✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🔙 পূর্ব লীলা 👉 ১২৭. শ্রাদ্ধ-----------তত্ত্ব 🏵️ বৈষ্ণব বিবৃতি 🙏 শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/boisnob127.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 ১২৮. শ্রাদ্ধ-----------তত্ত্ব 🏵️ বৈষ্ণব বিবৃতি 🙏 শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/boisnob128.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(১২৮)গৌড়ীয় বৈষ্ণব ইতিহাস*
*শ্রাদ্ধ-------------তত্ত্ব*
🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥
*🌷অতএব বর্তমান শ্রাদ্ধ পদ্ধতিতে যে পিতৃপক্ষে মৃত তিন পুরুষের নাম উল্লেখ দেখা যায়,সেটি পূর্বোক্ত তিন বিদ্বান ব্রহ্মচারীর শ্রাদ্ধের অনুকরণ মাত্র। এই জন্যই শ্রাদ্ধে মৃত চার কি পিঁচ পুরুষের নাম-উল্লেখ বিহিত হয় নাই। সুতরাং বতর্মান শ্রাদ্ধ পদ্ধতি যে বৈদিককালের জীবৎ-পিতৃশ্রাদ্ধের অনুকরণে অভিনব প্রণালীতে গঠিত হয়েছে,তাতে সন্দেহ নাই।ফলে যাঁরা তত্ত্বজ্ঞ বেদপারগ তাঁরাই শ্রাদ্ধার্হ, তাঁরাই প্রকৃত পিতৃপদবাচ্য। শ্রদ্ধা সহকারে তাঁদের ভোজন করাইলে প্রকৃত শ্রাদ্ধ করা হয় এবং সেটির নামই পিতৃযজ্ঞ।এইজন্যই মনু বলেছেন=*
*"যত্নেন ভোজয়েৎ শ্রাদ্ধে বহ্বৃচং বেদপারগং।"*
*🌻যদিও গৃহী-বৈষ্ণবগণ,তাঁদের পিতৃ-মাতৃ-বিয়োগে আধুনিক রূপান্তরিত শ্রাদ্ধ পদ্ধতি অনুসারে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করেন না বটে, কিন্তু তাঁরা প্রায়শঃ বৈদিক প্রথারই অনুসরণ করে থাকেন।বৈষ্ণব-স্মৃতিকর্তা শ্রীগোপালভট্ট গোস্বামী "সৎক্রিয়া-সার-"পদ্ধতিতে শুদ্ধজাতি বৈষ্ণবদের জন্য শ্রাদ্ধ সম্বন্ধে যে সংক্ষেপ সূত্র নির্দেশ করেছেন, তা সম্পূর্ণ বেদাচার-সম্মত। তিনি বৈষ্ণবজাতির প্রতি কেমন সুন্দর শ্রাদ্ধের ব্যবস্থা দিয়াছেন দেখুন==*
*"তথা জীবতি মহাগুরৌ পিতরি সতি ভক্ত্যা তৎ সেবনাদিকং বিনা তস্মিন্ যথাকালে যথাতথা পঞ্চত্বমাপন্নে সতি তন্মৃতাহঃ প্রাপ্য বর্ণাশ্রমাদিষু সর্বজীবেষু ভুরিভোজনমাচরণ ব্যতিরেকেন যদি মদ্ভক্তস্তু তদা ব্রাহ্মণাদি জীবমাত্রেষু বিশেষতঃ বৈষ্ণবেষু চ সহজান্ন জলাদি নিবেদনং বিনা তেভ্যঃ পিতৃভ্যঃ শ্রীমন্মহাপ্রসাদচরণোদকাদি নিবেদন বাক্যং বিনা চ চেন্মদ্বহির্মুখভাবতঃ তর্পণশ্রাদ্ধাদিক্রিয়াপরত্বেন রচনা সংঘাতব্রতং যেষাং তর্পণশ্রাদ্ধাদি বাক্যরচনা-সংঘাতক্রিয়াপরাণাং কর্মিণাং তথা তে পিতৃলোকান্ যান্তি তৎ কর্মবশাৎ।"*
*🌹অনন্য-শরণ গৃহীবৈষ্ণবগণ মহাগুরু পিতামাতার জীবিতকালে ভক্তিপূর্বক তাঁদের সেবাদি করবে।পরে মৃত্যু হলে শ্রাদ্ধদিনে বর্ণাশ্রমাদি সর্বজীবকেই যথেষ্টরূপে তৃপ্তির সঙ্গে ভোজন করাবে। ব্রাহ্মণাদি জীবমাত্রকেই বিশেষতঃ বৈষ্ণবগণকে স্বাভাবিক অন্নজলাদি নিবেদন করবে এবং পিতৃগণকে শ্রীমন্মহাপ্রসাদ চরণোদকাদি নিবেদন করবে।এইরকম অনুষ্ঠান না করে যদি বহির্মুখভাবে তর্পণ শ্রাদ্ধাদি-ক্রিয়াপর কর্মিদের ন্যায় আচরণ কর,তাহলে সেই কর্মবশে পিতৃলোকে গতিলাভ হবে। সুতরাং বৈষ্ণবের বাঞ্জনীয় ভগবল্লোক-প্রাপ্তি ঘটে উঠে না। শ্রীভগবানের উক্তিই ইহার উৎকৃষ্ট প্রমাণ, যথা==*
*"যান্তি দেবব্রতাঃ দেবান্ পিতৃন্ যান্তি পিতৃব্রতাঃ।*
*ভূতানি যান্তি ভূতেজ্যাঃ যান্তি মদযাজিনোহপি মাং।।"*
*🍀যাঁরা দেবপূজক তাঁরা দেবলোকে, পিতৃপূজকগণ পিতৃলোকে এবং ভূতপূজকগণ ভূতলোকে গমন করে থাকে, কেবল আমার পূজাপর অর্থ্যাৎ মদ্ভক্তগণই মদীয়(বৈকুন্ঠ) লোকে গতিলাভ করে থাকে।*
*🌲সুতরাং বৈষ্ণবগণ সাধারণতঃ শ্রাদ্ধ-তর্পণক্রিয়াপর কর্মিদের মতো শ্রাদ্ধ করেন না বলেই যে তাঁরা শ্রাদ্ধ করেন না,তা নয়।বৈদিক রীতি অনুসারে শ্রাদ্ধের মূল উদ্দেশ্য বৈষ্ণবশ্রাদ্ধে সর্বতোভাবেই রক্ষিত হয়ে থাকে।*
*🌺শ্রাদ্ধ সংস্কার বিশেষ নয়,বরং ইহাকে একটি কর্মাঙ্গবিশেষ বলা যেতে পারে। পদ্ধতি গ্রন্থে বৈদিক দশপ্রকার সংস্কারের কথা উল্লেখ আছে ; কিন্তু তারমধ্যে মৃতব্যক্তির শ্রাদ্ধকান্ড আদৌ বিবৃত নাই। যেহেতু সংস্কার ঔপাধিক, কেবল দেহেরই হয়ে থাকে। শ্রাদ্ধ জীবিত ও মৃত উভয়েরই উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়। সত্য বটে, প্রাচীনকালে কেবল জীবৎ-শ্রাদ্ধই সমাজে প্রচলিত ছিল, পরবর্তীকালে মনীষিগণ কর্তৃক মৃতকশ্রাদ্ধ বতর্মান আকারে আড়ম্বরযুক্ত হয়ে প্রবর্তিত হয়েছে। মৃতকশ্রাদ্ধে দেখতে পাওয়া যায়,মৃত পিত্র্যাদিতে বস্বাদি দেবতার অধিষ্ঠান কল্পনা করে তাঁদের শ্রাদ্ধ করা হয়ে থাকে।কিন্তু এর সম্বন্ধে মনুভাষ্যকার মেধাতিথি এবং গোবিন্দরাজ বলেন= "বিদ্বেষ বা নাস্তিক্য বুদ্ধি বশতঃ যারা মৃতের শ্রাদ্ধক্রিয়ায় প্রবর্তিত না হবে,তাদের প্রবৃত্তি উন্মেষের জন্যই এইরকম দেবত্ব অধ্যারোপ দ্বারা পিতৃগণের স্তুতিবাদ করা হয়েছে।(অবস্তুতে বস্তুর আরোপের নামই অধ্যারোপ) সুতরাং এটি কাল্পনিক।তবেই দেখা যাচ্ছে, সমাজে মৃতক শ্রাদ্ধ প্রবর্তিত করতে পূর্ব সমাজপতিগণকে কিরকম কৌশলজাল বিস্তার করতে হয়েছে।কোন সময় হতে এইরকম মৃতকশ্রাদ্ধ সমাজে প্রচলিত হয়েছে,তা নির্ণয় করা দুরূহ।দেখা যাচ্ছে, পৃথিবীর সব মানুষজাতিই মৃতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে থাকেন। সুতরাং মৃতব্যক্তির উদ্দেশ্যে কোনরকম কর্মের অনুষ্ঠান যে সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত ও অবশ্য কর্তব্য তাতে সন্দেহ নাই। বরাহপুরাণে উল্লিখিত হয়েছে = "আত্রেয় মুনির পুত্র নিমি,পুত্রের মৃত্যুতে অতিশয় শোকাভিভূত হয়ে তার উদ্দেশ্যে কি করা কর্তব্য চিন্তা করতে লাগলেন ; পরে মৃতপুত্রের উদ্দেশ্যে এইরকম শ্রাদ্ধকল্পের অনুষ্ঠান করলেন। পুত্র জীবদ্দশায় যে যে ফলমূলাদি ভোজন করতেন,নিমি সেই সব নতুন নতুন রসাল ফলমূলাদি উপকরণ যথাসম্ভব সংগ্রহ করলেন এবং সাতজন ব্রাহ্মণকে নিমন্ত্রণ করে এনে মাংস,শাক,ফলমূলাদি দ্বারা যথাযোগ্য পরিতৃপ্ত সহকারে তাঁদেরকে ভোজন করালেন।অনন্তর পবিত্রভাবে ভূতলে দর্ভ (কাশ, তীক্ষ্ণ, রোমশ,মৌঞ্জ,বল্বজ ও শাদ্বল ) আস্তীর্ণ (পেতে)করে, তার উপর শ্রীমানের-নাম-গোত্র উল্লেখ পূর্বক পিন্ডদান করলেন।এমন সময়ে দেবর্ষি নারদ সেখানে উপনীত হতেন।তখন দেবর্ষি নারদকে দেখে নিমি অতীব ভীত ও সঙ্কুচিত হয়ে পড়লেন।নারদ এর কারণ জিজ্ঞাসু হলে,নিমি অতীব লজ্জিতভাবে বললেন=*
*ক্রমাগত*
🔜 ক্রমাগত 👉 ১২৯. শ্রাদ্ধ-----------তত্ত্ব 🏵️ বৈষ্ণব বিবৃতি 🙏 শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/boisnob129.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇꧂
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
