✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৭২. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ꧂
꧁ সার্বভৌম ভট্টাচার্যের ষড়ভূজ রূপ দর্শন ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭২
*#অতি_গূঢ়_নিত্যানন্দ*
*সার্বভৌম ভট্টাচার্যের ষড়ভূজ রূপ দর্শন।*
_*একদিন সার্বভৌম ভট্টাচার্য গোপীনাথ আচার্য কে জিজ্ঞাসা করলেন,"এই সন্ন্যাসী তো তোমার পরিচিত। তাছাড়া ইনি নীলাম্বর চক্রবর্তীর নাতি এবং জগন্নাথ মিশ্রের ছেলে। এই নবীন সন্ন্যাসীর উপর আমার সত্যিই খুব প্রীতি জন্মেছে। কিন্তু ইনি সন্ন্যাস নিয়েছেন কোন সম্প্রদায় থেকে? আর এনার গুরু প্রদত্ত নামটিই বা কি ?"*_
*#গোপীনাথ_কহে_নাম_শ্রী_কৃষ্ণচৈতন্য । #গুরু_ইঁহার_কেশব_ভারতী_মহাধন্য।*
*গোপীনাথের কাছে শুনে সার্বভৌম বললেন ,"এনার নামটি অতি উত্তম হলেও ভারতী সম্প্রদায় উত্তম নয়।বেদ-বেদান্তে এই সম্প্রদায়ের বিশেষ জ্ঞান নেই। সন্ন্যাসীর প্রধান কাজ বেদান্ত অধ্যয়ন। যাঁর বেদান্তের জ্ঞান নেই সে এই প্রৌঢ় যৌবনে সন্ন্যাস ধর্ম রক্ষা করবে কি করে?অতএব আমি এই সন্ন্যাসীকে বেদান্তের পাঠ দেব।"*
*গোপীনাথ আচার্য এই কথা শুনে অত্যন্ত মনোক্ষুণ্ণ হলেন এবং সার্বভৌম ভট্টাচার্যকে বারবার বোঝাতে চেষ্টা করলেন, যে মহাপ্রভুর সন্ন্যাসের দরকার ছিল না।কেবল কলিহত পতিত জীবকে উদ্ধার করবেন এবং জীবের দুয়ারে গিয়ে #গোলকের_প্রেমধন_হরিনাম_সংকীর্তন প্রচার করবেন। তাই সন্ন্যাস নেওয়া। কিন্তু সার্বভৌম ভট্টাচার্য মানতে নারাজ ।মহাপ্রভুও মুখবুজে বেদান্ত অধ্যয়নের এই প্রস্তাব মেনে নিলেন। মনের ভাবখানা এই রকম-ঊষর মরুভূমিতে বীজ রোপণ করে তবেই তাকে ফলবতী বৃক্ষে পরিণত করতে হবে।সার্বভৌমের হৃদয় এখনও শুষ্ক মরুভূমি। এই হৃদয়েই প্রেমের বীজ রোপন করতে হবে। শুরু হল নতুন করে পড়াশোনা ।*
*সার্বভৌম ভট্টাচার্য বেদান্ত পাঠ করেন, মহাপ্রভু শোনেন।কিন্তু মুখে কিছু বলেন না। আট দিনের দিন সার্বভৌম মহাপ্রভু কে জিজ্ঞাসা করলেন, "আমি সাতদিন ধরে বেদান্ত পড়াচ্ছি ।অথচ তুমি ভালোমন্দ কোন প্রশ্নই জিজ্ঞাসা করছো না কেন?"*
*মহাপ্রভু উত্তর দিলেন*
*সূত্রের অর্থ বুঝতে পারছি, কিন্তু তোমার ব্যাখ্যায় মনে হচ্ছে কিছু ভুল হচ্ছে ।*
*#প্রভু_কহে_সূত্রের_অর্থ_বুঝিয়ে_নির্মল।*
*#তোমার_ব্যাখ্যা_শুনি_মন_হয়_তো_বিকল।।*
*তুমি সূত্রের মুখ্য অর্থ ছেড়ে গৌণ অর্থ ব্যাখ্যা করছো, অভিধা বৃত্তি ছেড়ে লক্ষণায় ব্যাখ্যা করছ। লক্ষ নয় অর্থ করলে স্বতঃপ্রমাণ বেদের অর্থের হানি হয়।*
*মহাপ্রভু বেদান্তের মূল তাৎপর্যময় ব্যাখ্যা বর্ণনা করলেন সার্বভৌমের সামনে। সার্বভৌম অবাক। যে বেদান্তে তিনি সাতদিন ধরে ব্রহ্মকে নিরাকার, নির্বিশেষ বলে ব্যাখ্যা করে এলেন মহাপ্রভু এক মুহূর্তের মধ্যে সেই বেদান্তের সূত্র ধরেই ব্রহ্মকে সাকার ও সবিশেষ বলে স্থাপন করলেন এবং সেই ব্রহ্মের মাধুর্যমণ্ডিত রূপটিই ভগবানের সবচেয়ে প্রেমের-মূর্তি স্বয়ং ভগবান কৃষ্ণ এটাও জানিয়ে দিলেন।*
*#ব্রহ্ম_শব্দে_কহে_পূর্ণ_স্বয়ং_ভগবান। #স্বয়ং_ভগবান_কৃষ্ণ_শাস্ত্রের_প্রমাণ ।।*
*মহাপ্রভু বললেন- সার্বভৌম! বিস্ময় কোরনা, ভগবানের ভক্তিই পরম পুরুষার্থ। আত্মারাম মুনিগণ পর্যন্ত ঈশ্বরের ভজনা করে থাকেন। এই প্রকার ভগবানের অচিন্ত্য মহিমা।*
*আত্মারামাশ্চ মুনয়ো নির্গ্রন্থা অপ্যুরুক্রমে। কুর্বন্ত্যহৈতুকীং ভক্তিমিত্থম্ভূত-গুণো হরিঃ।।*
*ভট্টাচার্য মহাপ্রভুর কাছে এই শ্লোকের অর্থ শুনতে চাইলেন। মহাপ্রভু বললেন -তুমি আগে এই শ্লোকের অর্থ করো, তারপরে কিছু মনে হলে আমি বলব। ভট্টাচার্য নয় প্রকারে এই শ্লোকের অর্থ করলে, মহাপ্রভু সেই অর্থ বাদ দিয়ে 18 প্রকার অর্থ করে শোনালেন ভট্টাচার্যকে।*
*সার্বভৌম ভট্টাচার্য তাঁর নিজের ভুল ব্যাখ্যা বুঝতে পারলেন। মহাপ্রভুকে প্রণাম করে শরণ নিতেই মহাপ্রভু প্রথমে চতুর্ভুজ তারপরে সর্বজনপূজিত সর্বদেববন্দিত ষড়ভূজ রূপ দর্শন করালেন। সার্বভৌম ভট্টাচার্য সেই রূপ দর্শন করে মূর্চ্ছিত হয়ে পড়লেন। মহাপ্রভু তুলে প্রেমালিঙ্গন দান করলেন। রাম-কৃষ্ণ-কৃষ্ণচৈতন্য এই তিন রূপ একসাথে প্রত্যক্ষ করলেন। প্রাণে প্রাণে অনুভব করলেন *#ত্রেতাতে_রাম_দ্বাপরে_শ্যাম_কলিতে_গৌরাঙ্গরূপে সাক্ষাৎ বিদ্যমান।*
*মহাপ্রভু একদিন প্রাতে জগন্নাথ মন্দিরে গিয়ে মহাপ্রসাদ নিয়ে হাজির হলেন সার্বভৌমের বাড়িতে। সার্বভৌমের তখনও প্রাতঃকৃত্য সমাধা হয়নি। কিন্তু মহাপ্রভুর কৃপায় তখন তার হৃদয়ে শাস্ত্রের মর্ম স্ফূরিত হলো ও নির্দ্বিধায় মহাপ্রসাদ নিয়ে সেবন করলেন।কারণ মহাপ্রসাদ যে কোন সময়ে যে কোন অবস্থায় গ্রহণ করা যেতে পারে। এই ভাবে মহাপ্রভু সার্বভৌম ভট্টাচার্যকে প্রেমের পাত্রে পরিণত করলেন। যে সার্বভৌম নিরাকার ব্রহ্মে ছিলেন বিশ্বাসী। তিনি হয়ে উঠলেন কৃষ্ণ-সংকীর্তন অভিলাষী। এরপরে মহাপ্রভুর অত্যন্ত কৃপাভাজন এবং প্রিয়পার্ষদ রূপে পরিণত হলেন সার্বভৌম। মহাপ্রভুকে বন্দনা করে দুটি শ্লোক লিখেছিলেন। মহাপ্রভু নিজের বন্দনাগীতি ঐ শ্লোকটি হাতে পাওয়া মাত্র ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু আকাশে যতই মেঘ থাক সূর্যের উপস্থিতি ঠিকই বোঝা যায় ।ঐ শ্লোকটি মহাপ্রভুর হাতে যাবার আগেই মুকুন্দ দত্ত এক দেওয়ালে লিখে রেখেছিলেন । তাই সেই শ্লোকদুটি আজিও ভক্তকণ্ঠে মণিহার হয়ে রয়েছে।*
_*#বৈরাগ্য_বিদ্যা_নিজভক্তিযোগ_শিক্ষার্থমেকঃ_পুরুষঃ_পুরাণঃ। #শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য_শরীরধারী_কৃপাম্বুধির্যস্তমহং_প্রপদ্যে।।*_ ১।।
*#কালান্নষ্টং_ভক্তিযোগং_নিজং_যঃ_প্রাদুষ্কর্ত্তুং_কৃষ্ণচৈতন্য_নামা।#আবির্ভূতস্তস্য_পাদারবিন্দে_গাঢ়ং_গাঢ়ং_লীয়তাং_চিত্তভৃঙ্গঃ।।*_ ২।।
*সারাজীবন ধরে সার্বভৌম তার প্রেমাস্পদকে ভজনা করলেন এই দুই শ্লোকে। উচ্চারণ করলেন-* _*#শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য_শচীসুত_গুণধাম।#এই_ধ্যান_এই_জপ_এই_লব_নাম।।*_
*মহাপ্রভুর স্পর্শে লোহা ও সোনায় পরিণত হলো ভট্টাচার্যের বৈষ্ণবতা দেখে সকলেই মহাপ্রভুকে সাক্ষাৎ ব্রজেন্দ্রনন্দন বলে ভাবতে লাগলেন এবং সমস্ত নীলাচলবাসী এসে মহাপ্রভুর চরণে শরণ নিলেন।।*
🙏🏻🙏🏻🙇🙇
https://gopisharan.blogspot.com
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

