✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৯. দীক্ষার বাসনা 🥀 নরোত্তম ঠাকুর 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori9.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৮. দীক্ষার বাসনা 🥀 নরোত্তম ঠাকুর 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori8.htm
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(০৯)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*🙏দীক্ষার বাসনা🙏*
***********************
*🍀শ্রীশ্যামানন্দ প্রভু=সেইরকম আবার দুঃখী কৃষ্ণদাস অর্থ্যাৎ শ্যামানন্দ প্রভুর দীক্ষার ব্যাকুলতাও এক অপূর্ব কাহিনী।দুরিকাদেবীর একটার পর একটা সন্তান সন্ততি নষ্ট হবার ফলে দুরিকাদেবীর মনে দুঃখের কোন শেষ নাই।অবশেষে এই পুত্ররত্ন লাভ করে পিতামাতা নাম রাখেন "দুঃখী"।বাল্যকাল হতেই দুঃখী ভক্তিশাস্ত্র অধ্যঋয়ন করে বিশেষ ব্যুৎপত্তি(শাস্ত্রের প্রতি বিশেষ জ্ঞান) লাভ করেন কিন্তু সংসারের প্রতি তাঁর বিশেষ কোনো আসক্তিই ছিল না।সবসময় প্রাণের মধ্যে যেন কি একটা অভাব বোধ করতেন।পুত্রের এই মানসিক অবস্থা দেখে পিতামাতা খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন এবং তাঁকে আদর করে কাছে এনে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলেন।তখন দুঃখী বললেন যে তাঁর মনে সব সময়ই ইচ্ছা হয় যে তিনি দীক্ষামন্ত্র গ্রহণ করবেন। কারণ অদীক্ষিত জীবন পশুতুল্য।অদীক্ষিত অবস্থায় মৃত্যু হলে সে মহাপাপী হয়,সেইজন্য তাঁর মন সর্বদাই সদ্ গুরুর আশায় লালায়িত।তখন পিতামাতা পুত্রের অভাবনীয় কথা শুনে মনে মনে খুশী হলেন, এই শিশু বয়সে ভগবানের প্রতি এত আর্তি!তখন সানন্দে দীক্ষার জন্য অনুমতি প্রদান করলেন।দুঃখী লোক পরম্পরায় অম্বিকা কালনার শ্রীহৃদয়- চৈতন্য প্রভুর নাম শুনেছিলেন এবং মনে মনে তাঁকেই গুরু বরণ করেছিলেন।সেই হেতু তিনি পিতামাতাকে তাঁর মনের বাসনা প্রকাশ করলেন এবং তাঁরা এতে আনন্দের সঙ্গে অনুমতি প্রদান করলেন।*
*🍁তাঁদের বাসস্থান হতে অম্বিকা কালনা বেশ দূরে, সেজন্য একাকী তাঁর পক্ষে সেখানে যাওয়া সম্ভব ছিল না।তিনি পিতামাতার কাছে বললেন যে গঙ্গাস্নানের জন্য অনেকেই কালনায় গমন করেন,তিনি তাঁদের সঙ্গে সেখানে যাবেন।শ্রীগৌর প্রেমের আকর্ষণী শক্তির প্রভাবে তাঁর চিত্ত যখন ব্যাকুল, সেহেতু উপায় উদ্ভাবন করা অসম্ভব হল না।অবশেষে তিনি পিতামাতার আশীর্বাদ ভিক্ষা করে পদব্রজে কালনা অভিমুখে রওনা হলেন, শ্রীহৃদয়চৈতন্য প্রভুর সামনে উপস্থিত হয়ে সাষ্টাঙ্গ দন্ডবৎ করে আত্মসমর্পণ করলেন।হৃদয়চৈতন্য তাঁর পরিচয় জিজ্ঞাসা করায় তিনি বললেন যে তাঁর নাম হচ্ছে দুঃখী এবং তিনি দীক্ষাপ্রার্থী।কৃষ্ণ প্রেমের মাদকতা উপলব্ধি করে তিনি তাঁকে শিষ্যত্বে বরণ করলেন।নতূন নামকরণ হল "দুঃখী কৃষ্ণদাস"।এইভাবে দুঃখী কৃষ্ণদাস কৃষ্ণমন্ত্রে দীক্ষিত হলেন এবং একাগ্রমনে গুরুসেবার কাজে মনোনিবেশ করলেন।খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর গুরুসেবার নিষ্ঠা দেখে হৃদয়চৈতন্য উপলব্ধি করলেন যে তাঁর এই শিষ্যের দ্বারা জীবনে অনেক মহৎ কাজ সাধিত হবে। পরে তাঁর গুরুদেব শ্রীহৃদয়চৈতন্য প্রভুর কৃপাশক্তি এবং শ্রীপাদ শ্রীজীব গোস্বামীর আশীর্বাদে তিনি যে কি ভাবে বৃন্দাবনের নিকুঞ্জবনে ঝাড়ুসেবার মাধ্যমে রাধারাণীর নূপুর পেয়ে ছিলেন সে কথা বৈষ্ণব জগতের সকলেই জানেন সুতরাং এখানে আর সে প্রসঙ্গ করব না।*
*এ তো গেল মহাপ্রভুর পরিকর বা পার্ষদগণের দীক্ষা প্রাপ্ত কাহিনী। কিন্তু আমাদের মহাপ্রভু স্বয়ং দীক্ষার জন্য যে কি ব্যাকুলতা প্রকাশ করেছিলেন শ্রীপাদ ঈশ্বরপুরীর নিকট সে কাহিনীও বৈষ্ণব জগতের এক রত্নহার।পিতৃ পিন্ডদান কার্য্য উপলক্ষ্যে তিনি যখন গয়াধামে গমন করেন এবং তখন তাঁর কৃপাময় গুরুদেব শ্রীপাদ ঈশ্বরপুরীও সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন এবং তর্পণ কার্য্য সমাপ্ত হবার পর শ্রীপাদ পুরীর নিকট দীক্ষা মনোবাসনা প্রকাশ করেন, এই প্রসঙ্গে গ্রন্থে পাওয়া যায় যে দীক্ষার বাসনা ব্যক্ত করে মহাপ্রভু কি বলেছিলেন=*
*"সংসার সমুদ্র হইতে উদ্ধার আমারে।*
*এই আমি দেহ সমর্পিলাম তোমারে।।*
*🙏নিজে স্বয়ং অবতরী হয়েও লোকচক্ষে তিনি অদীক্ষিত ছিলেন এবং সেজন্য এই দীক্ষার বাসনা প্রকাশ করেছিলেন।বৈষ্ণব জগতে শ্রীপাদ মাধবেন্দ্র পুরী হচ্ছেন অফুরন্ত কৃষ্ণপ্রেমের ভান্ডারী এবং তিনি তাঁর প্রেমের ভান্ডার উজাড় করা দিয়েছিলেন প্রিয় শিষ্য ঈশ্বরপুরীকে, শ্রীপাদ মাধবেন্দ্র পুরীর মনোগত বাসনা ছিল,এই যে কৃষ্ণ প্রেমাঙ্কুর, তা তিনি তাঁর প্রিয়শিষ্য ঈশ্বরপুরীর মাধ্যমে ভক্তিসলিলে পুষ্ট করে সেই কৃষ্ণ প্রেমাঙ্কুর গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর হৃদয়ে বপন করে চৈতন্য বৃক্ষরূপে প্রকাশ করবেন।এবং জগদগুরু মাধবেন্দ্র পুরীর সে বাসনা বর্ণে বর্ণে পূরণ হয়ে ছিল। মহাপ্রভুর দীক্ষাকালে যে অপূর্ব স্বর্গীয় দৃশ্যের অবতারণা হয়েছিল এবং যে প্রেমাশ্রু নদী প্রবাহিত হয়েছিল তা এক স্বর্গীয় ব্যাপার, ভাগ্যবান গয়াবাসীগণ তা স্বচক্ষে দর্শন করে ছিলেন।মহাপ্রভু এই দীক্ষা প্রসঙ্গে যা বলেছিলেন তা লোচনদাসের ভাষায় এইরকম=*
*কেমনে তরিব আমি সংসার সাগরে।*
*কৃষ্ণ পদাম্বুজে ভক্তি দেহ তো আমারে।।*
*কৃষ্ণদীক্ষা বিনু দেহ অকারণ দেখি।*
*পুরাণে এসব বাক্য সাধু মুখে সাক্ষী।।*
*ক্রমাগত*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*ভাবিলেন মনে তবে,পুত্র সদা কাছে রবে,*
*বন্ধনে আবদ্ধ হ'য়ে রবে সর্বক্ষণ।*
*জগতের কর্তা যিনি,পড়িলেন বাঁধা তিনি,*
*করিছেন কত লীলা মর্ত্যে নারায়ণ।।*
*মায়ার অতীত রণ,তবু হরি বদ্ধ হন,*
*মায়ার স্রষ্টা রচিলেন নিজে মায়াজাল।*
*মায়াবদ্ধ জীবগণ,কৃষ্ণলীলা জ্ঞাত নন,*
*জীবন কান্ডারী প্রভু ধর তুমি হাল।।*
*একদিন সখাসনে,শ্রীহরি চলেন বনে,*
*সঙ্গে তাঁর চলে ধেনু বৎসগণ।*
*যমুনা পুলিনে হরি,ব্রজ শিশু সঙ্গে করি,*
*নানারূপ লীলারঙ্গে মত্ত হ'য়ে রণ।।*
🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏 *ক্রমাগত* 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১০. দীক্ষার বাসনা 🥀 নরোত্তম ঠাকুর 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori10.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
