✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭২. শ্রীপ্রবোধানন্দ সরস্বতী 👏 শ্রীপাদ সনাতন গোস্বামী 👏 বৈষ্ণব বিবৃতি 🙏 শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/boisnob72.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭২) গৌড়ীয় বৈষ্ণব ইতিহাস ২য়*
*🌻বৈষ্ণব--সাহিত্য🌻*
**********************
*🌻শ্রীপ্রবোধানন্দ সরস্বতী🌻*
======================
*🍀ইনি দাক্ষিণাত্য বৈদিক ব্রাহ্মণ-কুলোদ্ভূত ; কাবেরী তীরস্থ শ্রীরঙ্গ ক্ষেত্রে আবির্ভাব, শ্রীমদ্ গোপাল ভট্টের পিতা বেঙ্কটাচার্য্যের সহোদর নাম প্রকাশানন্দ।শেষ জীবনে কাশীবাসী হন।ইনি সেই সময় কাশীর সর্বপ্রধান বৈদান্তিক পন্ডিত ও মায়াবাদী সন্ন্যাসীদের প্রধান ছিলেন।শ্রীমহাপ্রভুর কৃপায় তিনি সেখানে অপূর্ব ভক্তি-জীবন লাভ করে "প্রবোধানন্দ" নামে অভিহিত হন।ইনি মহাপ্রভুকে যে স্তব স্তুতি করেন, তার সমষ্টিই "শ্রীচৈতন্যচন্দ্রামৃত"।ইহার১২ টি বিভাগে যথাক্রমে স্তুতি,প্রণাম, আশীর্বাদ, গৌরভক্ত-মহিমা, অভক্তের নিন্দা, নিজদৈন্য, উপাসনানিষ্ঠা, লোক-শিক্ষা, গৌরোৎকর্ষ, অবতারমহিমা, রূপোল্লাস নৃত্যাদি এবং শোক বর্ণত আছে। শ্লোকগুলি গৌরভক্তির সুধাময় উচ্ছাস। "আনন্দী" নামক জনৈক ভক্ত এই গ্রন্থের "রসিকাস্বাদনী" টীকা রচয়িতা।*
*🙏শ্রীপাদ সনাতন গোস্বামী🙏*
•••••••••••••••••••••••••••••
[*🌻ভরদ্বাজ গোত্রীয় বৈদিক ব্রাহ্মণকুলে প্রাদুর্ভূত ; মূল পুরুষ = জগদ্ গুরু, তৎপুত্র অনিরুদ্ধ, তৎপুত্র রূপেশ্বর ও হরিহর।রূপেশ্বরের পুত্র পদ্মনাভ নবহট্ট বা নৈহাটিতে গঙ্গাতীরে বাস করেন।ইঁনার পাঁচ পুত্রের মধ্যে পঞ্চম মুকুন্দ, তৎপুত্র কুমারদেবের প্রথম,শ্রীসনাতন দ্বিতীয় শ্রীরূপ তৃতীয় শ্রীবল্লভ বা অমর সন্তোষ ও বল্লভ, (মহাপ্রভুর প্রদত্ত নাম =অনুপম)।এই শ্রীবল্লভের পুত্রই শ্রীপাদ জীব গোস্বামী।*
*🌹১৪৯৩ খৃঃ অব্দ হতে ১৫২৫ খৃঃ অব্দ পর্যন্ত গৌড়ের বাদশাহ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের রাজত্ত্ব কাল।গৌড়ের রাজধানী বর্তমান মালদহের নিকট রামকেলি নামক জায়গায় ইঁনারা কর্মোপলক্ষ্যে বাস করতেন। সনাতন ও রূপ স্ব স্ব প্রতিভাবলে বাদশাহ হোসের শাহের প্রধান মন্ত্রী ও তদীয় সহকারী হয়েছিলেন। বাদশাহ-প্রদত্ত সনাতনের "দবির খাস্" ও রূপের "সাকর মল্লিক" উপাধি ছিল।ইঁনারা পন্ডিত বাসুদেব সার্বভৌমের কনিষ্ঠ ভাই শ্রীবিদ্যাবাস্পপতির নিকট দীক্ষ গ্রহণ করেন।শ্রীমন্মহাপ্রভু প্রথমে শ্রীরূপকে কৃপা করে উদ্ধার করেন এবং প্রয়াগে তাঁকে শিক্ষা প্রদান করে শক্তি সঞ্চার করেন।পরে শ্রীসনাতনকে কৃপা করেন। সনাতন রাজকার্য্যে অমনোযোগী হওয়ায় বাদশাহের বিরাগভাজন হয়ে বন্দী হন।পরে কারাধ্যক্ষের কৃপায় কারামুক্ত হয়ে কাশীতে গিয়ে মহাপ্রভুর সঙ্গে মিলিত হন।মহাপ্রভু সনাতনকে কাছে রেখে ভক্তি-ধর্ম শিক্ষা দান করলেন এবং নিজ শক্তি সঞ্চার করে শ্রীবৃন্দাবনে থেকে ভক্তিশাস্ত্র প্রণয়নে আদেশ করলেন।*
*এই দুই ভাই আমি পাঠাইনু বৃন্দাবনে।*
*শক্ত দিয়া ভক্তিশাস্ত্র করিতে প্রবর্তনে।।*
*🍀অবশেষে শ্রীপাদ সনাতন শ্রীরূপ ও ভ্রাতৃষ্পুত্র শ্রীরূপের মন্ত্রশিষ্য শ্রীজীব গোস্বামী বৃন্দাবনে অবস্থান করে অসংখ্য ভক্তি-গ্রন্থ প্রণয়ন করেন। ভক্তি-সিদ্ধান্ত গ্রন্থ রচনায় ইঁনারাই বৈষ্ণব-সমাজের শীর্ষস্থানীয়।শ্রীপাদ সনাতন ১৪০৪ শকে আবির্ভূত হয়ে ১৪৮৬ আষাঢ়ী পূর্ণিমা তিথিতে শ্রীবৃন্দাবনে অপ্রকট হন।দ্বাদশ আদিত্যটীলার নিকট তাঁর সমাধি বিদ্যমান।*
*🌷প্রসিদ্ধ বৈষ্ণবস্মৃতি "শ্রীহরিভক্তি বিলাসে" বৈষ্ণবের নিত্য প্রয়োজনীয় ব্রত,পূজা,দীক্ষা, বিষ্ণুস্থাপন, সন্ধ্যাবন্দন, পূজোপকরণ, বৈষ্ণবাচার, ভক্ত-মাহাত্ম্য,ভক্তি মাহাত্ম্য,দ্বাদশ মাসিক কাজ, মালাজপ,মন্ত্রবিচার, বাস্তুযাগ প্রভৃতি সংক্ষেপে সঙ্কলন করে শ্রীপাদ সনাতন গোস্বামী উহা শ্রীমদ্ গোপাল ভট্ট গোস্বামীকে প্রদান করেন। শ্রীভট্ট গোস্বামী ঐ বিধিগুলির মাহাত্ম্যাদিসূচক বহু শাস্ত্রীয় প্রমাণ দ্বারা মূল গ্রন্থের আয়োতন বৃদ্ধি করেন। এই গ্রন্থের অপর নাম "ভগবদ্ভক্তিবিলাস"।শ্রীপাদ সনাতন এই গ্রন্থের দিকপ্রদর্শিনী টীকা প্রণয়ন করে এই গ্রন্থের গৌরব আরও বৃদ্ধি করেছেন। এই হরিভক্তি-বিলাসই বঙ্গীয় বৈষ্ণবসমাজের প্রামাণ্য বৈষ্ণব স্মৃতি।স্মার্ত চূড়ামণি রঘুনন্দন এনার অনেক ব্যবস্থা নিজ গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন।বৈষ্ণবের আচার রক্ষা বিষয়ে এই হরিভক্তি বিলাসই রাজদন্ড স্বরূপ।ইহা অমান্য করলে গোস্বামী সম্প্রদায়ে তার জায়গা নাই।এই স্মৃতি গ্রন্থে শাস্ত্রবাক্য, পরবাক্য ও নিজবাক্য এই তিন প্রকার বাক্যভেদ আছে।সকল প্রকরণেই প্রথম স্মার্তমতকে হলিভক্তি বিলাসের দোহাই দিয়ে বৈষ্ণব মত বলে প্রচার করেন, তাঁরা যে ঘোর ভ্রান্ত তা বলাই বাহুল্য।রঘুনন্দনের নব্য স্মৃতির সঙ্গে বৈষ্ণবস্মৃতির শ্রাদ্ধ ও একাদশী প্রভৃতি নিয়ে চিরদিনই মতভেদ।এ ছাড়াও "সৎক্রিয়া-সারদীপিকা" নামে শ্রীমদ্ গোপাল ভট্টকৃত একখানি পদ্ধতি গ্রন্থও আছে।এতে অনন্য-শরণ গৃহী বৈষ্ণবগণের বিবাহ,গর্ভাধান অন্নপ্রাশন উপনয়নাদি দশবিধ সংস্কার মন্ত্র ও প্রণাম প্রয়োগাদি সহ সঙ্কলিত আছে।গৌড়ীয় গৃহী বৈষ্ণবগণ এই পদ্ধতি অনুসারেই সংস্কারাদি করে থাকেন।*
*🌻শ্রীপাদ সনাতন-কৃত "বৃহদভাগবতামৃতম্" প্রধান ধর্ম গ্রন্থ।এই গ্রন্থে বৈষ্ণবগণের উপাস্য নির্ণীত হয়েছে।গ্রন্থকর্তা স্বয়ং এর টীকাকার, টীকার নাম দিগ্ দর্শনী।এটি দুই খন্ডে বিভক্ত-- বৃহৎ গ্রন্থ।বৈষ্ণবদের উপাসনা কান্ডে এই গ্রন্থই মুখ্য ও রাজপথ স্বরূপ।এই গ্রন্থের রচনা ও উপাখ্যান গুলি বড়ই মনোরম। শ্রীরূপ গোস্বামী এই গ্রন্থকে সংক্ষিপ্ত আকারে পরিণত করে "লঘু ভাগবতামৃতম্" সঙ্কলন করেছেন।এটিও দুই খন্ডে বিভক্ত, প্রথম কৃষ্ণামৃত দ্বিতীয় ভক্তামৃত।শ্রীকৃষ্ণের শ্রেষ্ঠতা ও নিত্য মূর্তিত্ব প্রকট-অপ্রকট লীলা, বাসুদেব হতে নন্দনন্দনের ক্রিয়াশক্তিগত পার্থক্য প্রভৃতি এই গ্রন্থে বহুতর বিষয় আলোচিত ও মীমাংসিত হয়েছে।শ্রীপাদ সনাতন শ্রীভাগবত-দশমস্কন্ধের এক টীকা করেছেন তার নাম "বৃহদ্ বৈষ্ণব তোষণী"।অন্যাংশের টীকা না করে কেবল দশমস্কন্ধের টীকা রচনার উদ্দেশ্যে শ্রীকৃষ্ণলীলারসাস্বাদ ভিন্ন কিছুই নয় বলে বোধ হয়।শ্রীজীব এই বৃহৎ তোষণীকে সংক্ষিপ্ত করে "লঘুতোষণী" নাম দেন।১৪৭৬ শকে বৃহত্তোষণী রচনার শেষ হয়।শ্রীজীব ১৫০০ শকে উহাকে লঘোতোষণীতে পরিণত করেন।এ ছাড়াও "দশম-চরিত" "রসময়-কলিকা" ও রসকীর্তনের সংস্কৃত পদাবলী রচনা করেন।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
