✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫১)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
***************************
*🌺অতঃপর বসুধা দেবীর গর্ভে আর একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেন যাঁর নাম "গঙ্গামাতা"।অর্থ্যাৎ নিত্যানন্দ প্রভুর যে সন্তানাদির পরিচয় পাওয়া যায় তা সবই বসুধা গর্ভজাত। মা জাহ্নবার কোন গর্ভজাত সন্তান ছিল না।এই জন্যই মনে হয় তিনি কানু ঠাকুর ও রামচন্দ্যকে পালিত পুত্ররূপে গ্রহণ করেছিলেন যদিও বীরচন্দ্র প্রভু মা হিসাবে জাহ্নবা দেবীকেই জানতেন কারণ বসুধাদেবী সাংসারিক কাজকর্মে বেশী ব্যস্ত থাকতেন।*
*🍀এক্ষেত্রে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আবির্ভাবের সঙ্গে যথেষ্ট সাদৃশ্য আছে কারণ শচীমাতার গর্ভেও পরপর আটটি কন্যা সন্তান এইরকম ভাবে বিনষ্ট হন।নবম গর্ভে বিশ্বরূপ এবং দশম গর্ভে বিশ্বম্ভর গৌরচন্দ্র।এই গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু্ও এয়োদশ মাস মাতৃজঠরে ছিলেন। নিত্যানন্দ প্রভুও মাতৃজঠরে পঞ্চদশ মাস ছিলেন।এই বীরচন্দ্র প্রভুর একটি পুত্র সন্তানের নাম পাওয়া যায় নাম শ্রীরামচন্দ্র। এবং তাঁর দ্বিতীয়া পত্নীর নাম শ্রীমতী সুভদ্রা দেবী।*
*🌻শ্রীপাট খড়দহে কেন?*
********************
*🌺একটি প্রশ্ন সাধারণতঃই মনে জাগে যে নিতাইচাঁদ এত জায়গা থাকতে কেন খড়দহে তাঁর শ্রীপাট স্থাপনা করলেন।কারণ সাধারণত দেখা যায় আদি জন্মস্থান বা পূর্বপুরুষের ভিটা বা কোন সাধনসিদ্ধ স্থলেই সাধারণত এই জাতীয় শ্রীপাট স্থাপিত হয়। এ প্রশ্নের একমাত্র উত্তর হচ্ছে তাঁর একান্ত একনিষ্ঠ পরিকর শ্রীপুরন্দর পন্ডিত। তিনি ছিলেন নিত্যানন্দগতপ্রাণ এবং নিত্যানন্দ প্রভু যখন মহাপ্রভুর আদেশে নাম প্রেম প্রচারের উদ্দেশ্যে গৌড়ে যাত্রা করেন তখন এই পুরন্দর পন্ডিতও তাঁর সঙ্গে ছিলেন এবং এই উপলক্ষ্যে খড়দহে পুন্দর পন্ডিতের গৃহে অবস্থান কালে নিত্যানন্দ প্রভু ভাবে প্রকারে এই খড়দহে শ্রীপাট স্থাপনা করবার বাসনা প্রকাশ করেন।একেই পুরন্দর পন্ডিত নিতাইচাঁদের একান্ত একনিষ্ঠ ভক্ত তার উপরে এই মনোভাব জ্ঞাত হইবামাত্র তিনি সানন্দে সব ব্যবস্থাদি করতে লাগলেন এবং পরে সপ্তগ্রামের উদ্ধারণ দত্ত ঠাকুরের সহায়তায় এই শ্রীপাট খড়দহে স্থাপিত হয়। ভাগ্যবান পুরন্দর পন্ডিতের আনন্দ আর ধরে না কারণ তিনি অবধূত নিত্যানন্দকে স্থায়ীভাবে নিজের কাছে পেয়ে গেলেন। আরও কারণ এইজন্য যে এইবার মহাপ্রভুর বাণী সব সফল হবে।অবধূতকে এতদিনে যেন একটা বন্ধনের মধ্যে আনা গেল।পরে বীরচন্দ্র প্রভু এই শ্রীপাটে শ্যামসুন্দর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন, যা অদ্যাপি বিদ্যমান।*
*🌻নিত্যানন্দ তনয় বীরচন্দ্র প্রভুর দীক্ষা ঃ--*
*🍁নিত্যানন্দ প্রভুর অপ্রকটের কিছুকাল পরে বীরচন্দ্র প্রভুর উপনয়ন হয় এবং বিদূষী মহিলা মা জাহ্নবার কৃপা স্পর্শে তিনি নানা শাস্ত্রেও সুপন্ডিত ছিলেন।আন্দাজ কুড়ি বৎসর বয়সে বীরচন্দ্র প্রভুর দীক্ষার বাসনা জাগ্রত হয় এবং এ বিষয়ে গর্ভধারিণী বসুধা মায়ের কাছে মনোভাব ব্যক্ত করলে তিনি বললেন "বাপ তুমি শাস্ত্রজ্ঞ তুমি যা ভাল বুঝ তাইই করো।*
*🌷ছার মুঞি কি বলিব কিবা জানি কথা।*
*🌷ব্যবহার পরমার্থের কি জানি ব্যবস্থা।।*
*☘বীরচন্দ্র প্রভুর মনের ইচ্ছা তিনি মা জাহ্নবার নিকট হতে দীক্ষামন্ত্র গ্রহণ করেন কিন্তু শাস্ত্রে একপ্রকার নিষেধ আছে, যা হচ্ছে একমাত্র গর্ভধারিণী মা বিধবা হলেও তাঁর কাছ হতে দীক্ষামন্ত্র গ্রহণ করা যায়। সেহেতু তিনি ভাবতে লাগলেন যে মা জাহ্নবার কাছে দীক্ষা গ্রহণ করলে তো শাস্ত্রসিদ্ধ হবে না।অথচ মনের গোপন ইচ্ছে তাঁরই শ্রীচরণে বিকাইবার। সেহেতু মা জাহ্নবার কাছে আর এ মনোবাসনা প্রকাশ করলেন না।অতঃপর তিনি শান্তিপুরে অদ্বৈতাচার্য্যের কাছে দীক্ষমন্ত্র গ্রহণ করতে মনস্থ করলেন এবং ঘনিষ্ঠ আত্মজনের মাধ্যমে তা শান্তিপুরে সীতানাথকে নিবেদন করলেন।*
*🌷বিংশতি বৎসর তান বয়স এখনে।*
*🌷অদীক্ষিত আছেন, গুরু যোগ্যপাত্র বিনে।।*
*🌷তেঞি তব স্থানে মন্ত্র লইবার আশে।*
*🌷নৌকাযোগে আসিছেন তিঁহ প্রেমাবেশে।।*
*🌷প্রভু কহে বীরের এই বুদ্ধি নহে শুদ্ধ।*
*🌷ইহা তাহার নিজগণের সম্মতি বিরুদ্ধ।।*
*🌷মোর কথা কহ যাইয়া বুঝাইয়া ধীরে।*
*🌷জাহ্নবা মাতার স্থানে মন্ত্র লইবারে।।*
*🌻বার্তা বাহকের শান্তিপুর হতে ফিরে আসতে দেরী হওয়ায় বীরচন্দ্রপ্রভু নৌকাযোগে শান্তিপুর রওনা হয়ে যান।স্রোতের অনুকূলে নৌকা চলছে।এমনই এক বার্তাবাহক খড়দহে প্রত্যাগমন করে প্রভুকে না দেখে সব মা জাহ্নবার কাছে বললেন।মা জাহ্নবার গোপন ইচ্ছাটিও এই ছিল কিন্তু সঙ্কোচে তিনি তা প্রকাশ করেননি, কিন্তু এক্ষণে সীতানাথের সিদ্ধান্তে মনে মনে তুষ্ট হয়ে ভাই চন্দ্রশেখরকে আদেশ করেন যে কোন প্রকারে বীরকে ফিরিয়ে আনতে।*
*🌷চন্দ্রশেখরে ডাকি কহিলা তুরিতে।*
*🌷ফিরাইয়া আন বীরে হৈলা বিপরীতে।।*
*🍁চন্দ্রশেখর নৌকা যোগে রওনা হলেন কিন্তু স্রোতের গতিতে প্রভুর নৌকা অনেক এগিয়ে যাওয়ায় কিছুতেই ধরতে পারছেন না। নানাভাবে নানাপ্রকারে প্রভুর নৌকার দৃষ্টি আকর্ষণেও বিফল হলেন। এমনই একসময় মীনকেতন দাস (মতান্তরে অভিরাম দাস) অন্য নৌকা যোগে তাঁর পেছনে আসছিলেন এবং তিনি চন্দ্রশেখরের কাছে সব বৃত্তান্ত জেনে এক অলৌকিক শক্তির প্রকাশ করলেন।যা হতে শ্রোতাভক্তগণ হৃদয়ঙ্গম করতে পারবেন যে সিদ্ধবৈষ্ণব মহান্তগণ কি অসাধ্য সাধন করতে পারেন। মীনকেতন প্রভু তখন তাঁর ঐশী শক্তি দ্বারা গঙ্গাবক্ষে ভাসমান বীরচন্দ্র প্রভুর নৌকাকে বেঁধে ফেললেন এবং তাকে দুইখন্ড করে ফেললেন নৌকাও ডুবে গেল।*
🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸
*নানাকথা চিন্তা করি,চলিছেন রথে চড়ি,*
*অবশেষে বৃন্দাবনে উপনীত হন।*
*ধীরে ধীরে সেইকালে,যায় রহি অস্তাচলে,*
*দিগন্তে রক্তিম আভা অপূর্ব শোভন।।*
*হেরিতে চঞ্চল অতি,নামি তাই দ্রুত গতি,*
*প্রণমিল ভূমি'পরে অক্রূর তখন।*
*পদচিহ্ন ধূলি'পরে, নমি ত্বরা ভক্তি ভরে,*
*অঞ্জলী পূরিয়া ধূলি রাখিল মস্তকে।।*
*রাম কৃষ্ণ দোঁহা সনে,দেখা হইলে সেইক্ষণে,*
*অক্রূর সে দিব্যরূপ হেরে অপলকে।*
*রাম-কৃষ্ণ দুই ভাই,রন তাঁরা এক ঠাঁই,*
*ধবল শ্যামল রূপে বিমোহিত সবে।।*
*অক্রূর সে রূপ হেরি,পুলকেতে ওঠে ভরি,*
*আনন্দাশ্রু ধারা তবে রহিল নয়নে।*
*আপন ভাগ্যের কথা,স্মরণ করিছে সেথা,*
*ভাবে হেন ভাগ্য কারো না হয় ভুবনে*
*বাহু করি প্রসারণ,দিয়া তাঁরা আলিঙ্গন,*
*সমাদরে ল'য়ে তবে আপন ভবন।*
*তারে বসায়ে যতনে,নব রতন আসনে,*
*ব্যজন করিতে থাকে ভাই দুই জন।।*
🌸🙏🪷🦜🦚🌷🌷🦚🪷🦜🙏🌸🦚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
