শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

২১. মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori21.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২১. মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori21.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
    এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                         🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২০. মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori20.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(২১)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
        *মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব*
         """""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🍀নামকরণ তত্ত্ব=মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাস গ্রহণ কালে কেশবভারতী যে নামকরণ করেছিলেন তাহাও বিশেষভাবে তাৎপর্য‍্যপূর্ণ। কারণ এক্ষেত্রে সন্ন‍্যাস আশ্রমের নাম হয়েছিলেন "শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্য" কারণ দ্বাপরযুগের কৃষ্ণ অবতার এবং কলিযুগে মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্বের দিক দিয়ে এক হলেও এর বিশেষ তাৎপর্য‍্য আছে।কৃষ্ণ শব্দটির অর্থ হচ্ছে যিনি কৃপা করে আকর্ষণ করেন অর্থ‍্যাৎ যে কৃপা তিনি করেছিলেন বৃন্দাবনের গোপীগণকে,রাধারাণীকে, উদ্ধবকে,সুদামাকে,পূতনা রাক্ষসীকে ইত‍্যাদি সকলকে।কিসের দ্বারা? অর্থ‍্যাৎ তাঁর রূপ মাধুর্য‍্য,গুণ মাধুর্য‍্য, লীলা মাধুর্য‍্য এবং বেণু মাধুর্য‍্যের দ্বারা। পরমপুরুষ শ্রীকৃষ্ণের রূপে রাধারাণী মোহিত হয়েছিলেন, গুণে সুদামা বিপ্র, লীলায় পূতনা ও বেণু মাধুর্য‍্য বা বংশীধ্বনির দ্বারা জীবজগতকে এবং গোপীগণকে তিনি মুগ্ধ করেছিলেন।সেইরকম আবার কলিযুগে মহাপ্রভু শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্যরূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন রাধাকৃষ্ণ মিলিত তনুরূপে  এবং দ্বাপরযুগের লীলার যে অপূর্ণ বাসনা তা রাধাকৃষ্ণ মিলিত তনু হিসাবে আস্বাদন করে গিয়েছেন।আর কি করেছিলেন যথা কলির জীবকে কৃষ্ণকথা,কৃষ্ণনাম এবং কৃষ্ণের লীলামাধুর্য‍্য শুনিয়ে জীবের সুপ্ত চৈতন‍্যকে জাগ্রত করে দিয়েছেন এবং চিত্ত দর্পণের ময়লা কিরকম ভাবে দূর করা যায় কিভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা যায় কিভাবে কলির জীবকে ভগবদ আসনের উপযোগী করা যায় তা কলির জীবকে হরিনাম সুধা বিতরণ করে বুঝিয়ে দিয়েছেন।এটিই হল শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্য নামের মোটামুটিভাবে ভাবার্থ।*
*🌷এছাড়াও এই দুই অবতারের মধ্যে আর একটি বিশেষত্ব কৃষ্ণদাস কবিরাজ মহাশয় বিচার করেছিলেন। কারণ মহাপ্রভু বুঝেছিলেন যে ভক্তি বৈমুখী কলির জীবকে ধর্ম ভাবাপন্ন করতে গেলে সাক্ষাৎ কিছু দেখাতে হবে। শুধুমাত্র প্রাগৈতিহাসিক যুগের ধ্রুব,প্রহ্লাদ,অম্বরীষ কাহিনী শুনালে তা বিশ্বাস করবে না, সেজন‍্য সপার্ষদ অর্থ‍্যাৎ সাঙ্গপাঙ্গসহ আবির্ভূত হয়েছিলেন।একেও কবিরাজ গোস্বামী মহাশয় সুন্দর উপমার দ্বারা বিশ্লেষণ করে জীবজগৎকে বুঝিয়ে দিয়েছেন।যথা অদ্বৈতাচার্য‍্যের হুঙ্কারে এবং কাতর প্রার্থনায় যখন গোলোকনাথের হৃদয় মথিত হল এবং যখন তিনি গোলোকের সিংহাসন ত‍্যাগ করে নররূপে ধরাধামে অবতীর্ণ হবার বাসনা প্রকাশ করলেন। তখন স্বর্গের দেবতাগণ ভগবদ্ সান্নিধ‍্য হারা হবেন বলিয়া আকুল প্রার্থনা জানালেন। তাঁদের বক্তব‍্য এই যে গোলোকধাম যদি মণিহারা হয়ে যায় তাহলে তাঁরা কেমন করে বাঁচবেন বা কিভাবে থাকবেন, তখন দয়াময় ভগবান দেবতাগণের বিচ্ছেদ বেদনায় মর্মাহত হয়ে তাঁদেরকে বিভিন্ন স্বরূপে মর্ত‍্যভূমে আনয়ন করবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন।যার ফলে নারদ স্বরূপে শ্রীবাস,মহাবিষ্ণু স্বরূপে অদ্বৈতাচার্য‍্য,রাধারাণীর স্বরূপে গদাধর পন্ডিত এবং বিভিন্ন মঞ্জরীরূপী সখিগণের স্বরূপে বিভিন্ন গোস্বামীগণ ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।এর পেছনে অন্তর্নিহিত এক গূঢ় উদ্দেশ্যেও ছিল কারণ মহাপ্রভু এই ঘোর কলিযুগে জীবজগৎকে দেখাতে চেয়েছিলেন যে ভক্ত কাকে বলে?ভক্তের আচরণ কি?ভক্তের জীবন কত সুন্দর ইত‍্যাদি। অর্থ‍্যাৎ ভক্তিসুধা এতদিন রামায়ণ মহাভারতের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল তা প্রত‍্যক্ষ ভাবে তাঁর পার্ষদগণের মাধ‍্যমে দেখিয়ে গিয়েছেন।কারণ কোন একটি জিনিস শুনলে মানুষের বিশ্বাস নাও হতে পারে কিন্তু তা দর্শন করলে বিশ্বাস হতে বাধ‍্য।অর্থ‍্যাৎ এই সাঙ্গপাঙ্গ এবং পার্ষদগণের সমহান জীবনের কৃষ্ণভক্তির যে সব কাহিনী আমরা শুনি বা পাঠ করি তা যেন প্রাগৈতিহাসিক কিছু নয় এবং তা শুনলে বা স্মরণ মনন করলে হৃদয়ের জ্বালা জুড়িয়ে যায়, সেজন্য কবিরাজ গোস্বামী মহাশয় আবার বলেছে=*
*দুই ভাই হৃদয়ের ক্ষালি অন্ধকার।*
*দুই ভাগবদ্ সঙ্গে করান সাক্ষাৎকার।।*
*🌹আগামী পর্বে ব‍্যাখ‍্যা*
*হেরি সবে ব‍্যাকুলিত,হ'য়ে নন্দ চিন্তান্বিত,*
    *তবে তিনি করিলেন ইন্দ্রের বন্দন।*
*আসি সেথা জনার্দন,পিতৃদেবে ডাকি কন,*
   *কার স্তুতি কর পিতা অজ্ঞান সমান।।*
*কিবা শক্তি ইন্দ্র ধরে,গোপকুল বধিবারে,*
   *কেন বৃথা শোকাকুল,ভীত কেন প্রাণ।*
*দেবরাজ দম্ভ ভরে,ভগবান ভাবে তারে,*
  *অবশ‍্য করিব চূর্ণ তার অভিমান*।।
*এই ব্রজের রক্ষণ,আমি করিব এখন,*
   *ব্রজবাসী সবাকারে করিবারে ত্রাণ।*
*অবহেলে শৈলবরে,উপড়িয়া এইবারে,*
   *আপনার বাম হস্তে করেন ধারণ।।*
*কন তবে নারায়ণ,শোন ব্রজবাসী গণ,*
   *যথা সুখে গিরিগর্ত‍ রহিও এবার*।
*রহিবে নির্ভয় চিতে,পড়িবে না গিরি হ'তে,*
    *ঝড় বৃষ্টি হ'তে ভীতি নাহি রবে আর।।*
🪷🌷🪷🌷🪷🌷🦚🪷🌷🪷🌷🪷🌷
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                            🙏 *ক্রমাগত* 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২২. মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori22.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



২০. মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori20.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২০. মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori20.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
    এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                         🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৯. শ্রীশ্রীচৈতন‍্যমহাপ্রভুর বংশ পরিচয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori19.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(২০)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
       *মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব*
      ¡¡¡    ¡¡¡    ¡¡¡    ¡¡¡    ¡¡¡    ¡¡¡  ¡¡¡
*সর্বপ্রথমে বলতে চাই নিতাই-গৌরের মূল হোতা কে এবং কিভাবে ইহা সংঘটিত হয়েছিল। ঘোর কলিকালে অর্থ‍্যাৎ আজ হতে প্রায় ৫৩৭ বৎসর পূর্বে সাধারণ জীবের মধ্যে যখন কৃষ্ণভক্তি লেশমাত্র ছিল না  এবং লোকে নানারকম তন্ত্রমন্ত্র যাগযজ্ঞ বলিদান ইত‍্যাদি পূজা অর্চনায় হিন্দু সমাজ যখন জর্জরিত ছিল তখন এই জঘণ‍্য পাপাচারের হাত হতে হিন্দু সমাজকে এবং দেশকে ও জাতিকে বাঁচাবার জন্য অদ্বৈত আচার্য‍্য তাঁর কাতর প্রার্থনা এ শুধুমাত্র গঙ্গাজল ও তুলসীপত্র দ্বারা আরাধনা করে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণকে ধরাধামে আনতে সমর্থ হয়েছিলেন। বিশেষ করে তিনি দেখিয়েছিলেন যে কলির জীবসব বিষয় সুখে মগ্ন এবং কৃষ্ণভক্তি বা বিষ্ণুভক্তির প্রতি লোকের কোন আগ্রহ নাই।এমনকি কারও মুখে হরিনাম বা কৃষ্ণনামটি পর্যন্ত শুনা যেত না।এক কথায় কৃষ্ণভক্তি একেবারে বিরল ছিল।সেইজন‍্য তিনি চিন্তাকুল হৃদয়ে মনের দুঃখে বলেছিলেন =*
*"কেমনে এইসব জীব পাইবে উদ্ধার।*
*বিষয় সুখেতে সব মজিল সংসার।।*
*বলিলেও কেহ নাহি লয় কৃষ্ণনাম*।
*নিরবধি বিদ‍্যাকুল করেন ব‍্যাখান।।*
*🌻এছাড়াও শ্রীবাস পন্ডিত,গঙ্গাদাস পন্ডিত,শুক্লাম্বর ব্রহ্মচারী ইত‍্যাদি যাঁরা কৃষ্ণভক্ত ছিলেন তাঁদের সকলকে উদ্দেশ্য করে তিনি অন‍্য জায়গায় বলেছেন=*
*শুন শুন শ্রীবাস গঙ্গাদাস শুক্লাম্বর।*
*করাইব কৃষ্ণ সর্ব নয়ন গোচর।।*
*সবা উদ্ধারিবে কৃষ্ণ আপনে আসিয়া।*
*বুঝাইব কৃষ্ণভক্তি তোমা সবা লইয়া।।*
*দেখিবা কি হয় এই নদীয়া ভিতর।*
*তবে সে অদ্বৈত নাম কৃষ্ণের কিঙ্কর।।*
*🍀অবশেষে ভক্তের ডাকে ভগবানের চিত্ত বিগলিত হয়  এবং ভক্তের মনস্ককামনা পূর্ণ করবার জন্য গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু কৃষ্ণ ভগবানের দ্বিতীয় স্বরূপে নররূপে শচীগর্ভে উদয় হন, সমসাময়িক কালে বীরভূমের অন্তর্গত একচক্রাতেও নিত‍্যানন্দপ্রভু আবির্ভূত হন।*

*🙏শ্রীভগবান নিজেই শ্রীমুখে বলেছিলেন যে, যখন আমার ভক্তের প্রতি অত‍্যাচার হয় ও অনাচারে ভরে যায় ঠিক তিনি সময়মতো অবতীর্ণ হন।*
*"যদা যদা হি ধর্মস‍্য গ্লানির্ভবতি ভারত,*
*অভ‍্যুত্থানম্ অধর্মস‍্য তদাত্মানং সৃজাম‍্যহম্।*
*পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতানাং,*
*ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।।"*
*🌹অর্থ‍্যাৎ এ ক্ষেত্রেও শ্রীভগবানের অবতারের প্রয়োজন ছিল এবং তিনি তা করেছিলেন।*
*নিতাই গৌরাঙ্গ অবতার উপলক্ষ্য করে পরম ভাগবদ্ কৃষ্ণদাস কবিরাজ মহাশয় এক অতীব চমৎকার সিদ্ধান্ত দান করেছেন। তিনি কি বলেছেন তা মন দিয়ে শুনুন।"হে কলির জীবসকল তোমরা কি জানো যে এই কলিযুগে এক অত‍্যাশ্বর্য‍্য ব‍্যাপার ঘটেছিল?কি সে ব‍্যপার?যেন একই সঙ্গে গৌড়ের ভাগ‍্যাকাশে চন্দ্র ও সূর্য‍্য উভয়েই উদিত হয়েছেন।এই অপেক্ষা অতীব আশ্বর্য‍্য ব‍্যাপার ছাড়া আর কি হতে পারে?কারণ চন্দ্র-সূর্য‍্য তো কখনও একই সঙ্গে উদিত হন না।*
*বিশ্ববাসী সকলেই জানেন যে সূর্য‍্য দিনের বেলায় উদিত হন এবং চন্দ্র রাত্রিকালে উদিত হন এবং সূর্য‍্য তার প্রখর আলোকের দ্বারা এবং চন্দ্রতার স্নিগ্ধ কিরণের দ্বারা দিনরাত্রির তমোনাশ (অন্ধকার) দূর করেন। কিন্তু তাঁরা কখনও একই সঙ্গে উদিত হন না। কিন্তু এক্ষেত্রে গৌড়ের ভাগ‍্যাকাশে যেন একই সঙ্গে চন্দ্র সূর্য‍্যের উদয় হয়েছে এবং একে বিশ্লেষণ করে কবিরাজ গোস্বামী মহাশয় বলেছেন যে=*
*"এক অদ্ভুত সমকালে দোঁহার প্রকাশ।*
*আর অদ্ভুত চিত্তগুহার তমো করে নাশ।।"*
*অর্থ‍্যাৎ একই সঙ্গে যেন দুই প্রভু চন্দ্র সূর্য‍্যের মতো গৌড়ের  ভাগ‍্যাকাশে উদিত হয়েছেন।তার পরেও তিনি বলছেন যে চন্দ্র এবং সূর্য‍্য শুধুমাত্র বর্হিজগতের অন্ধকারকেই বিনাশ করেন কিন্তু তাঁরা কি কখনও অন্তর্জগতের অন্ধকারকে দূরীভূত করতে পারেন?এককথায় বলব না,কখনই না।অন্তর্জগতের অন্ধকার বলতে এখানে বলা হচ্ছে চিত্তের বা মনের অন্ধকার,অজ্ঞানতার অন্ধকার, মলিনরূপ যে অন্ধকার  তাকে, কিন্তু চন্দ্র ও সূর্য‍্য কেউই দূরীভূত করতে পারেন না। এখানে নিতাইচাঁদ এবং গৌরসুন্দর চন্দ্র সূর্য‍্যের সঙ্গে তুলনা করে বলা হয়েছে যে উভয়ের আবির্ভাবের মূল কারণ হচ্ছে জীবের সুপ্ত (লুকিয়ে থাকা)চৈতন‍্যকে জাগ্রত করে ভগবদ্ উন্মুখী করা।জীবের চিত্তগুহার তমোনাশ করা, অর্থ‍্যাৎ আমাদের চিত্ত দর্পণের বা আয়নায় যে মালিন‍্য (ময়লা জমে আছে ) অন্তরের যে অজ্ঞানতা তা দূরীভূত করে জীবের সুপ্ত (ঘুমিয়ে থাকা )চৈতন‍্যকে জাগ্রত করা এবং তাঁরা উভয়েই তা করেছিলেন।সেজন‍্য কবিরাজ গোস্বামী মহাশয় উপরের পয়ারের মাধ‍্যমে বলেছেন যে দুটি অদ্ভুত ব‍্যাপার ঘটেছে তা কি?*
*(১)একত্রে নিতাইসুন্দর এবং গৌরসুন্দরের আবির্ভাব, যাকে তিনি চন্দ্র সূর্য‍্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন এবং পার্থক্য কি বলেছেন।*
*(২)তাঁরা কিন্তু জীবের হৃদয়ের অন্ধকার বা অন্তরের মালিন‍্যরূপ যে অন্ধকার তার বিনাশ করেছেন।*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🌻🙌🙌🙌🙌🙌🙌
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                            🙏 *ক্রমাগত* 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২১. মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori21.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



১৯. শ্রীশ্রীচৈতন‍্যমহাপ্রভুর বংশ পরিচয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori19.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৯. শ্রীশ্রীচৈতন‍্যমহাপ্রভুর বংশ পরিচয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori19.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
    এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                         🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৮. সংসারী লোকেদের কর্তব‍্য কি ❓ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori18.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(১৯)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*শ্রীশ্রীচৈতন‍্যমহাপ্রভুর বংশ পরিচয়।*
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
*(১)শ্রীমন্মহাপ্রভুর বৃদ্ধ প্রপিতামহ= অর্থ‍্যাৎ ঠাকুরদাদার পিতামহ শ্রীপাদ জিত মিশ্র ঠাকুর।*
*(২)এই শ্রীজিত মিশ্র ঠাকুরের তিন পুত্ররত্ন ছিলেন।দুই পুত্রের কোন সন্তান সন্ততি না থাকায় কোন নাম উল্লেখ নাই। তৃতীয় পুত্রের নাম শ্রীপাদ মধুকর মিশ্র ঠাকুর।*
*(৩)শ্রীপাদ মধুকর মিশ্রের চারপুত্র যথা ঃ-- উপেন্দ্র,রঙ্গদ,কীর্তিদ ও কীর্তিবাস মিশ্র।*
*(৪)এই চার পুত্রের মধ্যে উপেন্দ্র মিশ্র মহাশয়ের সাতটি পুত্র সন্তান ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রীর নাম ছিল কলাবতী বা কমলাবতী। তিনি পরমা সুন্দরী ছিলেন বলিয়া তাঁকে শোভাবতীও বলা হত।এই সাত পুত্র সম্বন্ধে প্রাচীন গ্রন্থে এইরকম লেখা আছে =* *যথা ঃ---*
*"কংসারি পরমানন্দ জনার্দন আর জগন্নাথ।*
*পদ্মনাভ সর্বেশ্বর আর ত্রৈলোক‍্যনাথ।।"*
*(৫)এই জগন্নাথ মিশ্রের পুত্রই হচ্ছেন শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভু।এখন আপনাদের জ্ঞাতার্থে যতদূর সম্ভব বংশ পরিচয় ক্রম অনুসারে নিম্নে দেওয়া হল।*
*🙏সর্বপ্রথম শ্রীমন্মহাপ্রভু।*
*🙏শ্রীপাদ জগন্নাথ মিশ্র--পিতা।*
*🙏শ্রীপাদ উপেন্দ্র মিশ্র--পিতামহ*
*🙏শ্রীপাদ মধুকর মিশ্র--প্রপিতামহ।*
*🙏শ্রীপাদ জিত মিশ্র--বৃদ্ধ প্রপিতামহ।*
*🌻এই হচ্ছে মহাপ্রভুর পিতার দিকের বংশ পরিচয় এখন আপনাদের তাঁর মাতৃদেবীর বংশের সামান্য পরিচয় যেটুকু পাওয়া যায়*।
*মহাপ্রভুর পিতা শ্রীপাদ জগন্নাথ মিশ্র, মাতা শ্রীমতী শচীদেবী, মাতামহের নাম শ্রীনীলাম্বর চক্রবর্তী। তাঁর প্রথম কন‍্যা শচীদেবী। শচীদেবীর স্বামী শ্রীজগন্নাথ মিশ্র।দ্বিতীয় কন‍্যা সর্বজয়া, স্বামী শ্রীপাদ চন্দ্রশেখর আচার্য‍্য।মহাপ্রভুর মাসীমার নাম সর্বজয়া দেবী ও মেসো মহাশয়ের নাম শ্রীচন্দ্রশেখর আচার্য‍্য। শচীদেবীর পর পর আটটি কন‍্যা গর্ভে বিনষ্ট হয়। নবম সন্তান শ্রীমদ্ বিশ্বরূপ মিশ্র হচ্ছেন জ‍্যেষ্ঠ পুত্র।বাল‍্যকালে সংসার আশ্রম পরিত‍্যাগ করে চলে যান এবং তাঁর সন্ন‍্যাস আশ্রমের নাম শ্রীশঙ্করারণ‍্য।দশম গর্ভের সন্তান শ্রীমন্মহাপ্রভু। আবির্ভাব ইংরেজি ১৪৮৬ খ্রীষ্টাব্দে (বাংলা ১৪০৭ শকে) ফাল্গুনী পূর্ণিমার তিথিতে ২১শে ফাল্গুন শনিবার সন্ধ‍্যার পর। মহাপ্রভু ত্রয়োদশ মাসকাল মাতৃগর্ভে ছিলেন  এবং শুভ চন্দ্রগ্রহণ কালে সারা নবদ্বীপ যখন হরি সংকীর্তনে মগ্ন তখন তিনি ধরাধামে অবতীর্ণ হন। মহাপ্রভুর কোষ্ঠী বিচারে দেখা যায় = পূর্ব ফাল্গুনী নক্ষত্র,সিংহ রাশি,সিংহ লগ্ন। ইহার পরিচয় গ্রন্থের মধ্যে এইভাবে পাওয়া যায় =*
*সিংহ রাশি,সিংহ লগ্ন,উচ্চগ্রহগণ।*
*ষড়বর্ণ,অষ্ট বর্গ, সর্ব শুভক্ষণ।।*
*🍀জ‍্যোতিষ শাস্ত্র মতে এইরকম সর্ব শুভক্ষণ হওয়া খুবই দুর্লভ।*
*দীক্ষা গুরু=শ্রীপাদ ঈশ্বরপুরী।*
*সন্ন‍্যাস গুরু=শ্রীপাদ কেশব ভারতী।*
*পরম গুরুদেব=শ্রীপাদ মাধবেন্দ্র পুরী গোস্বামী।*
*বিবাহ=প্রথমা পত্নী লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী।পিতা=শ্রীবল্লভাচার্য‍্য। দ্বিতীয়া পত্নী শ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী।পিতা শ্রীসনাতন মিশ্র।*
*🙏জগদগুরু মহাপ্রভুর এই শুভ জন্মতিথিটি সমগ্র বাঙ্গালী তথা ভারতবাসীর কাছে একটি অতি পুণ‍্যময় দিন।এই পুণ‍্য তিথিতে ব্রত উপবাস করা, জন্মলীলা কাহিনী শ্রবণ কীর্তন করা অতীব শুভদায়ক। সাধারণ বাঙ্গালীর কাছে দুর্গোৎসবই হচ্ছে সর্বাপেক্ষা বড় জাতীয় উৎসব বা ধর্মীয় উৎসব। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে শুভ জন্মতিথিটি সমগ্র বাঙ্গালী জাতির প্রাণে জাতীয় সাড়া জাগাতে পারে নাই। আদি নিবাস শ্রীহট্ট হলেও গঙ্গাতীরে বাস লোভে এবং নবদ্বীপধাম প্রকট করবার মানসে মিশ্র মহাশয় এখানে বাস পরিবর্তন করেন।চলতি কথায় আমরা নবদ্বীপ বলি। কিন্তু এর তাৎপর্য‍্য হচ্ছে নয়টি দ্বীপের সমন্বয়। বতর্মানের নবদ্বীপধাম দর্শন করলে ইহা কিছু বুঝা যায় না। কিন্তু ৫০০|৬০০বৎসর পূর্বে বা তার আগে গঙ্গা নদীর গতি এবং প্রবাহ অন‍্যরকম ছিল।সেজন‍্য আশেপাশের এই নয়টি দ্বীপের নাম হচ্ছে=অন্তদ্বীপ,মধ‍্যদ্বীপ,জহ্নুদ্বীপ, সীমন্ত দ্বীপ,কোল দ্বীপ,মোদ্রুম দ্বীপ, গোদ্রুম দ্বীপ,ঋতু দ্বীপ ও রুদ্র দ্বীপ।*
*🍀এই দ্বীপগুলির মাহাত্ম্য এবং পূর্বস্মৃতি যদি কোন আগ্রহী ভক্ত পাঠক জানতে চান তাহলে তিনি বাগবাজারে শ্রীগৌড়ীয় মঠ হতে প্রকাশিত শ্রীনরহরি ঠাকুর বিরচিত শ্রীশ্রীভক্তি রত্নাকর গ্রন্থের ৪৬৫ পৃষ্ঠায় পাবেন।এর অর্থ এই নয় যে নয়টি দ্বীপ তখন ছিল কারণ ঈশান প্রভু যখন শ্রীনিবাস আচার্য‍্য প্রভুকে নবদ্বীপ পরিক্রমার মাধ‍্যমে এই ধাম মাহাত্ম্য ব‍্যাখ‍্যা বা বর্ণনা করেছিলেন। তা হতে বুঝা যায় যে তাঁদের প্রকট কালের বহুপূর্বে এই জাতীয় নামকরণ হয়েছিল এবং প্রত‍্যেকটি নামের তাৎপর্য‍্য এই গ্রন্থে বিস্তারিত ভাবে বর্ণিত হয়েছে।আমরা যে নামাচার্য‍্য হরিদাস ঠাকুরকে ব্রহ্মার অবতার বলে জানি তারও বিশেষ তাৎপর্য‍্য আছে, এবং তা "অন্তদ্বীপের" মাহাত্ম্য পাঠ করলে জানা যাবে।অর্থ‍্যাৎ দ্বাপর যুগে স্বয়ং ব্রহ্মা শ্রীকৃষ্ণের গোধন চুরি করে যে অপরাধ করেছিলেন তা স্খালনের জন্য তিনি যে জায়গায় বসে গৌর ভগবানের আরাধনা করেছিলেন এবং পরে শচীনন্দন যখন প্রসন্ন হয়ে ব্রহ্মাকে বর চাইতে বলেছিলেন তখন ব্রহ্মা বলেছিলেন যে=*
*এই কলিযুগে নদীয়াতে।*
*করিবে প্রকট লীলা স্বগণ সহিতে*।।
*সে সময় প্রভু মোরে করি অঙ্গীকার।*
*জন্মাইবা নীচকূলে এ ইচ্ছা আমার।।*
*ওহে প্রভু,মোর অভিমান অতিশয়*।
*লোকে ঘৃণা করে যেন ঐছে দন্ড হয়।।*
*ঘুচাইবা আমার দারুণ দুষ্টমতি।*
*করাইবা তোমার শ্রীনামে গাঢ়রতি।।*
*পূর্বে যৈছে মায়ায় মোহিত কৈলে মোরে।*
*তাহা না করিয়া প্রভু এই অবতারে।।*
*অনুক্ষণ তোমার ভক্তের সঙ্গ চাই।*
*জীবনে মরণে যেন তোমাকে ধেয়াই।।*
*শুনিয়া ব্রহ্মার বাক‍্য প্রভুর উল্লাস*।
*প্রভু কহে, "পূর্ণ হবে সব অভিলাষ।।*
*পুনঃ প্রভু সংক্ষেপেই ব্রহ্মারে কহিলা।*
*দেখিবা সাক্ষাতে মোর নবদ্বীপ লীলা।।*
*কহি অন্তরের কথা হইলা অন্তর্ধান।*
*এই হেতু লোকে ব‍্যক্ত অন্তদ্বীপ ধাম।।*
*🌹সুতরাং এটি হতে বুঝা যায় যে সাধারণতঃ দ্বীপ বলে যে এক বিশাল জলবেষ্টিত ভূখন্ডকে বুঝায়, এটি ঠিক তা নয় তবে নিশ্চয়ই আদি নবদ্বীপের কাছাকাছি বিভিন্ন জায়গায় অতীতের এইসব ঐতিহ্য বহন করে গুপ্তভাবে আছেন। এই উপাখ‍্যান হতে বেশ বুঝা যায় যে হরিদাসকে কেন ব্রহ্মার অবতার বলা হয়। সেজন‍্য বোধহয় তিনি যবনের অন্নে প্রতিপালিত হয়েছিলেন।সেইরকম অন‍্যান‍্য প্রতিটি দ্বীপের সঙ্গে প্রাচীন ধর্মগাঁথা জড়িত যা পিপাসু পাঠকগণ পাঠ করে আনন্দলাভ করেন।*
◆               ◆               ◆               ◆
*সবাকার অহঙ্কার,হ'বে খর্ব এইবার,*
   *শক্তির পরীক্ষা দিবে নন্দের নন্দন।*
*গাভীগণ আছে যত,বারি বর্ষি করি হত,*
   *ব্রজবাসী সকলের করিও নিধন।।*
*মেঘ শব্দ অবিরত,শুনি নন্দ হন ভীত,*
   *গোকুলে চিন্তিত তবে রহে সর্বজন।*
*ভাবে একি অঘটন,কেন দৈব বিড়ম্বন,*
    *নাহি জানি ঈয়ন পাপে ইহা সংঘটন।।*
*ভঙ্গ করি ইন্দ্র পূজা,পাইতেছি মোরা সাজা,*
  *শুনিয়া শিশুর বাক‍্য পড়েছি বিপাকে।*
*উপায় না দেখি মোরা,চিন্তি সবে হই সারা,*
   *সকাতরে কহে নন্দ পত্নী যশোদাকে।।*
🦚🦚🦚🦚🦚🦚🌸🦚🦚🦚🦚🦚🦚
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                            🙏 *ক্রমাগত* 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



১৮. সংসারী লোকেদের কর্তব‍্য কি ❓ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori18.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৮. সংসারী লোকেদের কর্তব‍্য কি ❓ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori18.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
         এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
    এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                         🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৭. সংসারী লোকেদের কর্তব‍্য কি ❓ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori17.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
**(১৮)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
    *সংসারী লোকেদের কর্তব‍্য*
     ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🍀সুতরাং আপনারা যদি পরমেশ্বরের এই মহিমা স্বীকার করেন  তাহলে দীক্ষিত হন বা না হন,নিত‍্য পূজা পাঠ করুন বা নাই করুন সেই পরম পুরুষ গোবিন্দকে যেন দৈনন্দিন জীবন যাত্রার মাধ‍্যমে একটু স্মরণ করবেন যে কথা গীতায় শ্রীকৃষ্ণ নিজেই বলেছেন শুনুন=*
*"যৎ করোষি যদশ্নাসি যৎ জুহোদি দদাসি যৎ।*
*যৎ তপস‍্যাসী কৌন্তেয় তৎ কুরুষ্ব মদাপর্ণম।।"*
*🌺অর্থ‍্যাৎ শ্রকৃষ্ণ কুন্তীপুত্র অর্জুনকে বলছেন, অর্জুন! তুমি যা কিছু করতে ইচ্ছা হয়  করো,যা কিছু খেতে ইচ্ছা হয় খাও,যা কিছু হোম করো,যা কিছু দান করো,যা কিছু তপস‍্যা করো,তা সমস্ত কিছু করবার আগে আমাকে অর্পণ করবে বা আমাকে স্মরণ করে তবে করবে।*
*🍁এখানে শুধু পূজা-অর্চনার কথায় বলা হয় নাই, সবরকম কর্মের কথায় বলা হয়েছে।অর্থ‍্যাৎ অর্পণ দ্বারা ভগবানের সঙ্গে একটা সম্বন্ধ করার অভ‍্যাস হবে এবং সদা সর্বদা গোবিন্দ পাদপদ্ম স্মরণের একটা সুযোগ মিলবে।(জীব অভ‍্যাসের দাস, যেমন যেমন অভ‍্যাস করবে তেমন তেমন ফল পাবে)।এতে আপনাদের চরম মানসিক লাভ হবে।শুধু মাত্র মানসে সমর্পণ করে সেবা করবেন।এই অভ‍্যাসটি কৃপা করে স্মরণ রাখবেন এই প্রর্থনা, এবং ভগবান অলক্ষ‍্যে দেখবেন যে তাঁর সৃষ্ট সন্তানগণ তাঁকে ভোলেনি।এ প্রসঙ্গে আমার বিশেষ অনুরোধ যে পাঠকগণ যেন "চরিতসুধা" গ্রন্থে নবদ্বীপ দাস বাবাজী এবং আনন্দ মিত্র প্রসঙ্গটি অতি অবশ্যই পাঠ করেন। ভক্তিমার্গের প্রথম সোপানই হচ্ছে দাস‍্যভাব।তুমি প্রভু আমি দাস,তুমি যন্ত্রী আমি যন্ত্র,তুমি কর্তা আমি নিমিত্ত মাত্র, এই ভাবটি মনে করে সমস্ত কাজ করতে পারলেই কাজের মধ্যে দাস‍্যভাব জাগরিত হয় এবং কর্তৃত্বাভিমান বিনাশ হবে।আমি আহার করি তা তোমারই কৃপায়,সংসারে আছি তা তোমারই দয়ায়,অর্থ‍্যাৎ যা কিছু করি না কেন সব তুমিই করাও।আমার কর্ম ও ইচ্ছার মধ‍্য দিয়ে তোমার ইচ্ছায় পূর্ণ হোক,আমি ফলাফল কিছুই চাই না, হে হৃষিকেশ তুমি সদাসর্বদা আমার হৃদয়ে আসীন হয়ে আমায় চালনা করো যে কথা শাস্ত্রে বলা হয়েছে।*
*"ত্বয়া হৃষীকেশ হৃদিস্থিতেন যথা নিযুক্তোহস্মি তথা করোমি।"*
*🌻এই অবস্থার একটি মাধুর্য‍্য এই যে সদা সর্বদা "আমি তোমার " এই দাস‍্য ভাবটি বজায় থাকে এবং কর্মের কর্তৃত্বাভিমান কমে যাবে।(যা কিছু করি আমি করি,আমিই সব যে অহং কাজ করে মনের ভেতরে তা একেবারেই কমে যাবে)।আমরা সকলেই কৃষ্ণ বহির্মুখী জীব তথাপি সব কাজের আরম্ভেই যদি আমরা অর্পণ করার অভ‍্যাসে অভ‍্যস্ত হই তখন যদি কোন পাপাকাজ বা কুৎসিত কাজ করবার বাসনা মনে জাগে তখনই বিবেকের দংশন অনুভূত হবে যে এমন কুৎসিত কাজ তো ভগবানকে অর্পণ করা যায় না উচিত হবে না এবং তখনই সে তা হতে নিজেকে নিরস্ত করবে এবং সাধু গুরু পদাশ্রয়ের বাসনা ধীরে ধীরে জাগ্রত হবে।*
*🌹এতদিন কর্মার্পণের কোন অভ‍্যাস যার মধ্যে ছিল না  এবং নির্বিচারে ভাল মন্দ সব কাজ করে যেত,এই অভ‍্যাস যুক্ত হবার পর এক নব চেতনার সঞ্চার হল এবং যেন এক নূতন ধারায় অর্পণ করতে শিখল।কর্মার্পণের এমনই মহিমা যে প্রচ্ছন্নভাব (আবরণ) ধীরে ধীরে চিত্তবৃত্তির পরিবর্তন ঘটতে বাধ‍্য।অর্পণ করতে করতে মনে হবে ভগবানকে অর্পণ করছি এবং তার মধ‍্য দিয়ে ধীরে ধীরে স্ব-ভাব বদলাবে ও কুকর্ম বা অসৎ কর্মের প্রবৃত্তি চিরতরে কমে যাবে। সুতরাং কর্মার্পণের এই অভ‍্যাসের মাধ‍্যমে মানুষের চিত্তবৃত্তির (মনভাবের) যে কিরকম আমূল সংস্কার হয় তা আশাকরি আপনারা অনুধাবন করতে পেরেছেন।*
*🍀সুখেই থাকুন বা দুঃখেই থাকুন তখন মনে এত কষ্ট বোধ হবে না। এই জন্য সাধু,গুরু,মহান্তগণ দুঃখে কখনও বিচলিত হন না বরং দুঃখকে ভগবানের দান হিসাবে গ্রহণ করেন। আর একটা মস্তবড় কথা এই যে, আমরা তো কেউ কখনও ভগবানকে বলিনা য হে করুণাময়!তুমি আমাকে দুঃখ দাও, বরং বলি ধন দাও,দৌলত দাও,সুখ দাও,সমৃদ্ধি দাও, কিন্তু চাইলেই কি তা পাচ্ছি? (হ‍্যাঁ, একমাত্র শ্রীকৃষ্ণের পিসিমা কুন্তী,শ্রীকৃষ্ণের কাছে আঁচল পেতে দুঃখ ভিক্ষা করে ছিলেন, কেন?যতদিন দুঃখের মধ্যে তাঁরা ছিলেন শ্রীকৃষ্ণ তাঁদের সঙ্গে ছিলেন,যেই রাজ সিংহাসন পেয়ে গেলেন পান্ডবগণ, তখন শ্রীকৃষ্ণ হস্তিনাপুর ছেড়ে দ্বারকায় গমন করেছিলেন)। সুতরাং আমার মনে হয় সুখ চাইলেই যখন পাওয়া যাবে না ; তখন চাইবার কি দরকার ভগবান যখন যেভাবে রাখেন তাতেই আমাদের সন্তুষ্ট থাকা উচিত  কারণ সবই পূর্ব জনমের কর্মফল।আর তা না হলে ভগবান কেন তারই সৃষ্টি সন্তানদের মধ্যে এই বৈষম‍্য (অসমতা) সৃষ্টি করবেন? কারণ তিনি তো কখনও অবিচার করতে পারেন না।দুঃখ দ্রারিদ্রের আর একটা মহিমা এই যে মানুষ সদাসর্বদা ভগবানকে করার একটা সুযোগ পায় যেটা প্রাচুর্য‍্যের মধ্যে সম্ভব নয়।ভগবানের কাছে দুঃখ প্রার্থনা একমাত্র কুন্তীদেবীই করেছিলেন আগে বললাম, যা শ্রীমদ্ ভাগবতে পাওয়া যায়  যথা=*

*হরি তুমি বারে বারে,বিপদে ফেলোগো মোরে,*
   *তাহলে ত্বরিতে পাব তব দরশন।*
*সঙ্কট আসিলে তুমি,সম্মুখে দাঁড়াবে স্বামী,*
   *বিপদ কামনা তাই করে অনুক্ষণ।।*
*বস্ত্র কাড়ি দুর্য‍্যোধন,করে লাঞ্জনা যখন,*
     *রাখিলে দ্রৌপদী মান তবে নারায়ণ।*
*উচ্চবংশে জাত,বিদ‍্যা ঐশ্বর্য‍্যে গর্বিত,*
    *সম্পত্তি রয়েছে বলি অভিমানী মন।।*
*তব নামে অধিকার,কভু নাহি রহে তার,*
     *প্রাপ‍্য তুমি হও তার যারা অকিঞ্চন।।*
*🌻সুতরাং সুধী ভক্ত পাঠকগণ আপনারা এইসব শ্রবণ করে যা বিচার্য‍্য মনে করেন তাইই করবেন, তবে কর্মার্পণ স্ব-ভাবটি যেন ভুলবেন না। যার বিশদ ব‍্যাখ‍্যা আগেই করা হয়েছে এবং ভগবানের কাছে মানত করে সুখ সমৃদ্ধি না চাওয়ায় ভাল। কারণ সারা বিশ্বের যিনি অধিপতি তাঁকে নিজ কার্য‍্য সিদ্ধির জন্য মানতের মাধ‍্যমে কিছু ভোগ বা পূজা দিবার প্রবৃত্তি বা মনোভাব আমার বিচারে অত‍্যন্ত গর্হিত।গীতায় তিনি শ্রীমুখে বলেছেন যে আমার পূজায় উপাচারের কোন প্রয়োজন নাই।পত্র পুষ্প ফল জলেই তিনি তুষ্ট, তিনি দ্রব‍্যের কাঙ্গাল নহেন ভক্তির কাঙ্গাল।তাঁর কৃপাতেই সব সম্ভব এই সার কথাটি সকলে মনে রাখলেই ভাল। এই প্রসঙ্গে সীতানাথের কাতর প্রার্থনা একটি পদাবলী আস্বাদন করুন।*
*🍀কৃষ্ণকে তুলসী জল দেয় যেই জন।*
*🍀তার ঋণ শোধিতে কৃষ্ণ করেন চিন্তন।।*
*🍀তাঁর আত্মা বেচি করে ঋণের শোধন।*
*🍀এত ভাবি আচার্য‍্য করেন আরাধন।।*
*🍀গঙ্গাজল তুলসী মঞ্জরী অনুক্ষণ।*
*🍀কৃষ্ণপাদপদ্ম ভাবি করেন সমর্পণ।।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*ইন্দ্র ঘূর্ণিত নয়নে,ডাকিলেন মেঘগণে,*
   *আহ্বান শুনিয়া তারা করে আগমন।*
*ল'য়ে সাথে মেঘ সবে,চলে ত্বরা ইন্দ্র তবে,*
   *অবশেষে ব্রজে তিনি উপনীত হন।।*
*মেঘগণে শীঘ্রগতি,করিলেন অনুমতি,*
   *সেথা যেন কোন প্রাণ,নাহি পায় পরিত্রাণ,*
   *ইহার অন‍্যথা যেন না হয় কখন।।*
*🌹🌹সংসারী লোকের কর্ত‍ব‍্য এখানেই রইল🌹🌹*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                            🙏 *ক্রমাগত* 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৯. শ্রীশ্রীচৈতন‍্যমহাপ্রভুর বংশ পরিচয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori19.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



১৫. শ্রীকৃষ্ণলীলা এবং চৈতন‍্যলীলার মহিমা-মাহাত্ম‍্য ও মাধুরী 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori15.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৫. শ্রীকৃষ্ণলীলা এবং চৈতন‍্যলীলার মহিমা-মাহাত্ম‍্য ও মাধুরী 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori15.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
         এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
    এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                         🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৪. শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরচিত কৃষ্ণলীলা এবং চৈতন‍্যলীলার মহিমা মাহাত্ম্য ও মাধুর্য‍্য 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori14.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(১৫)বৈষ্ণব জগতের অধিকারী*
*শ্রীকৃষ্ণলীলা এবং চৈতন‍্যলীলার মহিমা-মাহাত্ম‍্য ও মাধুরী।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*🍁অহেতুক তর্কজাল সৃষ্টি করে সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্বে সন্দিহান (সংশয়) হয়ে বৃথা সময় নষ্ট করিও না বরং তাতে মূর্খতার পরিচয় দিবে। তাতে কোন সুফল ফলবে না এবং মহামূল‍্য এই মনুষ‍্য জীবন ব‍্যর্থতায় পর্য‍্যবসিত (পরিণত) হবে।এই প্রসঙ্গে কবিরাজ গোস্বামী মহাশয় আর একটি পয়ারের মাধ‍্যমে বলেছেন যে=*
*🍀আদ‍্যপান্ত চৈতন‍্যলীলা অলৌকিক জেনো।*
*🍀শ্রদ্ধা করি শুন ইহা সত‍্য করি মেনো।।*
*🍀যেই তর্ক করে ইহার সেই মূর্খরাজ।*
*🍀আপনার মুন্ডে সেই আপনা পড়ে বাজ।।*
*🌻শ্রীগুরুকৃপায় নির্জন জায়গায় বসে নিবিষ্ট মনে যদি একবার আত্মবিশ্লেষণ করা যায় তাহলে দেখবেন যে মানুষের অসাধ‍্য কিছুই নাই, কারণ মহাপ্রভুর পার্ষদগণ এইরকম নরদেহ পেয়ে এই কলিযুগে কেউবা ঃ----*
*(১)💧পাষাণ বিগ্রহের সঙ্গে বাক‍্যালাপ করে গিয়েছেন।*
*(২)প্রাণপ্রিয় বিগ্রহ তাঁর প্রাণাধিক প্রিয় ভক্তের কাছে চেয়ে খেয়েছেন।*
*(৩)ভক্তের কান্নায় বিচলিত হয়ে নারায়ণ শিলা পূর্ণ অবয়ব বা মূরতি ধারণ করেছেন।*
*(৪)ভজনে আবিষ্ট ভক্তকে সমস্ত বিপদের হাত হতে রক্ষা করবার জন্য কৃপাময়ী রাধারাণী সদাসর্বদা কাননের বা জঙ্গলের মধ্যে তাঁকে পাহাড়া দিয়েছেন।*
*(৫)স্মরণ মনন কালে মানসে দুধ জ্বাল দিবার সময়ে ভক্তের হাতের চামড়া পুড়ে গেছে।*
*(৬)রাধারাণীর সঙ্গে মানসে হোলী খেলবার কালে ভক্তের সর্বাঙ্গ ফাগুময় হয়ে গিয়েছে।*
*(৭)স্বাবর জঙ্গম জীবজন্তু সব কৃষ্ণনাম শ্রবণ পাগলের মতো নেচেছে।*
*(৮)বন‍্য পশু সকল এবং শুক-সারী পাখীগণ নিবিষ্ট মনে জঙ্গলের মধ্যে বসে হিংসা ভুলে গিয়ে একাগ্রচিত্তে ভাগবদ্ পাঠ শুনেছে। সুতরাং সবই সম্ভব এবং চাই শুধু অবিচলিত নিষ্ঠা, কঠোর সাধন ভজন যা মানুষের অসাধ‍্য নয়।*
*🌷অর্থ‍্যাৎ এই কৃষ্ণপ্রেম এবং চৈতল‍্যলীলার প্রেমভক্তিপূর্ণ অক্ষয় সরোবরে যদি মরালগণের মতো ভেসে ভেসে বেড়াতে চান তাহলে আত্মবিশ্লেষণের মাধ‍্যমে সর্বপ্রথম স্থির করুন যে, জীবনকে কোন পথে চালিত করতে চান এবং প্রকৃতই যদি কর্পূর সুবাসিত কৃষ্ণলীলা এবং চৈতন‍্যলীলার রস আস্বাদন করতে মন চায় তাহলে মহাজনগণ যে পথ অবলম্বনের মাধ‍্যমে সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেছেন সেই আদর্শকে সামনে রেখে সুদীর্ঘ চেষ্টা,আর্তি,দীনতা ও নিষ্ঠার মাধ‍্যমে নিজ মনরূপ বিহঙ্গকে সেই সুরে গান গাওয়ান। নিজের হৃদয় বীণার তন্ত্রীটিকে সেই সুরে বেঁধে নিন এবং ঝঙ্কৃত করুন।সেই সুর যে সুরের উন্মাদনায় নিজের দেহমন আনন্দে প্লাবিত হয়ে যাবে।সত‍্য কথা বলছি, ভুলে যাবেন ক্ষুধা তৃষ্ণা এবং কৃপার বারি ধীরে ধীরে আপনার উপরে বর্ষিত হবে এবং ভক্তি জগতের সব বন্ধ দ্বার বা দরজা একে একে খুলে যাবে।করুণার বাতাসে নিজের দেহ মন্দিরে সদাসর্বদা এক অপ্রাকৃত আনন্দের শিহরণ অনুভব বোধ করবেন।এটি কোন উপনাসিক কল্পনা প্রসূত সঙ্কেত নয় কারণ আমাদের পূর্বসূরীরা সাক্ষাৎ সেই আনন্দ উপভোগ করে গিয়েছেন।অর্থ‍্যাৎ সবই সম্ভব এই সুদুর্লভ মানব দেহে এবং চাই শুধু অবিচলিত নিষ্ঠা এবং গুরুদেবের সীমাহীন করুণা এবং আশীর্বাদ।*
*🙌কৃষ্ণভক্তির এমন মনোরম ব‍্যাখ‍্যা, কৃষ্ণভক্ত জীবের মনের একান্ত গোপ‍্য কথাগুলি কবিরাজ গোস্বামী মহাশয় এমন সাবলীল(সহজ) ভঙ্গিতে প্রাঞ্জল (সহজ সরল)ভাষায় বর্ণনা করেছেন যে তাঁর কোন তুলনা হয় না।সেইহেতু গ্রন্থের প্রারম্ভে এই অতুলনীয় উপমাবিহীনে কৃষ্ণ ভক্তিময় পয়ারটির কিছু ব‍্যাখ‍্যা করা হল যাতে সুধী পাঠকগণ এই গ্রন্থের বিভিন্ন প্রসঙ্গের মধ্যে যে সব অত‍্যাশ্বর্য‍্য এবং অবিশ্বাস্য ঘটনাবলী আছে তাতে সহজেই প্রতীতি(বিশ্বাস) জন্মিবে।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*🌷শোন পিতা বিবরণ,কেন বারি বরিষণ,*
     *বিধাতা ইহার মূল জানিও নিশ্চয়।*
*🌷যত জীবের সৃজন,আর জনম মরণ,*
   *সুখ দুঃখ যাহা কিছু কর্ম হতে হয়।।*
*🌷মহা সাগরাদি যত,জলাশয় আছে শত,*
   *সূর্য‍্যরশ্মি বারি তার অবিরত শোষে।*
*🌷মেঘ রূপে সেই বারি,ওঠে ত্বরা শূন‍্যোপরি,*
    *সেই মেঘ হ'তে বারি বর্ষে অবশেষে।।*
*🌷জানিও নির্দেশে তাঁরি,বরিষণ করে বারি,*
  *ঈশ্বর নিয়ম কভু না হয় অন‍্যথা।*
*🌷ইন্দ্র যজ্ঞ এবে ত‍্যজি,গাভী বিপ্র সবে পূজি,*
   *পর্বতের যজ্ঞ আজ কর তুমি হেথা।।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                            🙏 *ক্রমাগত* 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৬. সংসারী লোকেদের কর্তব‍্য কি ❓ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori16.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds