✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔙 পূর্ব লীলা 👉 ৮৬. শ্রীপাদ্ লোকনাথ গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori86.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🆕 👉 ৮৭. শ্রীপাদ্ লোকনাথ গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori87.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৮৭)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*শ্রীপাদ্ লোকনাথ গোস্বামী*
<><><><><><><><><><><>
*🪷কৃষ্ণপ্রেমের এমনই মহিমা যে কৃষ্ণভক্ত জীবকে দেখলেই তাঁদের মনে এক অভূতপূর্ব আনন্দের সঞ্চার হয় এবং সকলেই মনে করেন যেন কতকালের মনের মানুষ এসেছেন।জাতি-কুল বিচারের প্রশ্ন সেখানে প্রয়োজন হয় না। কারণ তাঁরা সকলেই যেন একই বৃন্তের পুষ্প।বৈষ্ণব জগতে মহাপ্রভুর পার্ষদ এবং ভক্তগণের চরিত সুধা পাঠ করিলেই দেখা যায় যে কি চন্ডাল,কি ব্রাহ্মণ সকলেই ভ্রাতৃভাবে আবদ্ধ।এক কথায় আমাদের এই বৈষ্ণব ধর্মের মত এত উদারতা আর কোন হিন্দুধর্মের শাখায় আছে কি-না জানি না। বতর্মান জগতে সাম্যবাদের যে ভাবধারা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ প্রচার ও প্রসারের জন্য সদাব্যস্ত, ইতিহাস পর্য্যালোচনা করলে দেখা যায় যে তৎকালীন গোঁড়া সমাজ ব্যবস্থার মধ্যে শত সহস্র প্রতিকূল অবস্থা সত্ত্বেও আমাদের মহাপ্রভু সাম্যবাদের (অধিকার সাম্যবাদ, সকলেই সমান এই মত, রাজা-প্রজা,ধনী-দরিদ্র,ভদ্রেতর সকলেরই সমান অধিকার এই নীতি ; সামাজিক বিধান বিরোধী মত ; সাধারণ স্বত্ববাদ (Communism),পরম প্রচারক ছিলেন এবং তিনি নিজ আচরণের দ্বারা বৈষ্ণবধর্মের মাধ্যমে তা প্রচার করে গিয়েছেন।ব্রাহ্মণ,আচন্ডাল,ধনী,দরিদ্র,পতিত, অধম সকলকে তিনি অবিচারে কোলদান করে একই ধর্মের মাধ্যমে সম-পর্য্যায়ভুক্ত করেছেন এবং এই ধর্ম প্রভাবে সকলকেই সমশ্রেণীভুক্ত করে সাম্যবাদের মহিমা পত্তন করে গিয়েছেন।*
*🌻এক হিসাবে দেখতে গেলে আমাদের এই বাংলাদেশের যশোহর জেলার অবদান অপরিসীম কারণ এই যশোহর জেলাতেই আমাদের সম্প্রদায়ের শ্রীশ্রীরাধারমণ চরণদাস বাবাজীর আবির্ভাব।আমাদের পূজনীয় শ্রীগুরুদেবের জন্মস্থানও এই যশোহর জেলাতেই এবং যশোহর অন্তর্গত তালখড়ি গ্রামে লোকনাথ গোস্বামীর আবির্ভাব এক ব্রাহ্মণ পরিবারে। তাঁর বংশগত নাম ছিল লোকনাথ চক্রবর্তী।যাইহোক, লোকনাথ যখন নবদ্বীপে এসে গৌরহরির সঙ্গে মিলিত হন তখন মহাপ্রভুর মন সন্ন্যাস গ্রহণের জন্য ব্যাকুল, কারণ তিনি স্থির বুঝেছিলেন যে সংসার আশ্রমে থেকে কলির জীবকে কৃষ্ণ ভজনের যত উপদেশই তিনি দিন না কেন, তা সহজে কেউই গ্রহণ করবে না। তার পরিবর্তে সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী হিসাবে আচরণ করলে জীবজগত যথার্থই আকৃষ্ট হবে।এইরকম মনোভাবের মধ্যে যখন তিনি কালাতিপাত করছিলেন এমনই এক সময়ে এই লোকনাথ গোস্বামী কৃষ্ণপ্রেমের মাদকতায় উদ্বুদ্ধ (জ্ঞানের উদয় বা চেতনা ) হয়ে নবদ্বীপে মহাপ্রভুর কাছে আগমন করেন।শ্রীকৃষ্ণপ্রেমের মূর্ত বিগ্রহ হচ্ছেন শ্রীমন্মহাপ্রভু, সেই মধুময় সঙ্গের সংস্পর্শে এসে তৃষ্ণার্ত্ত লোকনাথের ব্যথিত অন্তর যেন সীমাহীন পারাবারে প্রকৃত আশ্রয় পেল এবং তাঁর তৃষিত হৃদয় মহাপ্রভুর কৃপাস্পর্শে যেন আর্দ্র হয়ে গেল।*মনের চাহিদা যেখানে মেলে দেহের ক্ষুধা সেখানে গৌণ, সেজন্য লোকনাথ অভীস্পিত(যা একান্ত পেতে ইচ্ছুক )বস্তু পেয়ে আনন্দ সাগরে বিলীন হয়ে গেলেন।কিন্তু বিধি বাম,কারণ মহাপ্রভু তাঁর দ্বারা অনেক বড় বড় কর্ম করাতে চান সেজন্য সেই মধুময় সঙ্গ তাঁর ভাগ্যে বেশীদিন স্থায়ী হয় নি।মাত্র পাঁচদিনের ব্যবধানে তাঁকে মহাপ্রভুর ইচ্ছায় চিরতরে নবদ্বীপ ধাম পরিত্যাগ করতে হয়। কারণ গৌরহরি সূক্ষ্মদৃষ্টির দ্বারা নিশ্চিত বুঝেছিলেন যে ভক্তি জগতে এইরকম একজন পার্ষদ পাওয়া বড়ই দুষ্কর।সেজন্য তাঁর দ্বারা শ্রীধাম বৃন্দাবনে অনেক কঠিন কাজের দায়িত্বভার অর্পণ করবেন।বৈষ্ণব জগতের ইতিহাস পর্য্যালোচনা করলে দেখা যায় যে আচার্য্য তাঁর আশ্রিতজনকে ভক্তি জগতে যোগ্যতম বিচার করেছেন, তিনি কিছুতেই তাঁকে তাঁর সান্নিধ্যে বেশীদিন রাখেন নাই।সাধন পথের পাথেয় তিনি তাঁকে অন্তর উজাড় করে দান করে সর্বশেষে তাঁকে সঙ্গচ্যুত করেছেন।মহাপ্রভুর মনের এই অভিপ্রায় যখন লোকনাথের কর্ণগোচর হল তখন বিষাদের ছায়া তাঁর অন্তরকে আচ্ছন্ন করে ফেলিল।কারণ যে সঙ্গ মানসে তিনি সংসার ধর্ম পরিত্যাগ করে আসিলেন তা তাঁর ভাগ্যে স্থায়ী হল না। কিন্তু পরমকরুণ এবং সুচতুর গৌরহরি তাঁকে সান্ত্বনা দান প্রসঙ্গে বললেন--, লোকনাথ!তুমি আমাকে ভুল বুঝিও না, তোমাকে তো আমি শ্রীকৃষ্ণের কর্মের ভার দিয়েছি।এ অপেক্ষা বৈষ্ণবের জীবনে বাঞ্জিত বস্তু আর কি হতে পারে।*
*😭লোকনাথ তখন অভিমানভরে বললেন--, আমি বেশ বুঝতে পেরেছি যে তোমার হৃদয়ে লোকনাথের জন্য এতটুকু জায়গা নেই, সেজন্য তুমি আমাকে এমনভাবে দূরে সরিয়ে দিচ্ছ। লোকনাথের কথা শুনে মহাপ্রভু বললেন--,লোকনাথ বৃন্দাবনই যে আমার হৃদয় এবং সেই বৃন্দাবনে তো আমি তোমাকে স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে বলেছি। সুতরাং তুমি সদাসর্বদা আমার হৃদয়াসনে বিরাজমান থাকবে এটি নিশ্চিত।বৃন্দাবনের সেই মধুর পরিবেশে কৃষ্ণধ্যানে তুমি বিভোর সঙ্গে থেকো এটিই আমার অন্তরের বাসনা।লোকনাথ!কৃষ্ণভক্ত কাছে এর থেকে বড় সৌভাগ্যের বিষয় আর কি হতে পারে? এইরকম নানারকম বাক্যালাপের মাধ্যমে করুণাময় গৌরহরি শেষ পর্য্যন্ত লোকনাথকে একাকী শ্রীধাম বৃন্দাবনে প্রেরণ করবার সিদ্ধান্ত করেন।*
🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔🪔
*🌻🌻উদ্ধবের ব্রজে আগমন🌻🌻*
*শুকদেব মুনি কন,শোন হে রাজন,*
*কৃষ্ণকথা কব এবে সুমধুরে অতি।*
*বেদনা পাইয়া হৃদে,গোপ গোপী যত কাঁদে,*
*মথুরায় সেই কৃষ্ণ রন হৃষ্ট মতি।।*
*বৃহস্পতির শিষ্য সে,জন্ম শ্রেষ্ঠ যদু বংশে,*
*বৃষ্ণি কুলশ্রেষ্ঠ হয় নামেতে উদ্ধব।*
*সকলের মধ্যে হয়,বুদ্ধি তার অতিশয়,*
*জনগণ প্রিয় তিনি কৃষ্ণের বান্ধব।।*
*মিষ্ট বাক্যে জনার্দন,কাছে তারে ডাকি কন,*
*ব্রজবাসী তরে এবে যাও বৃন্দাবন।*
*যেথা মাতা নন্দরাণী,কহিবে কুশল বাণী,*
*মিষ্টভাবে তুষ্ট সবে করিবে তখন।।*
*বিরহে কাতর যারা, গোপ গোপীগণে ত্বরা,*
*আমার বারতা তুমি করিও জ্ঞাপন।*
*রহে যত ব্রজজন,স্মরে মোরে অনুক্ষণ,*
*ব্যাকুল অন্তরে তারা জানাই বেদন।।*
*ক্রমাগত*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔜 ক্রমাগত 👉 ৮৮. শ্রীপাদ্ লোকনাথ গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori88.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
