✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔙 পূর্ব লীলা 👉 ৮৫. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori85.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🆕 👉 ৮৬. শ্রীপাদ্ লোকনাথ গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori86.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৮৬)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*শ্রীপাদ্ লোকনাথ গোস্বামী*
**************************
*🙏আমরা বৈষ্ণব গ্রন্থে শ্রীলোকনাথ গোস্বামীর যে পরিচয় পাই তাতে তাঁকে শ্রীনরোত্তম ঠাকুরের শ্রীগুরুদেব হিসাবেই জানি কিন্তু এই মহাপুরুষের জীবনী প্রসঙ্গ বিশেষভাবে আকর্ষণীয়, কারণ ভক্তি জগতে শ্রীধাম বৃন্দাবনের যে প্রতিষ্ঠা বা পরিচয় জনমানসে প্রতিফলিত তার ভিত্তি স্থাপনের মূলে ছিলেন এই মহাপুরুষ।যদিও বৃন্দাবন ধাম প্রকটের মূলে ষড়্ গোস্বামীর অবদান সর্বাধিক, তথাপি এই নির্জন শ্বাপদসঙ্কুল বনজঙ্গলে শ্রীকৃষ্ণলীলার যে মাধুর্য্য নিহিত ছিল তা প্রকাশ করবার গুরুদায়িত্ব আমাদের মহাপ্রভু সর্বপ্রথম তাঁর উপরই ন্যস্ত করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে সঙ্গী ছিলেন শ্রীভূগর্ভ গোস্বামী। ষড়্ গোস্বামীগণের শ্রীধাম বৃন্দাবনে আগমনের বহু পূর্বে এই দুই মহাপুরুষ শ্রীধাম বৃন্দাবনে পদার্পণ করেছিলেন।*
*💧শ্রীলোকনাথ গোস্বামীর আবির্ভাব ইংরেজি ১৪৮৪ খৃষ্টাব্দে এবং এই হিসাবে মহাপ্রভু অপেক্ষা দুই বৎসরের বড়।তাঁর পিতৃদেবের নাম শ্রীপদ্মনাভ চক্রবর্তী, তাঁরা তিন ভাই ছিলেন।জ্যেষ্ঠ দুই ভাই বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন কিন্তু লোকনাথের বয়স যখন ২৫|২৬ বৎসর হবে,তখন হতেই বৈরাগ্যের তীব্র আকর্ষণ তাঁর মনকে উদাস করে তুলেছিল।একেই বলে পূর্বজন্মের সংস্কার এবং সঙ্গ প্রভাব।সকলের হয় না।বাল্যকালে বিদ্যাশিক্ষার পর তিনি শান্তিপুরে অদ্বৈতাচার্য্যের কাছে ভাগবত পাঠ এবং মহাপ্রভুর সঙ্গে যে বাল্যসঙ্গ প্রভাবে তাঁর মধ্যে নিহিত আবদ্ধ হন। অর্থ্যাৎ এই ভগবদ্ পাঠ এবং গৌরহরির সহিত বাল্যসঙ্গ প্রভাবে তাঁর মধ্যে নিহিত ভক্তি বীজের অঙ্কুরোদ্গম হয়।তখন কিন্তু গৌরহরির মহাপ্রকাশ সঙ্ঘটিত হয় নাই, তিনি বালক বিশ্বম্ভর রূপেই পরিচিত। পরে লোকনাথ যখন যৌবনে পদার্পণ করেন এবং তখন মহাপ্রভুর কৃষ্ণপ্রেমের মাদকতা, শ্রীধাম নবদ্বীপে ধীরে ধীরে প্রকাশ লাভ করতে থাকে। তা শুনে লোকনাথের হৃদয় মন আনন্দে বিভোর হয়ে যায় যে তাঁরই বাল্যসখা আজ কৃষ্ণভক্তির মূর্ত প্রতীক হিসাবে কলির জীবকে এক নবযুগের সন্ধান দিয়েছেন।শ্রীকৃষ্ণকথার লালসা এমনই যে সেই আকর্ষণে চিহ্নিত পুরুষদের অন্তরের মাদকতা তাঁদের চিত্তে স্থৈর্য্যচ্যুতি ঘটায়।এখানে লোকনাথের জীবনেও ভবিষ্যৎ বা ভবিতব্য তাঁকে অদৃশ্য হাতছানি দিয়ে যেন ডাকতে লাগল। কৃষ্ণপ্রেমের ভাববিকার তাঁর বৈরাগ্যে যেন ইন্ধন দান করল, তার ফলে সংসার আশ্রমের উপর তাঁর মোহ কেটে গেল।কৃষ্ণপ্রেমের আকর্ষণী শক্তি এমনই যে বস্তু,যে যাঁদের মন কৃষ্ণ ভজনের জন্য ব্যাকুল হয় তখন বৈরাগ্যের তীব্র আকর্ষণী শক্তি তাঁদের হৃদয় মনকে মথিত করে দেয় এবং পৃথিবীতে এমন কোন শক্তি নেই যে যা তাঁদের বিরত করতে পারে।গৌরহরির প্রধান প্রধান পার্ষদ এবং গোস্বামীগণের মধ্যে পুণ্যচরিতসুধা পর্য্যালোচনা করলে তারই সত্যতা প্রমাণিত হয়।*
*🌻উপমাচ্ছলে বলা যায় যে সপ্তগ্রামের জমিদার রঘুনাথ গোস্বামীর মধ্যে যখন বৈরাগ্যের চরম অবস্থা, তখন টাকা-পয়সা-ধন-দৌলত-ঐশ্বর্য্য, অপ্সরাসম পত্নী যখন তাঁকে তাঁর সঙ্কল্পচ্যুত করতে পারল না তখন তাঁর মা সন্তানকে সংসারে বেঁধে রাখবার বহু চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তখন তাঁর পিতা আক্ষেপ করে বলেছিলেন=*
*🌷দড়ির বন্ধনে তারে রাখিব কেমনে।*
*🌷জন্মদাতা পিতা নারে প্রারব্ধ খন্ডাইতে।।*
*🌻সেইরকম শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ যখন বিবাহান্তে দোলায় করে নবপরিণীতা পত্নীকে নিয়ে স্বগৃহে ফিরছিলেন তখন আচার্য্য প্রভুর একটি কথা শুনে তাঁর অন্তরে তীব্র বৈরাগ্যের আগুন জ্বলে উঠে এবং তিনি সংসার আশ্রম চিরতরে পরিত্যাগ করে আচার্য্য প্রভুর শ্রীচরণতলে চিহ্নিত দাস হিসাবে আশ্রয় গ্রহণ করেন। সুতরাং এই মাদকতা যে কি, কি অসাধারণ যে এই আকর্ষণী শক্তির প্রভাব তা পাঠ করে সংসারী জীব মাত্রেই অবাক বিস্ময়ে হতবুদ্ধি হয়ে যায় এবং নিজেরা যে কত নিম্নশ্রেণীর জীব তা অনুধাবন করতে পারেন।যার ফলে তাঁদের মস্তক এইসব সর্বত্যাগী সাধু বৈষ্ণবগণের চরণতলে স্বতই (নিজে থেকেই ) নত হয়ে যায়।*
*🙏অজানা সেই কৃপা প্রভাবে অগ্রহায়ণ মাসের এক শীতের রাতে কৃষ্ণপ্রেমের ভাব-বন্যায় প্রবাহিত হয়ে লোকনাথ গোস্বামীও মহাপ্রভুর সঙ্গমানসে চিরতরে সংসার ত্যাগ করে নবদ্বীপে এসে উপস্থিত হন। অর্থ্যাৎ মহাপ্রভুর সঞ্চারিত শক্তি প্রভাবে ছুটে আসিলেন সে চিরবাঞ্জিত ধাম নবদ্বীপে। প্রেমের ঠাকুর মহাপ্রভু, কলিযুগের উপাস্য মহাপ্রভু নিজ পরিকর বা পার্ষদকে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেলেন এবং বাহু পসারিয়া প্রেমভরে তাঁকে আলিঙ্গন দান করে তাঁর হৃদয়ের জ্বালা নিবারণ করলেন। বললেন, লোকনাথ আহা কৃষ্ণের কৃপায় হারানো বন্ধুকে আজ আমি আবার ফিরে পেলাম।*
*🌷কহিলা মধুর বাণী,কৃষ্ণ মোর কৃপাখনি,*
*ও বাপ ছুটাইলা সংসার তোমার।*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*যিনি হেন শিষ্য পান,তিনি বহু ভাগ্যবান,*
*তোমাদের কীর্তি কভু ম্লান নাহি হবে।*
*মিলি শিষ্য দোঁহা সম,মনোরথ সিদ্ধ সম,*
*স্বীয় ধামে ভ্রাতৃদ্বয়ে ফিরে যাও এবে।।*
*শ্রীকৃষ্ণের কথা যত,সুমিষ্ট মধুর মত,*
*শুনিলে কহিলে হয় তৃষ্ণা অপগত।*
*হইয়া নিবিষ্ট মন,শোন যত ভক্তজন,*
*অন্তরে প্রশান্তি তবে মিলিবে নিয়ত।।*
🪷🪷🪷🪷🪷🪷🪔🪷🪷🪷🪷🪷🪷
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔜 ক্রমাগত 👉 ৮৭. শ্রীপাদ্ লোকনাথ গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori87.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
