✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৮. সংসারী লোকেদের কর্তব্য কি ❓ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori18.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৭. সংসারী লোকেদের কর্তব্য কি ❓ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori17.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
**(১৮)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*সংসারী লোকেদের কর্তব্য*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🍀সুতরাং আপনারা যদি পরমেশ্বরের এই মহিমা স্বীকার করেন তাহলে দীক্ষিত হন বা না হন,নিত্য পূজা পাঠ করুন বা নাই করুন সেই পরম পুরুষ গোবিন্দকে যেন দৈনন্দিন জীবন যাত্রার মাধ্যমে একটু স্মরণ করবেন যে কথা গীতায় শ্রীকৃষ্ণ নিজেই বলেছেন শুনুন=*
*"যৎ করোষি যদশ্নাসি যৎ জুহোদি দদাসি যৎ।*
*যৎ তপস্যাসী কৌন্তেয় তৎ কুরুষ্ব মদাপর্ণম।।"*
*🌺অর্থ্যাৎ শ্রকৃষ্ণ কুন্তীপুত্র অর্জুনকে বলছেন, অর্জুন! তুমি যা কিছু করতে ইচ্ছা হয় করো,যা কিছু খেতে ইচ্ছা হয় খাও,যা কিছু হোম করো,যা কিছু দান করো,যা কিছু তপস্যা করো,তা সমস্ত কিছু করবার আগে আমাকে অর্পণ করবে বা আমাকে স্মরণ করে তবে করবে।*
*🍁এখানে শুধু পূজা-অর্চনার কথায় বলা হয় নাই, সবরকম কর্মের কথায় বলা হয়েছে।অর্থ্যাৎ অর্পণ দ্বারা ভগবানের সঙ্গে একটা সম্বন্ধ করার অভ্যাস হবে এবং সদা সর্বদা গোবিন্দ পাদপদ্ম স্মরণের একটা সুযোগ মিলবে।(জীব অভ্যাসের দাস, যেমন যেমন অভ্যাস করবে তেমন তেমন ফল পাবে)।এতে আপনাদের চরম মানসিক লাভ হবে।শুধু মাত্র মানসে সমর্পণ করে সেবা করবেন।এই অভ্যাসটি কৃপা করে স্মরণ রাখবেন এই প্রর্থনা, এবং ভগবান অলক্ষ্যে দেখবেন যে তাঁর সৃষ্ট সন্তানগণ তাঁকে ভোলেনি।এ প্রসঙ্গে আমার বিশেষ অনুরোধ যে পাঠকগণ যেন "চরিতসুধা" গ্রন্থে নবদ্বীপ দাস বাবাজী এবং আনন্দ মিত্র প্রসঙ্গটি অতি অবশ্যই পাঠ করেন। ভক্তিমার্গের প্রথম সোপানই হচ্ছে দাস্যভাব।তুমি প্রভু আমি দাস,তুমি যন্ত্রী আমি যন্ত্র,তুমি কর্তা আমি নিমিত্ত মাত্র, এই ভাবটি মনে করে সমস্ত কাজ করতে পারলেই কাজের মধ্যে দাস্যভাব জাগরিত হয় এবং কর্তৃত্বাভিমান বিনাশ হবে।আমি আহার করি তা তোমারই কৃপায়,সংসারে আছি তা তোমারই দয়ায়,অর্থ্যাৎ যা কিছু করি না কেন সব তুমিই করাও।আমার কর্ম ও ইচ্ছার মধ্য দিয়ে তোমার ইচ্ছায় পূর্ণ হোক,আমি ফলাফল কিছুই চাই না, হে হৃষিকেশ তুমি সদাসর্বদা আমার হৃদয়ে আসীন হয়ে আমায় চালনা করো যে কথা শাস্ত্রে বলা হয়েছে।*
*"ত্বয়া হৃষীকেশ হৃদিস্থিতেন যথা নিযুক্তোহস্মি তথা করোমি।"*
*🌻এই অবস্থার একটি মাধুর্য্য এই যে সদা সর্বদা "আমি তোমার " এই দাস্য ভাবটি বজায় থাকে এবং কর্মের কর্তৃত্বাভিমান কমে যাবে।(যা কিছু করি আমি করি,আমিই সব যে অহং কাজ করে মনের ভেতরে তা একেবারেই কমে যাবে)।আমরা সকলেই কৃষ্ণ বহির্মুখী জীব তথাপি সব কাজের আরম্ভেই যদি আমরা অর্পণ করার অভ্যাসে অভ্যস্ত হই তখন যদি কোন পাপাকাজ বা কুৎসিত কাজ করবার বাসনা মনে জাগে তখনই বিবেকের দংশন অনুভূত হবে যে এমন কুৎসিত কাজ তো ভগবানকে অর্পণ করা যায় না উচিত হবে না এবং তখনই সে তা হতে নিজেকে নিরস্ত করবে এবং সাধু গুরু পদাশ্রয়ের বাসনা ধীরে ধীরে জাগ্রত হবে।*
*🌹এতদিন কর্মার্পণের কোন অভ্যাস যার মধ্যে ছিল না এবং নির্বিচারে ভাল মন্দ সব কাজ করে যেত,এই অভ্যাস যুক্ত হবার পর এক নব চেতনার সঞ্চার হল এবং যেন এক নূতন ধারায় অর্পণ করতে শিখল।কর্মার্পণের এমনই মহিমা যে প্রচ্ছন্নভাব (আবরণ) ধীরে ধীরে চিত্তবৃত্তির পরিবর্তন ঘটতে বাধ্য।অর্পণ করতে করতে মনে হবে ভগবানকে অর্পণ করছি এবং তার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে স্ব-ভাব বদলাবে ও কুকর্ম বা অসৎ কর্মের প্রবৃত্তি চিরতরে কমে যাবে। সুতরাং কর্মার্পণের এই অভ্যাসের মাধ্যমে মানুষের চিত্তবৃত্তির (মনভাবের) যে কিরকম আমূল সংস্কার হয় তা আশাকরি আপনারা অনুধাবন করতে পেরেছেন।*
*🍀সুখেই থাকুন বা দুঃখেই থাকুন তখন মনে এত কষ্ট বোধ হবে না। এই জন্য সাধু,গুরু,মহান্তগণ দুঃখে কখনও বিচলিত হন না বরং দুঃখকে ভগবানের দান হিসাবে গ্রহণ করেন। আর একটা মস্তবড় কথা এই যে, আমরা তো কেউ কখনও ভগবানকে বলিনা য হে করুণাময়!তুমি আমাকে দুঃখ দাও, বরং বলি ধন দাও,দৌলত দাও,সুখ দাও,সমৃদ্ধি দাও, কিন্তু চাইলেই কি তা পাচ্ছি? (হ্যাঁ, একমাত্র শ্রীকৃষ্ণের পিসিমা কুন্তী,শ্রীকৃষ্ণের কাছে আঁচল পেতে দুঃখ ভিক্ষা করে ছিলেন, কেন?যতদিন দুঃখের মধ্যে তাঁরা ছিলেন শ্রীকৃষ্ণ তাঁদের সঙ্গে ছিলেন,যেই রাজ সিংহাসন পেয়ে গেলেন পান্ডবগণ, তখন শ্রীকৃষ্ণ হস্তিনাপুর ছেড়ে দ্বারকায় গমন করেছিলেন)। সুতরাং আমার মনে হয় সুখ চাইলেই যখন পাওয়া যাবে না ; তখন চাইবার কি দরকার ভগবান যখন যেভাবে রাখেন তাতেই আমাদের সন্তুষ্ট থাকা উচিত কারণ সবই পূর্ব জনমের কর্মফল।আর তা না হলে ভগবান কেন তারই সৃষ্টি সন্তানদের মধ্যে এই বৈষম্য (অসমতা) সৃষ্টি করবেন? কারণ তিনি তো কখনও অবিচার করতে পারেন না।দুঃখ দ্রারিদ্রের আর একটা মহিমা এই যে মানুষ সদাসর্বদা ভগবানকে করার একটা সুযোগ পায় যেটা প্রাচুর্য্যের মধ্যে সম্ভব নয়।ভগবানের কাছে দুঃখ প্রার্থনা একমাত্র কুন্তীদেবীই করেছিলেন আগে বললাম, যা শ্রীমদ্ ভাগবতে পাওয়া যায় যথা=*
*হরি তুমি বারে বারে,বিপদে ফেলোগো মোরে,*
*তাহলে ত্বরিতে পাব তব দরশন।*
*সঙ্কট আসিলে তুমি,সম্মুখে দাঁড়াবে স্বামী,*
*বিপদ কামনা তাই করে অনুক্ষণ।।*
*বস্ত্র কাড়ি দুর্য্যোধন,করে লাঞ্জনা যখন,*
*রাখিলে দ্রৌপদী মান তবে নারায়ণ।*
*উচ্চবংশে জাত,বিদ্যা ঐশ্বর্য্যে গর্বিত,*
*সম্পত্তি রয়েছে বলি অভিমানী মন।।*
*তব নামে অধিকার,কভু নাহি রহে তার,*
*প্রাপ্য তুমি হও তার যারা অকিঞ্চন।।*
*🌻সুতরাং সুধী ভক্ত পাঠকগণ আপনারা এইসব শ্রবণ করে যা বিচার্য্য মনে করেন তাইই করবেন, তবে কর্মার্পণ স্ব-ভাবটি যেন ভুলবেন না। যার বিশদ ব্যাখ্যা আগেই করা হয়েছে এবং ভগবানের কাছে মানত করে সুখ সমৃদ্ধি না চাওয়ায় ভাল। কারণ সারা বিশ্বের যিনি অধিপতি তাঁকে নিজ কার্য্য সিদ্ধির জন্য মানতের মাধ্যমে কিছু ভোগ বা পূজা দিবার প্রবৃত্তি বা মনোভাব আমার বিচারে অত্যন্ত গর্হিত।গীতায় তিনি শ্রীমুখে বলেছেন যে আমার পূজায় উপাচারের কোন প্রয়োজন নাই।পত্র পুষ্প ফল জলেই তিনি তুষ্ট, তিনি দ্রব্যের কাঙ্গাল নহেন ভক্তির কাঙ্গাল।তাঁর কৃপাতেই সব সম্ভব এই সার কথাটি সকলে মনে রাখলেই ভাল। এই প্রসঙ্গে সীতানাথের কাতর প্রার্থনা একটি পদাবলী আস্বাদন করুন।*
*🍀কৃষ্ণকে তুলসী জল দেয় যেই জন।*
*🍀তার ঋণ শোধিতে কৃষ্ণ করেন চিন্তন।।*
*🍀তাঁর আত্মা বেচি করে ঋণের শোধন।*
*🍀এত ভাবি আচার্য্য করেন আরাধন।।*
*🍀গঙ্গাজল তুলসী মঞ্জরী অনুক্ষণ।*
*🍀কৃষ্ণপাদপদ্ম ভাবি করেন সমর্পণ।।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*ইন্দ্র ঘূর্ণিত নয়নে,ডাকিলেন মেঘগণে,*
*আহ্বান শুনিয়া তারা করে আগমন।*
*ল'য়ে সাথে মেঘ সবে,চলে ত্বরা ইন্দ্র তবে,*
*অবশেষে ব্রজে তিনি উপনীত হন।।*
*মেঘগণে শীঘ্রগতি,করিলেন অনুমতি,*
*সেথা যেন কোন প্রাণ,নাহি পায় পরিত্রাণ,*
*ইহার অন্যথা যেন না হয় কখন।।*
*🌹🌹সংসারী লোকের কর্তব্য এখানেই রইল🌹🌹*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏 *ক্রমাগত* 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৯. শ্রীশ্রীচৈতন্যমহাপ্রভুর বংশ পরিচয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori19.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
