✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৯. শ্রীশ্রীচৈতন্যমহাপ্রভুর বংশ পরিচয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori19.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৮. সংসারী লোকেদের কর্তব্য কি ❓ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori18.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(১৯)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*শ্রীশ্রীচৈতন্যমহাপ্রভুর বংশ পরিচয়।*
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
*(১)শ্রীমন্মহাপ্রভুর বৃদ্ধ প্রপিতামহ= অর্থ্যাৎ ঠাকুরদাদার পিতামহ শ্রীপাদ জিত মিশ্র ঠাকুর।*
*(২)এই শ্রীজিত মিশ্র ঠাকুরের তিন পুত্ররত্ন ছিলেন।দুই পুত্রের কোন সন্তান সন্ততি না থাকায় কোন নাম উল্লেখ নাই। তৃতীয় পুত্রের নাম শ্রীপাদ মধুকর মিশ্র ঠাকুর।*
*(৩)শ্রীপাদ মধুকর মিশ্রের চারপুত্র যথা ঃ-- উপেন্দ্র,রঙ্গদ,কীর্তিদ ও কীর্তিবাস মিশ্র।*
*(৪)এই চার পুত্রের মধ্যে উপেন্দ্র মিশ্র মহাশয়ের সাতটি পুত্র সন্তান ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রীর নাম ছিল কলাবতী বা কমলাবতী। তিনি পরমা সুন্দরী ছিলেন বলিয়া তাঁকে শোভাবতীও বলা হত।এই সাত পুত্র সম্বন্ধে প্রাচীন গ্রন্থে এইরকম লেখা আছে =* *যথা ঃ---*
*"কংসারি পরমানন্দ জনার্দন আর জগন্নাথ।*
*পদ্মনাভ সর্বেশ্বর আর ত্রৈলোক্যনাথ।।"*
*(৫)এই জগন্নাথ মিশ্রের পুত্রই হচ্ছেন শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভু।এখন আপনাদের জ্ঞাতার্থে যতদূর সম্ভব বংশ পরিচয় ক্রম অনুসারে নিম্নে দেওয়া হল।*
*🙏সর্বপ্রথম শ্রীমন্মহাপ্রভু।*
*🙏শ্রীপাদ জগন্নাথ মিশ্র--পিতা।*
*🙏শ্রীপাদ উপেন্দ্র মিশ্র--পিতামহ*
*🙏শ্রীপাদ মধুকর মিশ্র--প্রপিতামহ।*
*🙏শ্রীপাদ জিত মিশ্র--বৃদ্ধ প্রপিতামহ।*
*🌻এই হচ্ছে মহাপ্রভুর পিতার দিকের বংশ পরিচয় এখন আপনাদের তাঁর মাতৃদেবীর বংশের সামান্য পরিচয় যেটুকু পাওয়া যায়*।
*মহাপ্রভুর পিতা শ্রীপাদ জগন্নাথ মিশ্র, মাতা শ্রীমতী শচীদেবী, মাতামহের নাম শ্রীনীলাম্বর চক্রবর্তী। তাঁর প্রথম কন্যা শচীদেবী। শচীদেবীর স্বামী শ্রীজগন্নাথ মিশ্র।দ্বিতীয় কন্যা সর্বজয়া, স্বামী শ্রীপাদ চন্দ্রশেখর আচার্য্য।মহাপ্রভুর মাসীমার নাম সর্বজয়া দেবী ও মেসো মহাশয়ের নাম শ্রীচন্দ্রশেখর আচার্য্য। শচীদেবীর পর পর আটটি কন্যা গর্ভে বিনষ্ট হয়। নবম সন্তান শ্রীমদ্ বিশ্বরূপ মিশ্র হচ্ছেন জ্যেষ্ঠ পুত্র।বাল্যকালে সংসার আশ্রম পরিত্যাগ করে চলে যান এবং তাঁর সন্ন্যাস আশ্রমের নাম শ্রীশঙ্করারণ্য।দশম গর্ভের সন্তান শ্রীমন্মহাপ্রভু। আবির্ভাব ইংরেজি ১৪৮৬ খ্রীষ্টাব্দে (বাংলা ১৪০৭ শকে) ফাল্গুনী পূর্ণিমার তিথিতে ২১শে ফাল্গুন শনিবার সন্ধ্যার পর। মহাপ্রভু ত্রয়োদশ মাসকাল মাতৃগর্ভে ছিলেন এবং শুভ চন্দ্রগ্রহণ কালে সারা নবদ্বীপ যখন হরি সংকীর্তনে মগ্ন তখন তিনি ধরাধামে অবতীর্ণ হন। মহাপ্রভুর কোষ্ঠী বিচারে দেখা যায় = পূর্ব ফাল্গুনী নক্ষত্র,সিংহ রাশি,সিংহ লগ্ন। ইহার পরিচয় গ্রন্থের মধ্যে এইভাবে পাওয়া যায় =*
*সিংহ রাশি,সিংহ লগ্ন,উচ্চগ্রহগণ।*
*ষড়বর্ণ,অষ্ট বর্গ, সর্ব শুভক্ষণ।।*
*🍀জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে এইরকম সর্ব শুভক্ষণ হওয়া খুবই দুর্লভ।*
*দীক্ষা গুরু=শ্রীপাদ ঈশ্বরপুরী।*
*সন্ন্যাস গুরু=শ্রীপাদ কেশব ভারতী।*
*পরম গুরুদেব=শ্রীপাদ মাধবেন্দ্র পুরী গোস্বামী।*
*বিবাহ=প্রথমা পত্নী লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী।পিতা=শ্রীবল্লভাচার্য্য। দ্বিতীয়া পত্নী শ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী।পিতা শ্রীসনাতন মিশ্র।*
*🙏জগদগুরু মহাপ্রভুর এই শুভ জন্মতিথিটি সমগ্র বাঙ্গালী তথা ভারতবাসীর কাছে একটি অতি পুণ্যময় দিন।এই পুণ্য তিথিতে ব্রত উপবাস করা, জন্মলীলা কাহিনী শ্রবণ কীর্তন করা অতীব শুভদায়ক। সাধারণ বাঙ্গালীর কাছে দুর্গোৎসবই হচ্ছে সর্বাপেক্ষা বড় জাতীয় উৎসব বা ধর্মীয় উৎসব। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে শুভ জন্মতিথিটি সমগ্র বাঙ্গালী জাতির প্রাণে জাতীয় সাড়া জাগাতে পারে নাই। আদি নিবাস শ্রীহট্ট হলেও গঙ্গাতীরে বাস লোভে এবং নবদ্বীপধাম প্রকট করবার মানসে মিশ্র মহাশয় এখানে বাস পরিবর্তন করেন।চলতি কথায় আমরা নবদ্বীপ বলি। কিন্তু এর তাৎপর্য্য হচ্ছে নয়টি দ্বীপের সমন্বয়। বতর্মানের নবদ্বীপধাম দর্শন করলে ইহা কিছু বুঝা যায় না। কিন্তু ৫০০|৬০০বৎসর পূর্বে বা তার আগে গঙ্গা নদীর গতি এবং প্রবাহ অন্যরকম ছিল।সেজন্য আশেপাশের এই নয়টি দ্বীপের নাম হচ্ছে=অন্তদ্বীপ,মধ্যদ্বীপ,জহ্নুদ্বীপ, সীমন্ত দ্বীপ,কোল দ্বীপ,মোদ্রুম দ্বীপ, গোদ্রুম দ্বীপ,ঋতু দ্বীপ ও রুদ্র দ্বীপ।*
*🍀এই দ্বীপগুলির মাহাত্ম্য এবং পূর্বস্মৃতি যদি কোন আগ্রহী ভক্ত পাঠক জানতে চান তাহলে তিনি বাগবাজারে শ্রীগৌড়ীয় মঠ হতে প্রকাশিত শ্রীনরহরি ঠাকুর বিরচিত শ্রীশ্রীভক্তি রত্নাকর গ্রন্থের ৪৬৫ পৃষ্ঠায় পাবেন।এর অর্থ এই নয় যে নয়টি দ্বীপ তখন ছিল কারণ ঈশান প্রভু যখন শ্রীনিবাস আচার্য্য প্রভুকে নবদ্বীপ পরিক্রমার মাধ্যমে এই ধাম মাহাত্ম্য ব্যাখ্যা বা বর্ণনা করেছিলেন। তা হতে বুঝা যায় যে তাঁদের প্রকট কালের বহুপূর্বে এই জাতীয় নামকরণ হয়েছিল এবং প্রত্যেকটি নামের তাৎপর্য্য এই গ্রন্থে বিস্তারিত ভাবে বর্ণিত হয়েছে।আমরা যে নামাচার্য্য হরিদাস ঠাকুরকে ব্রহ্মার অবতার বলে জানি তারও বিশেষ তাৎপর্য্য আছে, এবং তা "অন্তদ্বীপের" মাহাত্ম্য পাঠ করলে জানা যাবে।অর্থ্যাৎ দ্বাপর যুগে স্বয়ং ব্রহ্মা শ্রীকৃষ্ণের গোধন চুরি করে যে অপরাধ করেছিলেন তা স্খালনের জন্য তিনি যে জায়গায় বসে গৌর ভগবানের আরাধনা করেছিলেন এবং পরে শচীনন্দন যখন প্রসন্ন হয়ে ব্রহ্মাকে বর চাইতে বলেছিলেন তখন ব্রহ্মা বলেছিলেন যে=*
*এই কলিযুগে নদীয়াতে।*
*করিবে প্রকট লীলা স্বগণ সহিতে*।।
*সে সময় প্রভু মোরে করি অঙ্গীকার।*
*জন্মাইবা নীচকূলে এ ইচ্ছা আমার।।*
*ওহে প্রভু,মোর অভিমান অতিশয়*।
*লোকে ঘৃণা করে যেন ঐছে দন্ড হয়।।*
*ঘুচাইবা আমার দারুণ দুষ্টমতি।*
*করাইবা তোমার শ্রীনামে গাঢ়রতি।।*
*পূর্বে যৈছে মায়ায় মোহিত কৈলে মোরে।*
*তাহা না করিয়া প্রভু এই অবতারে।।*
*অনুক্ষণ তোমার ভক্তের সঙ্গ চাই।*
*জীবনে মরণে যেন তোমাকে ধেয়াই।।*
*শুনিয়া ব্রহ্মার বাক্য প্রভুর উল্লাস*।
*প্রভু কহে, "পূর্ণ হবে সব অভিলাষ।।*
*পুনঃ প্রভু সংক্ষেপেই ব্রহ্মারে কহিলা।*
*দেখিবা সাক্ষাতে মোর নবদ্বীপ লীলা।।*
*কহি অন্তরের কথা হইলা অন্তর্ধান।*
*এই হেতু লোকে ব্যক্ত অন্তদ্বীপ ধাম।।*
*🌹সুতরাং এটি হতে বুঝা যায় যে সাধারণতঃ দ্বীপ বলে যে এক বিশাল জলবেষ্টিত ভূখন্ডকে বুঝায়, এটি ঠিক তা নয় তবে নিশ্চয়ই আদি নবদ্বীপের কাছাকাছি বিভিন্ন জায়গায় অতীতের এইসব ঐতিহ্য বহন করে গুপ্তভাবে আছেন। এই উপাখ্যান হতে বেশ বুঝা যায় যে হরিদাসকে কেন ব্রহ্মার অবতার বলা হয়। সেজন্য বোধহয় তিনি যবনের অন্নে প্রতিপালিত হয়েছিলেন।সেইরকম অন্যান্য প্রতিটি দ্বীপের সঙ্গে প্রাচীন ধর্মগাঁথা জড়িত যা পিপাসু পাঠকগণ পাঠ করে আনন্দলাভ করেন।*
◆ ◆ ◆ ◆
*সবাকার অহঙ্কার,হ'বে খর্ব এইবার,*
*শক্তির পরীক্ষা দিবে নন্দের নন্দন।*
*গাভীগণ আছে যত,বারি বর্ষি করি হত,*
*ব্রজবাসী সকলের করিও নিধন।।*
*মেঘ শব্দ অবিরত,শুনি নন্দ হন ভীত,*
*গোকুলে চিন্তিত তবে রহে সর্বজন।*
*ভাবে একি অঘটন,কেন দৈব বিড়ম্বন,*
*নাহি জানি ঈয়ন পাপে ইহা সংঘটন।।*
*ভঙ্গ করি ইন্দ্র পূজা,পাইতেছি মোরা সাজা,*
*শুনিয়া শিশুর বাক্য পড়েছি বিপাকে।*
*উপায় না দেখি মোরা,চিন্তি সবে হই সারা,*
*সকাতরে কহে নন্দ পত্নী যশোদাকে।।*
🦚🦚🦚🦚🦚🦚🌸🦚🦚🦚🦚🦚🦚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏 *ক্রমাগত* 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
