শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৩৩. মহাপ্রভুর সার্বভৌম আত্মসাৎ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori33.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৩৩)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
  *মহাপ্রভুর সার্বভৌম আত্মসাৎ*
  ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*সার্বভৌমের গৃহে উপস্থিত হয়ে তিনি তখন "ভট্টাচার্য‍্য ভট্টাচার্য্য "বলে উচ্চৈঃস্বরে সম্বোধন করে ডাকতে লাগলেন। সার্বভৌম তখন নিদ্রার আবেশে "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বলে হাই তুললেন এবং তা মহাপ্রভুর কর্ণগোচর হল।গৌরহরি ইহা স্বকর্ণে শ্রবণ করে মনে বড় আনন্দ অনুভব করলেন। যথা=*
*কৃষ্ণ কৃষ্ণ স্ফুট কহি ভট্টাচার্য্য জাগিলা।*
*কৃষ্ণ নাম শুনি প্রভুর আনন্দ বাড়িলা।।*
*🌷সার্বভৌম এর আগে পর্যন্ত কখনও এইকথা বলেননি কারণ মহাপ্রভুর কৃপা পাওয়ার পর হতে তাঁর কৃষ্ণ নামে রতি হয়েছে।তাঁর সৌভাগ্য দেখে শ্রীগৌরাঙ্গর মনে বড় আনন্দ হল।তারপর সার্বভৌম তখন গৌরহরির শ্রীচরণ বন্দনা করে তাঁর রাতুল চরণতলে বসিলেন।কৃপাময় মহাপ্রভু তখন কৃপা করে জগন্নাথদেবের সেই প্রসাদ সার্বভৌমকে অর্পণ করলেন।ভট্টাচার্য‍্য তখন পর্যন্ত মুখ প্রক্ষালন করেন নাই, বাসিমুখে অতীব নিষ্ঠার সঙ্গে সেই প্রসাদ সেবা করলেন।চতুর চূড়ামণি শ্রীগৌর ভগবান উপযুক্ত সময় বুঝে তাঁর প্রসাদে ভক্তি পরীক্ষা করবার জন্য এই লীলারঙ্গ করলেন এবং সার্বভৌমও মহাপ্রভুর কৃপায় সেই প্রসাদের যথোচিত মর্য‍্যাদা দান করলেন।মহাপ্রসাদ গ্রহণ সম্বন্ধে শাস্ত্রে পাওয়া যায় =*
*"শুষ্কং পর্য‍্যুসীতং বাপী নীতং বা দূরদেশতম্।*
*প্রাপ্তমাত্রেণ ভোক্তব‍্যম্ নাত্রকাল বিচারনা।।"*
*🙏অর্থ‍্যাৎ মহাপ্রসাদ শুকনোই হোক,বা কথাকথিত বাসি হোক অথবা দূরদেশ থেকে নিয়ে আসাই হোক বিচার বিবেচনা না করেই তা তৎক্ষণাৎ গ্রহণ করা সর্বতোভাবে কর্তব‍্য।*
*🌷মহাপ্রভু তখন আনন্দ আতিশর্য‍্যে নৃত্য কীর্তন করতে করতে কহিতে লাগিলেন=*
*আজি মুঞি করিনু বৈকুন্ঠে আরোহণ।।*
*আজি মোর পূর্ণ হইল সর্ব অভিলাষ।*
*সার্বভৌমের হইল মহাপ্রসাদে বিশ্বাস।।*
*🌻ভক্তবৎসল গৌর ভগবান আবার কহিলেন=*
*আজি তুমি নিষ্কপটে হৈলা,কৃষ্ণাশ্রয়।*
*কৃষ্ণ নিষ্কপটে তোমা হইলা সদয়*।।
*আজি সে খন্ডিল তোমার দেহাদি বন্ধন।*
*আজি তুমি ছিন্ন কৈলে মায়ার বন্ধন।।*
*আজি কৃষ্ণ প্রাপ্তি যোগ্য হইলা তোমার মন।*
*বেদ ধর্ম লঙ্ঘি কৈলে প্রসাদ ভক্ষণ।।*
*🍀গোপীনাথ আচার্য‍্যের আজ আনন্দের আর সীমা নাই কারণ এতদিনে তাঁর সর্ব অভিলাষ পূর্ণ হয়েছে। তখন তিনি "হরি হরি" ধ্বনি করতে লাগলেন। যথা=*
*গোপীনাথ আচার্য‍্য তাঁর বৈষ্ণবতা দেখিয়া।*
*হরি হরি বলি নাচে হাতে তালি দিয়া।।*
*🙏জয় নিতাই, এই হল সার্বভৌম বাসুদেব ভট্টাচার্যের আত্মসাতের মোটামুটি প্রসঙ্গ। সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য মহাশয়ের জীবনের আর একটি স্মরণীয় ঘটনা হচ্ছে তাঁর ন‍্যায়শাস্ত্র শিক্ষা।তখনকার দিনে কৃষ্ণভক্তি খুবই বিরল ছিল, এবং প্রায় সকলেই বেদ বেদান্ত ন‍্যায়শাস্ত্র ইত‍্যাদি গ্রন্থ পাঠে বিশেষ আগ্রহী ছিলেন। বঙ্গদেশে এই ন‍্যায়শাস্ত্র শিক্ষার কোন টোল ছিল না,একমাত্র সুদূর পশ্চিমে মিথিলা ছাড়া, সেজন্যই সকলে মিথিলায় গমন করে ন‍্যায়শাস্ত্র অধ‍্যয়ন করতেন। সেখানকার মৈথিলী পন্ডিতগণের এই বিধান ছিল যে পাঠাভাস কালে বা পরে কেউ কোন গ্রন্থ বা টীকা সে জায়গা থেকে নিয়ে আসতে পারবেন না। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল যে,যাতে তাঁদের (মৈথিলী পন্ডিতদের) একছত্র আধিপত‍্য অব‍্যাহত থাকে।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

*সেহেতু সার্বভৌম মনে মনে স্থির করলেন যে কোন গ্রন্থ বা টীকি নিয়ে যেতেই যখন পারবেন না তখন সমস্ত প্রাচীন ন‍্যায়শাস্ত্রের গ্রন্থ এবং টীকাগুলি তিনি কন্ঠস্থ করে ফেলবেন কারণ মানুষের মস্তিষ্কের উপর তো আর কোন বাধা নিষেধ আরোপ করা চলে না।দিনের পর দিন চলতে থাকে এই অধ‍্যবসায় এবং যার ফলে তিনি তাঁর মিথিলায় থাকা কালে এইসব সুদুষ্কর দুষ্প্রাপ্য সুপ্রাচীন গ্রন্থগুলি সব কন্ঠস্থ করে ফেলেন এবং তাঁর মনোবাসনা ছিল যে বঙ্গদেশে ফিরে গিয়ে তিনি ন‍্যায়শাস্ত্রের অধ‍্যাপনা করবেন।এইরকম মানসিকতার বশবর্তী হয়ে তিনি এই দুঃসাধ‍্য অভাবনীয় অচিন্ত‍্যনীয় কাজ সম্পূর্ণ করেন।তারপরে নবদ্বীপে ফিরে এসে স্মরণ মননের মাধ‍্যমে সেই সব গ্রন্থ পুনঃ রচনা করেন।এইটি যে কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব তা ভাবা যায় না কিন্তু এক হিসাবে তিনি তো আর মানুষ ছিলেন না, ভগবানের অসীম কেপা ভিন্ন কোনমতেই সম্ভব নহে।এই ভাবে সার্বভৌমের কৃপায় বঙ্গদেশে ন‍্যায়শাস্ত্রের জ্ঞান অর্জনের দ্বার উন্মুক্ত হয়। এই হচ্ছে সার্বভৌম পন্ডিতের জীবনের এক অত‍্যাশ্চর্য‍্য বিশেষত্ব।*
*🌺"আত্মারামশ্চ মুনয়ো" নামক এই ভাগবদীয় শ্লোকটি যা ৭৩ নম্বর পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছেন বৈষ্ণব জগতের নিকট এক বিশেষ মূল‍্য আছেন। এজন্য এই সুকঠিন শ্লোকটির কিছু ব‍্যাখ‍্যা এবং শব্দার্থ দেওয়া হল।"আত্মারাম" আত্মস্বরূপ জ্ঞান হেতু-- সদাসর্বদা পরমানন্দে মগ্ন-- সন্তুষ্ট চিত্ত-- আত্মাতে যাঁর আরাম এই জাতীয় ভাবার্থ।"নির্গ্রন্থা" শব্দের ব‍্যাখ‍্যা করে শ্রীপাদ কবিরাজ গোস্বামী মহাশয় বলেছেন--নির্গ্রন্থা শব্দে বলে অবিদ‍্যা গ্রন্থহীন--বিধি নিষেধ বেদ শাস্ত্র জ্ঞানাদি বিহীন-- মুর্খ নীচ ম্লেচ্ছ আদি শাস্ত্র রিক্তগণ-- ধনসঞ্চয়ী নির্গ্রন্থ আর যে নির্ধন।"ঊরুক্রমে"=শ্রীভগবানে। (বৃহৎ যাঁর ক্রম)।। "ইত্থম্ভূত"=এবংভূত--ঈদৃশ--চরিতামৃত বলছেন, ইত্থম্ভূত গুণ শব্দের অর্থ পূর্ণানন্দময় যাঁর আগে ব্রহ্মানন্দ তৃণপ্রায় হয়।*
*🍁সেহেতু মোটামুটি ভাবার্থ=আত্মারাম অর্থ‍্যাৎ যাঁরা সদাসর্বদা পরমানন্দে মগ্ন অর্থ‍্যাৎ যাঁদের অবিদ‍্যা গ্রন্থি ছিন্ন হয়েছে সেই সকল মুনিগণ শ্রীভগবানে অহৈতুকী ভক্তি করে থাকেন।শ্রীহরির এমনই গুণ বা মহিমা। সার্বভৌম পন্ডিত এই শ্লোকটির নয়টি ব‍্যাখ‍্যা করেছিলেন কিন্তু মহাপ্রভু তার কোন আশ্রয় না নিয়েই একষট্টি প্রকার ব‍্যাখ‍্যা করেছিলেন।*
👣👣👣👣👣👣🙏👣👣👣👣👣👣
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৩২. সার্বভৌমের আত্মসাৎ প্রসঙ্গ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori32.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৩২)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
     *সার্বভৌমের আত্মসাৎ প্রসঙ্গ*
     ☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*🌳এখানে লক্ষ্য করবার বিষয় এই মহাপ্রভু যে সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যকে এত ঐশ্বর্য‍্য লীলারঙ্গ দেখালেন এটি কিন্তু আর কেউই দেখতে পেলেন না। সার্বভৌমের সেই সভায় অপরাপর পন্ডিতগণ ছিলেন,তাঁর শিষ‍্যগণ ছিলেন,মহাপ্রভুর ভক্তবৃন্দও ছিলেন কিন্তু তাঁরা কেউই তাঁর এই ঐশ্বর্য‍্যরূপ দেখতে পেলেন না এবং কেমলমাত্র সার্বভৌমই গৌরহরির কৃপায় এইসব পরম ঐশ্বর্য‍্যলীলা দেখলেন।তখন গৌরভগবান সার্বভৌমকে শান্ত করে গভীর রাত্রে নিজ বাসায় প্রত‍্যাগমন করলেন। সার্বভৌমের সারা রাত্রি ঘুম হল না।তিনি তখন বুঝতে পারলেন যে কৃপাময় শ্রীগৌরাঙ্গের কৃপায় এতদিনে তাঁর মোহনিদ্রা ছিন্ন হল এবং তিনি ভক্তি পথের পথিক হলেন। তিনি তাঁর অতীতের তর্কবিচার এইসব জলাঞ্জলী দিয়ে কেন তিনি অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন,যখন সত‍্যিকারের অন্তরে প্রেমের উদয় হয়, তখন এই লক্ষণগুলি দেখা যায়।তাঁর হৃদয়মন্দিরে শ্রীগৌরাঙ্গদেবের শ্রীমূর্তির অভিষেক করলেন।সার্বভৌমের আজ যেন আনন্দের আর সীমা নাই, বারবার নিজেকে ভাগ‍্যবান মনে করতে লাগলেন।সেই পিতৃপ্রতীম বয়স্ক সার্বভৌম আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় কোথায় হারিয়ে গেলেন কিন্তু প্রকৃত জয় তাঁরই হল এবং সমগ্র নীলাচলে এই সংবাদ তড়িৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়ল।সারা ভারতের শ্রেষ্ঠ পন্ডিত,বেদান্তবাগীশ সার্বভৌম এক নবীন সন্ন‍্যাসীকে সাক্ষাৎ শ্রীকৃষ্ণের অবতার বলে স্বীকার করে নিয়েছেন,স্বয়ং ভগবান জ্ঞানে তাঁর স্তবস্তুতি করছেন এটি যেন এক অবিশ্বাস্য ব‍্যাপার বলে মনে হল।আর সর্বাপেক্ষা আনন্দ পেলেন তাঁর ভগ্নীপতি গোপীনাথ আচার্য‍্য কারণ এতদিনে তাঁর মনোবাসনা পূর্ণ হল। মহাপ্রভু স্বগৃহে গমন করে নিদ্রিভিভূত হলেন এবং অতি সকালে গাত্রোত্থান করে জগন্নাথদেবের মঙ্গলারতি দর্শন করতে গমন করলেন।সচল জগন্নাথ অচল জগন্নাথ দর্শনে আসিলেই ভাবাবেশে মোহিত হয়ে পড়তেন।জগন্নাথদেবের শ্রীমূর্তি দর্শন করলেই মহাপ্রভুর নয়ন দিয়ে অবিরল ধারে অশ্রু বিগলিত হত এবং সে যে কি ভাব এবং কি বস্তু তা একমাত্র ভাগ‍্যবান প্রত‍্যক্ষদর্শীরাই দর্শ করেছিলেন।*
*🍁মঙ্গলারতি শেষ হবার পর সেবক তাঁকে মাল‍্যভূষিত করে কিছু প্রসাদান্ন দিলেন।তখন তিনি কাউকেও কিছু না বলে সোজা সার্বভৌমের গৃহাভিমুখে যেতে লাগলেন এবং উপস্থিত ভক্তবৃন্দওতাঁর অনুগমন করতে লাগলেন।*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৩১. সার্বভৌমের আত্মসাৎ প্রসঙ্গ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori31.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৩১)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
   *সার্বভৌমের আত্মসাৎ প্রসঙ্গ*
    ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌷ভাবলেও অবাক লাগে, একটি চব্বিশ বছরের বালক তাঁর পিতৃতুল‍্য বয়োজ‍্যেষ্ঠ এক মহা পন্ডিতের হৃদয়ের উপর নিজ চরণ দুইখানি স্থাপন করলেন এবং বাসুদেব ভট্টাচার্য্য নিজেকে কৃতার্থ মনে করে দৃঢ়ভাবে মহাপ্রভুর রাতুল চরণ দুইখানি ধরে প্রেমানন্দে বিভোর হয়ে ব‍্যাকুলভাবে ক্রন্দন করতে লাগলেন এবং ভাবতে লাগলেন যে এতদিনে আমার চিতচোরাকে পেলাম,তখন তিনি ভাবাবেশে কিভাবে নিজের আত্মনিবেদন করলেন তা শ্রবণ করুন।*
*প্রভুরে!শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রাণনাথ।*
*মুঞি অধমের প্রতি প্রভু কর দৃষ্টিপাত।।*
*তোমারে যে মুঞি পাপী,শিখাইনু ধর্ম।*
*না জানিয়া তোমার অচিন্ত‍্য শুদ্ধ কর্ম।।*
*হেন কেবা আছে প্রভু, তোমার মায়ায়।*
*মহাযোগেশ্বরাদি মোহ নাহি পায়*।।
*সে তুমি আমারে মোহিত কোন্ শক্তি।*
*এবে দেহ তোমার চরণে প্রেমভক্তি।।*
*জয় জয় শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য সর্বপ্রাণ।*
*জয় জয় বেদ বিপ্র সাধু ধর্ম প্রাণ*।।
*জয় জয় বৈকুন্ঠাদি লোকের ঈশ্বর।*
*জয় জয় শুদ্ধ সত্বরূপ ন‍্যাসীবর।।*
*🌺গৌর ভগবান তখন সম্পূর্ণ ঐশ্বর্য‍্য ভাব। তিনি ভগবান ভাবে সার্বভৌমের বক্ষে পাদপদ্ম ধারণ করিয়েছেন। সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য তাঁর পিতার সমবয়স্ক,পরমপূজ‍্য,তথাপি তিনি তাঁর বক্ষে নিজ পাদপদ্ম ধারণ করে আছেন আর এই বয়োজ‍্যেষ্ঠ ব্রাহ্মণ তাঁর শ্রীচরণ ধরে আর্তিপূর্ণ ভাবে আত্মনিবেদন করেছেন।তিনি যেন সাক্ষাৎ নীলাচল চন্দ্রের সাক্ষাৎ দর্শন পেয়েছেন এবং তাঁর অভীষ্ট দেবের চরণ কমলে একের পর এক মনের সব কথায় নিবেদন করলেন। তখন তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলেন যে=*
*পতিত তারিতে সে তোমার অবতার।*
*মুঞি পতিতেরে প্রভু করহ উদ্ধার।।*
*বন্দী করিয়াছ মোরে অশেষ বন্ধনে।*
*বিদ‍্যা ধনে কুলে তোমা জানিব কেমনে।।*
*এবে এই কৃপা করো সর্বজীব নাথ।*
*অহর্নিশ চিত্ত যেন রহয়ে তোমাত*।।
*অচিন্ত‍্য অ‍গম‍্য প্রভু তোমার বিহার।*
*তুমি না জানাইলে জানিতে শক্তি কার।।*
*আপনিই দারুব্রহ্ম রূপে নীলাচলে।*
*বসিয়া আছহ ভোজনের কুতূহলে।।*
*আপন প্রসাদ করো আপনে ভোজন।*
*আপনে আপনা দেখি করহ ক্রন্দন।।*
*আপনে আপনা দেখি হও মহামত্ত*।
*এতেক কে বুঝে প্রভু তোমার মহত্ত।।*
*আসলে যে আপনারে জান তুমি মাত্র।*
*আর জানে যে জন তোমার কৃপা পাত্র।।*
*মুঞি ছার তোমারে বা জানিমু কেমনে।*
*যাতে মোহ মানে অজ-ভব দেবগণে।।*
*🌹পতিতপাবন করুণাময় গৌরহরি তখন দেখলেন যে বিদ‍্যাগর্বী ভট্টাচার্যের অহংকার দূরীভূত হয়েছে। পান্ডিত‍্যের অভিমান চূর্ণবিচূর্ণ হয়েছে  এবং তখন সার্বভৌম মহাপ্রভুর শ্রীচরণ ধারণ করে কাঁদতে কাঁদতে বলছেন "মুঞি পতিতেরে প্রভু করহ উদ্ধার"। দয়ার সাগর,চিরসুন্দর, জগৎসুন্দর মহাপ্রভুর মনে তখন কৃপার সঞ্চার হল এবং তিনি তাঁর ভক্তকে সান্ত্বনা দিবার জন্য কহিলেন=*
*শুন সার্বভৌম! তুমি আমার পার্ষদ।*
*এতেক দেখিলা তুমি এতেক সম্পদ।।*
*তোমার নিমিত্তে মোর হেথা আগমন।*
*অনেক করিয়াছ তুমি মোর আরাধন।।*
*ভক্তের মহিমা তুমি যতেক কহিলা*।
*ইহাতে আমারে বড় সন্তোষ করিলা।।*
*যতেক কহিলা তুমি সব সত‍্য কথা*।
*তোমার মুখেতে কেন আসিবে অন‍্যথা।।*
*শত শ্লোক করি তুমি যে কৈলে স্তবন।*
*যে জন করয়ে ইহা শ্রবণ পঠন।।*
*আমাতে তাহার ভক্তি হইবে নিশ্চয়।*
*সার্বভৌম শতক বলি লোকে যেন কয়।।*
*যে কিছু দেখিলে তুমি প্রকাশ আমার।*
*সঙ্গোপ করিবা,পাছে জানে কেহ আর।।*
*যতেক দিবস মুঞি থাকিব পৃথিবীতে।*
*তাবৎ নিষেধ কৈল কাহারে কহিতে।।*
*আমার দ্বিতীয় দেহ নিত‍্যানন্দচন্দ্র*।
*ভক্তি করি সেবিহ তাঁর পদ দ্ন্দ্ব।।*
*পরম নিগূঢ় তিঁহো কেহ নাহি জানে।*
*আমি যারে জানাই সেই যে জানে তানে।।*
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
*এত শুনি হরি তবে,ডাকি লয়ে গোপী সবে,*
    *কহিলেন ইচ্ছা পূর্ণ করিব সবার।*
*দয়াময় বনমালী,গোপী সাথে করি কেলি,*
   *পরিতৃপ্ত করিলেন ইচ্ছা যে যাহার।।*
*গোপী নারী যেথা যত,সংখ‍্যা তার ষোল শত,*
   *প্রত‍্যেকে হেরিল সাথে আছে কৃষ্ণধন।*
*বাঞ্জাকল্পতরু যিনি,বহু দেহ লন তিনি,*
   *গোপীদের মনোবাঞ্জা করিতে পূরণ।।*
*গোপীদের জনার্দন,দিয়া প্রেম আলিঙ্গন,*
    *সবার বাসনা তবে করেন পূরণ*।
*একে একে গোপী আসে,মদন মোহন পাশে,*
   *কহে তারা দাসী মোরা দাও গো চরণ।।*
👣👣👣👣👣👣🙌👣👣👣👣👣👣
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৩০. সার্বভৌমের আত্মসাৎ প্রসঙ্গ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori30.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৩০)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
    *সার্বভৌমের আত্মসাৎ প্রসঙ্গ*
   ++++++++++++++++++++++
*🌷গোপীনাথ আচার্য‍্যের মনেও আজ বড় আনন্দ।তিনি করজোড়ে মহাপ্রভুর কাছে গিয়ে ভক্তিভরে নিবেদন করে বললেন-- প্রভু হে, তুমি সর্ব গুণনিধি,তুমি অগতির গতি, জ্ঞানগর্বী সার্বভৌমকে তুমি আজ এ কি করলে?তোমার শ্রীচরণে কোটি কোটি প্রণিপাত।সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য মহাশয় তখন মহাপ্রভুর শ্রীচরণে পড়ে ব‍্যাকুলভাবে ক্রন্দন করতে লাগলেন। অনুশোচনায় তখন তিনি মর্মাহত।করজোড়ে সর্বসমক্ষে তিনি মহাপ্রভুর চরণ ধরে ক্রন্দন করতে করতে বলতে লাগলেন=*
*জগৎ নিস্তারিলে তুমি সেহ অল্প কার্য‍্য।*
*আমা উদ্ধারিলে তুমি এ শক্তি আশ্চর্য‍্য।।*
*তর্কশাস্ত্রে জয়ী আমি যৈছে লৌহপিন্ড।*
*আমা দ্রবাইলে তুমি প্রতাপ প্রচণ্ড।।*
*🌻ভক্তের এই আর্তিতে তুষ্ট হয়ে করুণাসাগর গৌরহরি সার্বভৌমকে তাঁর ষড়ভূজ রূপ দর্শন করালেন।এইরকম কৃপা মহাপ্রভু আর কাউকেও করেন নাই।এর দ্বারা বুঝা যায় যে সার্বভৌমের প্রতি করুণাময় গৌরহরির কি অপার কৃপা।এর পূর্বে তিনি মুরলীধর মদনমোহন মূর্তিও দর্শন করিয়েছেন এ সর্বশেষে তাঁর ষড়ভূজ মূর্তি দর্শন করলেন সার্বভৌম।শ্রীকৃষ্ণ একবার কৃপা করে অর্জুনকে তাঁ বিশ্বরূপ দর্শন করিয়ে ছিলেন আর কলিযুগে মহাপ্রভু একমাত্র সার্বভৌমকে তাঁর ভাগবত্তা প্রমাণের জন্য এই প্রকার বিভিন্ন রূপে দর্শন দান করেছিলেন।তখন সার্বভৌম দেখলেন যে এই নবীন সন্ন‍্যাসী এক অপূর্ব দিব‍্য মূর্তিতে দিব‍্য জ‍্যোতি কিকীর্ণ করে ত্রিভঙ্গ মূর্তিতে তাঁর সম্মুখে দাঁড়িয়ে আছেন,মহাপ্রভুর তখন ষড়ভূজ মূরতি।*
*🙏উর্ধে দুই বাহু নব দূর্বাদল শ‍্যামবর্ণ,তাতে ধনুর্বাণ ধরাণ করে আছেন। মধ্যে দুই বাহু নীলকান্তমণির মতো উজ্জ্বলবর্ণ এবং তা দ্বারা মোহন মুরলী ধারণ করে আছেন।নিম্নে দুই বাহু কষিত কাঞ্চনের মতো সুবর্ণবর্ণ এবং তা দ্বারা দন্ড কমন্ডলু ধারণ করে আছেন।শ্রীমূর্তির কন্ঠে বনমালা,মস্তকে শিখিচূড়া এবং বদনে মঞ্জুহাস‍্যতাম অর্থ‍্যাৎ মধুর হাসি।এই অপূর্ব শ্রীমূর্তি দর্শন করে সার্বভৌম বাসুদেব ভট্টাচার্য্য আনন্দে আত্মহারা হয়ে তাঁর শ্রীচরণতলে মূর্ছিত হয়ে পড়লেন এবং শ্রীপাদ কবিরাজের ভাষায় =*
*🌷অপূর্ব ষড়ভূজ মূর্তি কোটি সূর্য‍্যময়।*
*🌷দেখি মূর্ছা গেলা সার্বভৌম মহাশয়।।*
*🙏করুণাময় মহাপ্রভু তখন তাঁর শ্রীঅঙ্গে শ্রীহস্ত স্পর্শ দ্বারা চেতনা ফেরালেন।বাসুদেব ভট্টাচার্য্য তখন সম্পূর্ণ ভাবে বুঝতে পারলেন যে তাঁর ভগ্নীপতি গোপীনাথ আচার্য‍্য মহাশয় এই নবীন সন্ন‍্যাসী সম্বন্ধে যা যা বলেছিলেন তা সবই সত‍্য হ'ল।গৌর ভগবান তখন ঐশ্বর্য‍্যভাবে ভাবিতা হয়ে কহিলেন=*
*🌷সার্বভৌম কি তোর বিচার।*
*🌷সন্ন‍্যাসে কি আমার নাহিক অধিকার।।*
*🌷সন্ন‍্যাসী কি আমি হেন তোর চিত্তে লয়।*
*🌷তোর লাগি হেথা মুঞি হইনু উদয়।।*
*🌷বহু জন্মে মোর লাগি ত‍্যাজিলে জীবন।*
*🌷অতএব তোরে মুঞি দিনু দরশন।।*
*🌷সঙ্কীর্তনারম্ভে এই মোর অবতার।*
*🌷অনন্ত ব্রহ্মান্ডে মুঞি বৈ নাহি আর।।*
*🌷জন্ম জন্ম তুই মোর শুদ্ধ প্রেমদাস।*
*🌷অতএব তোমারে মুঞি হইল প্রকাশ।।*
*🌷সাধু উদ্ধারিমু দুষ্ট বিনাশিমু সব।*
*🌷চিন্তা কিছু নাহি,পড় মোর স্তব।।*
*🙏সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য মহাশয় তৎক্ষণাৎ স্বতঃস্ফূর্তভাবে শচীসুতাষ্টক স্তব পাঠ করলেন যা বৈষ্ণব শাস্ত্রের এক অমূল‍্য সম্পদ, যথা=*
*উজ্জ্বল বরণ গৌরবর্ণদেহং বিলসিত নিরবধি ভাববিদেহং।*
*ত্রিভুবন পালন কৃপয়া লেশং তং প্রণমামি শ্রীশচীতনয়ং।।*
*গদগদ অন্তর ভাববিদেহং দুর্জন তর্জন গর্জন বিশালং।*
*ভবভয় খন্ডন কারণ করুণং তং প্রণমামি শ্রীশচীতনয়ং।।*
*অরুণাম্বর সুচারু কপোলং ইন্দুবিনিন্দিত নখচয় রুচিরং।*
*জল্পিত নিজগুণ নাম বিনোদং তং প্রণমামি শ্রীশচীতনয়ং।।*
*বিগলিত নয়ন কমলজল ধারং ভূষণ নবরস ভাববিকারং।*
*গতি অতি মন্থর নৃত্যবিলাসং তং প্রণমামি শ্রীশচীতনয়ং।।*
*চঞ্চল চারু চরণ গতিরুচিরং মঞ্জীর রঞ্জিত পদযুগ মধুরং।*
*চন্দ্র বিনিন্দিত শীতল বদনং তং প্রণমামি শ্রীশচীতনয়ং।।*
*ধৃত কোটি ডোর কমন্ডলু দন্ডং দিব‍্য কলেবরং মুন্ডিত মুন্ডং।*
*দুর্জন কল্মষ খন্ডন দন্ডং তং প্রণমামি শ্রীশচীতনয়ং।।*
*ভূষণ ভূরজ অলকাবলিতং কম্পিত বিম্বাধর বর রুচিরং।*
*মলয়জ বিরচিত উজ্জ্বল তিলকং তং প্রণমামি শ্রীশচীতনয়ং।।*
*নিন্দিত অরুণ কমলদল নয়নং আজানুলম্বিত শ্রীভূজযুগং।*
*কলেবর কৈশোর নর্তকবেশং তং প্রণমামি শ্রীশচীতনয়ং।।*
*🌺করুণাময় গৌরহরি তখন তাঁর স্তবে তুষ্ট হয়ে কৃপা করে সার্বভৌমের হৃদয়ের উপর স্বীয় (নিজ)পাদপদ্ম স্থাপন করলেন, যথা=*
*🌷করুণা সমুদ্র প্রভু শ্রীগৌর সুন্দর।*
*🌷পাদপদ্ম দিলা তাঁর হৃদয় উপর।।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*কি মধুর বাঁশীর সুর,প্রেমে হৃদি ভরপুর,*
   *হরি নিল প্রাণ,হরি কি করি উপায়।*
*সে যে করে আকর্ষণ,বিমোহিত করি মন,*
   *গৃহে বাস করা এবে হইল যে দায়।।*
*প্রেমে মত্ত গোপীগণ,উপনীত যবে হন,*
   *তাহাদের হেরি হরি পুলকে গমন।*
*অপলকে তারা সবে,কৃষ্ণ ধনে হেরে সবে,*
   *বিমোহিত করিল যে সে রূপ মোহন।।*
*রহিয়া মোদর সাথ,পূরাও মনের সাধ,*
   *ছুটিয়া এসেছি হেথা তোমার কারণ।*
*বনে রহি যবে তুমি,বাজাইলে বাঁশী স্বামী,*
     *ধ্বনি দ্বারা আমাদের হরি নিলে মন।।*
*মোরা যত গোপনারী,চরণ ছাড়িতে নারি,*
   *কমলা সেবিতপদ জানে সর্বজন।*
*আমরা যে ও চরণ,ধ‍্যানে রাখি অনুক্ষণ,*
  *ভক্তের সম্পদ ইহা জেনো নারায়ণ।।*
*ওহে অধম তারণ,মোরা ল'য়েছি শরণ,*
   *তবে কেন কহ হেন নিঠুর বচন।*
*ধন জন পতি পুত্র,সব ছাড়ি আসি অত্র,*
  *তুমি ছাড়া আর কেহ নহে যে আপন।।*
👣👣👣👣👣👣🙏👣👣👣👣👣👣
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



২৯. সার্বভৌমের আত্মসাৎ প্রসঙ্গ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori29.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(২৯)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
    *সার্বভৌমের আত্মসাৎ প্রসঙ্গ*
    °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
*🌺শ্রীমন্মহাপ্রভু যখন নীলাচল ধামে গমন করেন তখন সার্বভৌম বাসুদেব ভট্টাচার্য্য হচ্ছেন পুরীধামের সর্বশ্রেষ্ঠ পন্ডিত।সার্বভৌম ন‍্যায়শাস্ত্রের অদ্বিতীয় পন্ডিত,বেদান্ত শিরোমণি এবং সকল মায়াবাদী সন্ন‍্যাসীদের গুরু।তাঁর তর্কনিষ্ঠ মন,প্রেমভক্তি যে কি বস্তু তা তিনি একেবারেই জানেন না।কৃষ্ণপ্রেমে জীবের মনে যে অপূর্ব প্রেমোদয় হয় তা বুঝবার শক্তিও তাঁর নাই।মহাপ্রভুর সঙ্গে তাঁর মাঝে মিঝে সাক্ষাৎ হয় কিন্তু ঘনিষ্ঠতা কিছু হয়নি। গোপীনাথ আচার্য‍্যের গৌরাঙ্গগত প্রাণ এবং সম্পর্কে সার্বভৌমের শ‍্যালক।সার্বভৌম নবীন সন্ন‍্যাসী মহাপ্রভুকে কোন আমলই দিতে চাইতেন না।এতে গোপীনাথের মনে প্রাণে খুবই অনুতপ্ত ছিলেন।*
*🍀বরং সার্বভৌম মনে করতেন যে যৌবনকালে সন্ন‍্যাস ধর্ম গ্রহণ করে এই বালক অতীব ভুল করেছে।সন্ন‍্যাসীর ধর্ম নৃত্য কীর্তন নহে।ঘরে সুন্দরী ভার্য‍্যা (পত্নী)বর্তমান তাই বোধহয় গৃহ সংসারের কথা মনে পড়লে "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বলে ক্রন্দন করেন।একে বেদান্ত পড়াতে হবে  এবং তাহলে এর প্রকৃত জ্ঞানোদয় হবে।এমন কি তিনি একদিন কথা প্রসঙ্গে ভগ্নিপতিকে বললেন যে, "কলিযুগে বিষ্ণুর অবতার নাই"। সুতরাং তোমার চৈতন‍্য গোসাঞী ঈশ্বর হতেই পারেন না।তবে তিনি যে পরম ভক্ত মহাভাগবদ্ একথা আমি বিশ্বাস করি--ইত‍্যাদি।*
*🌳চতুর চূড়ামণি গৌরভগবান তখন সার্বভৌমকে আত্মসাৎ(নিজের হাতে করা)করবার মানসে তাঁর কাছে বেদান্ত শোনার জন্য মনস্থ করলেন।পরপর সাতদিন বেদান্ত পাঠ শ্রবণ করে সার্বভৌম লক্ষ্য করলেন যে এই নবীন সন্ন‍্যাসীটি কোন রকম প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা কিছুই করেন না শুধু মাত্র নীরব শ্রোতা হিসাবে অন‍্য ছাত্রদের মধ্যে বসে থাকেন তখন সার্বভৌম তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে গৌরভগবান বিনীত ভাবে কহিলেন যে =*
*"মূর্খ আমি নাহি জানি অধ‍্যয়ন।*
*তোমার আজ্ঞাতে মাত্র করিয়ে শ্রবণ।।*
*সন্ন‍্যাসীর ধর্ম লাগি শ্রবণ মাত্র করি।*
*তুমি যেই অর্থ কর বুঝিতে না পারি।।*
*🌹তখন তিনি সার্বভৌম-কৃত বেদান্তের ব‍্যাখ‍্যায় নানারকম দোষ ক্রটি ধরিয়ে জগদগুরু শঙ্করাচার্য‍্যের বেদান্তের নূতন ভাবে ব‍্যাখ‍্যা করে সকলকে মোহিত করে দিলেন। সার্বভৌমও অনেক তর্কজাল বিস্তার করে তাঁর পান্ডিত‍্যের পরিচয় দিলেন কিন্তু পরিশেষে পরাস্ত হলেন।এই নবীন সন্ন‍্যাসীর মুখে বেদান্তের এইরকম অপূর্ব ব‍্যাখ‍্যা শুনে সকলে মোহিত হয়ে গেলেন এবং সমগ্র নীলাচলে হৈচৈ পড়ে গেল। অবশেষ গৌরভগবান একদিন সার্বভৌমের কাছে ভাগবদ পাঠ শোনার বাসনা প্রকাশ করলেন। শ্রীমদ্ভাগবত হতে নিচের লেখা শ্লোকটি পাঠ করে তাঁর ব‍্যাখ‍্যা শুনতে চাইলেন।*
*"আত্মারামশ্চ মুনয়ো নিগ্রন্থা অপি উরুক্রমে।*
*কুর্বন্তি অহৈতুকীং ভক্তিং ইত্থম্ভূতগুণো হরিঃ।।"*
*🌻সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য এই শ্লোকটি শোনার পর গৌর ভগবানকে এর ব‍্যাখ‍্যা করতে বললেন কিন্তু পরে অনুরুদ্ধ (স্বীকৃত) হয়ে এবং নিজের পান্ডিত‍্যের প্রতিভা প্রকাশের জন্য "আত্মারাম" শ্লোকের নয়প্রকার ব‍্যাখ‍্যা করলেন নানারকম তর্কজাল বিস্তার করে।সার্বভৌম তখনও পর্যন্ত বুঝতে পারেননি যে মহাপ্রভু তাঁকে পরীক্ষা করছেন।সার্বভৌমের শিষ‍্যগণ তাঁকে ধন‍্য ধন‍্য করতে লাগলেন। কিন্তু পরে করুণাময় গৌরহরি এই ব‍্যাখ‍্যার কোনরকম সাহায্য না নিয়েই নতূনভাবে একষট্টি প্রকার ব‍্যাখ‍্যা করলেন।(অর্থ‍্যাৎ সার্বভৌম যে ব‍্যাখ‍্যা করেছিলেন, সেই সব একটিও কথা বললেন না।) সমবেত শ্রোতা মন্ডলী একেবারেই হতবাক্ হয়ে গেলেন।বিদ‍্যাগর্বী সার্বভৌম তখন মনে মনে ভাবতে লাগলেন যে "ইনিতো মনুষ‍্য নন"।ইনিই স্বয়ং সাক্ষাৎ শ্রীকৃষ্ণ ভগবান।কপট সন্ন‍্যাসীরূপ ধারণ করে আমাকে পরীক্ষা করতে এসেছেন।বিদ‍্যাগর্বে স্ফীত হয়ে আমি ইঁনার কাছে কত অপরাধীই না হয়েছি।এক্ষণে ইঁনার শ্রীচরণাশ্রয় ভিন্ন আমার গতি নাই।*
*🌷আত্মগ্লানিতে তিনি মরমে মরে গেলেন এবং তাঁর মন যেন অনুশোচনায় পুড়ে যেতে লাগল এবং সজল নয়নে মহাপ্রভুর রাতুল চরণপ্রান্তে একভাবে দেখতে লাগলেন।চতুর চূড়ামণি গৌর ভগবান তখন কৃপা পরবশ হয়ে তাঁকে ষড়ৈশ্বর্য‍্যপূর্ণ চতুর্ভূজ মূর্তি দেখালেন এবং তৎক্ষণাৎ সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য বাহ‍্যজ্ঞান লুপ্ত হয়ে মহাপ্রভুর চরণতলে লুটিয়ে পড়লেন। আবেশে বাহ‍্যজ্ঞান রহিত হয়ে তখন তিনি শ্রীভগবানের নানা মূর্তি দর্শন করতে লাগলেন যথা=*
*"কখনও শঙ্খচক্রগদাপদ্মধারী শ্রীমূর্তি।*
*কখনও পরমৈশ্বর্য‍্যময় শ্রীবিষ্ণু মূর্তি।।*
*কখনও দ্বিভূজ মুরলীধর শ্রীমূর্তি।*
*কখনও শ‍্যামসুন্দর মদনমোহন শ্রীকৃষ্ণ মূর্তি। ইত‍্যাদি।*
*🍀কিছুক্ষণ পরে গৌর ভগবানের কৃপায় তাঁর আনন্দ মূর্ছাভঙ্গ হল এবং তখন তিনি প্রেমানন্দে বিভোর হয়ে শ্রীগৌরভগবানের সামনে দাঁড়িয়ে করজোড়ে সাশ্রুনয়নে নিজকৃত শত শ্লোক বন্দনা করে মহাপ্রভুর স্তুতি বন্দনা করলেন।তাঁর জিহ্বার আগে যেন সাক্ষাৎ সরস্বতীর আবির্ভাব হল যেহেতু কৃষ্ণদাস কবিরাজ বলেছেন যে=*
*শত শ্লোক কহিল এক দন্ড না যাইতে।*
*বৃহস্পতি তৈছে শ্লোক না পার কহিতে।।*
*🌹করুণাময় গৌরহরি তাঁর স্তবে তুষ্ট হয়ে তাঁকে প্রেমালিঙ্গন দান করলেন এবং সার্বভৌম তখন প্রেমাবেশে অচৈতন্য হয়ে পড়লেন।তাঁর সর্বাঙ্গে অষ্টসাত্ত্বিক ভাবের উদয় হল এবং নয়নে দরদর ধারে প্রেম অশ্রুধারা প্রবাহিত হতে লাগল।সার্বভৌমের সর্ব অঙ্গে তখন পুলকাবলী দেখা যাচ্ছে,থরথর করে কাঁপছেন,সর্বশরীর দিয়ে ঘাম বের হচ্ছে, কখনও কাঁদছেন, কখনও আবার হাসছেন, প্রেমভরে তাঁর সর্ব অঙ্গ টলমল করছে।সে এক অপূর্ব স্বর্গীয় দৃশ্য তা বর্ণনা করবার শক্তি বোধকরি কারও নাই কারণ তা একমাত্র প্রত‍্যক্ষ দর্শীরাই উপভোগ করেছিলেন।সার্বভৌমের ছাত্রগণতাঁদের অধ‍্যাপক গুরর এমত অবস্থা দেখে অবাক সাগরে নিমগ্ন হলেন।সেই সময় সেই জায়গায় সনাতন গোস্বামীও শ্রোতারূপে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনিও হঠাৎ প্রেমানন্দে বিভোর হয়ে মহাপ্রভুর শ্রীচরণ ধরে বন্দনা করলেন যথা=*
*অর্থ শুনি সনাতন বিস্মিত হইয়া।*
*স্তুতি করে মহাপ্রভুর চরণ ধরিয়া*।।
*সাক্ষাৎ ঈশ্বর তুমি ব্রজেন্দ্র নন্দন।*
*তোমার নিশ্বাসে বেদ হয় প্রবর্তন*।।
*তুমি বক্তা ভাগবদে,তুমি জান অর্থ।*
*তোমা বিনা অর্থ জানিতে নাহিক সমর্থ।।*
👣👣👣👣👣👣🙌👣👣👣👣👣👣
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds