শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৬০. ক্ষীরচোরা গোপীনাথ সংক্ষেপে 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori60.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৬০)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*ক্ষীরচোরা গোপীনাথ সংক্ষেপে*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌹বিগ্রহ যে শুধু পাষাণ প্রতিমা নয়, প্রকৃত ভক্তের কাছে তিনি সদা জাগ্রত এর প্রত‍্যক্ষ প্রমাণ রেমুনায় ক্ষীরচোরা গোপীনাথ।এই রেমুনা উড়িষ‍্যার বালেশ্বরের খুব কাছাকাছি অতি প্রাচীন গ্রাম।এই পূণ‍্যভূমিতে বহুদিনের প্রতিষ্ঠিত গোপীনাথ বিগ্রহ আছেন। আপনারা সকলেই জানেন যে মহাপ্রভুর দীক্ষাগুরু শ্রীপাদ ঈশ্বরপুরী এবং তাঁর শ্রীগুরুদেবের নাম শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী।তিনি আবার শ্রীঅদ্বৈতাচার্য‍্যেরও দীক্ষাগুরু। কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা এই মাধবেন্দ্রপুরী যখন গোপালের স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী চন্দন কাষ্ঠ আনবার জন্য দক্ষিণদেশে আসছিলেন সেই সময় তিনি রেমুনা দর্শন করেন।শ্রীবিগ্রহের অপূর্ব লাবণ‍্য দর্শন করে তিনি প্রাণে অপার আনন্দ লাভ করেন, এবং মন্দিরের সেবাইতকে কথা প্রসঙ্গে মন্দিরের সেবা-পূজা-ভোগ ইত‍্যাদির প্রথা জিজ্ঞাসা করেন,তার উত্তরে সেবাইত বললেন=*
*🌷সন্ধ‍্যায় ভোগ লাগে অমৃতকেলি নাম।*
*🌷দ্বাদশ মৃৎপাত্র ভরি অমৃত সমান।।*
*🌷গোপীনাথের ক্ষীর বলি প্রসিদ্ধি যাহার।*
*🌷পৃথিবীতে ঐছে ভোগ কাঁহা নাহি আর।।*
*🌻এই প্রসঙ্গে জানা দরকার শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী অযাচক বৃত্তি অবলম্বনে দিন যাপন করতেন অর্থ‍্যাৎ চেয়ে বা ভিক্ষা করে তিনি কখনও কিছু গ্রহণ করতেন না।প্রকৃত ভক্তের "যোগক্ষেম" ভগবান স্বয়ংই সর্বদা বহন করে থাকেন এবং এই ভাবেই তিনি চিরকাল ভক্তকে রক্ষা করেন। এইরকম যে মাধবেন্দ্রপুরী তাঁর মনে হঠাৎ বাসনা হল যে কি এমন ক্ষীর প্রসাদ যে তার মাহাত্ম্য এতো হতে পারে? এইরকম ক্ষীর প্রসাদ যদি তার ভাগ‍্যে কিছু জুটত তাহলে তিনি তা আস্বাদন করে বৃন্দাবনে গোপালজীকে তা ভোগ দিবেন।উদ্দেশ‍্য ভোগ দেওয়া।কিন্তু এই লালসা বা বাসনা জাগ্রত হয়ে অযাচক অবলম্বনকারী সাধু বৈষ্ণবের কাছে রীতি বিরুদ্ধ।সেইজন‍্য তিনি আত্মগ্লানিতে পীড়িত হতে লাগলেন।অবশেষে মন্দিরের ভোগ আরতি সমাপ্ত হয়ে গেল তিনি কৃষ্ণনাম জপ করতে করতে অন্ধকারে কাছেই একটি বাজার বা হাটে বসে ধ‍্যানমগ্ন অবস্থায় রাত্রি কাটাতে লাগলেন।*
*🍁এদিকে আবার এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটিল।মন্দিরের সেবা পূজা আজকের মত বিরাম হল।সেবাইত শ্রীবিগ্রহের নিত‍্যনৈমিত্তিক কার্য‍্যকলাপ সমাপ্ত করে গভীর রাত্রে নিদ্রামগ্ন।হঠাৎ তিনি স্বপ্নাবেশে দেখলেন যে স্বয়ং গোপীনাথজী তাঁর শিরদেশে দাঁড়িয়ে বলছেন যে ঃ--*
*🌷উঠহ পূজারী করো দ্বার বিমোচন।*
*🌷ক্ষীর এক রাখিয়াছি সন্ন‍্যাসী কারণ।।*
*🌷ধড়ার অঞ্চলে ঢাকা ক্ষীর এক হয়।*
*🌷তোমরা না জানিলে তাহা আমার মায়ায়।।*
*🌷মাধবেন্দ্রপুরী সন্ন‍্যাসী আছে হাটেতে বসিয়া।*
*🌷তাহাকে তো এই ক্ষীর শীঘ্র দেহ লৈয়া।।*
*👥গভীর রাত্রে এইরকম অস্বাভাবিক স্বপ্নাদেশ পেয়ে পূজারী শয‍্যা থেকে উঠে স্নান করে শুদ্ধাচারে মন্দিরের দ্বার উন্মোচন করলেন।মনে প্রচণ্ড আলোড়ন কারণ যে স্বপ্ন তদেখেছেন তার বাস্তবতা কতখানি তা প্রমাণের জন্য।সেবাইতের উপর বিগ্রহের চিরকালই করুণাদৃষ্টি কারণ সেবাইত যিনিই হন না কেন তিনিই তো তাঁর সেবা নিয়ে পড়ে আছেন। তাঁকে দুবেলা দুটি ভোগ প্রসাদ তিনিই তো সেবা করান,না করলে তাঁকে তো উপবাসী থাকতে হবে।যাইহোক, তখন তিনি দেখলেন যে গোপীনাথজীর পীতধড়ার নিচে এক ভান্ড ক্ষীর প্রসাদ লুকিয়ে আছে।অপ্রাকৃত সেই ক্ষীর প্রসাদ মস্তকে ধারণ করিবামাত্র তাঁর সর্বাঙ্গে অষ্ট সাত্ত্বিক ভাবের উদয় হল এবং দরদর ধারে প্রেমাশ্রুনীরে তাঁর সর্বাঙ্গ ভিজে যেতে লাগল। তিনি ভাবতে লাগলেন যে এতদিনে তার গোপীনাথ সেবা সার্থক হল।রাত্রির অন্ধকারে তখন তিনি সেই ক্ষীর ভান্ড মস্তকে বহন করে কাছের হাটে গমন করলেন এবং পুরী গোসাঞীকে খোঁজ করতে লাগলেন।পূজারী ঠাকুর তখন উচ্চৈঃস্বরে কহিতে লাগলেন=*
*🌷ক্ষীর লহ এই যার নাম মাধবপুরী।*
*🌷তোমার লাগি গোপীনাথ ক্ষীর কৈল চুরি।।*
*🌷ক্ষীর লৈয়া পুরী তুমি করহ ভক্ষণে।*
*🌷তোমা সম ভাগ‍্যবান নাহি ত্রিভুবনে।।*
*🌻মাধবেন্দ্রপুরী তখন হাটের এক প্রান্তে নির্জন জায়গায় নামানন্দে বিভোর বাহ‍্যজ্ঞান নাই। কিন্তু তাঁর নিজ নাম কর্ণে প্রবেশ করলে তিনি আত্মপরিচয় *পূজারী  নাম ধরে ডাকতে ডাকতে  এদিক ওদিক দেখছেন,দেখলেন একটি নির্জন স্থানে একজন বসে আছেন। নাম ধরে ডাকতেই বাহ‍্যস্মৃতি ফিরে পেল, এবং নিজ পরিচয় দিলেন। পূজারী ঠাকুর তখন আদ‍্যপ্রান্ত বিবরণ তাঁকে বলে অপ্রাকৃত সেই ক্ষীর প্রসাদ তাঁকে দিলেন এবং তাঁর শ্রীচরণে দন্ডবৎ প্রণাম করে যথোচিত মর্য‍্যাদা দান করলেন।ক্ষীর প্রসাদ পাইবামাত্র পুরী গোঁসাইএর যে কি আনন্দ তা প্রকাশ করা খুবই কঠিন।সেই ক্ষীর প্রসাদ তিনি কিঞ্চিৎ গ্রহণ করে প্রেমাবেশে সর্ব অঙ্গে লেপন করতে লাগলেন এবং অবশেষে সেই মৃৎ পাত্রটি ভেঙ্গে খন্ড খন্ড টুকরাগুলি বহির্বাসে বেন্ধে নিলেন।পূজারী তো দেখে অবাক।ভক্তের প্রতি ভগবানের কৃপার এতবড় জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত বৈষ্ণব জগতে খুবই বিরল।সেই হতে এই শ্রীবিগ্রহের ধাম পরিবর্তিত হল এবং নূতন নামকরণ হল "ক্ষীর চোরা গোপীনাথ"।*
*🌳প্রকৃত বৈষ্ণব প্রতিষ্ঠাকে বড় ভয় করেন।সেজন‍্য মাধবেন্দ্রপুরী গোঁসাই লোক সমাগমে এবং প্রতিষ্ঠা এড়াবার জন্য রাত্রির অন্ধকারেই রেমুনা ত‍্যাগ করে শ্রীক্ষেত্র অভিমুখে চলে গেলেন। এই প্রসঙ্গে মহাভাগবদ্ শ্রীপাদ কবিরাজ গোস্বামী চরিতামৃতে লিখেছেন=*
*🌷প্রতিষ্ঠার স্বভাব এই জগতে বিদিত।*
*🌷যেনা বাঞ্জে তার হয় বিধাতা নির্মিত।।*
*🌷প্রতিষ্ঠার ভয়ে পুরী গেলা পলাইয়া।*
*🌷কৃষ্ণপ্রেমে প্রতিষ্ঠা চলে সঙ্গে গড়াইয়া।।*
*🌺অর্থ‍্যাৎ মহতের যে গুণ,তা কখনও চেপে রাখা যায় না,তার প্রকাশ হবেই হবে।যথা খন্ড খন্ড মেঘপুঞ্জ কি কখনও প্রখর সূর্য‍্যালোককে আচ্ছন্ন রাখতে পারে?সেইরকম ভক্তি জগতের হিসাবেও যাঁরা সিদ্ধ মহাপুরুষ তাঁদের সাধ‍্যসাধন তথ‍্যগুলিও অচিরেই প্রকাশ লাভ করে।অদ‍্যাপি সেই রেমুনা,সেই শ্রীমন্দির,সেই শ্রীবিগ্রহ, এবং সেই পুরী গোস্বামীর সমাধি অতীতের ঐতিহ্যকে বহন করে বিরাজমান এবং আগ্রহী ভক্তগণ একবার দর্শন করলে মনে অপার আনন্দ লাভ করবেন।ধন‍্য শ্রীমাধবেন্দ্রপুরী,যাঁকে মর্য‍্যাদা দিবার জন্য পাষাণ বিগ্রহ এই মহিমা প্রকাশ করেছিলেন।*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*কৃষ্ণের বচনে তবে,শান্ত হয় গোপী সবে,*
  *প্রতীক্ষায় রবে তারা করিল মনন*।
*🌷দূর পথে যায় রথ,বিফল যে মনোরথ,*
   *স্থির নেত্রে হেরে তারা কৃষ্ণের গমন।।*
*🌷একনিষ্ঠ রহে যবে,বিশ্বরূপ হেরে তবে,*
  *নারায়ণ অক্রূরেরে দেন দরশন।*
*🌷দয়াময় ভগবানে,স্মর যদি একমনে,*
   *নিশ্চয় করুণা তাঁর পাবে অনুক্ষণ।।*
*🌷গোপীদের ভক্তি দেখি,সজল আমার আঁখি,*
  *তারা সবে কৃষ্ণে করে হৃদি সমর্পণ।*
*🌷লজ্জা,মান,ঘৃণা,ভয়,কিছু তবে নাহি রয়,*
  *শ্রীহরি করেন তাই কৃপা বরিষণ*।।
*🌷ভাগবতে কৃষ্ণ কথা,হরি লয় মনোব‍্যথা,*
   *পঠনে শ্রবণে হয় বৈকুন্ঠে গমন।*
*🌷তাই বলি ওরে মন,ডাক তারে অনুক্ষণ,*
   *অচিরে লভিবে তুমি রাতুল চরণ।।*
👣👣👣👣👣👣🙌👣👣👣👣👣👣
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds