শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

নিত্যানন্দ শক্তি জাহ্নবা ঈশ্বরী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/gopisharan-das_76.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ নিত্যানন্দ শক্তি জাহ্নবা ঈশ্বরী
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
নিত্যানন্দ শক্তি জাহ্নবা ঈশ্বরী। 

  
 নিত্যানন্দশক্তি জাহ্নবা মায়ের জন্মস্থান অম্বিকা-কালনা।  পিতা সূর্যদাস পন্ডিত ও মাতা ভদ্রাবতী দেবীর দুই কন্যা-বসুধা ও জাহ্নবা।

শ্রীসূর্যদাসের গুণ কহিলে না হয়।
বসুধা জাহ্নবা --নামে তাঁর কন্যাদ্বয়।।
রূপে গুণে দোহার উপমা নাই দিতে।

      মহাপ্রভু নিতাইচাঁদকে বললেন, তুমিও যদি মুনিধর্ম অবলম্বন করে থাকো তাহলে পতিত সংসারের উদ্ধার হবে কিভাবে?  গৌড়মণ্ডলে গিয়ে নাম প্রেম প্রচার কর। সংসারী হও। সম্যকরূপে সার যে আমি, তোমার গৃহে যাব। অতএব তুমি কোন চিন্তা করো না মনে।

বিরলে নিতাই লইয়া হাতে ধরি বসাইয়া মধুর কথা কন ধীরে ধীরে।
মহাপ্রভুর আজ্ঞা মেনে নিতাই আসলেন শ্রীগৌড়মন্ডলে।

    প্রিয়শিষ্য উদ্ধারণদত্ত সঙ্গে  নিত্যানন্দ সূর্যদাসের গৃহে উপস্থিত হয়ে
বিবাহের প্রস্তাব দিলেন।
সেসময় বর্ণপ্রথার প্রবল অনুশাসন থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সমাজের ভয়ে সূর্যদাস কন্যাদানে অসম্মতি জানালেন।
সদানন্দ নিত্যানন্দ গঙ্গাতীরে বটবৃক্ষমূলে গিয়ে বসলেন।

দর্শনে মুগ্ধ বসুধা নিত্যানন্দের ফিরে যাওয়ায় মূর্চ্ছিতা হয়ে পড়লেন।অনেক উপচারেও কিছু হল না কবিরাজ এসে বলল সব শেষ।
      গঙ্গাতীরে বসুধার  মৃতদেহ সৎকার করতে আনা হলে, নিত্যানন্দের দেখা মিলল।
সূর্যদাস তার পায়ে পড়ে বললেন " আমার মেয়েকে বাঁচিয়ে দিন। আপনার চরণে মেয়েকে সমর্পণ করলাম।"
  নিত্যানন্দ  অঙ্গগন্ধ পেয়েই বসুধা উঠে বসল মাথায় ঘোমটা দিয়ে লজ্জায় ফিরে বসল। 
বেদবিহিত সংস্কার করে উপবীত ধারণ করে মহাসমারোহে বিবাহ সম্পন্ন হল।
  
   একদিন নিত্যানন্দ প্রভু পালংকে বসে আছেন, জাহ্নবা হেসে হেসে তাম্বুল দান করছেন নিত্যানন্দ প্রভু তাকে হাতে ধরে পাশে বসালেন।
 পূরবের ভাব মনে হল, তাঁর নিত্য প্রিয়া রেবতী ও বারুনী।  
 সূর্যদাসকে বললেন, " আপনি তো আমাকে যৌতুক দেন নাই তাই যৌতুক স্বরূপ আপনার এই কনিষ্ঠ কন্যাকে আমি গ্রহণ করলাম।"
সূর্যদাস বলল, " জাতি প্রাণ ধন গৃহ পরিবার সমস্ত তোমার।"

 শ্রীগৌরগণোদ্দেশ দীপিকায়াম্-
  শ্রীবারুণীরেবত্যোরংশসম্ভবে 
তস্য প্রিয়ে শ্রীবসুধা চ জাহ্নবা।
শ্রীসূর্যদাসাখ্যমহাত্মনঃ সুতে
ককুদ্মিরূপস্য চ সূর্যতেজসঃ।।

কেচিৎ শ্রীবসুধাদেবীং কলাবাণীং বিবৃণ্বতি।
অনঙ্গমঞ্জরীং কেচিজ্জাহ্নবাং ক প্রচক্ষতে।
ভয়ঙ্কর সমীচীনং পূর্বন্যায়াৎ সতাং মতম্।।

অনুবাদ--শ্রীগৌরগণোদ্দেশদীপিকায় শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর প্রিয়াদ্বয় শ্রীবারুণী ও শ্রীরেবতীর অংশসম্ভূত এবং সূর্যের ন্যায় তেজস্বী, ককুদ্মির অবতার মহাত্মা শ্রীসূর্যদাস পন্ডিত। কেহ কেহ শ্রীবসুধাদেবীকে "কলাবাণী" এবং শ্রীজাহ্নবাকে "অনঙ্গমঞ্জরী" বলে থাকেন। সাধুগণও পূর্ব বিচারে উভয়ই সমীচীন মনে করেন।

        বিয়ের পর বড়গাছিতে এলেন নিত্যানন্দ, শ্রীবাসের ঘরণী মালিনীর কাছে আশীর্বাদ নিলেন। তারপর নবদ্বীপ গিয়ে শচীমাতার আশীর্বাদ নিলেন। তারপর গাণ্ডীবনগরে (বর্তমানে গাঁটরা)এসে বেশ কিছুকাল অবস্থান করেছিলেন। তারপর সপ্তগ্রামে,শেষে খড়দহে আসেন। 
  বসুধা মাতার আটপুত্র ও এক কন্যা , একে একে সাত পুত্র মারা গেল। বেঁচে রইল মেয়ে গঙ্গা ও কনিষ্ঠ পুত্র বীরচন্দ্র বা বীরভদ্র।
বীরচন্দ্রের তিন পুত্র ও এক কন্যা।
শ্রীগোপীজনবল্লভ (নোতা, মঙ্গলকোট, বর্ধমান)
২. শ্রীরামকৃষ্ণ(গয়েশপুর, মালদহ)
৩. শ্রীরামচন্দ্র (খড়দহ- মুলগাদী, উত্তর 24 পরগনা)
 ও কন্যা শ্রীমতীভুবনমোহিনী দেবী, স্বামী পার্বতীনাথ মুখোপাধ্যায় (ফুলিয়ামেল, ফুলিয়া)।

জাহ্নবা নিঃসন্তান ।
রামচন্দ্র(ইনি পূর্বোক্ত রামচন্দ্র নন) বা রামাই কে পোষ্যপুত্র রূপে গ্রহণ করেছিলেন।
 জাহ্নবার প্রিয় বন্দোঁ রামাই গোসাঞি। 
যে আনিল গৌড়দেশে কানাই বলাই।।

 বর্তমানে বাঘনাপাড়ায় কৃষ্ণ-বলরাম বিগ্রহ আজও সেবিত হচ্ছেন।
         বীরচন্দ্রের ইচ্ছা ছিল অদ্বৈত আচার্যের কাছে দীক্ষা নেওয়ার, তাই ভেবে সে শান্তিপুরে যাবার উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন,  জাহ্নবা রামদাস কে পাঠালেন ডেকে আনতে,ততক্ষণে বীরচন্দ্র নৌকায় উঠেছেন রামদাস অনেক ডাকলেন। কিন্তু শুনতে পেলেন না, কেননা তিনি নাম সংকীর্তন সে সময় ছিলেন মত্ত।রামদাস তার হাতের বাঁশীটি ছুড়ে মারলে নৌকা তৎক্ষণাৎ দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়। ফিরে আসলেন বীরচন্দ্র এসে নামজপরত মায়ের চরণে প্রণাম করলেন।যুবক পুত্রকে দেখে মা ঘোমটা দেবেন, হাত নাম জপে রত। তখন আর দুহাত বের করে ঘোমটা দিলেন, দেখে বীরচন্দ্র চরণে লুটিয়ে পড়লেন। যথাসময়ে দীক্ষা হয়ে গেল।

 নিত্যানন্দ প্রভুর অপ্রকটের পর
 জাহ্নবাদেবী ১৫০৫শকে খেতুরীতে শ্রীনরোত্তম ঠাকুর মহাশয়ের অনুষ্ঠিত ছয় বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা মহামহোৎসবে নিমন্ত্রিতা হয়ে আসেন। তিনি খড়দহে ফিরবার কালে তার শ্বশুরের ভিটা দেখতে একচক্রায় এসে নিত্যানন্দ জন্মস্থান শ্রীশ্রীএকচক্রাধাম-যোগপীঠ দর্শন করেন ।
পরে তিনি বৃন্দাবনে গিয়ে গোবর্ধনের গোফায় ভজনরত শ্রীরাঘব পণ্ডিতকে আদেশ দেন নিত্যানন্দ জন্মস্থান সংরক্ষণের জন্য। তারই নির্দেশে পরবর্তীকালে রাঘব পন্ডিত এসে নিত্যানন্দ জন্মস্থানের সেবা সংরক্ষণ করেন।
পরের বার বৃন্দাবনে গিয়ে গোপীনাথের আরতি করেন।আরতী অন্তে গোপীনাথ মাজাহ্নবার বস্ত্রাঞ্চল আকর্ষণ করে আত্মসাৎ করেন অর্থাৎ তার দেহেই লীন করে নেন।
পরে মূর্তি তৈরি করে গোপীনাথের বামে স্থাপন করা হয়।
তখন থেকেই সব গৌড়ীয়ার গোপীনাথ মন্দিরে গোপীনাথের বামে মাজাহ্নবা বিদ্যমান।

