শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৬২. শ্রীশ্রীবক্রেশ্বর-চরিত 🏵️ শ্রীশ্রীগৌরাঙ্গ পার্ষদ-প্রবর শ্রীমৎ বক্রেশ্বর প্রভুর জীবন চরিত 🙏 রচয়িতা 🙏 শ্রীঅমৃতলাল পাল দাস 🙏 শ্রীমৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/bokreshwar62.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••━❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀━┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀━┅••••* 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
     ꧁ 👇📖 সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী 📖👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
উভয় কুড়শীনামায় (৩৫) পর্যায়ে শ্রীহরিব্যাস বা শ্রীহরিরাম ব্যাস মোহান্তের নামের মিল দেখা যাইতেছে, এবং উভয় কুড়শী- নামাতেই (৩৮) পৰ্য্যায়ে শ্রীনারায়ণ স্বামী মোহান্তের নামেরও মিল আছে ৷ যদি ঐ শ্রীমন্নারায়ণ স্বামীর নিকট শ্রীবক্রেশ্বর পণ্ডিতের বিষ্ণুমন্ত্রে দীক্ষা গ্রহণের কথা সত্য হয়, এবং নিম্বাদিত্য সম্প্রদায় নাম পরিবর্তিত হইয়া" শ্রীবক্রেশ্বরের সময় নিমানন্দ নাম হওয়া প্রকৃত হয়, তাহা হইলে শ্রীনারায়ণ স্বামীর সময় পৰ্য্যন্ত ঐ নিম্বাদিত্য সম্প্রদায়ের নাম প্রচলিত ছিল, অবশ্যই বলিতে হইবে; কারণ তাহা না হইলে আর ঐ পূর্ব্ব-নাম পরিবর্তনে এই নূতন নাম হওয়া সম্ভব হইতে পারে না। কিন্তু অনুরাগবল্লী গ্রন্থের মতে তাহা কোন মতেই হইবার সম্ভাবনা নাই; কারণ তদ্বারা প্রকাশ যে, শ্রীমন্নারায়ণ স্বামীর বহু পূৰ্ব্ব হইতে নিম্বাদিত্য নাম প্রচলিত ছিল না। ঐ প্রামাণিক গ্রন্থখানির মতে ঐ (৩৫ ) পর্য্যায়ে যে হরিব্যাস বা হরিরাম ব্যাস মোহান্ত ছিলেন, তাঁহার সমগ্রেই নিম্বাদিত্য-সম্প্রদায় নাম পরিবর্ত্তিত হইয়া তাহার হরিব্যাসী সম্প্রদায় বলিয়া: আখ্যা হইয়াছিল।
যথা অনুরাগবল্লীতে---
শ্রীনিম্বাদিত্য অনেক শাখা উপরান্ত ।
মহা ভাগবত তেঁহো হইলা মহান্ত ॥
সেই হইতে নিম্বাদিত্য সম্প্রদায় বলি।
কথোক সময় হেন মতে গেল চলি ॥
ক্রমে কথোক কাল পাছে শ্রীহরি ব্যাস।
মহান্ত হইলা ভক্তে সুদৃঢ় বিশ্বাস ॥
সেই হৈতে হরিব্যাসী সম্প্রদায় কহে। এট
সংক্ষেপ কহিল বহু বিস্তারিল নহে ॥

শ্রীমহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেব হইতে যে নিম্বাদিত্য সম্প্রদায়ের উৎপত্তি হইয়াছে এবং যাহার প্রবর্তক শ্রীমৎ বক্রেশ্বর পণ্ডিত; ঐ সম্প্রদায় ! ৺হারাধন দত্ত ভক্তিনিধি মহাশয়ের অবলম্বিত শ্রীহরিভক্তি প্রকাশিকা নামক হিন্দি গ্রন্থের মতানুসারে চারিটা আদি সম্প্রদায়ের মধ্যে সনকসম্প্রদায়েরই শাখা বলিয়া বর্ণিত কিন্তু শ্রীমানোহর দাস গোস্বামীর-বিরচিত প্রামাণিক ঐ অনুরাগবলল্লী গ্রন্থমতে নিমানন্দ সম্প্রদায়, আদি, মাধ্বী সম্প্রদায় হইতেই উৎপন্ন বলিয়া লিখিত হইয়াছে। তাহাতে স্পষ্টই লিখিত আছে যে, শ্রীমৎ ঈশ্বরপুরী পর্যন্ত ঐ সম্প্রদায়ের নাম, মোহান্ত শ্রীল শ্ৰীমাধ্বাচাৰ্য্য-প্ৰবৰ্ত্তিত বলিয়া, মাধ্বী সম্প্রদায় নামে কীর্ত্তিত ছিল। পরে যখন মহাপ্রভু শ্রী গৌরাঙ্গদেব ঐ মোহান্ত শ্রীঈশ্বরপুরীর নিকট দীক্ষা গ্রহণ করিয়া ঐ পুরী গোসাঁইকে ও তাহার সম্প্রদায়কে ধন্য করিয়াছিলেন, সেই সময় হইতে মহাপ্রভুর ইচ্ছানুসারেই সম্প্রদায়ের নাম হইল নিমানন্দ সম্প্রদায়। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৫০. নিত‍্যানন্দ প্রভুর পিতা একচক্রাবাসী--হাড়াই পন্ডিত 🚩 নিত‍্যানন্দ প্রভুর শ্বশ্রু ঠাকুর পাঁচ ভাই ছিলেন 🏵️ সংক্ষিপ্ত--স্মৃতিচারণ 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori50.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫০)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
           *সংক্ষিপ্ত--স্মৃতিচারণ*
           •••••••••••••••••••••••••••
*🙏শ্রীরামচন্দ্র প্রভুর স্মৃতিচারণ=*
*💧মহাপ্রভুর একান্ত পার্ষদ এবং বাল‍্যসঙ্গী ছিলেন--বংশীবদন ঠাকুর। মহাপ্রভুর আদেশে তাঁকে বিয়ে করতে হয়।*
*💧নিত‍্যানন্দ প্রভুর পিতা একচক্রাবাসী--হাড়াই পন্ডিত।*
*💧এই হাড়াই পন্ডিতের কনিষ্ঠ পুত্র শ্রীচন্দ্রশেখর পন্ডিত। এই চন্দ্রশেখর পন্ডিতের পত্নী পার্বতী দেবী।*
*💧এই পার্বতী দেবীর সঙ্গে বিয়ে হয় বংশীবদন ঠাকুরের, এই বংশীবদন এবং পার্বতী দেবীর দুইটি সন্তান লাভ হয়। বড় পুত্রের নাম শ্রীচৈতন‍্য দাস ও কনিষ্ঠ পুত্রের নাম নিতাই।*
*💧জ‍্যেষ্ঠ পুত্র চৈতন‍্য দাসের বিবাহিতা পত্নীর নাম পাওয়া যায় না  কিন্তু মহাপ্রভুর বরে তাঁরই গর্ভে ঠাকুর বংশীবদন পুনরায় জন্মরাভ করেন। অর্থ‍্যাৎ চৈতন‍্য দাসের এই বিয়ের পর দুই পুত্র রত্ন লাভ হয়। জ‍্যেষ্ঠ পুত্রের নাম শ্রীরামচন্দ্র প্রভু (বংশীবদন স্বরূপ) কনিষ্ঠ পুত্রের নাম শ্রীশচীনন্দন।*
*💧রামচন্দ্র ষংসার আশ্রম করেননি।বীরচন্দ্রপ্রভু সেহেতু আলোচনা করেন সেবাপূজায় ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে।সেজন‍্য রামচন্দ্র প্রভুর ছোট ভাই শচীনন্দন  পত্নী পুত্রসহ বাঘনাপাড়ায় বাস পরিবর্তন করেন।এই শচীনন্দনের আবার তিনটি পুত্র ছিলেন,রাজবল্লভ, বল্লব ও শ্রীকেদার।বড় রাজবল্লভ ছিলেন অবিবাহিত।তাঁকেই রামচন্দ্র বাঘনাপাড়ার সেবাভার সমর্পণ করেন। কিন্তু তিনি অকৃতদার হওয়ায় তাঁর অপর দুই ভায়ের বংশধর অদ‍্যাপি সেবাপূজা চালিয়ে যাচ্ছেন।*
*🌻তুলনা মূলক পরিচয় ঃ--*
*🌷এক রামচন্দ্র হচ্ছেন=রামচন্দ্র কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য‍্য প্রভুর শিষ্য।*
*🌷এই রামচন্দ্র হচ্ছেন=চৈতন‍্যদাস তনয় এবং যাঁর পিতামহের নাম বংশীবদন ঠাকুর। সেইরকম আবার শ্রীনিবাস আচার্য‍্য প্রভুর পিতৃদেবের নাম শ্রীচৈতন‍্য দাস। এবং এ ক্ষেত্রে বংশীবদন ঠাকুরের পুত্রের নামও হচ্ছে শ্রীচৈতন‍্য দাস।*
*🙏নিত‍্যানন্দ প্রভুর স্মৃতিচারণ।*
*🌻নিত‍্যানন্দ প্রভুর পিতামহ শ্রীসুন্দরামল্ল বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়, কুলীন ব্রাহ্মণ,শান্ডিল‍্য গোত্র।*
*🌻তদীয় পুত্র শ্রীহাড়াই পন্ডিত, মাতা পদ্মাবতী দেবী, নিবাস বীরভূমের একচক্রা গ্রামে।*
*🌻বিবাহ=সূর্য‍্যদাস সরখেলের দুই কন‍্যাকে বিয়ে করেন। প্রথমা বসুধা দেবী ও দ্বিতীয়া জাহ্নবা দেবী। সূর্য‍্যদাস ঘরণীর নাম ভদ্রাবতী দেবী।*
*🌻অর্থ‍্যাৎ নিতাইচাঁদের শ্বশ্রু ঠাকুর মহাশয়ের নাম সূর্য‍্যদাস সরখেল। শ্বশ্রুমাতার নাম ভদ্রাবতী দেবী।*
*🌻নবদ্বীপে মহাপ্রভুর বিবাহে সমস্ত ব‍্যয়ভার করেছিলেন, ভাগ‍্যবান মুকুন্দ সঞ্জয় এবং বুদ্ধিমন্ত খান। সেরকম নিত‍্যানন্দ প্রভুর বিয়েতে সমস্ত ব‍্যয়ভার করেছিলেন ভাগ‍্যবান রাজপুত্র কৃষ্ণদাস হোড়,সাং=বড়গাছি। এবং উদ্ধারণ দত্ত, সাং=সপ্তগ্রাম।*
*🌻নিত‍্যানন্দ প্রভুর শ্বশ্রু ঠাকুর পাঁচ ভাই ছিলেন  ঃ---*
*🌻দামোদর,জগন্নাথ,সূর্যদাস, গৌরীদাস ও কৃষ্ণদাস।*
*🙏বীরচন্দ্র প্রভুর স্মৃতিচারণ।*
*🌹সাধারণতঃ আমরা জানি যে বীরচন্দ্র প্রভুর মা হচ্ছেন জাহ্নবা দেবী। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তা নহে।কারণ তিনি হচ্ছেন বসুধা দেবীর গর্ভজাত সন্তান কিন্তু তিনি মা জাহ্নবার স্নেহ ভালবাসার মাধ‍্যমেই লালিত পালিত হন এবং ভক্তি জগতের সব কিছুই তিনি মা জাহ্নবা মায়ের কাছে হতে পেয়েছিলেন। প্রসঙ্গত জানা উচিত যে বসুধা দেবীর গর্ভে সাতটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করেন এবং প্রতিবারেই অভিরাম ঠাকুর এসে দন্ডবৎ প্রণাম করার ফলে সেই প্রণামের তেজ সহ‍্য করতে না পেরে পরপর সাতটি সন্তানের অকাল প্রয়াণ হয়। একথা প্রেমবিলাস গ্রন্থে লেখা আছে।*
*🌷প্রথমে নিত‍্যানন্দের সাত পুত্র হইল।*
*🌷অভিরামের প্রণামে  সাতজন মৈল।।*
*🍀অতঃপর পঞ্চদশ মাস বসুধা মাতার গর্ভে অবস্থান করে ১৪৫৭ শকাব্দের (১৫৩৬ খৃষ্টাব্দে) অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লা চতুর্থী তিথিতে বীরচন্দ্র প্রভু আবির্ভূত হন।সকলেই এই বালকের রূপরাশি এবং তেজ পরিদর্শন করে মহাপ্রভুর দ্বিতীয় অবতাররূপে গ্রহণ করেন।তারপর এই খবর পেয়ে অভিরাম ঠাকুর পুত্রদর্শন মানসে আগমন করলেন।বসুধামাতা এবং মা জাহ্নবার প্রাণ শিহরিয়ে উঠিল কারণ তাঁর প্রণামেই পরপর সাতটি সন্তানের অকাল বিয়োগ হয়েছে। কিন্তু তবুও তাঁকে প্রণাম হতে বিরত করবার শক্তি হা সাহস কারও নাই। সেইজন‍্য বসুধা মাতা আশঙ্কা সঙ্কুল চিত্তে সন্তানকে জাহ্নবা দেবীর কোলে সমর্পণ করলেন কারণ জাহ্নবামাতা অধিকতর দৃঢ়চেতা ছিলেন। কিন্তু এবার ভাগ‍্যদেবী সুপ্রসন্না।অভিরাম ঠাকুরের প্রণামে বালকের কোন ক্ষতিই হরল না  এবং যা "অভিরাম লীলামৃতে" পাওয়া যায় =*
*🌷নাচিতে নাচিতে তিঁহ বলেন বচন।*
*🌷অপূর্ব প্রসঙ্গ শুন মহান্তের গণ।।*
*🌷যে না দেখেছে গোরা দেখ আরবার।*
*🌷পুনর্বার সেই গোরা বীর অবতার।।*
      🙏🙏🙏🦚🙏🙏🙏
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৪৯. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori49.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৪৯)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
    *মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
     °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
*🍀তব জ‍্যেষ্ঠ পুত্র মোরে দেহ অকাতরে।*
*🍀সেবা সমর্পণ আমি করিব তাহারে।।*
*🌹এই শচীনন্দনের তিন পুত্র সন্তান ছিলেন শ্রীরাজবল্লভ,শ্রীবল্লভ ও শ্রীকেদার।এই জ‍্যেষ্ঠ রাজবল্লভ আবার অকৃতদার বা অবিবাহিত ছিলেন এবং রামচন্দ্র প্রভু তাঁর হাতে বাঘনাপাড়ার সেবাভার সমর্পণ করেন। অদ‍্যাপি মধ‍্যম ও কনিষ্ঠ ভাইয়ের বংশধর কর্তৃক এই সেবা পরিচালিত হচ্ছে।এর পর প্রায় সতের বৎসর রামচন্দ্র ভাই ও ভাইয়ের পরিবারসহ বাঘনাপাড়ায় প্রকট ছিলেন।অতঃপর এই সিদ্ধ মহাত্মা প্রকট লীলা সাঙ্গ করবার মনোবাসনা ব‍্যক্ত করেন এবং ভাইকে বললেন=*
*🌷একদিন শচীরে কহেন প্রভু রাম।*
*🌷এদেহ ছাড়িব মুই পূর্ণ হোক কাম।।*
*🌷কৃষ্ণ বলরামে দেহ যুগল আরাম।*
*🌷মহোৎসব কর আজ পূর্ণ হোক কাম।।*
                    *(বংশী শিক্ষা )*
*অতঃপর শচীনন্দন বড় ভাইয়ের মনোভাব অনুযায়ী নামযজ্ঞের শুভ ব‍্যবস্থাদি করতে উদ‍্যোগী হলেন এবং বিভিন্ন শ্রীপাট হতে বৈষ্ণব মহান্তগণ সকলে সমবেত হলেন।নামযজ্ঞ সমাপনান্তে সকলে নগর সংকীর্তনে বাহির হলেন। তাঁর আরাধ‍্য দেবতা কানাই-বলাইকেও যথাযোগ্য মর্য‍্যাদা সহকারে শোভাযাত্রা করে পরিক্রমান্তে শ্রীঅঙ্গনে প্রত‍্যাবর্তন করলেন।সে রাত্রিটি ছিল বসন্ত কালের শুক্লপক্ষের যামিনী।চন্দ্রের স্নিগ্ধ এবং সুনির্মল কিরণে উৎসব প্রাঙ্গণে যেন অপরূপ সৌন্দর্যের সৃষ্টি হয়েছে।প্রাণের বিগ্রহদ্বয় সিংহাসনের উপর বসে রয়েছেন,সেবকবৃন্দ চামর ব‍্যজন করছেন এবং নাম কীর্তনে উৎসব প্রাঙ্গণ মুখরিত।এমনই একজন পরম শুভলগ্নে রামচন্দ্র প্রভু সেই উৎসব প্রাঙ্গণে এসে সকলের নিকট হতে জনে জনে বিদায় ভিক্ষা করলেন।এ যেন হরিদাসের নির্য‍্যাণের মত সমান কাহিনী। শ্রীবিগ্রহের সামনে করজোড়ে দাঁড়িয়ে থেকে এই মহাপুরুষ অন্তরের ষোলআনা আর্তি নিয়ে অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন এবং শ্রীকৃষ্ণ কর্ণামৃত হতে মহাপ্রভুর অতিপ্রিয় সেই শ্লোকটি পাঠ করতে লাগলেন, যথা=*
*🙏হে দেব দয়িত ভূবনৈক বন্ধো।*
*🙏হে কৃষ্ণ,হে চপল,হে করুনৈকসিন্ধো।।*
*🙏হে নাথ,হে রমণ,হে নয়নাভিরাম।*
*🙏হা-হা-কদানু ভবিতাসি পদং দৃশোর্মে।।"*
*🌹এইরকম বারবার আবৃতি করতে করতে শ্রীবিগ্রহের সামনে বসিলেন এবং নিজনেত্রভৃঙ্গ প্রভুদ্বয়ের চরণযুগলে স্থাপনা করে যেন ধীরে ধীরে অন্তর্মনা হয়ে যেতে লাগলেন। অশ্রু কম্প পুলক কদম্ব ইত‍্যাদি সাত্ত্বিক ভাবভূষণে ভূষিত হয়ে হঠাৎ বলে উঠলেন=*
*🌷শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু কাঁহা দয়াময়।*
*🌷নিত‍্যানন্দপ্রভু কাঁহা সদয় হৃদয়।।*
*🌷রাধাকৃষ্ণ রসরাজ কহিতে কহিতে।*
*🌷বৃন্দাবন প্রাপ্তি হইল নামের সহিতে।।*
                        *(বংশী শিক্ষা )*
*🍀এইভাবে হরিদাসের নির্য‍্যাণের মত এই মহাসাধক,মহাবৈষ্ণব যিনি ঠাকুর বংশীবদনের দ্বিতীয় কলেবর তাঁর প্রকট লীলা সাঙ্গ করলেন। এতদিন পর্যন্ত আমরা রামচন্দ্র বলতে রামচন্দ্র কবিরাজকেই জানতাম কিন্তু বৈষ্ণব জগতে এই রামচন্দ্র নামক যে আর একটি উজ্জ্বল তারকা ছিলেন তা না জানবার জন্য নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে।আশাকরি রামচন্দ্রপ্রভু এই অধমের অজ্ঞানতার জন্য তাকে মার্জনা করবেন।*
*🌹মহাপ্রভুর উত্তরসুরীদের মধ্যে যে কত উজ্জ্বল ভক্তিময় চরিত্র জীবজগতের কাছে অজানা রয়েছে তা ভাবলেও অবাক লাগে।এ যেন সমুদ্রের মত অতল এবং সীমাহীন এবং গভীর, এর অতল জলে যে কত মণিমুক্তা লুকিয়ে আছে তা একমাত্র বিভিন্ন বৈষ্ণবগ্রন্থ  অনুশীলনের দ্বারাই  জানা সম্ভব।মা জাহ্নবা যে দুইটি সন্তানকে প্রতিপালন করেছিলেন তা হতেই বুঝা যায় যে তিনি কে ছিলেন। তিনি যে কাম‍্যবনে শ্রীগোপীনাথ বিগ্রহের মধ‍্যে লীন হয়ে গিয়েছিলেন তার দ্বারাই তাঁর ভগবত্ত্বার পরিচয় অবিসংবাদিতভাবে স্বীকৃত।শ্রীনিবাস জনক চৈতন‍্যদাস নামকও যে আর এক মহাবৈষ্ণব ছিলেন।এক চৈতন‍্যদাস হচ্ছেন শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের পিতা এবং এই চৈতন‍্যদাস হচ্ছেন বংশীবদন ঠাকুরের জ‍্যেষ্ঠ পুত্র।কানু ঠাকুর ও রামচন্দ্র প্রভুর ভক্তিময় জীবন অনুশীলন করলে দেখা যায় যে জন্ম হতেই তাঁদের উভয়ের জীবন নানা অলৌকিক ঘটনার সমাবেশে জড়িত।মা জাহ্নবা তাঁর সূক্ষ্ম দৃষ্টি দ্বারা যে এই দুইটি সন্তানকে প্রতিপালন করেছিলেন তা এতক্ষণে বেশ বুঝা যায় কারণ তিনি ছিলেন মানবীরূপী অনঙ্গমঞ্জরীর স্বরূপ।*
*🙏🙏সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণ🙏🙏*
*🙌শ্রীকানু ঠাকুরের স্মৃতিচারণ।*
*🌹মহাপ্রভুর একান্ত পার্ষদ ছিলেন =সদাশিব কবিরাজ।*
*🌹সদাশিব নন্দন হচ্ছেন=শ্রীপুরুষোত্তম ঠাকুর।*
*🌹শ্রীপুরুষো‍ত্তম নন্দন হচ্ছেন=শ্রীকানু ঠাকুর।*
*🌹শ্রীপুরুষোত্তম হচ্ছেন দ্বাদশ গোপালের একজন।*
*🌹নিত‍্যানন্দ প্রভুর দ্বিতীয় পত্নীর নাম,শ্রীমা জাহ্নবা দেবী।*
*🌹অর্থ‍্যাৎ কানু ঠাকুরের পিতার নাম=শ্রীপুরুষোত্তম ঠাকুর।*
*🌹কানু ঠাকুরের মায়ের নাম=শ্রীমতী জাহ্নবা দেবী।*
*🌹কানু ঠাকুর যে মৃত ব্রাহ্মণ কুমারকে বাঁচিয়েছিলেন তাঁর নাম শ্রীরাম এবং  এই রামের বংশধরগণ অদ‍্যাপি মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত গড়বেথায় কানু ঠাকুরের শ্রীপাটের সেবা পূজা চালিয়ে যাচ্ছেন।*
      🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৪৮. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori48.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৪৮)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
     *মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
     •••••••••••••••••••••••••••••••••••
*🌷সবারে সমান দয়া নাহি আত্মপর।*
*🌷হেন প্রভু না ভজিনু মুই তো পামর।।*
*🌹শ্রীরামচন্দ্র প্রভুর মহিমা লিখে শেষ করা যায় না।তাঁরই আর্তিতে সীতানাথ তাঁকে শান্তিপুরে দেখা দিয়ে শঙ্কর রূপে সেবা করবেন বলে প্রতিশ্রুত ছিলেন এবং এতদিনে তা যেন সফল হতে চলল।একদিন রাত্রিশেষে স্বপ্নে অদ্বৈতাচার্য‍্য আবির্ভূত হয়ে সেই পূর্ব প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দেন এবং প্রত‍্যুষকালে তিনি কানাই বলাই এর পর্ণকুটীরের দরজার কাছে বিল্ব(বেল) বনের মধ্যে এক বৃক্ষতলে গোদুগ্ধ ও আতপচাল দ্বারা মহাদেবের অর্চনা আরম্ভ করেন।ভাগ‍্যবান রামচন্দ্রের অর্চনার সঙ্গে সঙ্গে পার্বতী-মহেশ্বর সশরীরে সেখানে আবির্ভূত হন। অদ‍্যাপি সেই শিবলিঙ্গ গোপেশ্বর নামে বিরাজিত আছেন এবং নিত‍্য কৃষ্ণবলরামের প্রসাদ গ্রহণ করছেন।*
*🍀এর কিছুদিন পরেই জনৈক ভক্ত কানাই-বলাই বিগ্রহের এই সব কাহিনী শুনে একটি অতি সুন্দর মন্দির করে দেন এবং উত্তমরূপে সেবা পূজো চলতে থাকে। কিন্তু একটি জলাশয়ের অভাবে নিত‍্য সেবায় বড়ই কষ্ট হচ্ছিল।প্রভুর এই মনোবাসনা জ্ঞাত হওয়ামাত্র গ্রামবাসীগণ সকলে মিলে একটি বিরাট পুষ্করিণী খনন করেন, তার চারিদিকে আম্রবৃক্ষ রোপন করেন।রামচন্দ্র প্রভু এই জলাশয়ের নামকরণ করেন "যমুনাদীঘি"।*
*🌺মা জাহ্নবার সঙ্গে শ্রীধাম বৃন্দাবন গমন করলেও মা জাহ্নবা আর সশরীরে খড়দহে প্রত‍্যাগমন করেননি কারণ তিনি কাম‍্যবনে শ্রীগোপীনাথ বিগ্রহের শ্রীঅঙ্গে লীন হয়ে গিয়েছিলেন।এই নিদারুণ সংবাদ তিনি নিজমুখে বীরচন্দ্র প্রভুকে জানাতে অপারগ হওয়ায় উদ্ধারণ দত্ত ঠাকুরের মাধ‍্যমে তা জানিয়েছিলেন।সেহেতু নবনির্মিত সেবাপাট (যার নাম বাঘনাপাড়া)হতে তিনি খড়দহে ফিরে যান নাই এবং বাঘনাপাড়ায় থেকে কানাই-বলাই ও শঙ্করের সেবায় দিনাতিপাত করছিলেন।বীরচন্দ্র প্রভুও বাঘনাপাড়ার এইসব মহিমার কথা বিশেষ কিছু জানতেন না এবং ঘটনাচক্রে একজন পরিব্রাজক বৈষ্ণব মহান্তের মাধ‍্যমে তিনি বাঘনাপাড়ার বিগ্রহ সেবা, বৈষ্ণব সেবার পরিপাটির কথা সব অবগত হন।বীরচন্দ্রপ্রভু তখন তাঁর অলৌকিক ঐশী(ঈশ্বরীয়) শক্তির পরীক্ষার্থে এক লীলা প্রকাশ করলেন যার দ্বারা রামচন্দ্র মহিমাই বিস্তৃতি লাভ করে।অর্থ‍্যাৎ বীরচন্দ্রপ্রভু একদিন ১২০০ শত নাড়া বৈষ্ণবকে আদেশ করেন যে তাঁরা যেন গভীর নিশীথে বাঘনাপাড়ায় উপস্থিত হয়ে রামচন্দ্র প্রভুর কাছে প্রসাদ ভক্ষণের বাসনা করেন এবং তদুপরি(তার উপর ) অসময়ে আমের ব‍্যঞ্জন প্রসাদ  পাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন। (এ যেন দুর্য‍্যোধন কর্তৃক দুর্বাসা মুনিকে বনবাসী যুধিষ্ঠিরের কাছে পাঠিয়ে দেবার কাহিনী যা মহাভারতে বর্ণিত আছে।ভক্তগণ অবশ্যই সেই প্রসঙ্গ অবগত আছেন।) এই প্রসঙ্গে প্রাচীন বৈষ্ণব গ্রন্থের কিছু পরিচয় দেওয়া হল।*
*🌷এতেক শুনিয়া সবে আনন্দিত মনে।*
*🌷বারো শত নাড়া তাহা করিল গমনে।।*
*🌷দ্বিতীয় প্রহর রাত্রি সবে নিদ্রা যায়।*
*🌷হেনকালে উত্তরিলা বাঘনা পাড়ায়।।*
*🌷আম্রের ব‍্যঞ্জনসহ দেহ শ্রীপ্রসাদ।*
*🌷শুনিয়া ঠাকুর ভাবে ঘটিল প্রমাদ।।*
*🌷পৌষমাসে আম্র কভু নাহি হয় কদাচন।*
*🌷কেমনে করিব মুই আম্রের ব‍্যঞ্জন।।*
                         *(বংশী শিক্ষা )*
*🍁তখন রামচন্দ্র প্রভু কাতরভাবে কৃষ্ণবলরাম এবং মা জাহ্নবাকে স্মরণ করলেন। ত‍ৎক্ষণাৎ প্রত‍্যাদেশ প্রাপ্ত হলেন। যথা=*
*🌷প্রভুর কাতর বাক‍্য করিয়া শ্রবণ।*
*🌷শ্রীজাহ্নবা কৃষ্ণরাম কহেন তখন।।*
*🌷কিসের ভাবনা রাম করিতেছ মনে।*
*🌷কিসের অভাব আছে তোমার ভবনে।।*
*🌻তখন রামচন্দ্র প্রভু প্রসাদান্ন প্রস্তুতের ব‍্যবস্থা করে গভীর রাত্রে সেই যমুনাতীরে গমন করে আমবৃক্ষের কাছে ফল ভিক্ষা চাইলেন এবং তৎক্ষণাৎ সেইসব বৃক্ষে অপ্রাকৃত সব আম্রফল প্রকাশিত হলেন এবং তিনি আত্মপ্রসাদে অভিভূত হয়ে তাঁর সেবিত বিগ্রহ এবং মাজাহ্নবার জয় দিয়ে আশ্রমে ফিরে এলেন।ভক্তগণ সেই আম্রফল দেখেই রামচন্দ্র প্রভুর জয়গান করতে লাগলেন।তখন সেই গভীর রাত্রে কানাই-বলাই ঠাকুরকে শয‍্যা হতে উঠিয়ে ভোগ সমর্পণ করা হল। সমবেত নাড়াগণ মহানন্দে মহাপ্রসাদ ভক্ষণ করলেন।তখন নাড়া বৈষ্ণবগণ বললেন ঃ--*
*🍀তবে বীর নাড়াগণ প্রেমানন্দে কয়।*
*🍀যৈছে বীর,তৈছে রাম জানিনু নিশ্চয়।।*
*🌹পরে নাড়াগণের মুখে এইসব কাহিনী শুনে বীরচন্দ্রপ্রভু বাঘনাপাড়ায় রামচন্দ্রের সঙ্গে দেখা করতে আসেন এমাতৃ বিরহে উভয়ে ক্রন্দনের মাধ‍্যমে বিশদ বৃত্তান্ত সব অবগত হন যে কিভাবে মা জাহ্নবা কাম‍্যবনে শ্রীবিগ্রহের সঙ্গে লীন হয়ে গিয়েছিলেন,এই প্রসঙ্গে প্রাচীন গ্রন্থে লেখা আছে যে =*
*🌷বীরচন্দ্র প্রভু কন মোদের ভাগ‍্যেতে।*
*🌷মাতা না ফিরিল গৌড়ে জানিহ মনেতে।।*
*🌷ইহা কহি দুই প্রভু হা মাতঃ বলিয়া।*
*🌷কান্দিতে লাগিলা অতি বিলাপ করিয়া।।*
*🌻অতঃপর বীরচন্দ্র প্রভুর আদেশ অনুযায়ী রামচন্দ্র প্রভু তদীয় অনুজ শচীনন্দনকে বাঘনাপাড়ায় বিগ্রহ সেবাভার অর্পণ করতে উপদেশ দান করেন। সেইমত রামচন্দ্র প্রভু ভাই শচীনন্দনকে ফুলিয়া হতে চলে আসার জন্য সংবাদ পাঠান।বড় ভাইয়ের এই আদেশ পেয়ে ছোট ভাই শচীনন্দন সপরিবারে বাঘনাপাড়ায় এসে উপস্থিত হলেন এবং তখন রামচন্দ্র প্রভু তাঁকে বললেন=*
*🌷তব জ‍্যেষ্ঠ পুত্র মোরে দেহ অকাতরে।*
*🌷সেবা সমর্পণ আমি করিব তাহারে।।*
                      *(মুরলী বিলাস)*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*কংসের কৃপায় আজি,হেরিব সে রূপরাজি,*
    *তাঁর অনুগ্রহ মোর ভাগ‍্যের কারণ।*
*চলিতেছি আমি যত,শুভ চিহ্ন হেরি কত,*
    *দরশন মিলিবার ইহাই লক্ষণ।।*
*দূরে যাবে অলক্ষণ,ফিরে পাবে মনোবল,*
     *তখন আমার হবে সফল জীবন।*
*গোলোক বিহারী হরি,লবেন বেদনা হরি,*
    *কহেন আমারে কত সান্ত্বনা বচন।।*
*জগত জীবন তিনি,ভকত নয়ন মণি,*
    *তাঁর মোহন রূপ হৃদে বিরাজিবে।*
*ব্রজভূমি পূণ‍্যভূমি,রজ তার লব চুমি,*
     *ব্রজমণি ব্রজরাজ সদা ধ‍্যানে রবে।।*
🪷🪷🪷🪷🪷🪷🦚🪷🪷🪷🪷🪷🙏
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৬০. নারায়ণ ও কৃষ্ণ (৪) 🏵️ শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর সংক্ষিপ্ত কথন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/mahaprabhu60_16.html


   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৬০)সংক্ষেপ কথন গৌরাঙ্গ প্রভু*
*🌻🌻নারায়ণ ও কৃষ্ণ(৪)🌻🌻*
""""""""""""""""""""""''''''''''''''"""""""""""""""""""""
*🌻রাজা প্রতাপরুদ্র যখন মহাপ্রভু দর্শনের জন‍্য অত‍্যন্ত ব‍্যাকুল,তখন ভক্তগণ গৌরহরির নিকট যাচ্ঞা করে তাঁর প্রসাদী একখানি বস্ত্র (বহির্বাস) নিয়ে রাজা প্রতাপরুদ্রকে দিলেন।রাজা প্রসাদীবস্ত্র পেয়ে সাক্ষাৎ প্রভু-জ্ঞানে তা বক্ষে চেপে ধরলেন। কিন্তু দর্শন উৎকণ্ঠা কমিল না, আরও বেড়ে গেল।তারপর বহু অনুনয়ে মহাপ্রভু প্রতাপরুদ্রের পুত্রের সহিত মিলিত হতে স্বীকৃত হলেন।রাজপুত্র মহাপ্রভু সান্নিধ‍্যে আসিলেন।তার কিশোর বয়স, শ‍্যামল বর্ণ দেখে শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্যদেবের শ্রীকৃষ্ণস্ফুর্তি হল ও পুনঃপুনঃ তাকে আলিঙ্গন করলেন।*
*🌻শ্রীচৈতন‍্যদেবের স্পর্শে রাজপুত্রের দেহে সাত্ত্বিক বিকার দেখা দিল।প্রতাপরুদ্র সেই নিজপুত্রকে আলিঙ্গন করে যেন মহাপ্রভুর সাক্ষাৎ স্পর্শ পেলেন এইরকম অনুভব করলেন। কিন্তু দর্শন উৎকণ্ঠা কমিল না। অনন্তর বর্ধিত হতে লাগল।রথযাত্রার দিন রথে যখন "জগন্নাথ,সুভদ্রা ও বলরাম" আরোহণ করেছেন তখন প্রতাপরুদ্র ঝাড়ু নিয়ে পথ মার্জন করতে লাগলেন।রাজা স্বহস্তে ঝাড়ু সেবা করছেন দেখে মহাপ্রভুর কৃপার উদয় হ'ল। রথ যখন চলতে লাগল তখন রথাগ্রে শ্রীচৈতন‍্যদব উদ্দন্ড নৃত্য করতে লাগলেন।"বলগন্ডি" নামক জায়গায় যখন রথ থামল, তখন মহাপ্রভু ক্লান্ত হয়ে পার্শবর্তী উপবনে গিয়ে বিশ্রাম করতে লাগলেন।মৃদুমন্দ বাতাস বহে শ্রীচৈতন‍্যদেবের শ্রীঅঙ্গের ঘাম শুকোতে লাগল। প্রেমের আবেশে মহাপ্রভু পড়ে আছেন।তখন প্রতাপরুদ্র রাজবেশ ত‍্যাগ করে বৈষ্ণবের বেশে একাকী তপোবনে প্রবেশ করলেন।শ্রীচৈতন‍্যদেব নয়ন মুদে ভূমিতে শয়ন করে আছেন।রাজা প্রতাপরুদ্র অতি ধীরে ধীরে সন্তর্পণে শ্রীচরণ সেবা করতে লাগলেন।পাদসংবাহন করতে করতে রাজা প্রতাদরুদ্র ভাগবতের গোপী-গীতার শ্লোক আবৃত্তি করতে লাগলেন।যখন "তব কথামৃতং তপ্তজীবনং" এই শ্লোক পড়লেন, তখন মহাপ্রভু "ভুরিদা-ভুরিদা" বলে প্রেমাবেশে বৈষ্ণব বেশে রাজা প্রতাপরুদ্রকে আলিঙ্গন করলেন।মহাপ্রভুর আলিঙ্গন পেয়ে ন্রভুর কৃপা পেয়ে রাজা প্রেমের সাগরে ভাসতে লাগলেন।*
🙌🙌🙌🙌জয় শ্রীচৈতন‍্যদেবের জয়🙌🙌
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৫৯. নারায়ণ ও কৃষ্ণ (৩) 🏵️ শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর সংক্ষিপ্ত কথন ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/mahaprabhu59.html


   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫৯)সংক্ষেপ কথন গৌরাঙ্গ প্রভু*
*🙏🙏নারায়ণ ও কৃষ্ণ🙏🙏*
#####################
*🌻তাঁর জ‍্যেষ্ঠ পুত্র আমারই অগ্রজ।সেই সন্ন‍্যাসী হয়েছিলেন।বিশ্বরূপের কথা বলা হয়েছে।সেখান হতে গৌরহরি কৃষ্ণবেন্না তীরে এসে কৃষ্ণকর্ণামৃত পাঠ শুনে এই গ্রন্থ লিখিয়ে নিলেন।তারপর গৌরসুন্দর তাপী নদীতে স্নান করে মাহিষ্মতিপুর হয়ে নর্মদার তীরে তীরে ধনুতীর্থ ও ঋষ‍্যমুক গিরি দর্শন করলেন। সপ্ততাল বৃক্ষ দেখে মহাপ্রভু আলিঙ্গন করলেন।অমনি সপ্ততাল অন্তর্ধান করলেন। শূন‍্যস্থান দেখে সকলে বিস্মিত হলেন।সকলে জানলেন প্রভু গৌরহরিই শ্রীরামচন্দ্রের অবতার।গৌরসুন্দর পম্পা সরোবরে অবগাহন করে পঞ্চবটী ; নাসিক দর্শন করলেন। অতঃপর সকলে ব্রহ্মগিরি আসিলেন।সপ্ত গোদাবরী দর্শন করে পুনরায় বিদ‍্যানগরে উপনীত হলেন। রামানন্দ রায়কে নীলাচলে আসতে আদেশ করে শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্যদেব আলালনাথে আসিলেন।কৃষ্ণদাসকে পুরী পাঠিয়ে খবর দিলেন। জগদানন্দ, দামোদর পন্ডিত, মুকুন্দ সকলে ছুটে আসিলেন।গৌরহরি সার্বভৌম গৃহে সেইদিন ভিক্ষা করলেন। তারপর ভক্তগণ সঙ্গে তীর্থের কাহিনী বর্ণনা করতে লাগলেন।তারপর হ'তে শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্যদেব রাজপুরোহিত কাশী মিশ্রের ঘরে অবস্থান করলেন। যখন মহাপ্রভু নীলাচলে আসেন,তখন রাজা প্রতাপ রুদ্র কটকে ছিলেন।যখন পুরীতে ফিরে আসেন তখন গৌরসুন্দর দক্ষিণ ভ্রমণে চলে গিয়েছিলেন।রাজা সার্বভৌমকে বললেন,এমন রত্ন পেয়ে ছাড়লেন কেন? সার্বভৌম বললেন, তিনি স্বতন্ত্র ঈশ্বর।তবে তিনি আবার ফিরে আসিবেন বলে গিয়েছেন।সেই থেকে রাজা প্রতাপ রুদ্র মহাপ্রভুকে দর্শন করবার জন্য প্রবল আগ্রহী হলেন, এবং মহাপ্রভু যেন দর্শন দেন জানালেন। শ্রচৈতন‍্যদেব ফিরে আসিলে,সার্বভৌম তাঁর কাছে প্রতাপরুদ্রের দর্শন বাঞ্জা জানালেন।মহাপ্রভু কঠোরভাবে অস্বীকার করলেন, এবং বললেন,সন্ন‍্যাসীর রাজদর্শন নিষেধ।এইরকম অনুরোধ আমাকে করলে আমি শ্রীক্ষেত্র ছেড়ে চলে যাব।পন্ডিত সাবাভৌম রাজাকে মহাপ্রভুর কথাগুলি জানালে,তিনি অতি বেদনার্ত হলেন।খুব খুব দুঃখ করে বললেন, "প্রতাপরুদ্রকে বাদ দিয়ে জগৎ উদ্ধার করতে কি তিনি আবির্ভূত হয়েছেন? মহাপ্রভু প্রতিজ্ঞা করেছেন রাজ-দর্শন করবেন না। রাজা বললেন, ও প্রতিজ্ঞা মহাপ্রভু বিনে প্রাণ ত‍্যাগ করব।*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

adds