শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৩৭. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের রূপ বর্ণন- উত্তর গোষ্ঠ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৩৭. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের রূপ বর্ণন- উত্তর গোষ্ঠ লীলা 
                      👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻কৃষ্ণের রূপ বর্ণন- উত্তর গোষ্ঠ 🌻*
[ব্রজ লীলা, উত্তর গোষ্ঠ বা ফেরা গোষ্ঠে শ্রীকৃষ্ণের রূপ বর্ণন:*************
উত্তর গোষ্ঠ নিত‍্যলীলা, শ্রীকৃষ্ণের শ্রীঅঙ্গে পৌগন্ড বয়সেই কৈশোর শোভার অভিব‍্য্যক্তি (প্রকাশ) হয়েছিল এবং শ্রীরাধিকাদি গোপবধূ ও রাধা সখীগণের কৈশোর-বয়সোচিত হাবভাব প্রকাশের ইঙ্গিতো পাওয়া গিয়েছিল।
(জগতে অনেক বলিষ্ঠ বালকের বাল‍্য বয়সেই যে
কৈশোরভাব বা শোভা দেখা যায়,) অখিল ব্রহ্মান্ডপতি
সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ ব্রজরাজ নন্দনের তাহা কিছুই অসম্ভব
নহে।রাধিকাদি ব্রজ- বধূগণও তাঁহারই হ্লাদিনী শক্তির ঘনীভূত মূর্তি এবং শ্রীকৃষ্ণের সাথে তাঁহাদের সম্বন্ধও
অনাদিকাল হৈতেই অবস্থিত।


**পদ:---------------
চান্দ মুখে দিয়া বেণু,
নাম লৈয়া সব ধেনু,
ডাকিতে লাগিল উচ্চস্বরে।
শুনিয়া কানুর বেণু,
উর্দ্ধমুখে ধায় ধেনু,
পুচ্ছ ফেলি পিঠের উপরে।।
অনুসার বেণুরব,
বুঝিয়া রাখাল সব,
আসিয়া মিলিল নিজ সুখে।
যে ধেনু যে বনে ছিল,
ফিরাইয়া একত্র কৈল,
চালাইল গোকুলের মুখে।।
শ্বেতকান্তি অনুপাম,
আগে ধায় বলরাম,
আর শিশু চলে ডাহিন বামে।
শ্রীদাম সুদাম পাছে,
ভাল শোভা করিয়াছে,
তার মাঝে নবঘন-শ‍্যামে।।
ঘনবাজে শিঙ্গা বেণু,
গগনে গোক্ষুর রেণু,
পথেচলে কত করি রঙ্গে।
যতেক রাখালগণ,
আবা আবা দিয়া ঘন,
বলরামদাস চলু সঙ্গে।।
*সবধেনু একত্রিত
করিয়া আগে আগে
অসংখ্য ধেনুপাল,
ডানদিকে দাদা বল-
রাম এবং চারিদিকে
সখাগণ ও অন্যান্য
গোপবালকগণ লৈয়া
যখন কৃষ্ণ অপরাহ্ন
কালে বা গোধূলি বেলায় গোচারণ ভূমি হইতে নিজ নিজ গৃহের পথে চলেছেন, তখন তাঁহার শ্রী অঙ্গ শ্রী-মুখাদি দরশন করিয়া ব্রজের সকলেই মন, প্রাণ ও ইন্দ্রিয় সকল আনন্দ সিন্ধুতে নিমগ্ন হয়ে যায় এবং সকলেই নিজ নিজ ভাবের আবেগে আত্মহারা হয়ে পড়ে।গোক্ষুরের ধূলিকণায় আপাদমস্তক ধূসরিত করিয়া কৃষ্ণ যখন গোধূলি বেলায়
বন হইতে গৃহে ফিরে আসেন, তখন তাঁহার মস্তক, ললাট এবং মুখ মন্ডলের শোভা দেখিয়া মুগ্ধ ও আত্মহারা না হয়ে
কাহারও প্রকৃতিস্থ থাকিবার উপায় নেই। রূপের শোভা
কেমন দেখুন! তাঁহার ঘন- কৃষ্ণ সু- কুঞ্চিত কেশকলাপ
(চুলের সৌন্দর্য) উচ্চভারে চূড়াকারে নিবন্ধ (আটকান) এবং তাহার নিম্নভাগে (নিচের দিকে) মালতী ফুলের গাঁথা মালা ও উপরে অতি সুন্দর ময়ূর পুচ্ছ। মালতীর মালা দেখিলে মনে হয় যেন, নীলগিরি-পর্বতের উপরে শান্তস্নিগ্ধ ও তরঙ্গবিহীন স্বচ্ছ সুরধূনীর ধারা মন্ডলাকারে (গোলাকারে) প্রবাহিত হইতেছে এবং ময়ূর পুচ্ছ দেখলে মনে হয় যেন
প্রবল ঝটিকা বেগে (ঝড়ের গতিতে) ধূলি ধূসরিত এবং ঘনাচ্ছন্ন (মেঘে ঢাকা) আকাশ পটেইন্দ্র ধনু ফুটিয়া উঠিয়াছে। গোষ্ঠে গিয়ে খেলার দরুন ও নাচানাচি এবং গোগণের পশ্চাৎ পশ্চাৎ ছুটোছুটি করায় কৃষ্ণের চূড়ায়
বাঁধা কেশের কিছু অংশ কৃষ্ণের ললাটের উপরে পড়ি
য়াছে দেখিয়া তাঁহার মুখশোভা এতই সুন্দর লাগছে,তাহা
না দেখিলে বর্ণনা করা যায় না, সেই দৃশ্য এক অন‍্য জগতের। কৃষ্ণের এই গোক্ষুর ধূলি ধূসরিত কুন্তলা বলী
পরিশোভিত ললাট দেখিলে মনে হয় যেন,কমলপরাগ রঞ্জিত (পদ্মের পুষ্প রেণুর সৌন্দর্য দেখিয়া)অলিকুল ঝাঁ কে ঝাঁকে উড়ে আসিয়া তাঁহার ইন্দিবর বিনিন্দিত
(যাহা নীল পদ্মও ম্লান হইয়া যায়) বদনার বিন্দে (মুখ মন্ডলের উপর) নিপতিত হৈবার জন‍্য প্রাণপণ চেষ্টা করছে,
কিন্তু কোনো ভাবেই অলিকুল সফল হৈতে পারিতেছে না। শ্রীগোবিন্দের মুখ কমলের কথা আর কি বলিব!তাহা দেখিলে মনে হয় যেন,ইহাই সর্ববিধ সৌন্দর্য, মাধূর্য,লাবণ‍্য,ও কমণীয়তার জন্ম স্থান। জগতের সব রকম সুন্দর বস্তুই সৌন্দর্য,এই সৌন্দর্য, মাধুর্য্য ও এই লাবণ‍্য আস্বাদন করিবার জন্যই বুঝিবা বিধাতা জীবগণের নয়ন সৃষ্টি করিয়াছেন। যাহারা এই সৌন্দর্য, মাধুর্যের আকর কৃষ্ণ বদনার বিন্দে দেখে নাই, তাহাদের বুঝি নয়ন দুটি ব‍্যর্থ হইয়াই গেল। তাঁহার অসীম সৌন্দর্য, মাধুর্য্যনিকেতন, কৃষ্ণ বদনের মধুর হাস‍্য দেখিলে মনে হয় যেন সদ‍্য প্রস্ফুটিত নীলকমল হইতে অমৃতবিনিন্দিত মধুধারা ক্ষরিত (চুয়েপড়ছে) হচ্ছে এবং নয়ন ভঙ্গি দেখিলে মনে হয় যেন নৃত‍্যপরায়ণ খঞ্জন (চঞ্চল স্বভাবের লেজ নাচানো ছোট পাখী) ক্রমশঃ অগ্রসর হয়ে
সেই মুখ কমলের দিকে ধাবিত হচ্ছে ও সেইখানেই নিজ বাসস্থানের চেষ্টা করিতেছে।
#############

শ্রীকৃষ্ণ ও বলরামের গোষ্ঠ বেশ খুলিয়া তাহাদের সর্বাঙ্গে হাত বুলিয়ে ও মুখ নিরীক্ষণ করিতে করিতে বনের কুশল
জিজ্ঞাসা করেন।তারপর শরীর শান্ত হইলে তাঁহাদের স্নান
করাইয়া নব বস্ত্রপরিধান করাইয়া ভোজন স্থানে নিয়ে যান। রাম- কৃষ্ণ দুই ভাইকে মাতৃদত্ত চর্ব, চূষ‍্য,লেহ‍্য,পেয়,অন্ন ভোজনে পরিতৃপ্ত হইয়া শয়ন কক্ষে গমন করিলে, দুগ্ধ ফেননিভ(দুধের ফেনার মতো অতি
শুভ্র কোমল)শয‍্যায় শয়ন করান।মা যশোদা ও রোহিণী
তাহাদের অঙ্গে মৃদু মৃদু হস্ত মার্জন করিতে লাগিলেন, তাহাতে রাম- কৃষ্ণ দুই ভাই পরমানন্দে ঘুমিয়ে পড়লেন।
*****************
একটু অন্য রকম উত্তর গোষ্ঠ।
বানান, ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়।
     বিরাম।
মতামত জানাইলে ধন‍্য হইব।
জয় নিতাই জয়গৌর।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds