✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২৩. মহাপ্রভুর মতে বৈষ্ণবোচিত গুণাবলী 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori23.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২২. মহাপ্রভুর আবির্ভাব তত্ত্ব 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori22.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(২৩)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*মহাপ্রভুর মতে বৈষ্ণবোচিত গুণাবলী*
••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
*তৃণাদপি সুনীচেন তরোরিব সহিষ্ণুনা।*
*অমানিনা মানদেয়ং কীর্তনীয়ঃ সদাহরিঃ।।*
*🌷অর্থ্যাৎ প্রকৃত বৈষ্ণব কি তা ঐ শ্লোকের মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে।প্রকৃত বৈষ্ণব সদাসর্বদা নিজেকে নীচ বলে ভাবেন।তিনি অন্যের মধ্যে কোন দোষ দেখতে পান না,যা দোষ আমার মধ্যে দেখি।এই নীচ কিরকম না দূর্বাঘাসের মতো নীচ যার উপর দিয়ে সকলেই মাড়িয়ে যাচ্ছেন,তার গায়ে কত ব্যথা লাগছে তথাপি নীরব।এই ঘাসের বৃদ্ধিও এমন যে কখনও উচ্চতা প্রাপ্ত হয় না।সদাসর্বদা নীচভাবে বিদ্যমান থাকে সকলের সব অভিযোগ নীরবে সহ্য করে যাচ্ছে। সেইরকম প্রকৃত বৈষ্ণবতাকে বৃক্ষের সঙ্গেও তুলনা করা হয়েছে,যথা বৃক্ষ পথিককে ছায়া দান করলেও--,মানুষ সেই বৃক্ষের অঙ্গচ্ছেদন করে ডালপালা কেটে নেয়,ফলফুল ছিড়ে নেয় এবং এতে বৃক্ষের শত ব্যথা লাগলেও বৃক্ষ নীরবে সব সহ্য করে যাচ্ছে।আবার মানুষ এই বৃক্ষের ডালপালা বা কাঠ জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করে,করাত দিয়ে কেটে আসবাবপত্র বানায় এবং এতে শত ব্যথা লাগলেও বৃক্ষ নীরবে জীবসেবা করে যাচ্ছে এবং এইজন্য মহাপ্রভু বলেছেন যে প্রকৃত বৈষ্ণবকে বৃক্ষের ন্যায় সহনশীলও হতে হবে।*
*🍁অতঃপর প্রকৃত বৈষ্ণব সকলকে সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।উচ্চ নীচ ভেদাভেদ জ্ঞান করা চলবে না।সর্বজীবে কৃষ্ণদর্শন করতে হবে এবং এইজন্য বলা হয়েছে।*
*"ব্রাহ্মণ আচন্ডাল কুক্কুরান্ত করি।*
*দন্ডবৎ করিবেক বহু মান্য করি।।*
*সেই সে বৈষ্ণব ধর্ম সবারে প্রণতি।। ইত্যাদি।।*
*🍀সর্বশেষে প্রকৃত বৈষ্ণবকে সদাসর্বদা শ্রীহরির নাম কীর্তন করতে হবে।যাকে বলা যায় "সদা কৃষ্ণ স্ফুরে"।এই দুইটি সংস্কৃত এবং বাংলা শ্লোকের একটি অতি সুন্দর বাংলা পয়ার আছে আস্বাদন করুন।*
*"উত্তম হইয়া আপনাকে মানে তৃণাধম।*
*দুই প্রকারে সহিষ্ণুতা করে বৃক্ষসম।।*
*বৃক্ষ যেন কাটিলেই কিছু না বোলয়।*
*শুকাইয়া মৈলে কারে পানি না মাগয়।।*
*যেই যে মাগয়ে তারে দেয় আপন ধন।*
*ধর্ম বৃষ্টি সহে,আনের করয়ে পোষণ।।*
*উত্তম হইয়া বৈষ্ণব হবে নিরভিমান।*
*জীবে সম্মান দিবে জানি কৃষ্ণ অধিষ্ঠান।।*
*এইমত হইয়া যেই কৃষ্ণনাম লয়।*
*শ্রীকৃষ্ণ চরণে তাঁর প্রেম উপজয়*।।
*কহিতে কহিতে প্রভুর দৈন্য বাড়িল।*
*শ্রদ্ধা ভক্তি কৃষ্ণ ঠাঁঞি মাগিতে লাগিল।।*
*🌺অর্থ্যাৎ এইসব গোপ্যকথা গম্ভীরা মন্দিরে অবস্থানকালে শ্রীকৃষ্ণ বিরহে ব্যাকুল হবে মহাপ্রভু রায় রামানন্দ এবং স্বরূপ দামোদরের সঙ্গে ইষ্টগোষ্ঠী করতেন।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🌻মহাপ্রভু কর্তৃক রেমুণায় জগদগুরু মাধবেন্দ্রপুরী প্রসঙ্গ।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*"অয়ি দীনদয়াদ্রনাথ,হে মথুরানাথ কদা অবলোক্যসে।*
*হৃদয়ং তদলোক কাতরং,দয়িত ভ্রাম্যতি কিং করোম্যহম্।।"*
*🌺এর অর্থ হচ্ছে যে,হে দীনদয়াল!হে আমার প্রাণেশ্বর মথুরানাথ,কবে তুমি আমায় কৃপা করে দর্শন দান করবে?তারপরে বলছেন যে তুমি আমার দয়িত অর্থ্যাৎ প্রাণাপেক্ষা প্রিয়,তোমার অদর্শনে আমার হৃদয় অতীব কাতর হয়েছে এবং আমি যেন উদভ্রান্তের মতো হয়ে গিয়েছি।অতএব তুমি কেপা কলো বোলে,যে হে মথুরানাথ!আমি এখন কি করব?*
*🌹এই শ্লোকটি হচ্ছে জগদগুরু মাধবেন্দ্রপুরীর সারাটি জীবনের প্রার্থনা এবং মহাপ্রভু যখন সন্ন্যাস গ্রহণের পর পুরীধামে যাত্রার পথে রেমুণায় একরাত্রি বাস করেছিলেন।তখন তিনি তাঁর পরম গুরুদেবের কৃষ্ণভক্তি প্রসঙ্গে এই কথা গুলি সকলের নিকট ব্যক্ত করেন যার সর্বোত্তম প্রকাশ কৃষ্ণদাস কবিরাজের ভাষায় পয়ার ছন্দে আপনারা আস্বাদন করুন।*
*"এত কহি কহে প্রভু তাঁর কৃত শ্লোক।*
*যেই শ্লোকচন্দ্রে জগৎ করেছে আলোক।।*
*ঘষিত ঘষিতে যৈছে মলয়জ সার*।
*গন্ধ বাড়ে তৈছে এই শ্লোকের বিচার।।*
*রত্নগণ মধ্যে যৈছে হয় কৌস্তুভমণি।*
*রসবাক্য মধ্যে তৈছে এই শ্লোক গণি।।*
*এই শ্লোক কহিয়াছেন রাধা ঠাকুরাণী।*
*তাঁর কৃপায় স্ফুরিয়াছে মাধবেন্দ্রাণী।।*
*কিবা গৌরচন্দ্র ইহা করে আস্বাদন।*
*ইহা আস্বাদিতে অধিকারী নহে চৌঠজন।।*
*শেষকালে এই শ্লোক পড়িতে পড়িতে।*
*সিদ্ধি প্রাপ্তি হইল পুরীর শ্লোকের সহিতে।।*
*এই শ্লোক পড়িতে প্রভু মূর্ছিত হইলা।*
*প্রেমেতে বিবশ হইয়া ভূমিতে পড়িলা।।*
*🍀অর্থ্যাৎ মহাপ্রভু তাঁর পরম গুরুদেবের কৃষ্ণভক্তি প্রসঙ্গ বর্ণনা করতে করতে বাহ্যজ্জানশূন্য হয়ে পড়লেন, এবং কবিরাজ গোস্বামী যে কি সুললিত ছন্দে এটি বর্ণনা করেছেন তা বর্ণনাতীত।ভক্তি জগতের এটি এক অমূল্য সম্পদ।জীবনে তিন তিনবার কৃষ্ণদর্শন পেয়েও কি আক্ষেপ, কি অদর্শন জ্বালা, যা ভাবলেও অবাক লাগে।কৃষ্ণভক্ত জীবের জীবনের এটিই হচ্ছে চরম দুর্দশা যা গোপীদের কৃষ্ণ বিরহের মধ্যেও প্রতিভাত হয়েছে।সর্বশেষ মহাপ্রয়াণ কালে শ্রীপাদ পুরী গোস্বামী সজ্ঞানে এই শ্লোকটি জপ করতে করতে প্রেমাশ্রুনীরে ভাসতে থাকেন এবং ভক্তগণ ভূবনমঙ্গল হরিনাম সংকীর্তন করতে থাকেন এবং ধীরে ধীরে তাঁর জীবনদীপ নির্বাপিত হয়। তাঁর সমাধিক্ষেত্র অদ্যাপি পূণ্যভূমি রেমুণায় বিদ্যমান।যে কথা স্বয়ং মহাপ্রভু নিজমুখে বলেছিলেন যে=*
*"শেষকালে এই শ্লোক পড়িতে পড়িতে।*
*সিদ্ধিপ্রাপ্তি হইল পুরীর শ্লোকের সহিতে।।"*
👣👣👣👣👣👣👣👣👣👣👣👣👣
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏 *ক্রমাগত* 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
২৪. শ্রীমন্মহাপ্রভু কর্তৃক শ্রীরূপ মহিমা কীর্তন 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori24.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
