শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

আঞান বেশে মিলন 🖊️লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ আঞান বেশে মিলন  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
***আঞান বেশে মিলন ***

          প্রথম  পদ
গগনে নিরখি বেলা,ছল করি কুটিলা
        রাধার মন্দিরে যায় ধেয়ে।
গিয়া রাধার ভবনে,দেখে সব সখীগণে
       যায় রাধা স্নানের লাগিয়ে।।
** কুটিলমতি কুটিলার মন যেমন হয়,
কুটিল মন নিয়ে কোনদিনই সুকর্ম হতে পারে না,সর্বদা রাধার বদনাম করবার জন্য কুটিলার মন কুটিলতায় ব‍্যস্ত। প্রভাতকাল সবে, হঠাৎ গগন পানে চেয়ে দ‍্যাখে প্রভাত সময়, কুটিলার মন কুটিলতায় পরিপূর্ণ, মনে করল দেখি রাধা কি করছে?রাধার কক্ষে গিয়ে দেখে,সকল সখীগণ সঙ্গে  রাইধনি কথোপকথন করছেন। কোথায় যাবেন? না, অদ‍্য "মকরস্নানের তিথি" এইদিনে অবগাহন করলে আয়ু,যশ,মান সব কিছুরই মঙ্গল হয়। কুটিলার মনে আবার কুটিল ভাব দেখা দিল-----

    *প্রথম পদ দ্বিতীয় অন্তরা*
দুই এক পদ যায়,নন্দালয় পানে চায়
          দেখি মনে সংশয় জন্মিল।
দেখিব কৃষ্ণ কি করে,এত চিন্তি অন্তরে,
          নন্দের মন্দিরে প্রবেশিল।।
** এবারে রাধার কক্ষ হতে মনে সংশয় হল রাধা যখন সখীদের সঙ্গে নিয়ে স্নানে যাচ্ছে তাহলে এই কলঙ্কিণী রাধা ঐ কালার সঙ্গে দেখা করবে!কুটিলা কি করল,না, দুই এক পা এগোতে এগোতে নন্দালয়ের দিকে চলিল,নন্দালয়ের কাছে এসে দেখছে কালা ঘরে আছে কি না, হঠাৎ এক দাসীর সঙ্গে দেখা হলে বলল, কালা আছে? দাসী বললে যমুনায় গেল।

** প্রথম পদ তৃতীয় অন্তরা**

দেখে কৃষ্ণ গেল স্নানে,কুটিলা কূপিত মনে, দাঁড়াইয়া ক্ষণেক ভাবিল।।
* যখন শুনল কালা যমুনায় স্নানে গেল,তখন কুটিলার মন বিষময় হল, রাগে গজ গজ করতে লাগল। আর মনে মনে ভাবতে লাগল, নিশ্চয়ই পোড়ামুখী ঐ কালার সঙ্গে  ফষ্টি নষ্টি করবে।
(আজি ইহার তত্ত্ব লয়ে,শাস্তি দিব দাদারে কয়ে, ভাবি পদ লখিয়া চলিল।।)
* আজ রাধার সব ফষ্টিনষ্টি ঘুচাব, দাদা আঞানকে বলে চরম শাস্তি দেওয়াইব। এই ভাবতে ভাবতে চরতে লাগল।

        প্রথম পদ পরের অন্তরা

তুলসী দেখিল দূরে,ঘন দুটি হাত নেড়ে কুটিলা আসিছে কুঞ্জপানে।নিরখি সভয় চিত,মন্দিরে পশি তুরিত নিবেদিল রাধাকৃষ্ণ স্থানে।। যে কুঞ্জে রাধাকৃষ্ণ কথোপকথন কথন করছিলেন, সেই কুঞ্জের দেখার ভার তুলসীর প্রতি ছিল, কখন কে আসে তার বার্তা দেবার।অদূরে কুটিলাকে দেখিয়া তুলসী লতাদি- বেষ্টিত কুঞ্জে প্রিতম কৃষ্ণের সঙ্গে হাস‍্য-বিলাসরসে মগ্ন হয়েছেন,তা দেখে আনন্দিতা হয়ে তুলসী বললেন, ওগো সখীবৃন্দ! তোমরা যে মহোৎসবের অনুষ্ঠান করছ ভাল কথা, কিন্তু সাবধান! এই অনুষ্ঠান দেখবার জন্য কুটিলমতি কুটিলা অতি ধীর গতিতে গোঠ হতে এইদিকে আসছে। এই কথা শুনে------------

  প্রথম পদে পরের অন্তরা

শুনি বিনোদিনী রাই,কৃষ্ণ মূখ পানে চায়,
        ভয়ে অঙ্গ কাঁপে থরহরি।
সজল নয়নদ্বয়, বিনয়ে কান্তারে কয়
        রক্ষা কর বিপদ কান্ডারী।।
** তুলসীর কথা শুনে সকল সখীগণ বললেন,হায় হায়!এখন কি হবে? কুটিলা আসছে এই কথা শুনে রাইধনির অবস্থা ত্রাহি ত্রাহি, তুলসীকে ইসারা করে বলছে ননদিনী কত দূরে? অদূরে রয়েছে, রাধা তখন কৃষ্ণের মুখপানে চেয়ে বলছেন ওগো বিপদভঞ্জন এখন কি হবে, রক্ষে কর, নইলে আজ আমার অকালে প্রাণ যাবে।

    প্রথম পদ পরের অন্তরা
কৃষ্ণ কন ভয় হেন,কর প্রাণেশ্বরী কেন
       আজি মোর মায়া বিস্তারিব।
আঞান মূরতি হয়ে,এখনি নিকটে গিয়ে,
       কুটিলারে বঞ্চনা করিব।।
তবে রাইয়ে প্রবোধিয়ে,বৃন্দার নিকটে গিয়ে,
      আঞান রূপ করিলা ধারণ।
ভণে দ্বিজ অকিঞ্চন,তার শঙ্কা কি কারণ,
       যার সখা বিপদভঞ্জন।।
** এবারে কৃষ্ণ তুলসীকে ডেকে বললেন, ঐ কুটিলমতি কুটিলাকে কোথায় দেখলে? তুলসী বললেন, ঐ
"সটীকরা"নামধেয় বনের নিকটে আমি দেখেছি।অনুমান করি এতক্ষণ হয়ত কুঞ্জের আশেপাশে চলে এসে হবে।একথা শোনার পর রাধার চরম
অবস্থায় পরিণত হল, রাধার অবস্থা দেখে কৃষ্ণ বললেন,ওগো প্রাণপ্রিয়ে!
তুমি চুপচাপ এখানে থাক, তোমার কোন ভয় নেই,আজ আমি অন‍্য খেলা খেলিব, কি জানো? আমি বৃন্দার কাছে গিয়ে আঞান ঘোষের  বেশ ধারণ করব, কৃষ্ণ যখন আঞান রূপ ধারণ করলেন, এবং আয়ানের কন্ঠ
স্বর বলতে লাগলেন তখন যেন মনে হচ্ছিল সত‍্যই আঞান ঘোষ।কুটিলা যেপথ ধরে কুঞ্জের দিকে আসছিল,
কৃষ্ণ আঞান বেশে সেই পথের চললেন। যেন মনে হল আয়ানই বটে।



*আয়ান বেশে মিলন দ্বিতীয় পদ*
আঞানের বেশে হরি বাহির হইলা।
কুটিলা নিকটে গিয়া তুরিতে ভেটিলা
আঞানের স্বরে তারে বলিছেন বাণী।
কুটিলে বিজন বনে কেন একাকিনী।।
*আঞানের বেশ ধারণ করে কৃষ্ণ কুঞ্জ হতে বাহির হলেন।যেদিক দিয়ে কুটিলা আসছিল কৃষ্ণ সেদিকে চললেন, কুটিলার সঙ্গে দেখা করলেন, দেখা করে বললেন, ভগ্নি কুটিলে! এই সময় তুমি বিজন বনে কেন? কেন তুমি গোঠ হতে বাহির হয়েছে? তখন কুটিলা বলল, দাদা! তোমার সতী বধু রাধার সন্ধানে এখানে এসেছি। কৃষ্ণ বললেন, রাধা কোথায় গেছে? কুটিলা বললে, যমুনায় স্নান করার ছলে এই বনের ভেতরে কোন কুঞ্জে লুকিয়ে আছে। কৃষ্ণ বললেন, সেই রমণী-চোর (কৃষ্ণ) কোথায়?কুটিলা বলল,সেও স্নান করতে এসেছে। মা এইজন‍্য আমাকে তোমার সতী বৌয়ের চরিত্র জানতে এই বনমধ‍্যে পাঠিয়েছে। এখন কি করব বল? 

*দ্বিতীয় পদে দ্বিতীয় অন্তরা*

আমি ভ্রমিতেছি করি বৃষ অন্বেষণ।
তুমি কোন অভিপ্রায়ে কৈলে আগমন
কুটিলা কহিছে,করি বধু অন্বেষণে।।
করিয়ে স্নানের ছলা এসেছে এ বনে
** কৃষ্ণ বললেন, ওরে ভগিনী! আজ আমার এক নবীন বৃষ, হলে যুক্ত করবার সময় হলচ‍্যুত হয়ে কোথায় যে  পালিয়ে গেল, আমি খোঁজ করতে করতে এইদিকে এসেছি।আমার নবীন বৃষ হারিয়ে গেল,এতে আমার হৃদয়ে অতি অল্পমাত্র ব‍্যথা লেগেছে, কিন্তু ঐ রমণী-চোর (কৃষ্ণ)আমার পত্নীর প্রতি লম্পটতায় যে দারুণ ব‍্যথা হৃদয়ে লাগল,তা সহ‍্য করতে পারছি না।হে বুদ্ধিমতি ভগিনী! প্রথমত আমার একটি যুক্তি শোন,

*দ্বিতীয় পদের তৃতীয় অন্তরা*

হরি কহেন মুখে রোষ করিয়া প্রকাশ।
আমি হেথা বসি তুমি করহ তল্লাস।।
যদি কৃষ্ণ সহ তারে একত্রে দেখিবে।
নিকটে না যাবে আসি আমারে ডাকিবে।।
*ভগিনী তুমি আমার কথা শোন,এই কুঞ্জে আমি লুকিয়ে থাকি, তুমি এদিক ওদিক রাধাকে খোঁজ করো,যদি সে কৃষ্ণবিনা একাকিনী থাকে,তাহলে তাকে ছলনা করে এই কুঞ্জে নিয়ে আসবে।

*দ্বিতীয় পদের শেষ অন্তরা*

যদি একাকিনী থাকে ছল প্রকাশিয়া।
আমার নিকটে তারে আনিবে ডাকিয়া
শুনিয়া কুটিলা বড় হরষিত মন।
কুটিলার অন্বেষণ ভণে অকিঞ্চন।।
** আর যদি কৃষ্ণের কাছে থাকে,তাহাহলে আমাকে ডেকে নেবে। আমি দূর হতে সব তার কীর্তিকলাপ দেখবো।এই কথা শুনে কুটিলার মনে ভীষণ আনন্দ হল, যে ঠাকুর যে যে ফুলে তষ্ট হয়,সেই সেই ফুল দিয়ে পূজো করতে হয় তাইনা? এবারে কুটিলা কালিয়-হ্রদ-তট হতে প্রতি কুঞ্জ দেখতে দেখতে কেশিতীর্থ কাছে পুষ্পোদ‍্যানে এসে অমল পরিমলশালিনী, এবং সখী নিষেবিতা কীর্তিদার কীর্তিবল্লী শ্রীরাধাকে দেখতে পেল। (নিষেবিতা= সেবা পরায়ণা)
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

আঞান বেশে মিলন 🖊️লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ আঞান বেশে মিলন  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
***আঞান বেশে মিলন ***

          প্রথম  পদ
গগনে নিরখি বেলা,ছল করি কুটিলা
        রাধার মন্দিরে যায় ধেয়ে।
গিয়া রাধার ভবনে,দেখে সব সখীগণে
       যায় রাধা স্নানের লাগিয়ে।।
** কুটিলমতি কুটিলার মন যেমন হয়,
কুটিল মন নিয়ে কোনদিনই সুকর্ম হতে পারে না,সর্বদা রাধার বদনাম করবার জন্য কুটিলার মন কুটিলতায় ব‍্যস্ত। প্রভাতকাল সবে, হঠাৎ গগন পানে চেয়ে দ‍্যাখে প্রভাত সময়, কুটিলার মন কুটিলতায় পরিপূর্ণ, মনে করল দেখি রাধা কি করছে?রাধার কক্ষে গিয়ে দেখে,সকল সখীগণ সঙ্গে  রাইধনি কথোপকথন করছেন। কোথায় যাবেন? না, অদ‍্য "মকরস্নানের তিথি" এইদিনে অবগাহন করলে আয়ু,যশ,মান সব কিছুরই মঙ্গল হয়। কুটিলার মনে আবার কুটিল ভাব দেখা দিল-----

    *প্রথম পদ দ্বিতীয় অন্তরা*
দুই এক পদ যায়,নন্দালয় পানে চায়
          দেখি মনে সংশয় জন্মিল।
দেখিব কৃষ্ণ কি করে,এত চিন্তি অন্তরে,
          নন্দের মন্দিরে প্রবেশিল।।
** এবারে রাধার কক্ষ হতে মনে সংশয় হল রাধা যখন সখীদের সঙ্গে নিয়ে স্নানে যাচ্ছে তাহলে এই কলঙ্কিণী রাধা ঐ কালার সঙ্গে দেখা করবে!কুটিলা কি করল,না, দুই এক পা এগোতে এগোতে নন্দালয়ের দিকে চলিল,নন্দালয়ের কাছে এসে দেখছে কালা ঘরে আছে কি না, হঠাৎ এক দাসীর সঙ্গে দেখা হলে বলল, কালা আছে? দাসী বললে যমুনায় গেল।

** প্রথম পদ তৃতীয় অন্তরা**

দেখে কৃষ্ণ গেল স্নানে,কুটিলা কূপিত মনে, দাঁড়াইয়া ক্ষণেক ভাবিল।।
* যখন শুনল কালা যমুনায় স্নানে গেল,তখন কুটিলার মন বিষময় হল, রাগে গজ গজ করতে লাগল। আর মনে মনে ভাবতে লাগল, নিশ্চয়ই পোড়ামুখী ঐ কালার সঙ্গে  ফষ্টি নষ্টি করবে।
(আজি ইহার তত্ত্ব লয়ে,শাস্তি দিব দাদারে কয়ে, ভাবি পদ লখিয়া চলিল।।)
* আজ রাধার সব ফষ্টিনষ্টি ঘুচাব, দাদা আঞানকে বলে চরম শাস্তি দেওয়াইব। এই ভাবতে ভাবতে চরতে লাগল।

        প্রথম পদ পরের অন্তরা

তুলসী দেখিল দূরে,ঘন দুটি হাত নেড়ে কুটিলা আসিছে কুঞ্জপানে।নিরখি সভয় চিত,মন্দিরে পশি তুরিত নিবেদিল রাধাকৃষ্ণ স্থানে।। যে কুঞ্জে রাধাকৃষ্ণ কথোপকথন কথন করছিলেন, সেই কুঞ্জের দেখার ভার তুলসীর প্রতি ছিল, কখন কে আসে তার বার্তা দেবার।অদূরে কুটিলাকে দেখিয়া তুলসী লতাদি- বেষ্টিত কুঞ্জে প্রিতম কৃষ্ণের সঙ্গে হাস‍্য-বিলাসরসে মগ্ন হয়েছেন,তা দেখে আনন্দিতা হয়ে তুলসী বললেন, ওগো সখীবৃন্দ! তোমরা যে মহোৎসবের অনুষ্ঠান করছ ভাল কথা, কিন্তু সাবধান! এই অনুষ্ঠান দেখবার জন্য কুটিলমতি কুটিলা অতি ধীর গতিতে গোঠ হতে এইদিকে আসছে। এই কথা শুনে------------

  প্রথম পদে পরের অন্তরা

শুনি বিনোদিনী রাই,কৃষ্ণ মূখ পানে চায়,
        ভয়ে অঙ্গ কাঁপে থরহরি।
সজল নয়নদ্বয়, বিনয়ে কান্তারে কয়
        রক্ষা কর বিপদ কান্ডারী।।
** তুলসীর কথা শুনে সকল সখীগণ বললেন,হায় হায়!এখন কি হবে? কুটিলা আসছে এই কথা শুনে রাইধনির অবস্থা ত্রাহি ত্রাহি, তুলসীকে ইসারা করে বলছে ননদিনী কত দূরে? অদূরে রয়েছে, রাধা তখন কৃষ্ণের মুখপানে চেয়ে বলছেন ওগো বিপদভঞ্জন এখন কি হবে, রক্ষে কর, নইলে আজ আমার অকালে প্রাণ যাবে।

    প্রথম পদ পরের অন্তরা
কৃষ্ণ কন ভয় হেন,কর প্রাণেশ্বরী কেন
       আজি মোর মায়া বিস্তারিব।
আঞান মূরতি হয়ে,এখনি নিকটে গিয়ে,
       কুটিলারে বঞ্চনা করিব।।
তবে রাইয়ে প্রবোধিয়ে,বৃন্দার নিকটে গিয়ে,
      আঞান রূপ করিলা ধারণ।
ভণে দ্বিজ অকিঞ্চন,তার শঙ্কা কি কারণ,
       যার সখা বিপদভঞ্জন।।
** এবারে কৃষ্ণ তুলসীকে ডেকে বললেন, ঐ কুটিলমতি কুটিলাকে কোথায় দেখলে? তুলসী বললেন, ঐ
"সটীকরা"নামধেয় বনের নিকটে আমি দেখেছি।অনুমান করি এতক্ষণ হয়ত কুঞ্জের আশেপাশে চলে এসে হবে।একথা শোনার পর রাধার চরম
অবস্থায় পরিণত হল, রাধার অবস্থা দেখে কৃষ্ণ বললেন,ওগো প্রাণপ্রিয়ে!
তুমি চুপচাপ এখানে থাক, তোমার কোন ভয় নেই,আজ আমি অন‍্য খেলা খেলিব, কি জানো? আমি বৃন্দার কাছে গিয়ে আঞান ঘোষের  বেশ ধারণ করব, কৃষ্ণ যখন আঞান রূপ ধারণ করলেন, এবং আয়ানের কন্ঠ
স্বর বলতে লাগলেন তখন যেন মনে হচ্ছিল সত‍্যই আঞান ঘোষ।কুটিলা যেপথ ধরে কুঞ্জের দিকে আসছিল,
কৃষ্ণ আঞান বেশে সেই পথের চললেন। যেন মনে হল আয়ানই বটে।



*আয়ান বেশে মিলন দ্বিতীয় পদ*
আঞানের বেশে হরি বাহির হইলা।
কুটিলা নিকটে গিয়া তুরিতে ভেটিলা
আঞানের স্বরে তারে বলিছেন বাণী।
কুটিলে বিজন বনে কেন একাকিনী।।
*আঞানের বেশ ধারণ করে কৃষ্ণ কুঞ্জ হতে বাহির হলেন।যেদিক দিয়ে কুটিলা আসছিল কৃষ্ণ সেদিকে চললেন, কুটিলার সঙ্গে দেখা করলেন, দেখা করে বললেন, ভগ্নি কুটিলে! এই সময় তুমি বিজন বনে কেন? কেন তুমি গোঠ হতে বাহির হয়েছে? তখন কুটিলা বলল, দাদা! তোমার সতী বধু রাধার সন্ধানে এখানে এসেছি। কৃষ্ণ বললেন, রাধা কোথায় গেছে? কুটিলা বললে, যমুনায় স্নান করার ছলে এই বনের ভেতরে কোন কুঞ্জে লুকিয়ে আছে। কৃষ্ণ বললেন, সেই রমণী-চোর (কৃষ্ণ) কোথায়?কুটিলা বলল,সেও স্নান করতে এসেছে। মা এইজন‍্য আমাকে তোমার সতী বৌয়ের চরিত্র জানতে এই বনমধ‍্যে পাঠিয়েছে। এখন কি করব বল? 

*দ্বিতীয় পদে দ্বিতীয় অন্তরা*

আমি ভ্রমিতেছি করি বৃষ অন্বেষণ।
তুমি কোন অভিপ্রায়ে কৈলে আগমন
কুটিলা কহিছে,করি বধু অন্বেষণে।।
করিয়ে স্নানের ছলা এসেছে এ বনে
** কৃষ্ণ বললেন, ওরে ভগিনী! আজ আমার এক নবীন বৃষ, হলে যুক্ত করবার সময় হলচ‍্যুত হয়ে কোথায় যে  পালিয়ে গেল, আমি খোঁজ করতে করতে এইদিকে এসেছি।আমার নবীন বৃষ হারিয়ে গেল,এতে আমার হৃদয়ে অতি অল্পমাত্র ব‍্যথা লেগেছে, কিন্তু ঐ রমণী-চোর (কৃষ্ণ)আমার পত্নীর প্রতি লম্পটতায় যে দারুণ ব‍্যথা হৃদয়ে লাগল,তা সহ‍্য করতে পারছি না।হে বুদ্ধিমতি ভগিনী! প্রথমত আমার একটি যুক্তি শোন,

*দ্বিতীয় পদের তৃতীয় অন্তরা*

হরি কহেন মুখে রোষ করিয়া প্রকাশ।
আমি হেথা বসি তুমি করহ তল্লাস।।
যদি কৃষ্ণ সহ তারে একত্রে দেখিবে।
নিকটে না যাবে আসি আমারে ডাকিবে।।
*ভগিনী তুমি আমার কথা শোন,এই কুঞ্জে আমি লুকিয়ে থাকি, তুমি এদিক ওদিক রাধাকে খোঁজ করো,যদি সে কৃষ্ণবিনা একাকিনী থাকে,তাহলে তাকে ছলনা করে এই কুঞ্জে নিয়ে আসবে।

*দ্বিতীয় পদের শেষ অন্তরা*

যদি একাকিনী থাকে ছল প্রকাশিয়া।
আমার নিকটে তারে আনিবে ডাকিয়া
শুনিয়া কুটিলা বড় হরষিত মন।
কুটিলার অন্বেষণ ভণে অকিঞ্চন।।
** আর যদি কৃষ্ণের কাছে থাকে,তাহাহলে আমাকে ডেকে নেবে। আমি দূর হতে সব তার কীর্তিকলাপ দেখবো।এই কথা শুনে কুটিলার মনে ভীষণ আনন্দ হল, যে ঠাকুর যে যে ফুলে তষ্ট হয়,সেই সেই ফুল দিয়ে পূজো করতে হয় তাইনা? এবারে কুটিলা কালিয়-হ্রদ-তট হতে প্রতি কুঞ্জ দেখতে দেখতে কেশিতীর্থ কাছে পুষ্পোদ‍্যানে এসে অমল পরিমলশালিনী, এবং সখী নিষেবিতা কীর্তিদার কীর্তিবল্লী শ্রীরাধাকে দেখতে পেল। (নিষেবিতা= সেবা পরায়ণা)
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

সিদ্ধান্ত কৌমুদি 🖊️লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১꧂

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ সিদ্ধান্ত কৌমুদি ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*শ্রীভগবদ্ ভজন দুই প্রকার।* *প্রথম বিধিমার্গ,দ্বিতীয় রাগমার্গ।* *পাপ অথবা নরক ভয় জন্য অনুরাগ* *শূন‍্য মনে কেবল বেদাদি শাস্ত্র বিধিবলে যে ভজন তাহাই বিধিমার্গ।* *উহা সাধারণ ভক্তের জন্য বিহিত।* *বিধিমার্গের সাধক গুরুদেবের উপদেশ ক্রমে সম‍্যক রূপে* *উহার অনুষ্ঠান করিলে ফল লাভ অর্থ‍্যাৎ পুনঃপুনঃ জননী জঠর যন্ত্রণা হতে মুক্তিলাভ করতে পারে।*কিন্তু রাগশূন‍্য মনে শ্রীকৃষ্ণ ভজন হয় না।* *শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দের ভজনের জন্য অর্থ‍্যাৎ ব্রজরস* *আস্বাদনের জন্য মনের যে ঐকান্তিক* *লালসা তাহাই রাগমার্গ।* *বিধি প্রবর্তিত গুরু প্রণালী অনুসারেই এই* *ভজন করতে হবে।* *মনে রাখতে ভাব বিরুদ্ধ বিধিমার্গের ভক্তের অনুষ্ঠান নহে।* *এরকম ভজনের প্রকৃত অধিকারী দুর্লভ।* *ভক্ত সমাজে ইঁহার স্থান অতি উচ্চে।* *শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দের ভজনে অর্থ‍্যাৎ* *ব্রজরস আস্বাদনে যার প্রকৃত লালসা জন্মে নাই,তিনি যেন ইহাতে বা ইহার আলোচনা পর্যন্তও করতে অভিলাষ না করেন।* *অনধিকারী হতে অগ্রসর হলে অথবা আলোচনা করলে,প্রজ্বলিত অগ্নিতে পতিত পতঙ্গের মতো ভস্মীভূত হয়ে যাবে।* *বলপূর্বক অথবা বিদ‍্যাবলে কেউ এই ভজনে অধিকার লাভ করতে পারে না।*
*যাঁর পূর্ব জন্মে ভজন পূর্ণ হয়ে রয়েছে অথবা এ জন্মে মহতের কৃপা* *হয়েছে তাঁরই শ্রীকৃষ্ণ ভজনের জন্য মহাআর্তি জন্মে।* *তখন সেই* *সাধুর কৃপায় সদ্ গুরুর শ্রীচরণ আশ্রয় করলে শ্রীগুরু সেই অনুগত সাধকের চিত্ত নির্মল করে সখীরূপে* *মঞ্জরীরূপে) এই ভজনাধিকারে প্রবেশ করান।* *কারণ সখী ভিন্ন এই লীলাই অন‍্যের প্রবেশাধিকার নাই।* *রাগমার্গে ভজন দুই প্রকার।* *যথা=রাগাত্মিক ও রাগানুগা।* *সাক্ষাৎ সম্বন্ধে শ্রীভগবৎ সেবনই রাগাত্মিকা।* *ইহাতে ব্রজজনেরই সম্পূর্ণ অধিকার।* *অন‍্যের অধিকার নাই।* *আর সিদ্ধ প্রণালী*
*নিরূপিত শ্রীগুরুরূপা মঞ্জরীর অনুগতা হয়ে যে ভজন, তাহাই রাগানুগা,ইহাতেই জীবের অধিকার আছে।* *রসিক ভক্ত চূড়ামণি শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামীপাদ* *তাঁর নিজকৃত শ্রীচৈতন‍্যচরিতামৃত* *গ্রন্থে বহু শাস্ত্র প্রমাণাদি দ্বারা সর্ববাদী* *সম্মত শ্রীশীরাধাগোবিন্দের ভজন প্রণালী যাহা সিদ্ধান্ত করে রেখেছেন* *তৎসমস্ত ও অন‍্যান‍্য বৈষ্ণব শাস্ত্র সমালোচনা করে আত্ম শুদ্ধির জন‍্য* *এবং ভক্তগণের ভজনের আনুকুল‍্যে রাগানুগা ভজন বিষয়ক* *একাদশটি পদ বর্ণন করতঃ (করে) ভক্তগণকে উপহার প্রদান করলাম*, *ভক্তগণ অনুগ্রহ পূর্বক ঐ পদ কয়েকটি বিশেষরূপে* *সমালোচনা দ্বারা দেখবেন।*  *গ্রহনোপযোগী হয়েছে কিনা*। 
*জয় নিতাই গৌর হরিবল*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

সিদ্ধান্ত কৌমুদি 🖊️লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১꧂

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ সিদ্ধান্ত কৌমুদি ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*শ্রীভগবদ্ ভজন দুই প্রকার।* *প্রথম বিধিমার্গ,দ্বিতীয় রাগমার্গ।* *পাপ অথবা নরক ভয় জন্য অনুরাগ* *শূন‍্য মনে কেবল বেদাদি শাস্ত্র বিধিবলে যে ভজন তাহাই বিধিমার্গ।* *উহা সাধারণ ভক্তের জন্য বিহিত।* *বিধিমার্গের সাধক গুরুদেবের উপদেশ ক্রমে সম‍্যক রূপে* *উহার অনুষ্ঠান করিলে ফল লাভ অর্থ‍্যাৎ পুনঃপুনঃ জননী জঠর যন্ত্রণা হতে মুক্তিলাভ করতে পারে।*কিন্তু রাগশূন‍্য মনে শ্রীকৃষ্ণ ভজন হয় না।* *শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দের ভজনের জন্য অর্থ‍্যাৎ ব্রজরস* *আস্বাদনের জন্য মনের যে ঐকান্তিক* *লালসা তাহাই রাগমার্গ।* *বিধি প্রবর্তিত গুরু প্রণালী অনুসারেই এই* *ভজন করতে হবে।* *মনে রাখতে ভাব বিরুদ্ধ বিধিমার্গের ভক্তের অনুষ্ঠান নহে।* *এরকম ভজনের প্রকৃত অধিকারী দুর্লভ।* *ভক্ত সমাজে ইঁহার স্থান অতি উচ্চে।* *শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দের ভজনে অর্থ‍্যাৎ* *ব্রজরস আস্বাদনে যার প্রকৃত লালসা জন্মে নাই,তিনি যেন ইহাতে বা ইহার আলোচনা পর্যন্তও করতে অভিলাষ না করেন।* *অনধিকারী হতে অগ্রসর হলে অথবা আলোচনা করলে,প্রজ্বলিত অগ্নিতে পতিত পতঙ্গের মতো ভস্মীভূত হয়ে যাবে।* *বলপূর্বক অথবা বিদ‍্যাবলে কেউ এই ভজনে অধিকার লাভ করতে পারে না।*
*যাঁর পূর্ব জন্মে ভজন পূর্ণ হয়ে রয়েছে অথবা এ জন্মে মহতের কৃপা* *হয়েছে তাঁরই শ্রীকৃষ্ণ ভজনের জন্য মহাআর্তি জন্মে।* *তখন সেই* *সাধুর কৃপায় সদ্ গুরুর শ্রীচরণ আশ্রয় করলে শ্রীগুরু সেই অনুগত সাধকের চিত্ত নির্মল করে সখীরূপে* *মঞ্জরীরূপে) এই ভজনাধিকারে প্রবেশ করান।* *কারণ সখী ভিন্ন এই লীলাই অন‍্যের প্রবেশাধিকার নাই।* *রাগমার্গে ভজন দুই প্রকার।* *যথা=রাগাত্মিক ও রাগানুগা।* *সাক্ষাৎ সম্বন্ধে শ্রীভগবৎ সেবনই রাগাত্মিকা।* *ইহাতে ব্রজজনেরই সম্পূর্ণ অধিকার।* *অন‍্যের অধিকার নাই।* *আর সিদ্ধ প্রণালী*
*নিরূপিত শ্রীগুরুরূপা মঞ্জরীর অনুগতা হয়ে যে ভজন, তাহাই রাগানুগা,ইহাতেই জীবের অধিকার আছে।* *রসিক ভক্ত চূড়ামণি শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামীপাদ* *তাঁর নিজকৃত শ্রীচৈতন‍্যচরিতামৃত* *গ্রন্থে বহু শাস্ত্র প্রমাণাদি দ্বারা সর্ববাদী* *সম্মত শ্রীশীরাধাগোবিন্দের ভজন প্রণালী যাহা সিদ্ধান্ত করে রেখেছেন* *তৎসমস্ত ও অন‍্যান‍্য বৈষ্ণব শাস্ত্র সমালোচনা করে আত্ম শুদ্ধির জন‍্য* *এবং ভক্তগণের ভজনের আনুকুল‍্যে রাগানুগা ভজন বিষয়ক* *একাদশটি পদ বর্ণন করতঃ (করে) ভক্তগণকে উপহার প্রদান করলাম*, *ভক্তগণ অনুগ্রহ পূর্বক ঐ পদ কয়েকটি বিশেষরূপে* *সমালোচনা দ্বারা দেখবেন।*  *গ্রহনোপযোগী হয়েছে কিনা*। 
*জয় নিতাই গৌর হরিবল*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

২. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা 🌷 শ্রীকৃষ্ণ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_92.html


    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ ২. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*🌻🌻শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলার গৌরচন্দ্র🌻🌻*।
*গোরা মোর গোকুলের শশী।*
*কৃষ্ণের জনম আজি কহে হাসি হাসি*।।
*আবেশে থির হইতে নারে*।
*ধরি গোপবেশ নাচে উল্লাস-অন্তরে*।।
*নিতাই গোপের বেশ ধরি*।
*হাতে লৈঞা লগুড় নাচয়ে ভঙ্গী করি*।।
*গৌরীদাস রামাই সুন্দর*।
*নাচে গোপবেশে কাঁধে ভার মনোহর*।।
*শ্রীবাস অদ্বৈত গোপবেশে*।
*ছড়ায় হলদি দধি মনের হরিষে*।।
*কেহ কেহ নানা বাদ‍্য বায়*।
*মুকুন্দ মাধব সে জনমলীলা গায়*।।
*করে সুমঙ্গল নারীগণ*।
*শ্রীবাস আলয় যেন নন্দের ভবন*।।
*জয়ধ্বনি করি বারে বারে*।
*ধায় লোক ধৈরজ ধরিতে নারে*।।
*কত সাধে দেখে আঁখি ভরি*।
*শোভায় ভূবন ভুলে ভণে নরহরি*।।
🌻🌻জয় জয় মহাপ্রভুর জয়🌻🌻


*🌻🌻🌻ব্রজলীলা শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব🌻🌻🌻*
*শঙ্খ দুন্দুভি বাজে নাচে দেবগণ*।
*জয় জয় হরিধ্বনি ভরিলা ভূবন*।।
*ভাদ্র কৃষ্ণাষ্টমী তিথি নক্ষত্র রোহিণী*।
*দশদিগ সুমঙ্গল শুভক্ষণ জানি*।।

*🌻বৈবস্বত মন্বন্তরীয় অষ্টাবিংশ চতুর্যুগের দ্বাপরের শেষভাগে ভাদ্রমাসের কৃষ্ণাষ্টমী তিথিতে,মধ‍্যরাতে,দিবস বুধবারে পৃথিবীর ভাগ‍্যে এই শুভ মুহূর্তের উদয় হয়েছিল।* *প্রায় আজ হতে সাড়ে পাঁচহাজার বৎসর পূর্বের কথা*। *রোহিণীনক্ষত্র যোগে কংসের কারাগারে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।* *পক্ষটিও ছিল কৃষ্ণপক্ষ।* *বুধবারে,কৃষ্ণপক্ষে,মধ‍্য্য* *রাত্রে,অষ্টমীতিথিতে,রোহিণীনক্ষত্র যোগে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অবতীর্ণ হন।* *সেইসময় দেবদুন্দুভির আনন্দময় মন্দ্রনাদ**(গভীরধ্বনি)*, *গন্ধর্ব ও কিন্নরগণের শ্রীকৃষ্ণের গুণগান, সিদ্ধ**ও চারণগণের স্তুতি পাঠ,এবং অপ্সরা* *গণের নৃত‍্যকালীন নূপুর বলয়াদির সুমধুর ধ্বনি একত্র মিলিত হয়ে স্থর্গরাজ‍্যে এক আনন্দের মহারোল* *তুলে দিল ও তাতে তেত্রিশকোটি দেবতার শয়নপ্রাসাদ মুখরিত হয়ে উঠিল।* 
*জনমিলা ব্রজপুরে ব্রজেন্দ্রনন্দন*।
*অন্তরীক্ষে করে দেবী পুষ্প বরিষণ*।।
*পঞ্চগব‍্য পঞ্চামৃতে গন্ধাদি সাজায়া*।
*অভিষেক করে দেবী জয় জয় দিয়া*।।

*🌻সকলেই নিদ্রাভঙ্গে ইতঃস্তত (এদিক ওদিক)* *চমকিত দৃষ্টি নিক্ষেপ করে মন্ত্রমুগ্ধের ন‍্যায় আনন্দিত হয়ে অবস্থান করতে* *লাগলেন এবং পরমানন্দে সকলেই নিজ নিজ বাসস্থান ত‍্যাগ করে* *নন্দনকাননে এসে পারিজাত কুসুম*
*চয়ন করে পৃথিবীতে বর্ষণ করতে লাগলেন।* 
*🌻জনমিলা ব্রজপুরে ব্রজেন্দ্রনন্দন🌻*।
 *প্রাতকালে ব্রজবাসীগণ জানলেন যে এই সন্তান যশোদার গর্ভজাত।* *প্রকৃত* *সত‍্য একমাত্র জানেন বসুদেব* *যাইহোক,তারপর পঞ্চগব‍্য,অর্থ‍্যাৎ* *দধি,দুগ্ধ,ঘৃত,গোমূত্র ও গোময় এবং পঞ্চামৃত অর্থ‍্যাৎ দধি,দুগ্ধ,ঘৃত,মধু ও চিনি এবং গন্ধাদি অর্থ‍্যাৎ সুবাসিত তেল,চন্দন,অগুরু ইত‍্যাদি সাজিয়ে জাতকর্ম করলেন।* *আজ কৃষ্ণের রূপ দর্শন করে ব্রজবাসীগণ উলুধ্বনি* *দিয়ে কৃষ্ণের মঙ্গল কামনা করলেন।* 


*অপ্সরা নাচয়ে গান করয়ে গন্ধর্ব*।
*মঙ্গল জয়কার দেয় দেবপত্নী সর্ব*।।
*কত কত কোটি চাঁদ জিনিয়া উদয়*।
*এ দ্বিজ মাধব কহে আনন্দ হৃদয়*।।
*অপরূপ রূপ নিয়ে শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভাব*
*হলেন,স্বর্গ হতে দেবদেবীগণ মঙ্গল জয়কার করতে লাগলেন।* 
      

 🌻দ্বিতীয় পদ পরে🌻
*🌻🌻দ্বিতীয় পদ কৃষ্ণের আবির্ভাব🌻🌻*
*নিদ্রায় অচেতন রাণী কিছু নাহি জানে*
*চেতন পাইয়া পুত্র দেখিল নয়নে*।।

*🌻মা যশোমতী গভীর নিশিতে নিদ্রায় অচেতন হয়ে আছেন,* *ইতিমধ‍্যে কংস কারাগারে চতুর্ভূজ হৈয়া স্বয়ং ভগবান আবির্ভাব হলেন।* *এবং বসুদেব প্রতি কংসের ভয়ে ভগবান নিজেই বললেন,আমায় নন্দালয়ে রেখে এসো।* *তোমাদেরও কোন চিন্তা থাকবে না,আমি সময়মত তোমাদের কাছে যাব।* *অতি চুপিসারে ভগবানের মায়ায় সব স্তব্ধ*  *হয়ে গেল।* *বসুদেব ভগবানের নির্দেশে নন্দালয়ে রাখতে গেলেন,* *এবং মা যশোদার সূতিকা মন্দিরে রেখে এলেন, যশোমতী কিছুই জানতে পারলেন না।* *কারণ ভগবানের আদেশে যশোদার গর্ভে স্বয়ং যোগমায়া প্রবেশ করেছিলেন।* *কৃষ্ণকে যশোদার পাশে রেখে যোগমায়াকে এনে কংস কারাগারে রাখলেন।* *ভোর*
*বেলা চেতন পেয়ে যশোমতী পুত্রমুখ দর্শন করলেন এবং পুত্রমুখ দর্শন করে মহানন্দ লাভ করলেন।*

*ব্রজরাজ বলি রাণী ডাকে ধীরে ধীরে*
*শুনিয়া আইল নন্দ সূতিকা মন্দিরে*
*হরল গেয়ান দেখি আপন তনয়*
*লাখ পূর্ণিমার চাঁদ জিনিয়া উদয়*।।
*🌻মা যশোমতী পুত্রমুখ দর্শন করে মহানন্দ পেলেন বটে, সঙ্গে সঙ্গে নন্দমহারাজকে আহ্বনও করলেন,* *মহারাজ সূতিকা মন্দিরে এলেন,হঠাৎ পুত্রের অঙ্গ হতে চরম জ‍্যোতি দেখে যশোদা মা অচেন হলেন।* *(পুত্রের অঙ্গ হতে যেন কোটি চন্দ্রের জ‍্যোতি নির্গত হয়েছিল)* *তারপর ধীরে ধীরে চেতন ফিরে পেলেন।*

*উপানন্দ অভিনন্দ সানন্দ নন্দন*।
*একে একে আসি সবে ভরিল ভবন*।।
*যে যায় দেখিতে পুনঃ আসিতে না পারে*।
*জগন্নাথ দাস দেখি ধৈরজ না ধরে*।।

*🌻এবারে ধীরে ধীরে অন‍্যান‍্য চারভাই ভবনে এলেন।* *কারণ তাঁরা সকলেই নন্দভবনের আশেপাশে*
*বসবাস করেন,পুত্রসন্তান হয়েছে জেনে সকলেই যশোদাপুত্রকে দর্শন করবার জন্য এলেন।* *নন্দমহারাজের চারভাই নন্দপুত্রের মুখ দর্শন করে আনন্দে আত্নহারা হলেন।* *ব্রজের যারা নন্দপুত্রকে দর্শন করতে এসেছিলেন* *তারাও আনন্দ সিন্ধুতে ডুবে গেলেন।* *গীতকর্তা জগন্নাথ দাস শ্রীকৃষ্ণ বদন দর্শন করে আর নিজে* *ধৈর্য‍্য ধারণ করতে পারছেন না।*

*🌻🌻🌻🌻তৃতীয় পদ 🌻🌻🌻🌻*
*যোগমায়া ভগবতী দেবী পৌণমাসী*
*দেখিলা যশোদা পুত্র নন্দগৃহে আসি*।।
*সভে সাবধান করি যশোদারে কহে*।
*বহু পূণ‍্যফলে এহেন বালক মিলে তোহে*।।
*বহু আশীর্বাদ কৈল হরষিত হৈয়া*
*রূপ নিরখয়ে এক দিঠে চাহিয়া*।।
*যশোদা নন্দন দেখি,আনন্দে পূর্ণিত আঁখি*
        *কৌতুকে নাচে গোপরাণী।*
*তৈল হরিদ্রা পায়,সবে সবার অঙ্গে দেই*
       *হুলাহুলি দিয়া জয়ধ্বনি*।।
*কেহ নাচে কেহ গায়,*
*কেহ নানা বাদ‍্য বাজায়*
*নন্দের আনন্দের নাহি সীমা*।
*উৎসব করয়ে রোলে*
*ঘন ঘন হরি বোলে*
*কি কহিব যশোদার মহিমা।।*

*🌻🌻নন্দমহারাজের গৃহে মহোৎসব শুরু হয়েছে🌻🌻*
*স্বর্গে দুন্দুভি বাজে নাচে দেবগণ*।
*হরি হরি হরিধ্বনি ভরিল ভূবন*।।
*ব্রহ্মা নাচে শিব নাচে আর নাচে ইন্দ্র*।
*গোকুলে গোয়ালা নাচে পাইয়া গোবিন্দ*।।
*নন্দের মন্দিরে রে গোয়ালা আইল ধাঞা*
*হাতে লড়ি কান্ধে ভাড় নাচে থৈয়া থৈয়া।।*
*দধি দুগ্ধ ঘৃত ঘোল অঙ্গনে ঢালিয়া*।
*নাচেরে নাচেরে নন্দ গোবিন্দ পাইয়া*।।
*আনন্দ হইল বড় আনন্দ হইল*।
*এ দাস শিবাইর মন ভুলিয়া রহিল*।।
*🌻🌻🌻 পঞ্চম পদ 🌻🌻🌻*
      *জয় জয় ব্রজ ভরিয়া*
*উপনন্দ অভিনন্দ, সানন্দ নন্দন*
        *পাঁচ ভাই নাচে বহু তুলিয়া*।
*যশোধর যশোদেব,সুদেব আদি গোপসব*
      *আনন্দে নাচয়ে সবে মাতিয়া*
*নাচের নাচেরে নন্দ,সঙ্গে নাচে গোপবৃন্দ*
      *হাতে লড়ি কান্ধে ভাড় করিয়া*
*খেনে নাচে খেনে গায়,সূতিকা মন্দিরে যাই*
        *গীরয়ে বালক মুখ হেরিয়া*
*দধি দুগ্ধ ভারে ভারে,ঢালয়ে আঙ্গিনাপরে*
       *কেহ শিরে ঢালে দধি তুলিয়া*
*লগুড় করিয়া করে,নাচয়ে ধীরে ধীরে*
        *নন্দের জননী বরীয়সী বুড়িয়া*
*যত ব্রজ গোপনারী,জয়কার ধ্বনি করি*
       *আশীষ করয়ে শিশু বেড়িয়া*
*নর্তক বাদক যত,ধাওত শত শত*
         *ধেনু ধায় উচ্চ পুচ্ছ করিয়া*
*ভোর হৈল গোপসব,অপরূপ নন্দোৎসব*
      *এদাস শিবায় নাচ ফিরিয়া*।।

*🌻🌻🌻বিরাম পদ🌻🌻🌻*
*সূতিকা মন্দিরে যাইয়া আনন্দে বলাই*
*দু'নয়নে ধারা বহে ভাইপানে চাই*
*যশোমতী ধরিয়া দক্ষিণ কোলে নিল*
*বসিয়া রাণীর কোলে দোলিতে লাগিল*
*ভায়ের চাঁদমুখ পানে একদিঠে চাই*
*আধ আধ বোলে কিছু না বুঝিল মায়*
*আনন্দে অচেতন পেল সব ব্রজবাসী*
*বিজুরী উজোর ভেল দুঁহু মুখের হাসি*
*ক্ষণে অচেতন ভেল যশোমতী মাই*
*পুন ডাকে যশোমতী আইস হেথাই*
*এ বৈষ্ণব দাস কহে মনের হরিষে*
*জনম নিত‍্যলীলা প্রভু করিলা প্রকাশে*।।
*🌻🌻কৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা এখানেই রহিল🌻🌻*
*ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






২. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_92.html


    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ ২. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*🌻🌻শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলার গৌরচন্দ্র🌻🌻*।
*গোরা মোর গোকুলের শশী।*
*কৃষ্ণের জনম আজি কহে হাসি হাসি*।।
*আবেশে থির হইতে নারে*।
*ধরি গোপবেশ নাচে উল্লাস-অন্তরে*।।
*নিতাই গোপের বেশ ধরি*।
*হাতে লৈঞা লগুড় নাচয়ে ভঙ্গী করি*।।
*গৌরীদাস রামাই সুন্দর*।
*নাচে গোপবেশে কাঁধে ভার মনোহর*।।
*শ্রীবাস অদ্বৈত গোপবেশে*।
*ছড়ায় হলদি দধি মনের হরিষে*।।
*কেহ কেহ নানা বাদ‍্য বায়*।
*মুকুন্দ মাধব সে জনমলীলা গায়*।।
*করে সুমঙ্গল নারীগণ*।
*শ্রীবাস আলয় যেন নন্দের ভবন*।।
*জয়ধ্বনি করি বারে বারে*।
*ধায় লোক ধৈরজ ধরিতে নারে*।।
*কত সাধে দেখে আঁখি ভরি*।
*শোভায় ভূবন ভুলে ভণে নরহরি*।।
🌻🌻জয় জয় মহাপ্রভুর জয়🌻🌻

*🌻🌻🌻ব্রজলীলা শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব🌻🌻🌻*
*শঙ্খ দুন্দুভি বাজে নাচে দেবগণ*।
*জয় জয় হরিধ্বনি ভরিলা ভূবন*।।
*ভাদ্র কৃষ্ণাষ্টমী তিথি নক্ষত্র রোহিণী*।
*দশদিগ সুমঙ্গল শুভক্ষণ জানি*।।
*🌻বৈবস্বত মন্বন্তরীয় অষ্টাবিংশ চতুর্যুগের দ্বাপরের শেষভাগে ভাদ্রমাসের কৃষ্ণাষ্টমী তিথিতে,মধ‍্যরাতে,দিবস বুধবারে পৃথিবীর ভাগ‍্যে এই শুভ মুহূর্তের উদয় হয়েছিল।* *প্রায় আজ হতে সাড়ে পাঁচহাজার বৎসর পূর্বের কথা*। *রোহিণীনক্ষত্র যোগে কংসের কারাগারে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।* *পক্ষটিও ছিল কৃষ্ণপক্ষ।* *বুধবারে,কৃষ্ণপক্ষে,মধ‍্য্য* *রাত্রে,অষ্টমীতিথিতে,রোহিণীনক্ষত্র যোগে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অবতীর্ণ হন।* *সেইসময় দেবদুন্দুভির আনন্দময় মন্দ্রনাদ**(গভীরধ্বনি)*, *গন্ধর্ব ও কিন্নরগণের শ্রীকৃষ্ণের গুণগান, সিদ্ধ**ও চারণগণের স্তুতি পাঠ,এবং অপ্সরা* *গণের নৃত‍্যকালীন নূপুর বলয়াদির সুমধুর ধ্বনি একত্র মিলিত হয়ে স্থর্গরাজ‍্যে এক আনন্দের মহারোল* *তুলে দিল ও তাতে তেত্রিশকোটি দেবতার শয়নপ্রাসাদ মুখরিত হয়ে উঠিল।* 
*জনমিলা ব্রজপুরে ব্রজেন্দ্রনন্দন*।
*অন্তরীক্ষে করে দেবী পুষ্প বরিষণ*।।
*পঞ্চগব‍্য পঞ্চামৃতে গন্ধাদি সাজায়া*।
*অভিষেক করে দেবী জয় জয় দিয়া*।।
*🌻সকলেই নিদ্রাভঙ্গে ইতঃস্তত (এদিক ওদিক)* *চমকিত দৃষ্টি নিক্ষেপ করে মন্ত্রমুগ্ধের ন‍্যায় আনন্দিত হয়ে অবস্থান করতে* *লাগলেন এবং পরমানন্দে সকলেই নিজ নিজ বাসস্থান ত‍্যাগ করে* *নন্দনকাননে এসে পারিজাত কুসুম*
*চয়ন করে পৃথিবীতে বর্ষণ করতে লাগলেন।* 
*🌻জনমিলা ব্রজপুরে ব্রজেন্দ্রনন্দন🌻*।
 *প্রাতকালে ব্রজবাসীগণ জানলেন যে এই সন্তান যশোদার গর্ভজাত।* *প্রকৃত* *সত‍্য একমাত্র জানেন বসুদেব* *যাইহোক,তারপর পঞ্চগব‍্য,অর্থ‍্যাৎ* *দধি,দুগ্ধ,ঘৃত,গোমূত্র ও গোময় এবং পঞ্চামৃত অর্থ‍্যাৎ দধি,দুগ্ধ,ঘৃত,মধু ও চিনি এবং গন্ধাদি অর্থ‍্যাৎ সুবাসিত তেল,চন্দন,অগুরু ইত‍্যাদি সাজিয়ে জাতকর্ম করলেন।* *আজ কৃষ্ণের রূপ দর্শন করে ব্রজবাসীগণ উলুধ্বনি* *দিয়ে কৃষ্ণের মঙ্গল কামনা করলেন।* 

*অপ্সরা নাচয়ে গান করয়ে গন্ধর্ব*।
*মঙ্গল জয়কার দেয় দেবপত্নী সর্ব*।।
*কত কত কোটি চাঁদ জিনিয়া উদয়*।
*এ দ্বিজ মাধব কহে আনন্দ হৃদয়*।।
*অপরূপ রূপ নিয়ে শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভাব*
*হলেন,স্বর্গ হতে দেবদেবীগণ মঙ্গল জয়কার করতে লাগলেন।* 
      

 🌻দ্বিতীয় পদ পরে🌻
*🌻🌻দ্বিতীয় পদ কৃষ্ণের আবির্ভাব🌻🌻*
*নিদ্রায় অচেতন রাণী কিছু নাহি জানে*
*চেতন পাইয়া পুত্র দেখিল নয়নে*।।

*🌻মা যশোমতী গভীর নিশিতে নিদ্রায় অচেতন হয়ে আছেন,* *ইতিমধ‍্যে কংস কারাগারে চতুর্ভূজ হৈয়া স্বয়ং ভগবান আবির্ভাব হলেন।* *এবং বসুদেব প্রতি কংসের ভয়ে ভগবান নিজেই বললেন,আমায় নন্দালয়ে রেখে এসো।* *তোমাদেরও কোন চিন্তা থাকবে না,আমি সময়মত তোমাদের কাছে যাব।* *অতি চুপিসারে ভগবানের মায়ায় সব স্তব্ধ*  *হয়ে গেল।* *বসুদেব ভগবানের নির্দেশে নন্দালয়ে রাখতে গেলেন,* *এবং মা যশোদার সূতিকা মন্দিরে রেখে এলেন, যশোমতী কিছুই জানতে পারলেন না।* *কারণ ভগবানের আদেশে যশোদার গর্ভে স্বয়ং যোগমায়া প্রবেশ করেছিলেন।* *কৃষ্ণকে যশোদার পাশে রেখে যোগমায়াকে এনে কংস কারাগারে রাখলেন।* *ভোর*
*বেলা চেতন পেয়ে যশোমতী পুত্রমুখ দর্শন করলেন এবং পুত্রমুখ দর্শন করে মহানন্দ লাভ করলেন।*

*ব্রজরাজ বলি রাণী ডাকে ধীরে ধীরে*
*শুনিয়া আইল নন্দ সূতিকা মন্দিরে*
*হরল গেয়ান দেখি আপন তনয়*
*লাখ পূর্ণিমার চাঁদ জিনিয়া উদয়*।।
*🌻মা যশোমতী পুত্রমুখ দর্শন করে মহানন্দ পেলেন বটে, সঙ্গে সঙ্গে নন্দমহারাজকে আহ্বনও করলেন,* *মহারাজ সূতিকা মন্দিরে এলেন,হঠাৎ পুত্রের অঙ্গ হতে চরম জ‍্যোতি দেখে যশোদা মা অচেন হলেন।* *(পুত্রের অঙ্গ হতে যেন কোটি চন্দ্রের জ‍্যোতি নির্গত হয়েছিল)* *তারপর ধীরে ধীরে চেতন ফিরে পেলেন।*

*উপানন্দ অভিনন্দ সানন্দ নন্দন*।
*একে একে আসি সবে ভরিল ভবন*।।
*যে যায় দেখিতে পুনঃ আসিতে না পারে*।
*জগন্নাথ দাস দেখি ধৈরজ না ধরে*।।

*🌻এবারে ধীরে ধীরে অন‍্যান‍্য চারভাই ভবনে এলেন।* *কারণ তাঁরা সকলেই নন্দভবনের আশেপাশে*
*বসবাস করেন,পুত্রসন্তান হয়েছে জেনে সকলেই যশোদাপুত্রকে দর্শন করবার জন্য এলেন।* *নন্দমহারাজের চারভাই নন্দপুত্রের মুখ দর্শন করে আনন্দে আত্নহারা হলেন।* *ব্রজের যারা নন্দপুত্রকে দর্শন করতে এসেছিলেন* *তারাও আনন্দ সিন্ধুতে ডুবে গেলেন।* *গীতকর্তা জগন্নাথ দাস শ্রীকৃষ্ণ বদন দর্শন করে আর নিজে* *ধৈর্য‍্য ধারণ করতে পারছেন না।*

*🌻🌻🌻🌻তৃতীয় পদ 🌻🌻🌻🌻*
*যোগমায়া ভগবতী দেবী পৌণমাসী*
*দেখিলা যশোদা পুত্র নন্দগৃহে আসি*।।
*সভে সাবধান করি যশোদারে কহে*।
*বহু পূণ‍্যফলে এহেন বালক মিলে তোহে*।।
*বহু আশীর্বাদ কৈল হরষিত হৈয়া*
*রূপ নিরখয়ে এক দিঠে চাহিয়া*।।
*যশোদা নন্দন দেখি,আনন্দে পূর্ণিত আঁখি*
        *কৌতুকে নাচে গোপরাণী।*
*তৈল হরিদ্রা পায়,সবে সবার অঙ্গে দেই*
       *হুলাহুলি দিয়া জয়ধ্বনি*।।
*কেহ নাচে কেহ গায়,*
*কেহ নানা বাদ‍্য বাজায়*
*নন্দের আনন্দের নাহি সীমা*।
*উৎসব করয়ে রোলে*
*ঘন ঘন হরি বোলে*
*কি কহিব যশোদার মহিমা।।*

*🌻🌻নন্দমহারাজের গৃহে মহোৎসব শুরু হয়েছে🌻🌻*
*স্বর্গে দুন্দুভি বাজে নাচে দেবগণ*।
*হরি হরি হরিধ্বনি ভরিল ভূবন*।।
*ব্রহ্মা নাচে শিব নাচে আর নাচে ইন্দ্র*।
*গোকুলে গোয়ালা নাচে পাইয়া গোবিন্দ*।।
*নন্দের মন্দিরে রে গোয়ালা আইল ধাঞা*
*হাতে লড়ি কান্ধে ভাড় নাচে থৈয়া থৈয়া।।*
*দধি দুগ্ধ ঘৃত ঘোল অঙ্গনে ঢালিয়া*।
*নাচেরে নাচেরে নন্দ গোবিন্দ পাইয়া*।।
*আনন্দ হইল বড় আনন্দ হইল*।
*এ দাস শিবাইর মন ভুলিয়া রহিল*।।
*🌻🌻🌻 পঞ্চম পদ 🌻🌻🌻*
      *জয় জয় ব্রজ ভরিয়া*
*উপনন্দ অভিনন্দ, সানন্দ নন্দন*
        *পাঁচ ভাই নাচে বহু তুলিয়া*।
*যশোধর যশোদেব,সুদেব আদি গোপসব*
      *আনন্দে নাচয়ে সবে মাতিয়া*
*নাচের নাচেরে নন্দ,সঙ্গে নাচে গোপবৃন্দ*
      *হাতে লড়ি কান্ধে ভাড় করিয়া*
*খেনে নাচে খেনে গায়,সূতিকা মন্দিরে যাই*
        *গীরয়ে বালক মুখ হেরিয়া*
*দধি দুগ্ধ ভারে ভারে,ঢালয়ে আঙ্গিনাপরে*
       *কেহ শিরে ঢালে দধি তুলিয়া*
*লগুড় করিয়া করে,নাচয়ে ধীরে ধীরে*
        *নন্দের জননী বরীয়সী বুড়িয়া*
*যত ব্রজ গোপনারী,জয়কার ধ্বনি করি*
       *আশীষ করয়ে শিশু বেড়িয়া*
*নর্তক বাদক যত,ধাওত শত শত*
         *ধেনু ধায় উচ্চ পুচ্ছ করিয়া*
*ভোর হৈল গোপসব,অপরূপ নন্দোৎসব*
      *এদাস শিবায় নাচ ফিরিয়া*।।

*🌻🌻🌻বিরাম পদ🌻🌻🌻*
*সূতিকা মন্দিরে যাইয়া আনন্দে বলাই*
*দু'নয়নে ধারা বহে ভাইপানে চাই*
*যশোমতী ধরিয়া দক্ষিণ কোলে নিল*
*বসিয়া রাণীর কোলে দোলিতে লাগিল*
*ভায়ের চাঁদমুখ পানে একদিঠে চাই*
*আধ আধ বোলে কিছু না বুঝিল মায়*
*আনন্দে অচেতন পেল সব ব্রজবাসী*
*বিজুরী উজোর ভেল দুঁহু মুখের হাসি*
*ক্ষণে অচেতন ভেল যশোমতী মাই*
*পুন ডাকে যশোমতী আইস হেথাই*
*এ বৈষ্ণব দাস কহে মনের হরিষে*
*জনম নিত‍্যলীলা প্রভু করিলা প্রকাশে*।।
*🌻🌻কৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা এখানেই রহিল🌻🌻*
*ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






১. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তত্ত্ব ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_74.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ১. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তত্ত্ব 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
জন্মাষ্টমীতে অবশ‍্য অবশ‍্যই এই তত্ত্ব পরিবেশন করবে।

আবির্ভাবের কারণ:-
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
শ্রীভগবান গীতায় বলেছেন------------
যদা যদা হি ধর্মস‍্য গ্লানির্ভবতি ভারত।
অভ‍্যুত্থানমধর্মস‍্য তদাত্মনং সৃজাম‍্যহং
পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাং।
ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।।
(বেদ-পুরাণাদি প্রতিপাদিত শ্রীভগবদ্ভজনই প্রকৃত ধর্ম) (ধর্মো মদ্ভক্তিকৃৎপ্রোক্ত) ভাগবত।।
ভাবার্থ= কোনও কোনও সময়ে জগতের এমন দুভার্গ‍্য আসিয়া উপস্থিত হয়, যে সে সময়ে জগতের জীব বেদপুরাণাদির অপেক্ষা না রাখিয়া নিজের মনোমত আচরণকেই ধর্ম বলিয়া বুঝে ও তারই অনুষ্ঠানে তৎপর হয়। ক্রমে ক্রমে বেদ-পুরাণ আদির ব‍্যাখ‍্যাও তাদের নিজের মনোমত হয়ে উঠে।যাঁহারা পূর্বাচার্য‍্য-গণের মতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়া সেইমতে সাধন-ভজনাদি করেন,তাঁহারা জগতে আদর পান না,পদে পদে লাঞ্জিত,অপমানিত ও তিরস্কৃত হন। তাঁদের প্রকৃত ধর্মকে গোঁড়ামী, সঙ্কীণতা, সাম্প্রদায়িকতা প্রভৃতি আখ‍্যায় অনাদরের অন্ধকারে ডুবাইয়া দিয়া ধর্ম ও উদারতার ধ্বজা উড়াইয়া কতকগুলি স্বার্থপর ভোগ-পরায়ণ ব‍্যক্তি জগতে ধার্মিক বলিয়া পরিচিত হয়।প্রকৃত-ধর্ম তখন ভ্রান্ত- ধারণারূপে ও স্বেচ্ছাচার ধর্ম উদার মতরূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ইহারই নাম ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ‍্যুত্থান। গীতায় ভগবান অর্জুনকে বলেছেন-- হে অর্জুন! যখনই ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ‍্যুত্থান হয়, আমি সেই সময়েই আত্মপ্রকাশ করি। প্রকৃত ধর্মনিষ্ঠ সাধুগণের পরিত্রাণ এবং ধর্ম-ধ্বজী,স্বেচ্ছাচারী পাষন্ডগণকে বিনাশ করিয়া জগতে পুনরায় বেদপ্রতিপাদিত ধর্ম সংস্থাপন করিবার জন্য আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হয়ে থাকি।
*********************************
দ্বাপরের শেষে পৃথিবী একবার এই অবস্থায় উপনীত হয়েছিল।তখন পৃথিবীতে অসুরস্বভাবসম্পন্ন নরপতি-
গণ তাদের দলবল সহ কেবল পররাষ্ট্র লুন্ঠন, পরপীড়ন, ধার্মিকের অবমাননা, অধর্মের প্রশ্রয়, স্বার্থপরতা, ক্ষুদ্র স্বার্থের অনুরোধে অপরের মহাক্ষতি সাধন প্রভৃতিকেই জীবনের ব্রতরূপে অবলম্বন করিয়া অভ‍্যুত্থিত হয়েছিল। তাই পৃথিবী এই সমস্ত ভগবদ্ভজন-গন্ধবিহীন স্বার্থান্ধ ব‍্যক্তির ভারবহনে অক্ষম হইয়া সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার শরণাপন্ন হইলেন। পৃথিবী বা বসুমাতা গো-রূপ ধারণ করিয়া অশ্রুব‍্যাপ্ত-নয়নে উচ্চৈঃস্বরে রোদন করিতে করিতে ব্রহ্মার নিকট উপস্থিত হইলেন।বসুমাতা অতি কৃশা, যেন কতদিন আহার জোটে নাই,অতি দুর্বলা,তিনি পথে চলতেও প্রতি পদে পদে কম্পিতা হচ্ছেন।কোনরকমে ব্রহ্মলোকে গিয়া উপস্থিত হয়ে নিজের দুঃখ কাহিনী বলতে লাগলেন।বসুমাতা,ব্রহ্মা ও ব্রহ্মলোকবাসী দেবগণকে বললেন-সম্প্রতি কালনেমী প্রভৃতি দৈত‍্যগণ পৃথিবীতে আসিয়া প্রজাপীড়ন করতে আরম্ভ করেছে। দেবাসুর যুদ্ধের সময়ে হিরণ‍্যাক্ষের পুত্র কালনেমি বিষ্ণুচক্রে প্রাণত‍্যাগ করেছিল, কিন্তু সম্প্রতি সে-ই উগ্রসেনপুত্র কংসরূপে জন্মগ্রহণ করেছে। সঙ্গে অরিষ্ট, ধেনুক, কেশী, প্রলম্ব, নরক, সুন্দ, বলিপুত্র বাণ প্রমুখ অসংখ‍্য মহাবলপরাক্রান্ত দৈত‍্যবৃন্দ পৃথিবীতে রাজগণের বংশে জন্মগ্রহণ করেছে।(এখানে বসুমাতা বললেন এই যে, আমি সর্বংসহা, সকল দুঃখই আমি সহিতে পারি, সুমেরু,হিমালয়, গন্ধমাদন প্রভৃতি পর্বতের ভারেও আমি ভারবোধ করি না, কিন্তু হরিভজনবিহীন ব‍্যক্তির ভার আমার কিছুতেই সহ‍্য হয় না, তারা বুঝি সুমেরু ও হিমালয় অপেক্ষাও ভারবিশিষ্ট।
হে চতুরানন! আপনি তো সৃষ্টিকর্তা, আপনি এইরূপ বহির্মুখ জীব সৃষ্টি করে কেন আমাকে দুঃখ দিচ্ছেন?
আপনার চরণে ধরি,যেভাবে হোক, আমার ভারাপনোদন করিয়া আমাকে সুস্থ করুন।বসুমাতার এই কাতরোক্তি 
শ্রবণ করিয়া ব্রহ্মা বললেন- বসুমাতা! আমার কোন দোষ নেই। আমি সৃষ্টি করি বটে, কিন্তু আমি তো সৃষ্টিকর্তা নহি; স্বয়ং ভগবান শ্রীগোবিন্দের সৃষ্টি শক্তি আমাতে সঞ্চারিত হওয়াই আমাকে সৃষ্টিকর্তা করে।বিশেষত আমি  দেহ সৃষ্টি করি, কিন্তু জীব তো আমার সৃষ্টি নহে।জীবের কর্মানুসারে
দেহসৃষ্টি হইলে নিজ নিজ কর্মফলানুযায়ী দেহে জীবগণ জগতে আগমন করিয়া নিজ নিজ কর্মফল ভোগ করে।সুতরাং তোমার ভারহরণও আমার কর্ম নহে।পালনকর্তা বিষ্ণু তোমার ভার হরণ করিয়া তোমাকে পালন করবেন।অতএব চলো,আমরা শ্রীবিষ্ণুর নিকট গমন করি। এবারে ব্রহ্মা পালনকর্তা ক্ষীরোদশায়ী বিষ্ণুর নিকট গমন করলেন। ব্রহ্মা ক্ষীরোদ-সাগরতীরে উপস্থিত হইয়া পুরুষসূক্ত মন্ত্রে (বেদের যে কোন একটি সমগ্র স্তোত্র) শ্রীভগবানের স্তুতি করিয়া তাঁর চরণ- দ্বন্দ্বধ‍্যানপূর্বক সমাধিস্থ হইলে ভগবানের আদেশ বাণী শুনতে পেলেন। এই আদেশবাণী কেবল ব্রহ্মায় শুনতে পেলেন অন‍্য কেহ নহে। ব্রহ্মা সমাধিযোগে ক্ষীরোদশায়ীর আদেশবাণী শুনিয়া নিজ সৌভাগ্যজ্ঞানে আনন্দে পুলকিত হইয়া নানাবিধ আনন্দকোলাহলরত দেবগণকে সম্বোধন করিয়া বললেন- হে অমরগণ! ক্ষীরোদশায়ী পুরুষের আদেশবাণী শ্রবণ করিয়া বলি, তোমরা আদেশবাণী শুনিয়া অচিরাৎ তাহা পালন করিবার জন্য প্রস্তুত হও। এবার তোমাদের সৌভাগ্যের সীমা নাই, কারণ এবার তোমরা শ্রীভগবৎ- কৃপায় তাঁর লীলায় সাহায‍্য করবার সুযোগ পেয়েছ। ব্রহ্মার এইকথা শুনে ইন্দ্রাদি দেববৃন্দ, শ্রীশঙ্করও বসুমাতা,পরমানন্দে উল্লসিত ও ব্রহ্মার নিকটস্থ হইয়া নীরবে উৎকর্ণ হইয়া ভগবানের আদেশবাণী শুনবার অপেক্ষায় দন্ডায়মান হলেন। তখন ব্রহ্মা বললেন-ক্ষীরোদশায়ী আদেশ করলেন যে, হে দেগণ! বসুমাতার ভারহরণের জন্য তোমরা আমার শরণাপন্ন হয়েছ,কিন্তু এবার বসুমাতার জন্য আমার আর কোন চিন্তা করতে হবে না।(আমি যাঁহার আদেশে এই ব্রহ্মান্ড পালনে রত আছি, সেই আমার পরমাংশী স্বয়ং ভগবান গোলোকপতি শ্রীকৃষ্ণ, এবার বসুমাতার প্রতি কৃপাদৃষ্টিপাত করেছেন। তোমরা এখানে আসার অনেক পূর্বেই এই করুণার কাহিনী তিনি আমার নিকট ব‍্যক্ত করেছেন। এবার তিনিই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হইয়া লীলা করবেন ও সেই মধুর লীলার সঙ্গে সঙ্গে বসুমাতার ভারও হরণ করবেন।) 
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^

শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের একটি কারণ।

সত‍্য ত্রেতা দ্বাপর কলি চারযুগ জানি।
চারিযুগে এক দিব‍্যযুগ মানি।।
একাত্তর দিব‍্যযুগে এক মন্বন্তর।
চৌদ্দ মন্বন্তরে ব্রহ্মার এক দিবস অন্তর।।
মানবের একদিন যেমন, সকাল ছয়টা হতে সন্ধ‍্যে ছয়টা, তেমন ব্রহ্মার একদিন, এইরকম আরেক পরাদ্ধ হলে ব্রহ্মার পূর্ণ দিনরাত হয়।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






১. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তত্ত্ব ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_74.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ১. শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তত্ত্ব 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
জন্মাষ্টমীতে অবশ‍্য অবশ‍্যই এই তত্ত্ব পরিবেশন করবে।

আবির্ভাবের কারণ:-
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
শ্রীভগবান গীতায় বলেছেন------------
যদা যদা হি ধর্মস‍্য গ্লানির্ভবতি ভারত।
অভ‍্যুত্থানমধর্মস‍্য তদাত্মনং সৃজাম‍্যহং
পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাং।
ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।।
(বেদ-পুরাণাদি প্রতিপাদিত শ্রীভগবদ্ভজনই প্রকৃত ধর্ম) (ধর্মো মদ্ভক্তিকৃৎপ্রোক্ত) ভাগবত।।
ভাবার্থ= কোনও কোনও সময়ে জগতের এমন দুভার্গ‍্য আসিয়া উপস্থিত হয়, যে সে সময়ে জগতের জীব বেদপুরাণাদির অপেক্ষা না রাখিয়া নিজের মনোমত আচরণকেই ধর্ম বলিয়া বুঝে ও তারই অনুষ্ঠানে তৎপর হয়। ক্রমে ক্রমে বেদ-পুরাণ আদির ব‍্যাখ‍্যাও তাদের নিজের মনোমত হয়ে উঠে।যাঁহারা পূর্বাচার্য‍্য-গণের মতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়া সেইমতে সাধন-ভজনাদি করেন,তাঁহারা জগতে আদর পান না,পদে পদে লাঞ্জিত,অপমানিত ও তিরস্কৃত হন। তাঁদের প্রকৃত ধর্মকে গোঁড়ামী, সঙ্কীণতা, সাম্প্রদায়িকতা প্রভৃতি আখ‍্যায় অনাদরের অন্ধকারে ডুবাইয়া দিয়া ধর্ম ও উদারতার ধ্বজা উড়াইয়া কতকগুলি স্বার্থপর ভোগ-পরায়ণ ব‍্যক্তি জগতে ধার্মিক বলিয়া পরিচিত হয়।প্রকৃত-ধর্ম তখন ভ্রান্ত- ধারণারূপে ও স্বেচ্ছাচার ধর্ম উদার মতরূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ইহারই নাম ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ‍্যুত্থান। গীতায় ভগবান অর্জুনকে বলেছেন-- হে অর্জুন! যখনই ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ‍্যুত্থান হয়, আমি সেই সময়েই আত্মপ্রকাশ করি। প্রকৃত ধর্মনিষ্ঠ সাধুগণের পরিত্রাণ এবং ধর্ম-ধ্বজী,স্বেচ্ছাচারী পাষন্ডগণকে বিনাশ করিয়া জগতে পুনরায় বেদপ্রতিপাদিত ধর্ম সংস্থাপন করিবার জন্য আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হয়ে থাকি।
*********************************
দ্বাপরের শেষে পৃথিবী একবার এই অবস্থায় উপনীত হয়েছিল।তখন পৃথিবীতে অসুরস্বভাবসম্পন্ন নরপতি-
গণ তাদের দলবল সহ কেবল পররাষ্ট্র লুন্ঠন, পরপীড়ন, ধার্মিকের অবমাননা, অধর্মের প্রশ্রয়, স্বার্থপরতা, ক্ষুদ্র স্বার্থের অনুরোধে অপরের মহাক্ষতি সাধন প্রভৃতিকেই জীবনের ব্রতরূপে অবলম্বন করিয়া অভ‍্যুত্থিত হয়েছিল। তাই পৃথিবী এই সমস্ত ভগবদ্ভজন-গন্ধবিহীন স্বার্থান্ধ ব‍্যক্তির ভারবহনে অক্ষম হইয়া সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার শরণাপন্ন হইলেন। পৃথিবী বা বসুমাতা গো-রূপ ধারণ করিয়া অশ্রুব‍্যাপ্ত-নয়নে উচ্চৈঃস্বরে রোদন করিতে করিতে ব্রহ্মার নিকট উপস্থিত হইলেন।বসুমাতা অতি কৃশা, যেন কতদিন আহার জোটে নাই,অতি দুর্বলা,তিনি পথে চলতেও প্রতি পদে পদে কম্পিতা হচ্ছেন।কোনরকমে ব্রহ্মলোকে গিয়া উপস্থিত হয়ে নিজের দুঃখ কাহিনী বলতে লাগলেন।বসুমাতা,ব্রহ্মা ও ব্রহ্মলোকবাসী দেবগণকে বললেন-সম্প্রতি কালনেমী প্রভৃতি দৈত‍্যগণ পৃথিবীতে আসিয়া প্রজাপীড়ন করতে আরম্ভ করেছে। দেবাসুর যুদ্ধের সময়ে হিরণ‍্যাক্ষের পুত্র কালনেমি বিষ্ণুচক্রে প্রাণত‍্যাগ করেছিল, কিন্তু সম্প্রতি সে-ই উগ্রসেনপুত্র কংসরূপে জন্মগ্রহণ করেছে। সঙ্গে অরিষ্ট, ধেনুক, কেশী, প্রলম্ব, নরক, সুন্দ, বলিপুত্র বাণ প্রমুখ অসংখ‍্য মহাবলপরাক্রান্ত দৈত‍্যবৃন্দ পৃথিবীতে রাজগণের বংশে জন্মগ্রহণ করেছে।(এখানে বসুমাতা বললেন এই যে, আমি সর্বংসহা, সকল দুঃখই আমি সহিতে পারি, সুমেরু,হিমালয়, গন্ধমাদন প্রভৃতি পর্বতের ভারেও আমি ভারবোধ করি না, কিন্তু হরিভজনবিহীন ব‍্যক্তির ভার আমার কিছুতেই সহ‍্য হয় না, তারা বুঝি সুমেরু ও হিমালয় অপেক্ষাও ভারবিশিষ্ট।
হে চতুরানন! আপনি তো সৃষ্টিকর্তা, আপনি এইরূপ বহির্মুখ জীব সৃষ্টি করে কেন আমাকে দুঃখ দিচ্ছেন?
আপনার চরণে ধরি,যেভাবে হোক, আমার ভারাপনোদন করিয়া আমাকে সুস্থ করুন।বসুমাতার এই কাতরোক্তি 
শ্রবণ করিয়া ব্রহ্মা বললেন- বসুমাতা! আমার কোন দোষ নেই। আমি সৃষ্টি করি বটে, কিন্তু আমি তো সৃষ্টিকর্তা নহি; স্বয়ং ভগবান শ্রীগোবিন্দের সৃষ্টি শক্তি আমাতে সঞ্চারিত হওয়াই আমাকে সৃষ্টিকর্তা করে।বিশেষত আমি  দেহ সৃষ্টি করি, কিন্তু জীব তো আমার সৃষ্টি নহে।জীবের কর্মানুসারে
দেহসৃষ্টি হইলে নিজ নিজ কর্মফলানুযায়ী দেহে জীবগণ জগতে আগমন করিয়া নিজ নিজ কর্মফল ভোগ করে।সুতরাং তোমার ভারহরণও আমার কর্ম নহে।পালনকর্তা বিষ্ণু তোমার ভার হরণ করিয়া তোমাকে পালন করবেন।অতএব চলো,আমরা শ্রীবিষ্ণুর নিকট গমন করি। এবারে ব্রহ্মা পালনকর্তা ক্ষীরোদশায়ী বিষ্ণুর নিকট গমন করলেন। ব্রহ্মা ক্ষীরোদ-সাগরতীরে উপস্থিত হইয়া পুরুষসূক্ত মন্ত্রে (বেদের যে কোন একটি সমগ্র স্তোত্র) শ্রীভগবানের স্তুতি করিয়া তাঁর চরণ- দ্বন্দ্বধ‍্যানপূর্বক সমাধিস্থ হইলে ভগবানের আদেশ বাণী শুনতে পেলেন। এই আদেশবাণী কেবল ব্রহ্মায় শুনতে পেলেন অন‍্য কেহ নহে। ব্রহ্মা সমাধিযোগে ক্ষীরোদশায়ীর আদেশবাণী শুনিয়া নিজ সৌভাগ্যজ্ঞানে আনন্দে পুলকিত হইয়া নানাবিধ আনন্দকোলাহলরত দেবগণকে সম্বোধন করিয়া বললেন- হে অমরগণ! ক্ষীরোদশায়ী পুরুষের আদেশবাণী শ্রবণ করিয়া বলি, তোমরা আদেশবাণী শুনিয়া অচিরাৎ তাহা পালন করিবার জন্য প্রস্তুত হও। এবার তোমাদের সৌভাগ্যের সীমা নাই, কারণ এবার তোমরা শ্রীভগবৎ- কৃপায় তাঁর লীলায় সাহায‍্য করবার সুযোগ পেয়েছ। ব্রহ্মার এইকথা শুনে ইন্দ্রাদি দেববৃন্দ, শ্রীশঙ্করও বসুমাতা,পরমানন্দে উল্লসিত ও ব্রহ্মার নিকটস্থ হইয়া নীরবে উৎকর্ণ হইয়া ভগবানের আদেশবাণী শুনবার অপেক্ষায় দন্ডায়মান হলেন। তখন ব্রহ্মা বললেন-ক্ষীরোদশায়ী আদেশ করলেন যে, হে দেগণ! বসুমাতার ভারহরণের জন্য তোমরা আমার শরণাপন্ন হয়েছ,কিন্তু এবার বসুমাতার জন্য আমার আর কোন চিন্তা করতে হবে না।(আমি যাঁহার আদেশে এই ব্রহ্মান্ড পালনে রত আছি, সেই আমার পরমাংশী স্বয়ং ভগবান গোলোকপতি শ্রীকৃষ্ণ, এবার বসুমাতার প্রতি কৃপাদৃষ্টিপাত করেছেন। তোমরা এখানে আসার অনেক পূর্বেই এই করুণার কাহিনী তিনি আমার নিকট ব‍্যক্ত করেছেন। এবার তিনিই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হইয়া লীলা করবেন ও সেই মধুর লীলার সঙ্গে সঙ্গে বসুমাতার ভারও হরণ করবেন।) 
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^

শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের একটি কারণ।

সত‍্য ত্রেতা দ্বাপর কলি চারযুগ জানি।
চারিযুগে এক দিব‍্যযুগ মানি।।
একাত্তর দিব‍্যযুগে এক মন্বন্তর।
চৌদ্দ মন্বন্তরে ব্রহ্মার এক দিবস অন্তর।।
মানবের একদিন যেমন, সকাল ছয়টা হতে সন্ধ‍্যে ছয়টা, তেমন ব্রহ্মার একদিন, এইরকম আরেক পরাদ্ধ হলে ব্রহ্মার পূর্ণ দিনরাত হয়।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds