শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

*হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু।*। *মনুষ‍্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,* ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_31.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ꧁ *হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু।* ꧂
 ꧁ *মনুষ‍্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,* 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু।*
*মনুষ‍্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,*
   *জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।।*
*গোলোকের প্রেমধন, হরিনাম সংকীর্তন,*
   *রতি না জন্মিল কেনে তায়।*
*সংসার বিষানলে, দিবানিশি হিয়া জ্বলে,*
    *জুড়াইতে না কৈনু উপায়।।*
*ব্রজেন্দনন্দন যেই, শচীসুত হৈল সেই,*
    *বলরাম হইল নিতাই।*
*দীন হীন যত ছিল,হরিনামে উদ্ধারিল,*
    *তার সাক্ষী জগাই মাধাই।।*
*হা-হা প্রভু!নন্দসুত,বৃষভানুসুতাযুত,*
    *করুণা করহ একবার।*
*নরোত্তম দাস কয়,না ঠেলিহ রাঙ্গা পায়,*
    *তোমা বিনে কে আছে আমার*।।

 *শ্রীঠাকুরমহাশয় অতীব দৈন‍্যের উদয়ে নিজেকে সাধন-ভজনহীন সাধারণ মানবজ্ঞানে অতিশয় আত্মগ্লানির সঙ্গে যে কথায় আক্ষেপ করছেন, বিশ্বমানবের ইহা মৃতসঞ্জীবনী সুধার মতো পরম হিতকারী।তিনি বলছেন, হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু।মনুষ‍্য জনম পাইয়া,রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া, জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।। ঠাকুরমহাশয় প্রেমের মূরতি হয়েও সাতিশয়(অত‍্যন্ত) দৈন‍্যোদয়ে অতি আক্ষেপের সঙ্গে বলছেন,হায়!হায়!বিফলে জন্ম কাটালাম।দেবদুর্লভ ভজন উপযোগী মনুষ‍্য জন্ম পেয়েও শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের ভজন করলাম না।জেনে শুনে স্বেচ্ছায় অমৃত ত‍্যাগ করে বিষপান করলাম।অজ্ঞান বা মূঢ়তা হেতু পশু প্রভৃতি তির্যকদেহ (বাঁকাদেহ) অতিশয় ভোগের আবেশ হেতু জ্ঞানসম্পন্ন হলেও দেবদেহ ভজনের উপযোগী নহে, কেবলমাত্র মনুষ‍্য দেহই ভজনের উপযোগী।এইজন‍্যই মনুষ‍্যদেহকে দেবদুর্লভ বলা হয়েছে। 
ভাগবতে ৩|১৫|২৪ দেখা যায়,*
*যেহভ‍্যর্থিতামপি চ নো নৃগতিং প্রপন্না,জ্ঞানঞ্চ তত্ত্ববিষয়ং সহ ধর্ম যত্র।*
*নারাধনং ভগবতো বিতরন্ত‍্যমুষ‍্য সম্মোহিতা বিততয়া বত মায়য়া তে।।*

*🌻শ্রীব্রহ্মা দেবগণের প্রতি বললেন,হে দেবগণ!যে মনুষ‍্যজন্মে ধর্মসাধনার সঙ্গে তত্ত্বজ্ঞান লাভ হয় বলে যা আমাদেরও অতিশয় প্রশংসনীয়,সেই মানবজন্ম পেয়ে যারা শ্রীহরির আরাধনা করেন না,তারাই যথার্থ হরিমায়ায় মোহিত।তারমধ‍্যে আবার আধ‍্যাত্মক্ষেত্র ভারতবর্ষে মনুষ‍্যজন্ম লাভ অতি দুর্লভ। "অভ‍্যর্থিতামপি চ নো" 'অর্থ‍্যাৎ মনুষ‍্যজন্ম আমাদেরও প্রশংসনীয়' এই অংশে বিশ্বনাথ চক্রবর্তীপাদ লিখেছেন=""হা হন্ত ভারতভূমৌ কদা নৃজনুষো ভূত্বা বয়ং কৃষ্ণং ভজন্তঃ ক্ষণমাত্রেণৈব বৈকুন্ঠং প্রাপ্নয়ামেতি"",* *দেবশ্রেষ্ঠ ব্রহ্মা বলছেন,হায়!হায়! আমরাও কামনা করি-- কবে ভারতবর্ষে মনুষ‍্যদেহ পেয়ে যে দেহে ক্ষণকালমাত্রও শ্রীকৃষ্ণের ভজন করলে মায়াতীত চিন্ময় ভগবদধাম পেয়ে ধন‍্য হব।এই বিশেষ কলিযুগেতে ব্রজের ঠাকুর স্বয়ং ভগবান ব্রজেন্দ্রনন্দন প্রেমময়ী শ্রীরাধারাণীর ভাবকান্তি অঙ্গীকার করে শ্রীগৌরাঙ্গরূপে অবতার হয়ে ব্রজের সর্বোৎকৃষ্ট সাধ‍্যবস্তু মঞ্জরীভাব সাধনা বা শ্রীরাধাকৃষ্ণের রহস‍্যময় ভজন আপামরে বিতরণ করলেন।*
*তাই এইযুগে মনুষ‍্যদেহ পেয়ে বা এইরকম সুবর্ণসুযোগ লাভ করেও যারা অনাদিকালের বিষয় সংস্কারবশত যুগল ভজন না করে ঘৃণ‍্য বিষয়রসে মজে সুদুর্লভ পরমায়ুকে অতিবাহিত করছে তারা জেনে শুনেই অমৃত ছেড়ে যে বিষভক্ষণ করছে এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই।তাই ঠাকুরমহাশয় বললেন,মনুষ‍্য জনম পাইয়া,রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।*
   *ক্রমশ*



🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🙏শ্রীমন্মহাপ্রভু যে ব্রজের সর্বোৎকৃষ্ট যুগলভজনই বিতরণ করেছেন তা নয়, পরন্তু সেই সুদুর্লভ ব্রজপ্রেমসম্পদ ও হরিনাম সংকীর্তন যে একই বস্তু তা বিশ্বমানবকে জানিয়েই বিতরণ করেছেন।যতাই ঠাকুরমহাশয় বললেন, "গোলোকের প্রেমধন,হরিনাম সংকীর্তন,রতি না জন্মিল কেনে তায়"।* *কৃষ্ণনাম ও নামী শ্রীকৃষ্ণ অভিন্ন বলেই নাম ও প্রেম একই বস্তু,কেননা শ্রীকৃষ্ণকেও মহতেরা প্রেমস্বরূপই অনুভব করে থাকেন,কোন মহানুভব বলেছেন, "প্রেম হরিকা রূপ হ‍্যায়,হরি হ‍্যায় প্রেমস্বরূপ।এক হ‍্যায়,দো করি লখে,জোঁউ সূরয আউর ধুপ"।।*
*পক্ষান্তরে প্রেম সাধ‍্য এবং নাম সাধন হলেও নামসাধন অন‍্যান‍্য সাধনাঙ্গের মত নহে,নামকীর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিরপরাধীর চিত্তে তৎক্ষণাৎ প্রেমের সঞ্চার হয় বলিয়া নামকীর্তন ও প্রেমকে অভিন্ন বলা।হয়েছে।শ্রীকৃষ্ণনামের এই মহিমা নিত‍্যকাল থাকলেও শ্রীমন্মহাপ্রভুই ইহা বিশ্বে প্রচার করেছেন।* *তিনি যে কবল শিক্ষার দ্বারায় ইহা প্রচার করেছেন তা নহে,কিন্তু তিনি সপার্ষদে নামসঙ্কীর্তন নৃত‍্য কীর্তনরঙ্গে প্রেমরসকে এমনভাবে মূতিমন্ত করে তুলেছেন যে, হরিনাম সংকীর্তনই যে গোলোকের প্রেমধন,ইহা সকলের মর্মে মর্মে অনুভব করিয়েছেন।*
       ক্রমশ



*🙏শ্রীমন্মহাপ্রভুর পুরীধামে রথাগ্রে সপার্ষদ নৃত‍্যকীর্তন বর্ণনায় শ্রীকবিরাজ গোস্বামীপাদ লিখেছেন=*
*সাত সম্প্রদায়ে বাজে চৌদ্দমাদল*।
*যার ধ্বনি শুনি বৈষ্ণব হইল পাগল।।*
*শ্রীবৈষ্ণব-ঘটামেঘে হইল বাদল।*
*সঙ্কীর্তনামৃতসহ বর্ষে নেত্রজল।।*
*ত্রিভূবন ভরি উঠি সঙ্কীর্তনধ্বনি।*
*অন‍্য বদ‍্যাদির ধ্বনি কিছুই না শুনি।।*
*সাত ঠাঞি বুলে প্রভু 'হরিহরি'বলি।*
*জয় জয় জগন্নাথ কহে হস্ত তুলি*।।
••••••• ••••••• •••••• •••••
••••••• ••••••• •••••• ••••••
*উদ্দন্ড নৃত‍্যে প্রভু করিয়া হুঙ্কার।*
*চক্রভ্রমি ভ্রমে যৈছে আলাত-আকার।।*
*নৃত‍্যে প্রভুর যাঁহা যাঁহা পড়ে পদতল।*
*সসাগর শৈল মহী করে টলমল।।*
*স্তম্ভ স্বেদ পুলকাশ্রু কম্প বৈবর্ণ।*
*নানাভাবে বিবশতা গর্ব হর্ষ দৈন‍্য*।।
*আছাড় খাইয়া পড়ি ভূমি গড়ি যায়।*
*সুবর্ণপর্বত যেন ভূমিতে লোটায়।।*
*নিত‍্যানন্দপ্রভু দুই হস্ত প্রসারিয়া।*
*প্রভুকে ধরিতে বুলে আশে পাশে ধাঞা।।*
*প্রভু পাছে বুলে আচার্য‍্য করিয়া হুঙ্কার।*
*হরিদাস"হরিবোল"বোলে বারবার।।*
*(চৈঃ চরিতামৃত মধ‍্য=১৩শ পরিচ্ছদ)*
*🙏এই অদ্ভুত দৃশ্য নয়নে দর্শন দূরে থাকুক-- ইঁহার কীর্তনে স্মরণেও যে প্রেমের সঞ্চার হবে,তা বলাই বাহুল‍্য। ঠাকুরমহাশয় খুব আক্ষেপের সঙ্গে বলেছেন,""রতি না জন্মিল কেনে তায়""।* *সংসার বিষানলে,দিবানিশি হিয়া জ্বলে, জুড়াইতে না কৈনু উপায়।* *অহো!এইরকম প্রেমময় হরিনাম-সঙ্কীর্তনে আমার রতি জন্মিল না।দেহ-দৈহিকাদি বস্তুতে আসক্তিরূপ বিষানলে হিয়া বা চিত্ত-মন সবসময় দগ্ধ হচ্ছে, এই বিষানলের জ্বালা জুড়াবার কোন উপায় করলাম না।* *ঠাকুরমহাশয় প্রেমময় বিগ্রহ হয়েও যে দৈন‍্যের সঙ্গে আক্ষেপ করছেন।প্রীতির সঙ্গে নামকীর্তনে সহসা প্রেমলাভ এবং অভীষ্ট ভগবৎসেবালাভ হয়ে থাকে।কৃষ্ণেতর জড়ীয় বস্তুর অভিনিবেশে (মনোযোগে) জীবের হৃদয়কে বিষানলের জ্বালার মতো দিনরাত দগ্ধ করে থাকে।* *বিষানলের জ্বালা বলতে ভিতর বাহির অসহনীয় জ্বালা বুঝা যাচ্ছে।অতি বিষধর সাপ দংশন করলে যেমন দেহটি মনে হয় পুড়ে যাচ্ছে,বোধ হয়,তার ভিতর বাহিরে যে জ্বালার অনুভব হয়,সংসারে আসক্ত জীবকে অনাদিকাল হতে ভোগ করতে হচ্ছে।* *মহদ আশ্রয়ে শ্রীহরির চরণে শরণাগত হয়ে ভজন-সাধনই এই সংসারবিষানলের জ্বালা জুড়াবার একমাত্র উপায়।*
*🌻যদি আমাদের মনে হয়,অনাদিকাল হতে মায়াবন্ধনে বদ্ধ, অতি অধম,দুরাচারী,সংসারাসক্ত মানবের পক্ষে সংসারাসক্তি ত‍্যাগ করে ভজনপথাশ্রয় করা কি সম্ভব?* *তাই ঠাকুরমহাশয় দীন হীন পতিতজীবের প্রাণে আশার আলো সঞ্চার করে বললেন,ব্রজেন্দ্রনন্দন যেই,শচীসুত হৈল সেই,বলরাম হইল নিতাই।* *দীন হীন যত ছিল,হরিনামে উদ্ধারিল,তার সাক্ষী জগাই মাধাই।।* *এই কলিতে কলিহত দীনহীন পতিতপামর জীবকুলকে উদ্ধার করে প্রেমদানে ধন‍্য করবার জন্যই পতিতপাবন শ্রীশীনিতাই-গৌরের অবতার।এইজন‍্য ব্রজেন্দ্রনন্দন শ্রীকৃষ্ণ শচীরনন্দন এবং বলরাম নিতাইচাঁদ হয়েছেন।*
*🌻শ্রীচৈতন‍্য ভাগবতে (মধ‍্য ৬ষ্ঠ অধ‍্যায়ে) শ্রীমন্মহাপ্রভুর গৌর-আনা ঠাকুর শ্রীঅদ্বৈতাচার্য‍্যপ্রভুকে বর দান প্রসঙ্গে ব‍্যাসাবতার শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর লিখেছেন,*
*আপন গলার মালা অদ্বৈতেরে দিয়া।*
*বর মাগ বর মাগ - বলেন হাসিয়া*।।
*শুনিয়া অদ্বৈত কিছু না করে উত্তর।*
*মাগ মাগ' পুনঃপুনঃ বলে বিশ্বম্ভর।।*
••••••••• •••••••• ••••••••
•••••••••• ••••••••• •••••••••
*মাথা ঢুলাইয়া বলে প্রভু বিশ্বম্ভর।*
*তোমার নিমিত্তে আমি হইনু গোচর।।*
*ঘরে ঘরে করিমু কীর্তন পরচার।*
*মোর যশে নাচে যেন সকল সংসার।।*
*ব্রহ্মা-শিব-নারদাদি যাহা বাঞ্জা করে।*
*হেন ভক্তি বিলাইমু বলিনু তোমারে।।*
*অদ্বৈত বলয়ে 'যদি ভক্তি বিলাইবা।*
*স্ত্রী,শূদ্র আদি যত মূর্খেরে সে দিবা।।*
*বিদ‍্যা ধন কুল আদি তপস‍্যার মদে।*
*তোর ভক্ত তোর ভক্তি যে যে জন বাধে।।*
*সে পাপিষ্ঠ সব দেখি মরুক পুড়িয়া।*
*চন্ডালো নাচুক তোর নাম গুণ গাইয়া।।*
*অদ্বৈতের বাক‍্য শুনি করিলা হুঙ্কার।*
*প্রভুবলে সত‍্য সে তোমার অঙ্গীকার।।*
*🌻ঠাকুরমহাশয় "ব্রজেন্দ্রনন্দন" বলে শ্রীকৃষ্ণের পিতৃনামের পরিচয় দিয়া "শচীসুত"বলে মাতৃনামে মহাপ্রভুর পরিচয় প্রদান করলেন,এতে শ্রীকৃষ্ণ অপেক্ষা মহাপ্রভুতে যে দীন হীন জীবের প্রতি মাতৃজনোচিত সমধিক করুণার বিকাশ হয়েছে, ইহা প্রতিপাদন করলেন।* *পরম কারুণ‍্য ঘনবিগ্রহ প্রভু নিতাইচাঁদ আবার পতিত উদ্ধারণ লীলায় কারুণ‍্যে সাক্ষাৎ শ্রীমন্মহাপ্রভুকেও যে অতিক্রম করেছেন,তার সাক্ষী জগাই মাধাই।* *সর্বজন জানেন,জগাই মাধাই উদ্ধার লীলায় শ্রীশ্রীগৌরনিতাইয়ের দীনহীন পতিতজনকে হরিনামে উদ্ধারের জ্বলন্ত সাক্ষী।* 
*ক্রমশ*


 *তারপর বললেন,"হা হা প্রভু নন্দসুত,বৃষভানু সুতাযুত,করুণা করহ এইবার",শ্রীবৃষভানুনন্দিনীর সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের করুণা কামনা করছেন পূজ‍্যপাদ ঠাকুরমহাশয়।শ্রীশ্রীযুগলমাধুরীই গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণের উপাস‍্য।শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণ-উপাসনা ছাড়া যে শ্রীকৃষ্ণমাধুরী আস্বাদনের কোন উপায় নেই,ইহা শ্রীগোস্বামীপাদগণ নানা জায়গায় নানাভাবে বর্ণনা করেছেন।* *শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ তাই "শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণার্চন-দীপিকার" উপসংহারে লিখেছেন=*
*রাধা বৃন্দাবনে যদ্বত্তদ্বদদামোদরো হরিঃ।*
*দর্শিতেষু চ শাস্ত্রেষু তদযুগ্মং তত্তদীশিতুঃ।।*
*রাধায়া-মাধবো দেবো মাধবেনৈব রাধিকা।*
*বিভ্রাজন্তে জনেষ্বেতি পরিশিষ্ট বচস্তথা।।*
*কার্তিকব্রতচর্য‍্যায়ামতস্তে যুগ্মদেবতে।*
*রাধাদামোদরভিখ‍্যে বীক্ষ‍্যেতে লোক শাস্ত্রয়োঃ।।*
*কিং বহূক্ত‍্যা কুন্ডযুগ্মং তয়োর্যুগ্মেন বক্ষ‍্যতে।*
*শাস্ত্রে চ দর্শিতা তস্মাৎ কৈমুত‍্যাদযুগ্মতা তয়োঃ।।*
*উমা-মহেশ্বরৌ কেচিৎ লক্ষ্মী-নারায়ণৌ পরে।*
*তে ভজন্তাং ভজামস্তু রাধাদামোদরৌ বয়ম্।।*
*🙏তাৎপর্য‍্য এই যে,শ্রীবৃন্দাবনে শ্রীরাধারাণীর নিত‍্যবাসের মতো শ্রীদামোদর শ্রীকৃষ্ণের নিত‍্য বাস শাস্ত্র প্রমাণে জানা যায়।* *ঋক্ পরিশিষ্টে শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে লীলাময় শ্রীমাধব এবং মাধবের সঙ্গে শ্রীরাধা বৃন্দাবনে লোকসমাজে দেদীপ‍্যমান(প্রজ্বলিত,বা প্রদীপ্ত) আছেন বলে শ্রীরাধামাধবের উপাসনার সুস্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায়।* *কার্তিক-ব্রতাচরণেও শ্রীরাধা দামোদরের যুগ্ম(যুগল)দেবতারূপে লোকতঃ এবং শাস্ত্রতঃ প্রসিদ্ধি রয়েছে।*
*বেশী কি আর বলা যাবে ব্রজমন্ডলে শ্রীরাধাকুন্ড এবং শ্রীশ‍্যামকুন্ডদ্বয় যুগ্মরূপে আবহমান কাল হতে বিরাজ করছেন।* *সুতরাং শ্রীরাধার সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের নিত‍্যযুগ্ম অবস্থান বুঝা যায়।কেউ উমা-মহেশ্বর,কেউ বা লক্ষ্মী-নারায়ণ যুগ্মরূপের উপাসনা করেন,তেমনি আমরা শ্রীশ্রীরাধাদামোদরের যুগ্মরূপে উপাসনা করে থাকি।* *অথবা প্রকরণানুসারে (কার্য‍্যানুসারে)এই অংশের এইপ্রকার ব‍্যাখ‍্যাও হতে পারে যে,হে বৃষভানুসুতা শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে একাত্মতা পেয়ে স্বয়ং ভগবান নন্দনন্দন শ্রীমন্মহাপ্রভু।* *"তুমি এইবার আমার প্রতি কৃপাদৃষ্টিপাত কর"।তোমা'বিনা বিশ্বে আমার আর কেউ নেই,অতএব রাঙ্গাচরণে ঠেলিয়া দিও না,নিজগুণে শ্রীচরণে স্থান দিয়ে ধন‍্য কর", "নরোত্তম দাস কয়,না ঠেলিহ রাঙ্গাপায়,তোমা বিনা কে আছে আমার"।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





*মো সম পতিত নাই,* 🏵️ *ত্রিভূববনে দেখ চাই,* 🏵️ *নরোত্তম পবন নাম ধর।* 🏵️ *ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,* 🏵️ *নিজ দাস কর গিরিধর।। ❇️ ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_30.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                   ꧁ *মো সম পতিত নাই,* 
                  ꧁ *ত্রিভূববনে দেখ চাই,* 
                  *নরোত্তম পবন নাম ধর।* 
        ꧁ *ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,* 
                ꧁ *নিজ দাস কর গিরিধর।।* 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🙏মো সম পতিত নাই,*
      *ত্রিভূববনে দেখ চাই,*
   *নরোত্তম পবন নাম ধর।*
*ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,*
    *নিজ দাস কর গিরিধর।।*
*🙏শ্রীঠাকুরমহাশয়ের অতি নম্রভাব ক্রমশ বর্ধিত (বেড়ে)হয়ে পরাকাষ্ঠা (চরমসীমা)প্রাপ্ত হয়েছে।এতাদৃশ (এইপ্রকার)দৈন‍্যে (অতি নম্রভাব) প্রেমেরই পরিপাক বিশেষ।* *""দৈন‍্যন্তু পরমং প্রেমণঃ পরীপাকেণ জন‍্যতে""(বৃঃভাঃ ২|৫|২২৪),দৈন‍্যের পরিপাকদশায় প্রেম যতই গাঢ়তা প্রাপ্ত হয়,অভীষ্টের সেবার জন্য উৎকণ্ঠাও ততই বেড়ে যেতে থাকে।* *⭐সুতরাং উৎকণ্ঠার উৎকর্ষ দ্বারা প্রেমেরও উৎকর্ষ (আকর্ষণ)অনুমিত (লক্ষণ)হয়ে থাকে।দৈদ‍্য ৎ উৎকণ্ঠা প্রেমেরই স্বরূপগত ধর্ম।দৈন‍্যই অভীষ্টের কৃপা আকর্ষণ করে এবং দৈন‍্যেই কৃপার স্থিতি হয়,তাই সাধনকারীর প্রয়োজন কায়মনোবাক‍্যে সবসময় দৈন‍্যকে সযত্নে রক্ষা করা।*
*যয়া বাচেহয়া দৈন‍্যং মত‍্যা চ স্থৈর্য‍্যমেতি তৎ।*
*তাং যত্নেন ভজেদ্বিদ্বাংস্তদ্বিরুদ্ধানি বর্জয়েৎ।।*
       *(বৃহৎ ভাগবত=২|৫|২২৩)*
*🌻যে বাক‍্য দ্বারা,যে চেষ্টা দ্বারা এবং যে বুদ্ধিদ্বারা দৈন‍্য স্থির প্রাপ্ত হয়,বুদ্ধিমান সাধক যত্নসহকারে তদনুরূপ আচরণ করবেন এবং তার বিরুদ্ধ আচরণ বর্জন করবেন।*
*শ্রীঠাকুরমহাশয় প্রেমের মূর্তি, সুতরাং দৈন‍্য তাঁর স্বতঃসিদ্ধ সম্মদ্, তাই পরম দৈন‍্যের আবেগে বলছেন, "মো সম পতিত নাই,ত্রিভূবনে দেখ চাই,নরোত্তম পাবন নাম ধর"। হে প্রভু শ্রীকৃষ্ণ!এই ত্রিভূবনে আমার মতো পতিত ও অধম আর কেউই নাই।তুমি একটু বিচার করে দেখলে খুব সহজেই বুঝতে পারবে। ইহাই প্রকৃত দৈন‍্যের স্বভাব। প্রকৃতই পাপী,তাপী অধম পতিত যারা,তারা নিজেকে পাপী বা তাপী বলে মনে করে না।যাঁরা অপাপ বিদ্ধ মহাত্মা,যাঁদের শ্রীচরণরেণুর স্পর্শে বিশ্ব পবিত্র হয়ে থাকে,তাঁরা নিজেকে ত্রিভূবনের সর্বাপেক্ষা পাপী,তাপী,অধম,পতিত বা জগতের ভারস্বরূপ বলে মনে করেন।সুতরাং এই দেন‍্য সাধারণ নহে, অসাধারণ মহাগুণশালিনী যে ভাগবতী ভক্তি তা হতে জন্ম এই "দৈন‍্য" ভক্তের মহাগুণ বা মহাবিভূষণ বিশেষ।* 
    ক্রমশ
 *এই দৈন‍্য ভূষণে ভূষিত হয়েই ভক্ত ভগবৎকৃপাকে আকর্ষণ করে থাকেন।ঠাকুরমহাশয় বলছেন,হে প্রভো!তুমি আমায় উদ্ধার করে "নরোত্তম পাবন"নামটি ধারণ কর।তোমার অনন্ত নামের মধ্যে সর্বাধিক পতিতকে উদ্ধার করবার সাক্ষীস্বরূপ এই নামটি বিশ্বে ঘোষিত হয়ে পাপী তাপীদের অন্তরে আশার সঞ্চার করুক,"ঘুষুক সংসারে নাম,পতিত-পাবন শ‍্যাম,নিজ দাস কর গিরিধর"।হে শ‍্যাম!পতিত উদ্ধারের পরাকাষ্ঠা স্বরূপ এই "নরোত্তম পাবন"নামটি তোমার বিশ্বে ঘোষিত হয়ে অধম পতিতদের তোমার শ্রীচরণ ভজনে উদ্বুদ্ধ(জ্ঞানের উদয়) করে তুলুক।হে গিরিধর!প্রভো!তুমিএই দীনজনকে নিজ দাস করে সেবাদানে ধন‍্য কর।এখানে গিরিধর সম্বোধনের তাৎপর্য‍্য এই যে,শ্রীকৃষ্ণ ইন্দ্রযাগ খন্ডন করে শ্রীগোবর্ধনের পূজা প্রবর্তন করলে ইন্দ্র কুপিত হয়ে ব্রজধ্বংসের সংকল্প করে প্রলয়কালীন মেঘগণকে নিয়োজিত করে ভয়াবহ ঝড়বৃষ্টি সৃষ্টি করেন।তখন শ্রীকৃষ্ণ ব্রজবাসীকে রক্ষা করবার জন্য সাতদিন-রাত সুবিশাল গোবর্ধন পর্বতকে বামহাতের কনিষ্ঠ অঙ্গুলে ধারণ করে তাঁদেরকে নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছিলেন।ঠাকুরমহাশয় বলছেন,হে গিরিধর! কামাদি রিপুগণ প্রলয়কালীন মেঘের মতো অনর্থ বর্ষণ করে আমায় ভাসিয়ে দুঃখ সিন্ধুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে,প্রভো!তুমিসআমায় তোমার শ্রীচরণাতপত্রের ছায়ায় জায়গা দিয়েষরক্ষা করে তোমার গিরিধর নামের সার্থকতা বিধান কর।*
  *🌻বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🌻*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






মো সম পতিত নাই,* *ত্রিভূববনে দেখ চাই,* *নরোত্তম পবন নাম ধর।* *ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,* *নিজ দাস কর গিরিধর।।* ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_30.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                   ꧁ *মো সম পতিত নাই,* 
                  ꧁ *ত্রিভূববনে দেখ চাই,* 
                  *নরোত্তম পবন নাম ধর।* 
        ꧁ *ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,* 
                ꧁ *নিজ দাস কর গিরিধর।।* 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🙏মো সম পতিত নাই,*
      *ত্রিভূববনে দেখ চাই,*
   *নরোত্তম পবন নাম ধর।*
*ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,*
    *নিজ দাস কর গিরিধর।।*
*🙏শ্রীঠাকুরমহাশয়ের অতি নম্রভাব ক্রমশ বর্ধিত (বেড়ে)হয়ে পরাকাষ্ঠা (চরমসীমা)প্রাপ্ত হয়েছে।এতাদৃশ (এইপ্রকার)দৈন‍্যে (অতি নম্রভাব) প্রেমেরই পরিপাক বিশেষ।* *""দৈন‍্যন্তু পরমং প্রেমণঃ পরীপাকেণ জন‍্যতে""(বৃঃভাঃ ২|৫|২২৪),দৈন‍্যের পরিপাকদশায় প্রেম যতই গাঢ়তা প্রাপ্ত হয়,অভীষ্টের সেবার জন্য উৎকণ্ঠাও ততই বেড়ে যেতে থাকে।* *⭐সুতরাং উৎকণ্ঠার উৎকর্ষ দ্বারা প্রেমেরও উৎকর্ষ (আকর্ষণ)অনুমিত (লক্ষণ)হয়ে থাকে।দৈদ‍্য ৎ উৎকণ্ঠা প্রেমেরই স্বরূপগত ধর্ম।দৈন‍্যই অভীষ্টের কৃপা আকর্ষণ করে এবং দৈন‍্যেই কৃপার স্থিতি হয়,তাই সাধনকারীর প্রয়োজন কায়মনোবাক‍্যে সবসময় দৈন‍্যকে সযত্নে রক্ষা করা।*
*যয়া বাচেহয়া দৈন‍্যং মত‍্যা চ স্থৈর্য‍্যমেতি তৎ।*
*তাং যত্নেন ভজেদ্বিদ্বাংস্তদ্বিরুদ্ধানি বর্জয়েৎ।।*
       *(বৃহৎ ভাগবত=২|৫|২২৩)*
*🌻যে বাক‍্য দ্বারা,যে চেষ্টা দ্বারা এবং যে বুদ্ধিদ্বারা দৈন‍্য স্থির প্রাপ্ত হয়,বুদ্ধিমান সাধক যত্নসহকারে তদনুরূপ আচরণ করবেন এবং তার বিরুদ্ধ আচরণ বর্জন করবেন।*
*শ্রীঠাকুরমহাশয় প্রেমের মূর্তি, সুতরাং দৈন‍্য তাঁর স্বতঃসিদ্ধ সম্মদ্, তাই পরম দৈন‍্যের আবেগে বলছেন, "মো সম পতিত নাই,ত্রিভূবনে দেখ চাই,নরোত্তম পাবন নাম ধর"। হে প্রভু শ্রীকৃষ্ণ!এই ত্রিভূবনে আমার মতো পতিত ও অধম আর কেউই নাই।তুমি একটু বিচার করে দেখলে খুব সহজেই বুঝতে পারবে। ইহাই প্রকৃত দৈন‍্যের স্বভাব। প্রকৃতই পাপী,তাপী অধম পতিত যারা,তারা নিজেকে পাপী বা তাপী বলে মনে করে না।যাঁরা অপাপ বিদ্ধ মহাত্মা,যাঁদের শ্রীচরণরেণুর স্পর্শে বিশ্ব পবিত্র হয়ে থাকে,তাঁরা নিজেকে ত্রিভূবনের সর্বাপেক্ষা পাপী,তাপী,অধম,পতিত বা জগতের ভারস্বরূপ বলে মনে করেন।সুতরাং এই দেন‍্য সাধারণ নহে, অসাধারণ মহাগুণশালিনী যে ভাগবতী ভক্তি তা হতে জন্ম এই "দৈন‍্য" ভক্তের মহাগুণ বা মহাবিভূষণ বিশেষ।* 
    ক্রমশ
 *এই দৈন‍্য ভূষণে ভূষিত হয়েই ভক্ত ভগবৎকৃপাকে আকর্ষণ করে থাকেন।ঠাকুরমহাশয় বলছেন,হে প্রভো!তুমি আমায় উদ্ধার করে "নরোত্তম পাবন"নামটি ধারণ কর।তোমার অনন্ত নামের মধ্যে সর্বাধিক পতিতকে উদ্ধার করবার সাক্ষীস্বরূপ এই নামটি বিশ্বে ঘোষিত হয়ে পাপী তাপীদের অন্তরে আশার সঞ্চার করুক,"ঘুষুক সংসারে নাম,পতিত-পাবন শ‍্যাম,নিজ দাস কর গিরিধর"।হে শ‍্যাম!পতিত উদ্ধারের পরাকাষ্ঠা স্বরূপ এই "নরোত্তম পাবন"নামটি তোমার বিশ্বে ঘোষিত হয়ে অধম পতিতদের তোমার শ্রীচরণ ভজনে উদ্বুদ্ধ(জ্ঞানের উদয়) করে তুলুক।হে গিরিধর!প্রভো!তুমিএই দীনজনকে নিজ দাস করে সেবাদানে ধন‍্য কর।এখানে গিরিধর সম্বোধনের তাৎপর্য‍্য এই যে,শ্রীকৃষ্ণ ইন্দ্রযাগ খন্ডন করে শ্রীগোবর্ধনের পূজা প্রবর্তন করলে ইন্দ্র কুপিত হয়ে ব্রজধ্বংসের সংকল্প করে প্রলয়কালীন মেঘগণকে নিয়োজিত করে ভয়াবহ ঝড়বৃষ্টি সৃষ্টি করেন।তখন শ্রীকৃষ্ণ ব্রজবাসীকে রক্ষা করবার জন্য সাতদিন-রাত সুবিশাল গোবর্ধন পর্বতকে বামহাতের কনিষ্ঠ অঙ্গুলে ধারণ করে তাঁদেরকে নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছিলেন।ঠাকুরমহাশয় বলছেন,হে গিরিধর! কামাদি রিপুগণ প্রলয়কালীন মেঘের মতো অনর্থ বর্ষণ করে আমায় ভাসিয়ে দুঃখ সিন্ধুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে,প্রভো!তুমিসআমায় তোমার শ্রীচরণাতপত্রের ছায়ায় জায়গা দিয়েষরক্ষা করে তোমার গিরিধর নামের সার্থকতা বিধান কর।*
  *🌻বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🌻*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






দেবলোক পিতৃলোক, পায় তারা মহাসুখ, 🏵️ সাধু সাধু বলে অনুক্ষণ। 🏵️ যুগল ভজন যারা, প্রেমানন্দে ভাসে তারা, 🏵️ তাহার নিছনি ত্রিভূবন।। 🏵️ ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/home-page-pdf-httpsmrinmoynandy_38.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ *দেবলোক পিতৃলোক, পায় তারা মহাসুখ,* ꧂
               ꧁ *সাধু সাধু বলে অনুক্ষণ।* ꧂
  ꧁ *যুগল ভজন যারা, প্রেমানন্দে ভাসে তারা,* ꧂
             ꧁ *তাহার নিছনি ত্রিভূবন।।* ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐
*দেবলোক পিতৃলোক, পায় তারা মহাসুখ,*
     *সাধু সাধু বলে অনুক্ষণ।*
*যুগল ভজন যারা, প্রেমানন্দে ভাসে তারা,*
    *তাহার নিছনি ত্রিভূবন।।*
⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐
*অনন‍্যভজননিষ্ঠ(যাঁরা একমন ও মুখ নিয়ে শ্রীযুগল শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দ ছাড়া আর অন‍্য কোন ভজন করেন না)ভগবৎপরায়ণ ভক্ত সবসময় স্বীয়(নিজ)উপাস‍্য ভগবানের আরাধনায় নিবিষ্ট(মনোযোগী)থাকবেন,কখনই অন‍্যান‍্য দেবতার আরাধনা করবেন না; কারণ এতে তাঁদের অনন‍্যভক্তির ক্ষতির কথা পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।এতে অনেকের অনেক মতামত হতে পারে,কিন্তু স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন,হে পার্থ!তুমি কেবল আমার প্রতি সবকিছু রেখ,আমাকে পূজো করলেই সকল দেবদেবী সন্তুষ্ট হবেন।আমা হতেই সকলের সৃষ্টি।যাইহোক এক্ষণে পিতৃঋণ এবং দেবঋণ পরিশোধের জন্য যে দেবগণের ও পিতৃগণের আরাধনার কথা শোনা যায়,ভক্তগণের সেই ঋণশোধের উপায় কি?* *অর্থ‍্যাৎ পিতৃঋণ এই দেহাদি প্রাপ্তির হেতু এবং বৃষ্টি প্রভৃতি দানের দ্বারা দেবগণ দেহরক্ষার হেতু হয়ে থাকেন।* *এইজন‍্যই তাঁদের আরাধনা অর্থ‍্যাৎ পিন্ডদানাদির দ্বারা পিতৃগণের এবং যাগযজ্ঞ বা ভোগাদি অর্পণের দ্বারা দেবগণের আরাধনার বিধি শাস্ত্রে দেখা যায়।* *যাঁরা অন‍্য কোন দেবতার আরাধনা না করে একনিষ্ঠভাবে ভগবৎ-সেবাপরায়ণ হয়েছেন,তাঁদের সেই পিতৃঋণ এবং দেবঋণশোধের উপায় কি?* *এই প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, "দেবলোক পিতৃলোক,পায় তারা মহাসুখ,সাধু সাধু বলে অনুক্ষণ"।🌻বৃক্ষের মূলে জল সেচন করলে যেমন বৃক্ষের শাখা প্রশাখা সব পরম তুষ্টি লাভ করে বা সুখী হয়ে থাকে,তেমনি সর্বদেব ও পিতৃগণের মূলস্বরূপ শ্রীকৃষ্ণের আরাধনায় সমস্ত দেবদেবী ও পিতৃমাতৃলোক পরম সুখ লাভ করে থাকেন।তাই ""কাম ত‍্যাগি কৃষ্ণভজে শাস্ত্র-আজ্ঞা মানি।দেব-ঋষি-পিত্রাদিকের কভু নহে ঋণী""।* *(চৈঃচঃ)(শ্রীমদ্ভাগত ১১|৫|৪১)মহর্ষি করভাজন নিমি রাজার প্রতি বলেছেন=*
*"দেবর্ষিভূতাপ্তনৃণাং পিতৃণাং ন কিঙ্করো নায়মৃণী চ রাজন। সর্বাত্মনা যঃ শরণং শরণ‍্যং গতো মুকুন্দং পরিহৃত‍্য কর্তম।।

অর্থ‍্যাৎ হে রজন!যিনি সর্ববিধ কৃত‍্যকর্ম পরিহার (সবরকম অন‍্যান‍্য কর্ম বাদ দিয়ে) সর্বতোভাবে শরণাগত পালক শ্রীমুকুন্দের শরণ গ্রহণ করেছেন, তিনি আর দেবতা,ঋষি,পোষ‍্য-কুটুম্বাদি বা পিতৃগণের নিকট ঋণী থাকেন না, সুতরাং তিনি তাঁদের কিঙ্করও বা চাকরও নহেন।* *(এই শ্লোকের টীকায় শ্রীধরস্বামী লিখেছেন)"ভক্তস‍্য বিধিনিষেধনিবৃতেঃ কৃতকৃত‍্যতামাহ দেবর্ষীতি।আপ্তাঃ পোষ‍্যাঃ কুটুম্বিনঃ ইতরে দেবাদয়ঃ পঞ্চযজ্ঞদেবতাঃ এতেষাং যথা অভক্ত ঋণী অতএব তেষাং কিঙ্করস্তদর্থং নিত‍্যং পরিত‍্যজ‍্য।...............অয়ন্তু ন তথা। কোহস‍্য যঃ সর্বভাবেন শ্রীমুকুন্দং শরণং গতঃ।কর্তং কৃত‍্যং পরিত‍্যজ‍্য।যদ্বা কর্তং ভেদং পরিহৃত‍্য।কৃতীছেদন ইত‍্যস্মাৎ।বাসুদেবঃ সর্বমিতি বুদ্ধ‍্যেত‍্যর্থঃ""। অর্থ‍্যাৎ ""ভক্তের বিধিনিষেধ স্বতঃই(নিজ হতেই)নিবৃত্ত(বিরত)হওয়ায় তাঁদের কৃতকৃত‍্যতা (আরম্ভ কিন্তু অসম্পন্ন)বা কৃতার্থতা এই শ্লোকে বলা হয়েছে।"আপ্তা"শব্দের অর্থ পোষ‍্যজন বা কুটুম্ব সকল।অন‍্যান‍্য যে দেবাদি অর্থ‍্যাৎ পঞ্চ যজ্ঞদেবতা, বিষ্ণুভক্তিহীন সাধারণ মানুষ যেমন এঁদের নিকট ঋণী ; অতএব এঁদের কিঙ্করও,এইজন‍্যই এরা নিত‍্য পঞ্চবিধ যজ্ঞ করে থাকেন।যাঁরা সর্বতোভাবে শ্রীমুকুন্দের শরণাগত হয়েছেন,তাঁরা এঁদের মতো নহেন।কি ভাবে শরণাগত হয়েছেন? না,সর্ববিধ কৃত‍্যাকৃত‍্যকর্ম বা ভেদ পরিত‍্যাগ অর্থ‍্যাৎ সবই শ্রীবাসুদেব এই বুদ্ধিতে""।* *সকলের মূল বাসুদেব সন্তুষ্ট হলে (বৃক্ষমূলে জলসেচনে শাখা-প্রশাখাদির মতো)স্বতঃই অন‍্যান‍্য দেবতা,পিতৃগণ, ভূতগণ সকলেই তাঁদের নিজ সেবন অপেক্ষা হাজার গুণ আনন্দ লাভ করে থাকেন।* *তাই কুলে বৈষ্ণব জন্ম হলে পরলোকে পূর্বপুরুষেরা মহাসুখে নৃত‍্য করে থাকেন।তাঁরা মনে করে থাকেন "ইনিই আমাদের কুলের পরিত্রাণ-কর্তা হবেন। "নৃত‍্যন্তি পিতরঃ সর্বে নৃত‍্যন্তি চ পিতামহাঃ।মদ্বংশে বৈষ্ণবো জাতঃ স মে ত্রাতা ভবিষ‍্যতি।। শ্রীকৃষ্ণভজনকারী ভক্তগণের প্রতি পরম প্রসন্ন হয়ে সকলেই "সাধু সাধু"বলে সবসময় তাঁদের ভূয়সী প্রশংসা করে থাকেন।*
       ক্রমশ
*তারপর বললেন,"যুগল ভজন যারা, প্রেমানন্দে ভাসে তারা,তাহার নিছনি ত্রিভূবন"।যাঁরা শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের ভজন করেন,তাঁরা প্রেমানন্দে রসসায়রে ভাসমান হয়ে থাকেন, ত্রিভূবনের জনগণ পরম ভক্তিভরে তাঁদেরকে নির্মঞ্জন(আরাধনা বা আরতি)করে থাকেন।অতি রহস‍্যময় ও বেদগোপ‍্য এই যুগল উপাসনা,এই বিশেষ কলিতে শ্রীগৌরাঙ্গমহাপ্রভুর অনর্পিতচরী করুণার অবদান এবং তাঁর শ্রীচরণাশ্রিত আচার্য‍্যপাদগণ কর্তৃক জীবগোস্বামীপাদ তাঁর তত্ত্ব,পরমাত্ম,ভগবৎ ও শ্রীকৃষ্ণ এই চারটি সন্দর্ভে সম্বন্ধতত্ত্ব নিরূপণ করে সর্বশেষ বলেছেন,""তদেবং সন্দর্ভচতুষ্টয়েন সম্বন্ধেো ব‍্যাখ‍্যাতঃ। তস্মিন্নপি সম্বন্ধে শ্রীরাধামাধবরূপেণৈব প্রাদুর্ভাবস্তস‍্য সম্বন্ধিনঃ পরমঃ প্রকর্ষঃ। তদুক্তং শ্রুত‍্যা 'রাধয়া মাধবো দেব' ইতি। এদর্থমেব ব‍্যতানিষমিমাঃ সর্বা অপি পরিপাটীরীতি পূর্ণঃ সম্বন্ধঃ।।(শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভঃ=১৮৯ অনুচ্ছেদ), তাৎপয‍্য এই যে, "শ্রীভগবৎসন্দর্ভের চারটি সন্দর্ভে সম্বন্ধতত্ত্ব বা উপাস‍্যতত্ত্ব ব‍্যাখ‍্যাত হয়েছে।সম্বন্ধতত্ত্ব ভগবানের বহুবিধ প্রকাশ।তারমধ‍্যে শ্রীরাধামাধবরূপে যে প্রাদুর্ভাব(আবির্ভাব),তাতেই পরম উৎকর্ষ বিদ‍্যমান।তার করণ এই যে,শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং ভগবান =বিশ্ব ভগবৎস্বরূপের মূলতত্ত্ব।ঐশ্বর্য‍্যে,ভগবত্তায়,পরিপূর্ণতম তত্ত্ব হয়েও সাক্ষাৎ মাধুর্য‍্যেরই মূর্তি।এইরকম অধরবিম্বে মধুর,মন্দহাস‍্যে মঞ্জুল,(সৌন্দর্য‍্যতা),অমৃতনাদে শিশির,দৃষ্টিপাতে শীতল,বেণুনাদে বিশ্রুত ভগবৎস্বরূপ আর অন‍্য কেউ নাই।(বিশ্রুত=অতীব মধুর ধ্বনি)* *আবার মাদনাখ‍্য মহাভাববতী রাধারাণীর সন্নিধ‍্যে (কাছে) শ্রীকৃষ্ণমাধুর্য‍্যসিন্ধু সবসময় উত্তাল হয়ে উঠে।তাই শ্রুতি বলেছেন="রাধাদ্বারা মাধব দীপ্তিমান"ইত‍্যাদি।শ্রীরাধামাধবের পরম উৎকর্ষ খ‍্যাপনের(গুণকীর্তন)জন‍্য এই সকল বিচার-পরিপাটী উপস্থিত করা হয়েছিল, এক্ষণে বৃন্দাবনে যুগলিত(কুঞ্জবিহার পরায়ণ) শ্রীশ্রীরাধামাধব পরমস্বরূপ ও পরমতত্ত্বের চরম সীমারূপে নিশ্চিত হওয়ায় এই সম্বন্ধ বিচার সম্পূর্ণ হল।* *শ্রীঠাকুরমহাশয় বলছেন,যাঁরা যুগলভজন করেন,তাঁরা প্রেমানন্দে ভাসিয়া থাকেন।স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের যে ভগবৎ-স্বরূপ যাদৃশ (অর্থ‍্যাৎ যে পরিমাণ অংশ ও কলা সেই স্বরূপের ভক্তগণের মধ্যে তাদৃশ পরিমাণেই প্রেমের আংশিক অভিব‍্যক্তি হয়।* *ব্রজের শুদ্ধ মাধুর্য‍্য উপাসক সখ‍্য ও বাৎসল‍্যেরসের ভক্তগণের মধ্যে নিরতিশয় প্রেমরসের প্রকাশ হলেও পরতত্ত্বের পরাকাষ্ঠা সর্বাতিশায়ী অসমোর্ধ সৌন্দর্য মাধুর্য‍্য পারাবার শ্রীশ্রীরাধামাধবের সখী মঞ্জরীর মধ্যেই প্রেম পূর্ণতমরূপে প্রকাশ পেয়ে থাকে।সর্বোপরি রাধার কিঙ্করী মঞ্জরীগণেরই প্রেমরসাস্বাদনের পরাকাষ্ঠা।এই মঞ্জরীভাবসাধনায় শ্রীমন্মহাপ্রভুর যুগে তাঁর শ্রীচরণাশ্রিত গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণের সাধ‍্যবস্তু।* *তাই বলা হয়েছে,যুগলভজনকারী মঞ্জরীভাবের সাধক প্রেমানন্দ-রসতরঙ্গণীতে ভাসতে ভাসতে শ‍্যামরসসিন্ধু ও রাধা প্রেমসিন্ধুর মিলন কেন্দ্রে অর্থ‍্যাৎ ব্রজের নিকুঞ্জে অবগহন(স্নান)করে ধন‍্যাতিধন‍্য হয়ে থাকেন।ত্রিভূবনের জনগণ তাই তাঁদের সর্বদা নির্মঞ্জন বা আরাত্রিক করে নিজেদেরও ধন‍্য বলে মনে করে থাকেন।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





*দেবলোক পিতৃলোক, পায় তারা মহাসুখ,* *সাধু সাধু বলে অনুক্ষণ।* *যুগল ভজন যারা, প্রেমানন্দে ভাসে তারা,* *তাহার নিছনি ত্রিভূবন।।* ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/home-page-pdf-httpsmrinmoynandy_38.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ *দেবলোক পিতৃলোক, পায় তারা মহাসুখ,* ꧂
               ꧁ *সাধু সাধু বলে অনুক্ষণ।* ꧂
  ꧁ *যুগল ভজন যারা, প্রেমানন্দে ভাসে তারা,* ꧂
             ꧁ *তাহার নিছনি ত্রিভূবন।।* ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐
*দেবলোক পিতৃলোক, পায় তারা মহাসুখ,*
     *সাধু সাধু বলে অনুক্ষণ।*
*যুগল ভজন যারা, প্রেমানন্দে ভাসে তারা,*
    *তাহার নিছনি ত্রিভূবন।।*
⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐
*অনন‍্যভজননিষ্ঠ(যাঁরা একমন ও মুখ নিয়ে শ্রীযুগল শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দ ছাড়া আর অন‍্য কোন ভজন করেন না)ভগবৎপরায়ণ ভক্ত সবসময় স্বীয়(নিজ)উপাস‍্য ভগবানের আরাধনায় নিবিষ্ট(মনোযোগী)থাকবেন,কখনই অন‍্যান‍্য দেবতার আরাধনা করবেন না; কারণ এতে তাঁদের অনন‍্যভক্তির ক্ষতির কথা পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।এতে অনেকের অনেক মতামত হতে পারে,কিন্তু স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন,হে পার্থ!তুমি কেবল আমার প্রতি সবকিছু রেখ,আমাকে পূজো করলেই সকল দেবদেবী সন্তুষ্ট হবেন।আমা হতেই সকলের সৃষ্টি।যাইহোক এক্ষণে পিতৃঋণ এবং দেবঋণ পরিশোধের জন্য যে দেবগণের ও পিতৃগণের আরাধনার কথা শোনা যায়,ভক্তগণের সেই ঋণশোধের উপায় কি?* *অর্থ‍্যাৎ পিতৃঋণ এই দেহাদি প্রাপ্তির হেতু এবং বৃষ্টি প্রভৃতি দানের দ্বারা দেবগণ দেহরক্ষার হেতু হয়ে থাকেন।* *এইজন‍্যই তাঁদের আরাধনা অর্থ‍্যাৎ পিন্ডদানাদির দ্বারা পিতৃগণের এবং যাগযজ্ঞ বা ভোগাদি অর্পণের দ্বারা দেবগণের আরাধনার বিধি শাস্ত্রে দেখা যায়।* *যাঁরা অন‍্য কোন দেবতার আরাধনা না করে একনিষ্ঠভাবে ভগবৎ-সেবাপরায়ণ হয়েছেন,তাঁদের সেই পিতৃঋণ এবং দেবঋণশোধের উপায় কি?* *এই প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, "দেবলোক পিতৃলোক,পায় তারা মহাসুখ,সাধু সাধু বলে অনুক্ষণ"।🌻বৃক্ষের মূলে জল সেচন করলে যেমন বৃক্ষের শাখা প্রশাখা সব পরম তুষ্টি লাভ করে বা সুখী হয়ে থাকে,তেমনি সর্বদেব ও পিতৃগণের মূলস্বরূপ শ্রীকৃষ্ণের আরাধনায় সমস্ত দেবদেবী ও পিতৃমাতৃলোক পরম সুখ লাভ করে থাকেন।তাই ""কাম ত‍্যাগি কৃষ্ণভজে শাস্ত্র-আজ্ঞা মানি।দেব-ঋষি-পিত্রাদিকের কভু নহে ঋণী""।* *(চৈঃচঃ)(শ্রীমদ্ভাগত ১১|৫|৪১)মহর্ষি করভাজন নিমি রাজার প্রতি বলেছেন=*
*"দেবর্ষিভূতাপ্তনৃণাং পিতৃণাং ন কিঙ্করো নায়মৃণী চ রাজন। সর্বাত্মনা যঃ শরণং শরণ‍্যং গতো মুকুন্দং পরিহৃত‍্য কর্তম।।

অর্থ‍্যাৎ হে রজন!যিনি সর্ববিধ কৃত‍্যকর্ম পরিহার (সবরকম অন‍্যান‍্য কর্ম বাদ দিয়ে) সর্বতোভাবে শরণাগত পালক শ্রীমুকুন্দের শরণ গ্রহণ করেছেন, তিনি আর দেবতা,ঋষি,পোষ‍্য-কুটুম্বাদি বা পিতৃগণের নিকট ঋণী থাকেন না, সুতরাং তিনি তাঁদের কিঙ্করও বা চাকরও নহেন।* *(এই শ্লোকের টীকায় শ্রীধরস্বামী লিখেছেন)"ভক্তস‍্য বিধিনিষেধনিবৃতেঃ কৃতকৃত‍্যতামাহ দেবর্ষীতি।আপ্তাঃ পোষ‍্যাঃ কুটুম্বিনঃ ইতরে দেবাদয়ঃ পঞ্চযজ্ঞদেবতাঃ এতেষাং যথা অভক্ত ঋণী অতএব তেষাং কিঙ্করস্তদর্থং নিত‍্যং পরিত‍্যজ‍্য।...............অয়ন্তু ন তথা। কোহস‍্য যঃ সর্বভাবেন শ্রীমুকুন্দং শরণং গতঃ।কর্তং কৃত‍্যং পরিত‍্যজ‍্য।যদ্বা কর্তং ভেদং পরিহৃত‍্য।কৃতীছেদন ইত‍্যস্মাৎ।বাসুদেবঃ সর্বমিতি বুদ্ধ‍্যেত‍্যর্থঃ""। অর্থ‍্যাৎ ""ভক্তের বিধিনিষেধ স্বতঃই(নিজ হতেই)নিবৃত্ত(বিরত)হওয়ায় তাঁদের কৃতকৃত‍্যতা (আরম্ভ কিন্তু অসম্পন্ন)বা কৃতার্থতা এই শ্লোকে বলা হয়েছে।"আপ্তা"শব্দের অর্থ পোষ‍্যজন বা কুটুম্ব সকল।অন‍্যান‍্য যে দেবাদি অর্থ‍্যাৎ পঞ্চ যজ্ঞদেবতা, বিষ্ণুভক্তিহীন সাধারণ মানুষ যেমন এঁদের নিকট ঋণী ; অতএব এঁদের কিঙ্করও,এইজন‍্যই এরা নিত‍্য পঞ্চবিধ যজ্ঞ করে থাকেন।যাঁরা সর্বতোভাবে শ্রীমুকুন্দের শরণাগত হয়েছেন,তাঁরা এঁদের মতো নহেন।কি ভাবে শরণাগত হয়েছেন? না,সর্ববিধ কৃত‍্যাকৃত‍্যকর্ম বা ভেদ পরিত‍্যাগ অর্থ‍্যাৎ সবই শ্রীবাসুদেব এই বুদ্ধিতে""।* *সকলের মূল বাসুদেব সন্তুষ্ট হলে (বৃক্ষমূলে জলসেচনে শাখা-প্রশাখাদির মতো)স্বতঃই অন‍্যান‍্য দেবতা,পিতৃগণ, ভূতগণ সকলেই তাঁদের নিজ সেবন অপেক্ষা হাজার গুণ আনন্দ লাভ করে থাকেন।* *তাই কুলে বৈষ্ণব জন্ম হলে পরলোকে পূর্বপুরুষেরা মহাসুখে নৃত‍্য করে থাকেন।তাঁরা মনে করে থাকেন "ইনিই আমাদের কুলের পরিত্রাণ-কর্তা হবেন। "নৃত‍্যন্তি পিতরঃ সর্বে নৃত‍্যন্তি চ পিতামহাঃ।মদ্বংশে বৈষ্ণবো জাতঃ স মে ত্রাতা ভবিষ‍্যতি।। শ্রীকৃষ্ণভজনকারী ভক্তগণের প্রতি পরম প্রসন্ন হয়ে সকলেই "সাধু সাধু"বলে সবসময় তাঁদের ভূয়সী প্রশংসা করে থাকেন।*
       ক্রমশ
*তারপর বললেন,"যুগল ভজন যারা, প্রেমানন্দে ভাসে তারা,তাহার নিছনি ত্রিভূবন"।যাঁরা শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের ভজন করেন,তাঁরা প্রেমানন্দে রসসায়রে ভাসমান হয়ে থাকেন, ত্রিভূবনের জনগণ পরম ভক্তিভরে তাঁদেরকে নির্মঞ্জন(আরাধনা বা আরতি)করে থাকেন।অতি রহস‍্যময় ও বেদগোপ‍্য এই যুগল উপাসনা,এই বিশেষ কলিতে শ্রীগৌরাঙ্গমহাপ্রভুর অনর্পিতচরী করুণার অবদান এবং তাঁর শ্রীচরণাশ্রিত আচার্য‍্যপাদগণ কর্তৃক জীবগোস্বামীপাদ তাঁর তত্ত্ব,পরমাত্ম,ভগবৎ ও শ্রীকৃষ্ণ এই চারটি সন্দর্ভে সম্বন্ধতত্ত্ব নিরূপণ করে সর্বশেষ বলেছেন,""তদেবং সন্দর্ভচতুষ্টয়েন সম্বন্ধেো ব‍্যাখ‍্যাতঃ। তস্মিন্নপি সম্বন্ধে শ্রীরাধামাধবরূপেণৈব প্রাদুর্ভাবস্তস‍্য সম্বন্ধিনঃ পরমঃ প্রকর্ষঃ। তদুক্তং শ্রুত‍্যা 'রাধয়া মাধবো দেব' ইতি। এদর্থমেব ব‍্যতানিষমিমাঃ সর্বা অপি পরিপাটীরীতি পূর্ণঃ সম্বন্ধঃ।।(শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভঃ=১৮৯ অনুচ্ছেদ), তাৎপয‍্য এই যে, "শ্রীভগবৎসন্দর্ভের চারটি সন্দর্ভে সম্বন্ধতত্ত্ব বা উপাস‍্যতত্ত্ব ব‍্যাখ‍্যাত হয়েছে।সম্বন্ধতত্ত্ব ভগবানের বহুবিধ প্রকাশ।তারমধ‍্যে শ্রীরাধামাধবরূপে যে প্রাদুর্ভাব(আবির্ভাব),তাতেই পরম উৎকর্ষ বিদ‍্যমান।তার করণ এই যে,শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং ভগবান =বিশ্ব ভগবৎস্বরূপের মূলতত্ত্ব।ঐশ্বর্য‍্যে,ভগবত্তায়,পরিপূর্ণতম তত্ত্ব হয়েও সাক্ষাৎ মাধুর্য‍্যেরই মূর্তি।এইরকম অধরবিম্বে মধুর,মন্দহাস‍্যে মঞ্জুল,(সৌন্দর্য‍্যতা),অমৃতনাদে শিশির,দৃষ্টিপাতে শীতল,বেণুনাদে বিশ্রুত ভগবৎস্বরূপ আর অন‍্য কেউ নাই।(বিশ্রুত=অতীব মধুর ধ্বনি)* *আবার মাদনাখ‍্য মহাভাববতী রাধারাণীর সন্নিধ‍্যে (কাছে) শ্রীকৃষ্ণমাধুর্য‍্যসিন্ধু সবসময় উত্তাল হয়ে উঠে।তাই শ্রুতি বলেছেন="রাধাদ্বারা মাধব দীপ্তিমান"ইত‍্যাদি।শ্রীরাধামাধবের পরম উৎকর্ষ খ‍্যাপনের(গুণকীর্তন)জন‍্য এই সকল বিচার-পরিপাটী উপস্থিত করা হয়েছিল, এক্ষণে বৃন্দাবনে যুগলিত(কুঞ্জবিহার পরায়ণ) শ্রীশ্রীরাধামাধব পরমস্বরূপ ও পরমতত্ত্বের চরম সীমারূপে নিশ্চিত হওয়ায় এই সম্বন্ধ বিচার সম্পূর্ণ হল।* *শ্রীঠাকুরমহাশয় বলছেন,যাঁরা যুগলভজন করেন,তাঁরা প্রেমানন্দে ভাসিয়া থাকেন।স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের যে ভগবৎ-স্বরূপ যাদৃশ (অর্থ‍্যাৎ যে পরিমাণ অংশ ও কলা সেই স্বরূপের ভক্তগণের মধ্যে তাদৃশ পরিমাণেই প্রেমের আংশিক অভিব‍্যক্তি হয়।* *ব্রজের শুদ্ধ মাধুর্য‍্য উপাসক সখ‍্য ও বাৎসল‍্যেরসের ভক্তগণের মধ্যে নিরতিশয় প্রেমরসের প্রকাশ হলেও পরতত্ত্বের পরাকাষ্ঠা সর্বাতিশায়ী অসমোর্ধ সৌন্দর্য মাধুর্য‍্য পারাবার শ্রীশ্রীরাধামাধবের সখী মঞ্জরীর মধ্যেই প্রেম পূর্ণতমরূপে প্রকাশ পেয়ে থাকে।সর্বোপরি রাধার কিঙ্করী মঞ্জরীগণেরই প্রেমরসাস্বাদনের পরাকাষ্ঠা।এই মঞ্জরীভাবসাধনায় শ্রীমন্মহাপ্রভুর যুগে তাঁর শ্রীচরণাশ্রিত গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণের সাধ‍্যবস্তু।* *তাই বলা হয়েছে,যুগলভজনকারী মঞ্জরীভাবের সাধক প্রেমানন্দ-রসতরঙ্গণীতে ভাসতে ভাসতে শ‍্যামরসসিন্ধু ও রাধা প্রেমসিন্ধুর মিলন কেন্দ্রে অর্থ‍্যাৎ ব্রজের নিকুঞ্জে অবগহন(স্নান)করে ধন‍্যাতিধন‍্য হয়ে থাকেন।ত্রিভূবনের জনগণ তাই তাঁদের সর্বদা নির্মঞ্জন বা আরাত্রিক করে নিজেদেরও ধন‍্য বলে মনে করে থাকেন।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





শ্রীশ্রী অবধূত নিত্যানন্দ প্রভু 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_80.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ শ্রীশ্রী অবধূত নিত্যানন্দ প্রভু  
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
পঞ্চতত্ত্বাত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপস্বরূপকম্।
ভক্তিবতারং ভক্তাখ্যং নমামি ভক্তশক্তিকম্।।


(১) ভক্তরূপে - স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু। 
(২) ভক্তস্বরূপ - শ্রী নিত্যানন্দ।
 (৩) ভক্তাবতার - শ্রী অদ্বৈত আচার্য। 
(৪) ভক্তশক্তি - শ্রীগদাধর। 
(৫) ভক্তাখ্য বা শুদ্ধভক্ত - শ্রীবাসাদি।

শ্রীগৌরাঙ্গ প্রথম তত্ত্ব বুঝিতেই হয়।
নিত্যানন্দ তাঁর পরে সদা মনে রয়।।
তৃতীয়তে শ্রীঅদ্বৈত তত্ত্ব বুঝ সবে।
গদাধর পণ্ডিতেরে চতুর্থ ধরিবে।।
শ্রীবাস পঞ্চতত্ত্ব নাহি কেহ আর।
কেশবের পঞ্চতত্ত্ব ইহা জেন সার।।

স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অনন্ত শক্তির মধ্যে তিনটি প্রধান শক্তি চিচ্ছক্তি, জীবশক্তি ও মায়াশক্তি। চিছক্তি হল শ্রীভগবানের অন্তরঙ্গা বা স্বরুপশক্তি। জীবশক্তির অন্য নাম তটস্থাশক্তি এবং মায়াশক্তিকে বলে জড়শক্তি বা বহিরাঙ্গশক্তি। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদেশে বা ইঙ্গিতে শ্রীনিত্যানন্দ বা শ্রীবলরামই কারণার্ণবশায়ীরূপে মায়াকে নিয়ন্ত্রণ করে সৃষ্টি কার্য পরিচালন করেন। সুতরাং সাক্ষাৎ সম্বন্ধে কারণার্ণবশায়ী পূরুষই হলেন মায়ার অধীশ্বর। সৃষ্টির প্রারম্ভে কারণার্ণবশায়ী পুরুষ দৃষ্টি দ্বারাই মায়াতে সৃষ্ঠি করিনী শক্তি সঞ্চারিত করেন এবং তারই শক্তির ফলে মায়ার সহতায় সৃষ্ঠি হয় অনন্ত ব্রহ্মান্ডের । এই অনন্ত ব্রহ্মান্ডকে এই কারণার্ণবশায়ী পুরুষ নিজ দেহে ধারণ করেন। যার অঙ্গ অনন্ত ব্রহ্মান্ড সমূহের আশ্রয় , যিনি মায়ার সাক্ষাৎ অধীশ্বর এবং যিনি কারণ সমুদ্রে শায়িত আছেন। সেই আদি-অবতার প্রথম পুরুষ মহাবিষ্ণু যার একটি অংশ আমি সেই নিত্যানন্দ নামক বলরাম কে আশ্রয় গ্রহন করি।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
বৃন্দাবন দাস ঠাকুর লিখেছেন----------– 
"মহাবধূত বেশ প্রকাণ্ড শরীর।
নিরবধি ভক্তিরসে দেখি মহা ধীর।।
অহর্নিশ বদনে বোলয়ে কৃষ্ণনাম।
ত্রিভুবনে অদ্বিতীয় চৈতন্যের ধাম।
নিজানন্দে ক্ষণে ক্ষণে করয়ে হুঙ্কার।
মহামত্ত যেন বলরাম অবতার।।"

শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুকে অবধূত বলে অভিহিত করা হয়, অবধূত বলতে বোঝানো হয় শাক্ত তান্ত্রিক সন্ন্যাসী কে। শ্রীমন্ নিত্যানন্দ প্রভু ছিলেন ত্রিপুরাসুন্দরীর সেবক। তিনি বীরভূম জেলার একচক্রা গ্রামে হাড়াই পণ্ডিতের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।আবির্ভাব কাল আনুমানিক ১৪৭৬-৭৭ সালের মাঘমাসের শুক্লা ত্রয়োদশী তিথিতে। এ বিষয়ে বৃন্দাবন দাস শ্রীশ্রীচৈতন্য ভাগবতে বর্ণনা করেছেন -------
"মাঘমাসে শুক্লা ত্রয়োদশী শুভদিনে।
পদ্মাবতী গর্ভে একচাকা নামে গ্রামে।।"

শ্ৰীনিত্যানন্দ লীলামৃত গ্রন্থে আছে--------
“রাঢ় দেশে একচক্র গ্রাম মনোহর।
ভারতের উচ্চভূমি অতিশোভাকর ॥"


নিতাই-পদ-কমল, কোটি-চন্দ্র-সুশীতল 
যে ছায়ায় জগত জুড়ায়
হেন নিতাই বিনে ভাই, রাধা-কৃষ্ণ পাইতে নাই
দৃঢ করি’ ধর নিতাইর পায়" ------------নরোত্তম দাস ঠাকুর।।

যস্যাংশাংশঃ শ্রীল- গর্ভোদশায়ী যন্নাভ্যব্জং লোকসংঘাতনালম্।
লোকস্রষ্টুঃ সূতিকাধাম ধাতুস্তং শ্রীনিত্যানন্দরামং প্রপদ্যে।। ১০

' পুরুষের লোমকূপে ব্রহ্মান্ডের জালে' ১|৫|৬২

এই কারণার্ণবশায়ী পুরুষ সমগ্র ব্রহ্মান্ডের অন্তর্যামী । ঈশ্বরের যে সমস্ত স্বরুপ সৃষ্ঠি কার্যে নিযুক্ত আছেন, তাদের মধ্যে কারণার্ণবশায়ী পুরুষই সর্বপ্রথম এই সৃষ্ঠি কার্য্য শুরু করেছিলেন বলে তাকে আদি দেব বা আদি অবতার বলা হয়েছে।

শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর ধ্যান: -
বিদ্দ্যামমদাভির্ম্মনরুচি বিস্তীর্ণবক্ষঃস্থলম্। প্রেমৌদঘূর্ণিতলোচনাঞ্চললসৎস্মেরাভিরম্যানম।নানাভূষণভূষিতং সুমনুরং বিভ্র গ্লন্তস্বরম্। নিত্যানন্দবরংভজামি সততং সর্ব্বপ্রির্য় পন্ডিতং।

শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ মন্ত্র - 
ক্লীঁ নিত্যানন্দচন্দ্রায় স্বাহা।

শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ গায়ত্রী - 
ক্লীঁ নিত্যানন্দায় বিদ্মহে সঙ্কর্ষণায় ধীমহি তন্মো নিত্যানন্দৌ প্রচোদয়াৎ।

শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রণাম মন্ত্র:-
প্রণাম -নিত্যানন্দ নমস্তভ্যং প্রানন্দ প্রদায়িনে। কলৌকল্মষনাশায় জাহ্নবীপতয়ে নমঃ।


শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ তত্ত্ব:-----
সর্ব অবতারী কৃষ্ণ - স্বয়ং ভগবান্।
তাহার দ্বিতীয় দেহ - শ্রী বলরাম।।
একই স্বরূপ দোঁহে ভিন্ন মাত্রা কায়।
আদ্য কায়ব্যৃহ - কৃষ্ণলীলা সহায়।।
সেই কৃষ্ণ নবদ্বীপে শ্রীচৈতন্যচন্দ্র।
সেই বলরাম সঙ্গে নিত্যানন্দ।।
শ্রী বলরাম গোঁসাইঞ্চি মূল সঙ্কর্ষণ।
পঞ্চরূপ ধরি করেন কৃষ্ণের সেবন।।
আপনে করেন কৃষ্ণ লীলার সহায়।
সৃষ্টিলীলা কার্য্য করে ধরি চার কায়।।
সর্ব্বরূপে আস্বাদয়ে কৃষ্ণ-সেবানন্দ।
সেই রাম শ্রীচৈতন্য সঙ্গে নিত্যানন্দ।।

কৃষ্ণ বিগ্রহ যৈছে বিভূতাদি গুণবান।
সেই পরমব্রহ্মে নারায়ণের চারিপাশে।
দ্বারকা চতুর্বূহ দ্বিতীয় প্রকাশে।।
বাসুদেব সংকর্ষণ প্রদ্যুম্ন অনিরুদ্ধ।
দ্বিতীয় চতুব্যুহের এই তুরীয় বিশুদ্ধ।।
তাহা যে রামের রুপ মহাসঙ্কর্ষণ।
চিচ্ছক্তিআশ্রয় তিহোঁ কারণের কারণ।।
চিচ্ছক্তি বিলাসএক শুদ্ধ সত্ত্ব নাম।
শুদ্ধ সত্ত্বময় যত বৈকুন্ঠাদি ধাম।।
ষড়বিধ ঐশ্বর্য তাহা - সকল চিন্ময়।
সঙ্কর্ষণের বিভূতি সব জানিহ নিশ্চয়।।
জীব নাম তটস্হাখ এক শক্তি হয়।
মহাসঙ্কর্ষণ সর্ব জীবের আশ্রয়।।
যাহা হইতে রাষ্টবিশ্বোৎপতি যাহাতে প্রলয়।
সেই পুরুষের সসঙ্কর্ষণ সমাশ্রয়।।
সর্ব্বাশ্র সর্ব্বোদ্ভুত ঐশ্বর্য অপার।
অনন্ত কহিতে নারে মহিমা যাহার।।
তুরীয় বিশুদ্ধ সত্ত্ব সংকর্ষণ নাম।
তিহোঁ যার অংশ সেই নিত্যানন্দ রাম।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীশ্রী অবধূত নিত্যানন্দ প্রভু 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_80.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ শ্রীশ্রী অবধূত নিত্যানন্দ প্রভু  
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
পঞ্চতত্ত্বাত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপস্বরূপকম্।
ভক্তিবতারং ভক্তাখ্যং নমামি ভক্তশক্তিকম্।।


(১) ভক্তরূপে - স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু। 
(২) ভক্তস্বরূপ - শ্রী নিত্যানন্দ।
 (৩) ভক্তাবতার - শ্রী অদ্বৈত আচার্য। 
(৪) ভক্তশক্তি - শ্রীগদাধর। 
(৫) ভক্তাখ্য বা শুদ্ধভক্ত - শ্রীবাসাদি।

শ্রীগৌরাঙ্গ প্রথম তত্ত্ব বুঝিতেই হয়।
নিত্যানন্দ তাঁর পরে সদা মনে রয়।।
তৃতীয়তে শ্রীঅদ্বৈত তত্ত্ব বুঝ সবে।
গদাধর পণ্ডিতেরে চতুর্থ ধরিবে।।
শ্রীবাস পঞ্চতত্ত্ব নাহি কেহ আর।
কেশবের পঞ্চতত্ত্ব ইহা জেন সার।।

স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অনন্ত শক্তির মধ্যে তিনটি প্রধান শক্তি চিচ্ছক্তি, জীবশক্তি ও মায়াশক্তি। চিছক্তি হল শ্রীভগবানের অন্তরঙ্গা বা স্বরুপশক্তি। জীবশক্তির অন্য নাম তটস্থাশক্তি এবং মায়াশক্তিকে বলে জড়শক্তি বা বহিরাঙ্গশক্তি। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদেশে বা ইঙ্গিতে শ্রীনিত্যানন্দ বা শ্রীবলরামই কারণার্ণবশায়ীরূপে মায়াকে নিয়ন্ত্রণ করে সৃষ্টি কার্য পরিচালন করেন। সুতরাং সাক্ষাৎ সম্বন্ধে কারণার্ণবশায়ী পূরুষই হলেন মায়ার অধীশ্বর। সৃষ্টির প্রারম্ভে কারণার্ণবশায়ী পুরুষ দৃষ্টি দ্বারাই মায়াতে সৃষ্ঠি করিনী শক্তি সঞ্চারিত করেন এবং তারই শক্তির ফলে মায়ার সহতায় সৃষ্ঠি হয় অনন্ত ব্রহ্মান্ডের । এই অনন্ত ব্রহ্মান্ডকে এই কারণার্ণবশায়ী পুরুষ নিজ দেহে ধারণ করেন। যার অঙ্গ অনন্ত ব্রহ্মান্ড সমূহের আশ্রয় , যিনি মায়ার সাক্ষাৎ অধীশ্বর এবং যিনি কারণ সমুদ্রে শায়িত আছেন। সেই আদি-অবতার প্রথম পুরুষ মহাবিষ্ণু যার একটি অংশ আমি সেই নিত্যানন্দ নামক বলরাম কে আশ্রয় গ্রহন করি।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
বৃন্দাবন দাস ঠাকুর লিখেছেন----------– 
"মহাবধূত বেশ প্রকাণ্ড শরীর।
নিরবধি ভক্তিরসে দেখি মহা ধীর।।
অহর্নিশ বদনে বোলয়ে কৃষ্ণনাম।
ত্রিভুবনে অদ্বিতীয় চৈতন্যের ধাম।
নিজানন্দে ক্ষণে ক্ষণে করয়ে হুঙ্কার।
মহামত্ত যেন বলরাম অবতার।।"

শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুকে অবধূত বলে অভিহিত করা হয়, অবধূত বলতে বোঝানো হয় শাক্ত তান্ত্রিক সন্ন্যাসী কে। শ্রীমন্ নিত্যানন্দ প্রভু ছিলেন ত্রিপুরাসুন্দরীর সেবক। তিনি বীরভূম জেলার একচক্রা গ্রামে হাড়াই পণ্ডিতের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।আবির্ভাব কাল আনুমানিক ১৪৭৬-৭৭ সালের মাঘমাসের শুক্লা ত্রয়োদশী তিথিতে। এ বিষয়ে বৃন্দাবন দাস শ্রীশ্রীচৈতন্য ভাগবতে বর্ণনা করেছেন -------
"মাঘমাসে শুক্লা ত্রয়োদশী শুভদিনে।
পদ্মাবতী গর্ভে একচাকা নামে গ্রামে।।"

শ্ৰীনিত্যানন্দ লীলামৃত গ্রন্থে আছে--------
“রাঢ় দেশে একচক্র গ্রাম মনোহর।
ভারতের উচ্চভূমি অতিশোভাকর ॥"


নিতাই-পদ-কমল, কোটি-চন্দ্র-সুশীতল 
যে ছায়ায় জগত জুড়ায়
হেন নিতাই বিনে ভাই, রাধা-কৃষ্ণ পাইতে নাই
দৃঢ করি’ ধর নিতাইর পায়" ------------নরোত্তম দাস ঠাকুর।।

যস্যাংশাংশঃ শ্রীল- গর্ভোদশায়ী যন্নাভ্যব্জং লোকসংঘাতনালম্।
লোকস্রষ্টুঃ সূতিকাধাম ধাতুস্তং শ্রীনিত্যানন্দরামং প্রপদ্যে।। ১০

' পুরুষের লোমকূপে ব্রহ্মান্ডের জালে' ১|৫|৬২

এই কারণার্ণবশায়ী পুরুষ সমগ্র ব্রহ্মান্ডের অন্তর্যামী । ঈশ্বরের যে সমস্ত স্বরুপ সৃষ্ঠি কার্যে নিযুক্ত আছেন, তাদের মধ্যে কারণার্ণবশায়ী পুরুষই সর্বপ্রথম এই সৃষ্ঠি কার্য্য শুরু করেছিলেন বলে তাকে আদি দেব বা আদি অবতার বলা হয়েছে।

শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর ধ্যান: -
বিদ্দ্যামমদাভির্ম্মনরুচি বিস্তীর্ণবক্ষঃস্থলম্। প্রেমৌদঘূর্ণিতলোচনাঞ্চললসৎস্মেরাভিরম্যানম।নানাভূষণভূষিতং সুমনুরং বিভ্র গ্লন্তস্বরম্। নিত্যানন্দবরংভজামি সততং সর্ব্বপ্রির্য় পন্ডিতং।

শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ মন্ত্র - 
ক্লীঁ নিত্যানন্দচন্দ্রায় স্বাহা।

শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ গায়ত্রী - 
ক্লীঁ নিত্যানন্দায় বিদ্মহে সঙ্কর্ষণায় ধীমহি তন্মো নিত্যানন্দৌ প্রচোদয়াৎ।

শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রণাম মন্ত্র:-
প্রণাম -নিত্যানন্দ নমস্তভ্যং প্রানন্দ প্রদায়িনে। কলৌকল্মষনাশায় জাহ্নবীপতয়ে নমঃ।


শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ তত্ত্ব:-----
সর্ব অবতারী কৃষ্ণ - স্বয়ং ভগবান্।
তাহার দ্বিতীয় দেহ - শ্রী বলরাম।।
একই স্বরূপ দোঁহে ভিন্ন মাত্রা কায়।
আদ্য কায়ব্যৃহ - কৃষ্ণলীলা সহায়।।
সেই কৃষ্ণ নবদ্বীপে শ্রীচৈতন্যচন্দ্র।
সেই বলরাম সঙ্গে নিত্যানন্দ।।
শ্রী বলরাম গোঁসাইঞ্চি মূল সঙ্কর্ষণ।
পঞ্চরূপ ধরি করেন কৃষ্ণের সেবন।।
আপনে করেন কৃষ্ণ লীলার সহায়।
সৃষ্টিলীলা কার্য্য করে ধরি চার কায়।।
সর্ব্বরূপে আস্বাদয়ে কৃষ্ণ-সেবানন্দ।
সেই রাম শ্রীচৈতন্য সঙ্গে নিত্যানন্দ।।

কৃষ্ণ বিগ্রহ যৈছে বিভূতাদি গুণবান।
সেই পরমব্রহ্মে নারায়ণের চারিপাশে।
দ্বারকা চতুর্বূহ দ্বিতীয় প্রকাশে।।
বাসুদেব সংকর্ষণ প্রদ্যুম্ন অনিরুদ্ধ।
দ্বিতীয় চতুব্যুহের এই তুরীয় বিশুদ্ধ।।
তাহা যে রামের রুপ মহাসঙ্কর্ষণ।
চিচ্ছক্তিআশ্রয় তিহোঁ কারণের কারণ।।
চিচ্ছক্তি বিলাসএক শুদ্ধ সত্ত্ব নাম।
শুদ্ধ সত্ত্বময় যত বৈকুন্ঠাদি ধাম।।
ষড়বিধ ঐশ্বর্য তাহা - সকল চিন্ময়।
সঙ্কর্ষণের বিভূতি সব জানিহ নিশ্চয়।।
জীব নাম তটস্হাখ এক শক্তি হয়।
মহাসঙ্কর্ষণ সর্ব জীবের আশ্রয়।।
যাহা হইতে রাষ্টবিশ্বোৎপতি যাহাতে প্রলয়।
সেই পুরুষের সসঙ্কর্ষণ সমাশ্রয়।।
সর্ব্বাশ্র সর্ব্বোদ্ভুত ঐশ্বর্য অপার।
অনন্ত কহিতে নারে মহিমা যাহার।।
তুরীয় বিশুদ্ধ সত্ত্ব সংকর্ষণ নাম।
তিহোঁ যার অংশ সেই নিত্যানন্দ রাম।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষা ( শিক্ষাষ্টকং ) 📚 শ্রীশ্রীগম্ভীরা মাহাত্ম্য


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষা ( শিক্ষাষ্টকং )  
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
চেতো দর্পণমার্জ্জনং ভবমহা দাবাগ্নি-নির্বাপণম্
শ্রেয়ঃ-কৈরব-চন্দ্রিকা-----বিতরণং বিদ্যা-বধূ-জীবনম্ ।
আনন্দাম্বু ধিবর্দ্ধনং প্রতিপদং পূর্ণামৃতাস্বাদনং
সর্বাত্মস্নপনং পরং বিজয়তে শ্রীকৃষ্ণসংকীর্ত্তনম্ ॥ ১ ॥

নাম্নামকারি বহুধা নিজসর্বশক্তিঃ
স্তত্রাপিতা নিয়মিতঃ স্মরণে ন কালঃ ।
এতাদৃশী তব কৃপা ভগবন্মমাপি
দুর্দৈবমীদৃশামিহাজনি নানুরাগঃ ॥ ২ ॥

তৃণাদপি সুনীচেন তরোরপি সহিষ্ণুনা ।
অমানিনা মানদেন কীর্তনীয়ঃ সদা হরিঃ ॥ ৩ ॥

ন ধনং ন জনংন সুন্দরীং কবিতাং বা জগদীশ কাময়ে ।
মম জন্মনি জন্মনীশ্বরে ভবতাদ্ ভক্তিরহৈতুকী ত্বয়ি ॥ ৪ ॥


অয়ি নন্দতনুজ কিংকরং পতিতং মাং বিষমে-ভবাম্বুধৌ ।
কৃপয়া তব পাদপঙ্কজস্থিত-ধূলি-সদৃশং বিচিন্তয় ॥ ৫ ॥

নয়নং গলদশ্রাধারয়া বদনং গদ্-গদরুদ্ধয়া গিরা ।
পুলকৈ র্নিচিতং বপুঃ কদা তব নামগ্রহণে ভবিষ্যতি ॥ ৬ ॥

য়ুগায়িতং নিমেষেণ চক্ষুষা প্রাবৃষায়িতম্ ।
শূন্যায়িতং জগত সর্ব্ব গোবিন্দ----বিরহেণ মে ॥ ৭ ॥

আশ্লিষ্য বা পাদরতাং পিনষ্টু মা
মামদর্শনান্মর্ম্ম হতাং করোতু বা ।
যথা তথা বা বিদধাতু লম্পটো
মত প্রাণনাথস্তু সে এব নাপরঃ ॥ ৮ ॥

ইতি শ্রী গৌরচন্দ্র মুখপদ্মবিনির্গতশিক্ষাষ্টকং সম্পূর্ণম ।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষা ( শিক্ষাষ্টকং ) 📚 শ্রীশ্রীগম্ভীরা মাহাত্ম্য


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষা ( শিক্ষাষ্টকং )  
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
চেতো দর্পণমার্জ্জনং ভবমহা দাবাগ্নি-নির্বাপণম্
শ্রেয়ঃ-কৈরব-চন্দ্রিকা-----বিতরণং বিদ্যা-বধূ-জীবনম্ ।
আনন্দাম্বু ধিবর্দ্ধনং প্রতিপদং পূর্ণামৃতাস্বাদনং
সর্বাত্মস্নপনং পরং বিজয়তে শ্রীকৃষ্ণসংকীর্ত্তনম্ ॥ ১ ॥

নাম্নামকারি বহুধা নিজসর্বশক্তিঃ
স্তত্রাপিতা নিয়মিতঃ স্মরণে ন কালঃ ।
এতাদৃশী তব কৃপা ভগবন্মমাপি
দুর্দৈবমীদৃশামিহাজনি নানুরাগঃ ॥ ২ ॥

তৃণাদপি সুনীচেন তরোরপি সহিষ্ণুনা ।
অমানিনা মানদেন কীর্তনীয়ঃ সদা হরিঃ ॥ ৩ ॥

ন ধনং ন জনংন সুন্দরীং কবিতাং বা জগদীশ কাময়ে ।
মম জন্মনি জন্মনীশ্বরে ভবতাদ্ ভক্তিরহৈতুকী ত্বয়ি ॥ ৪ ॥


অয়ি নন্দতনুজ কিংকরং পতিতং মাং বিষমে-ভবাম্বুধৌ ।
কৃপয়া তব পাদপঙ্কজস্থিত-ধূলি-সদৃশং বিচিন্তয় ॥ ৫ ॥

নয়নং গলদশ্রাধারয়া বদনং গদ্-গদরুদ্ধয়া গিরা ।
পুলকৈ র্নিচিতং বপুঃ কদা তব নামগ্রহণে ভবিষ্যতি ॥ ৬ ॥

য়ুগায়িতং নিমেষেণ চক্ষুষা প্রাবৃষায়িতম্ ।
শূন্যায়িতং জগত সর্ব্ব গোবিন্দ----বিরহেণ মে ॥ ৭ ॥

আশ্লিষ্য বা পাদরতাং পিনষ্টু মা
মামদর্শনান্মর্ম্ম হতাং করোতু বা ।
যথা তথা বা বিদধাতু লম্পটো
মত প্রাণনাথস্তু সে এব নাপরঃ ॥ ৮ ॥

ইতি শ্রী গৌরচন্দ্র মুখপদ্মবিনির্গতশিক্ষাষ্টকং সম্পূর্ণম ।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





adds