতভেদের_কারণ_কি?*
প্রত্যেক কল্পে স্বয়ং ভগবান একবার আসেন।স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যে দ্বাপর যুগে অবতার গ্রহণ করেন তাঁর অব্যবহিত পরবর্তী কলিযুগে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু রূপে পুনরায় আসেন। এইভাবে প্রত্যেক কল্পে একবার করে অবতার গ্রহণ করেন। এজন্য কল্পাবতারী বলা হয়।প্রত্যেক কল্পে একই রকম লীলা হয় না। কিছু কিছু পার্থক্য হয়ে যায়। যেমন রামায়ণ চার প্রকার দেখতে পাওয়া যায়। তেমনি পুরানাদিতেও এক এক পুরানে এক এক রকম লীলার বর্ণন পাওয়া যায়। এসবের কারণ হলো *#কল্পভেদ*। কোন কল্পে একরকম লীলা করেছেন, অন্য কল্পে অন্যরকম লীলা করেছেন। যখন ত্রিকালজ্ঞ ঋষিগণ লিখতে বসলেন, সে সময় তার হৃদয়ে যে কল্পের লীলা আবির্ভূত হয়েছেন, তিনি সেভাবেই লিখেছেন বা বর্ণনা করেছেন। অতএব সব লীলাই নিত্য এবং সত্য।
(ত্রিকাল সত্য গৌর লীলা)।
বৃন্দাবন দাস ঠাকুর যে লীলার বিস্তারপূর্বক বর্ণনা করেছেন, কবিরাজ গোস্বামী সেখানে প্রনাম করে, সে লীলা সূত্ররূপে বর্ণনা করে অন্য লীলা বিস্তারে মনোযোগী হয়েছেন।
*"#ভুবনেশ্বর_পথে_যৈছে_করিলা_গমন। #বিস্তারি_বর্ণিয়াছেন_দাস_বৃন্দাবন।।*
এ লীলা বাদ দিয়ে এবার বর্ণন করছেন - *#কমলপুরে_আসি_ভার্গী_নদী_স্নান_কৈল। #নিত্যানন্দ_হাতে_প্রভু_দণ্ড_ধরিল।।*
নিত্যানন্দ প্রভুর হাতে দণ্ড দিয়ে মহাপ্রভু ভক্তগণ সঙ্গে কপোতেশ্বর দর্শনে গমন করলেন।
এদিকে নিত্যানন্দ প্রভু দণ্ডখানা তিন খণ্ড করে ভেঙে ভার্গী নদীর জলে ভাসিয়ে দিলেন। তিনি মনে মনে ভাবলেন তিন যুগে দণ্ড ছিল, তাই তিন খণ্ড করে ভেঙে ভাসিয়ে দিলাম। এই ধন্য কলিযুগে আর কোনো দণ্ড নেই, কেবল প্রেম আর ভালোবাসা।
মহাপ্রভু কপোতেশ্বর মহাদেব দর্শন করে ফিরে এসে জগন্নাথ মন্দিরের ধ্বজা দেখতে পেলেন। দেখেই তিনি আবিষ্ট হয়ে দণ্ডবৎ করে প্রেমে নাচতে লাগলেন।মহাপ্রভু দেখতে পেলেন মন্দিরের শিখরে বসে ছোট্ট গোপাল হাসছেন।
*#প্রভু_বলে_দেখ_মন্দিরের_অগ্রমূলে। #হাসেন_আমারে_দেখি_শ্রী_বালগোপালে*।।
এভাবে হাসতে-কাঁদতে-নাচতে-গাইতে, হুঙ্কার-গর্জন করে প্রভু আঠারো নালায় এসে কিঞ্চিৎ বাহ্য প্রকাশ করলেন। নিত্যানন্দ প্রভুকে বললেন - "দাও আমার দণ্ডখানা। নিত্যানন্দ প্রভু বললেন - দণ্ড তিন খণ্ড হয়ে গেছে।
মহাপ্রভু বললেন - কি করে হল?
নিত্যানন্দ প্রভু বললেন - তুমি প্রেমাবেশে পড়ে গেলে, তোমাকে ধরতে গিয়ে দণ্ডের উপরে আমি পড়লাম, তখনই দণ্ড ভেঙে গেল। এখন যা হয় আমাকেই দণ্ড কর।
শুনে মহাপ্রভু দুঃখ প্রকাশ করলেন। ঈষৎ ক্রোধ করে বললেন নীলাচলে এনে আমার ভালো হিত করলে!একমাত্র দণ্ডটি ছিল তাও তোমাদের দয়ায় গেল! হয় তোমরা আগে যাও, নইলে আমি আগে যাই। মুকুন্দ দত্ত বললেন - প্রভু তুমি আগে চল, আমরা তোমার পিছে পিছে যাব। শুনে মহাপ্রভু বিদ্যুৎবেগে গমন করলেন।
তীব্র বেগে মহাপ্রভু শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশ করলেন। গর্ভগৃহে বিরাজমান জগন্নাথ বলরাম এবং সুভদ্রা কে নয়ন ভরে দর্শন করলেন।
*#হেনকালে_গৌরচন্দ্র_জগৎ_জীবন। #দেখিলেন_জগন্নাথ_সুভদ্রা_সঙ্কর্ষণ*।
সপার্ষদ জগন্নাথ কে দেখে মহাপ্রভু আনন্দে হুঙ্কার করে উঠলেন। জগন্নাথকে আলিঙ্গন করতে ধাবিত হলেন। কিন্তু প্রেমাবেশে নাটমন্দিরেই মূর্চ্ছিত হয়ে পড়লেন।তখন মন্দিরে উপস্থিত রয়েছেন বেদান্তবিদ *#বাসুদেব_সার্বভৌম_ভট্টাচার্য*। পড়িছা পাণ্ডাগণ মারতে উদ্যত হলে সার্বভৌম ভট্টাচার্য নিবারণ করলেন। তার অদ্ভুত প্রেমের বিকার দেখে বিস্মিত হয়ে ভাবছেন এ সাধারণ মানুষ নয়। এদিকে ভোগের সময় হয়ে গেল, তথাপি প্রভুর মূর্চ্ছা ভঙ্গ না হওয়ায় সার্বভৌম নিজ শিষ্যদের দ্বারা প্রভুকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গেলেন।মহাপ্রভুর শরীরে প্রাণের কোনো চিহ্ন নেই । শ্বাস-প্রশ্বাস চলাচল বন্ধ। সার্বভৌম মহাপ্রভুর নাকের ডগায় তুলো ধরে দেখতে পেলেন তুলো অল্প অল্প নড়ছে।সার্বভৌম বুঝলেন এই সন্ন্যাসীর দেহে কৃষ্ণ প্রেমের #সুদ্দীপ্ত_সাত্ত্বিক_বিকার বিরাজিত।#অধিরূঢ়_মহাভাবের একটি বিকার হল এই সুদ্দীপ্ত সাত্ত্বিক বিকার,যা রাধারাণী ব্যাতীত আর কারোর মধ্যেই অসম্ভব ।সেই অসম্ভব বিকার এই সন্ন্যাসীর দেহে বর্তমান।
ইতিমধ্যে নিত্যানন্দ প্রভু সহ ভক্তগণ জগন্নাথ মন্দিরে উপনীত হলেন।সেখানে লোকমুখে শুনতে পেলেন এক সন্ন্যাসী জগন্নাথ কে দেখে অচেতন হয়ে পড়েছিল।সার্বভৌম ভট্টাচার্য তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছেন।সবাই বুঝতে পারলেন যে এই সন্ন্যাসীই তাদের প্রাণপ্রিয় মহাপ্রভু ।সেইমুহূর্তে সেখানে গোপীনাথাচার্যের সঙ্গে দেখা হলে সব ঘটনা অবগত হয়ে সকলে মিলে সার্বভৌম ভট্টাচার্যের বাড়িতে উপনীত হলেন।সার্বভৌম ঠাকুর নিজপুত্র #চন্দনেশ্বর কে পাঠিয়ে নিত্যানন্দ প্রভু সহ অন্য ভক্তদের জগন্নাথ দর্শন করিয়ে আনলেন।সার্বভৌমের বাড়িতে সবাই ফিরে এলেন।এদিকে তিনপ্রহরেও মহাপ্রভুর মূর্চ্ছা ভঙ্গ না হওয়ায় সকলে মিলে উচ্চ সংকীর্তন শুরু করলেন। কীর্তন ধ্বনি কানে প্রবেশ করতেই মহাপ্রভু উঠে বসলেন। সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য জগন্নাথের মহাপ্রসাদ আনলেন।সকলে মধ্যাহ্ন কৃত্য সমাপন করে জগন্নাথের মহাপ্রসাদ পেতে বসলেন।জগন্নাথের প্রসাদে মহাপ্রভু বড় সন্তুষ্ট হলেন।তবে নিজে লাফড়া-ব্যঞ্জন প্রসাদ ছাড়া আর কিছুই পেলেন না।পীঠা-পানা সহ অন্যান্য প্রসাদ নিত্যানন্দ প্রভু সহ অন্যদের বিতরণ করতে বললেন।মহাপ্রভু সন্ন্যাসী জেনে সার্বভৌম ঠাকুর মহাপ্রভু কে *#নমো_নারায়ণায় বলে প্রণাম করতেই মহাপ্রভু #কৃষ্ণে_মতিরস্তু বলে আশীর্বাদ করলেন।*
সার্বভৌম ভট্টাচার্য গোপীনাথ আচার্যকে মহাপ্রভুর পূর্বাশ্রমের বিষয়ে জানতে চাইলে গোপীনাথ আচার্য তা অবগত করালেন।সব শুনে সার্বভৌম ঠাকুর আপাতত ভাবে মহাপ্রভুর বসবাসের জন্য একটা নির্জন স্থান খুঁজে দিলেন।সেইস্থানেই মহাপ্রভু পার্ষদ গণের সাথে থাকতেন।এবং প্রতিদিন সপার্ষদ মহাপ্রভু ভোরবেলায় স্নান সেরে জগন্নাথের মঙ্গলারতি দেখতে যেতেন।তবে সার্বভৌম ঠাকুর এবং অন্য ভক্তদের অনুরোধে মহাপ্রভু গর্ভগৃহে প্রবেশ করতেন না।জগমোহনে গরুড় স্তম্ভের পাশে দাঁড়িয়ে জগন্নাথ দর্শন করতেন।।......
GOPISARAN DAS
http//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

