✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🔙 পূর্ব লীলা 👉 ১৩৩. ব্রাহ্মণের আচরণ 🏵️ বৈষ্ণব বিবৃতি 🙏 শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/boisnob133.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 ১৩৪. বৈষ্ণব----কুলঞ্জী 🏵️ নাগা বৈষ্ণব 🏵️ বৈষ্ণব বিবৃতি 🙏 শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/boisnob134.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(১৩৪)গৌড়ীয় বৈষ্ণব ইতিহাস*
*বৈষ্ণব----কুলঞ্জী*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌹পূর্ব পর্বের কবিতাটি মেদিনীপুর জেলায় পলসপাই ঠাকুরবাড়ীর অধ্যাপক পন্ডিত সনাতন দাস মহাশয়ের নিকট হতে পাওয়া গিয়েছিল।*
*🌺আর এখন যে কবিতাটি লিপিবদ্ধ হবে তা বাঁকুড়ার প্রসিদ্ধ পন্ডিত রামানন্দ ভাগবতভূষণ মহাশয়ের নিকট প্রাপ্ত।*
*সমাজপতি সমঝদার,এক বলতে কয় আর,*
*বৈষ্ণবের কি সবাই নেড়া নেড়ী।*
*গাঁই গোত্র সকল ত্যজে,ভেক নিয়ে ভন্ড সেজে,*
*বৈষ্ণবীর জন্য করে তাড়াতাড়ি।।*
*শুনে কথা হাসি পায়,চোখের মাথা নুলো খায়,*
*ভন্ডামীতে ভরা ষোলআনা।*
*নিজের দিকটা দেখে উচু, বৈষ্ণবেরে দেখে নিচু,*
*শাস্ত্রে দেখেনা কার গুণপণা।।*
*তেজস্বী দুর্বাসা ঋষি,হইয়া বৈষ্ণব-দ্বেষী,*
*ত্রিভুবনে নাহি পাইল ত্রাণ।*
*বৈষ্ণবের ক্ষমা গুণে,শান্ত কৈল সুদর্শনে,*
*ধর্মব্যাধের দেখ কত মান।।*
*অবৈষ্ণব ব্রাহ্মণে কয়,চন্ডালেরো তুল্য নয়,*
*চন্ডাল সে হরিভক্ত বড়।*
*সম্প্রদায়ী বৈষ্ণব যাঁরা,দেখ তাদের কুলের ধারা,*
*আচার ব্যাভারে কর দড়।।*
*গয়া,কাশী,বৃন্দাবন,মথুরা শ্রীরঙ্গপত্তন,*
*শ্রী-ব্রহ্ম বৈষ্ণব সব আসি।*
*কেহ দারা সুত লয়ে,কেহ ব্রহ্মচারী হয়ে,*
*বিভা করি হৈল গৌড়বাসী।।*
*দোবে পান্ডা মিশ্রাচার্য্য,বৈষ্ণব কুলে করি কার্য্য,*
*বৈষ্ণব জেতে হ'ল স্বতন্তর।*
*শ্রীচৈতন্যের শুদ্ধ মতে,অনুগত হৈল তাতে,*
*চৈতন্য ভক্ত-পরিকর।।*
*বল্লালী শাসন না মানে,রঘুর বাঁধন ফেলে টেনে,*
*শুদ্ধ-শাস্ত্র বৈষ্ণবের প্রমাণ।*
*হেসে বলে জগো গোঁসাই, লৌকিকেতে জেতের বড়াই,*
*ধর্মের কাছে সবাই দেখ সমান।।*
*🌷উল্লিখিত কবিতা দ্বয়ের ভণিতা পৃথক দেখা গেলেও,কবিতা দুটির রচয়িতা একই ব্যক্তি বলে মনে হয়।যেহেতু, "জগো গোঁসাই" এর পরিশুদ্ধ নাম "জগন্নাথ গোস্বামী" ই প্রশস্ত।আবার শ্রীজগন্নাথ দেব অসম্পূর্ণ হস্ত বলে লোকে শেষে "ঠুটো জগন্নাথ" বলে। সুতরাং উক্ত "ঠুটো" ভণিতায় জগন্নাথ গোস্বামীকেই বুঝাচ্ছে বলে মনে হয়। এই জগন্নাথ গোস্বামী যে প্রসিদ্ধ সমাজপতি নুলো পঞ্চাননের প্রতিদ্বন্দ্বি ও সেই সম-সাময়িক ছিলেন তা উক্ত কবিতা দুটির বর্ণনায় স্পষ্ট অনুমান করা যাচ্ছে।*
*🙏বৈষ্ণব জাতির মধ্যে শিক্ষিতের অভাব বশতঃই এত অধঃপতন। তাই যেন,তাঁরা প্রাণহীনের মতো নীরব নিষ্পন্দ ভাবে অবস্থান করছেন।সমগ্র বাংলা দেশে গৌড়ীয় বৈদিক-বৈষ্ণব, কি নেড়ানেড়ী,আউল,বাউলাদি সর্ব শ্রেণীর বৈষ্ণবের সংখ্যা ৩৭৭৬৯২ জন।এদের মধ্যে আমাদের আলোচ্য বৈদিক গৃহী বৈষ্ণব,দুই লক্ষের বেশী হবে বোধ হয় না।উক্ত তিন লক্ষ বৈষ্ণবের মধ্যে শিক্ষিত অর্থ্যাৎ যাঁরা লেখাপড়া জানেন তাঁদের সংখ্যা কেবল উনপঞ্চাশ হাজার মাত্র। তারমধ্যে ইংরেজি শিক্ষিত ৪০৪৯ জন। সম্প্রতি এই বৈষ্ণব জাতির প্রাণের মধ্যে একটা বেশ স্পন্দন বা সাড়া পড়েছে।এটি সমাজের শুভ লক্ষণ, সন্দেহ নেই।এই উদ্যম-আন্দোলন জাগিয়ে রাখতে পারলে বৈষ্ণবজাতি শাস্ত্র-নির্দিষ্ট তার গৌরব-শিখরে অবশ্য পৌঁছবে।*
*🌲🌲নাগা বৈষ্ণব🌲🌲*
🔅🔅🔅🔅🔅🔅🔅🔅
*বাংলার নাগা-মহান্ত বৈষ্ণবগণ পশ্চিমোত্তর প্রদেশে নাগা গৃহস্থ ও সন্ন্যাসী সম্প্রদায়ী ছিলেন। হরিদ্বারাদি কুম্ভমেলার সময় হাজার হাজার নাগা সাধু এখনও দেখতে পাওয়া যায়।নগ্ন অর্থ্যাৎ উলঙ্গ সন্ন্যাসী হতেই "নাগা" নামকরণ হয়েছে।শৈব-সন্ন্যাসী ও মুন্ডীদের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে ওঁরা খৃষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীর মধ্যভাগে স্ত্রী-পুত্রাদি নিয়ে কেউ বা সন্ন্যাসীবেশে যাযাবর রূপে (ভ্রমণকারীদের রূপে)বঙ্গদেশে স্থায়ী বাস করে বাঙ্গালী হয়ে পড়েছেন।ইঁনারা বাংলার শ্রী-ব্রহ্ম সম্ম্রদায়ী বৈষ্ণবদের সঙ্গে আদান-প্রদান করে ও বৈষ্ণবধর্মাবলম্বী হয়ে গৌড়াদ্য বৈদিক-বৈষ্ণব সমাজের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।*
*🌺আবার আমাদের আলোচ্য বৈদিক গৃহী বৈষ্ণবদের অনেকেই "রামাৎ" বলে পরিচয় দিয়ে থাকেন। কেউ কেউ কিয়দংশে রামাতের ভজন-প্রণালীর ভাণও করে থাকেন। কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাবে তাঁরা "রামাৎ গৃহী" নহেন।তাঁরা আদান-প্রদান প্রভৃতি ক্রিয়া-কলাপে,গুরুত্ব-স্বীকারে এবং কুটুম্বিতায় মধ্বাচার্য্য-সম্প্রদায়ী বৈষ্ণবদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট(সম্পর্কিত)। ১৯০১ সালের জনসংখ্যা বিবরণীতে (Vide Census Report Of India Vol.VlA,Bengal Part l l, Page 196 Column 75) এইরকম বাংলার বহু সংখ্যক বৈদিক-গৃহী বৈষ্ণব, জাতি-পরিচয় স্থলে "রামাৎ বৈষ্ণব" লেখিয়েছিলেন। বাস্তবিক তাঁরা শ্রীচৈতন্যের মতানুবর্তী বলে পরিচয় প্রদানে বিশেষ কোন গৌরব বা লাভ আছে বলে বোধ হয় না। শাস্ত্রে সম্প্রদায়-ভেদে বৈষ্ণব মহিমার তারতম্য ঘোষিত হয় নাই।যে-সে কুলে জন্মগ্রহণ করে যিনিই প্রকৃত "বৈষ্ণব" আখ্যা লাভ করেন, শাস্ত্রোক্ত বৈষ্ণব সদাচারে পবিত্র জীবন লাভ করেন, শ্রীভগবান বলেছেন= "স চ পূজ্যো যথাহ্যহম্"= তিনি আমার মতো পূজনীয়। তাতে তিনি শ্রীরামভক্তই হন অথবা শ্রীকৃষ্ণ ভক্তই হন। অতএব বঙ্গের সদাচারী গৃহী বৈষ্ণবজাতি মাত্রেই জাতি পরিচয়ে "বৈদিক-বৈষ্ণব" বলাই বেশী সঙ্গত ও শাস্ত্রসিদ্ধ। কারণ,এতে কোন সম্প্রদায়িক ভাব প্রকাশ পায় না, অথচ স্বীয় জাতীয়-গৌরবও অক্ষুন্ন থাকে এবং আউল বাউল নেড়ানেড়ী দরবেশাদি উপসম্প্রদায়ী বৈষ্ণবদের হতেও একটা সমুজ্জ্বল পার্থক্য সূচিত হয়।*
*🙏গৌড়ীয় বৈষ্ণব ইতিহাস, বৈষ্ণব বিবৃতি নামক গ্রন্থ হতে যেরকম পেয়েছি আমি তুলে ধরলাম, গ্রন্থকারের নাম শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ব বাচস্পতি।🙏*
*🙌জয় জয় নিতাই গৌর হরিবল🙌*
*ক্রমাগত*
🔜 ক্রমাগত 👉 ১৩৫. নিমাৎ সম্প্রদায় 🏵️ হুগলী জেলার ইতিহাস 🏵️ বৈষ্ণব বিবৃতি 🙏 শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/boisnob135.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇꧂
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

