✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২১. মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori21.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২০. মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori20.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(২১)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব*
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🍀নামকরণ তত্ত্ব=মহাপ্রভুর সন্ন্যাস গ্রহণ কালে কেশবভারতী যে নামকরণ করেছিলেন তাহাও বিশেষভাবে তাৎপর্য্যপূর্ণ। কারণ এক্ষেত্রে সন্ন্যাস আশ্রমের নাম হয়েছিলেন "শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য" কারণ দ্বাপরযুগের কৃষ্ণ অবতার এবং কলিযুগে মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্বের দিক দিয়ে এক হলেও এর বিশেষ তাৎপর্য্য আছে।কৃষ্ণ শব্দটির অর্থ হচ্ছে যিনি কৃপা করে আকর্ষণ করেন অর্থ্যাৎ যে কৃপা তিনি করেছিলেন বৃন্দাবনের গোপীগণকে,রাধারাণীকে, উদ্ধবকে,সুদামাকে,পূতনা রাক্ষসীকে ইত্যাদি সকলকে।কিসের দ্বারা? অর্থ্যাৎ তাঁর রূপ মাধুর্য্য,গুণ মাধুর্য্য, লীলা মাধুর্য্য এবং বেণু মাধুর্য্যের দ্বারা। পরমপুরুষ শ্রীকৃষ্ণের রূপে রাধারাণী মোহিত হয়েছিলেন, গুণে সুদামা বিপ্র, লীলায় পূতনা ও বেণু মাধুর্য্য বা বংশীধ্বনির দ্বারা জীবজগতকে এবং গোপীগণকে তিনি মুগ্ধ করেছিলেন।সেইরকম আবার কলিযুগে মহাপ্রভু শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যরূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন রাধাকৃষ্ণ মিলিত তনুরূপে এবং দ্বাপরযুগের লীলার যে অপূর্ণ বাসনা তা রাধাকৃষ্ণ মিলিত তনু হিসাবে আস্বাদন করে গিয়েছেন।আর কি করেছিলেন যথা কলির জীবকে কৃষ্ণকথা,কৃষ্ণনাম এবং কৃষ্ণের লীলামাধুর্য্য শুনিয়ে জীবের সুপ্ত চৈতন্যকে জাগ্রত করে দিয়েছেন এবং চিত্ত দর্পণের ময়লা কিরকম ভাবে দূর করা যায় কিভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা যায় কিভাবে কলির জীবকে ভগবদ আসনের উপযোগী করা যায় তা কলির জীবকে হরিনাম সুধা বিতরণ করে বুঝিয়ে দিয়েছেন।এটিই হল শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নামের মোটামুটিভাবে ভাবার্থ।*
*🌷এছাড়াও এই দুই অবতারের মধ্যে আর একটি বিশেষত্ব কৃষ্ণদাস কবিরাজ মহাশয় বিচার করেছিলেন। কারণ মহাপ্রভু বুঝেছিলেন যে ভক্তি বৈমুখী কলির জীবকে ধর্ম ভাবাপন্ন করতে গেলে সাক্ষাৎ কিছু দেখাতে হবে। শুধুমাত্র প্রাগৈতিহাসিক যুগের ধ্রুব,প্রহ্লাদ,অম্বরীষ কাহিনী শুনালে তা বিশ্বাস করবে না, সেজন্য সপার্ষদ অর্থ্যাৎ সাঙ্গপাঙ্গসহ আবির্ভূত হয়েছিলেন।একেও কবিরাজ গোস্বামী মহাশয় সুন্দর উপমার দ্বারা বিশ্লেষণ করে জীবজগৎকে বুঝিয়ে দিয়েছেন।যথা অদ্বৈতাচার্য্যের হুঙ্কারে এবং কাতর প্রার্থনায় যখন গোলোকনাথের হৃদয় মথিত হল এবং যখন তিনি গোলোকের সিংহাসন ত্যাগ করে নররূপে ধরাধামে অবতীর্ণ হবার বাসনা প্রকাশ করলেন। তখন স্বর্গের দেবতাগণ ভগবদ্ সান্নিধ্য হারা হবেন বলিয়া আকুল প্রার্থনা জানালেন। তাঁদের বক্তব্য এই যে গোলোকধাম যদি মণিহারা হয়ে যায় তাহলে তাঁরা কেমন করে বাঁচবেন বা কিভাবে থাকবেন, তখন দয়াময় ভগবান দেবতাগণের বিচ্ছেদ বেদনায় মর্মাহত হয়ে তাঁদেরকে বিভিন্ন স্বরূপে মর্ত্যভূমে আনয়ন করবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন।যার ফলে নারদ স্বরূপে শ্রীবাস,মহাবিষ্ণু স্বরূপে অদ্বৈতাচার্য্য,রাধারাণীর স্বরূপে গদাধর পন্ডিত এবং বিভিন্ন মঞ্জরীরূপী সখিগণের স্বরূপে বিভিন্ন গোস্বামীগণ ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।এর পেছনে অন্তর্নিহিত এক গূঢ় উদ্দেশ্যেও ছিল কারণ মহাপ্রভু এই ঘোর কলিযুগে জীবজগৎকে দেখাতে চেয়েছিলেন যে ভক্ত কাকে বলে?ভক্তের আচরণ কি?ভক্তের জীবন কত সুন্দর ইত্যাদি। অর্থ্যাৎ ভক্তিসুধা এতদিন রামায়ণ মহাভারতের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল তা প্রত্যক্ষ ভাবে তাঁর পার্ষদগণের মাধ্যমে দেখিয়ে গিয়েছেন।কারণ কোন একটি জিনিস শুনলে মানুষের বিশ্বাস নাও হতে পারে কিন্তু তা দর্শন করলে বিশ্বাস হতে বাধ্য।অর্থ্যাৎ এই সাঙ্গপাঙ্গ এবং পার্ষদগণের সমহান জীবনের কৃষ্ণভক্তির যে সব কাহিনী আমরা শুনি বা পাঠ করি তা যেন প্রাগৈতিহাসিক কিছু নয় এবং তা শুনলে বা স্মরণ মনন করলে হৃদয়ের জ্বালা জুড়িয়ে যায়, সেজন্য কবিরাজ গোস্বামী মহাশয় আবার বলেছে=*
*দুই ভাই হৃদয়ের ক্ষালি অন্ধকার।*
*দুই ভাগবদ্ সঙ্গে করান সাক্ষাৎকার।।*
*🌹আগামী পর্বে ব্যাখ্যা*
*হেরি সবে ব্যাকুলিত,হ'য়ে নন্দ চিন্তান্বিত,*
*তবে তিনি করিলেন ইন্দ্রের বন্দন।*
*আসি সেথা জনার্দন,পিতৃদেবে ডাকি কন,*
*কার স্তুতি কর পিতা অজ্ঞান সমান।।*
*কিবা শক্তি ইন্দ্র ধরে,গোপকুল বধিবারে,*
*কেন বৃথা শোকাকুল,ভীত কেন প্রাণ।*
*দেবরাজ দম্ভ ভরে,ভগবান ভাবে তারে,*
*অবশ্য করিব চূর্ণ তার অভিমান*।।
*এই ব্রজের রক্ষণ,আমি করিব এখন,*
*ব্রজবাসী সবাকারে করিবারে ত্রাণ।*
*অবহেলে শৈলবরে,উপড়িয়া এইবারে,*
*আপনার বাম হস্তে করেন ধারণ।।*
*কন তবে নারায়ণ,শোন ব্রজবাসী গণ,*
*যথা সুখে গিরিগর্ত রহিও এবার*।
*রহিবে নির্ভয় চিতে,পড়িবে না গিরি হ'তে,*
*ঝড় বৃষ্টি হ'তে ভীতি নাহি রবে আর।।*
🪷🌷🪷🌷🪷🌷🦚🪷🌷🪷🌷🪷🌷
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏 *ক্রমাগত* 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২২. মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori22.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