নিত্যানন্দ পরিবারের গুরুপরম্পরায় মূল আসনে মা_জাহ্নবাই অধিষ্ঠিত।
আজ
 মাজাহ্নবার শুভ আবির্ভাব তিথিতে মায়ের চরণে কোটি কোটি প্রণাম। মা তুমি সকলের আত্যন্তিক মঙ্গল কর, এই প্রার্থনা তোমার শ্রী চরণে।।

 সমাজবাড়িতে গীত ঠাকুরানীর জন্মলীলা কীর্তনের স্মরণ।

আনন্দরূপিণী এ তব নন্দিনী সুবদনী সুধামুখী ।
সদা সাধ মনে এ হেন রতনে যতনে হৃদয়ে রাখি ।।

শুন সূর্য্যদাস প্রিয়ে !
কত পুণ্যফলে, পেলে আজি কোলে এ হেন সোনার ঝিয়ে ।।

উদয় অবনী অখিল পাবনী কৃষ্ণ প্রেম মন্দাকিনী ।
যে জানে যে নাম রাখুক সে নাম আমরা জাহ্নবা জানি ।।

সর্ব্ব সুলক্ষণা,সৌভাগ্য শোভনা, অতুলনা ত্রিভুবনে ।
আদরিনী হবে হৃদয়ে ধরিবে প্রিয় নিত্যানন্দ ধনে ।।

তনয়া তোমার অখিলের সার সদাই নিতাই সঙ্গ ।
দ্বীন দ্বিজ গতি অনঙ্গ-রেবতী ইঁহার অভিন্ন অঙ্গ ।।

*জয়_মাজাহ্নবা।*

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



DEMOCRATIC NITYANANDA ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/democratic-nityananda-gopisharan-das.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
          ꧁ DEMOCRATIC NITYANANDA ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র  ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*DEMOCRATIC NITYANANDA.* 


 "DEMOCRACY"  এর একটি  Connotations আছে।

D for Dignity__ শ্রদ্ধা করবে ।
পিতৃদেব ভব।মাতৃদেব ভব । আচার্যদেব ভব। সকলকে শ্রদ্ধা করবে । ভক্তি করবে এই শিক্ষাই দিলেন।
 
E for Equality --সমান ভাববে ।জাত-পাতের বেড়া ভেঙে  সমাজের বর্ণাশ্রম ধর্ম একপাশে সরিয়ে সকলকে এক ছত্রতলে নিয়ে এসেছিলেন।

M for Mass -- বিপুল সংখ্যক, মানুষের কথা চিন্তা করবে (দেশের নর নারায়ণ)। যারে তুমি নিচে ফেল সে তোমারে বাঁধিবে যে নীচে । পশ্চাতে রেখেছ যারে , সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে । দেখিতে পাওনা তুমি? মৃত্যুদুত দাঁড়ায়েছে দ্বারে!
অভিশাপ আঁকি দিল তোমার জাতির অহঙ্কারে।
What is the ultimate results? মৃত্যু মাঝে হবে তব চিতাভস্মে সবার সমান । 
O for Objectivity--বস্তুনিষ্ঠতা, বাস্তব ধর্মিতা । লক্ষ্য এবং মোক্ষ দুটিই থাকা চাই সংগঠনে।লক্ষ্য-সব জীবের আত্যন্তিক মঙ্গলসাধন।নিত্যানন্দ প্রভু তাঁর প্রাণ মন সবকিছুই উত্সর্গ করেছিলেন জীব কল্যাণের নিমিত্ত । এর জন্য অনেকের কটুকথা , নিন্দা , উপহাস এমনকি মার পর্যন্ত খেয়েছিলেন তথাপি জীবকল্যাণের সংকল্প থেকে সরে আসেননি । নিজ লক্ষ্যে তিনি ছিলেন অবিচল ।তাঁর অবাধ ব্যক্তিত্ব, অটুট আত্মবিশ্বাস ও প্রবলা ইচ্ছাশক্তির কাছে সকলেই অবনত হয়েছিল।দুষ্ট, দুরাচারী, লুণ্ঠনকারী, মদ্যপায়ী কেহই বাদ গেল না তাঁর উদার সৌহার্দ্য, অহেতুক ভালবাসা ও নিঃস্বার্থ প্রেমের কাছে।সবাই হার মানল এই মানবতাবাদী নিত্যানন্দের কাছে।পরাজিত হল তাঁর ক্ষমার কাছে। *ক্ষমাই*  যে দুনিয়ায় সব থেকে বড় অস্ত্র বা সব থেকে বড় দণ্ড তা নিজ জীবনে প্রত্যক্ষ করে দেখিয়ে দিলেন গণনায়ক নিত্যানন্দ।ক্ষমার দ্বারা মানুষের মনকে যেভাবে বশ করা যায় তেমনটি কোন অস্ত্রের দ্বারা সম্ভব নয় । 
এরই অভিব্যক্তি আমরা দেখতে পাই সমপ্রাণ শ্রীপাদরামদাস বাবাজি মহাশয়ে।তার একটি বাক্স চুরি করে চোর পালিয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু ধরা পড়ে গেল, সকলে মারতে উদ্যত হল চোর কে ।
এ দৃশ্য দেখে বাবাজি মহাশয়ের দুচোখে জল ভরে এল, বললেন হয়ত কোন অসুবিধায় পড়েছিল, নইলে অমনটি করবে কেন? তোমাদের জিনিস তো তোমরা পেয়ে গেছ, তবে আর ওকে মারছ কেন? 
চোরের হাতে কিছু টাকা গুঁজে দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে দিলেন।অবাক হয়ে গেল চোর।এমন মানুষও আছে পৃথিবীতে? নিজ কৃত কর্মের অনুতাপানল ধূ ধূ করে জ্বলতে লাগল।সে অনলে সমস্ত পাপ জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে গেল।কদিন পরে এসে বাবাজি মহাশয়ের চরণে সাষ্টাঙ্গে পড়ে সে কি কান্না!!
বলুন তো! তাকে মারলে বা পুলিশে ধরিয়ে দিলে, এ পরিবর্তন কি হতো ?
যাক, অনেক দুর তলিয়ে গিয়েছিলাম।ফিরে আসি পূর্ব কথায়।
এই লক্ষ্যে নিত্যানন্দ পূর্ণ সফলকামও হয়েছিলেন ।
এর পর মোক্ষ-মানে মুক্তি ।

 *মুক্তিরন্যথারূপং হিত্বা স্বরূপেন ব্যবস্থিতি* । 

মায়িক দেহোপাধি ছেড়ে আত্মস্বরূপে স্থিতির নাম মুক্তি।

 *জীবের স্বরূপ হয় কৃষ্ণের নিত্য দাস।* 
 
সেই স্বরূপে স্থিত হয়ে যুগলের নিষ্কাম সেবা।
সাংসারিক ত্রিতাপ জ্বালা থেকে মুক্ত হয়ে শাশ্বত আনন্দ প্রাপ্তির নাম মুক্তি।।

C for Classless Society --শ্রেণীহীন, শোষণ হীন সমাজ।কে দিয়ে গেল ভারতবর্ষে প্রথম? আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ শত বত্সর আগে, যখন সমাজে গোঁড়ামী, কুসংস্কারে ভরে গিয়েছিল, নীচু জাতেরা অবহেলিত, অপাংক্তেয় হয়ে ধর্মান্তরিত হচ্ছিল, সেই যুগসন্ধিক্ষনে এসে নিতাই ক্ষয়িষ্ণু সনাতন ধর্মকে রক্ষা করেছিলেন।সকলকে বাঁচার মন্ত্র শুনিয়েছিলেন।শুধুমাত্র হরিনাম করলেই মুক্তি।মানুষ মাত্রে সবাই এক । সবাই সমান ।

R for Right -- অধিকার । কে দিল? নিত্যানন্দ।সমান ভাবে বাঁচার অধিকার।একসাথে খাবার অধিকার।

A for Agreement--বোঝাপড়া।সামঞ্জস্য।সেকালের গোঁড়া ব্রাহ্মণদের ও নিচুতলার মানুষদের মাঝে সামঞ্জস্য করে একই সারিতে নিয়ে এসেছিলেন সবাকে ।নিতাই-এর প্রেমধর্মে  সবাই বিভেদ ভুলে একসঙ্গে হরিনামসংকীর্তন ও পংক্তিভোজন করতেন।

C for Creative Attitude-সৃষ্টিশীলতা, ভবিষ্যতগ্রাহ্যতা।দুরদর্শিতা ।কলির জীব অন্নগত প্রাণ, ধ্যানাদি সাধনে অক্ষম, তাই হরিনাম সাধন দিলেন, কোন বিধি নিষেধ দিলেন না।নাম সাধনে চিত্ত শুদ্ধ হলে , আপনি বিধি পালন করবে ।
আজ সারা বিশ্ব হরিনাম করছে নিতাইচাঁদের দুরদর্শিতায়।

Y for Yearning - ব্যাকুলতা, -জীব
দুঃখে ব্যাকুল হয়ে  চেষ্টা করেছিলেন । তাদের উন্নয়নের। অভাব পূরণের।ব্যাণ্ডেলের পাশে দশ একর জায়গা নিয়ে আবাসন তৈরি করেন ও বাস্তুহীনদের বসান । শুধু বাসদানই নয় , নিরন্নদের অন্নদান বস্ত্রদান, তাও দু একদিন নয়  তিন বত্সরাধিক কাল অবাধ অন্নসত্র ।সেই জায়গার নামই পড়ে যায় *ত্রিশবিঘা*।এখনও গেলে দেখতে পাবেন।

নিজের জন্য একটি ইটও গাঁথেন নাই।ধনীদের অর্থ নিয়ে গরীবদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়েছিলেন।এমনি ভাবে সমাজে সাম্যবাদ স্থাপনে প্রয়াসী হয়েছিলেন।

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



DEMOCRATIC NITYANANDA ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/democratic-nityananda-gopisharan-das.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
          ꧁ DEMOCRATIC NITYANANDA ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র  ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*DEMOCRATIC NITYANANDA.* 


 "DEMOCRACY"  এর একটি  Connotations আছে।

D for Dignity__ শ্রদ্ধা করবে ।
পিতৃদেব ভব।মাতৃদেব ভব । আচার্যদেব ভব। সকলকে শ্রদ্ধা করবে । ভক্তি করবে এই শিক্ষাই দিলেন।
 
E for Equality --সমান ভাববে ।জাত-পাতের বেড়া ভেঙে  সমাজের বর্ণাশ্রম ধর্ম একপাশে সরিয়ে সকলকে এক ছত্রতলে নিয়ে এসেছিলেন।

M for Mass -- বিপুল সংখ্যক, মানুষের কথা চিন্তা করবে (দেশের নর নারায়ণ)। যারে তুমি নিচে ফেল সে তোমারে বাঁধিবে যে নীচে । পশ্চাতে রেখেছ যারে , সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে । দেখিতে পাওনা তুমি? মৃত্যুদুত দাঁড়ায়েছে দ্বারে!
অভিশাপ আঁকি দিল তোমার জাতির অহঙ্কারে।
What is the ultimate results? মৃত্যু মাঝে হবে তব চিতাভস্মে সবার সমান । 
O for Objectivity--বস্তুনিষ্ঠতা, বাস্তব ধর্মিতা । লক্ষ্য এবং মোক্ষ দুটিই থাকা চাই সংগঠনে।লক্ষ্য-সব জীবের আত্যন্তিক মঙ্গলসাধন।নিত্যানন্দ প্রভু তাঁর প্রাণ মন সবকিছুই উত্সর্গ করেছিলেন জীব কল্যাণের নিমিত্ত । এর জন্য অনেকের কটুকথা , নিন্দা , উপহাস এমনকি মার পর্যন্ত খেয়েছিলেন তথাপি জীবকল্যাণের সংকল্প থেকে সরে আসেননি । নিজ লক্ষ্যে তিনি ছিলেন অবিচল ।তাঁর অবাধ ব্যক্তিত্ব, অটুট আত্মবিশ্বাস ও প্রবলা ইচ্ছাশক্তির কাছে সকলেই অবনত হয়েছিল।দুষ্ট, দুরাচারী, লুণ্ঠনকারী, মদ্যপায়ী কেহই বাদ গেল না তাঁর উদার সৌহার্দ্য, অহেতুক ভালবাসা ও নিঃস্বার্থ প্রেমের কাছে।সবাই হার মানল এই মানবতাবাদী নিত্যানন্দের কাছে।পরাজিত হল তাঁর ক্ষমার কাছে। *ক্ষমাই*  যে দুনিয়ায় সব থেকে বড় অস্ত্র বা সব থেকে বড় দণ্ড তা নিজ জীবনে প্রত্যক্ষ করে দেখিয়ে দিলেন গণনায়ক নিত্যানন্দ।ক্ষমার দ্বারা মানুষের মনকে যেভাবে বশ করা যায় তেমনটি কোন অস্ত্রের দ্বারা সম্ভব নয় । 
এরই অভিব্যক্তি আমরা দেখতে পাই সমপ্রাণ শ্রীপাদরামদাস বাবাজি মহাশয়ে।তার একটি বাক্স চুরি করে চোর পালিয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু ধরা পড়ে গেল, সকলে মারতে উদ্যত হল চোর কে ।
এ দৃশ্য দেখে বাবাজি মহাশয়ের দুচোখে জল ভরে এল, বললেন হয়ত কোন অসুবিধায় পড়েছিল, নইলে অমনটি করবে কেন? তোমাদের জিনিস তো তোমরা পেয়ে গেছ, তবে আর ওকে মারছ কেন? 
চোরের হাতে কিছু টাকা গুঁজে দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে দিলেন।অবাক হয়ে গেল চোর।এমন মানুষও আছে পৃথিবীতে? নিজ কৃত কর্মের অনুতাপানল ধূ ধূ করে জ্বলতে লাগল।সে অনলে সমস্ত পাপ জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে গেল।কদিন পরে এসে বাবাজি মহাশয়ের চরণে সাষ্টাঙ্গে পড়ে সে কি কান্না!!
বলুন তো! তাকে মারলে বা পুলিশে ধরিয়ে দিলে, এ পরিবর্তন কি হতো ?
যাক, অনেক দুর তলিয়ে গিয়েছিলাম।ফিরে আসি পূর্ব কথায়।
এই লক্ষ্যে নিত্যানন্দ পূর্ণ সফলকামও হয়েছিলেন ।
এর পর মোক্ষ-মানে মুক্তি ।

 *মুক্তিরন্যথারূপং হিত্বা স্বরূপেন ব্যবস্থিতি* । 

মায়িক দেহোপাধি ছেড়ে আত্মস্বরূপে স্থিতির নাম মুক্তি।

 *জীবের স্বরূপ হয় কৃষ্ণের নিত্য দাস।* 
 
সেই স্বরূপে স্থিত হয়ে যুগলের নিষ্কাম সেবা।
সাংসারিক ত্রিতাপ জ্বালা থেকে মুক্ত হয়ে শাশ্বত আনন্দ প্রাপ্তির নাম মুক্তি।।

C for Classless Society --শ্রেণীহীন, শোষণ হীন সমাজ।কে দিয়ে গেল ভারতবর্ষে প্রথম? আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ শত বত্সর আগে, যখন সমাজে গোঁড়ামী, কুসংস্কারে ভরে গিয়েছিল, নীচু জাতেরা অবহেলিত, অপাংক্তেয় হয়ে ধর্মান্তরিত হচ্ছিল, সেই যুগসন্ধিক্ষনে এসে নিতাই ক্ষয়িষ্ণু সনাতন ধর্মকে রক্ষা করেছিলেন।সকলকে বাঁচার মন্ত্র শুনিয়েছিলেন।শুধুমাত্র হরিনাম করলেই মুক্তি।মানুষ মাত্রে সবাই এক । সবাই সমান ।

R for Right -- অধিকার । কে দিল? নিত্যানন্দ।সমান ভাবে বাঁচার অধিকার।একসাথে খাবার অধিকার।

A for Agreement--বোঝাপড়া।সামঞ্জস্য।সেকালের গোঁড়া ব্রাহ্মণদের ও নিচুতলার মানুষদের মাঝে সামঞ্জস্য করে একই সারিতে নিয়ে এসেছিলেন সবাকে ।নিতাই-এর প্রেমধর্মে  সবাই বিভেদ ভুলে একসঙ্গে হরিনামসংকীর্তন ও পংক্তিভোজন করতেন।

C for Creative Attitude-সৃষ্টিশীলতা, ভবিষ্যতগ্রাহ্যতা।দুরদর্শিতা ।কলির জীব অন্নগত প্রাণ, ধ্যানাদি সাধনে অক্ষম, তাই হরিনাম সাধন দিলেন, কোন বিধি নিষেধ দিলেন না।নাম সাধনে চিত্ত শুদ্ধ হলে , আপনি বিধি পালন করবে ।
আজ সারা বিশ্ব হরিনাম করছে নিতাইচাঁদের দুরদর্শিতায়।

Y for Yearning - ব্যাকুলতা, -জীব
দুঃখে ব্যাকুল হয়ে  চেষ্টা করেছিলেন । তাদের উন্নয়নের। অভাব পূরণের।ব্যাণ্ডেলের পাশে দশ একর জায়গা নিয়ে আবাসন তৈরি করেন ও বাস্তুহীনদের বসান । শুধু বাসদানই নয় , নিরন্নদের অন্নদান বস্ত্রদান, তাও দু একদিন নয়  তিন বত্সরাধিক কাল অবাধ অন্নসত্র ।সেই জায়গার নামই পড়ে যায় *ত্রিশবিঘা*।এখনও গেলে দেখতে পাবেন।

নিজের জন্য একটি ইটও গাঁথেন নাই।ধনীদের অর্থ নিয়ে গরীবদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়েছিলেন।এমনি ভাবে সমাজে সাম্যবাদ স্থাপনে প্রয়াসী হয়েছিলেন।

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



মহাপ্রভুর মহাদান কি ❓ যা কোন কালে কেউ দান করেন নাই ❓ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/mohaprobhu-gopisharan.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ মহাপ্রভুর মহাদান কি ❓ ꧂
    ꧁ যা কোন কালে কেউ দান করেন নাই ❓ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*মহাপ্রভুর মহাদান কি? যা কোন কালে কেউ দান করেন নাই?*

*অনর্পিতচরীং চিরাৎ.....*

পথিক চলিয়া যায়, জীর্ণ শীর্ণ মলিন কায়, হা কৃষ্ণ হা কৃষ্ণ মুখে বলে ।
 নয়নে গলয়ে নির, তিতিল অঙ্গের চীর,ভগ্ন পদে অতি কষ্টে চলে ।।

,,,,,, আর যেতে পারল না বনপথে । ক্ষুধা তৃষ্ণায় কাতর হয়ে বসে পড়ল একটি গাছের নীচে । ভাবছে  আমি কি যেতে পারব সেই মধুময় বৃন্দাবনে? যেখানে সবই মধুর! চলন মধুর বলন মধুর হসন মধুর । ভাবতে ভাবতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ল । 

হঠাত্ দেখছে একটি সুন্দর নির্জন কানন । প্রতিটি গাছের গোড়ায় একটি করে লতা উঠে পুরো গাছটাকে ঢেকে ফেলেছে, নীচ থেকে উপর পর্যন্ত ফুলে ভরা । বড় বড় ডাল গুলো নুইয়ে মাটি পর্যন্ত নেমেছে । তাতে লতার. পাতা ও ফুলে এমন ঘন হয়েছে যে বাহিরে থেকে কিছু দেখার উপায় নাই।ফুলে ফুলে ভ্রমর গুঞ্জন করছে, গাছের ডালে কোকিল পপীহার কলরব । দুরে ময়ূর ডাকে কেও কেও রবে । মনে হচ্ছে যেন চিনতে পারছে না, তাই বলছে কে ও কে ও ।সরু পথ, এগিয়ে একটা কুঞ্জ কুটির ।কুটিরের সামনে এক নবীন যৌবনা কিশোরী নিবিষ্ট মনে মালা গাঁথছে । কোন দিকে তাঁর খেয়াল নাই।একেবারেই নিরিবিলি জায়গা।হঠাৎ সেখানে এক কিশোরের আগমন ঘটল । 
কিছুক্ষণ পরে কিশোরটি নিরবতা ভঙ্গ করে বলল ~সখী ! এখানে কি কর? চমকে উঠল কিশোরী  , তার ডাকে ।   ক্ষনিকে সামলে নিয়ে কিশোরী বলল ~ মালা গাঁথছি।  
কিশোর- কার জন্য?  
কিশোরী -  স্বামিনীর জন্য। 

কিশোর- আচ্ছা  বেশ! চল একটু বন ভ্রমণ করে আসি । কিশোরী -  না। 
 কিশোর-  জান আমি কে? চরাচর বিশ্বের সকলে আমার একটু দর্শনের জন্য লালায়িত । আর তুমি আমাকে উপেক্ষা করছ? 
অবহিথ্থা (লজ্জা/সঙ্কোচ) ত্যাগ করে কিশোরী বলল ~হে শ্যামসুন্দর! এ মন প্রাণ সব তোমাতে অর্পিত । কিন্তু  এ দেহটি রাধারাণীর। আমি তাঁর কিঙ্করী । তাঁর দাসী । তাঁকে ছাড়া আমি তোমার সঙ্গে কোথাও যেতে পারব না ।  তুমি ভেতরে চল ।যুগলের সেবা করে ধন্য হব । বলেই কিশোরী ভেতরে নিয়ে রাধারাণীর পাশে বসালেন । নিজের তৈরি অদ্ভূত মালা গাছটি শ্যামের গলায় পরিয়ে দিলেন।সখীগণ চারিদিকে ঘিরে দাঁড়ালেন । অদ্ভূত শোভা হল।  শ্যাম বললেন. সখি ! তোমার মালা গাঁথার অদ্ভূত নৈপুণ্য! এসো আমার প্রসাদী মালাটা নাও।  

কিশোরী   হাতজোড় করে বলল. ওটা আমার স্বামিনীর প্রাপ্য । তাঁর প্রসাদী আমি নেব । যখন কিঙ্করী মালা নিল না তখন শ্যাম বলছেন.  
তবে আমার প্রসাদী পান টুকু নাও!  কিঙ্করী মুখ ঢাকলেন । না!!      
শ্যাম, কিঙ্করীর নিষ্কামতা প্রকাশের নিমিত্ত সখীদের মাঝে বললেন.  তবে একটা আলিঙ্গন!  বলেই ছুটলেন. কিঙ্করী ভয় পেয়ে চারিদিকে ছুটে কোথাও ঠাঁই না পেয়ে  রাধারাণীর চরণ ধরে পড়লেন ।   আমায় বাঁচাও, স্বামিনী জূ! আমায় বাঁচাও! । 

রাধারাণী ~হে শ্যামসুন্দর!  ওকে আর বিরক্ত কোরো না।  

(এই হল মহাপ্রভুর অবদান মঞ্জরী ভাব । গৌড়ীয় বৈষ্ণবের নিগুড়তম সাধনা ।রাধাদাস্য । কতখানি চিত্ত বিশুদ্ধ হলে এভাবে স্বয়ং ভগবানকেও প্রত্যাখান করা যায়!সব সখীগণও বিস্মিত হয়ে দেখতে থাকলেন। শ্রীকৃষ্ণও মাঝেমধ্যে কিঙ্করীর নিষ্কাম ভাব প্রকাশের জন্য এরূপ লীলা করেন।) 

হঠাত্ পথিকের তন্দ্রা ভেঙে গেল ।আর কিছু দেখা যায় না । কোথা বৃন্দাবন কোথা যুগল লীলা দরশন । চিত্কার করে কেঁদে উঠলেন ।হা রাধে ! কোথা তুমি ! রাধে ! রাধে ! রাধে ! রা ,আ  ,,,,,,

 অবিরাম কেঁদেই চললেন, ,,,,,

(গোপীগণের যেই প্রেম কহে ভাগবতে।
একলা নিত্যানন্দ হইতে পারিবে জগতে।। 
নিত্যানন্দ প্রেমদাতা গৌরাঙ্গ পরম ধন।
 রাস-বিলাসে পাবে শ্রীরাধারমন।।
নিতাই কৃপা বিনে ভাই.  এ প্রেম লভ্য নয় । হা নিতাই!)

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

মহাপ্রভুর মহাদান কি ❓ যা কোন কালে কেউ দান করেন নাই ❓ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/mohaprobhu-gopisharan.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ মহাপ্রভুর মহাদান কি ❓ ꧂
    ꧁ যা কোন কালে কেউ দান করেন নাই ❓ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*মহাপ্রভুর মহাদান কি? যা কোন কালে কেউ দান করেন নাই?*

*অনর্পিতচরীং চিরাৎ.....*

পথিক চলিয়া যায়, জীর্ণ শীর্ণ মলিন কায়, হা কৃষ্ণ হা কৃষ্ণ মুখে বলে ।
 নয়নে গলয়ে নির, তিতিল অঙ্গের চীর,ভগ্ন পদে অতি কষ্টে চলে ।।

,,,,,, আর যেতে পারল না বনপথে । ক্ষুধা তৃষ্ণায় কাতর হয়ে বসে পড়ল একটি গাছের নীচে । ভাবছে  আমি কি যেতে পারব সেই মধুময় বৃন্দাবনে? যেখানে সবই মধুর! চলন মধুর বলন মধুর হসন মধুর । ভাবতে ভাবতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ল । 

হঠাত্ দেখছে একটি সুন্দর নির্জন কানন । প্রতিটি গাছের গোড়ায় একটি করে লতা উঠে পুরো গাছটাকে ঢেকে ফেলেছে, নীচ থেকে উপর পর্যন্ত ফুলে ভরা । বড় বড় ডাল গুলো নুইয়ে মাটি পর্যন্ত নেমেছে । তাতে লতার. পাতা ও ফুলে এমন ঘন হয়েছে যে বাহিরে থেকে কিছু দেখার উপায় নাই।ফুলে ফুলে ভ্রমর গুঞ্জন করছে, গাছের ডালে কোকিল পপীহার কলরব । দুরে ময়ূর ডাকে কেও কেও রবে । মনে হচ্ছে যেন চিনতে পারছে না, তাই বলছে কে ও কে ও ।সরু পথ, এগিয়ে একটা কুঞ্জ কুটির ।কুটিরের সামনে এক নবীন যৌবনা কিশোরী নিবিষ্ট মনে মালা গাঁথছে । কোন দিকে তাঁর খেয়াল নাই।একেবারেই নিরিবিলি জায়গা।হঠাৎ সেখানে এক কিশোরের আগমন ঘটল । 
কিছুক্ষণ পরে কিশোরটি নিরবতা ভঙ্গ করে বলল ~সখী ! এখানে কি কর? চমকে উঠল কিশোরী  , তার ডাকে ।   ক্ষনিকে সামলে নিয়ে কিশোরী বলল ~ মালা গাঁথছি।  
কিশোর- কার জন্য?  
কিশোরী -  স্বামিনীর জন্য। 

কিশোর- আচ্ছা  বেশ! চল একটু বন ভ্রমণ করে আসি । কিশোরী -  না। 
 কিশোর-  জান আমি কে? চরাচর বিশ্বের সকলে আমার একটু দর্শনের জন্য লালায়িত । আর তুমি আমাকে উপেক্ষা করছ? 
অবহিথ্থা (লজ্জা/সঙ্কোচ) ত্যাগ করে কিশোরী বলল ~হে শ্যামসুন্দর! এ মন প্রাণ সব তোমাতে অর্পিত । কিন্তু  এ দেহটি রাধারাণীর। আমি তাঁর কিঙ্করী । তাঁর দাসী । তাঁকে ছাড়া আমি তোমার সঙ্গে কোথাও যেতে পারব না ।  তুমি ভেতরে চল ।যুগলের সেবা করে ধন্য হব । বলেই কিশোরী ভেতরে নিয়ে রাধারাণীর পাশে বসালেন । নিজের তৈরি অদ্ভূত মালা গাছটি শ্যামের গলায় পরিয়ে দিলেন।সখীগণ চারিদিকে ঘিরে দাঁড়ালেন । অদ্ভূত শোভা হল।  শ্যাম বললেন. সখি ! তোমার মালা গাঁথার অদ্ভূত নৈপুণ্য! এসো আমার প্রসাদী মালাটা নাও।  

কিশোরী   হাতজোড় করে বলল. ওটা আমার স্বামিনীর প্রাপ্য । তাঁর প্রসাদী আমি নেব । যখন কিঙ্করী মালা নিল না তখন শ্যাম বলছেন.  
তবে আমার প্রসাদী পান টুকু নাও!  কিঙ্করী মুখ ঢাকলেন । না!!      
শ্যাম, কিঙ্করীর নিষ্কামতা প্রকাশের নিমিত্ত সখীদের মাঝে বললেন.  তবে একটা আলিঙ্গন!  বলেই ছুটলেন. কিঙ্করী ভয় পেয়ে চারিদিকে ছুটে কোথাও ঠাঁই না পেয়ে  রাধারাণীর চরণ ধরে পড়লেন ।   আমায় বাঁচাও, স্বামিনী জূ! আমায় বাঁচাও! । 

রাধারাণী ~হে শ্যামসুন্দর!  ওকে আর বিরক্ত কোরো না।  

(এই হল মহাপ্রভুর অবদান মঞ্জরী ভাব । গৌড়ীয় বৈষ্ণবের নিগুড়তম সাধনা ।রাধাদাস্য । কতখানি চিত্ত বিশুদ্ধ হলে এভাবে স্বয়ং ভগবানকেও প্রত্যাখান করা যায়!সব সখীগণও বিস্মিত হয়ে দেখতে থাকলেন। শ্রীকৃষ্ণও মাঝেমধ্যে কিঙ্করীর নিষ্কাম ভাব প্রকাশের জন্য এরূপ লীলা করেন।) 

হঠাত্ পথিকের তন্দ্রা ভেঙে গেল ।আর কিছু দেখা যায় না । কোথা বৃন্দাবন কোথা যুগল লীলা দরশন । চিত্কার করে কেঁদে উঠলেন ।হা রাধে ! কোথা তুমি ! রাধে ! রাধে ! রাধে ! রা ,আ  ,,,,,,

 অবিরাম কেঁদেই চললেন, ,,,,,

(গোপীগণের যেই প্রেম কহে ভাগবতে।
একলা নিত্যানন্দ হইতে পারিবে জগতে।। 
নিত্যানন্দ প্রেমদাতা গৌরাঙ্গ পরম ধন।
 রাস-বিলাসে পাবে শ্রীরাধারমন।।
নিতাই কৃপা বিনে ভাই.  এ প্রেম লভ্য নয় । হা নিতাই!)

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

রসিকা ভুবি ভাবুকাঃ 📖 আপনাদের এত ভেদ-ভাবনা কেন ❓ কেবল রসিক আর ভাবুকেরাই শুনতে পাবে ❓ ১. মঞ্জরী ভাব কি❓ ২.মঞ্জরী কে❓ ৩.তাঁর মহত্ত্ব পূর্ণ সেবা কি ❓ ৪.ভক্তিতে মঞ্জরী ভাবের এত মহত্ত্ব কেন ❓ ৫.মঞ্জরী ভাব কে প্রদান করলেন ❓✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/gopisharan_61.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ রসিকা ভুবি ভাবুকাঃ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*কেবল মর্মজ্ঞ ভজনশীল জনদের জন্য যারা রসিক এবং ভাবুক তাদের আস্বাদ্য, অতীব গভীর রহস্যময় সিদ্ধান্ত । তাঁর কৃপায় , তাঁর লীলা স্ফূর্তি হয় ।*

সকলের চরণে প্রনাম রইল । ================ 
1. মঞ্জরী ভাব কি?  

2.মঞ্জরী কে? 

 3.তাঁর মহত্ত্ব পূর্ণ সেবা কি? 

 4.ভক্তি তে মঞ্জরী ভাবের এত মহত্ত্ব কেন?   

 6.মঞ্জরী ভাব কে প্রদান করলেন?   
               সমস্ত আলোচনা শাস্ত্র সন্মত --- 

এ বিষয়ে বিষদ জানতে--.রাধারসসুধানিধি।  বিলাপকুসুমাঞ্জলী   . 
উজ্জ্বল নীলমণি.  
রাধাকৃষ্ণ গনোদ্দেশ দীপিকা , রাধাকুণ্ড নিবাসী শ্রীমৎকুঞ্জবিহারী দাস জী কৃত "মঞ্জরী স্বরূপ নির্ণয় ও মঞ্জরী ভাব সাধন পদ্ধতি " ইত্যাদি গ্রন্থ দ্রষ্টব্য।  

💐মঞ্জরী ভাব এ সমস্ত শাস্ত্রে বর্নিত আছে ।

💐মঞ্জরী ভাব চৈতন্য মহাপ্রভুর মহান বদান্যতায় কলিহত পতিত জীব প্রাপ্ত হয়েছে । এমন করুণা কোন যুগে কেউ কখনও করেন নাই । অতি উত্তম বস্ত আর অতি অযোগ্য হীন দরিদ্র কে দান । 

 💐  মঞ্জরী ভাব কি?   

  মঞ্জরী গণ রাধারাণীর নিজ সেবিকা, যে রাধারাণীর সেবায় সব সময় সংলগ্ন থাকে । তাঁরা সেবারই প্রতিমূর্তি। সেবাভাব দিয়ে গঠিত তাদের কলেবর, তাঁরা সেবা বই অন্য জানে না। সেবা সুখে সদাই সুখী ।

 💐   তাঁরা কৃষ্ণ অপেক্ষা রাধারাণীকে বেশি ভালবাসে।তাদের কৃষ্ণ এজন্যই প্রিয়, যেহেতু কৃষ্ণ তাদের স্বামিনীর প্রিয়। 

💐  তাদের কৃষ্ণের সঙ্গে সরাসরি কোন সম্পর্ক নাই । সে কেবল তাদের স্বামিনীর প্রাণবল্লভ ।

💐   তাঁরা রাধারাণীর সেবা নিজ প্রাণ থেকেও বেশি যত্নে করেন।রাধারাণীর সেবা তাদের কোটি প্রাণ অপেক্ষা ও প্রিয়।

💐   তাঁরা কখনও রাসে যান না । কখনও নয় । তথাপি ও তাদের পূর্ণ আনন্দ লাভ হয় ।

💐   কখনও রাধারাণী মান করলে মান ভাঙ্গানোর জন্য কৃষ্ণ তাদের বিনতি করেন। চাটুকারিতা করেন।হাতজোড় করে বলেন রাধারাণীকে বল মান ত্যাগ করতে।

💐   কৃষ্ণ বলেন আমি তোমার শরণ নিয়েছি, মান ভাঙ্গিয়ে দাও । অনন্ত কোটি ব্রহ্মাণ্ডের মালিক হাত জোড় করে শরণ নেয় রাধা কিঙ্করীর কাছে, রাধা দাস্যের প্রতাপে, রাধারাণীর কৃপায়।

💐   তাঁরা রাধারাণীর অভিন্ন স্বরূপ। রাধারাণীর কখন কি জাতীয় সুখ বা দুঃখ তাঁরা সব বুঝতে পারে । গাছের গোড়ায় জল দিলে যেমন পাতা ফুল মঞ্জরীতে প্রফুল্লতা দেখা যায়, সেই প্রকার এদের মুখ দেখে রাধারাণীর সুখ দুঃখের অনুমান করা যায়। 

💐    তাঁরা  কৃষ্ণের সুখের জন্য  কোন চেষ্টাই করেন না, কোন ইচ্ছাই পোষণ করেন না কৃষ্ণকে সুখ দিব বলে।  

💐  এদের হৃদয় অত্যন্ত কোমল ও সংবেদনশীল । এঁরা কখনও ললিতাদি সখীদের মত বাদ-বিবাদ, তর্ক-বিতর্ক করে না ।সম্পূর্ণ লক্ষ্য কেবল আর কেবলই রাধারাণীর সেবার দিকে > সুখের দিকে ।সব সময় উৎসুক হয়ে থাকেন ইঙ্গিতের আশায়।(সেবোৎসুকাঞ্চাত্মন)। ইঙ্গিতের ও প্রয়োজন হয়না, রাধারাণীর মনে যখন যে ভাবনা , যে বেদনা , যে দুঃখ সুখ অনুভুত হয়, সবই তাদের হৃদয়ে প্রতিফলিত হয়, একাত্মতা হেতু। 
 💐   প্রধান অষ্ট মঞ্জরী--  শ্রীরূপমঞ্জরী  
শ্রীরতিমঞ্জরী    
শ্রীরস মঞ্জরী  
শ্রীলবঙ্গমঞ্জরী   
শ্রীবিলাস মঞ্জরী    
শ্রীগুন মঞ্জরী   
শ্রীমঞ্জুলালী মঞ্জরী   
শ্রীকস্তুরী মঞ্জরী ।। 

 অষ্ট মঞ্জরীর মধ্যে শ্রীরূপ মঞ্জরীই প্রধান । তাঁর আনুগত্যেই যুগলের সেবা পাওয়া যায়।

  শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভুর কৃপা প্রসূত ।
শ্রীগুরু চরণে সাদর সমর্পিত ।।

 *জয়নিতাই। জয় শ্রীগুরুদেব ।।*

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



রসিকা ভুবি ভাবুকাঃ 📖 আপনাদের এত ভেদ-ভাবনা কেন ❓ কেবল রসিক আর ভাবুকেরাই শুনতে পাবে ❓ ১. মঞ্জরী ভাব কি❓ ২.মঞ্জরী কে❓ ৩.তাঁর মহত্ত্ব পূর্ণ সেবা কি ❓ ৪.ভক্তিতে মঞ্জরী ভাবের এত মহত্ত্ব কেন ❓ ৫.মঞ্জরী ভাব কে প্রদান করলেন ❓✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 GOPISHARAN DAS 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/gopisharan_61.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ রসিকা ভুবি ভাবুকাঃ ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*কেবল মর্মজ্ঞ ভজনশীল জনদের জন্য যারা রসিক এবং ভাবুক তাদের আস্বাদ্য, অতীব গভীর রহস্যময় সিদ্ধান্ত । তাঁর কৃপায় , তাঁর লীলা স্ফূর্তি হয় ।*

সকলের চরণে প্রনাম রইল । ================ 
1. মঞ্জরী ভাব কি?  

2.মঞ্জরী কে? 

 3.তাঁর মহত্ত্ব পূর্ণ সেবা কি? 

 4.ভক্তি তে মঞ্জরী ভাবের এত মহত্ত্ব কেন?   

 6.মঞ্জরী ভাব কে প্রদান করলেন?   
               সমস্ত আলোচনা শাস্ত্র সন্মত --- 

এ বিষয়ে বিষদ জানতে--.রাধারসসুধানিধি।  বিলাপকুসুমাঞ্জলী   . 
উজ্জ্বল নীলমণি.  
রাধাকৃষ্ণ গনোদ্দেশ দীপিকা , রাধাকুণ্ড নিবাসী শ্রীমৎকুঞ্জবিহারী দাস জী কৃত "মঞ্জরী স্বরূপ নির্ণয় ও মঞ্জরী ভাব সাধন পদ্ধতি " ইত্যাদি গ্রন্থ দ্রষ্টব্য।  

💐মঞ্জরী ভাব এ সমস্ত শাস্ত্রে বর্নিত আছে ।

💐মঞ্জরী ভাব চৈতন্য মহাপ্রভুর মহান বদান্যতায় কলিহত পতিত জীব প্রাপ্ত হয়েছে । এমন করুণা কোন যুগে কেউ কখনও করেন নাই । অতি উত্তম বস্ত আর অতি অযোগ্য হীন দরিদ্র কে দান । 

 💐  মঞ্জরী ভাব কি?   

  মঞ্জরী গণ রাধারাণীর নিজ সেবিকা, যে রাধারাণীর সেবায় সব সময় সংলগ্ন থাকে । তাঁরা সেবারই প্রতিমূর্তি। সেবাভাব দিয়ে গঠিত তাদের কলেবর, তাঁরা সেবা বই অন্য জানে না। সেবা সুখে সদাই সুখী ।

 💐   তাঁরা কৃষ্ণ অপেক্ষা রাধারাণীকে বেশি ভালবাসে।তাদের কৃষ্ণ এজন্যই প্রিয়, যেহেতু কৃষ্ণ তাদের স্বামিনীর প্রিয়। 

💐  তাদের কৃষ্ণের সঙ্গে সরাসরি কোন সম্পর্ক নাই । সে কেবল তাদের স্বামিনীর প্রাণবল্লভ ।

💐   তাঁরা রাধারাণীর সেবা নিজ প্রাণ থেকেও বেশি যত্নে করেন।রাধারাণীর সেবা তাদের কোটি প্রাণ অপেক্ষা ও প্রিয়।

💐   তাঁরা কখনও রাসে যান না । কখনও নয় । তথাপি ও তাদের পূর্ণ আনন্দ লাভ হয় ।

💐   কখনও রাধারাণী মান করলে মান ভাঙ্গানোর জন্য কৃষ্ণ তাদের বিনতি করেন। চাটুকারিতা করেন।হাতজোড় করে বলেন রাধারাণীকে বল মান ত্যাগ করতে।

💐   কৃষ্ণ বলেন আমি তোমার শরণ নিয়েছি, মান ভাঙ্গিয়ে দাও । অনন্ত কোটি ব্রহ্মাণ্ডের মালিক হাত জোড় করে শরণ নেয় রাধা কিঙ্করীর কাছে, রাধা দাস্যের প্রতাপে, রাধারাণীর কৃপায়।

💐   তাঁরা রাধারাণীর অভিন্ন স্বরূপ। রাধারাণীর কখন কি জাতীয় সুখ বা দুঃখ তাঁরা সব বুঝতে পারে । গাছের গোড়ায় জল দিলে যেমন পাতা ফুল মঞ্জরীতে প্রফুল্লতা দেখা যায়, সেই প্রকার এদের মুখ দেখে রাধারাণীর সুখ দুঃখের অনুমান করা যায়। 

💐    তাঁরা  কৃষ্ণের সুখের জন্য  কোন চেষ্টাই করেন না, কোন ইচ্ছাই পোষণ করেন না কৃষ্ণকে সুখ দিব বলে।  

💐  এদের হৃদয় অত্যন্ত কোমল ও সংবেদনশীল । এঁরা কখনও ললিতাদি সখীদের মত বাদ-বিবাদ, তর্ক-বিতর্ক করে না ।সম্পূর্ণ লক্ষ্য কেবল আর কেবলই রাধারাণীর সেবার দিকে > সুখের দিকে ।সব সময় উৎসুক হয়ে থাকেন ইঙ্গিতের আশায়।(সেবোৎসুকাঞ্চাত্মন)। ইঙ্গিতের ও প্রয়োজন হয়না, রাধারাণীর মনে যখন যে ভাবনা , যে বেদনা , যে দুঃখ সুখ অনুভুত হয়, সবই তাদের হৃদয়ে প্রতিফলিত হয়, একাত্মতা হেতু। 
 💐   প্রধান অষ্ট মঞ্জরী--  শ্রীরূপমঞ্জরী  
শ্রীরতিমঞ্জরী    
শ্রীরস মঞ্জরী  
শ্রীলবঙ্গমঞ্জরী   
শ্রীবিলাস মঞ্জরী    
শ্রীগুন মঞ্জরী   
শ্রীমঞ্জুলালী মঞ্জরী   
শ্রীকস্তুরী মঞ্জরী ।। 

 অষ্ট মঞ্জরীর মধ্যে শ্রীরূপ মঞ্জরীই প্রধান । তাঁর আনুগত্যেই যুগলের সেবা পাওয়া যায়।

  শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভুর কৃপা প্রসূত ।
শ্রীগুরু চরণে সাদর সমর্পিত ।।

 *জয়নিতাই। জয় শ্রীগুরুদেব ।।*

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থানের নবরূপায়নের পুরোধা শ্রীমৎত্রিভঙ্গদাসজী মহাশয় ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📘 GOPISHARAN 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/gopisharan_22.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থানের নবরূপায়নের পুরোধা  
               ꧁ শ্রীমৎত্রিভঙ্গদাসজী মহাশয় ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ_জন্মস্থানের_নবরূপায়নের_পুরোধা_শ্রীমৎত্রিভঙ্গদাসজী_মহাশয়*

 _*মুর্শিদাবাদ জেলার কীর্তিপুরে, বাবা ছবিলাল ও মাতা গরবিনীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন । উপরের চাপরাশ নিয়েই এসেছিলেন । জন্মজাত ভক্তি সংস্কার। বাল্যকাল থেকেই পরমভক্তিমান ছিলেন, প্রত্যহ তুলসীতে জল না দিয়ে জল পর্যন্ত গ্রহন করতেন না। কৃষি-কর্মের জন্য মাঠে গেলে তুলসী টব মাথায় করে নিয়ে যেতেন। মাঠেই স্নান করে স্মরণ-বন্দন-নামকীর্তনান্তে তুলসীতে জল দিয়ে , পরিক্রমা করে, তবেই মুড়ি খেতেন ।*_
*একবার উমাপদ মণ্ডলের সাথে মাঠে গিয়েছিলেন। উমাপদ হাল চালাচ্ছিলেন ও ত্রিভঙ্গদাসজী  আল, কোদাল দিয়ে সোজা করে দিচ্ছিলেন। হঠাৎ কোদালের চোটে কেঁচো কেটে স্থানটি রক্তাক্ত হয়ে গেল। এ দৃশ্য দেখে ত্রিভঙ্গদাসজীর প্রাণে ভীষন ব্যথা অনুভূত হল। তখন তিনি উমাপদ কে বললেন- দুটো খাবার জন্য এত প্রাণী হত্যা করতে হবে? এ আমার দ্বারা সম্ভব নয়। বলেই তিনি সব ফেলে তুলসী টব নিয়ে চলে এলেন । আর কখনও মাঠে যান নাই । এর পরেই গৃহত্যাগ করেন । তৎকালীন রাঢ়দেশের দুই পরম ভাগবত- কঁল্লার কৃষ্ণচন্দ্র মণ্ডল ও পাঁচথুপীর বনোয়ারীলাল সিংহ এঁকে একান্ত কৈশোর হতেই মধুময় সৎসঙ্গ দানে বলাহিত করেন। এঁদের সঙ্গের প্রভাবে ত্রিভঙ্গের মনে আত্মোজ্জীবনের বাসনা প্রবল হয়।মণ্ডলজীর ব্যবস্থাপনায় কুলগুরু "শ্রীসতীশ চট্টরাজের" নিকট ইনি যুগলমন্ত্রে দীক্ষা নেন ।* _*শ্রীপাট-টিঠ্যাগ্রামে, জাহ্নবা মায়ের পরিবারে । ইনি তৎপর হয়ে মণ্ডলজী মহাশয়ের হরিবাসর ঘরে সমাগত অতিথি-সজ্জনদের যাবতীয় সেবার সুবন্দোবস্ত, করতে থাকেন।*_ 
*মনোহরসাহি সঙ্গিতরসিক শ্রীদীনুদাসের সঙ্গে এই সময় ত্রিভঙ্গ দাসজীর পরিচয় হয়  এবং ইনি লীলারস-কীর্তন শিক্ষায় মেতে ওঠেন। কিছু কাল পরে ইনি পাঁচথুপীতে আসেন এবং সিংহজীমহাশয়ের হরিবাসরে অতিথি-সেবায় সংলগ্ন হন। এখানে বৈষ্ণবসেবার সাথে সাথে তিনি রস-কীর্তনও শিখতে থাকেন এবং কখনও কখনও মণ্ডলজীর হরিবাসরে স্থিতি করতে থাকেন।* *সিংহজীমশাইকে ইনি আচার্যপ্রতিম জ্ঞানে শ্রদ্ধা করতেন। তাঁর গরুও চরাতেন, কিন্তু কখনও গরুকে আঘাত করতেন না। ছেলেদের খুব ভাল বাসতেন। ছেলেদের নিয়ে রাধাকৃষ্ণ সাজিয়ে লীলারস আস্বাদন করতেন ।তাদের নকুলদানা, বাতাসা আদি দিয়ে আনন্দ  উপভোগ করতেন।*
_*সিংহজীর আদেশে ইনি একবার পাঁচথুপী হতে পদব্রজে বৃন্দাবনে গমন করেন।*   
_*সঙ্গীতে পরম আবেশ দেখা যেত তাঁর। একবার ফুল গাছে উঠে টগরফুল পাড়ছেন হঠাৎ সংকীর্তনের অংশবিশেষ আবৃত্তি করতে করতে দুহাতে চাপড় মেরে যেই তাল দিতে গেছেন, সঙ্গে সঙ্গে গাছ থেকে পড়ে গেলে, সিংহজী মহাশয় রক্ষা করেন এবং অকথ্য সংগীতাবেশ দেখে নবীনদাসের কাছে বড়তালের গান শিখতে পাঠান। অদ্বৈতদাস বাবাজি, অন্ধ শিবদাসজী, গদাধরদাসবাবা, গৌরগুনানন্দ ঠাকুর প্রভৃতির সাথেও ইনি রসকীর্তনের রসাস্বাদন করতেন।ত্রিভঙ্গদাস ছিলেন অনন্যসাধারণ সদাচারী । যাবতীয় ব্রতাদিতে নিরম্বু উপবাস করতেন। একবার উপবাস নিবন্ধন একাদশীতে অসুস্থ হয়ে পড়েন ও হরিবাসর কীর্তনে অসমর্থ হন । এ প্রসঙ্গে সিংহজী বলেন- একটি ইক্ষুদণ্ড রক্ষা করতে গিয়ে  তুমি এক হাঁড়ি গুড় নষ্ট করলে ! এরপর হতে ত্রিভঙ্গদাসজী যৎকিঞ্চিৎ অনুকল্প গ্রহন করতেন।*_
 *একবার বর্ষাকালে কয়েকমূর্তি মহাত্মা সিংহজীর হরিবাসর ভবনে আশ্রয় গ্রহন করলে, ত্রিভঙ্গদাসজীকে কল্লায় পাঠান  প্রয়োজনীয় সেবাসম্ভার সংগ্রহ করে আনতে , মণ্ডল জীর কাছ হতে। পথে তখন প্রবল বর্ষণ হচ্ছিল, কিন্তু ত্রিভঙ্গদাসজীর গায়ে জল বিন্দুও স্পর্শ করেনি।*
_*লীলাকীর্তনে ত্রিভঙ্গদাস বিশেষ উন্নত হয়েছিলেন । তাঁর শ্রীমুখের রাসকীর্তন, আজও অনেক রসিকের কানে আর প্রাণে ভাবের তরঙ্গ তোলে।*_
*পুরী যান  হাঁসনবাসী রজনীকান্ত সরকারের সাথে এবং সেখানেই নিত্যানন্দমূর্তি শ্রীমদ্রাধারমণচরণদাস বাবাজী মহাশয়ের (পুরীর বড় বাবাজি মহাশয়) সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকার ঘটে ।উক্ত বাবাজি মহাশয়ের দর্শনমাত্রেই ত্রিভঙ্গদাস তাঁর শ্রীচরণে আত্মসমর্পণ করেন।*
_*শ্রীনীলাচলনাথ নীলমাধবের কৃপাপ্রেরণায়  শ্রীমৎ রাধারমণচরণদাস, ত্রিভঙ্গদাসকে গৌর-নিত্যানন্দ মন্ত্রাদি সহ ভাগবত পারমহংস্য-সন্ন্যাস বা বেশাশ্রয় দানে কৃতার্থ করে নাম দেন- শ্রীবনোয়ারীলাল দাস। কিন্তু সাধারণ্যে ইনি আজীবন পূর্ববৎ ত্রিভঙ্গদাস নামেই খ্যাত ছিলেন। ৪/৫ মাস সমাশ্রয়দাতার সান্নিধ্যে আনন্দে অতিবাহিত করেন। সে সময় ঝাঁজপিটা মঠে শ্রীরামদাস বাবাজি, ললিতাসখী, গোবিন্দদাস প্রভৃতির সহিত অলৌকিক স্নেহসম্পর্ক গড়ে ওঠে।*
 _*একইদিনে শ্রীগুরুদেবের ও  শ্রীজগন্নাথদেবের আদেশ পেয়ে - শ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থানের সেবা সংরক্ষণের জন্য শ্রীএকচক্রা ধামে আগমন করেন।*_  
*১৩৩৪সন হতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে ইনি ১৩৩৫সনে একটি অছি-পরিষদ গঠন করে নিজে প্রধান সেবাইত স্বরূপে শ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থানের দায়িত্ব গ্রহন করেন। তাঁর নিরলস সেবাচেষ্টায় ১৩৩৫সনে নতুন মন্দিরে নিতাইচাঁদ ও অন্যান্য বিগ্রহগণ প্রতিষ্ঠিত হন।*
_*১৩৩৬সন হতে প্রভু নিত্যানন্দের শুভ আবির্ভাব-আরাধনায় অন্যান্য বহুতর ভক্ত্যঙ্গযাজনময় অনুষ্ঠানের সাথে সাথেই, নবরাত্রি সংকীর্তনযজ্ঞ শুরু হয়।*_
*নিত্যানন্দ জন্মস্থানের নবরূপায়নের পূরোধা হয়ে সারাটি জীবন ব্যয়িত করলেন প্রভু নিত্যানন্দের সেবায়।*
_*১৩৫১সনের ১৪ই মাঘ, পূর্ণিমা দিনে শ্রীমৎত্রিভঙ্গদাসজী*_  
*"জয়নিতাই! জয় নিতাই!!*
 *নিতাই টিকিট কেটে দাও* " 
_*বলতে বলতে  দেহ ছেড়ে নিত্যনিত্যানন্দ ধামে প্রভু-নিতাই, প্রাণ-গৌরাঙ্গের নিত্য-সেবায়  গমন করেন।*_
*দেহান্তের পরে হরিদাস মজুমদারকে বাবাজি মহাশয় বলেছেন--" *রাঢ়ের পূর্ণচন্দ্র চলে গেলেন !* *কে, কি -- তা প্রাপ্তিতে বুঝা যায় ।"*
   
পরে বলেন-- *"দাদার কথা, তোমার মুখে শুনব ।* 
*শেষ দিন পর্যন্ত এত প্রীতি ছিল তাঁর--একচক্রাধাম-সেবকের প্রতি।*

  *পূর্ব মহান্তদের সমাধির পাশেই তাঁর অস্থি সমাধি দেওয়া হয় । ভগবানদাস নামক এক ভক্ত ও রজনীদাস(রাধাচরণ দাস বাবাজি) বাবাকে স্বপ্নে আদেশ দেন তাঁর সমাধিটি নিতাই চাঁদের সামনে আনার জন্য। তাঁর আদেশ মত নিতাইচাঁদের মন্দিরের সামনে সমাধি মন্দির নির্মাণ করে তাতে দেহাবশেষ স্থাপন করা হয়।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থানের নবরূপায়নের পুরোধা শ্রীমৎত্রিভঙ্গদাসজী মহাশয় ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📘 GOPISHARAN 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/gopisharan_22.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থানের নবরূপায়নের পুরোধা  
               ꧁ শ্রীমৎত্রিভঙ্গদাসজী মহাশয় ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ_জন্মস্থানের_নবরূপায়নের_পুরোধা_শ্রীমৎত্রিভঙ্গদাসজী_মহাশয়*

 _*মুর্শিদাবাদ জেলার কীর্তিপুরে, বাবা ছবিলাল ও মাতা গরবিনীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন । উপরের চাপরাশ নিয়েই এসেছিলেন । জন্মজাত ভক্তি সংস্কার। বাল্যকাল থেকেই পরমভক্তিমান ছিলেন, প্রত্যহ তুলসীতে জল না দিয়ে জল পর্যন্ত গ্রহন করতেন না। কৃষি-কর্মের জন্য মাঠে গেলে তুলসী টব মাথায় করে নিয়ে যেতেন। মাঠেই স্নান করে স্মরণ-বন্দন-নামকীর্তনান্তে তুলসীতে জল দিয়ে , পরিক্রমা করে, তবেই মুড়ি খেতেন ।*_
*একবার উমাপদ মণ্ডলের সাথে মাঠে গিয়েছিলেন। উমাপদ হাল চালাচ্ছিলেন ও ত্রিভঙ্গদাসজী  আল, কোদাল দিয়ে সোজা করে দিচ্ছিলেন। হঠাৎ কোদালের চোটে কেঁচো কেটে স্থানটি রক্তাক্ত হয়ে গেল। এ দৃশ্য দেখে ত্রিভঙ্গদাসজীর প্রাণে ভীষন ব্যথা অনুভূত হল। তখন তিনি উমাপদ কে বললেন- দুটো খাবার জন্য এত প্রাণী হত্যা করতে হবে? এ আমার দ্বারা সম্ভব নয়। বলেই তিনি সব ফেলে তুলসী টব নিয়ে চলে এলেন । আর কখনও মাঠে যান নাই । এর পরেই গৃহত্যাগ করেন । তৎকালীন রাঢ়দেশের দুই পরম ভাগবত- কঁল্লার কৃষ্ণচন্দ্র মণ্ডল ও পাঁচথুপীর বনোয়ারীলাল সিংহ এঁকে একান্ত কৈশোর হতেই মধুময় সৎসঙ্গ দানে বলাহিত করেন। এঁদের সঙ্গের প্রভাবে ত্রিভঙ্গের মনে আত্মোজ্জীবনের বাসনা প্রবল হয়।মণ্ডলজীর ব্যবস্থাপনায় কুলগুরু "শ্রীসতীশ চট্টরাজের" নিকট ইনি যুগলমন্ত্রে দীক্ষা নেন ।* _*শ্রীপাট-টিঠ্যাগ্রামে, জাহ্নবা মায়ের পরিবারে । ইনি তৎপর হয়ে মণ্ডলজী মহাশয়ের হরিবাসর ঘরে সমাগত অতিথি-সজ্জনদের যাবতীয় সেবার সুবন্দোবস্ত, করতে থাকেন।*_ 
*মনোহরসাহি সঙ্গিতরসিক শ্রীদীনুদাসের সঙ্গে এই সময় ত্রিভঙ্গ দাসজীর পরিচয় হয়  এবং ইনি লীলারস-কীর্তন শিক্ষায় মেতে ওঠেন। কিছু কাল পরে ইনি পাঁচথুপীতে আসেন এবং সিংহজীমহাশয়ের হরিবাসরে অতিথি-সেবায় সংলগ্ন হন। এখানে বৈষ্ণবসেবার সাথে সাথে তিনি রস-কীর্তনও শিখতে থাকেন এবং কখনও কখনও মণ্ডলজীর হরিবাসরে স্থিতি করতে থাকেন।* *সিংহজীমশাইকে ইনি আচার্যপ্রতিম জ্ঞানে শ্রদ্ধা করতেন। তাঁর গরুও চরাতেন, কিন্তু কখনও গরুকে আঘাত করতেন না। ছেলেদের খুব ভাল বাসতেন। ছেলেদের নিয়ে রাধাকৃষ্ণ সাজিয়ে লীলারস আস্বাদন করতেন ।তাদের নকুলদানা, বাতাসা আদি দিয়ে আনন্দ  উপভোগ করতেন।*
_*সিংহজীর আদেশে ইনি একবার পাঁচথুপী হতে পদব্রজে বৃন্দাবনে গমন করেন।*   
_*সঙ্গীতে পরম আবেশ দেখা যেত তাঁর। একবার ফুল গাছে উঠে টগরফুল পাড়ছেন হঠাৎ সংকীর্তনের অংশবিশেষ আবৃত্তি করতে করতে দুহাতে চাপড় মেরে যেই তাল দিতে গেছেন, সঙ্গে সঙ্গে গাছ থেকে পড়ে গেলে, সিংহজী মহাশয় রক্ষা করেন এবং অকথ্য সংগীতাবেশ দেখে নবীনদাসের কাছে বড়তালের গান শিখতে পাঠান। অদ্বৈতদাস বাবাজি, অন্ধ শিবদাসজী, গদাধরদাসবাবা, গৌরগুনানন্দ ঠাকুর প্রভৃতির সাথেও ইনি রসকীর্তনের রসাস্বাদন করতেন।ত্রিভঙ্গদাস ছিলেন অনন্যসাধারণ সদাচারী । যাবতীয় ব্রতাদিতে নিরম্বু উপবাস করতেন। একবার উপবাস নিবন্ধন একাদশীতে অসুস্থ হয়ে পড়েন ও হরিবাসর কীর্তনে অসমর্থ হন । এ প্রসঙ্গে সিংহজী বলেন- একটি ইক্ষুদণ্ড রক্ষা করতে গিয়ে  তুমি এক হাঁড়ি গুড় নষ্ট করলে ! এরপর হতে ত্রিভঙ্গদাসজী যৎকিঞ্চিৎ অনুকল্প গ্রহন করতেন।*_
 *একবার বর্ষাকালে কয়েকমূর্তি মহাত্মা সিংহজীর হরিবাসর ভবনে আশ্রয় গ্রহন করলে, ত্রিভঙ্গদাসজীকে কল্লায় পাঠান  প্রয়োজনীয় সেবাসম্ভার সংগ্রহ করে আনতে , মণ্ডল জীর কাছ হতে। পথে তখন প্রবল বর্ষণ হচ্ছিল, কিন্তু ত্রিভঙ্গদাসজীর গায়ে জল বিন্দুও স্পর্শ করেনি।*
_*লীলাকীর্তনে ত্রিভঙ্গদাস বিশেষ উন্নত হয়েছিলেন । তাঁর শ্রীমুখের রাসকীর্তন, আজও অনেক রসিকের কানে আর প্রাণে ভাবের তরঙ্গ তোলে।*_
*পুরী যান  হাঁসনবাসী রজনীকান্ত সরকারের সাথে এবং সেখানেই নিত্যানন্দমূর্তি শ্রীমদ্রাধারমণচরণদাস বাবাজী মহাশয়ের (পুরীর বড় বাবাজি মহাশয়) সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকার ঘটে ।উক্ত বাবাজি মহাশয়ের দর্শনমাত্রেই ত্রিভঙ্গদাস তাঁর শ্রীচরণে আত্মসমর্পণ করেন।*
_*শ্রীনীলাচলনাথ নীলমাধবের কৃপাপ্রেরণায়  শ্রীমৎ রাধারমণচরণদাস, ত্রিভঙ্গদাসকে গৌর-নিত্যানন্দ মন্ত্রাদি সহ ভাগবত পারমহংস্য-সন্ন্যাস বা বেশাশ্রয় দানে কৃতার্থ করে নাম দেন- শ্রীবনোয়ারীলাল দাস। কিন্তু সাধারণ্যে ইনি আজীবন পূর্ববৎ ত্রিভঙ্গদাস নামেই খ্যাত ছিলেন। ৪/৫ মাস সমাশ্রয়দাতার সান্নিধ্যে আনন্দে অতিবাহিত করেন। সে সময় ঝাঁজপিটা মঠে শ্রীরামদাস বাবাজি, ললিতাসখী, গোবিন্দদাস প্রভৃতির সহিত অলৌকিক স্নেহসম্পর্ক গড়ে ওঠে।*
 _*একইদিনে শ্রীগুরুদেবের ও  শ্রীজগন্নাথদেবের আদেশ পেয়ে - শ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থানের সেবা সংরক্ষণের জন্য শ্রীএকচক্রা ধামে আগমন করেন।*_  
*১৩৩৪সন হতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে ইনি ১৩৩৫সনে একটি অছি-পরিষদ গঠন করে নিজে প্রধান সেবাইত স্বরূপে শ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থানের দায়িত্ব গ্রহন করেন। তাঁর নিরলস সেবাচেষ্টায় ১৩৩৫সনে নতুন মন্দিরে নিতাইচাঁদ ও অন্যান্য বিগ্রহগণ প্রতিষ্ঠিত হন।*
_*১৩৩৬সন হতে প্রভু নিত্যানন্দের শুভ আবির্ভাব-আরাধনায় অন্যান্য বহুতর ভক্ত্যঙ্গযাজনময় অনুষ্ঠানের সাথে সাথেই, নবরাত্রি সংকীর্তনযজ্ঞ শুরু হয়।*_
*নিত্যানন্দ জন্মস্থানের নবরূপায়নের পূরোধা হয়ে সারাটি জীবন ব্যয়িত করলেন প্রভু নিত্যানন্দের সেবায়।*
_*১৩৫১সনের ১৪ই মাঘ, পূর্ণিমা দিনে শ্রীমৎত্রিভঙ্গদাসজী*_  
*"জয়নিতাই! জয় নিতাই!!*
 *নিতাই টিকিট কেটে দাও* " 
_*বলতে বলতে  দেহ ছেড়ে নিত্যনিত্যানন্দ ধামে প্রভু-নিতাই, প্রাণ-গৌরাঙ্গের নিত্য-সেবায়  গমন করেন।*_
*দেহান্তের পরে হরিদাস মজুমদারকে বাবাজি মহাশয় বলেছেন--" *রাঢ়ের পূর্ণচন্দ্র চলে গেলেন !* *কে, কি -- তা প্রাপ্তিতে বুঝা যায় ।"*
   
পরে বলেন-- *"দাদার কথা, তোমার মুখে শুনব ।* 
*শেষ দিন পর্যন্ত এত প্রীতি ছিল তাঁর--একচক্রাধাম-সেবকের প্রতি।*

  *পূর্ব মহান্তদের সমাধির পাশেই তাঁর অস্থি সমাধি দেওয়া হয় । ভগবানদাস নামক এক ভক্ত ও রজনীদাস(রাধাচরণ দাস বাবাজি) বাবাকে স্বপ্নে আদেশ দেন তাঁর সমাধিটি নিতাই চাঁদের সামনে আনার জন্য। তাঁর আদেশ মত নিতাইচাঁদের মন্দিরের সামনে সমাধি মন্দির নির্মাণ করে তাতে দেহাবশেষ স্থাপন করা হয়।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




adds