✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৬৫. শ্রীনরোত্তম ঠাকুরের দীক্ষা 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori65.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৬৫)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*শ্রীনরোত্তম ঠাকুরের দীক্ষা*
***************************
*💧শ্রীনরোত্তম দাস ছিলেন রাজনন্দন।বিশাল জমিদারীর একমাত্র উত্তরাধিকারী, যেমনটি শ্রীমৎ রঘুনাথ দাসগোস্বামী ছিলেন। ঐশ্বর্য্য এবং ভোগবিলাস ইঁনাদের আকর্ষণ করতে পানে নাই। তারই ফলে দাসগোস্বামী ছিলেন ষড়্ গোস্বামীর অন্যতম এবং ল্রীনরোত্তম ছিলেন নিত্যানন্দ প্রভুর দ্বিতীয় কলেবর।পুত্রের মতিগতি দেখে তাঁর পিতা রাজা কৃষ্ণানন্দ পুত্রকে বন্দীপ্রায় করে রাখলেন। কিন্তু যে কথা রঘুনাথ দাসগোস্বামীর পিতা বলেছিলেন যে ঃ---*
*🌷দড়ির বন্ধনে তারে রাখিব কেমনে।*
*🌷জন্মদাতা পিতা নারে প্রারব্ধ খন্ডাইতে।।*
*🌹এ ক্ষেত্রেও ঠিক তাইই হল।পিতার অনুপস্থিতিতে এবং মহাপ্রভু কর্তৃক স্বপ্নাদিষ্ট হওয়াতে শ্রীনরোত্তম গৃহত্যাগ করে সোজা গেলেন শ্রীধাম বৃন্দাবন।স্বপ্নের মাধ্যমে মহাপ্রভু তাঁকে তাঁর দীক্ষাগুরুর সন্ধান দিয়েছিলেন, যিনি হচ্ছেন বিরক্ত সন্ন্যাসী শ্রীলোকনাথ গোস্বামী।*
*🌳শ্রীলোকনাথ গোস্বামী মনে মনে আবার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে শিষ্যত্বে তিনি কাউকেও গ্রহণ করবেন না। সেজন্য শ্রীনরোত্তমদাস ঠাকুরের দীক্ষার কাহিনী অতীব মনোরম এবং শিক্ষনীয়। মানুষ দীক্ষার জন্য যে কি করতে পারে তা নরোত্তম ঠাকুরের জীবনী পর্য্যালোচনা করলে বুঝা যায়।পূর্বের স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী নরোত্তম ঠাকুর শ্রীলোকনাথ গোস্বামীর কাছে তাঁর মনোবাসনা নিবেদন করলেন কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করলেন। কারণ তিনি শিষ্যের গুরুদায়িত্ব জীবনে বহন করবেন না। কিন্তু নরোত্তমও মনে মনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যদি গুরুচরণ আশ্রয় করি তবে শ্রীলোকনাথ গোস্বামীর শ্রীচরণে আশ্রয় নিব।যদি সেই সঙ্কল্প রূপায়িত করতে না পারেন তাহলে দেহত্যাগ করবেন,অর্থ্যাৎ মন্ত্রের সাধন কিম্বা শরীর পতন।নিরাসক্ত লোকনাথ গোস্বামী অযাচক বৃত্তি অবলম্বন করে তাঁর ভজন কুটীরে থাকেন।দিনরাত্রি সাধন ভজনে মগ্ন, কারও সঙ্গে কথাটিও পর্য্যন্ত বলেন না। সদা সর্বদা ভজনসাধনে রত থাকেন শ্রীলোকনাথ গোস্বামী।*
*অপরদিকে নরোত্তম দাস তাঁর কৃপাদৃষ্টি পাবার জন্য তাঁর ভজন কুটীরের কাছেই একটি ছোট্ট কুটির নির্মাণ করে গুরুধ্যানে মগ্ন।তাঁর মনের ধারণা যে এত কাছে থাকলে নিশ্চয়ই একদিন না একদিন শ্রীলোকনাথ গোস্বামীর সঙ্গে কথাবার্তা হবে। কিন্তু লোকনাথের প্রতিজ্ঞা ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা।শিষ্যত্বে তিনি কাউকেও বরণ করবেন না।আবার এদিকে নরোত্তমও সঙ্কল্পে অনড়, গুরুপদে তাঁকে বরণ করবেনই।শুরু হল সঙ্কল্পের যুদ্ধ কার জয়, আর কার পরাজয়? অবশেষে নরোত্তম লক্ষ্য করলেন যে লোকনাথ গোস্বামী অতি প্রত্যুষে(উষাকালে) রোজ তাঁর ভজন কুটীর হতে বাহির হয়ে জঙ্গলের মধ্যে যেন কোথায় যান আবার ফিরে আসেন।নরোত্তম অন্ধকারের মধ্যে তা অনুসরণ করে বুঝতে পারলেন যে তিনি শৌচে যান।কাছে গিয়ে যে গুরুসেবা করবেন সে সাহস নাই বা আদেশ নাই।তখন নরোত্তম এক অভূতপূর্ব (আগে যা হয় নাই) সঙ্কল্প করলেন যে তিনি রোজ শৌচ সেবা করবেন। অর্থ্যাৎ গুরুদেবের এই শৌচস্থান জল এবং ঝাড়ু দ্বারা রোজ সংস্কার করে দিবেন যাতে শৌচকালে তাঁর কোন অসুবিধা না হয়।হায়রে দৃষ্টের পরিহাস❗রাজনন্দন কিনা করবেন মেথরের কর্ম।তাও আবার মলমূত্র পরিস্কার। কেন? না,গুরু সেবার কোন সুযোগ তিনি পাচ্ছেন না সেইজন্য গুরুদেবের শৌচ সেবা করে আত্মপ্রসাদ লাভ করবেন।সবই চলতে লাগল শ্রীলোকনাথের অজ্ঞাতে।দিনের পর দিন চলতে লাগল এই সেবা। হঠাৎ লোকনাথ গোস্বামীর মনে হল যে কে যেন তাঁর শৌচস্থান রোজ পরিস্কার করে রাখে। প্রথমে তিনি ভাবলেন যে কোন বন্য অধিবাসীরা এই কাজ করছে। অবশেষে একদিন আবছা অন্ধকারে তিনি দেখলেন যে কে যেন দূরে দাঁড়িয়ে আছে? তখন তিনি "কে" বলে সম্বোধন করতেই নরোত্তম এসে তাঁর শ্রীচরণে সাষ্টাঙ্গে লুটিয়ে পড়লেন।কারণ এতদিনের প্রতীক্ষার পর তিনি লোকনাথ গোস্বামীর শ্রীমুখ হতে একটি সম্বোধন বাণী শুনতে পেলেন। লোকনাথ গোস্বামী তখন আদ্যপ্রান্ত সব ব্যাপার অবগত হলেন, এই সেই। এইরকম আর্ত্তি ও নিষ্ঠার পরিচয় পেয়ে তাঁর মন গলে গেল এবং অবশেষে তিনি নরোত্তমকে দীক্ষামন্ত্র দিতে স্বীকার করলেন।*
*🙏ক্রমাগত🙏*
➡➡➡➡➡➡➡➡➡➡➡➡➡
*কৃষ্ণের বচন শুনি,কুব্জা কহিল তখনি,*
*নিশ্চয় তোমার ইচ্ছা করিব পূরণ।*
*এবারে তোমারে কই,কংস দাসী আমি নই,*
*একাগ্র অন্তরে করি তাঁহার সেবন।।*
*তোমাদের অঙ্গে দিতে,কুন্ঠা নাহি জাগে চিতে,*
*যোগ্য পাত্র হও দোঁহে জ্ঞাত যে এখন।*
*দোঁহা রূপ দরশনে,প্রেম জাগে কুব্জা মনে,*
*তাই গন্ধ দু'জনারে করিল লেপন।।*
*কুঙ্কুমে চিত্রিত করে,অঙ্গশোভা তাহে বাড়ে,*
*ভূষণে ভূষিত অঙ্গ অতীব সুন্দর*।
*রামকৃষ্ণ দুজনারে,অনিমেষ নেত্রে হেরে,*
*রূপ জ্যোতি করে তার মোহিত অন্তর।।*
*কংসসেবা বিস্মরণ,মনে তার জনার্দন,*
*অপলকে কুব্জা তাঁরে করে দরশন।*
*এই ভাব দরশনে,দয়া জাগে তাঁর মনে,*
*সদয় হ'লেন তবে দেব নারায়ণ*।।
🔴🔵⚪🔴🔵⚪🔴🔵⚪🔴🔵⚪🔴
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
