✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২৪. শ্রীমন্মহাপ্রভু কর্তৃক শ্রীরূপ মহিমা কীর্তন 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori24.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২৩. মহাপ্রভুর মতে বৈষ্ণবোচিত গুণাবলী 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori23.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(২৪)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*শ্রীমন্মহাপ্রভু কর্তৃক শ্রীরূপ মহিমা কীর্তন।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*🍀শ্রীপাদ রূপগোস্বামী বিরচিত একটি সংস্কৃত শ্লোক যা পাঠ করে স্বয়ং মহাপ্রভু পুরীধামে সর্বসমক্ষে শ্রীরূপের অকুন্ঠ প্রশংসা করেছিলেন।*
*"তুন্ডে তান্ডবিনী রতিং বিতনতু তুন্ডাবলী লব্ধয়ে,*
*কর্ণক্রোড় কোড়ম্বিনী ঘটয়তে কর্ণার্বুদেভ্য স্পৃহাং।*
*চেতঃ প্রাঙ্গণসঙ্গিনী বিজয়তে ষর্বেন্দ্রিয়ানাং কৃতিং,*
*ন জানে জনিতু কিয়দ্ভিরমৃতৈ কৃষ্ণেতি বর্ণদ্বয়ী।।"*
*🌹এই শ্লোকটির মাধ্যমে শ্রীপাদ রূপগোস্বামী কৃষ্ণনামের মাহাত্ম্য এবং গুণকীর্তন করেছেন।এর ব্যাখ্যা বুঝতে গেলে প্রথমে শেষ পঙতি হতে আরম্ভ করতে হবে।*
*(৪)"ন জানে জনিতু কিয়দ্ভিরমৃতৈ কৃষ্ণেতি বর্ণদ্বয়ী"= অর্থ্যাৎ শ্রীরূপ গোস্বামী বলছেন যে তিনি নিজেও পর্য্যন্ত জানেন না যে "কৃষ্ণ" এই কথাটি কি মাধুর্য্যমন্ডিত, এবং এতে কি অমৃত মাখানো আছে।সেজন্য তিনি ক্রম হিসাবে বলছেন যে ঃ--*
*(১)"তুন্ডে তান্ডবিনী রতিং বিতনতু তুন্ডাবলী লব্ধয়ে"।(তুন্ড অর্থে জিহ্বা) (তুন্ডাবলী অর্থে জিহ্বাসকল) (তান্ডবিনী অর্থে নর্তন বা নাচা) অর্থ্যাৎ তাঁর জিহ্বাদ্বারা তিনি যখন "কৃষ্ণ" এই কথাটি উচ্চারণ করেন তখন তাঁর মনে খেদ হয় ভগবান কেন তাঁকে অসংখ্য জিহ্বা দিলেন না কারণ একটি জিহ্বার দ্বারা কৃষ্ণ ভজন করে রূপ গোস্বামীর মনের ক্ষুধা যেন মিটছে না,সেজন্য তিনি অসংখ্য জিহ্বার বাসনা জানাচ্ছেন।একেই বলে ভজনে উল্লাস।ভক্ত যখন নাম-আনন্দে বিভোর হয়ে যান তখন তাঁর দেহবোধ আর থাকে না এবং ভগবান তখন ভক্তের যোগক্ষেম(যোগ=অলব্ধ ফুল ফলাদি সাধন,ক্ষেম=লব্ধ শরীরাদি রক্ষা)লব্ধ=পাওয়া, বহন করে থাকেন।*
*(২)"কর্ণক্রোড় কোড়ম্বিনী ঘটয়তে কর্ণার্বুদেভ্য স্পৃহাং=সেইরকম আবার জিহ্বা দ্বারা উচ্চারিত এই "কৃষ্ণ" কথাটি যখন তাঁর কর্ণকুহরে বা কানের ভেতরে প্রবেশ করে তখন তাঁর মনে এই অনুশোচনা হয় যে ভগবান কেন কৃপা করে তাঁকে অর্বুদ সংখ্যক কান দিলেন না।কারণ তাঁর দেহ মন্দিরে অসংখ্য কান থাকলে "কৃষ্ণ" এই শব্দটি আরও বহু কর্ণদ্বার দিয়ে তাঁর হৃদয়ে প্রবেশ করতে পারত, দুটি কান দিয়ে মনের পিপাসা মিটছে না এবং তাতে রূপ গোস্বামীর মনের ক্ষুধা মিটত।*
*(৩)"চেতঃ প্রাঙ্গণসঙ্গিনী বিজয়তে সর্বেন্দ্রিয়ানাং কৃতিং=সর্বশেষে শ্রীরূপ গোস্বামী বলেছেন যে কৃষ্ণ এই কথাটি যখন প্রকৃত ভক্তের হৃদয় মন বা চিত্তগুহার মধ্যে প্রবেশ করে তখন সেই ভক্ত যেন কৃষ্ণপ্রেমে একেবারে পাগল হয়ে যান এবং তখন তিনি কৃষ্ণ-প্রেমরস-সিন্ধুতে ভাসতে থাকেন এবং এর ফলে সমস্ত ইন্দ্রিয়সকল তাদের প্রভাব বিস্তারে অক্ষম হয়।সেইজন্য স্বয়ং শ্রীরূপ গোস্বামী বলেছেন যে তিনি নিজে পর্যন্ত বুঝতে পারছেন না যে "কৃষ্ণ" এই কথাটির মধ্যে কি মাধুর্য্য নিহিত আছেন।*
*🍁গ্রন্থে আছে যে শ্রীপাদ রূপ গোস্বামী কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা হয়ে ভাবাবেগে কৃষ্ণনামের এই মহিমা সমন্বিত শ্লোকটি রচনা করে পুরীধামে কোন এক গুপ্তস্থানে রেখেছিলেন কিন্তু মহাপ্রভু তা পেয়ে সর্বসমক্ষে পাঠ করেন এবং সকলের সামনে শ্রীরূপের ভজনের সমধিক প্রশংসা করেন। রূপ গোস্বামী অধোবদনে বসে তা সব শুনছিলেন।এটিই ছিল মহাপ্রভুর ভক্তবৎসলতার পরিচয়।ভক্তের মহিমা তিনি সোচ্চারে সকলকে বলে সুখ পেতেন। শ্রীমদ্ যদুনন্দন দাস এই সংস্কৃত শ্লোকটির একটি সুন্দর পদ্য অনুবাদ করেছেন ঃ--*
*মুখে লইতে কৃষ্ণনাম,নাচে তুন্ড অবিরাম,*
*আরতি বাড়য়ে অতিশয়।*
*নাম সুমাধুরী পাইয়া,ধরিবারে নারে হিয়া,*
*অনেক তুন্ডের বাঞ্জা হয়।।*
*কি কহিব নামের মাধুরী।*
*কেমন অমিয়া দিয়া,কে জানে গড়িল গো,*
*কৃষ্ণ এই দুই আখর ধরি।।*
*আপন মাধুরী গুণে,আনন্দ বাড়ায় কানে,*
*তাতে কানে অঙ্কুর জনমে।*
*বাঞ্জা হয় লক্ষ কান,যবে হয় তার নাম,*
*মাধুরী করিতে আস্বাদনে।।*
*কৃষ্ণ দু আখর দেখি,জুড়ায় তাপিত আঁখি,*
*অঙ্গ দেখিবারে আঁখি চায়।*
*যদি হয় কোটি আঁখি,তবে কৃষ্ণরূপ দেখি,*
*নাম তার তনু ভিন্ন নয়।।*
*চিত্তে কৃষ্ণনাম যবে,প্রবশ করয়ে তবে,*
*বিস্তারিত হইতে হয় সাধ।*
*সকল ইন্দ্রিয়গণ, করে অতি আহ্লাদন,*
*নামে করে প্রেম উন্মাদ।।*
*যে কানে পরশে নাম,সে তেজয়ে আন কাম,*
*সমভাব করয়ে উদয়।*
*সকল মাধুর্য্য স্থান,সব রস কৃষ্ণনাম,*
*এ যদুনন্দন দাস কয়।।*
*🍀শ্রীরূপের প্রশস্তি করে এই প্রসঙ্গে কবিরাজ গোস্বামী বলেছেন=*
*"সবে বলে নাম মহিমা শুনিয়াছি অপার।*
*এমন মাধুর্য্য কেহ বর্ণে নাহি আর।।*
👣👣👣👣👣👣👣👣👣👣👣👣👣
*কর দুষ্টের দমন,আর শিষ্টের পালন,*
*কতরূপে কতবার তব আগমন।*
*নরসিংহ রূপে হরি,দৈত্য প্রাণ নিলে হরি,*
*বলিরে ছলিতে তুমি হইলে বামন।।*
*কৃষ্ণরূপে এইবার,হও তুমি অবতার,*
*কত মত লীলা তব বিশ্বের মাঝার।*
*তুমি নন্দের নন্দন,যশোদার প্রাণধন,*
*ভক্ত হৃদে অনুক্ষণ বাস যে তোমার।।*
*তবে দেব জনার্দন,সর্বজনে ডাকি কন,*
*ভীত আর নাহি হও ব্রজবাসীগণ।*
*পর্বত গহ্বর হ'তে,আসি সবে বাহিরেতে,*
*পুত্র কন্যা সহ কর সগৃহে গমন।।*
🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌻🌹🌹🌹🌹🌹🌹
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏 *ক্রমাগত* 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২৫. তৈর্থিক ব্রাহ্মণ ঠাকুর সত্যভানু উপাধ্যায় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori25.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
