শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৪৭. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori47.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৪৭)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
   *মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~
*🍀শ্রীখন্ডে নরহরি ঠাকুরের শ্রীপাট দর্শন করে খড়দহে প্রত‍্যাগমন করেন। এই প্রত‍্যাগমনকালে শান্তিপুরে থাকাকালীন অদ্বৈততনয় অচ‍্যুতানন্দের শ্রীমুখ হতে তিনি সীতানাথের লীলা কথা শুনে অঝোর নয়নে নয়নবারি বরিষণ করতে লাগলেন এবং শোকার্ত হৃদয়ে অদর্শন জনিত আক্ষেপে বিলাপ করতে লাগলেন।বালকের এই আর্তিতে সকলে সমভাবে ব‍্যথিত হয়ে সীতানাথের নিকট প্রার্থনা জানাতে লাগলেন যে "হে দয়ালপ্রভু সীতানাথ" একবার কৃপা করে দর্শনদান করে এই বালকের প্রাণ রক্ষা করো।ভক্তমন্ডলীর এই কাতর প্রার্থনায় মহাবিষ্ণুর অবতার প্রকট লীলা সাঙ্গ করলেও তিনি হঠাৎ আবির্ভূত হয়ে বালককে এক ভবিষ্যৎ বাণী দ্বারা আশ্বস্ত করলেন যা এই পয়ারের মাধ‍্যমে বুঝা যাবে*
*🌷সেইকালে আবির্ভাব হইয়া গোসাঞি।*
*🌷কহিলেন ধন‍্য,ধন‍্য,ধন‍্য হে রামাই।।*
*🌷কৃষ্ণ বলরাম রূপে গৌর নিতাই।*
*🌷তুয়াসহ বিহরিবে কোন গুপ্ত ঠাঁই।।*
*🌷মুঞি সেই কালে তথা শঙ্কর রূপেতে।*
*🌷রহিব প্রভুর আলয়ের দুয়ারেতে।।*
*🌷প্রভুর প্রসাদ নিত‍্য করিব ভক্ষণ।*
*🌷তোমারে কহিনু বাপ্ এই বিবরণ।।*
*🌹অর্থ‍্যাৎ অদ্বৈতাচার্য‍্য ইঙ্গিতে বললেন যে রামচন্দ্র অতি অলৌকিক ভাবে এক কৃষ্ণ বলরাম বিগ্রহ পাবে যা নিতাই গৌরের স্বরূপ ছাড়া আর কিছুই নয়। তাঁরা কোন এক গুপ্ত জায়গায় থেকে রামচন্দ্রের সেবা গ্রহণ করবেন এবং নিত‍্য সেই মহাপ্রসাদ গ্রহণ করবেন।এ যেন বলিরাজের দ্বারে দেবাদিদেব নারায়ণের দ্বারী হিসাবে অবস্থানের মতো সমতুল‍্য কাহিনী।*
*অতঃপর বেশ কিছুদিন খড়দহে মা জাহ্নবার স্নেহ স্পর্শে থাকবার পর তিনি তাঁর আদেশে মহাপ্রভু এবং নিত‍্যানন্দ প্রভু প্রবর্তিত প্রেমধর্ম প্রচারের জন্য বঙ্গদেশের বিভিন্ন জায়গায় জীব উদ্ধার লীলা করে পুনরায় খড়দহ শ্রীপাটে ফিরে আসেন এবং এই পরিব্রাজন কালে বীরচন্দ্র প্রভু সমস্ত প্রকার সুব‍্যবস্থা করে দিয়েছিলেন, পরে নীলাচলে গমন করে চাতুর্মাস‍্য ব্রতপালন করেন। বিদায় বেলায় তিনি যখন জগন্নাথ দেবের মন্দিরে এসে কাতরভাবে বিদায়ের অনুমতি প্রার্থনা করলেন তখন ভক্তবৎসল জগন্নাথদেবের কন্ঠ হতে আজ্ঞা মালা স্খলিত হল যা দ্বারা বুঝা যায় যে তিনি কোন স্তরের সাধক ছিলেন।ভক্তগণও তাঁকে বহুপ্রকার প্রসাদ ও জিনিস পত্র উপঢৌকন দিলেন যা এই পয়ারটি হতে বুঝা যাবে।*
*🌷জগন্নাথ শ্রীঅঙ্গের মালা খসি পড়ে।*
*🌷সেই মালা পান্ডা লয়ে তার শিরে ধরে।।*
*🌷প্রসাদ লভিয়া তার প্রেম উথলিল।*
*🌷অষ্টাঙ্গে লোটায়ে বহু প্রণাম করিল।।*
*🌷জগবন্ধু পরিধেয় বস্ত্র পুরাতন*।
*🌷পূজারী ঠাকুর শিরে করিলা বেষ্ঠন।।*
*🌷চন্দন কড়ার ডোর লইলা মাঁগিয়া।*
*🌷করেন স্বদেশ যাত্রা অনুমতি লইয়া।।*
*🌹পুরীধাম হতে এই প্রত‍্যাবর্তন কালে তিনি শ্রীধাম নবদ্বীপ, শান্তিপুর, খানাকুল, শ্রীখন্ড ইত‍্যাদি সর্বপীঠস্থানে মহাপ্রসাদ বিতরণ করে অবশেষে খড়দহে এসে মা জাহ্নবার সঙ্গে মিলিত হলেন এবং সকলকে বহুবিধ অর্থ এবং দ্রব‍্যাদি দ্বারা মর্য‍্যাদা দিলেন যা তাঁকে ঐ অঞ্চলের ভক্তগণ দিয়েছিলেন। অবশেষে তিনি মাতৃ আদেশে খড়দহে শ‍্যামসুন্দরের সেবায় মনোনিবেশ করেন। এই ভাবে গুরুমাতার সেবা এবং বিগ্রহ সেবার মাধ‍্যমে তাঁর ভক্তিময় জীবন চলতে লাগল।এমনই এক সময়ে মা জাহ্নবার আদেশে তিনি তাঁর সঙ্গে শ্রীধাম বৃন্দাবন যাত্রা করলেন এবং সেখানে গমন করে অত‍্যাশ্চর্য‍্যভাবে এক কৃষ্ণবলরাম বিগ্রহ পেলেন এবং বৈষ্ণবগণসহ মহানন্দে সেই বিগ্রহদ্বয়কে শিবিকায় স্থাপনা করে গৌড়মন্ডলে প্রত‍্যাবর্তন করেন।বেশ কয়েকমাস পদব্রজে চলবার পর শ্রীপাট অম্বিকা কালনার কাছে ভাগীরথীর তীরবর্তী এক অরণ‍্য মধ্যে এসে পৌঁছিলেন।এমনই সময়ে জাগ্রত সেই বিগ্রহদ্বয় এক অদ্ভুত লীলা প্রকাশ করলেন। (যা অদ্বৈতাচার্য‍্যের ভবিষ্যৎ বাণী ছিল ) কৃষ্ণবলরাম বললেন, "আর না যাইব-- এই বনে রহি মোরা বিহার করিব"(বংশী শিক্ষা ) রামচন্দ্র তখন সমবেত সঙ্গীগণকে বিগ্রহের এই আদেশ বা বাসনা প্রকাশ করলেন  এবং সকলেই মিলিত ভাবে সিদ্ধান্ত দিলেন যে কানাই-বলাইয়ের যখন এই বনেই বিহার করবার ইচ্ছা তখন তাইই পূরণ করতে হবে।এই অঞ্চলের কাছে রাধানগর নামক কায়স্থ প্রধান গ্রাম ছিল এবং সেই গ্রামবাসীগণের কানে যখন এই জাগ্রত বিগ্রহদ্বয়ের লীলা কাহিনী শুনলেন তখন তাঁরা সানন্দ মনে কাঠুরিয়া দ্বারা জঙ্গল পরিস্কার করিয়ে একটি পর্ণকুটীর নির্মাণ করিয়ে সেখানেই কানাই-বলাই এর সেবার সূচনা করেন এবং গ্রামবাসীগণ অতীব আর্তির সঙ্গে প্রত‍্যেকদিন সেবার দ্রব‍্যাদি জোগান দিতে লাগলেন। এ যেন মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামীর বৃন্দাবনে গোপাল প্রকট এবং ব্রজবাসীগণের সেবার অনুরূপ কাহিনী।* 
*🌴সেই অরণ‍্যে এমনই এক সময়ে বন‍্যজন্তু অধ‍্যুষিত এক বাঘ রোজ সেই পর্ণকুটীরের কাছে বিচরণ করতে লাগল।এর ফলে সকলের মনে এক ভয়ের সঞ্চার হল এবং সকলে রামচন্দ্র প্রভুর কাছে গিয়ে সব কথা বলল।মহাশক্তিধর রামচন্দ্র বিনা দ্বিধায় বা বিনা ভয়ে সেই বন‍্য বাঘের কাছে গিয়ে সস্নেহে তার অঙ্গে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললেন=*
*🌷জীব হিংসা ছাড় বাপ্ কর কৃষ্ণনাম।*
*🌷পশু জন্ম ঘুচে যাবে পাবে পর ধাম।।*
*🌷প্রভুর শ্রীকর স্পর্শ আর কৃষ্ণনাম।*
*🌷পাইয়া প্রেমেতে ব‍্যাঘ্র নাচে অবিরাম।।*
*🌷তবে মহাশয় ব‍্যাঘ্র প্রভুর সম্মুখে।*
*🌷নামের সহিত দেহত‍্যাগ কৈল মহাসুখে।।*
                    *(বংশী শিক্ষা )*
*🌻রামচন্দ্র প্রভুর এই অহৈতুকী কৃপার প্রশস্তি(প্রশংসা) করে মুরলী বিলাস গ্রন্থে লিখেছেন=*
*🌷এমন দয়াল কেবা আছে ত্রিভুবনে।*
*🌷ব‍্যাঘ্রে কৃষ্ণনাম দিয়া তারে নিজগুণে।।*
*🌷সবারে সমান দয়া নাহি আত্মপর।*
*🌷হেন প্রভু না ভজিনু মুই তো পামর।।*
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
*প্রাণকৃষ্ণ দরশনে,প্রেমানন্দ গোপী মনে,*
   *মিলনের এই বাণী অপূর্ব কথন।*
*ভুলি গিয়া ধন জনে,ডাক তাঁরে একমনে,*
   *নিশ্চয় মিলিবে তব কৃষ্ণ-দরশন।।*
*ভগবানে দেহ মন,কর যদি সমর্পণ,*
    *অশুভ তোমার যাহা হবে বিনাশন।*
*তাঁর কৃপা বর্ষে যদি,শান্ত তবে হবে হৃদি,*
    *দুঃখ কাটি মনে শক্তি মিলিবে তখন।।*
*অক্রূরেরে ডাকি আজ,কহিলেন কংসরাজ,*
   *মথুরা নগরে কৃষ্ণ কর আনয়ন।*
*কংসরাজা আজ্ঞা দিলে,অক্রূর প্রভাত কালে,*
   *শ্রীকৃষ্ণে আনিতে রথে করে আরোহণ।।*
    🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৪৬. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori46.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৪৬)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
    *মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
   ****************************
*🌷মহাপ্রভু যে কীভাবে অপ্রকটে তাঁর ভক্ত পার্ষদগণকে রক্ষা করতেন তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখা যায় বংশীবদন ঠাকুরের জীবনে। মহাপ্রভুর অপ্রকটের পনের বৎসর পর বংশীবদন লীলা সাঙ্গ করেন এবং সুদীর্ঘ পনের বৎসর তিনি গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর বিরহের অন্তর জ্বালায় জীবন্মৃত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছিলেন। এমনই এক সময়ে করুণাময় মহাপ্রভু ভক্তের কষ্টে বিচলিত হয়ে একদিন স্বপ্নের মাধ‍্যমে বললেন=*
*🍀এই মত কিছুদিন অতীত হইল*।
*🍀একদিন স্বপ্নে গোরা বংশীরে কহিল।।*
*🍀ওহে বংশী এই লীলা কর সম্বরণ।*
*🍀ভুলিয়া গেছ কি মোর সে সব বচন।।*
🍀
*🍀জাগিয়া মনেতে ভাবে শ্রীবংশীবদন।*
*🍀
*🍀স্বপ্নেতে প্রভুর বাক‍্য করিয়া শ্রবণ।*
*🍀জাগিয়া মনেতে ভাবে শ্রীবংশীবদন।।*
*🍀এমন দয়াল প্রভু না দেখি ভূবনে।*
*🍀ভুলিলেও নাহি ভুলে নিজ ভৃত‍্য জনে।।*
*🌹পরদিন সকালবেলা এই সিদ্ধ মহাত্মা পরিবার বর্গকে দেহত‍্যাগের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করেন এবং বাড়ীতে ক্রন্দনের রোল উঠে যায়।এই ভাবে ভীষ্মের ইচ্ছামৃত‍্যুর মতো এই মহাত্মা নিজ গৃহদেবতা শ্রীপ্রাণবল্লভ এবং শ্রীমন্মহাপ্রভুর বিগ্রহের সমক্ষে প্রকট লীলা সাঙ্গ করেন। এবং এইভাবেই বংশীবদনের ভক্তিময় জীবনের অবসান ঘটে।এই সময়ে তাঁর জ‍্যেষ্ঠ পুত্রবধূ অর্থ‍্যাৎ শ্রীচৈতন‍্য দাসের পত্নী এসে শোকে মুহ‍্যমান(বিহ্বল) হয়ে বিলাপ করতে লাগলেন।তিনি বংশীবদন ঠাকুরকে সেবা যত্ন করতেন এবং শ্বশ্রূ ঠাকুরের কাছ হতে দীক্ষামন্ত্রও গ্রহণ করেছিলেন।তখন তিনি তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে কহিলেন "মা তুমি অযথা রোদন করিও না আমি শীঘ্রই পুত্ররূপে তোমার গর্ভে পুনরায় আসছি।" এইকথা শুনে চৈতন‍্য ঘরণী কথঞ্চিৎ(কোনরকমে) শান্ত হলেন কিন্তু তথাপি সারা সংসারে শোকের ছায়া নেমে আসিল।কারণ শ্বশ্রূকুলের এইরকম বংশের গৌরব কয়জনার ভাগ‍্যে ঘটে।আমরা সাধারণত চৈতন‍্যদাস বলতে শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের পিতৃদেবকেই জানি কিন্তু এক্ষেত্রে এই বংশীনন্দন চৈতন‍্যদাসও একজন মহাভাগ‍্যবান গৌরাঙ্গ পরিকর ছিলেন। কালক্রমে একদিন মা জাহ্নবা সুখসাগরে তাদের শ্রীপাটে আগমন করলে চৈতন‍্যদাস এবং তদীয় পত্নী তাঁকে যথাযোগ্য মর্য‍্যাদা সহকারে অভ‍্যর্থনা জানালেন এবং বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তার পর মা জাহ্নবা চৈতন‍্যদাস ঘরণীকে বললেন যে মা তোমার কাছে আমার কিছু প্রার্থনা আছে যদি তা পূরণ করো তবে আমি বড় সুখ পাইব।মা জাহ্নবা তারপর কহিলেন যে "মাগো তোর গর্ভে দুইটি পুত্ররত্ন জন্মগ্রহণ করবে তারমধ‍্যে জ‍্যেষ্ঠ সন্তানটিকে যদি আমায় দিস তাহলে আমি তাকে সন্তানবৎ স্নেহে লালন পালন করব।*
*🌷মাগো তোর দুই পুত্র হবে সর্বোত্তম।*
*🌷জ‍্যেষ্ঠ পুত্র মোরে যদি কর সমর্পণ।।*
*🌷পালিত রূপেতে মাগো তোর পুত্র মুই।*
*🌷গ্রহণ করিতে চাই দিবি কিনা তুই।।*
*🌹তার উত্তরে চৈতন‍্য ঘরণী বললেন=*
*🌷ঠাকুরাণী কহে মাগো কৃপা করো মোরে।*
*🌷দুই পুত্র হইলে জ‍্যেষ্ঠ পুত্র দিব তোরে।।*
*🍀কালক্রমে মহৎ কৃপায় দেবীর একটি পুত্রসন্তান লাভ হইল এবং সর্বত্র সাড়া পড়ে গেল যে বংশীবদন ঠাকুর পুনরায় আবির্ভূত হয়েছেন এবং এই সন্তানকে দর্শন করবার জন্য শ্রীবিষ্ণুপ্রিয়াদেবী পর্য‍্যন্ত নবদ্বীপ হতে সুখসাগরে এসেছিলেন।এছাড়াও মা জাহ্নবা,অচ‍্যুত জননী সীতাদেবী পর্য‍্যন্ত তাঁদের গৃহে শুভবিজয় করেন এই সন্তানটি দর্শন করবার জন্য।মা জাহ্নবা "রাম" নামে তাঁর নামকরণ করলেন এবং বললেন=*
*🌷এই শিশু সর্ব চিত্তে করিবে রমণ।*
*🌷অতএব রাম নাম করিল করণ।।*
*🌷যাইবার কালে তবে সবারে কহিলা।*
*🌷পৌত্ররূপে প্রভু বংশী পুনঃ জনমিলা।।*
*🌻যেহেতু তখনও পর্যন্ত দ্বিতীয় পুত্রের জন্ম হয়নি।মা জাহ্নবা বাৎসল‍্য পরবশ হয়ে তখন আর কিছু বললেন না কিন্তু মাঝে মাঝে সুখসাগরে এসে তাঁর রামাইকে দেখে যেতেন।ক্রমে পাঁচ বৎসর পর চৈতন্যদাস ঘরণীর গর্ভে দ্বিতীয় সন্তান ভূমিষ্ঠ হন এবং যাঁর নাম শ্রীশচীনন্দন। এই সময় যখন দ্বিতীয় পুত্রের জন্ম হল তখন মা জাহ্নবা নারীজাতির সন্তানের প্রতি সহজাত প্রেম ভালবাসা জনিত কারণে সঙ্কোচে জ‍্যেষ্ঠ পুত্রকে ভিক্ষা চাইতে কুন্ঠাবোধ করলেন।এই সময় বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী স্বয়ং আগমন করে তাঁকে সহায়তা করেন এবং মা জাহ্নবা রামাইকে কৃতার্থ করেন। এই সময় বিষ্ণুপ্রিয়া রামচন্দ্রের হাতে তাঁর পদ্মহাত বুলিয়ে আশীর্বাদ করে কহিলেন=*
*🌷ধন‍্য ধন‍্য ধন‍্য তুমি রামাই সুন্দর।*
*🌷তোমা সম ভাগ‍্যবান নাহি পূর্বাপর।।*
*🌷আপনি জাহ্নবা যারে অতি স্নেহ ভরে।*
*🌷শিষ‍্য করি লয়ে যান আপনার ঘরে।।*
*🌻এইরকম আশীর্বাদ বাণী পেয়ে রামাই বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীকে বন্দনা করে পরে বলেছিলেন=*
*🌷চৈতন‍্য বল্লভা তুমি জৎ ঈশ্বরী*।
*তোমার দাসের দাস হইতে বাঞ্জা করি।।*
*🌹এইভাবে রামাইকে সঙ্গে করে মা জাহ্নবা শান্তিপুরে সীতাদেবীর সঙ্গে দেখা করে তারপরে অম্বিকা কালনা-- গৌরীদাস পন্ডিতের শ্রীপাট হয়ে, তারপরে খানাকুলে অভিরাম গোস্বামীর শ্রীপাট হয়ে -- শ্রীখন্ডে নরহরি ঠাকুরের শ্রীপাট দর্শন করে খড়দহে ফিরে আসেন।*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*বিষয় বাসনা যাহা,ত‍্যজিয়া সকলে তাহা,*
   *আসিয়াছ করিবারে আমার ভজন।*
*বিশ্ব মাঝে রহে খ‍্যাতি,গোপীগণ ভক্তিমতি,*
    *তোমাদের মত আর নাহি কোনজন।।*
*কলিযুগ যদি গত,রহি আমি আবির্ভূত,*
  *তথাপি গোপিকা ঋণ নারিব শুধিতে।*
*মহা ঋণে মোরে এবে,আবদ্ধ করিলে সবে,*
   *ইহার মোচন কভু না হবে ধরাতে।।*
           *🙌জয় নিতাই🙌*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীধাম বৃন্দাবন যোগপীঠে শ্রীরাধাকুণ্ড এবং শ্রীশ্যামকুণ্ড তীরস্থিত কুঞ্জ সমূহের ক্রমানুসারে বর্ণন 🙏 শ্রীমৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/kunj.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••━❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀━┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀━┅••••* 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
     ꧁ 👇📖 সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী 📖👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীধাম বৃন্দাবন যোগপীঠে শ্রীরাধাকুণ্ড এবং শ্রীশ্যামকুণ্ড তীরস্থিত কুঞ্জ সমূহের ক্রমানুসারে যে বর্ণন পাওয়া যায় তাহাতে কোন কুঞ্জে কোন সখী অধিশ্বরী রূপে প্রকাশ পায় তাহার অতি সংক্ষিপ্ত বর্ণন নিম্নে লিখিত হইতেছে যথা—

(১) সুবলানন্দদ কুঞ্জের অধিশ্বরী শ্রীরাধারাণী নিজে, 
(২) মধুমঙ্গলানন্দদের শ্রীললিতা, 
(৩) উজ্জ্বলানন্দদের শ্রীবিশাখা, 
(৪) অৰ্জ্জুনানন্দদের শ্রীচিত্রা, 
(৫) গন্ধর্ব্বানন্দদের শ্রীইন্দুরেখা, 
(৬) বিদগ্ধানন্দদের শ্রীচম্পকলতা, 
(৭) ভৃঙ্গানন্দদের শ্রীরঙ্গদেবী, 
(৮) কোকিলানন্দদের শ্রীতুঙ্গবিদ্যা, 
(৯) দক্ষানন্দদের শ্রীসুদেবী, 
(১০) সনন্দানন্দদের শ্রীঅনঙ্গমঞ্জরী ও 
(১১) বসন্তানন্দদের শ্রীঅনঙ্গমঞ্জরী 

এই একাদশ সখীর কুঞ্জ শ্রীরাধা ও দশ সখী অঙ্গীকার করতঃ কুঞ্জের ইহারা অধিশ্বরী। এই সকল সখীগণ যুগলকিশোরগত প্রাণ এবং শ্রীরাধাকৃষ্ণের সুখকর নির্ম্মল সেবা করিয়া ইহারা সুখী হন। উভয়কুঞ্জের বাহিরে চতুর্দিকে কদলী বন, তাহার বাহিরে পুষ্পবন, তাহার বাহিরে ফলারণ্য, তারপরে ষড়্ঋতু বনাদি, ঋতুযোগ্য ফুল-ফলাদি বৃক্ষে পরিপূর্ণ, ইহা পূর্ব্বেই বর্ণিত হইয়াছে। শ্রীশ্যামকুণ্ডের বায়ুকোণে ‘মানস-পাবন’ নামে মণিমুক্তা নিৰ্ম্মিত ঘাট আছে। এই ঘাটে শ্রীরাধা সখীবৃন্দ-সহ প্রতিদিন নিয়মিত স্নান করেন। এই ঘাট হইতেই মধ্যস্থলের বসন্তানন্দদ কুঞ্জে যাইবার সেতু বিরচিত আছেন। এই তীরস্থিত কুঞ্জাদিতে এবং জলে শ্রীশ্রীযুগলকিশোরের নব নব বিলাসরঙ্গের ও মধুর জলকেলি বিহারের অন্ত নাই। প্রতিদিনের সেই সব নব নব লীলাবিলাসের কথা সহস্রমুখেও বর্ণনার সাধ্য নাই।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৪৫. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori45.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
**(৪৫)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
    *মা জাহ্নবার পালীত পুত্রদ্বয়*
        =================
*🌷পদকর্তা হিসাবেও কানু ঠাকুর উল্লেখযোগ্য কারণ তিনি বহু বৈষ্ণব পদাবলী রচনা করে গিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তাঁর একটি পদাবলী আস্বাদন করুন।*
*🍀দয়া করো মোরে নিতাই দয়া করো মোরে।*
*🍀অগতির গতি নিতাই সাধু লোকে বলে।।*
*🍀জয় প্রেমভক্তিদাতা পতাকা তোমার।*
*🍀উত্তম অধম কিছু না কৈলে বিচার।।*
*🍀প্রেমদানে জগজীবের মন কৈলা সুখী।*
*🍀তুমি তো দয়ার ঠাকুর আমি কেনে দুঃখী।।*
*🍀কানুরাম দাস বোলে কি বলিব আমি।*
*🍀এ বড় ভরসা,মোর ঠাকুর হও তুমি।।*
*🌹মা জাহ্নবার দ্বিতীয় পালিত পুত্রের প্রসঙ্গ করতে গেলে বংশীবদন ঠাকুরের কিছু বৃত্তান্ত না দিলে প্রকৃত হৃদয়ঙ্গম করা যাবে না। শ্রীগৌর পার্ষদ শ্রীবংশীবদনের পিতৃদেবের নাম শ্রীমধব চট্টোপাধ্যায় এবং মাত‍্যদেবীর নাম শ্রীমতী সুশীলা দেবী। মহাপ্রভুর বাল‍্যসঙ্গী ছিলেন এই বংশীবদন ঠাকুর এবং বাল‍্যকাল হতেই উভয়ের মধ্যে সুমধুর প্রীতির সম্পর্ক গড়ে উঠে।পরে মহাপ্রভু যখন সন্ন‍্যাস নিয়ে চলে যান তখন বংশীবদন ঠাকুর তাঁর সঙ্গকামনা করেছিলেন কিন্তু মহাপ্রভু তাঁকে নিষেধ করে বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী এবং শচীমাকে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বভার অর্পণ করে বলেছিলেন=*
*🌷মাতা আর বিষ্ণুপ্রিয়া রহিলা ঘরেতে।*
*🌷এ দুয়ের রক্ষা করো বিশেষ রূপেতে।।*
*🌷তোমার সঙ্গেতে সদা রহিবে ঈশান।*
*🌷কহিলাম এই আমি তুয়া বিদ‍্যমান।।*
               *(বংশী শিক্ষা গ্রন্থ )*
*অতঃপর মহাপ্রভু তাঁর করকমল ধারণ করে তাঁকে গৃহস্থাশ্রম পালন করতেও অনুরোধ করেছিলেন কারণ এটি বিশেষ তাৎপর্য‍্যপূর্ণ ছিল যা এই পয়ার হতে জানা যাবে=*
*🌷দুই হস্তে ধরি কহেন নিমাই পন্ডিত।*
*🌷বিবাহ রহ যদি চাও মোর প্রীতি।।*
*🌺তারপর আবার বললেন=*
*🍀জ‍্যেষ্ঠা পুত্রবধূ গর্ভে তুমি পুনর্বার।*
*🍀দুইরূপে আবির্ভাব হইবে আবার।।*
*🍀সেই দুই জন্মে তুয়া সঙ্গে গৌড়দেশে।*
*🍀করিব ব্রজের লীলা কহিনু বিশেষে।।*
*🍀এবে এই কথা তুমি না কহ কাহারে।*
*🍀দুই কর ধরি তুয়া কহি বারে বারে।।ঐ।।*
*🌹এছাড়াও করুণার অবতার মহাপ্রভু একই রাত্রে বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী এবং বংশীবদন ঠাকুরকে স্বপ্নদান করে বললেন,যে নিমগাছতলায় শচীমা তাঁকে স্তন‍্য পান করিয়েছিলেন সেই বৃক্ষ হতে মহাপ্রভুর বিগ্রহ তৈরী করে সেবাপূজা করতে, কারণ তিনি  তাতেই প্রকট হবেন।আশ্চর্য‍্যের বিষয় এই যে একই রাত্রে পৃথক ঘরে উভয়ে একই স্বপ্ন দর্শন করে সকালবেলা রোদন করতে লাগলেন এবং ভাস্কর দ্বারা দুইটি শ্রীবিগ্রহ তৈরী করিয়ে সেবা পূজার প্রবর্তন করেন।এই স্বপ্নের প্রসঙ্গ কি সুন্দর ভাবে বংশী শিক্ষা গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছেন তা শুনুন।*
*🌹তবে স্বপ্নযোগে কন দুইজনে।*
*🌹মিছা কেন কাঁদ সদা আমার বিহনে।।*
*🌹আমার আদেশ এই করহ শ্রবণ।*
*🌹যে নিম্বতলায় মাতা দিলা মোরে স্তন।।*
*🌹সেই নিম্ববৃক্ষে মোর মূর্তি নির্মাইয়া।*
*🌹সেবন করহ তাঁর আনন্দিত হইয়া।।*
*🌹সেই দারু মূর্তি মধ্যে হবে মোর স্থিতি।*
*🌹এ লাগি সেরূপে তার পাইবে প্রতীতি।।*
*🌻শ্রীবিগ্রহদ্বয়ের একটি এখনও শ্রীধাম নবদ্বীপে বিরাজমান এবং অপরটি নদীয়া জেলার অন্তর্গত বিল্ব গ্রামে প্রতিষ্ঠিত আছেন।*
*🌳অতঃপর বংশীবদন হাড়াই পন্ডিতের কনিষ্ঠ পুত্র শ্রীমান চন্দ্রশেখর পন্ডিতের কন‍্যা শ্রীমতী পার্বতী দেবীর পাণিগ্রহণ করেন এবং এই বিয়ের ফলে তাঁদের দুইটি পুত্র সন্তান লাভ হয় যাঁদের নাম শ্রীচৈতন‍্য দাস ও নিতাই।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*না ভজিলে যেবা ভজে,স্নেহে তার মন মজে,*
   *জনক জননী যথা ভজে শিশু সবে।*
*স্নেহ সুধা হৃদে ভরা,সন্তানেরে পালে তার,*
   *শিশুরা না পারে কভু সেবিতে সেভাবে।।*
*নাহি জাগে ভোগ ইচ্ছা,পূর্ণ যার সব বাঞ্জা,*
   *অকৃতজ্ঞ মানি তারে যেন মূঢ়মতি।*
*আমি যে গো ভক্তিডোরে,রহি বাঁধা চিরতরে,*
   *নাহি হই বীতরাগ কভু ভক্ত প্রতি।।*
*একিষ্ঠ হয়ে মন,ভজে মোরে যেই জন,*
   *তার প্রতি রহে মোর করুন হৃদয়।*
*কৃপা সুধা বরিষণ,করি তারে অনুক্ষণ,*
   *সাধনায় সিদ্ধি তার জানিও নিশ্চয়।।*
        🙌🙌🙌🙌🙌🙌
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৪৪. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori44.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
**(৪৪)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
  *মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
  <><><><><><><><><><><>
*🪷দয়ালপ্রভু নিতাইচাঁদ পত্নীর এই অকাল মৃত‍্যুতে ব‍্যথিত হয়ে বারো দিনের বয়স্ক সেই শিশু সন্তানটিকে নেজ কোলে করে তাঁর শ্রীপাট খড়দহে নিয়ে আসেন যা বৃন্দাবন দাস ঠাকুর বিরচিত "শ্রীচৈতনচন্দ্রোদয়" গ্রন্থে পাওয়া যায়।যথা=*
*🌷দ্বাদশ দিনের হইলে আমার প্রভু লইয়া গেলা।*
*🌷যত্ন করি পুত্র ভাবে পালন করিলা।।*
*🌹এইভাবে শিশু সন্তানটিকে খড়দহে নিয়ে এসে নিত‍্যানন্দ প্রভু মা জাহ্নবার হাতে সমর্পণ করেন এবং তিনিই তাঁকে অপত‍্যস্নেহে বা নিজপুত্রস্নেহে লালন পালন করেন এবং "শিশু কৃষ্ণদাস" এই নামকরণ করেন এবং পরে তাঁকে দীক্ষাদানও করেন। মা জাহ্নবা তিনবার ব্রজধামে গমন করেছিলেন এবং এই তৃতীয় যাত্রায় গমন করে তিনি কাম‍্যবনে প্রকট লীলা সাঙ্গ করেন।একবার মা জাহ্নবা এই শিশু কৃষ্ণদাসকে বাল‍্যকালে শ্রীধাম বৃন্দাবন নিয়ে যান এবং কৃষ্ণভক্ত এই বালকটি শ্রীমদনমোহনের মন্দির প্রাঙ্গণে মদনগোপালের আবেশে নূপুর পরে নৃত্য করে তদানীন্তন বা তখনকার ব্রজবাসীগণকে মধুর মুরলী ধ্বনিতে মুগ্ধ করে দেন এবং সেইদিন সেইক্ষণে শ্রীজীব গোস্বামীপাদও তা দর্শন ও শ্রবণ করে এই বালকের ভবিষ্যৎ জীবন সম্বন্ধে অনেক আশা পোষণ করেছিলেন।এই প্রসঙ্গটি শ্রীপাদ বৃন্দাবন দাসঠাকুর তাঁরই রচিত "চৈতন‍্যচন্দ্রোদয়" গ্রন্থে কিভাবে লিপিবদ্ধ করেছেন আস্বাদনের জন্য দেওয়া হল।*
*🌷কিশোর বয়স যখন তখন বৃন্দাবনে।*
*🌷মহা অনুভব তার দেখিয়াছি নয়নে।।*
*🌷সঙ্কীর্তনে অদ্বিতীয় মদন গোপাল।*
*🌷মণিহার কন্ঠে শোভে দোলে বনমাল।।*
*🌷মুরলীর রবে সভার হরিলেন চিত।*
*🌷ব্রজবাসী বলে কানাই হইল প্রতীত।।*
*🌷শ্রীজীব গোস্বামী আদি ব্রজবাসীগণ।*
*🌷দেখিয়া তাহার রূপ করিলা স্তবন।।*
*🌷সেই হতে নাম হইল শ্রীকানু ঠাকুর।*
*🌷কি আর বলিব তাঁর মহিমা প্রভুর।।*
*🌻বালকের এই অত‍্যদ্ভূদ্ ভাববিকার লক্ষ্য করে শ্রীজীব প্রমুখ বৈষ্ণব মহান্তগণ তাঁকে "উজ্জ্বল গোপাল" উপাধিতে ভূষিত করলেন। ব্রজে এইরকম একদিন নৃত্য করবার সময় হঠাৎ তাঁর ডান চরণের নূপুর হারিয়ে যায় কিছুতেই তা খুঁজে পাওয়া যায় না।এই সময় তিনি ভাবাবেশে তিনি বলেন যে জায়গায় এই নূপুর পড়েছে তা আমি জানি এবং আমি সেই জায়গায় গিয়ে শ্রীপাট স্থাপন করব।ইহা দ্বারা তিনি ইঙ্গিতে এইই বুঝাতে চাইলেন যে তাঁর পূর্বপুরুষ সেবিত প্রাণবল্লভ বিগ্রহ যে জায়গায় আছেন সেই বোধখানায় তিনি তাঁর শ্রীপাট স্থাপনা করবেন। এই "বোধখানা" হচ্ছে যশোহর জেলার অন্তর্গত এবং এটি হচ্ছে তাঁদের আদি পূর্ব পুরুষের বাসস্থান যদিও তাঁর পিতা "সুখসাগরে" শ্রীপাট স্থাপনা করেছিলেন।*
*🌹কথিত আছে কানু ঠাকুর তাঁর শেষ জীবনে সকলের অজ্ঞাতে বোধখানা ত‍্যাগ করে মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত গড়বেতা গ্রামে এক পর্ণকুটীরে থেকে কঠোর সাধন ভজনে নিজেকে সমাহিত রাখতেন। এই সময় একদিন শীলাবতী নদীতে স্নান করবার সময় এক মৃতদেহ তাঁর পাদস্পৃষ্ট হয় এবং তিনি তা উঠিয়ে দেখেন তা এক সুন্দর ব্রাহ্মণ কুমারের প্রাণহীন দেহ।তখন তিনি সেই মৃতের কর্ণে মহামন্ত্র প্রদান করতেই মৃতদেহে প্রাণ সঞ্চার হয় এবং পুনর্জন্ম লাভ করে সেই ব্রাহ্মণ কুমার পূর্বস্মৃতি ফিরে পান এবং নিজ বংশ পরিচয় প্রদান করেন। বলেন যে তাঁর আদি নিবাস বাঁকুড়া জেলার গড়সিমলাপাল গ্রামে। হঠাৎ কোন ব‍্যাধিতে তাঁর মৃত‍্যু হওয়ায় তাঁর আত্মীয়স্বজন দাহ না করেই নদীর জলে ভাসিয়ে দেন এবং পরে মহৎকৃপা প্রভাবে নবজীবন লাভ করেন। কানু ঠাকুর তাঁকে "রাম" বলে ডাকতেন।পরে এই সংবাদ বাঁকুড়ায় পৌঁছলে তাঁর নিজজনেরা তাঁকে সংসার আশ্রমে ফিরে নিবার জন্য আগমন করেন কিন্তু শ্রীরাম তাঁদের কথায় কর্ণপাত না করে আজীবন কানু ঠাকুরের আনুগত‍্যে থেকে সাধন ভজনের মনোভাব প্রকাশ করেন।অদ‍্যাপি শ্রীরামের বংশধরগণ গড়বেথায় কানু ঠাকুরের পদাঙ্কিত ভূমিতে বসবাস করে সেবাকার্য‍্য চালিয়ে যাচ্ছেন।কানু ঠাকুরের আবির্ভাব যেমন অলৌকিক তাঁর তিরোভাবের সহিতও তেমনি অলৌকিক কাহিনীর ইতিহাস জড়িত।এই সব সিদ্ধ মহাপুরুষগণ নিজেরাই তাঁদের অপ্রকটের দিনক্ষণ সব বুঝতে পারেন। সেই হিসাবে তিনি সব ব্রাহ্মণ বৈষ্ণব মহান্তগণকে নিমন্ত্রণ করে মালসাভোগ আপ‍্যায়িত করেন। নিমন্ত্রিতের মধ্যে কয়েক মূর্তি আম ও কাঁঠাল প্রসাদ পাবার বাসনা প্রকাশ করেন। তখন কিন্তু আম ও কাঁঠালের অসময়। আম ও কাঁঠাল গাছে নাই, তথাপি তিনি তাঁর গুরুদেব মা জাহ্নবাকে স্মরণ করে প্রিয়শিষ‍্য রামকে সঙ্গে করে শীলাবতী নদীর তীরে এক আমের বাগানের দিকে অগ্রসর হন। হঠাৎ শীলাবতী নদীতে বন‍্যা এসে নদীর স্রোত এবং গতি পরিবর্তন করে দেয় যার ফলে এপারের আমবাগান নদীর উপরে হয়ে যায়। মহাশক্তিধর কানাই ঠাকুর তখন সেই খরস্রোতা নদীর উপর তাঁর উত্তরীয় বিছিয়ে শিষ‍্যসহ জলের উপর দিয়ে হেঁটে সেই নদী পার হন এবং পরিশেষে সেই আম বাগানে এসে পৌঁছান।গাছে তখন প্রকৃতির নিয়মে কোন আম কাঁঠাল নাই। কিন্তু সিদ্ধ মহাত্মাগণের ইচ্ছায় সবই সম্ভব হয়। তিনি সেই বৃক্ষের কাছে আম ও কাঁঠাল পাওয়ার মনোবাসনা প্রকাশ করলে বৃক্ষগণ তাঁর আদেশ পালন করে এবং গুরুশিষ‍্য উভয়ে মিলে পর্য‍্যাপ্ত পরিমাণে সুপক্ক আম কাঁঠাল নিয়ে এসে অতিথিগণকে প্রাণ ভরিয়ে সেবা করান।*
*🌼অতঃপর তিনি এই ধরাধাম হতে লৌকিক দেহের অবসান কামনায় ভজনে আবিষ্ট হয়ে পড়েন।সেইদিনটি ছিল শ্রীরাসপূর্ণিমার দিন। ধীরে ধীরে স্মরণ মননের মাধ‍্যমে লীলাসমুদ্রে বিলীন হয়ে যান এবং এইভাবে নিতাই গৌরের এক বিশিষ্ট (অসাধারণ) পরিকরের ভক্তিময় জীবনের পরিসমাপ্তি মাতৃস্নেহে লালিত পালিত তিনি যে বৈষ্ণব জগতের একজন উজ্জ্বল জ‍্যোতিষ্করূপে বৈষ্ণব নভোমন্ডলে বিরাজ করবেন এতে অবাক হবার কিছুই নাই  কিন্তু দুঃখের বিষয় কয়জন ভক্তি জগতের এইসব সুমধুর কথার খবর রাখেন?*
          *(ক্রমাগত)*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৪৩. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori43.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৪৩)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
   *মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
  ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🍀আমরা সাধারণত জানি যে নিত‍্যানন্দ ঘরণী মা জাহ্নবার পুত্র হচ্ছেন বীরচন্দ্র প্রভু কিন্তু তিনি গর্ভজাত সন্তান নন কিন্তু প্রাচীন বৈষ্ণবগ্রন্থ অনুশীলন করলে দেখা যায় যে মা জাহ্নবার দুইজন পালিত পুত্রও ছিলেন এবং ভাগ‍্যবান সেই মহাপুরুষদ্বয়ের নাম হচ্ছে শ্রীকানু ঠাকুর ও শ্রীরামচন্দ্র ঠাকুর। জহ্নবামাতা স্বতঃ প্রণোদিত হয়ে এই দুইজনকে তাঁদের পিতামাতার কাছ হতে ভিক্ষাস্বরূপ গ্রহণ করেন  এবং এই উপলক্ষ্যে সর্বপ্রথম কানুঠাকুরের প্রসঙ্গ করা হবে।*
*🌺মহাপ্রভুর নবদ্বীপ লীলাকালে আমরা প্রাচীন বৈষ্ণব মহান্তগণের মধ্যে সদাশিব কবিরাজের নাম পাই।মহাপ্রভুর লীলায় কীর্তন সঙ্গী হিসাবে, গঙ্গাস্নান সময়ে জলকেলি করবার সময়, চন্দ্রশেখর আচার্য‍্যের গৃহে অভিনয়কালে, পানিহাটীতে দাসগোস্বামীর দন্ডমহোৎসব কালে, ইত‍্যাদি বিভিন্ন প্রসঙ্গে চৈতন্যভাগবত এবং চৈতন‍্যচরিতামৃতে সদাশিব কবিরাজের নাম উল্লেখ পাই।এই সদাশিব কবিরাজের বংশ পরিচয় প্রসঙ্গে কবিরাজ গোস্বামী মহাশয় যে বলেছেন, আস্বাদন করুন=*
*🌷শ্রীসদাশিব কবিরাজ বড় মহাশয়।*
*🌷শ্রীপুরুষোত্তম দাস তাঁহার তনয়।।*
*🌷আজন্ম নিমগ্ন নিত‍্যানন্দের চরণে।*
*🌷নিরন্তর বাল‍্যলীলা করে কৃষ্ণসনে।।*
*🌷তাঁর পুত্র মহাশয় শ্রীকানু ঠাকুর।*
*🌷যাঁর দেহে রয় কৃষ্ণ প্রেমামৃতপুর।।*
*☘অর্থ‍্যাৎ সদাশিব কবিরাজের ভক্তিমান পুত্রের নাম শ্রীপুরুষোত্তম দাস এবং তাঁরই তনয়ের নাম শ্রীকানু ঠাকুর।এই পুরুষোত্তম দাস হচ্ছেন দ্বাদশ গোপালের এক শাখা।বাল‍্যকালে যখন তিনি পিতামাতার সঙ্গে শ্রীধাম বৃন্দাবনে যান তখন তাঁর এক নূতন নামকরণ হয় যা হচ্ছে "স্তোক কৃষ্ণ" অর্থ‍্যাৎ ছোট কৃষ্ণ কারণ পিতা সদাশিব,পুত্রের সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের অনেক মিল থাকায় পুত্রকে কৃষ্ণজ্ঞানে এই জাতীয় নামকরণ করেন।শ্রীধাম বৃন্দাবনের অধীশ্বর হচ্ছেন শ্রীকৃষ্ণভগবান এবং সেই হিসাবে সেই মর্য‍্যাদা বজায় রেখে পুত্রের নাম রাখেন "ছোট কৃষ্ণ" বা "স্তোক কৃষ্ণ"।*
*🍁পুরুষোত্তম দাসের ঘরণীর সঙ্গে নিত‍্যানন্দ ঘরণীর আরও একটি সাদৃশ‍্য বা মিল আছে।কারণ উভয়ের নাম ছিল জাহ্নবা দেবী এবং সদাশিব কবিরাজের শ্রীপাট ছিল "সুখসাগরে" এবং নিত‍্যানন্দপ্রভু এবং মা জাহ্নবা উভয়েই মাঝে মাঝে তাঁদের সুখসাগরের শ্রীপাটে যাতায়াত করবার ফলে উভয়ের মধ্যে সখ্যতা এ হৃদ‍্যতা পরিপূষ্ট হয়। মা বসুধার আত্মজ বা পুত্র বীরচন্দ্রপ্রভু কানুঠাকুর অপেক্ষা কিছু বয়োজ‍্যেষ্ঠ বা বড় ছিলেন।কানু ঠাকুরের জন্ম বৃত্তান্ত এক অলৌকিক কাহিনী।কথিত আছে যে তাঁদের শ্রীপাট সুখসাগরের কাছে এক যোগী মহাপুরুষ বহুদিন হতেই ধ‍্যানস্থ ছিলেন এবং বাল্মিকী মুনির মতো তাঁর দেহ মৃত্তিকায় আবৃত(উই ঢিপির মত) হয়ে গিয়েছিল।জনৈক কুম্ভকার মৃত্তিকা খনন কালে সেই যোগীর কাঁধে আঘাত লাগে এবং তাঁর ফলে তাঁর ধ‍্যানভঙ্গ হয়। তখন তিনি শ্রীপুরুষোত্তমের শ্রীপাটে আতিথ‍্য গ্রহণ করেন।পুরুষোত্তম পত্নী জাহ্নবা দেবীর সেবায় সন্তুষ্ট হয়ে সেই যোগী তাঁকে পুত্রপ্রাপ্তির বরদান করে বলেন যে "মা আমি তোমারই গর্ভে পুত্ররূপে আসিব এবং আমার কাঁধে এই আঘাত চিহ্ন দেখে তুমি আমার সত‍্যতা নিরূপণ করতে পারবে। কিন্তু মা, একথা তুমি কাউকেও বলতে পারবে না কারণ বললেই তুমি আর বাঁচবে না। যথাকালে জাহ্নবা দেবী এক পুত্ররত্ন প্রসব করেন এবং নবজাত শিশুর স্কন্ধে বা কাঁধে সেইরকম আঘাতের চিহ্ন দেখে তিনি পুত্রগর্বে এবং আনন্দে চরম হাসি হেসে উঠেন।ধাত্রী তখন সেই হাসির কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি আনুপূর্বিক(অতীতের কথাগুলি) বৃত্তান্ত তাঁকে বলেন এবং ফলে অকালে মৃত‍্যুমুখে পতিত হন।*
        *ক্রমাগত*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*গুণ তব বর্ণিবারে,কেহ কভু নাহি পারে,*
    *তুমি যে গো দেবশ্রেষ্ঠ স্বরগ মাঝার।*
*অধীন যে সবে মোরা,তুমি বিনে দিশেহারা,*
   *তোমার মহিমা প্রভু অনন্ত অপার।।*
*সত‍্যকথা গুণমণি,আমাদের কহ শুনি,*
  *ভজিলে ভজয়ে নাথ কহ কোনজনা।*
*সেই জন বল কেবা,না ভজিলে ভজে যেবা,*
   *সত‍্য করি কহ প্রভু না করি ছলনা।।*
🦚🦚🦚🦚🦚🦚🪷🦚🦚🦚🦚🦚🦚
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds