✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔙 পূর্ব লীলা 👉 ১৯৪. নদীয়ার যুগল-মন্ত্র 🏵️ পরিশিষ্ট 📥 শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/bishnupriya194.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🆕 👉 ১৯৫. শ্রীনবদ্বীপলীলার মধুর রস 🏵️ পরিশিষ্ট 📥 শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/bishnupriya195.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
(১৫)শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়াদেবী*
*📥📥📥 পরিশিষ্ট📥📥📥*
^^^^^^^^^^ ^^^^^^^^^^^
*🌻শ্রীশ্রীগৌর-বিষ্ণুপ্রিয়াদাস শ্রীযুক্ত অশ্বিনী কুমার বসুর সুখস্বপ্ন, শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া পত্রিকা ১৯ শে ভাদ্র ১৩২০ সন🌻*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*🌹শ্রীহরিদাস গোস্বামী মহাশয় শ্রীমন্মহাপ্রভুর শ্রীনবদ্বীপলীলার মধুর রস শ্রীবৈষ্ণবজগতে "কলসে কলসে" বিতরণ করছেন। এ রসের অন্ত নেই।তাই এ রস কলসে কলসে বিলাচ্ছেন, তবুও না ফুরোয়। গোস্বামী মহোদয় ভগবানের স্বতঃই নিজজন।তাঁর উক্তি আমাদের শিরোধার্য্য করাই শ্রেয়োলাভের উৎকৃষ্ট উপায়। তিনি নদীয়ার মধুর ভজনের প্রধান আশ্রয় শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া ও তদীয় সেবাসখী শ্রীমতী কাঞ্চনাকে দৃঢ়ভাবে স্থির করেছেন।ইতিমধ্যে গৌরগতপ্রাণ ভাগ্যবান আর এক মহাত্মা দুই একটি প্রশ্ন উত্থাপন করেন।তাঁর প্রশ্ন এই যে, শ্রীগৌর-বিষ্ণুপ্রিয়ার যুগল ভজন কোন প্রাচীন গ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে কি না? গৌড়ীয় প্রাচীন কোন বৈষ্ণব ঐরূপ যুগলভজন,শ্রীমতী কাঞ্চনার অনুগা হয়ে করেছেন কি না?অনেকদিন হতে চলল,ইহার যথাযথ শ্রীগ্রন্থোক্ত উত্তর অদ্যাপি শ্রীপত্রিকায় বাহির না হওয়ায় আমি নিজে কিছু লিখিব এইরকম ইচ্ছা করেছিলাম। শ্রীচৈতন্যলীলা অগাধ অনন্ত।বিশেষ বক্ষ্যমাণ (আলোচ্য) বিষয় এত গুরুতর যে মাদৃশ(আমার মতন) অভাজনের উহাতে হস্তক্ষেপ করা কেবল বিড়ম্বনা মাত্র।দুই-চারদিন চুপ করে থাকি আবার যেন কে আমাকে লিখবার জন্য হৃদয়ের মধ্যে ধাক্কা দেন।অবশেষে বাধ্য হয়ে শ্রীবৈষ্ণবভক্তগণের শ্রীচরণধূলি সম্বল করে কিছু লিখতে আরম্ভ করি। শ্রীগৌরাঙ্গলীলার তিনখানি প্রামাণিক গ্রন্থের প্রতি প্রথমে আমাদের দৃষ্টিপাত করতে হবে।যথা-- শ্রীচৈতন্য ভাগবত, শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত ও শ্রীচৈতন্যমঙ্গল।শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতাকার শ্রীপ্রিয়াজীর কোনও উল্লেখ করেন নাই।শ্রীগৌরাঙ্গলীলার ব্যাস অবতার তাঁর শ্রীচৈতন্যভাগবতে শ্রীপ্রিয়াজীকে লক্ষ্মী বলে বর্ণনা করেছেন।শ্রীচৈতন্যমঙ্গলেও ইহারই প্রতিধ্বনি।পাঠক শ্রীমহাপ্রভুর বিবাহ অধ্যায় উক্ত দুই গ্রন্থে পাঠ করলেও দেখতে পাবেন।ব্রজধামের মধুররসে শ্রীলক্ষ্মী অধিকার প্রাপ্ত হন নাই।তিনি বৈকুন্ঠের নারায়ণের (বিষ্ণু) সেবার অধিকার লাভ করেছিলেন।শ্রীনবদ্বীপের প্রাচীন মহান্তগণ শ্রীগৌরাঙ্গের শক্তি অবতার শ্রীগদাধরে শ্রীরাধার বিকাশ দেখিয়ে ধন্য হয়েছিলেন। বোধ হয়,সেই কারণেই ইঁহারা "গৌর-গদাধরের" যুগল বেঁধেছেন।ইঁহাদের যুগলভজনের কেন্দ্রস্থল "শ্রীগৌরগদাধর"।পদকর্তা লিখেছেন=*
*হৃদয়ে উদয় হইয়া,মাতাও সবার হিয়া।*
*(তোমার)নিত্যানন্দ সঙ্গে লইয়া মাতাও সবার হিয়া।।*
*(তোমার)অদ্বৈত সঙ্গে লইয়া মাতাও সবার হিয়া।*
*(তোমার)গদাধরকে বামে লইয়া মাতাও সবার হিয়া।।*
*দেখি কেমন সাজে গো।*
*আজি গৌর-গদা কেমন সাজে গো।*
*🌹এই পর্যন্ত লিখে প্রবন্ধটি শ্রীপত্রিকায় পাঠাব কি না ভাবতে লাগলাম। ভাবলাম,যদি এই অভাজনের প্রবন্ধে কোনও ভজনানন্দী ভক্তের মনে কোনও কষ্ট জন্মে, তবে সে দুঃখ,সে অপরাধ, আমার রাখবার জায়গা নাই। অগত্যা প্রবন্ধটি অনেকদিন পড়ে রইল।*
*🌻গত ২২শে শ্রাবণ বৃহস্পতিবার শুক্লা ষষ্ঠীর দিন,রাত্রি তিনটার সময় যে স্বপ্ন দেখেছি,তা এ স্থলে প্রকাশ না করে থাকতে পারলাম না।দেখলাম পূর্বে যেমন কলকাতায় যেতে হলে নবদ্বীপের ঘাটে সেয়ারের নৌকায় গোয়াড়ী যেতে হত, ঠিক সেইরকম গোয়াড়ী যাবার জন্য বাড়ী হতে বাহির হয়েছি।সেয়ারের নৌকার মাঝি যাত্রী জোগাড় করবার জন্য আগমেশ্বরীতলা পর্য্যন্ত এসেছে।প্রতি সেয়ারের ভাড়া দুইআনা।মাঝি আমার ব্যাগ হাতে নিল। এই সময়ে আরও দুই তিনজন সহযাত্রী পাওয়া গেল।সকলে গঙ্গাভিমুখে চললাম।বেলা আন্দাজ অপরাহ্ন(বিকেল) চারটা হবে, পশ্চিম গগনে ভয়ানক মেঘ উঠেছে ; এমন ঘন মেঘ আর কখনও দেখেছি বলে মনে হচ্ছে না।দেখতে দেখতে সে মেঘ চারদিক ঢেকে ফেলল।তার শ্যামচ্ছটায় বোধ হল, যেন রাত হয়েছে, অতি কাছের মানুষও দেখা যায় না ; সঙ্গে সঙ্গে প্রবল ঝড় ও বৃষ্টি আরম্ভ হল।গাছগুলি যেন মড়্ মড়্ করে ভেঙ্গে পড়তে লাগল। আমি তখন তাড়াতাড়ি শ্রীমন্মহাপ্রভুর বাড়ীতে আশ্রয় নিবার জন্য ধাবমান হলাম।আমার সঙ্গী বললেন, এ সময়ে মন্দিরে যাওয়া ঠিক না,কারণ সেখানে বজ্রভয় আছে। উচ্চ স্থানে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশী বলে তিনি অন্যত্র চলে গেলেন।আমি মহাপ্রভুর বাড়ীতে প্রবেশ করলাম।সেখানে প্রবেশ করে ঝড় ও বৃষ্টির চিহ্নমাত্র দেখলাম না। মহাপ্রভুর নাটমন্দির।ঐ নাটমন্দিরের পূর্বদিকে শ্রীমন্দির এবং বর্তমানে উত্তরদিকেও দালান আছে।এখন দালানেই শ্রীবিগ্রহ আছেন।আমি ভিতরে গিয়ে দেখলাম,মন্দিরের দিক হতে এক শ্রীবৈষ্ণবমহাত্মা নাটমন্দিরের ভিতর দিয়ে শ্রীসিদ্ধচৈতন্যদাস বাবাজীর সমাধি আশ্রমে যাচ্ছেন।এই মহাত্মার পরিধান-বস্ত্রখানি একটু পাটলবর্ণের(গোলাপীরঙের)।নতুন বস্ত্র প্রতিদিন গঙ্গার ঘোলাজলে ধৌত করলে যেরকম হয় বস্ত্রটির রঙও সেইরকম।তাঁর গলায় কন্ঠলগ্ন শ্রীতুলসীমালা।মালাগুলি একটু বড় বড়।মস্তক মুন্ডিত, বয়স ষাটের কিছু বেশী হবে। তিনি একবার আমাকে তাকিয়ে দেখলেন মাত্র, কোনও কথা বললেন না।আমি মন্দিরের দিকে তাকিয়ে দেখি,দরজা খোলা রয়েছে। মন্দিরের অভ্যন্তরে দোলমঞ্চে শ্রীমন্মহাপ্রভু শ্রীপ্রিয়াজীকে বামে নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।দোলমঞ্চসহ যুগলরূপ বর্ণনা করি এমত সাধ্য আমার নাই।তথাপি একটু না লিখে থাকতে পারছি না।দোলমঞ্চখানি পুষ্প দিয়ে গঠিত।স্তরে স্তরে ফুল,কুসুমগন্ধে নাক মেতে উঠে।*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔜 ক্রমাগত 👉 ১৯৬. শ্রীনবদ্বীপলীলার মধুর রস 🏵️ পরিশিষ্ট 📥 শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/bishnupriya196.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
