শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

১০০. শ্রীগৌরাঙ্গ------তত্ত্ব 👏 শ্রীরামানন্দ রায় 🦚🦚 কাষ্ঠ পুত্তুলিকা 🏵️ শ্রীরসিকমোহন বিদ‍্যাভূষণ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/ramananda100.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১০০. শ্রীগৌরাঙ্গ------তত্ত্ব 👏 শ্রীরামানন্দ রায় 🦚🦚 কাষ্ঠ পুত্তুলিকা 🏵️ শ্রীরসিকমোহন বিদ‍্যাভূষণ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/ramananda100.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৯৯. শ্রীগৌরাঙ্গ------তত্ত্ব 👏 শ্রীরামানন্দ রায় 🦚🦚 কাষ্ঠ পুত্তুলিকা 🏵️ শ্রীরসিকমোহন বিদ‍্যাভূষণ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/ramananda99.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(১০০)শ্রীরায় রামানন্দ, কাষ্ঠ পুত্তলিকা*
        *🙏🙏গৌরাঙ্গ--তত্ত্ব🙏🙏*
      ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🍀প্রচ্ছন্নবেশ(আবৃত বেশে) বিদগ্ধ শিরোমণি (রসজ্ঞ শিরোমণি)বুঝিয়ে বললেন, "তুমি শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণ ভজনানন্দপরায়ণ মহাভক্ত মহানুভব।তুমি সর্বদাই ঐ যুগলরূপের ধ‍্যান পরায়ণ, সুতরাং সব জায়গায় সব পদার্থেই শ্রীযুগলমূর্তি সন্দর্শন(সাক্ষাৎ) কর, তুমি যে যুগলরূপ দেখেছ সেটি তোমার ইষ্ট শ্রীমূর্তির স্মরণ ছাড়া আর কিছু নয়।*
*☘মহাঅনুভব শ্রীরামরায়ের হৃদয়পটখানিতে স্বরূপ-তত্ত্বছবি প্রকটনের জন্য মহাশিল্পী ধীরে ধীরে রঙ ফলিয়ে সেটি তৈরী করেছিলেন,প্রকৃত তত্ত্বের মহছবি রামরায়ের হৃদয়ে তখন পরিস্ফুটভাবে (স্পষ্ট ভাবে) অঙ্কিত হয়েছে।রামরায়ের প্রত‍্যক্ষ তখন প্রমা (সত‍্য) প্রত‍্যক্ষ, সেটি মরু মরীচিকার মত চক্ষুর সাদা নয়,সেটি অভ্রান্ত স্পষ্ট প্রত‍্যক্ষ।তখন রামরায় পূর্ণ সত‍্য পরিজ্ঞানের দুর্দম‍্য ও অনিবার্য‍্যবলে মনের ভাব ভাষায় প্রকাশ করে যা বললেন, শ্রীচরিতামৃত হতে তাহা উদ্ধৃত করা যাচ্ছে=*
*🌷রায় কহে প্রভু তুমি ছাড় ভারিভুরি।*
*🌷মোর আগে নিজ রূপ না করিহ চুরি।।*
*🌷রাধিকার ভাবকান্তি করি অঙ্গীকার।*
*🌷নিজ রস আস্বাদিতে করিয়াছ অবতার।।*
*🌷নিজ গূঢ়কার্য‍্য তোমার প্রেম আস্বাদন।*
*🌷অনুসঙ্গে প্রেমময় কৈলে ত্রিভুবন।।*
*🌷আপনে আইলে মোরে করিতে উদ্ধার।*
*🌷এবে কপট কর তোমার কোন ব‍্যবহার।।*
*🌻শ্রীল কবিরাজ গোস্বামী মহোদয় এই অষ্টম পরিচ্ছেদের উপসংহারে  লিখেছেন=*
*🌷দামোদর স্বরূপের কড়চা অনুসারে।*
*🌷রামানন্দ মিলন লীলা করিল প্রচারে।।*
*🌹শ্রীগৌরলীলায় শ্রীরামরায় ও শ্রীপাদ স্বরূপদামোদর, একে অপরের প্রাণের সখা। শ্রীকৃষ্ণলীলায় শ্রীরামরায় বিশাখা,স্বরূপ দামোদর ললিতা, সুতরাং একে অপরের অভিন্নহৃদয় প্রিয় সখী,অন্তরঙ্গসখী হিসাবে একে অপরের হৃদয়ের ভাব যেরকম জানেন,অন‍্যের পক্ষে তদ্রূপ জানা অসম্ভব।শ্রীপাদ স্বরূপ, শ্রীরামরায়ের শ্রীমুখে এই সব তত্ত্ব শুনে নিজের কড়চায় সেটি গ্রথিত করেন।রামরায় শ্রীগৌরাঙ্গের যে তত্ত্ব জানতে পেরেছিলেন এ জগতের জীবদের প্রতি কৃপা করে শ্রীপাদ স্বরূপদামোদর তার কিছু আভাস প্রকাশ করে গিয়েছেন।শ্রীগৌরাঙ্গ তত্ত্বের বন্দনা করতে রত হয়ে শ্রীপাদ স্বরূপদামোদর যে দুটি সংস্কৃত পদের অবতারণা করেছেন,এই স্থলে পাঠক মহোদয়গণের অবশ্যই সেই দুটি পদ‍্য স্মৃতিপথে উদিত হয়েছে।কৃপাময় পাঠক মহোদয়গণ এখানে তার সম্বন্ধে চিন্তা করুন।আমরা যথাস্থানে উল্লেখ করব। এখানে রামরায় যা বললেন তাতে আমাদের ক্ষুদ্র হৃদয়ে এইই বোধ হচ্ছে যে তিনি শ্রীরাধাভাবদ‍্যুতি সুবলিত নিজ রসাস্বাদী শ‍্যামসুন্দরকেই সামনে দেখতে পাচ্ছেন। সুতরাং শ্রীভগবান সন্ন‍্যাসীরূপে যে তাঁর কাছে উপস্থিত, সেটি কেবল ছলনা মাত্র।নিজরূপ গোপন করা।শ‍্যামরূপই তাঁর প্রকৃত রূপ।(প্রকৃত ভক্তের কাছে ভগবান লুকিয়ে থাকতে পারেন না, যেমন ভাবেই হোক না কেন ধরা পড়ে যান।) কিন্তু এখানে একটি কথা আছে, মহাপ্রভু যখন বুঝলেন রামরায় তাঁর প্রকৃত রূপতত্ত্ব বুঝতে পেরেছেন, রামরায় তখন "শ‍্যাম এব পরং রূপম্" এই স্বরূপ জানতে পেরেছেন, তখন তিনি তাঁকে বললে বলতে পারতেন যে  "তুমি আমার যে রূপ দেখিয়েছ, প্রকৃতপক্ষে তাইই আমার স্বরূপ, কিন্তু আমি যে সেই ব্রজের পীতধড়া পরিহিত বংশীধারী গোপীর মনচোরা শ‍্যামসুন্দর, এইকথা তুমি কাউকেও বলিও না। কিন্তু স্বরূপতত্ত্বপিপাসু রামরায়ের কাছে স্বরূপ-তত্ত্ব ব‍্যক্ত করবার জন্যই মহাপ্রভু পদার্পণ করেছেন।রামরায় যুগলরূপ ধ‍্যান করতেন,যুগলরূপের সেবা করতেন,যুগলরূপই ভগবানের স্বরূপ-তত্ত্ব, রামরায়ের এটিই ধারণা। কিন্তু ভজনকারীর চিত্তশক্তির ক্রমবিকাশ অনুসারে ভগবানের নিত‍্য রূপ-প্রকটনের তারতম‍্য ঘটে।মহাপ্রভু দেখলেন,রামরায়ের চিত্ত শ্রীকৃষ্ণ-তত্ত্বের আরও চমৎকারজনক বিকাশ-প্রকাশক স্বরূপতত্ত্বগ্রহণে সমর্থ ও উপযুক্ত ; তখন তিনি তাঁর কাছে যে স্বরূপতত্ত্ব প্রকটন করলেন,আর কেউ কখনও সে রূপের কথা শুনেন নাই বা দেখেন নাই, সে প্রকাশ অভূতপূর্ব  অশ্রুতপূর্ব। যথা শ্রীচরিতামৃতে=*
*🌷তবে হাসি তারে প্রভু দেখাইলা স্বরূপ।*
*🌷রসরাজ মহাভাব দুই এক রূপ।।*
*🌷দেখি রামানন্দ হইল আনন্দে মূর্ছিত।*
*🌷ধরিতে না পারি দেহ,পড়িলা ভূমিতে।।*
*🌻এটি প্রকৃতই এক অশ্রুতপূর্ব (আগে কখনও শোনা যাইনি এমন) ব‍্যাপার।শ্রীরামরায় অন্তরে বাইরে সবসময় শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণমূর্তি সন্দর্শন করতেন,শ্রীশ্রীমহাপ্রভুও স্পষ্টতই সেই  কথা বলেছেন। সুতরাং মহাপ্রভু তাঁকে এখন যে স্বরূপ দেখালেন, তা রামরায়ের পূর্বদৃষ্ট(আগের দেখা) সেই শ্রীমূর্তি নয়।মহাপ্রভু তাঁর বাহ‍্য দৃষ্টিগোচরে সেই রূপেরই স্ফুরণ করিয়েছিলেন। তবুও শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণমূর্তি রামরায়ের সতত নিরীক্ষ‍্য,তদ্দর্শনে তাঁর বিস্ময়ের বিষয় কিছুই নাই।এখানে তিনি যা দেখিলেন তা=*
  *🍀রসরাজ-মহাভাব দুই একরূপ।*
*🌹এইরূপ দেখে তিনি আনন্দে মূর্ছিত হলেন।যে রূপ দর্শনে তিনি আনন্দবেগে মূর্ছিত হলেন, সেরূপ নিত‍্য নিত‍্য দেখা যায় না, নিত‍্য দেখা পদার্থে বিস্ময় বা আশ্চর্য‍্যেরভাব আসতে পারে না।*
           *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  🚩 ক্রমাগত 👉 ১০১. শ্রীগৌরাঙ্গ------তত্ত্ব 👏 শ্রীরামানন্দ রায় 🦚🦚 কাষ্ঠ পুত্তুলিকা 🏵️ শ্রীরসিকমোহন বিদ‍্যাভূষণ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/ramananda101.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



চৌরাগ্রগণ্যপুরুষাষ্টকম্ 🏵️ শ্রী বিল্বমঙ্গল ঠাকুর ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/austokom.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀━┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀━┅••••* 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ꧁👇📖 সূচীপত্র 🙏 শ্রী গোপীশরণ দাস 📖👇꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*চৌরাগ্রগণ্যপুরুষাষ্টকম্* 
শ্রী বিল্বমঙ্গল ঠাকুর

ব্রজে প্রসিদ্ধং নবনীতচৌরং
গোপাঙ্গনানাং চ দুকূলচৌরম্।
অনেক জন্মার্জিত পাপচৌরং
চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং নমামি ॥১॥
অনুবাদ: যিনি ব্রজে নবনীত চোর ও গোপাঙ্গনাদের বসন চোর বলে প্রসিদ্ধ ও যিনি স্বীয় ভক্তদের অশেষ জন্মার্জিত পাপ সকল হরণ করেন, সেই চোর শিরোমণিকে আমি নমস্কার করি।

শ্রীরাধিকায়া হৃদয়স্য চৌরং
নবাম্বুদশ্যামলকান্তিচৌরং
পদাশ্রিতানাং চ সমস্ত চৌরং
চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং নমামি ॥২॥
অনুবাদ: যিনি রাধিকার চিত্ত চোর, যিনি নবজলধর মেঘের কান্তি চোর ও যিনি স্ব-চরণাশ্রিত ভক্তগণের সর্বস্ব হরণ করেন, সেই চোর শিরোমণিকে আমি প্রণাম করি।

অকিঞ্চনীকৃত্য পদাশ্রিতং যঃ
করোতি ভিক্ষুং পথি গেহহীনম্।
কেনাপ্যহো ভীষণচৌর ঈদৃগ্
দৃষ্টঃ শ্রুতো বা ন জগত্রয়েহপি ॥৩॥
অনুবাদ: যিনি স্ব-চরণাশ্রিত ভক্তদের অকিঞ্চন করে (তাদের স্ত্রী-পুত্র, ধনাদি সর্বস্ব হরণ করে) তাদেরকে গৃহহীন ও পথের ভিক্ষুক করেন, তাঁর ন্যায় ভীষণ চোর জগতে কেউ দেখেওনি বা শোনেনি ।
যদীয় নামাপি হরত্যশেষং
গিরি-প্রসারানপি পাপরাশিন্।
আশ্চর্যরূপঃ ননু চৌর ঈদৃগ্
দৃষ্টঃ শ্রুতো বা ন ময়া কদাপি ॥৪॥
অনুবাদ : যাঁর নাম মাত্রেই জীবের পর্বত প্রমাণ পাপরাশি নিঃশেষে হরণ করেন, এরূপ আশ্চর্য চোর আমি কখনও দেখিনি বা শুনিনি।

ধনং চ মানং চ তথেন্দ্রিয়াণি
প্রাণাংশ্চ হৃত্বা মম সর্বমেব।
পলায়সে কুত্র ধৃতোহদ্য চৌর
ত্বং ভক্তিদাম্নাসি ময়া নিরুদ্ধঃ ॥৫॥
অনুবাদ : হে চোর! তুমি আমার ধন, মান, ইন্দ্রিয় ও প্রাণ প্রভৃতি হরণ করে কোথায় পলায়ন করছ ? আমি তোমাকে ভক্তিরজ্জু দ্বারা বেঁধে রাখলাম। 

ছিনৎসি ঘোরং যমপাশবন্ধং
ভিনৎসি ভীমং ভবপাশবন্ধম্
ছিনৎসি সর্বস্য সমস্তবন্ধং
নৈবাত্ননো ভক্তকৃতং তু বন্ধম্ ॥৬॥
অনুবাদ: তুমি মনুষ্য মাত্রেরই ঘোর যমপাশ ছিন্ন করতে পার, তার ভয়ানক সংসার বন্ধনও ছিন্ন করতে পার এমনকি সকলের সবরকম বন্ধন ছিন্ন করতে পার; কিন্তু স্বভক্তকৃত নিজ বন্ধন ছিন্ন করতে পার না।
মন্মানসে তামসরাশিঘোরে
কারাগৃহে দুঃখময়ে নিবদ্ধঃ।
লভস্ব হে চৌর! হরে! চিরায়
স্বচৌর্যদোষোচিতমেব দণ্ডম্ ॥৭॥
অনুবাদ : হে চোর, তুমি ঘোর তমসাচ্ছন্ন দুঃখময় কারাগৃহরূপ আমার হৃদয়ে চিরকালের জন্য নিবদ্ধ হয়ে নিজের চৌর্যকার্যের উপযুক্ত দণ্ড গ্রহণ করো।

কারাগৃহে বস সদা হৃদয়ে মদীয়ে
মদ্ভক্তিপাশদৃঢ়বন্ধন-নিশ্চল সন্।
ত্বাং কৃষ্ণ হে! প্রলয়কোটিশতান্তরেহপি
সর্বস্বচৌর হৃদয়ান্নহি মোচয়ামি ॥৮॥
অনুবাদ : অতঃপর তুমি আমার হৃদয় কারাগারে আমার ভক্তিপাশ দ্বারা দৃঢ়রূপে বদ্ধ হয়ে সর্বদা নিশ্চলভাবে অবস্থান কর। হে কৃষ্ণ! হে আমার সর্বস্ব চোর! শতকোটি প্রলয়াবসানেও হৃদয় কারাগার হতে তোমাকে মুক্ত করব না।

🌹🌹🌹*পুরুষোত্তম ব্রত উৎযাপনের সুফল*
১. পৃথিবীর সমস্ত পবিত্র তীর্থ দেহে বিরাজ করে।
২. যে ব্যক্তি গভীর বিশ্বাস ও ভক্তি সহকারে পুরুষোত্তম মাস পালন করেন, তিনি জীবনের অন্তিমে প্রকৃত আলয় গোলক বৃন্দাবনে ফিরে গিয়ে রাধা-গোবিন্দের সেবাধিকার প্রাপ্ত হন।
পদ্মপুরাণে পুরুষোত্তম মাস মাহাত্ম্যে নিম্নোক্ত সমস্ত ব্রতের উল্লেখ রয়েছে।
পুরুষোত্তম মাস মাহাত্ম্য (স্কন্ধপুরাণ ও পদ্মপুরাণ থেকে)

👉ভগবান শ্রীকৃষ্ণঃ
''পুরুষোত্তম ব্রত পালনকারী ব্যক্তি আমার সমস্ত আশির্বাদ প্রাপ্ত হন। যিনি পুরুষোত্তম ব্রত পালন করেন, তাঁর পূর্ব জন্মকৃত সমস্ত পাপকর্মের ফল বিনষ্ট হয়। পুরুষোত্তম ব্রত পালন ব্যতীত কেউ শুদ্ধভক্তি যাজন করতে পারে না। বেদোক্ত সমস্ত তপস্যাদি ও ধর্মীয় কার্যকলাপ থেকেও পুরুষোত্তম ব্রত পালন অধিক গুরুত্ববহ। যে ব্যক্তি পুরুষোত্তম ব্রত পালন করেন, তিনি তার জীবনের অন্তিমে আমার ধাম, গোলক বৃন্দাবনে প্রত্যাবর্তন করেন।''
👉দুর্বাসা মুনিঃ
''পুরুষোত্তম মাসে শুধুমাত্র কোন পবিত্র নদীতে স্নান করার মাধ্যমেই যে কেউ পাপমুক্ত হতে পারেন। অন্যান্য মাসসমূহের মহিমা পুরুষোত্তম মাসের মহিমার ষোল ভাগের এক ভাগের সমানও নয়। পুরুষোত্তম মাসে পবিত্র কোন স্থানে বাস করা, দান করা এবং শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র নাম জপ করার ফলে সমস্ত দুঃখের বিনাশ ঘটে। তিনি সর্বসিদ্ধি প্রাপ্ত হন এবং তাঁর সমস্ত বাঞ্ছা পূর্ণ হয়।''
👉বাল্মীকি মুনিঃ
''পুরুষোত্তম ব্রত পালনের মাধ্যমে একশত অশ্বমেধ যজ্ঞেরও অধিক সুফল লাভ করা যায়। সমস্ত পবিত্র স্থানসমূহ পুরুষোত্তম ব্রত পালনকারী ব্যক্তির দেহে বিরাজ করে। যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাস সহকারে পুরুষোত্তম ব্রত পালন করেন, তিনি গোলক বৃন্দাবন লাভ করবেন ''
👉নারদ মুনি:
''পুরুষোত্তম মাস সমস্ত মাস, ব্রত এবং তপস্যার মধ্যে সর্বোত্তম। শুধুমাত্র বিশ্বাস সহকারে পুরুষোত্তম মাসের মাহাত্ম্য শ্রবণের মাধ্যমেই একজন ব্যক্তি কৃষ্ণভক্তি লাভ করতে পারেন এবং তৎক্ষণাৎ সমস্ত পাপকর্মের প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত হতে পারেন। যে ব্যক্তি যথাযথভাবে পুরুষোত্তম ব্রত পালন করেন, তিনি অসীম সুকৃতি লাভ করেন এবং চিন্ময় জগতে ফিরে যান।''
👉নৈমিষারণ্যের মুনিগণঃ
''পরম করুণাময় পুরুষোত্তম মাস ভক্তদের সমস্ত বাঞ্ছা পূরণার্থে কল্পতরুর ন্যায় কাজ করেন।।
*🙏🙏 জয় নিতাই।*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

পুরুষোত্তম মাস কি ❓ পুরুষোত্তম নামের মহিমা বর্ণন 🚩 পুরুষোত্তম মাসে করণীয় ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/purushottom.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀━┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀━┅••••* 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ꧁👇📖 সূচীপত্র 🙏 শ্রী গোপীশরণ দাস 📖👇꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
পুরুষোত্তম মাসস্য দৈবতং পুরুষোত্তম
তস্মাৎ সম্পজয়োদ্ভতক্ত্যা শ্রদ্ধয়া পুরুষোত্তমম্ ||

অনুবাদ : হে দৃঢ়ধন্ধা! পুরুষোত্তম শ্রীকৃষ্ণই পুরুষোত্তম মাসের অধিদেবতা। অতএব এই মাসে প্রতিদিন ভক্তি শ্রদ্ধাপূর্বক পুরুষোত্তম কৃষ্ণকে ষোড়শাপচারে পূজা করবে।

পুরুষোত্তম মাস কি :-
------------------------------
গৌরাব্দের বৈষ্ণব পঞ্জিকা আসলে চান্দ্র এবং সৌর বর্ষগণনা পদ্ধতির মিশ্রণ। কিন্তু সৌরমাস ও চান্দ্রমাসের দৈর্ঘ্য এক নয়। যেমন, চন্দ্র পঞ্জিকা অনুযায়ী একটি বছরের ১২ মাস ৩৫৫ দিনের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত হয়, কিন্তু সৌর পঞ্জিকা অনুসারে সেটি সম্পূর্ণ হয় ৩৬৫ দিনে। এখানে ১০ দিনের পার্থক্য হয়। সুতরাং প্রতি তিন বছরে একটি অতিরিক্ত মাস যুক্ত হয়, যার নাম পুরুষোত্তম মাস। পুরুষোত্তম মাসকে 'মলমাস' বা 'মলিনমাস' বলা হয়ে থাকে। সংস্কৃত ভাষায় এই মাসকে বলা হয় 'অধিক মাস'।

পুরুষোত্তম নামের মহিমাঃ-
--------------------------------------
'পুরুষোত্তম' পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের একটি নাম। পুরুষ অর্থাৎ ভোক্তা বা ভগবান এবং উত্তম মানে আধ্যাত্মিক বা শ্রেষ্ঠ। সুতরাং, পুরুষোত্তম মানে "আধ্যাত্মিক পরম ভগবান।" উল্লেখ্য যে, ভগবদ্গীতার ১৫তম অধ্যায়কে পুরুষোত্তম যোগ বলা হয়। ভগবদ্গীতায় পুরুষোত্তম নামের বর্ণনায় বলা হয়েছে-- ১. যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ পুরুষ, ২. যিনি সমস্ত মুক্ত ও বদ্ধ চিৎ-সত্তার মধ্যে শ্রেষ্ঠতম।(ভঃগীঃ ৮/১, ১০/১৫, ১১/৩, ১৫/১৮, ১৯)

সময়সূচিঃ-
---------------
পুরুষোত্তম মাসের সূচনা তিথি হল অমাবস্যা এবং সমাপ্তি তিথি হচ্ছে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথি। সেই হিসাবে এ বছর পুুরুষোত্তম মাসের সময়সূচি *আগামী ১৭ই জুলাই সোমবার রাত্রি ১০:৫৫ গতে মল মাস আরম্ভ।  ১৬ই আগষ্ট বুধবার দিবা ২:১৪ গতে মলমাস নিবৃত্তি।*

পুরুষোত্তম মাসে করণীয়ঃ-
-------------------------------------          
১. ব্রাহ্মমুহূর্তের পূর্বে গাত্রোত্থান করে স্নান ও মঙ্গল আরতিতে অংশগ্রহণ করা।

২. প্রতিদিন নির্ধারিত সংখ্যামালার অতিরিক্ত জপ এবং যত বেশি সম্ভব নাম কীর্তনে অংশগ্রহণ করা।

৩. প্রতিদিন চৌরাগ্রগণ্য পুরুষাষ্টকম, জগন্নাথাষ্টকম্, নন্দনন্দনাষ্টকম্, রাধা-কৃষ্ণ কৃপাকটাক্ষস্তোত্রম প্রভৃতি নিজাভীষ্ট স্তোত্রাবলি পাঠ ও পূর্বতন আচার্যকৃত ভজন কীর্তন করা উচিত।

৪. এ মাসে ৩৩ সংখ্যাটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাধা-কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে ৩৩ বার দন্ডবৎ প্রণাম, ৩৩ সংখ্যক প্রদীপ দান, ৩৩ সংখ্যক ফল ও পুষ্প প্রদান প্রভৃতি যেকোনো সেবায় ৩৩ সংখ্যার ব্যবহার। 

৫. পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সন্তুষ্টির জন্য প্রতি সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রদান করা কর্তব্য। সামর্থ্য থাকলে ঘৃত প্রদীপ নতুবা তিল তৈল প্রদীপ দেওয়া উচিত।

৬. প্রতিদিন শ্রীমদ্ভাগবত ও অন্যান্য সদ্গ্রন্থাদি অধ্যয়ন করা উচিত। (বিশেষ করে শ্রীমদ্ভাগবতের দশম স্কন্দে বর্ণিত ব্রহ্মস্তুতি ও শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার পঞ্চদশ অধ্যায়)।

৭. পুরুষোত্তম মাসে ভক্তিপূর্বক শ্রীমদ্ভাগবত গ্রন্থ শ্রবণ করা উচিত।

৮. ভক্তগণ শ্রীশালগ্রাম শিলার অর্চন করবেন।

৯. পুরুষোত্তম ব্রতী হবিষ্যান্ন ভোজন করবেন।

(গম, আতপ চাল, মুগডাল, যব, তিল, মটর, কাঙ্গলী তণ্ডুল, উড়ি তন্ডুল, বেতোশাক, হেলেঞ্চা শাক, আদা, কালশাক, মুলক, কন্দমূল, কাঁকুড়, কলা, সৈন্ধব ও সামুদ্রিক লবণ, দধি, ঘৃত, অনুদ্বৃত দুগ্ধসার, কাঁঠাল, আম, হরিতকি, পিপ্পল, জিরা, সোঁঠ, তেঁতুল, ক্রমুক, আতা, আমলকি, ইক্ষুজাত চিনি, মিশ্র অতৈলপক্ব ব্যঞ্জনাদি দ্রব্য সমস্তই হবিষ্যান্ন। ছোলা ডাল, তিল তৈল, কাঁকরযুক্ত অন্ন, ভাবদুষ্ট-ক্রিয়াদুষ্ট-শব্দদুষ্ট দ্রব্যসকল পরিত্যাগ করা উচিত)

১০. পরান্ন ভোজন, পরদ্রোহ, পরদার গমন পরিত্যাগ করা উচিত।

১১. পুরুষোত্তম মাসে দেবতা, বেদ, গুরু, গো, ব্রতী, স্ত্রীলোক, রাজা ও মহাজনদের নিন্দা পরিত্যাগ করা উচিত।

পুুরুষোত্তম মাসের গুরুত্ব দামোদর মাসের চাইতে এক হাজার গুণ বেশি। যিনি এই পুুরুষোত্তম ব্রত পালন করেন তার মাঝে সকল পবিত্র ধাম ও দেবতারা বাস করেন।

*জয় নিতাই 🙏🙏🙏।।*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
➡️ 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৫৫. অদ্বৈতাচার্য‍্যের শ্রীপাট বাবলা (শান্তিপুর) 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori55.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫৫)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*অদ্বৈতাচার্য‍্যের শ্রীপাট বাবলা*
*****************************
*🌹এই শ্রীপাটের মহিমার অন্ত নেই।আজ হতে প্রায় (গ্রন্থটি বহু পুরোনো,যে সময় গ্রন্থ রচনা হয় )৫০|৬০ বৎসর পূর্বে এই শ্রীপাটে ভূমি খনন কালে চারহাত পরিমিত একটি নরকঙ্কাল পাওয়া গিয়েছিল। শান্তিপুরবাসী সকলে দেখেছিলেন যে ঐ কঙ্কালের অস্থিতে তারকব্রহ্ম হরিনাম সব লেখা রয়েছে।হরিনাম মহামন্ত্রের যে কি মহিমা এবং শক্তি তা এটি দ্বারা প্রমাণিত হয় যে নিষ্ঠার সঙ্গে যদি কেউ সারাটি জীবন ধরে এই মহানাম সাধন করেন তাহলে এই মহানাম সেই সেই ভক্তের শরীরের রক্ত-মাংস ভেদ করে অস্থিতে প্রতিফলিত হয়।এটি কোন কল্পনা প্রসূত সঙ্কেত নয়, কারণ বাস্তব ঘটনা এর প্রমাণ দিয়েছে।সেই হিসাবে মনে হয় নামাচার্য‍্য হরিদাস ঠাকুরের অস্থিতেও নিশ্চিত এই হরিনাম মহামন্ত্র খোদিত হয়েছে যদিও তা প্রমাণ করার কোন সুযোগ নাই।মহাসাধক শ্রীশ্রীবিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী স্বয়ং স্বচক্ষে এটি দর্শন করে বলেছিলেন যে অজপা সাধনে মানুষের দেহাস্থিতে এটি সম্ভব, কারণ এই মহানামের এমনই শক্তি যে দেহের প্রতি স্তর ভেদ করে এই মহানাম সমস্ত অস্থিতে খোদিত হয়ে যায়। সুতরাং নাম মহিমা আর কি বলিব!সুধী পাঠকগণ নিজেদের বিচার বুদ্ধি অনুযায়ী নিজেদের জীবনে এটি আচরণ করবেন।*
*🌻একবার মহাত্মা বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী চোদ্দমাদল নিয়ে সংকীর্তন করতে করতে এই বাবলা শ্রীপাটে আসিলে একটি কুকুরের ভাবভঙ্গি এবং ইঙ্গিত অনুসারে একটি জায়গা খুঁড়ে অদ্বৈত প্রভুর "কমলাক্ষ" নামাঙ্কিত কাষ্ঠ পাদুকা,কমন্ডলু প্রভৃতি পাওয়া গিয়েছিল।পরে গোস্বামীজীর আদেশে তা সব অদ্বৈত প্রভুর শ্রীবিগ্রহের আসনবেদীর নিচে প্রোথিত (পোঁতা) করে দিবার ব‍্যবস্থা করা হয়। সুতরাং বাবলা শ্রীপাটের যথার্থ জায়গা নিরূপণ সম্বন্ধে আর কারও কোন সন্দেহের অবকাশ থাকতে পারে না।*
*🍀এই শ্রীপাটেই মহাপ্রভু স্বয়ং তাঁর পরম গুরুদেবের তিরোভাব তিথি পালন করেছিলেন। এই শ্রীপাটেই মহাপ্রভু সন্ন‍্যাস গ্রহণের পর কিছুদিন অবস্থান করেছিলেন।এই শ্রীপাটেই শচীমাতা নবদ্বীপ হতে আগমন করে সন্ন‍্যাসী পুত্রকে দর্শন করেছিলেন।এই শ্রীপাটেই অদ্বৈত প্রভু গৌরসুন্দরের রাতুলচরণ প্রক্ষালন করে সচন্দন তুলসীপত্র দ্বারা পূজা সমাপণান্তে =*
*"নম ব্রহ্মণ‍্য দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চ।*
*জগদ্ধিতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।।*
*🌺এই মন্ত্র উচ্চারণ করে অশ্রুসজলকন্ঠে ভাবাবেশে তাঁকে বারবার প্রণাম করেছিলেন। সুতরাং বৈষ্ণব জগতের পিঠস্থান হিসাবে অদ্বৈত প্রভুর এই শ্রীপাটের মহিমা যে কত পূজনীয় এবং বরণীয় তাতে আর কারও কোন সংশয় থাকতে পারে না। সেই হিসাবে এই শ্রীপাটের সেবাপূজা যাতে সুষ্ঠুভাবে চলে তার দিকে সকলের নজর থাকা উচিত এবং ভক্তগণের কাছে এই আবেদন যে তাঁরা যেন সাধ‍্যমত মাসিক কিছু আনুকূল‍্য করেন তা যাই হোক না কেন, যদি কেহ তা করতে চান নিম্নলিখিত ঠিকানায় পাঠাবেন কারণ শ্রীমন্মহাপ্রভু স্বয়ং শ্রীমুখে অদ্বৈতপ্রভুকে বলেছিলেন যে=*
*🍀"তোমার যে আশ্রিত হবে সে শত অপরাধী হলেও আমি তার প্রতি প্রসন্ন রহিব।"*
*🍁আরও একটি বিশেষত্ব এই যে অদ্বৈতাচার্য‍্যের অপর নাম সীতানাথ। এক্ষেত্রে যে সিদ্ধ মহাত্মা এই পীঠস্থানের উদ্ধারের জন্য স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন তাঁর সাধক জীবনের নামও সীতানাথ। সুতরাং উভয় ক্ষেত্রেই এই সীতানাথ নামের সমন্বয় দেখা যায়।সবই প্রভুর করুণা মানুষের কোন হাত নাই তাঁর কৃপা সাপেক্ষ।সীতানাথের কাজ সীতানাথ নিজেই স্বপ্নাদেশের মাধ‍্যমে সিদ্ধ সীতানাথ দাস বাবাজী দ্বারাই করিয়ে নিলেন।*
*🌻বাবলা শ্রীপাট সম্বন্ধে কিছু জ্ঞতব‍্য বিষয় ঃ---*
*🍀 কালের গতিতে এই সিদ্ধস্থান বাবলা শ্রীপাট জরাজীর্ণ অবস্থায় পরিণত এবং প্রধান সেবক শ্রীশান্তিসখা গোস্বামী  তাঁর সাধ‍্য অনুযায়ী এটি রক্ষা করে যাচ্ছেন। সকলের কাছে এই শ্রীপাটের পূর্ণ সংস্কার সাধনের জন্য আবেদন জানাচ্ছেন। কারণ মহাপ্রভুর এই পঞ্চশতবর্ষ (৫০০) আবির্ভাব তিথিতে দুইটা স্থানের মহিমা বিশেষভাবে বিখ‍্যাত যা হচ্ছে রেমুণায় শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামীর সমাধি মন্দির এবং বাবলায় সীতানাথের শ্রীপাট। কারণ বৈষ্ণব জগতে এই দুই মহাপুরুষই হচ্ছেন বৈষ্ণবধারা প্রচলনের মূল হোতা।ব‍্যারাকপুর আশ্রমের উদ‍্যোগে শ্রীপাদ রাধারমণ চরণদাস বাবাজীরগণ কর্তৃক রেমুণা শ্রীপাট নবরূপ ধারণ করেছেন এবং বর্তমানে এই বাবলা শ্রীপাটের পূর্ণ সংস্কার কার্য‍্য সাধিত হচ্ছে এবং আশা করা যায় আগামী ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথির আগেই এটি নবরূপ ধারণ করবেন।এই প্রচেষ্টার জন্য ল্রীপাদ শান্তিসখা গোস্বামী এবং কালনা নিবাসী পরম বৈষ্ণব শ্রীকানু ভৌমিকের অবদান অনস্বীকার্য যদিও এটির উদ‍্যোক্তা হচ্ছেন রাধারমণগণের সভ‍্যবৃন্দ এবং তাঁরাই এর সম্পূর্ণ ব‍্যয়ভার বহন করছেন। এই ব‍্যাপারে পরমভাগবদ্ শ্রীচিন্ময়ানন্দ স্বামী (গৌর মহারাজের) অবদানও যথেষ্ট।কারণ তিনি উদ‍্যোগী হয়ে লেখককে সঙ্গে করে সব ব‍্যবস্থাদি করেছেন।সীতানাথের এই সেবাপ্রাপ্ত হবার জন্য উদ‍্যোক্তাগণ নিজেদের ভাগ‍্যবান বলে মনে করেন।আশাকরি ষুধী বৈষ্ণব সমাজের কৃপা আশীর্বাদ হতে তাঁরা বঞ্চিত হবেন না।"জয় সীতানাথের জয়"*
*🙏যদি কেউ সাহায্য করব মনে করেন, এই ঠিকানায় ঃ=*
*শ্রীশান্তিসখা গোস্বামী, শান্তিপুর আতাবুনিয়া ভবন,পোঃ শান্তিপুর জেলা নদীয়া।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*বিচ্ছেদ স্মরিয়া তবে,ব‍্যথিত হইল সবে,*
   *খুলিয়া ফেলিল তারা অঙ্গের ভূষণ।*
*আলু থালু হয় বেশ,খসি পড়ে বাঁধা কেশ,*
   *ধূলায় লোটায় তবে তাদের বসন।।*
*ক্ষণ মাত্র অদর্শনে,সব শূণ‍্য হেরি মনে,*
   *অক্রূর লইতে চায় সেই প্রাণধনে।*
*যাঁর লাগি পতি ধন,আর ছাড়ি পরিজন,*
   *কেমনে বাঁচিব মোরা সে প্রিয় বিহনে।।*
*না রহিলে কৃষ্ণধন,না রবে এ জীবন,*
    *অক্রূর করিবে আজি মোদের নিধন।*
*বধিলে নারীর প্রাণ,গৌরব হইবে ম্লান,*
   *কলঙ্কের কথা তবে কবে বিশ্বজন।।*
*রামকানু দুই জন,রথে করে আরোহণ,*
    *যাত্রা হেরি গোপীদের অন্তর বিকল।*
*করাঘাত করে বক্ষে,অশ্রুধারা বহে চক্ষে,*
   *সবার কম্পিত দেহ হইয়া চঞ্চল।।*
🦚🦜🙏🌸🌷🪔🦚🦜🙏🌸🌷🪷🪔
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৫৪. অদ্বৈতাচার্য‍্যের শ্রীপাট বাবলা (শান্তিপুর) 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori54.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫৪)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*অদ্বৈতাচার্য‍্যের শ্রীপাট বাবলা (শান্তিপুর)*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*🙏অদ্বৈতাচার্য‍্য হচ্ছেন গৌর আনা গোঁসাই কারণ তিনিই তাঁর শ্রীগুরুদেব শ্রীপাদ মাধবেন্দ্র পুরী গোস্বামীর আদেশ অনুযায়ী শুধুমাত্র গঙ্গাজল এবং তুলসীপত্র দ্বারা আরাধনা করে স্বয়ং গোলোকপতিকে এই ধরাধামে আনতে সমর্থ হয়েছিলেন। তাঁরই শ্রীপাট বাবলায় অবস্থান কালে তিনি কাতর প্রার্থনার দ্বারা জগতপতির প্রাপ্ত হয়েছিলেন।এই বাবলা হচ্ছে শান্তিপুর শহরের উপকন্ঠে গঙ্গানদীর তীরে এবং সাধন ভজনের পক্ষে এক অতীব মনোরম স্থান।চতুর্দিকে পঞ্চবটির বন,পার্শ্বদেশে সুরধূনী প্রবাহিত এবং কালের গতিতে গঙ্গানদীর ফল্গুধারা সরে যাওয়ায় শান্তিপুরবাসী গোস্বামী সন্তানগণও বহু পরিবারে বিভক্ত হয়ে নিজেদের সুবিধামত বাস পরিবর্তন করেন এবং তার ফলে আদি এই শ্রীপাট ক্রমে ক্রমে জঙ্গলাকীর্ণ হয়ে পড়ে। সংস্কার অভাবে আশ্রমটি প্রায়ই লুপ্ত হয়ে যায়।*
*🌹কিন্তু ভগবদ্ কৃপায় সীতানাথ নামধারী জনৈক সিদ্ধ মহাত্মা বিভিন্ন তীর্থ পর্য‍্যটন করে বালাশোরের নিকটবর্তী নয়াবাজারে অবস্থানকালে অদ্বৈতাচার্য‍্যের শ্রীপাটের এই সেবা প্রকাশের জন্য দৈবাদেশ প্রাপ্ত হন। অতঃপর তিনি পদব্রজে শান্তিপুর এসে গোস্বামীগণের দেবালয়ে অবস্থান করে প্রকৃত জায়গার খোঁজে  প্রবৃত্ত বা রত হন। কিন্তু কেউই কোন সঠিক সন্ধান দিতে পারলেন না।মনের দুঃখে তিনি পুনঃপুনঃ প্রভুর শ্রীচরণে এই মিনতি করতে লাগলেন যে "ঠাকুর কৃপায় যদি করলে তাহলে আমাকে প্রকৃত স্থানের সন্ধান দাও"। এমত অবস্থায় অদ্বৈত প্রভু কৃপা পরবশ হয়ে তাঁকে স্বপ্নাদেশ করেন যে "আমি দুর্গন্ধে বড়ই কষ্ট পাচ্ছি তুমি "অমুক স্থানে গমন করে সেই স্থান সংস্কার করলে আমার ভজনস্থলী পাবে"। সেখানে আমার সেবা পুনঃ প্রতিষ্ঠা করো।পরদিন প্রাতঃকালে সেই স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী তিনি স্থানীয় গোস্বামীগণের সহায়তায় সেই জায়গার কাছাকাছি হয়ে ধুনি জ্বালিয়ে ধ‍্যান মগ্ন হলেন।কিছুকাল পরে হঠাৎ একদিন দেখেন যে একটি রাখাল বালক ধেনু চরাচ্ছে এবং সেই রাখাল বালকটি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সেই জনৈক সাধুর কাছে এসে বলেন যে আমি তোমাকে তোমার আরাধ‍্য বস্তুর সন্ধান দিচ্ছি, এই বলে মাধবীলতা বেষ্টিত একটি তমাল বৃক্ষের তলদেশে একটি বল্মীক স্তুপ দেখিয়ে দিয়ে বললেন যে এটিই হচ্ছে সেই অদ্বৈতাচার্য‍্যের ভজনস্থলী।সাধু সীতানাথ সাগ্রহে সেই বল্মীক স্তুপের কাছে গমন করে দেখেন যে সত‍্য সত‍্যই সেই জায়গাটি দুর্গন্ধে ভরপুর এবং তিনি বিন্দুমাত্র সঙ্কোচ বা দ্বিধা না করে স্বহস্তে তা পরিস্কার করে সেই যাখাল বালকটির সন্ধানে চারিদিকে খোঁজ করতে লাগলেন। কিন্তু তিনি কোন ভাবেই সেই রাখাল বালক বা ধেনুগনের সন্ধান পেলেন না।ইহাকে প্রভুর অহৈতুকী কৃপা হিসাবে গণ‍্য করে তাঁর হৃদয়মন ভক্তিরসে আপ্লুত হয়ে যায় এবং তিনি নিশ্চিত বুঝতে পারলেন যে স্বয়ং প্রভুই রাখালরূপে এসে তাঁকে কৃপা করে গেলেন।যে কোন সাধক ভক্তের জীবনে যে এটি কি অপার আনন্দ দান করে, তা লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।এইভাবে তিনি সেই সিদ্ধ পীঠে থেকে সাধন ভজন করতে থাকেন এবং ক্রমে ক্রমে ভক্ত সমাগম বাড়তে থাকে।*
*💧অতঃপর তিনি ভিক্ষালব্ধ অর্থদ্বারা সেই জায়গায় মন্দিরাদি নির্মাণ করিয়ে অদ্বৈতাচার্য‍্যের দারুময় বিগ্রহ ও শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দ আদি বিভিন্ন বিগ্রহের প্রতিষ্ঠা করে সেবা প্রকাশ করেন।মহাত্মা বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী এই বাবলায় প্রায়শই আসিতেন এবং অনেক ভাগ‍্যবান এই পূণ‍্যভূমিতে গভীর নিশিথে সংকীর্তন ধ্বনি শুনতে পান। মহাত্মা বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী শ্রীমুখে বলেছেন যে এখানে দৈব সংকীর্তন হয়  এবং তখন মহাপ্রভু ও নিত‍্যানন্দ প্রভুর আবির্ভাব হয় যার দ্বারা এই চির সত‍্য পদাবলীর মহিমা কীর্তিত হয়। যথা=*
*🌷অদ‍্যাপিও সেই লীলা করে গৌর রায়।*
*🌷কোন কোন ভাগ‍্যবানে দেখিবারে পায়।।*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙏🙌🙌🙌🙌🙌🙌
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৫৩. বীরচন্দ্র প্রভুর বিবাহ 🎎 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori53.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫৩)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
    *🎎বীরচন্দ্র প্রভুর বিবাহ🎎*
  •••••••••••••••••••••••••••••••••••••
*🌹সুবিখ‍্যাত মহাবৈষ্ণব যদুনন্দনের দুই কন‍্যাকে বীরচন্দ্র প্রভু বিবাহ করেন।যদুনন্দনের ভক্তিমতী পত্নীর নাম বিদ‍্যুন্মালা এবং দুই কন‍্যার নাম "শ্রীমতী" ও "নারায়ণী"।এই নারায়ণী দেবীর গর্ভে তিন পুত্র এবং এক কন‍্যা জন্মগ্রহণ করেন কিন্তু "শ্রীমতী" দেবীর কোন সন্তানাদি হয়নি।একটি প্রাচীন বৈষ্ণব পদাবলী হতে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত হবে=*
*🌷কতদিনে সন্তান প্রকাশিতে হইল মন।*
*🌷গোপীজন বল্লভ নামে প্রথম নন্দন।।*
*🌷দ্বিতীয় রামকৃষ্ণ সাক্ষাৎ ঈশ্বর*।
*🌷ব্রহ্ম তেজোময় রামচন্দ্র তারপর।।*
*🌷ত্রিশক্তি ধারণ তিন পুত্র প্রকাশিল।*
*🌷জীবের কল্মষ বীজ সব নাশ হইল।।*
*🌷সকল কনিষ্ঠা এক কন‍্যা উপাদান।*
*🌷পার্বতীচরণে মুখুর্য‍্যারে কৈল সম্প্রদান।।*
*🍁অথৌঅৎ বীরচন্দ্র প্রভুর ঔরসে এবং নারায়ণী দেবীর গর্ভে তিনপুত্র এক কন‍্যা জন্মগ্রহণ করে বীরচন্দ্র প্রভু নিত‍্যানন্দ বংশ বিস্তার করেছিলেন, যথা=*
*"গোপীজনবল্লভ,রামকৃষ্ণ,রামচন্দ্র এবং কন‍্যা ভূবনমোহিনী।*
*🌻নিত‍্যানন্দ দুহিতা গঙ্গাদেবীর বিবাহ🌻*
◆                ◆                  ◆                ◆
*🍀অভিরাম ঠাকুর যেভাবে বীরচন্দ্র প্রভুকে প্রণাম করে ছিলেন ঠিক অনুরূপভাবে তিনি গঙ্গাদেবীকেও প্রণাম করেন কিন্তু তাতে কন‍্যার কোন ক্ষতি হয়নি।এতেই প্রমাণিত হয় যে তিনি কে?*
*🌷গঙ্গাদেবী গঙ্গানামে কন‍্যা এক হইল।*
*🌷কন‍্যাও অভিরামের প্রণামে না মৈল।।*
*🌹তার উপরে মাতৃজঠর হতে ধরাধামে প্রসবিত হবার পর গঙ্গাদেবী মাতৃস্তন‍্য পান না করায় মা জাহ্নবা সূতিকা গৃহে প্রবেশ করে দীক্ষাদান করলে তবে তিনি মাতৃস্তন‍্য পান করেন।*
*🍀মাধবাচার্য‍্য নামক এক মহাবৈষ্ণব ছিলেন নিত‍্যানন্দ প্রভুর অত‍্যন্ত অনুগত এবং গ্রন্থে পাওয়া যায় যে তিনি পুরুষোত্তম দাসের মন্ত্রশিষ‍্য।তাঁরই সঙ্গে নিত‍্যানন্দ প্রভু গঙ্গাদেবীরবিবাহ দেন এবং এই বিয়ের ফলে গঙ্গাদেবীর গর্ভে দুইটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। শ্রীপ্রেমানন্দ ও শ্রীগোপালবল্লভ। এই শ্রীপ্রেমানন্দ প্রভুর শ্রীপাট কাটোয়ার কাছে শাঁখাই গ্রামে এবং তাঁর সেবিত বিগ্রহ হচ্ছেন শ্রীরাধামাধব। শ্রীগোপীজনবল্লভের শ্রীপাট জীরাটে।তাঁর সেবিত বিগ্রহের নাম শ্রীরাধাগোপীনাথ।স্বামী ও সন্তানদ্বয়কে রেখে গঙ্গামাতা নিত‍্যলীলায় প্রবেশ করেন।*

*🙏নিত‍্যানন্দ প্রভুর ভাইগণের পরিচয়।*
*🪷সাধারণতঃ আমরা হাড়াই পন্ডিত পুত্র নিত‍্যানন্দ ছাড়া আর কোন পুত্রের খবর নাই না। কিন্তু প্রেমবিলাস গ্রন্থে এর সুন্দর পরিচয় পাওয়া যায়, যথা=*
*🌷রাঢ়দেশে একচাকা নামে আছে গ্রাম।*
*🌷তাহে বৈসে সুন্দরামল্ল নকড়ী বাড়ুরী নাম।।*
*🌷তাঁর পুত্র মুকুন্দ হাড়াওঝা খ‍্যাতি।*
*🌷হাড়াই ওঝার পত্নীর নাম হয় পদ্মাবতী।।*
*🌷বসুদেবের প্রকাশ হন পন্ডিতি*
*🌷দৈবকী প্রকাশান্তরে হন পদ্মাবতী।।*
*🌷সপ্তপুত্র হইল তান বড় গুণবান*।
*🌷নাম কহিয়ে শুন হইয়া সাবধান।।*
*🌷নিত‍্যানন্দ কৃষ্ণানন্দ আর সর্ব্বানন্দ।*
*🌷ব্রহ্মানন্দ পূর্ণানন্দ আর প্রেমানন্দ।।*
*🌷বিশুদ্ধানন্দ এই হন পুত্র সপ্তজন।*
*🌷সর্ব্বশ্রেষ্ঠ নিত‍্যানন্দ বলরাম হন।।*
*🌹অর্থ‍্যাৎ এই সাত ভাইয়ের নাম হচ্ছে--, নিত‍্যানন্দ,কৃষ্ণানন্দ,সর্ব্বানন্দ ব্রহ্মানন্দ,পূর্ণানন্দ,প্রেমানন্দ ও বিশুদ্ধানন্দ।*
*🌑বিঃ দ্রঃ= শকাব্দ এবং খৃষ্টাব্দের পার্থক্য ঃ-----------*
*🍀প্রাচীন বৈষ্ণব গ্রন্থে আমরা বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে শকাব্দের উল্লেখ পাই কিন্তু বতর্মানকালে আমরা যে ইংরেজি সাল বা খৃষ্টব্দ পঞ্জিকায় পাই তার সঙ্গে শকাব্দের কি হিসাব তা জানা দরকার।*
*🌺সেই হেতু বলতে চাই যে শক্ বা শকাব্দ খৃষ্টব্দ অপেক্ষা ৭৯ বৎসর অগ্রগামী বা এগিয়ে।উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে যে বাংলা ১৪০০ শকাব্দ হলে ইংরেজি ১৪০০ +৭৯ অর্থ‍্যাৎ ১৪৭৯ খৃষ্টাব্দ হবে।এর প্রকৃষ্ট প্রমাণ মহাপ্রভুর জন্মসাল হতে প্রতিষ্ঠিত হবে।যথা আবির্ভাব ১৪০৭ শকে অর্থ‍্যাৎ ১৪৭৯ খৃষ্টাব্দে এবং সেই হিসাবে ইংরেজি ১৯৮৬ খৃষ্টাব্দের ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথিতে মহাপ্রভুর আবির্ভাবের ৫০০ বৎসর পূর্ণ হবে।*
🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜🦜
*মনে পাইয়া আঘাত,শিরে হানে করাঘাত,*
   *নয়নের বারি ঝরি ভিজিল বসন।*
*কাঁদিতে কাঁদিতে তারা,হইল পাগলপারা,*
    *হয় তাহে বিগলিত আঁখির অঞ্জন।।*
*যেথা যত গোপীগণ,অতি শোকে নিমগন,*
   *স্মরিয়া বিরহ ব‍্যথা বিচ্ছেদ যখন।*
*ঘন ঘন ছাড়ে শ্বাস,করে শুধু হা হুতাশ,*
   *জাগে হৃদে অতিশয় বেদনা তখন।।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏💧🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds