✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(১৫৫)🙌শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়াদেবী🙌*
*শচীমায়ের দ্বারে দাঁড়িয়ে শ্রীমন্মহাপ্রভু*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*🙏তবে কি জন্য শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেব দ্বারদেশে দাঁড়িয়ে আছেন?কিসের এবং কার প্রতীক্ষা করছেন? সন্ন্যাসধর্মের উপর আরও একটি উচ্চ ধর্ম আছে।তার নাম প্রেম-ধর্ম।শ্রীগৌর ভগবান নরাকার ধারণ করে সেই প্রেম-ধর্মের অবতাররূপে ভুবনে অবতীর্ণ হয়েছেন।সে ধর্ম তিনি কি করে উলঙ্ঘন করবেন?প্রেমাবতার শ্রীগৌরাঙ্গ তাই কৌশলে প্রেমজাল বিস্তার করে তাঁর প্রেমময়ী প্রাণপ্রিয়া দেবীপ্রতিমা নবদ্বীপময়ীকে দর্শন করতে এসেছেন গো।প্রেমময় পতিতপাবন,চিরসুন্দর,জগৎসুন্দর, দীনদয়াল,জগতের হৃদয়েশ্বর শ্রীগৌরসুন্দর আন্তরিক বাসনা প্রেমময়ী প্রিয়াজীকে একবার চিরজনমের মত দেখে যান।(এখানে ভক্ত-ভগবানের লীলার কথা বলা হচ্ছে),( শ্রীকৃষ্ণ যেমন নিজের সবটুকু শ্রীপ্রেমময়ী মহাভাবস্বরূপিনী শ্রীমতী রাধারাণীর শ্রীচরণে অর্পণ করেছিলেন),আজ লাজময়ী,বিষাদময়ী,প্রেমময়ী,শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী প্রাণবল্লভের মনোগত ভাব বুঝতে পেরেছেন।তাই আজ লজ্জার বন্ধন ছিন্ন করে,সকল শরম ত্যাগ করে,কুলের কুলবধূ সর্বসমক্ষে সর্বাঙ্গ বস্ত্রে আবৃত করে বহু জনাকীর্ণ রাজপথে গিয়ে শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবকে স্বয়ং দর্শন করলেন। ভক্ত ও শ্রীভগবানের ইচ্ছে পূরণ হল, বা ভক্ত শ্রীভগবানের ইচ্ছা পূরণ করলেন। ভগবান যেমন ভক্তের ইচ্ছা পূরণ করে থাকেন, ভক্তও তেমনি শ্রীভগবানের ইচ্ছা পূরণ করে তাঁকে প্রীত করেন, সত্যই যদি "ভক্ত"হন। ভক্ত ও ভগবানের সম্বন্ধই এইরকম।ভক্ত ও ভগবান একই বস্তু।উভয়ের জন্য উভয়ের প্রাণ কাঁদে।ভক্ত যেমন ভগবানের চরণ-ভিখারী,শ্রীভগবানও তেমনি ভক্তসঙ্গ-ভিখারী।যেখানে ভক্ত সেই স্থানেই ভগবানের স্থিতি। তিনি ভক্তসঙ্গ ছাড়া কোথাও থাকতে পারেন না।ভক্তের ডাকে তাঁকে বৈকুন্ঠ ছেড়ে ভক্তের কাছে আসতে হয় গো।*
*🙏ভগবান নিজ মুখে বলেছেন ঃ--*
*নাহং তিষ্ঠামি বৈকুন্ঠে যোগীনাং হৃদয়ে ন চ।*
*মদ্ভক্তা যত্র গায়ন্তি তত্র তিষ্ঠামি নারদঃ।।*
*🙏এই কথাগুলি তিনি নিজেই বলেছেন।শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর করুণ রোদন শুনে শ্রীগৌর ভগবান আর স্থির থাকতে না পেরে নীলাচল হতে তাঁকে দেখতে আসিলেন। দেখা দিতে এসেছেন।এইটি তাঁর মুখ্য উদ্দেশ্য নহে, গৌণ উদ্দেশ্য। শ্রীগৌরাঙ্গ স্বয়ং ধর্ম আচরণ করে লোকশিক্ষা দেবার জন্য সন্ন্যাস গ্রহণ করেছেন।কাজেই তাঁকে মনের ভাব গোপন করতে হচ্ছে।প্রচ্ছন্ন অবতার শ্রীগৌরাঙ্গের শ্রীচরণে পরমভক্তিময়ী শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী পড়লেন। ভক্ত ও ভগবানের মধুর মিলন হ'ল।মহাপ্রভু স্ত্রী-মূর্তি দেখে বদন ফিরিয়ে কিছু পেছনে হলেন।ইহা কেবল লোকশিক্ষার জন্য মহাপ্রভুর বাহ্যিক ভাবমাত্র। নদীয়াবাসী নরনারী এ উপস্থিত ভক্তবৃন্দ শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়ার দুঃসাহসের কার্য্য দেখে স্তম্ভিত ও বিস্মিত হলেন।(সকলে বাহির দেখলেন ভিতর নহে)।শচীমা জড়বৎ দাঁড়িয়ে আছেন। সকলের দৃষ্টি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবের বদনচন্দ্রের প্রতি।অগণিত লোক-সমুদ্র নীরব, নিস্তব্ধ। মধ্যে মধ্যে কেবল দীর্ঘ নিঃশ্বাসের অস্ফূট শব্দ এবং নীরব ক্রন্দনের কাতরধ্বনি শ্রবণ গোচর হচ্ছে।শ্রীগৌরহরি স্বয়ং সেই গভীর নিস্তব্ধতা ভঙ্গ করে শ্রীমতীর দিকে তাকিয়ে বললেন, "তুমি কে?" তিনি যেন কিছুই জানেন না।মহাচক্রীর চক্র কে বুঝবে? চিরদিনই তিনি ভক্তের সঙ্গে এইরকম ব্যবহার করে আসছেন।এইটি কী মহাকৌশলীর কৌশল মাত্র।শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়ার কর্ণে অনেক দিন পরে আজ তাঁর প্রাণবল্লভের মধুর কন্ঠধ্বনি প্রবেশ করে যেন সুধা ঢেলে দিল।তাঁর হৃদয়, মন,প্রাণ সকলি যেন প্রাণনাথের বচন সুধারসে গলে গেল। তিনি মহাপ্রভুর পাদমূলে ছিন্ন লতিকার মত পড়ে আছেন।নয়ন দুটি মহাপ্রভুর শ্রীচরণ-সরোজে যেন লেগে রয়েছে।প্রভুর সুমধুর কথা শুনে বিষ্ণুপ্রিয়া উঠে তাঁর প্রাণবল্লভের পাদমূলে অবগুন্ঠন দিয়ে বসলেন।বসে শত অপরাধিনীর ন্যায় করজোড় করে বিনত মস্তকে অবগুন্ঠনের মধ্য হতে ধীরে ধীরে কাঁদতে কাঁদতে উত্তর করলেন "এ হতভাগিনী তোমার শ্রীচরণের ত্যজ্যা দাসী বিষ্ণুপ্রিয়া। নামটি শুনেই মহাপ্রভু যেন শিহরিয়া উঠলেন।তাঁর প্রশান্ত বদনমন্ডল ঘোর বিষাদের ছায়া লক্ষিত হল।ল্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবের প্রফুল্ল বদন-চন্দ্র খানি যেন মলিন হয়ে গেল।অনেকে তা দেখতে পেয়েছিলেন কি না জানি না।পরে মহাপ্রভু মনের ভাব লুকায়িত করে দুটি কথায় উত্তর দিলেন।কে শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী? শ্রীমতী তখন রুদ্ধকন্ঠে কাঁদতে কাঁদতে উত্তর দিলেন ঃ---*
*প্রথম চার লাইন লেখা একেবারেই বুঝা যাচ্ছে না,পরের লিখাগুলি তুলে ধরলাম🙏।*
*🍀তুমি প্রভু কৃপাময় সন্ন্যাসী হইয়া,*
*এ জগত জুড়াইয়া দিলে,*
*দুঃখীরে তাপীরে কোলে নিলে,*
*শুধু নাথ জুড়াইলে না তুমি,*
*শীতল চরণ-ছায়া দিয়া,*
*ত্রিজগতে একা বিষ্ণুপ্রিয়া।*
*শান্তিপুরে সবে দিলে দেখা,*
*বঞ্চিতা সে বিষ্ণুপ্রিয়া একা,*
*সবা হ'তে আপন তোমার,*
*তাই তারে এত অত্যাচার?*
*ওহে নাথ কোন অপরাধে,*
*সবে অধিকারী যেই পদে,*
*শুধু আছে বঞ্চিতা হইয়া,*
*তোমার দুঃখিনী বিষ্ণুপ্রিয়া?*
*(পুঃ বিঃ পঃ)*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏 *ক্রমাগত* 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
