শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৪৬. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori46.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৪৬)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
    *মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
   ****************************
*🌷মহাপ্রভু যে কীভাবে অপ্রকটে তাঁর ভক্ত পার্ষদগণকে রক্ষা করতেন তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখা যায় বংশীবদন ঠাকুরের জীবনে। মহাপ্রভুর অপ্রকটের পনের বৎসর পর বংশীবদন লীলা সাঙ্গ করেন এবং সুদীর্ঘ পনের বৎসর তিনি গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর বিরহের অন্তর জ্বালায় জীবন্মৃত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছিলেন। এমনই এক সময়ে করুণাময় মহাপ্রভু ভক্তের কষ্টে বিচলিত হয়ে একদিন স্বপ্নের মাধ‍্যমে বললেন=*
*🍀এই মত কিছুদিন অতীত হইল*।
*🍀একদিন স্বপ্নে গোরা বংশীরে কহিল।।*
*🍀ওহে বংশী এই লীলা কর সম্বরণ।*
*🍀ভুলিয়া গেছ কি মোর সে সব বচন।।*
🍀
*🍀জাগিয়া মনেতে ভাবে শ্রীবংশীবদন।*
*🍀
*🍀স্বপ্নেতে প্রভুর বাক‍্য করিয়া শ্রবণ।*
*🍀জাগিয়া মনেতে ভাবে শ্রীবংশীবদন।।*
*🍀এমন দয়াল প্রভু না দেখি ভূবনে।*
*🍀ভুলিলেও নাহি ভুলে নিজ ভৃত‍্য জনে।।*
*🌹পরদিন সকালবেলা এই সিদ্ধ মহাত্মা পরিবার বর্গকে দেহত‍্যাগের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করেন এবং বাড়ীতে ক্রন্দনের রোল উঠে যায়।এই ভাবে ভীষ্মের ইচ্ছামৃত‍্যুর মতো এই মহাত্মা নিজ গৃহদেবতা শ্রীপ্রাণবল্লভ এবং শ্রীমন্মহাপ্রভুর বিগ্রহের সমক্ষে প্রকট লীলা সাঙ্গ করেন। এবং এইভাবেই বংশীবদনের ভক্তিময় জীবনের অবসান ঘটে।এই সময়ে তাঁর জ‍্যেষ্ঠ পুত্রবধূ অর্থ‍্যাৎ শ্রীচৈতন‍্য দাসের পত্নী এসে শোকে মুহ‍্যমান(বিহ্বল) হয়ে বিলাপ করতে লাগলেন।তিনি বংশীবদন ঠাকুরকে সেবা যত্ন করতেন এবং শ্বশ্রূ ঠাকুরের কাছ হতে দীক্ষামন্ত্রও গ্রহণ করেছিলেন।তখন তিনি তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে কহিলেন "মা তুমি অযথা রোদন করিও না আমি শীঘ্রই পুত্ররূপে তোমার গর্ভে পুনরায় আসছি।" এইকথা শুনে চৈতন‍্য ঘরণী কথঞ্চিৎ(কোনরকমে) শান্ত হলেন কিন্তু তথাপি সারা সংসারে শোকের ছায়া নেমে আসিল।কারণ শ্বশ্রূকুলের এইরকম বংশের গৌরব কয়জনার ভাগ‍্যে ঘটে।আমরা সাধারণত চৈতন‍্যদাস বলতে শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের পিতৃদেবকেই জানি কিন্তু এক্ষেত্রে এই বংশীনন্দন চৈতন‍্যদাসও একজন মহাভাগ‍্যবান গৌরাঙ্গ পরিকর ছিলেন। কালক্রমে একদিন মা জাহ্নবা সুখসাগরে তাদের শ্রীপাটে আগমন করলে চৈতন‍্যদাস এবং তদীয় পত্নী তাঁকে যথাযোগ্য মর্য‍্যাদা সহকারে অভ‍্যর্থনা জানালেন এবং বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তার পর মা জাহ্নবা চৈতন‍্যদাস ঘরণীকে বললেন যে মা তোমার কাছে আমার কিছু প্রার্থনা আছে যদি তা পূরণ করো তবে আমি বড় সুখ পাইব।মা জাহ্নবা তারপর কহিলেন যে "মাগো তোর গর্ভে দুইটি পুত্ররত্ন জন্মগ্রহণ করবে তারমধ‍্যে জ‍্যেষ্ঠ সন্তানটিকে যদি আমায় দিস তাহলে আমি তাকে সন্তানবৎ স্নেহে লালন পালন করব।*
*🌷মাগো তোর দুই পুত্র হবে সর্বোত্তম।*
*🌷জ‍্যেষ্ঠ পুত্র মোরে যদি কর সমর্পণ।।*
*🌷পালিত রূপেতে মাগো তোর পুত্র মুই।*
*🌷গ্রহণ করিতে চাই দিবি কিনা তুই।।*
*🌹তার উত্তরে চৈতন‍্য ঘরণী বললেন=*
*🌷ঠাকুরাণী কহে মাগো কৃপা করো মোরে।*
*🌷দুই পুত্র হইলে জ‍্যেষ্ঠ পুত্র দিব তোরে।।*
*🍀কালক্রমে মহৎ কৃপায় দেবীর একটি পুত্রসন্তান লাভ হইল এবং সর্বত্র সাড়া পড়ে গেল যে বংশীবদন ঠাকুর পুনরায় আবির্ভূত হয়েছেন এবং এই সন্তানকে দর্শন করবার জন্য শ্রীবিষ্ণুপ্রিয়াদেবী পর্য‍্যন্ত নবদ্বীপ হতে সুখসাগরে এসেছিলেন।এছাড়াও মা জাহ্নবা,অচ‍্যুত জননী সীতাদেবী পর্য‍্যন্ত তাঁদের গৃহে শুভবিজয় করেন এই সন্তানটি দর্শন করবার জন্য।মা জাহ্নবা "রাম" নামে তাঁর নামকরণ করলেন এবং বললেন=*
*🌷এই শিশু সর্ব চিত্তে করিবে রমণ।*
*🌷অতএব রাম নাম করিল করণ।।*
*🌷যাইবার কালে তবে সবারে কহিলা।*
*🌷পৌত্ররূপে প্রভু বংশী পুনঃ জনমিলা।।*
*🌻যেহেতু তখনও পর্যন্ত দ্বিতীয় পুত্রের জন্ম হয়নি।মা জাহ্নবা বাৎসল‍্য পরবশ হয়ে তখন আর কিছু বললেন না কিন্তু মাঝে মাঝে সুখসাগরে এসে তাঁর রামাইকে দেখে যেতেন।ক্রমে পাঁচ বৎসর পর চৈতন্যদাস ঘরণীর গর্ভে দ্বিতীয় সন্তান ভূমিষ্ঠ হন এবং যাঁর নাম শ্রীশচীনন্দন। এই সময় যখন দ্বিতীয় পুত্রের জন্ম হল তখন মা জাহ্নবা নারীজাতির সন্তানের প্রতি সহজাত প্রেম ভালবাসা জনিত কারণে সঙ্কোচে জ‍্যেষ্ঠ পুত্রকে ভিক্ষা চাইতে কুন্ঠাবোধ করলেন।এই সময় বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী স্বয়ং আগমন করে তাঁকে সহায়তা করেন এবং মা জাহ্নবা রামাইকে কৃতার্থ করেন। এই সময় বিষ্ণুপ্রিয়া রামচন্দ্রের হাতে তাঁর পদ্মহাত বুলিয়ে আশীর্বাদ করে কহিলেন=*
*🌷ধন‍্য ধন‍্য ধন‍্য তুমি রামাই সুন্দর।*
*🌷তোমা সম ভাগ‍্যবান নাহি পূর্বাপর।।*
*🌷আপনি জাহ্নবা যারে অতি স্নেহ ভরে।*
*🌷শিষ‍্য করি লয়ে যান আপনার ঘরে।।*
*🌻এইরকম আশীর্বাদ বাণী পেয়ে রামাই বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীকে বন্দনা করে পরে বলেছিলেন=*
*🌷চৈতন‍্য বল্লভা তুমি জৎ ঈশ্বরী*।
*তোমার দাসের দাস হইতে বাঞ্জা করি।।*
*🌹এইভাবে রামাইকে সঙ্গে করে মা জাহ্নবা শান্তিপুরে সীতাদেবীর সঙ্গে দেখা করে তারপরে অম্বিকা কালনা-- গৌরীদাস পন্ডিতের শ্রীপাট হয়ে, তারপরে খানাকুলে অভিরাম গোস্বামীর শ্রীপাট হয়ে -- শ্রীখন্ডে নরহরি ঠাকুরের শ্রীপাট দর্শন করে খড়দহে ফিরে আসেন।*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*বিষয় বাসনা যাহা,ত‍্যজিয়া সকলে তাহা,*
   *আসিয়াছ করিবারে আমার ভজন।*
*বিশ্ব মাঝে রহে খ‍্যাতি,গোপীগণ ভক্তিমতি,*
    *তোমাদের মত আর নাহি কোনজন।।*
*কলিযুগ যদি গত,রহি আমি আবির্ভূত,*
  *তথাপি গোপিকা ঋণ নারিব শুধিতে।*
*মহা ঋণে মোরে এবে,আবদ্ধ করিলে সবে,*
   *ইহার মোচন কভু না হবে ধরাতে।।*
           *🙌জয় নিতাই🙌*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds