✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৬৪. শ্রীরাঘব পন্ডিত প্রসঙ্গ 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori64.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৬৪)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*শ্রীরাঘব পন্ডিত প্রসঙ্গ*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌹সকলের পক্ষে এই ঝালি সমর্পণ দৃশ্য উপভোগ করা সম্ভব নয় কারণ এই সময় এবং ব্যয়সাধ্য, সেহেতু গৌর ভক্তগণেকে এই লীলারস আস্বাদন করাবার জন্য ব্যারাকপুরের শ্রীশ্রীনিতাই গৌরাঙ্গ সেবাশ্রমের প্রধান মহান্ত শ্রীশ্রীসনাতন দাস বাবাজী এক নূতন ভাবধারা প্রচলন করেছিলেন।বিভিন্ন ভক্ত সহযোগে তাঁরা ব্যারাকপুর হতে পানিহাটিতে শ্রীরাঘব পন্ডিতের পাটবাড়ীতে গমন করেন এবং যাবতীয় আহার্য্য দ্রব্য নিয়ে যেন মহাপ্রভুর কাছে রওনা হচ্ছেন, এইভাবে ঝালি কীর্তন সহযোগে পুনরায় ব্যারাকপুর মঠে প্রত্যাবর্তন করে ঝালি কীর্তন মাধ্যমে মহাপ্রভুকে গম্ভীরা জ্ঞানে তা সমর্পণ করা হয়।ভক্তগণ কীর্তনের পদাবলী অনুযায়ী সব জিনিস অতীব অনুরাগ ভরে মন্দিরের সেবক শ্রীমদনদাস বাবাজীকে (সেবক গোবিন্দ জ্ঞানে) সমর্পণ করেন। তখন মন্দির প্রাঙ্গণ ভক্ত সমাগমে জনাকীর্ণ হয়ে যায় এবং এইভাবে যথাসাধ্য আনন্দ দানের মাধ্যমে ঝালি সমর্পণ উৎসবের পরিসমাপ্তি হয়।পরমকরুণ রামদাস বাবাজী মহারাজের কৃপাধন্য শিষ্য শ্রীশ্রীসনাতন দাস বাবাজীর কৃপায় কলিহত জীবগণ এক নূতন রসের সন্ধান পেয়েছেন এবং এই উৎসবটিতে যোগদান করবার মানসে সারাটি বৎসর সকলে উদগ্রীব হয়ে থাকেন। এই রাঘব পন্ডিতের কৃষ্ণসেবার কাহিনী যা মহাপ্রভু স্বয়ং শ্রীমুখে পুরীধামে ভক্তগণ কাছে বর্ণনা করেছিলেন তা শ্রীপাদ কৃষ্ণদাস কবিরাজের ভাষায় শুনুন।*
*🌷ইহার কৃষ্ণ সেবার কথা শুন সর্বজন।*
*🌷 পরম পবিত্র সেবা অতি সর্বোত্তম।।*
*🌷আর দ্রব্য কহ শুন নারিকেলের কথা।*
*🌷পাঁচ গন্ডা করি নারিকেল বিকায় যথা তথা।।*
*🌷বাটিতে কতশত বৃক্ষ লক্ষ লক্ষ ফল।*
*🌷তথাপি শুনেন যাহা মিষ্ট নারিকেল।।*
*🌷এক এক ফলের মূল্য দিয়া আনে চারি চারি জন।*
*🌷দশ ক্রোশ হইতে আনয় করিয়া যতন।।*
*🌷প্রতিদিন পাঁচ সাত ফল তোলাইয়া।*
*🌷সুশীতল করিতে রাখে জলে ডুবাইয়া।।*
*🌷ভোগের সময় পুনঃ ছুলি শঙ্খ করি।*
*🌷কৃষ্ণ সমর্পণ করে মুখে ছিদ্র করি।।*
*🌷কৃষ্ণ সেই নারিকেল জলপান করি।*
*🌷কভু শূন্য ফল রাখেন কভু জল ভরি।।*
*🌷জল শূন্য ফল দেখি রাঘব হরষিত।*
*🌷ফল ভাঙ্গি শস্য কৈল সৎপাত্রে পুরিত।।*
*🌷শস্য সমর্পিয়া করে বাহিরে ধেয়ান।*
*🌷শস্য খাইয়া কৃষ্ণ করেন শূন্য ভাজন।।*
*🌷কভু শস্য খাইয়া পূর্ণ পাত্র ভরে শাঁসে।*
*🌷শ্রদ্ধা বাড়ে পন্ডিতের প্রেমসিন্ধু ভাসে।।*
*🌷একদিন দশ ফল সংস্কার করিয়া।*
*🌷ভোগ লাগাইতে সেবক আইল লইয়া।।*
*🌷অবসর নাহি হয় বিলম্ব হইল।*
*🌷ফল পাত্র হাতে সেবক দ্বারে রহিল।।*
*🌷দ্বারের উপর ভিতে তিহোঁ হাত দিল।*
*🌷সেই হাতে ফল ফুঁইল পন্ডিত দেখিল।।*
*🌷পন্ডিত কহে দ্বারে লোক করে যাতায়াতে।*
*🌷তার পদধূলি উড়ি লাগে উপর ভিতে।।*
*🌷সেই ভিতে হাত দিলা ফল পরশিলা।*
*🌷কৃষ্ণ যোগ্য নহে ফল অপবিত্র হইলা।।*
*🌷এত বলি ফল ফেলে প্রাচীর লঙ্ঘিয়া।*
*🌷ঐছে পবিত্র প্রেম সেবা জগৎ জিনিয়া।।*
*🌷তবে পবিত্র নারিকেল সংস্কার করাইল।*
*🌷পরম পবিত্র করি পুনঃ ভোগ লাগাইল।।ইত্যাদি।*
*🌻আমরা যারা সংসারী জীব তাদের অনেকের ঘরে বিগ্রহ সেবা পূজার ব্যবস্থা আছে।সেবা পূজা করাও হয়, কিন্তু তা পবিত্রতা এবং নিষ্ঠা সহকারে হয় কিনা তা তাঁরাই বিচার করে দেখবেন। আশাকরি রাঘব পন্ডিতের এই সেবার আদর্শ তাঁদের সেবার পবিত্রতা রক্ষা সম্বন্ধে যথেষ্ট সহায়ক হবে।*
*🍁এখানে লক্ষ্য করবার বিষয় এই যে, যে ডাব নারকেল দিয়ে ঠাকুরের ভোগ হবে তা ব্যস্ততার জন্য সেবক দরজার চৌকাঠের উপর হতে হাত দিয়ে নিয়েছিলেন এবং রাঘব পন্ডিত তা দেখামাত্র সমস্ত ডাবগুলি ফেলে দিলেন।কারণ তাঁর বিচারে দরজার চৌকাঠের উপর লোকের পা পড়ে এবং সেই চৌকাঠের উপর হাত লাগিয়ে সেবার বস্তু গ্রহণ করলে তা তৎক্ষণাৎ অপবিত্র হয়ে গেল এবং তাঁর বিচারে তা কৃষ্ণ সেবার যোগ্য নহে।*
*🌺ডাবের উপরে এত মোটা ছোবড়া তা সত্ত্বেও ভিতরের জল অপবিত্র হয়ে গেল এই বিষয়টি বিশেষভাবে পরিলক্ষণীয়। সুতরাং এই হিসাবে ভোগের বস্তুর পবিত্রতা সম্বন্ধে সকলের সচেতন হওয়া উচিৎ।*
*🌳এইরকম সেবা না হলে কি আর ভোগের পর ডাবের জল শেষ হয়ে যায়⁉এইরকম সেবা নিষ্ঠা ছিল বলেই ডাবের শাঁস আবার যখন ভোগ দিতেন তখন তাহাও মদনগোপাল স্বয়ং গ্রহণ করতেন এবং ভোগের পরে দেখা যেত ভোগের থালি শূন্য বা খালি।একেই বলে শ্রীরাঘব পন্ডিতের সেবা।আশাকরি পাঠক-পাঠিকাগণ সেবা সম্বন্ধে যথাযথ পবিত্রতা রক্ষা করবেন এবং এইরকম আদর্শে পূজো করবেন।*
*☘পরম পূজনীয় রামদাস বাবাজীর জীবনী পর্য্যালোচনা করলে দেখা যায় যে তিনি যখন ব্রজ পরিক্রমা করেছিলেন তখন পরিক্রমা কালে রাঘব পন্ডিতের ভজন কুটীরে এসেছিলেন এবং এই দ্বারা বুঝা যায় যে জীবনের শেষকালে রাঘব পন্ডিত মহাশয় বোধহয় বৃন্দাবনধামে আগমন করে এক নির্জন কুটীরে থেকে সাধনভজন করে ব্রজধামে দেহরক্ষা করেছিলেন।তবুও তাঃর স্মৃতির সমাধিস্থলে অদ্যাপি মাধবী কুঞ্জলতা বিদ্যমান এই শ্রীপানিহাটি শ্রীপাটে। 😭জানিনা এত ঐতিহ্যপূর্ণ শ্রীপাট কবে আবার নবরূপ ধারণ করবে।এই শ্রীপাটের অতি কাছেই গঙ্গাতীরে সুপ্রাচীন বটবৃক্ষ অদ্যাপি সেই ৫০০ বৎসরের ঐতিহ্য বহন করে বিদ্যমান। তৎপার্শ্বে প্রবাহিত পূণ্যতোয়া জাহ্নবী এবং এই উভয়েই অতীতের আদি এবং জ্বলন্ত সাক্ষী।তারই অতি কাছে এই শ্রীরাঘব পন্ডিতের শ্রীপাট। সুতরাং ইহা হতে বুঝা যাবে যে এই শ্রীপাটের মহিমা কতখানি। বৈষ্ণব জগতের কাছে এটি কত পবিত্র পূণ্য পীঠস্থান।মনে বড় আশা যে শ্রীমন্মহাপ্রভুর এই পাঁচশ বৎসর আবির্ভাব তিথির আগেই যেন শ্রীপাটের সংস্কার কাজ শেষ হয়।*
🪷🪷🪷🪷🪷🪷🙏🪷🪷🪷🪷🪷🪷
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
