শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শারদীয় রাস 🌷 ১ম ভাগ 🌹 Raslila ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/raslila-gopisharan.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ শারদীয় রাস 🌷 ১ম ভাগ 
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*শারদীয়_রাস;*

(১ম ভাগ।)
মধুময় শ্রীধাম বৃন্দাবনে আজ পূর্ণচন্দ্রের উদয় দেখে কৃষ্ণের মনে রাসলীলার ইচ্ছা হল। মন জেনে লীলাশক্তি অঘটন ঘটন পটিয়সী যোগমায়া সব সংঘটন করলেন।
কৃষ্ণ বংশীবটে দাঁড়িয়ে মধুর স্বরে বেণুবাদন করতে লাগলেন। আজকের বংশীনাদ কেবল গোপিকাগণই শুনতে পেলেন ।তারা মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় বৃন্দাবনে এসে উপস্থিত হলেন।
সব গোপিকাগণ আসতে পারেন নাই।
চার প্রকার গোপী আছে। *#শ্রুতিচরী_ঋষিচরী_সাধনসিদ্ধা_এবং_নিত্যসিদ্ধা*।
সাধনসিদ্ধার ভিতরে যাদের একটু কষায় অবশেষ ছিল তারাই ঘরে আটকা পড়েছিল। আসতে না পেরে দুঃসহ বিরহ তাপে দগ্ধ হয়ে, তাদের সমস্ত কষায় দূর হয়ে গিয়েছিল। তারা প্রিয়তমের ধ্যান করে দেহ ত্যাগ করে দিব্য দেহে এসে কৃষ্ণের সঙ্গে মিলিত হয়েছিল।

প্রথমতঃ কৃষ্ণ গোপিকাগণের প্রেম পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করলেন, পরে তাদের দৃঢ়নিষ্ঠা দেখে রাসলীলায় প্রবৃত্ত হলেন। নৃত্য,গীত,বাদ্য, তাল,লয়, সংযোগে বিভিন্ন স্বর-মূর্ছনা আলাপ করে গীত হতে লাগলো। এক এক গোপী,এক এক কৃষ্ণ মন্ডলী বন্ধে অদ্ভুত নৃত্য হতে লাগলো। নৃত্য করতে করতে মাদনাখ্য-মহাভাবময়ী শ্রীমতী বৃষভানু-নন্দিনীর মানের উদয় হল। তাঁর মান প্রশমনার্থ কৃষ্ণ তাকে নিয়ে অন্তর্হিত হয়ে গেলেন।
রাধার প্রেমের উৎকর্ষতা সকল কে দেখানোর জন্য আবার তাকে ছেড়ে চলে গেলেন। সঙ্গে সঙ্গে রাধারানী মূর্চ্ছিতা হয়ে পড়লেন। ইতিমধ্যেই সব সখীগণ এসে রাধারানীর এই অবস্থা দেখে সকলেই কৃষ্ণকে ভর্ৎসনা করতে লাগলেন এবং সকলে অনুভব করলেন কৃষ্ণবিরহে আমাদের অনেক দুঃখ হয়েছে, কিন্তু এমনিভাবে তো মূর্ছিত হয়ে পড়ি নাই!! অতএব এই রমণীই সর্বশ্রেষ্ঠা কৃষ্ণপ্রেমিকা। সকলে মিলে যমুনাতীরে এসে প্রাণনাথ কে আহবান করতে লাগলেন। সকলের সমবেত আকূল প্রার্থনায় কৃষ্ণ এসে দর্শন দিলেন।

তখন গোপীগণ নিজের প্রাণ প্রিয়তম শ্যামসুন্দরের প্রাণভরে দর্শন করে নিজের বিরহ-সন্তপ্ত নেত্র এবং হৃদয় শীতল করার পর  প্রিয়তমকে বসার জন্য নিজের নিজের উত্তরীয় বিছিয়ে দিলেন। যখন শ্যামসুন্দর গোপী প্রদত্ত আসনে সুখপূর্বক  বিরাজমান হলেন,তখন গোপীগণ তাঁকে বলতে লাগলেন- *#ভজতোঽনুভজন্ত্যেকএক_এতদ্বিপর্যয়ম্‌।  #নোভয়াংশ্চ_ভজন্ত্যেক_এতন্নো_ব্রুহি_সাধু_ভোঃ।।* (ভা.১০/৩২/১৬)

 অর্থ- হে প্রিয়তম!( একটি কথা জিজ্ঞেস করছি) কিছু লোক এই প্রকার হয় যে প্রেমকারীর প্রেম করে আর কিছু লোক প্রেম না করলেও প্রেম করে। কিন্তু কেউ কেউ সেই উভয় কেই প্রেম করে না‌। হে প্রিয়তম! এই তিন জনের মধ্যে তুমি কাকে ভালো বল?
 শ্রীকৃষ্ণ বললেন- *#মিথোভজন্তি_যে_সখ্যঃস্বার্থৈকান্তোদ্যমা_হি_তে।#ন_তত্র_সৌহৃদং_ধর্মঃ_স্বার্থার্থ_তদ্বিনান্ব্যথা।।*

  অর্থ- হে আমার প্রিয় সখীগণ! যে প্রেম করার পরে প্রেম করে তাকে তো ব্যবসায়ী বলা হয়‌। লেনদেন মাত্র সম্বন্ধ।না তাতে সৌহার্দ্য না ধর্ম। তার প্রেম কেবল স্বার্থের জন্য হয়। এ ছাড়া তার আর কোনো প্রয়োজনই নেই। হে সুন্দরী! যে লোক প্রেম না করলেও  প্রেম করে‌, যেমন- স্বভাব সিদ্ধ করুণাশীল সজ্জন ও মাতা পিতা।
তার হৃদয়ে সৌহার্দ্য ও হিতৈষিতায় ভরা থাকে আর তার ব্যবহারে নিশ্ছিদ্র, নিশ্ছল সত্য এবং পরিপূর্ণ ধর্মও থাকে। কিছু লোক এই প্রকার হয় যে প্রেমকারীকেও প্রেম করেন না। প্রেম না করা লোকের তো তার কাছে কোন প্রশ্নই নেই। এই প্রকার লোক চার প্রকার হয়।
আত্মারাম, আপ্তকাম, অকৃতজ্ঞ গুরুদ্রোহ।আত্মারাম যিনি নিজের আত্মাতে রমন করেন কারো সঙ্গে কোনো প্রয়োজন নেই।আপ্তকাম- যার কোন কামনা-বাসনা নেই, পূর্ণকাম। অকৃতজ্ঞ- যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না। গুরুদ্রোহ অর্থাৎ কৃতঘ্ন, যে উপকারীকেই হনন করে। যে জেনেশুনেও নিজের হিতকারী, পরোপকারী গুরুতুল্য লোকের সঙ্গেও দ্রোহ করে, তাকে দুঃখ দেয়। তাকে বলা হয় গুরুদ্রোহী।

(দৃষ্টান্ত:-একজন চাকরির সন্ধানে এক কোম্পানিতে গেল। দারোয়ানকে জিজ্ঞাসা করল, দারোয়ান বলল- এখানে ম্যানেজারের পদ খালি রয়েছে, আসুন আপনাকে নিয়ে যাই, বলে তাকে নিয়েও গেলেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য চাকরি হয়ে গেল। এখন সে ম্যানেজার, কোম্পানির সমস্ত কর্মী তাকে নমস্কার করে,কিন্তু কোম্পানিতে আসলেই সে দারোয়ানের কাছে তার মাথা নিচু হয়ে যায়, কেননা তার দয়াতেই সে ম্যানেজারের পদটি পেয়েছে। বেশ কিছুকাল কেটে গেল।কোম্পানিতে তার প্রতিপত্তি খুব হল। এখন সে ভাবতে লাগলো সবাই আমাকে স্যালুট করে আর এই দারোয়ানের কাছে আমার মাথা নিচু হয়, অতএব একে সরাতে হবে। তখন সে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা চুরির দায়ে ফাঁসিয়ে দিল। সকলে সাক্ষী দিল।
*#একেই_বলে_কৃতঘ্ন।* এর কাছে কোটি কোটি গো হত্যা, ব্রহ্মহত্যা হার মানে।)

 গোপীগণ জিজ্ঞাসা করলেন- হে প্রিয়তম!এই চার জনের ভিতর আপনি কোনটা?
যে আমাদের মত ভজনকারী গোপীদেরও ছেড়ে যেখানে সেখানে চলে যায়, দুঃখ দেয়?

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শারদীয় রাস 🌷 ১ম ভাগ 🌹 Raslila ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/raslila-gopisharan.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ শারদীয় রাস 🌷 ১ম ভাগ 
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*শারদীয়_রাস;*

(১ম ভাগ।)
মধুময় শ্রীধাম বৃন্দাবনে আজ পূর্ণচন্দ্রের উদয় দেখে কৃষ্ণের মনে রাসলীলার ইচ্ছা হল। মন জেনে লীলাশক্তি অঘটন ঘটন পটিয়সী যোগমায়া সব সংঘটন করলেন।
কৃষ্ণ বংশীবটে দাঁড়িয়ে মধুর স্বরে বেণুবাদন করতে লাগলেন। আজকের বংশীনাদ কেবল গোপিকাগণই শুনতে পেলেন ।তারা মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় বৃন্দাবনে এসে উপস্থিত হলেন।
সব গোপিকাগণ আসতে পারেন নাই।
চার প্রকার গোপী আছে। *#শ্রুতিচরী_ঋষিচরী_সাধনসিদ্ধা_এবং_নিত্যসিদ্ধা*।
সাধনসিদ্ধার ভিতরে যাদের একটু কষায় অবশেষ ছিল তারাই ঘরে আটকা পড়েছিল। আসতে না পেরে দুঃসহ বিরহ তাপে দগ্ধ হয়ে, তাদের সমস্ত কষায় দূর হয়ে গিয়েছিল। তারা প্রিয়তমের ধ্যান করে দেহ ত্যাগ করে দিব্য দেহে এসে কৃষ্ণের সঙ্গে মিলিত হয়েছিল।

প্রথমতঃ কৃষ্ণ গোপিকাগণের প্রেম পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করলেন, পরে তাদের দৃঢ়নিষ্ঠা দেখে রাসলীলায় প্রবৃত্ত হলেন। নৃত্য,গীত,বাদ্য, তাল,লয়, সংযোগে বিভিন্ন স্বর-মূর্ছনা আলাপ করে গীত হতে লাগলো। এক এক গোপী,এক এক কৃষ্ণ মন্ডলী বন্ধে অদ্ভুত নৃত্য হতে লাগলো। নৃত্য করতে করতে মাদনাখ্য-মহাভাবময়ী শ্রীমতী বৃষভানু-নন্দিনীর মানের উদয় হল। তাঁর মান প্রশমনার্থ কৃষ্ণ তাকে নিয়ে অন্তর্হিত হয়ে গেলেন।
রাধার প্রেমের উৎকর্ষতা সকল কে দেখানোর জন্য আবার তাকে ছেড়ে চলে গেলেন। সঙ্গে সঙ্গে রাধারানী মূর্চ্ছিতা হয়ে পড়লেন। ইতিমধ্যেই সব সখীগণ এসে রাধারানীর এই অবস্থা দেখে সকলেই কৃষ্ণকে ভর্ৎসনা করতে লাগলেন এবং সকলে অনুভব করলেন কৃষ্ণবিরহে আমাদের অনেক দুঃখ হয়েছে, কিন্তু এমনিভাবে তো মূর্ছিত হয়ে পড়ি নাই!! অতএব এই রমণীই সর্বশ্রেষ্ঠা কৃষ্ণপ্রেমিকা। সকলে মিলে যমুনাতীরে এসে প্রাণনাথ কে আহবান করতে লাগলেন। সকলের সমবেত আকূল প্রার্থনায় কৃষ্ণ এসে দর্শন দিলেন।

তখন গোপীগণ নিজের প্রাণ প্রিয়তম শ্যামসুন্দরের প্রাণভরে দর্শন করে নিজের বিরহ-সন্তপ্ত নেত্র এবং হৃদয় শীতল করার পর  প্রিয়তমকে বসার জন্য নিজের নিজের উত্তরীয় বিছিয়ে দিলেন। যখন শ্যামসুন্দর গোপী প্রদত্ত আসনে সুখপূর্বক  বিরাজমান হলেন,তখন গোপীগণ তাঁকে বলতে লাগলেন- *#ভজতোঽনুভজন্ত্যেকএক_এতদ্বিপর্যয়ম্‌।  #নোভয়াংশ্চ_ভজন্ত্যেক_এতন্নো_ব্রুহি_সাধু_ভোঃ।।* (ভা.১০/৩২/১৬)

 অর্থ- হে প্রিয়তম!( একটি কথা জিজ্ঞেস করছি) কিছু লোক এই প্রকার হয় যে প্রেমকারীর প্রেম করে আর কিছু লোক প্রেম না করলেও প্রেম করে। কিন্তু কেউ কেউ সেই উভয় কেই প্রেম করে না‌। হে প্রিয়তম! এই তিন জনের মধ্যে তুমি কাকে ভালো বল?
 শ্রীকৃষ্ণ বললেন- *#মিথোভজন্তি_যে_সখ্যঃস্বার্থৈকান্তোদ্যমা_হি_তে।#ন_তত্র_সৌহৃদং_ধর্মঃ_স্বার্থার্থ_তদ্বিনান্ব্যথা।।*

  অর্থ- হে আমার প্রিয় সখীগণ! যে প্রেম করার পরে প্রেম করে তাকে তো ব্যবসায়ী বলা হয়‌। লেনদেন মাত্র সম্বন্ধ।না তাতে সৌহার্দ্য না ধর্ম। তার প্রেম কেবল স্বার্থের জন্য হয়। এ ছাড়া তার আর কোনো প্রয়োজনই নেই। হে সুন্দরী! যে লোক প্রেম না করলেও  প্রেম করে‌, যেমন- স্বভাব সিদ্ধ করুণাশীল সজ্জন ও মাতা পিতা।
তার হৃদয়ে সৌহার্দ্য ও হিতৈষিতায় ভরা থাকে আর তার ব্যবহারে নিশ্ছিদ্র, নিশ্ছল সত্য এবং পরিপূর্ণ ধর্মও থাকে। কিছু লোক এই প্রকার হয় যে প্রেমকারীকেও প্রেম করেন না। প্রেম না করা লোকের তো তার কাছে কোন প্রশ্নই নেই। এই প্রকার লোক চার প্রকার হয়।
আত্মারাম, আপ্তকাম, অকৃতজ্ঞ গুরুদ্রোহ।আত্মারাম যিনি নিজের আত্মাতে রমন করেন কারো সঙ্গে কোনো প্রয়োজন নেই।আপ্তকাম- যার কোন কামনা-বাসনা নেই, পূর্ণকাম। অকৃতজ্ঞ- যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না। গুরুদ্রোহ অর্থাৎ কৃতঘ্ন, যে উপকারীকেই হনন করে। যে জেনেশুনেও নিজের হিতকারী, পরোপকারী গুরুতুল্য লোকের সঙ্গেও দ্রোহ করে, তাকে দুঃখ দেয়। তাকে বলা হয় গুরুদ্রোহী।

(দৃষ্টান্ত:-একজন চাকরির সন্ধানে এক কোম্পানিতে গেল। দারোয়ানকে জিজ্ঞাসা করল, দারোয়ান বলল- এখানে ম্যানেজারের পদ খালি রয়েছে, আসুন আপনাকে নিয়ে যাই, বলে তাকে নিয়েও গেলেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য চাকরি হয়ে গেল। এখন সে ম্যানেজার, কোম্পানির সমস্ত কর্মী তাকে নমস্কার করে,কিন্তু কোম্পানিতে আসলেই সে দারোয়ানের কাছে তার মাথা নিচু হয়ে যায়, কেননা তার দয়াতেই সে ম্যানেজারের পদটি পেয়েছে। বেশ কিছুকাল কেটে গেল।কোম্পানিতে তার প্রতিপত্তি খুব হল। এখন সে ভাবতে লাগলো সবাই আমাকে স্যালুট করে আর এই দারোয়ানের কাছে আমার মাথা নিচু হয়, অতএব একে সরাতে হবে। তখন সে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা চুরির দায়ে ফাঁসিয়ে দিল। সকলে সাক্ষী দিল।
*#একেই_বলে_কৃতঘ্ন।* এর কাছে কোটি কোটি গো হত্যা, ব্রহ্মহত্যা হার মানে।)

 গোপীগণ জিজ্ঞাসা করলেন- হে প্রিয়তম!এই চার জনের ভিতর আপনি কোনটা?
যে আমাদের মত ভজনকারী গোপীদেরও ছেড়ে যেখানে সেখানে চলে যায়, দুঃখ দেয়?

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



গনেশবেশ 🙏 জগন্নাথ লীলা 🌷 JAGANNATH LEELA ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/jagannath-leela-gopisharan-das.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                          ꧁ গনেশবেশ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#গনেশবেশ।* 

             জৈষ্ঠের প্রখর রৌদ্রোজ্জ্বল দিবসে ওড়িশার আঠারো নালার নিকট একটি বৃক্ষের তলায় এক পৌঢ় ব্যাক্তি যার শরীরে এখনো যৌবনের ছাপ রয়েছে, তিনি একটি গ্রন্থের ঝোলা নিয়ে বসে রয়েছেন, আর মিলিয়ে নিচ্ছেন ব্রহ্ম পুরানের(১ম খন্ড,৬৮ অধ্যায়) নীলাচলে স্থিত দারুরূপী ব্রহ্মের কথা l তার পরিচয় হলো কর্ণাট(কর্ণাটক) প্রদেশের কানিয়ারি নামক গ্রামের এক বিদ্বান ব্রাহ্মন l স্ত্রী সন্তান থাকা সত্ত্বেও তিনি একাকি তার ইষ্টকে নিয়ে l তার কাছে ব্রহ্ম হলেন গনেশ l গণেশ বৈ কিছুই বোঝেন না l অধিক সময় গনেশের সাথেই কাটান l 
    পরদিন হাঁটা আরম্ভ করলে শোনেন বহু কলরব, একঝাঁক মানুষ এগিয়ে আসছে দারুরূপী ব্রহ্মকে দর্শন করেl তারা বলতে থাকেন আজ প্রভুর মহাস্নান যাত্রা,কি সুন্দরই না  দর্শন করলাম l তাই শুনে গণপতি ভাবলেন এরা ব্রহ্ম দর্শন করলেন, কিন্তু ব্রহ্মে লীন হলেন না। সে কি করে সম্ভব !তবে কি আমার পুঁথি পড়া ভুল?
*তখনি লীলা পুরুষোত্তম এক বৃদ্ধের রূপ নিয়ে গনপতি কে শুনিয়ে বললেন,যে যেমন চায় বাঞ্ছাকল্পতরু তাকে তেমনি দেয়, যে ধর্ম চায় তাকে ধর্ম, যে মায়া তাকে মায়া, যে শ্রীচরণ চায় তাকে সবটাই দেন l তাই বৃদ্ধকে প্রণাম করে গণপতি এগিয়ে চলল ব্রহ্মের দর্শনে l 
        গণপতি অবাক চতুর্ধা মূর্তিকে দেখে, কোথায় গণেশ,কোথায় ব্রহ্ম? গনেশ নেই ফিরে গেলেন গণপতি l এদিকে মুদিরথ পান্ডা প্রভুর সেবার পর ক্লান্তিতে জগমোহনে বিশ্রাম করছিলেনl কালিয়া তাকে স্বপ্ন দিয়ে বললেন - যাও আমার এক ভক্ত ফিরে যাচ্ছে শ্রীক্ষেত্র থেকে, তাকে আমি দর্শন দেব, তাকে ফিরিয়ে নিয়ে এসোl পান্ডাজী এই খবর সকলকে ছড়িয়ে দিতেই গণপতি ছুটতে ছুটতে আসে প্রভুর নিকট l তখনি জগন্নাথ ও বলরাম কৃষ্ণ ও শ্বেত গনেশ স্বরূপে প্রকাশিত হলেন lসুভদ্রা পদ্ম ও সুদর্শন মহাসুদর্শন স্বরূপে দর্শন দিলে গণপতি স্তব্-বন্দনা করতে করতে বললেন _ এই রূপ প্রতি বৎসর সকলে যেন দর্শন করে l এই বলতে বলতে তিনি ব্রহ্মে লীন হয়ে গেলেনl সবাই ভক্ত ভগবানের জয় দিতে লাগলো l
       
 বৈদিক নিয়ম অনুযায়ী ভগবানের সামনে ও পাশে ভোগ নিবেদন করা যায়l কিন্তু সেইদিন জগন্নাথের চতুর্দিকে ভোগ লাগেl সামনের ভোগ মুখ দিয়ে, বামপাশের ভোগ বাঁ হাত দিয়ে, ডানপাশের ভোগ ডান হাত দিয়ে এবং পশ্চাৎদেশের ভোগ শূঁড় দ্বারা ভক্ষণ করেন l এটি নীলাচলের অদ্ভুত নীতি শুধুমাত্র নীলাচলেই এই রীতি দেখতে পাওয়া যায়।

জয় জগন্নাথ।।

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



গনেশবেশ 🙏 জগন্নাথ লীলা 🌷 JAGANNATH LEELA ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/jagannath-leela-gopisharan-das.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                          ꧁ গনেশবেশ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#গনেশবেশ।* 

             জৈষ্ঠের প্রখর রৌদ্রোজ্জ্বল দিবসে ওড়িশার আঠারো নালার নিকট একটি বৃক্ষের তলায় এক পৌঢ় ব্যাক্তি যার শরীরে এখনো যৌবনের ছাপ রয়েছে, তিনি একটি গ্রন্থের ঝোলা নিয়ে বসে রয়েছেন, আর মিলিয়ে নিচ্ছেন ব্রহ্ম পুরানের(১ম খন্ড,৬৮ অধ্যায়) নীলাচলে স্থিত দারুরূপী ব্রহ্মের কথা l তার পরিচয় হলো কর্ণাট(কর্ণাটক) প্রদেশের কানিয়ারি নামক গ্রামের এক বিদ্বান ব্রাহ্মন l স্ত্রী সন্তান থাকা সত্ত্বেও তিনি একাকি তার ইষ্টকে নিয়ে l তার কাছে ব্রহ্ম হলেন গনেশ l গণেশ বৈ কিছুই বোঝেন না l অধিক সময় গনেশের সাথেই কাটান l 
    পরদিন হাঁটা আরম্ভ করলে শোনেন বহু কলরব, একঝাঁক মানুষ এগিয়ে আসছে দারুরূপী ব্রহ্মকে দর্শন করেl তারা বলতে থাকেন আজ প্রভুর মহাস্নান যাত্রা,কি সুন্দরই না  দর্শন করলাম l তাই শুনে গণপতি ভাবলেন এরা ব্রহ্ম দর্শন করলেন, কিন্তু ব্রহ্মে লীন হলেন না। সে কি করে সম্ভব !তবে কি আমার পুঁথি পড়া ভুল?
*তখনি লীলা পুরুষোত্তম এক বৃদ্ধের রূপ নিয়ে গনপতি কে শুনিয়ে বললেন,যে যেমন চায় বাঞ্ছাকল্পতরু তাকে তেমনি দেয়, যে ধর্ম চায় তাকে ধর্ম, যে মায়া তাকে মায়া, যে শ্রীচরণ চায় তাকে সবটাই দেন l তাই বৃদ্ধকে প্রণাম করে গণপতি এগিয়ে চলল ব্রহ্মের দর্শনে l 
        গণপতি অবাক চতুর্ধা মূর্তিকে দেখে, কোথায় গণেশ,কোথায় ব্রহ্ম? গনেশ নেই ফিরে গেলেন গণপতি l এদিকে মুদিরথ পান্ডা প্রভুর সেবার পর ক্লান্তিতে জগমোহনে বিশ্রাম করছিলেনl কালিয়া তাকে স্বপ্ন দিয়ে বললেন - যাও আমার এক ভক্ত ফিরে যাচ্ছে শ্রীক্ষেত্র থেকে, তাকে আমি দর্শন দেব, তাকে ফিরিয়ে নিয়ে এসোl পান্ডাজী এই খবর সকলকে ছড়িয়ে দিতেই গণপতি ছুটতে ছুটতে আসে প্রভুর নিকট l তখনি জগন্নাথ ও বলরাম কৃষ্ণ ও শ্বেত গনেশ স্বরূপে প্রকাশিত হলেন lসুভদ্রা পদ্ম ও সুদর্শন মহাসুদর্শন স্বরূপে দর্শন দিলে গণপতি স্তব্-বন্দনা করতে করতে বললেন _ এই রূপ প্রতি বৎসর সকলে যেন দর্শন করে l এই বলতে বলতে তিনি ব্রহ্মে লীন হয়ে গেলেনl সবাই ভক্ত ভগবানের জয় দিতে লাগলো l
       
 বৈদিক নিয়ম অনুযায়ী ভগবানের সামনে ও পাশে ভোগ নিবেদন করা যায়l কিন্তু সেইদিন জগন্নাথের চতুর্দিকে ভোগ লাগেl সামনের ভোগ মুখ দিয়ে, বামপাশের ভোগ বাঁ হাত দিয়ে, ডানপাশের ভোগ ডান হাত দিয়ে এবং পশ্চাৎদেশের ভোগ শূঁড় দ্বারা ভক্ষণ করেন l এটি নীলাচলের অদ্ভুত নীতি শুধুমাত্র নীলাচলেই এই রীতি দেখতে পাওয়া যায়।

জয় জগন্নাথ।।

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



জগন্নাথের প্রাকট্য রহস্য ❗ দ্বারকা লীলা 🌷JAGANNATH ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/jagannath-gopisharan-das.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ জগন্নাথের প্রাকট্য রহস্য ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#জগন্নাথের প্রাকট্য রহস্য* 

একদিন দ্বারকায় কৃষ্ণ মাঝরাতের সময় ঘুমের ঘোরে কেঁদে উঠলেন "হা রাধে ! হা রাধে!" বলে । সত্যভামা জেগে উঠে জিজ্ঞাসা করছেন -  কি হল,প্রাণনাথ? 
আর কোন কথা নেই । চুপ হয়ে গেলেন কৃষ্ণ।
 
মনে মনে ভাবছে সত্যভামা - কে এই মহীয়সী নারী ? যাকে ঘুমের ঘোরেও কৃষ্ণ ভুলতে পারে না। আমরা রূপে-গুণে কলা-নৈপুণ্যে সকলেই কুশল 16108 মহিষী। তার ভিতরেও আটজন প্রধানা সর্বগুণ সম্পন্না।আমার আলিঙ্গন অবস্থায়ও সে, সেই রমণীর কথা ভাবে, স্বপ্নে দেখে, "রাধে রাধে" বলে কেঁদে ওঠে, তাহলে সে কতখানি প্রেমের-বন্ধনে বেঁধে রেখেছে।কে সেই নারী? কোথায় থাকে? কিভাবে প্রেম সেবা করেছে, যে তার কথা প্রাণনাথ আজ পর্যন্ত ভুলতে পারে নাই! আমাকে অবশ্যই জানতে হবে।
কিন্তু কিভাবে জানা সম্ভব?
 
প্রাণনাথকে  জিজ্ঞাসা করলেও কিছু বলেন না । সব পাটরাণী যুক্তি করে রোহিনী মায়ের কাছে গিয়ে জানালেন মনের কথা।

রোহিণী মা বললেন-হ্যাঁ , রাধা নামে এক কন্যা আছে বৃন্দাবনে।জাতিতে গোয়ালিনী , গ্রাম্য মেয়ে, লিখাপড়া কিছু জানে না, তবে দেখতে শুনতে ভাল।  16108 পট্টমহিষী শুনে অবাক।এই গ্রামের মেয়ে কি কোন জাদু জানে ? কিভাবে এইপ্রকার বশ করল! মা!তোমার পায়ে পড়ি।তোমায় বলতে হবে।মা বিষম সংকটে পড়লেন । মা হয়ে ছেলের রহঃলীলা (প্রেম লীলা) কি করে বর্ণন করবেন? কিন্তু মহিষীগন নাছোড়বান্দা ।

নিরুপায় হয়ে মাতা বললেন-দেখ! বলতে পারি, কিন্তু যখনই বলা শুরু করব, তখনই কৃষ্ণ যেখানেই থাকুক ছুটে চলে আসবে।কৃষ্ণ এসে গেলে আমি ভীষন লজ্জা পাব । 
মহিষীগন বললেন - মা! তুমি এজন্য কোন চিন্তা কোরো না । বোন সুভদ্রা কে দ্বারে রেখে দেবো । সে তোমার ছেলেকে আসতে দেবে না । 

 তাই হল কৃষ্ণলীলা শুরু হতেই , কৃষ্ণ লীলার এমন অপার ক্ষমতা। কৃষ্ণকে বলপূর্বক আকর্ষণ করে নিয়ে আসল। কৃষ্ণ বলরাম দুই ভাই ছুটে আসলেন কৃষ্ণ কথার আকর্ষণে। 

সুভদ্রা বলল ভেতরে যেতে পারবে না , মায়ের বারণ আছে। অগত্যা  দু'ভাই সুভদ্রার দু'পাশে দাঁড়িয়ে কৃষ্ণকথা শুনতে লাগলেন।

যখন মা রাসলীলার বর্ণনা শুরু করলেন, তখন সেই লীলার আবেশে কৃষ্ণ বিবশ হয়ে পড়লেন।ধন্য কৃষ্ণলীলা! যে লীলা কৃষ্ণকেই বিবশ করে তোলে, জীব যে এই লীলা শ্রবণ করে আনন্দে বিভোর হবে তাতে আর আশ্চর্যের কি আছে? কিন্তু নিরপরাধ চিত্ত হওয়া চাই অর্থাৎ নিন্দা-শূন্য মন হওয়া চাই, তবেই এই লীলার আনন্দ আস্বাদনে সক্ষম হবে।

কৃষ্ণকথা শুনতে শুনতে প্রেমে বিবশ হয়ে কৃষ্ণ-বলরামের হাতপা ভিতরে ঢুকে গেল, সুদর্শন লম্বিত হয়ে গেল।সুভদ্রা ও তদ্রূপ হয়ে গেল।  

 ইতিমধ্যে নারদ আসলেন দর্শনের জন্য। এসে এই রূপ দর্শনে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন।অপেক্ষা করতে লাগলেন, আবেশ ভঙ্গের।   
 এদিকে কৃষ্ণলীলাকথা  সম্পূর্ণ হলেন।
ধীরে ধীরে  সকলে পুর্বাবস্থায় ফিরে এলেন ।  
নারদ বললেন প্রভু আজ একি অপরূপ দর্শন করলাম! কি কারণ প্রভু?   

কৃষ্ণ আনন্দিত হয়ে সব বর্ণনা করলেন ও বর চাইতে বললেন। 
নারদ বললেন প্রভু ! আমি আজ যে রূপ দর্শন করলাম এই রূপে সকল জীবকে দর্শন দাও । এই বর চাই । 
কৃষ্ণ বললেন - তথাস্তু ।
ওদিকে দেবী পার্বতী  ও তপস্যা করছেন জীবকুল কে মহাপ্রসাদ বিতরণ এর জন্য ও সকলকে কৃষ্ণ-দর্শন করানোর জন্য।
কৃষ্ণ বললেন- কলিকালে আমি দারুব্রহ্ম রূপে নীলাচলে আবির্ভূত হব । আপামর জীবসকল কে মহাপ্রসাদ দানে ধন্য করব ।    এই হল জগন্নাথের প্রাকট্যের ইতিহাস।।

এই কারণেই জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার এইপ্রকার রূপ।

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



জগন্নাথের প্রাকট্য রহস্য ❗ দ্বারকা লীলা 🌷JAGANNATH ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/jagannath-gopisharan-das.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ জগন্নাথের প্রাকট্য রহস্য ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#জগন্নাথের প্রাকট্য রহস্য* 

একদিন দ্বারকায় কৃষ্ণ মাঝরাতের সময় ঘুমের ঘোরে কেঁদে উঠলেন "হা রাধে ! হা রাধে!" বলে । সত্যভামা জেগে উঠে জিজ্ঞাসা করছেন -  কি হল,প্রাণনাথ? 
আর কোন কথা নেই । চুপ হয়ে গেলেন কৃষ্ণ।
 
মনে মনে ভাবছে সত্যভামা - কে এই মহীয়সী নারী ? যাকে ঘুমের ঘোরেও কৃষ্ণ ভুলতে পারে না। আমরা রূপে-গুণে কলা-নৈপুণ্যে সকলেই কুশল 16108 মহিষী। তার ভিতরেও আটজন প্রধানা সর্বগুণ সম্পন্না।আমার আলিঙ্গন অবস্থায়ও সে, সেই রমণীর কথা ভাবে, স্বপ্নে দেখে, "রাধে রাধে" বলে কেঁদে ওঠে, তাহলে সে কতখানি প্রেমের-বন্ধনে বেঁধে রেখেছে।কে সেই নারী? কোথায় থাকে? কিভাবে প্রেম সেবা করেছে, যে তার কথা প্রাণনাথ আজ পর্যন্ত ভুলতে পারে নাই! আমাকে অবশ্যই জানতে হবে।
কিন্তু কিভাবে জানা সম্ভব?
 
প্রাণনাথকে  জিজ্ঞাসা করলেও কিছু বলেন না । সব পাটরাণী যুক্তি করে রোহিনী মায়ের কাছে গিয়ে জানালেন মনের কথা।

রোহিণী মা বললেন-হ্যাঁ , রাধা নামে এক কন্যা আছে বৃন্দাবনে।জাতিতে গোয়ালিনী , গ্রাম্য মেয়ে, লিখাপড়া কিছু জানে না, তবে দেখতে শুনতে ভাল।  16108 পট্টমহিষী শুনে অবাক।এই গ্রামের মেয়ে কি কোন জাদু জানে ? কিভাবে এইপ্রকার বশ করল! মা!তোমার পায়ে পড়ি।তোমায় বলতে হবে।মা বিষম সংকটে পড়লেন । মা হয়ে ছেলের রহঃলীলা (প্রেম লীলা) কি করে বর্ণন করবেন? কিন্তু মহিষীগন নাছোড়বান্দা ।

নিরুপায় হয়ে মাতা বললেন-দেখ! বলতে পারি, কিন্তু যখনই বলা শুরু করব, তখনই কৃষ্ণ যেখানেই থাকুক ছুটে চলে আসবে।কৃষ্ণ এসে গেলে আমি ভীষন লজ্জা পাব । 
মহিষীগন বললেন - মা! তুমি এজন্য কোন চিন্তা কোরো না । বোন সুভদ্রা কে দ্বারে রেখে দেবো । সে তোমার ছেলেকে আসতে দেবে না । 

 তাই হল কৃষ্ণলীলা শুরু হতেই , কৃষ্ণ লীলার এমন অপার ক্ষমতা। কৃষ্ণকে বলপূর্বক আকর্ষণ করে নিয়ে আসল। কৃষ্ণ বলরাম দুই ভাই ছুটে আসলেন কৃষ্ণ কথার আকর্ষণে। 

সুভদ্রা বলল ভেতরে যেতে পারবে না , মায়ের বারণ আছে। অগত্যা  দু'ভাই সুভদ্রার দু'পাশে দাঁড়িয়ে কৃষ্ণকথা শুনতে লাগলেন।

যখন মা রাসলীলার বর্ণনা শুরু করলেন, তখন সেই লীলার আবেশে কৃষ্ণ বিবশ হয়ে পড়লেন।ধন্য কৃষ্ণলীলা! যে লীলা কৃষ্ণকেই বিবশ করে তোলে, জীব যে এই লীলা শ্রবণ করে আনন্দে বিভোর হবে তাতে আর আশ্চর্যের কি আছে? কিন্তু নিরপরাধ চিত্ত হওয়া চাই অর্থাৎ নিন্দা-শূন্য মন হওয়া চাই, তবেই এই লীলার আনন্দ আস্বাদনে সক্ষম হবে।

কৃষ্ণকথা শুনতে শুনতে প্রেমে বিবশ হয়ে কৃষ্ণ-বলরামের হাতপা ভিতরে ঢুকে গেল, সুদর্শন লম্বিত হয়ে গেল।সুভদ্রা ও তদ্রূপ হয়ে গেল।  

 ইতিমধ্যে নারদ আসলেন দর্শনের জন্য। এসে এই রূপ দর্শনে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন।অপেক্ষা করতে লাগলেন, আবেশ ভঙ্গের।   
 এদিকে কৃষ্ণলীলাকথা  সম্পূর্ণ হলেন।
ধীরে ধীরে  সকলে পুর্বাবস্থায় ফিরে এলেন ।  
নারদ বললেন প্রভু আজ একি অপরূপ দর্শন করলাম! কি কারণ প্রভু?   

কৃষ্ণ আনন্দিত হয়ে সব বর্ণনা করলেন ও বর চাইতে বললেন। 
নারদ বললেন প্রভু ! আমি আজ যে রূপ দর্শন করলাম এই রূপে সকল জীবকে দর্শন দাও । এই বর চাই । 
কৃষ্ণ বললেন - তথাস্তু ।
ওদিকে দেবী পার্বতী  ও তপস্যা করছেন জীবকুল কে মহাপ্রসাদ বিতরণ এর জন্য ও সকলকে কৃষ্ণ-দর্শন করানোর জন্য।
কৃষ্ণ বললেন- কলিকালে আমি দারুব্রহ্ম রূপে নীলাচলে আবির্ভূত হব । আপামর জীবসকল কে মহাপ্রসাদ দানে ধন্য করব ।    এই হল জগন্নাথের প্রাকট্যের ইতিহাস।।

এই কারণেই জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার এইপ্রকার রূপ।

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



গজবেশ 🌷 গণপতি ভট্ট 🙏 ভক্ত লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/gopisharan-das_63.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ গজবেশ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#গজবেশ*

উত্তরাখন্ডের কর্ণাটক দেশের কাণিয়ারি গ্রামে এক সদগুণ সম্পন্ন বেদ-বিদ্যা-বিশারদ নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ বাস করতো। এনার নাম "গণপতি ভট্ট "।।
তার ভগবানে অচলা ভক্তি।বিষয় চিন্তা ছেড়ে ভগবানের চিন্তাতেই তিনি সর্বদা নিমগ্ন থাকতেন।
শাস্ত্র দেখতে দেখতে একদিন তিনি ব্রহ্ম পুরাণে দেখলেন-----
"স্থুলস্বরূপ গোটি ধরি। 
ব্রহ্ম অচ্ছন্তি নীলগিরি।। 
তাংকু দেখন্তি যেউমানে। 
মুকত হুওন্তি দরশনে।।
ন গমে যম দরশন। সকল শাস্ত্রে এই প্রমাণ।।

পরম ব্রহ্ম স্থুলস্বরূপ ধারণ করে শ্রীনীলাচলে বিরাজ করছেন।তাকে যিনি দরশন করবেন তিনি মুক্তিপদের অধিকারী হবেন, তাকে আর যম ভবনে যেতে হবেনা।
•ব্রহ্মপুরাণের এই কথা শুনে ইষ্ট দেবতার ন্যায় বচনটি হৃদয়পদ্মে ধারণ করলেন।
নির্বেদ ভরে প্রানে প্রানে বলে উঠলেন---
"এ সংসারে ধিক,এ মায়াজালে ধিক,স্ত্রী-পুত্র-ধনে ধিক,স্বয়ং ব্রহ্ম এই ধরাধামে বিরাজ করছেন আর আমি না জানতে পেরে অকারনে ভ্রমন করে বেড়াচ্ছি? আহা যে ব্রহ্মকে দেখলে জীব অনায়াসেই নিস্তার লাভ করে এবং গতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে তাতেই লীন হয়ে যায়;
হায়! আমি অতিশয় মূঢ়, তাই তাকে ছেড়ে অসার সংসারে আবদ্ধ হয়ে রয়েছি।আর সংসারে থেকে কি লাভ।
স্ত্রী-পুত্র-ধন কেউ ত আমার সাথে যাবেনা। যতদিন দেহ সবল ততদিন এই দেহটা সকলের বন্ধু।
ভট্ট মনে এই বিচার করে সেই দারুব্রহ্ম উদ্দ্যেশ্যে বেরিয়ে পড়লো।
দিনের পর দিন,মাসের পর মাস চলে গেল, হেঁটেই চলেছে।আহার জুটলে খায় নয়তো উপবাস।
এই ভাবে চলতে চলতে পৌঁছালেন এসে "আঠারনালা" নামক স্থানে।
 এটি নীলাচল এর অতি নিকটেই।
এই স্থানে প্রবেশ মাত্রই জীব যমদণ্ড কে জয় করে থাকে।
 ভট্ট এখানে বসে ব্রহ্মচিন্তা করতে লাগলেন।
হঠাৎ দেখলেন কিছু লোক তার সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছে,এবং সকলেই আনন্দিত চিত্ত,সবার হাতেই "অবঢ়া"(অন্ন মহাপ্রসাদ)
তাদের দেখে মনে হচ্ছে সংসারের তাপ জ্বালা যন্ত্রণা যেন তারা জানেই না।
ভট্ট একজনকে জিজ্ঞেস করলো ভাই তোমাদের এত আনন্দ কিসের? কোথা থেকে তোমরা ফিরছো?
তারা উত্তরে বললেন- আমরা নীলাচলে গিয়েছিলাম। সেখানে ব্রহ্ম দর্শন করে এখন ফিরছি।
ভট্ট এই কথা শুনে একদম স্তম্ভিত হয়ে গেল।এক অভিনব চিন্তায় মন তোলপাড় হতে লাগলো।
ভট্ট জানেন যারা ব্রহ্ম দরশন পায় তারা ব্রহ্মেই লীন হয়ে যায়।তাহলে এরা ব্রহ্ম দরশন করে ফিরে আসছে কি করে? তবে কি এখানে ব্রহ্ম নেই? তাই বা হয় কি করে? ব্রহ্মপুরাণ কি মিথ্যা বলবে?
তাতে স্পষ্ট লেখা আছে "ব্রহ্ম অছন্তি নীলগিরি "
ব্রাহ্মণ পুরাণ বচন বার বার পড়লেন, কিন্তু মনের সংসয় মিটলনা।
মনে ভাবলেন ব্রহ্ম যখন নীলাচলে নেই তখন বাড়ী আর ফিরবো না। আত্মহত্যা করে প্রাণ বিসর্জন দেব।
আবার ভাবছেন আত্মহত্যা? মহাপাপ? না, না,তাই বা করি কি প্রকারে?
ভট্ট এইরূপ ভাবছে এদিকে ভাবগ্রাহী ভগবান সব জানলেন। জানবেন নাই বা কেন?
"সে সরবো অন্তর‍যামী হরি।
সকল ঘটে চ্ছন্তি পুরি।।
ভগত মন যার ঘড়।তাহাকু কিস অগোচর।। "
ভগবান ততক্ষণাৎ ব্রাহ্মণ বেশে এসে ভট্টের সামনে উপস্থিত, হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলেন- বিপ্রবর!আপনি কথা থেকে আসছেন? যাবেন কোথায়?এত দুঃখিত দেখছি কেন?
ভট্ট বললেন মহাশয় ব্রহ্মপুরাণ পাঠ করে জেনেছি ব্রহ্ম এখানে থাকেন আর তাকে দরশন করলেই তাতেই লীন হয়ে যায়।কিন্তু এখানে সবাই দরশন করে ফিরে আসছেন, তবে কি ব্রহ্ম এখানে নেই?
ভগবান রূপী ব্রাহ্মণ বললেন,মহাশয় -ভগবান হলেন বাঞ্ছা কল্পতরু সুতরাং যে তাকে যে ভাবে চায় তিনি সেই ভাবেই তার বাঞ্ছা পুরণ করে থাকেন।
যারা ফিরে যাচ্ছেন তারা ফিরে যাওয়ার বাসনাই প্রকাশ করেছে তাই তারা ফিরে যাচ্ছে,যদি কেউ তার কাছ থেকে আর ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন তিনি কখনই ফিরবেন না।
ভগবানরূপী ব্রাহ্মণের কথা শুনে ভট্টের মনে আশার আলো জাগলো।তখন তিনি ছুটলেন দারুব্রহ্ম দরশন ও সেই ব্রহ্মে লীন হওয়ার ইচ্ছায়।
এসে স্নান বেদীতে দারুব্রহ্ম দর্শন করলেন। কিন্তু তার মন ভরল না। তাঁর দৃঢ় ধারণা একমাত্র গণেশ স্বরূপই ব্রহ্ম। নাইনে গজবদন, না দন্ত আছে। তাই মনের দুঃখে ফিরে চললেন।

এদিকে জগন্নাথ তার মুদিরথ নামক সেবক কে স্বপ্নে দরশন দিয়ে বললেন,ভট্ট আমার পরম ভক্ত তাই তাকে খুঁজে এনে আমার স্নান দরশন করাও।
মুদিরথ ভগবানের আদেশ অনুযায়ী ভট্ট কে পেলেন এবং তার সব কথা শ্রবণ করে তাকে নিয়ে এলেন সিংহদ্বারে অরুণ স্থম্ভের নিকট।
প্রভু স্নান বেদীতে শুভ বিজয় করেছেন।মুদিরথ ভট্ট কে বললেন দ্যাখো ওই হলেন তোমার ব্রহ্ম।
ভট্ট দেখছেন কৈ ব্রহ্ম? তাঁর কাছে ব্রহ্মের স্বরূপ গণেশ। এনার ত শূড় বা গজদন্ত কিছুই নাই?
মুদিরথ বললেন হে ব্রাহ্মণ আপনি ভালোকরে নিরিক্ষণ করুণ!  আপনার ব্রহ্ম ইনিই।
 ভট্ট কিছুক্ষণ চোখ বুঝে থেকে ব্রহ্মের চিন্তা করে চোখ খুলতেই দেখেন জগন্নাথ গণেশ স্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
ভট্ট ভালোকরে দেখছেন, একবার না দুইবার না বেশ কয়েকবার।হ্যা,তাইতো ইনিই ত আমার ব্রহ্ম।ঐ ত বিশাল শুন্ড,ঐ ত একটি দন্ত, অদ্ভুত ভাবে শোভা পাইতেছে।।
আহা প্রভু! ধন্য আমার মানব জীবন।ভট্ট শুনতে পেলেন কে যেন নাম ধরে ডাকছে "গণপতি ভট্ট" এদিকে আয় এই ত আমি স্নান মন্ডপে বিরাজিত।।ভট্ট অবাক নয়নে প্রভুর শ্রীমুখ কমল নিরিক্ষণ করতে করতে অবিশ্রাম জল ধারা বয়ে চলেছে দু-চোখে।
প্রভু বললেন ভট্ট! কি বর চাই বল? ভট্ট বললেন প্রভু তোমার এই স্বরূপ আপামর জনসাধারণ কে দরশন দাও।
প্রভু বললেন *তথাস্তু* ।।
ভট্ট চোখ বুঝলেন আর তার শরীর থেকে একটি জ্যোতি নির্গত হয়ে জগন্নাথের শ্রীঅঙ্গে মিশে গেল এবং সকলে দেখলেন গণপতি ভট্ট এর স্থুল শরীরটি মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।।
এই থেকে প্রভুর আশীর্বাদ রূপে ভক্তের উদ্দেশ্যে ঐ স্বরূপের দরশন অদ্যাবধি হয়ে আসছেন।।
কি অদ্ভুত জগন্নাথ আর তার ভক্তের লীলা! রোমাঞ্চ অনুভব হয়! 
জয় ভক্ত বৎসল ভগবানের।

( *_ভক্তেরজয়_* গ্রন্থ থেকে।)

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



গজবেশ 🌷 গণপতি ভট্ট 🙏 ভক্ত লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/gopisharan-das_63.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ গজবেশ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#গজবেশ*

উত্তরাখন্ডের কর্ণাটক দেশের কাণিয়ারি গ্রামে এক সদগুণ সম্পন্ন বেদ-বিদ্যা-বিশারদ নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ বাস করতো। এনার নাম "গণপতি ভট্ট "।।
তার ভগবানে অচলা ভক্তি।বিষয় চিন্তা ছেড়ে ভগবানের চিন্তাতেই তিনি সর্বদা নিমগ্ন থাকতেন।
শাস্ত্র দেখতে দেখতে একদিন তিনি ব্রহ্ম পুরাণে দেখলেন-----
"স্থুলস্বরূপ গোটি ধরি। 
ব্রহ্ম অচ্ছন্তি নীলগিরি।। 
তাংকু দেখন্তি যেউমানে। 
মুকত হুওন্তি দরশনে।।
ন গমে যম দরশন। সকল শাস্ত্রে এই প্রমাণ।।

পরম ব্রহ্ম স্থুলস্বরূপ ধারণ করে শ্রীনীলাচলে বিরাজ করছেন।তাকে যিনি দরশন করবেন তিনি মুক্তিপদের অধিকারী হবেন, তাকে আর যম ভবনে যেতে হবেনা।
•ব্রহ্মপুরাণের এই কথা শুনে ইষ্ট দেবতার ন্যায় বচনটি হৃদয়পদ্মে ধারণ করলেন।
নির্বেদ ভরে প্রানে প্রানে বলে উঠলেন---
"এ সংসারে ধিক,এ মায়াজালে ধিক,স্ত্রী-পুত্র-ধনে ধিক,স্বয়ং ব্রহ্ম এই ধরাধামে বিরাজ করছেন আর আমি না জানতে পেরে অকারনে ভ্রমন করে বেড়াচ্ছি? আহা যে ব্রহ্মকে দেখলে জীব অনায়াসেই নিস্তার লাভ করে এবং গতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে তাতেই লীন হয়ে যায়;
হায়! আমি অতিশয় মূঢ়, তাই তাকে ছেড়ে অসার সংসারে আবদ্ধ হয়ে রয়েছি।আর সংসারে থেকে কি লাভ।
স্ত্রী-পুত্র-ধন কেউ ত আমার সাথে যাবেনা। যতদিন দেহ সবল ততদিন এই দেহটা সকলের বন্ধু।
ভট্ট মনে এই বিচার করে সেই দারুব্রহ্ম উদ্দ্যেশ্যে বেরিয়ে পড়লো।
দিনের পর দিন,মাসের পর মাস চলে গেল, হেঁটেই চলেছে।আহার জুটলে খায় নয়তো উপবাস।
এই ভাবে চলতে চলতে পৌঁছালেন এসে "আঠারনালা" নামক স্থানে।
 এটি নীলাচল এর অতি নিকটেই।
এই স্থানে প্রবেশ মাত্রই জীব যমদণ্ড কে জয় করে থাকে।
 ভট্ট এখানে বসে ব্রহ্মচিন্তা করতে লাগলেন।
হঠাৎ দেখলেন কিছু লোক তার সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছে,এবং সকলেই আনন্দিত চিত্ত,সবার হাতেই "অবঢ়া"(অন্ন মহাপ্রসাদ)
তাদের দেখে মনে হচ্ছে সংসারের তাপ জ্বালা যন্ত্রণা যেন তারা জানেই না।
ভট্ট একজনকে জিজ্ঞেস করলো ভাই তোমাদের এত আনন্দ কিসের? কোথা থেকে তোমরা ফিরছো?
তারা উত্তরে বললেন- আমরা নীলাচলে গিয়েছিলাম। সেখানে ব্রহ্ম দর্শন করে এখন ফিরছি।
ভট্ট এই কথা শুনে একদম স্তম্ভিত হয়ে গেল।এক অভিনব চিন্তায় মন তোলপাড় হতে লাগলো।
ভট্ট জানেন যারা ব্রহ্ম দরশন পায় তারা ব্রহ্মেই লীন হয়ে যায়।তাহলে এরা ব্রহ্ম দরশন করে ফিরে আসছে কি করে? তবে কি এখানে ব্রহ্ম নেই? তাই বা হয় কি করে? ব্রহ্মপুরাণ কি মিথ্যা বলবে?
তাতে স্পষ্ট লেখা আছে "ব্রহ্ম অছন্তি নীলগিরি "
ব্রাহ্মণ পুরাণ বচন বার বার পড়লেন, কিন্তু মনের সংসয় মিটলনা।
মনে ভাবলেন ব্রহ্ম যখন নীলাচলে নেই তখন বাড়ী আর ফিরবো না। আত্মহত্যা করে প্রাণ বিসর্জন দেব।
আবার ভাবছেন আত্মহত্যা? মহাপাপ? না, না,তাই বা করি কি প্রকারে?
ভট্ট এইরূপ ভাবছে এদিকে ভাবগ্রাহী ভগবান সব জানলেন। জানবেন নাই বা কেন?
"সে সরবো অন্তর‍যামী হরি।
সকল ঘটে চ্ছন্তি পুরি।।
ভগত মন যার ঘড়।তাহাকু কিস অগোচর।। "
ভগবান ততক্ষণাৎ ব্রাহ্মণ বেশে এসে ভট্টের সামনে উপস্থিত, হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলেন- বিপ্রবর!আপনি কথা থেকে আসছেন? যাবেন কোথায়?এত দুঃখিত দেখছি কেন?
ভট্ট বললেন মহাশয় ব্রহ্মপুরাণ পাঠ করে জেনেছি ব্রহ্ম এখানে থাকেন আর তাকে দরশন করলেই তাতেই লীন হয়ে যায়।কিন্তু এখানে সবাই দরশন করে ফিরে আসছেন, তবে কি ব্রহ্ম এখানে নেই?
ভগবান রূপী ব্রাহ্মণ বললেন,মহাশয় -ভগবান হলেন বাঞ্ছা কল্পতরু সুতরাং যে তাকে যে ভাবে চায় তিনি সেই ভাবেই তার বাঞ্ছা পুরণ করে থাকেন।
যারা ফিরে যাচ্ছেন তারা ফিরে যাওয়ার বাসনাই প্রকাশ করেছে তাই তারা ফিরে যাচ্ছে,যদি কেউ তার কাছ থেকে আর ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন তিনি কখনই ফিরবেন না।
ভগবানরূপী ব্রাহ্মণের কথা শুনে ভট্টের মনে আশার আলো জাগলো।তখন তিনি ছুটলেন দারুব্রহ্ম দরশন ও সেই ব্রহ্মে লীন হওয়ার ইচ্ছায়।
এসে স্নান বেদীতে দারুব্রহ্ম দর্শন করলেন। কিন্তু তার মন ভরল না। তাঁর দৃঢ় ধারণা একমাত্র গণেশ স্বরূপই ব্রহ্ম। নাইনে গজবদন, না দন্ত আছে। তাই মনের দুঃখে ফিরে চললেন।

এদিকে জগন্নাথ তার মুদিরথ নামক সেবক কে স্বপ্নে দরশন দিয়ে বললেন,ভট্ট আমার পরম ভক্ত তাই তাকে খুঁজে এনে আমার স্নান দরশন করাও।
মুদিরথ ভগবানের আদেশ অনুযায়ী ভট্ট কে পেলেন এবং তার সব কথা শ্রবণ করে তাকে নিয়ে এলেন সিংহদ্বারে অরুণ স্থম্ভের নিকট।
প্রভু স্নান বেদীতে শুভ বিজয় করেছেন।মুদিরথ ভট্ট কে বললেন দ্যাখো ওই হলেন তোমার ব্রহ্ম।
ভট্ট দেখছেন কৈ ব্রহ্ম? তাঁর কাছে ব্রহ্মের স্বরূপ গণেশ। এনার ত শূড় বা গজদন্ত কিছুই নাই?
মুদিরথ বললেন হে ব্রাহ্মণ আপনি ভালোকরে নিরিক্ষণ করুণ!  আপনার ব্রহ্ম ইনিই।
 ভট্ট কিছুক্ষণ চোখ বুঝে থেকে ব্রহ্মের চিন্তা করে চোখ খুলতেই দেখেন জগন্নাথ গণেশ স্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
ভট্ট ভালোকরে দেখছেন, একবার না দুইবার না বেশ কয়েকবার।হ্যা,তাইতো ইনিই ত আমার ব্রহ্ম।ঐ ত বিশাল শুন্ড,ঐ ত একটি দন্ত, অদ্ভুত ভাবে শোভা পাইতেছে।।
আহা প্রভু! ধন্য আমার মানব জীবন।ভট্ট শুনতে পেলেন কে যেন নাম ধরে ডাকছে "গণপতি ভট্ট" এদিকে আয় এই ত আমি স্নান মন্ডপে বিরাজিত।।ভট্ট অবাক নয়নে প্রভুর শ্রীমুখ কমল নিরিক্ষণ করতে করতে অবিশ্রাম জল ধারা বয়ে চলেছে দু-চোখে।
প্রভু বললেন ভট্ট! কি বর চাই বল? ভট্ট বললেন প্রভু তোমার এই স্বরূপ আপামর জনসাধারণ কে দরশন দাও।
প্রভু বললেন *তথাস্তু* ।।
ভট্ট চোখ বুঝলেন আর তার শরীর থেকে একটি জ্যোতি নির্গত হয়ে জগন্নাথের শ্রীঅঙ্গে মিশে গেল এবং সকলে দেখলেন গণপতি ভট্ট এর স্থুল শরীরটি মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।।
এই থেকে প্রভুর আশীর্বাদ রূপে ভক্তের উদ্দেশ্যে ঐ স্বরূপের দরশন অদ্যাবধি হয়ে আসছেন।।
কি অদ্ভুত জগন্নাথ আর তার ভক্তের লীলা! রোমাঞ্চ অনুভব হয়! 
জয় ভক্ত বৎসল ভগবানের।

( *_ভক্তেরজয়_* গ্রন্থ থেকে।)

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



নিত্যানন্দ শক্তি জাহ্নবা ঈশ্বরী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/gopisharan-das_76.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ নিত্যানন্দ শক্তি জাহ্নবা ঈশ্বরী
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*নিত্যানন্দ শক্তি_জাহ্নবা ঈশ্বরী।* 

  
 নিত্যানন্দশক্তি জাহ্নবা মায়ের জন্মস্থান অম্বিকা-কালনা।  পিতা সূর্যদাস পন্ডিত ও মাতা ভদ্রাবতী দেবীর দুই কন্যা-বসুধা ও জাহ্নবা।

শ্রীসূর্যদাসের গুণ কহিলে না হয়।
বসুধা জাহ্নবা --নামে তাঁর কন্যাদ্বয়।।রূপে গুণে দোহার উপমা নাই দিতে।

      মহাপ্রভু নিতাইচাঁদকে বললেন, তুমিও যদি মুনিধর্ম অবলম্বন করে থাকো তাহলে পতিত সংসারের উদ্ধার হবে কিভাবে?  গৌড়মণ্ডলে গিয়ে নাম প্রেম প্রচার কর। সংসারী হও। সম্যকরূপে সার যে আমি, তোমার গৃহে যাব। অতএব তুমি কোন চিন্তা করো না মনে।

বিরলে নিতাই লইয়া হাতে ধরি বসাইয়া মধুর কথা কন ধীরে ধীরে।
মহাপ্রভুর আজ্ঞা মেনে নিতাই আসলেন শ্রীগৌড়মন্ডলে।

    প্রিয়শিষ্য উদ্ধারণদত্ত সঙ্গে  নিত্যানন্দ সূর্যদাসের গৃহে উপস্থিত হয়ে
বিবাহের প্রস্তাব দিলেন।
সেসময় বর্ণপ্রথার প্রবল অনুশাসন থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সমাজের ভয়ে সূর্যদাস কন্যাদানে অসম্মতি জানালেন।
সদানন্দ নিত্যানন্দ গঙ্গাতীরে বটবৃক্ষমূলে গিয়ে বসলেন।

দর্শনে মুগ্ধ বসুধা নিত্যানন্দের ফিরে যাওয়ায় মূর্চ্ছিতা হয়ে পড়লেন।অনেক উপচারেও কিছু হল না কবিরাজ এসে বলল সব শেষ।
      গঙ্গাতীরে বসুধার  মৃতদেহ সৎকার করতে আনা হলে, নিত্যানন্দের দেখা মিলল।
সূর্যদাস তার পায়ে পড়ে বললেন " আমার মেয়েকে বাঁচিয়ে দিন। আপনার চরণে মেয়েকে সমর্পণ করলাম।"
  নিত্যানন্দ  অঙ্গগন্ধ পেয়েই বসুধা উঠে বসল মাথায় ঘোমটা দিয়ে লজ্জায় ফিরে বসল। 
বেদবিহিত সংস্কার করে উপবীত ধারণ করে মহাসমারোহে বিবাহ সম্পন্ন হল।
  
   একদিন নিত্যানন্দ প্রভু পালংকে বসে আছেন, জাহ্নবা হেসে হেসে তাম্বুল দান করছেন নিত্যানন্দ প্রভু তাকে হাতে ধরে পাশে বসালেন।
 পূরবের ভাব মনে হল, তাঁর নিত্য প্রিয়া রেবতী ও বারুনী।  
 সূর্যদাসকে বললেন, " আপনি তো আমাকে যৌতুক দেন নাই তাই যৌতুক স্বরূপ আপনার এই কনিষ্ঠ কন্যাকে আমি গ্রহণ করলাম।"
সূর্যদাস বলল, " জাতি প্রাণ ধন গৃহ পরিবার সমস্ত তোমার।"

 শ্রীগৌরগণোদ্দেশ দীপিকায়াম্-
  শ্রীবারুণীরেবত্যোরংশসম্ভবে 
তস্য প্রিয়ে শ্রীবসুধা চ জাহ্নবা।
শ্রীসূর্যদাসাখ্যমহাত্মনঃ সুতে
ককুদ্মিরূপস্য চ সূর্যতেজসঃ।।

কেচিৎ শ্রীবসুধাদেবীং কলাবাণীং বিবৃণ্বতি।
অনঙ্গমঞ্জরীং কেচিজ্জাহ্নবাং ক প্রচক্ষতে।
ভয়ঙ্কর সমীচীনং পূর্বন্যায়াৎ সতাং মতম্।।

অনুবাদ--শ্রীগৌরগণোদ্দেশদীপিকায় শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর প্রিয়াদ্বয় শ্রীবারুণী ও শ্রীরেবতীর অংশসম্ভূত এবং সূর্যের ন্যায় তেজস্বী, ককুদ্মির অবতার মহাত্মা শ্রীসূর্যদাস পন্ডিত। কেহ কেহ শ্রীবসুধাদেবীকে "কলাবাণী" এবং শ্রীজাহ্নবাকে "অনঙ্গমঞ্জরী" বলে থাকেন। সাধুগণও পূর্ব বিচারে উভয়ই সমীচীন মনে করেন।

        বিয়ের পর বড়গাছিতে এলেন নিত্যানন্দ, শ্রীবাসের ঘরণী মালিনীর কাছে আশীর্বাদ নিলেন। তারপর নবদ্বীপ গিয়ে শচীমাতার আশীর্বাদ নিলেন। তারপর গাণ্ডীবনগরে (বর্তমানে গাঁটরা)এসে বেশ কিছুকাল অবস্থান করেছিলেন। তারপর সপ্তগ্রামে,শেষে খড়দহে আসেন। 
  বসুধা মাতার আটপুত্র ও এক কন্যা , একে একে সাত পুত্র মারা গেল। বেঁচে রইল মেয়ে গঙ্গা ও কনিষ্ঠ পুত্র বীরচন্দ্র বা বীরভদ্র।
বীরচন্দ্রের তিন পুত্র ও এক কন্যা।
শ্রীগোপীজনবল্লভ (নোতা, মঙ্গলকোট, বর্ধমান)
২. শ্রীরামকৃষ্ণ(গয়েশপুর, মালদহ)
৩. শ্রীরামচন্দ্র (খড়দহ- মুলগাদী, উত্তর 24 পরগনা)
 ও কন্যা শ্রীমতীভুবনমোহিনী দেবী, স্বামী পার্বতীনাথ মুখোপাধ্যায় (ফুলিয়ামেল, ফুলিয়া)।

জাহ্নবা নিঃসন্তান ।
রামচন্দ্র(ইনি পূর্বোক্ত রামচন্দ্র নন) বা রামাই কে পোষ্যপুত্র রূপে গ্রহণ করেছিলেন।
 জাহ্নবার প্রিয় বন্দোঁ রামাই গোসাঞি। 
যে আনিল গৌড়দেশে কানাই বলাই।।

 বর্তমানে বাঘনাপাড়ায় কৃষ্ণ-বলরাম বিগ্রহ আজও সেবিত হচ্ছেন।
         বীরচন্দ্রের ইচ্ছা ছিল অদ্বৈত আচার্যের কাছে দীক্ষা নেওয়ার, তাই ভেবে সে শান্তিপুরে যাবার উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন,  জাহ্নবা রামদাস কে পাঠালেন ডেকে আনতে,ততক্ষণে বীরচন্দ্র নৌকায় উঠেছেন রামদাস অনেক ডাকলেন। কিন্তু শুনতে পেলেন না, কেননা তিনি নাম সংকীর্তন সে সময় ছিলেন মত্ত।রামদাস তার হাতের বাঁশীটি ছুড়ে মারলে নৌকা তৎক্ষণাৎ দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়। ফিরে আসলেন বীরচন্দ্র এসে নামজপরত মায়ের চরণে প্রণাম করলেন।যুবক পুত্রকে দেখে মা ঘোমটা দেবেন, হাত নাম জপে রত। তখন আর দুহাত বের করে ঘোমটা দিলেন, দেখে বীরচন্দ্র চরণে লুটিয়ে পড়লেন। যথাসময়ে দীক্ষা হয়ে গেল।

 নিত্যানন্দ প্রভুর অপ্রকটের পর
 জাহ্নবাদেবী ১৫০৫শকে খেতুরীতে শ্রীনরোত্তম ঠাকুর মহাশয়ের অনুষ্ঠিত ছয় বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা মহামহোৎসবে নিমন্ত্রিতা হয়ে আসেন। তিনি খড়দহে ফিরবার কালে তার শ্বশুরের ভিটা দেখতে একচক্রায় এসে নিত্যানন্দ জন্মস্থান শ্রীশ্রীএকচক্রাধাম-যোগপীঠ দর্শন করেন ।
পরে তিনি বৃন্দাবনে গিয়ে গোবর্ধনের গোফায় ভজনরত শ্রীরাঘব পণ্ডিতকে আদেশ দেন নিত্যানন্দ জন্মস্থান সংরক্ষণের জন্য। তারই নির্দেশে পরবর্তীকালে রাঘব পন্ডিত এসে নিত্যানন্দ জন্মস্থানের সেবা সংরক্ষণ করেন।
পরের বার বৃন্দাবনে গিয়ে গোপীনাথের আরতি করেন।আরতী অন্তে গোপীনাথ মাজাহ্নবার বস্ত্রাঞ্চল আকর্ষণ করে আত্মসাৎ করেন অর্থাৎ তার দেহেই লীন করে নেন।
পরে মূর্তি তৈরি করে গোপীনাথের বামে স্থাপন করা হয়।
তখন থেকেই সব গৌড়ীয়ার গোপীনাথ মন্দিরে গোপীনাথের বামে মাজাহ্নবা বিদ্যমান।

নিত্যানন্দ পরিবারের গুরুপরম্পরায় মূল আসনে মা_জাহ্নবাই অধিষ্ঠিত।
আজ
 মাজাহ্নবার শুভ আবির্ভাব তিথিতে মায়ের চরণে কোটি কোটি প্রণাম। মা তুমি সকলের আত্যন্তিক মঙ্গল কর, এই প্রার্থনা তোমার শ্রী চরণে।।

 সমাজবাড়িতে গীত ঠাকুরানীর জন্মলীলা কীর্তনের স্মরণ।

আনন্দরূপিণী এ তব নন্দিনী সুবদনী সুধামুখী ।
সদা সাধ মনে এ হেন রতনে যতনে হৃদয়ে রাখি ।।

শুন সূর্য্যদাস প্রিয়ে !
কত পুণ্যফলে, পেলে আজি কোলে এ হেন সোনার ঝিয়ে ।।

উদয় অবনী অখিল পাবনী কৃষ্ণ প্রেম মন্দাকিনী ।
যে জানে যে নাম রাখুক সে নাম আমরা জাহ্নবা জানি ।।

সর্ব্ব সুলক্ষণা,সৌভাগ্য শোভনা, অতুলনা ত্রিভুবনে ।
আদরিনী হবে হৃদয়ে ধরিবে প্রিয় নিত্যানন্দ ধনে ।।

তনয়া তোমার অখিলের সার সদাই নিতাই সঙ্গ ।
দ্বীন দ্বিজ গতি অনঙ্গ-রেবতী ইঁহার অভিন্ন অঙ্গ ।।

*জয়_মাজাহ্নবা।*

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



নিত্যানন্দ শক্তি জাহ্নবা ঈশ্বরী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/gopisharan-das_76.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ নিত্যানন্দ শক্তি জাহ্নবা ঈশ্বরী
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
নিত্যানন্দ শক্তি জাহ্নবা ঈশ্বরী। 

  
 নিত্যানন্দশক্তি জাহ্নবা মায়ের জন্মস্থান অম্বিকা-কালনা।  পিতা সূর্যদাস পন্ডিত ও মাতা ভদ্রাবতী দেবীর দুই কন্যা-বসুধা ও জাহ্নবা।

শ্রীসূর্যদাসের গুণ কহিলে না হয়।
বসুধা জাহ্নবা --নামে তাঁর কন্যাদ্বয়।।
রূপে গুণে দোহার উপমা নাই দিতে।

      মহাপ্রভু নিতাইচাঁদকে বললেন, তুমিও যদি মুনিধর্ম অবলম্বন করে থাকো তাহলে পতিত সংসারের উদ্ধার হবে কিভাবে?  গৌড়মণ্ডলে গিয়ে নাম প্রেম প্রচার কর। সংসারী হও। সম্যকরূপে সার যে আমি, তোমার গৃহে যাব। অতএব তুমি কোন চিন্তা করো না মনে।

বিরলে নিতাই লইয়া হাতে ধরি বসাইয়া মধুর কথা কন ধীরে ধীরে।
মহাপ্রভুর আজ্ঞা মেনে নিতাই আসলেন শ্রীগৌড়মন্ডলে।

    প্রিয়শিষ্য উদ্ধারণদত্ত সঙ্গে  নিত্যানন্দ সূর্যদাসের গৃহে উপস্থিত হয়ে
বিবাহের প্রস্তাব দিলেন।
সেসময় বর্ণপ্রথার প্রবল অনুশাসন থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সমাজের ভয়ে সূর্যদাস কন্যাদানে অসম্মতি জানালেন।
সদানন্দ নিত্যানন্দ গঙ্গাতীরে বটবৃক্ষমূলে গিয়ে বসলেন।

দর্শনে মুগ্ধ বসুধা নিত্যানন্দের ফিরে যাওয়ায় মূর্চ্ছিতা হয়ে পড়লেন।অনেক উপচারেও কিছু হল না কবিরাজ এসে বলল সব শেষ।
      গঙ্গাতীরে বসুধার  মৃতদেহ সৎকার করতে আনা হলে, নিত্যানন্দের দেখা মিলল।
সূর্যদাস তার পায়ে পড়ে বললেন " আমার মেয়েকে বাঁচিয়ে দিন। আপনার চরণে মেয়েকে সমর্পণ করলাম।"
  নিত্যানন্দ  অঙ্গগন্ধ পেয়েই বসুধা উঠে বসল মাথায় ঘোমটা দিয়ে লজ্জায় ফিরে বসল। 
বেদবিহিত সংস্কার করে উপবীত ধারণ করে মহাসমারোহে বিবাহ সম্পন্ন হল।
  
   একদিন নিত্যানন্দ প্রভু পালংকে বসে আছেন, জাহ্নবা হেসে হেসে তাম্বুল দান করছেন নিত্যানন্দ প্রভু তাকে হাতে ধরে পাশে বসালেন।
 পূরবের ভাব মনে হল, তাঁর নিত্য প্রিয়া রেবতী ও বারুনী।  
 সূর্যদাসকে বললেন, " আপনি তো আমাকে যৌতুক দেন নাই তাই যৌতুক স্বরূপ আপনার এই কনিষ্ঠ কন্যাকে আমি গ্রহণ করলাম।"
সূর্যদাস বলল, " জাতি প্রাণ ধন গৃহ পরিবার সমস্ত তোমার।"

 শ্রীগৌরগণোদ্দেশ দীপিকায়াম্-
  শ্রীবারুণীরেবত্যোরংশসম্ভবে 
তস্য প্রিয়ে শ্রীবসুধা চ জাহ্নবা।
শ্রীসূর্যদাসাখ্যমহাত্মনঃ সুতে
ককুদ্মিরূপস্য চ সূর্যতেজসঃ।।

কেচিৎ শ্রীবসুধাদেবীং কলাবাণীং বিবৃণ্বতি।
অনঙ্গমঞ্জরীং কেচিজ্জাহ্নবাং ক প্রচক্ষতে।
ভয়ঙ্কর সমীচীনং পূর্বন্যায়াৎ সতাং মতম্।।

অনুবাদ--শ্রীগৌরগণোদ্দেশদীপিকায় শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর প্রিয়াদ্বয় শ্রীবারুণী ও শ্রীরেবতীর অংশসম্ভূত এবং সূর্যের ন্যায় তেজস্বী, ককুদ্মির অবতার মহাত্মা শ্রীসূর্যদাস পন্ডিত। কেহ কেহ শ্রীবসুধাদেবীকে "কলাবাণী" এবং শ্রীজাহ্নবাকে "অনঙ্গমঞ্জরী" বলে থাকেন। সাধুগণও পূর্ব বিচারে উভয়ই সমীচীন মনে করেন।

        বিয়ের পর বড়গাছিতে এলেন নিত্যানন্দ, শ্রীবাসের ঘরণী মালিনীর কাছে আশীর্বাদ নিলেন। তারপর নবদ্বীপ গিয়ে শচীমাতার আশীর্বাদ নিলেন। তারপর গাণ্ডীবনগরে (বর্তমানে গাঁটরা)এসে বেশ কিছুকাল অবস্থান করেছিলেন। তারপর সপ্তগ্রামে,শেষে খড়দহে আসেন। 
  বসুধা মাতার আটপুত্র ও এক কন্যা , একে একে সাত পুত্র মারা গেল। বেঁচে রইল মেয়ে গঙ্গা ও কনিষ্ঠ পুত্র বীরচন্দ্র বা বীরভদ্র।
বীরচন্দ্রের তিন পুত্র ও এক কন্যা।
শ্রীগোপীজনবল্লভ (নোতা, মঙ্গলকোট, বর্ধমান)
২. শ্রীরামকৃষ্ণ(গয়েশপুর, মালদহ)
৩. শ্রীরামচন্দ্র (খড়দহ- মুলগাদী, উত্তর 24 পরগনা)
 ও কন্যা শ্রীমতীভুবনমোহিনী দেবী, স্বামী পার্বতীনাথ মুখোপাধ্যায় (ফুলিয়ামেল, ফুলিয়া)।

জাহ্নবা নিঃসন্তান ।
রামচন্দ্র(ইনি পূর্বোক্ত রামচন্দ্র নন) বা রামাই কে পোষ্যপুত্র রূপে গ্রহণ করেছিলেন।
 জাহ্নবার প্রিয় বন্দোঁ রামাই গোসাঞি। 
যে আনিল গৌড়দেশে কানাই বলাই।।

 বর্তমানে বাঘনাপাড়ায় কৃষ্ণ-বলরাম বিগ্রহ আজও সেবিত হচ্ছেন।
         বীরচন্দ্রের ইচ্ছা ছিল অদ্বৈত আচার্যের কাছে দীক্ষা নেওয়ার, তাই ভেবে সে শান্তিপুরে যাবার উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন,  জাহ্নবা রামদাস কে পাঠালেন ডেকে আনতে,ততক্ষণে বীরচন্দ্র নৌকায় উঠেছেন রামদাস অনেক ডাকলেন। কিন্তু শুনতে পেলেন না, কেননা তিনি নাম সংকীর্তন সে সময় ছিলেন মত্ত।রামদাস তার হাতের বাঁশীটি ছুড়ে মারলে নৌকা তৎক্ষণাৎ দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়। ফিরে আসলেন বীরচন্দ্র এসে নামজপরত মায়ের চরণে প্রণাম করলেন।যুবক পুত্রকে দেখে মা ঘোমটা দেবেন, হাত নাম জপে রত। তখন আর দুহাত বের করে ঘোমটা দিলেন, দেখে বীরচন্দ্র চরণে লুটিয়ে পড়লেন। যথাসময়ে দীক্ষা হয়ে গেল।

 নিত্যানন্দ প্রভুর অপ্রকটের পর
 জাহ্নবাদেবী ১৫০৫শকে খেতুরীতে শ্রীনরোত্তম ঠাকুর মহাশয়ের অনুষ্ঠিত ছয় বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা মহামহোৎসবে নিমন্ত্রিতা হয়ে আসেন। তিনি খড়দহে ফিরবার কালে তার শ্বশুরের ভিটা দেখতে একচক্রায় এসে নিত্যানন্দ জন্মস্থান শ্রীশ্রীএকচক্রাধাম-যোগপীঠ দর্শন করেন ।
পরে তিনি বৃন্দাবনে গিয়ে গোবর্ধনের গোফায় ভজনরত শ্রীরাঘব পণ্ডিতকে আদেশ দেন নিত্যানন্দ জন্মস্থান সংরক্ষণের জন্য। তারই নির্দেশে পরবর্তীকালে রাঘব পন্ডিত এসে নিত্যানন্দ জন্মস্থানের সেবা সংরক্ষণ করেন।
পরের বার বৃন্দাবনে গিয়ে গোপীনাথের আরতি করেন।আরতী অন্তে গোপীনাথ মাজাহ্নবার বস্ত্রাঞ্চল আকর্ষণ করে আত্মসাৎ করেন অর্থাৎ তার দেহেই লীন করে নেন।
পরে মূর্তি তৈরি করে গোপীনাথের বামে স্থাপন করা হয়।
তখন থেকেই সব গৌড়ীয়ার গোপীনাথ মন্দিরে গোপীনাথের বামে মাজাহ্নবা বিদ্যমান।

নিত্যানন্দ পরিবারের গুরুপরম্পরায় মূল আসনে মা_জাহ্নবাই অধিষ্ঠিত।
আজ
 মাজাহ্নবার শুভ আবির্ভাব তিথিতে মায়ের চরণে কোটি কোটি প্রণাম। মা তুমি সকলের আত্যন্তিক মঙ্গল কর, এই প্রার্থনা তোমার শ্রী চরণে।।

 সমাজবাড়িতে গীত ঠাকুরানীর জন্মলীলা কীর্তনের স্মরণ।

আনন্দরূপিণী এ তব নন্দিনী সুবদনী সুধামুখী ।
সদা সাধ মনে এ হেন রতনে যতনে হৃদয়ে রাখি ।।

শুন সূর্য্যদাস প্রিয়ে !
কত পুণ্যফলে, পেলে আজি কোলে এ হেন সোনার ঝিয়ে ।।

উদয় অবনী অখিল পাবনী কৃষ্ণ প্রেম মন্দাকিনী ।
যে জানে যে নাম রাখুক সে নাম আমরা জাহ্নবা জানি ।।

সর্ব্ব সুলক্ষণা,সৌভাগ্য শোভনা, অতুলনা ত্রিভুবনে ।
আদরিনী হবে হৃদয়ে ধরিবে প্রিয় নিত্যানন্দ ধনে ।।

তনয়া তোমার অখিলের সার সদাই নিতাই সঙ্গ ।
দ্বীন দ্বিজ গতি অনঙ্গ-রেবতী ইঁহার অভিন্ন অঙ্গ ।।

*জয়_মাজাহ্নবা।*

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds