শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৫৯. শ্রীজগন্নাথ-বলরাম-বিগ্রহ 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori59.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫৯)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
      *শ্রীজগন্নাথ-বলরাম-বিগ্রহ*
     ***********🙏************
*🙏শ্রীধাম পুরীতে শ্রীজগন্নাথদেবের যে বিগ্রহ আছেন এবং যা সারা ভারতবাসীর কাছে অতি পবিত্র স্থান।সেই শ্রীমন্দিরে বিগ্রহের এই জাতীয় অবয়ব সাধারণের মনে স্বতঃই (নিজে থেকে )প্রশ্নের সৃষ্টি করে যে ভগবানের বিগ্রহ কেন এইরকম ভাবে প্রকাশ পেল।এই প্রসঙ্গে মতান্তর থাকলেও সর্বতোভাবে গ্রহণযোগ্য বিশ্লেষণ হচ্ছে এইরকম।*
*🙏শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকা লীলার সময় একদা মহিষীগণ একত্রে সমবেত হয়ে নানারকম কথোপকথন করছিলেন এই সময় একজন বললেন "ভাই, ঠাকুর বৃন্দাবন লীলায় না জানি কতই আনন্দ উপভোগ করেছেন।না হলে দ্বারকায় এত ঐশ্বর্য‍্যের মধ্যে থেকেও তিনি কেন বৃন্দাবনবাসী গোপীগণের কথা ভুলে যেতে পারেন না।আমরা এত মহিষীগগণের এত পরিচর্য‍্যার মধ্যে থেকেও নিদ্রাকালে "রাধে-রাধে" বলে কেঁদে উঠেন। তখন সমবেত অন‍্যান‍্য মহিষীগণও সেই কথায় সায় দিয়ে বললেন--,"হ‍্যাঁ ভাই ঠিক বলেছ।"*
*🍀এর কারণ নির্দ্ধারণের জন্য সকলে মিলে নানারকম আলোচনা করতে লাগলেন।তখন শ্রীকৃষ্ণের পত্নী সত‍্যভামা বললেন--, "ঠাকুরের বৃন্দাবন অবস্থানকালে সঙ্গে ছিলেন এবং ঠাকুরের সব লীলা বৃত্তান্ত অবগত আছেন এমন কেউ দ্বারকায় আছেন কিনা তা অনুসন্ধান করা দরকার।তখন অন‍্য মহিষী রুক্মিণী দেবী বলিলেন একমাত্র শ্বশ্রুমাতা রোহিণী দেবী ছাড়া এমন আর কেউই নাই এবং আমরা সকলে মিলিতভাবে যদি তাঁর কাছে এই বৃন্দাবন লীলার বিশদ বিবরণ শুনতে চাই তাহলে হয়তো আমাদের অভিলাষ পূর্ণ হতে পারে। এইরকম সংলাপের পর সকল মহিষীগণ মিলিতভাবে রোহিণী দেবীর কাছে আগমন করে বৃন্দাবন লীলাকথা শুনবার জন্য তাঁকে অনুরোধ করতে লাগলেন।*
*🌹রোহিণী দেবী বললেন, "মা সকল আমি মাতা হয়ে কিভাবে পুত্রের এই সুমধুর প্রেম কাহিনী বর্ণনা করি?বলরাম ও কৃষ্ণের এই কথা কর্ণগোচর হলে আমার লজ্জার আর সীমা থাকবে না।তোমরা যদি এমন কোন নিভৃত স্থান নির্দেশ করতে পারো যেখানে যেখানে অন‍্য কেউ প্রবেশ করতে পারবে না, তাহলে আমি তা বর্ণনা করতে পারি।তখন মহিষীগণ বললেন, "মা, আমাদের এই অন্তঃপুরে বাইরের লোক কি ভাবে আসবে? প্রত‍্যুত্তরে রোহিণী দেবী বললেন--,"মা সকল! বৃন্দাবনলীলা কথার এমনই আকর্ষণী শক্তি যে যেখানেই বৃন্দাবন লীলাকথা হবে আমার রাম-কৃষ্ণকে সেস্থানে আসতেই হবে।তখন সকলে মিলিত ভাবে সুভদ্রাকে দ্বারী হিসাবে নিযুক্ত করলেন যাতে বাইরের কেউ অন্দরমহলে প্রবেশ করতে না পারেন।অগত‍্যা সুভদ্রা দেবী দ্বারী হিসাবে দ্বার রক্ষার কাজে *ব‍্যাপৃত বা নিযুক্ত রইলেন।এইভাবে রোহিণীদেবী শ্রীকৃষ্ণের মহিষীগণের কাছে ধীরে ধীরে ব্রজলীলার সুমধুর কাহিনী সব বর্ণনা করতে লাগলেন।বৃন্দাবন লীলা বর্ণনা কালে রোহিণী দেবী এবং মহিষীগণ এমনই তন্ময় বা বিভোর হয়ে পড়লেন যে তাঁদের বাহ‍্যস্মৃতি লোপ পেল এবং তাঁরা ভাবাবেশে মোহিত হয়ে পড়লেন।ক্রমে রোহিণী দেবীর কন্ঠস্বর উচ্চ হত উচ্চতর হয়ে অন্তঃপুর প্লাবিত করে দ্বারদেশ পর্য‍্যন্ত পৌঁছাল এবং সেই অমৃতময় লীলা তরঙ্গে সুভদ্রা দেবীরও দেহস্মৃতি লোপ পেতে লাগল।*
*🪷এই সময় বলরাম এবং শ্রীকৃষ্ণ দ্বারকায় রাজসভায় চঞ্চল হয়ে উঠলেন এবং বৃন্দাবন লীলার আকর্ষণী শক্তিতে আকৃষ্ট হয়ে রাজসভা হতে অন্তঃপুরের দ্বারদেশে এসে উপস্থিত হলেন।তখন সুভদ্রা দেবীর আর দেহস্মৃতি নেই তিনি ভাবে বিহ্বলা এবং প্রেমসাগরে হাবুডুবু খাচ্ছেন।সুভদ্রার এই ভাব-বিহ্বলা আনন্দ ঘন মূর্তি নিরীক্ষণ করে দুইভাই কৌতূহলাবিষ্ট(অভিনব বিষয় শুনতে বা জানতে মানসিক চঞ্চল) হয়ে এর কারণ অনুসন্ধানে রত হলেন।এই সময়ে হঠাৎ রোহিণীদেবীর শ্রীমুখ নিঃসৃত আনন্দময়ী বৃন্দাবন লীলা কাহিনী তাঁদের (রাম-কৃষ্ণের) কর্ণগোচর হল এবং তাঁরা তখন সুভদ্রাদেবীর উভয় পার্শ্বে দাঁড়িয়ে ভাবসাগরে ডুবে গেলেন। এবং নীরব নিশ্চলভাবে বৃন্দাবন লীলাকথা শুনতে লাগলেন।*
*🌺গোপীপ্রেম এবং রাধাপ্রেমের কথা শুনতে শুনতে তাঁদেরও বাহ‍্যস্মৃতি লোপ পেতে লাগল। তাঁরাও আনন্দ লহরীতে ডুবে গেলেন।এমত অবস্থায় প্রেমের প্রবাহে রাম-কৃষ্ণ ও সুভদ্রাদেবীর হস্তপদ সব সঙ্কুচিত এবং নয়নদ্বয় বিস্ফারিত(বিকম্পিত) হতে লাগল এবং শ্রীকৃষ্ণের বক্ষস্থিত সুদর্শন চক্রও প্রেমে বিগলিত হয়ে লম্বিত আকার ধারণ করলেন। এমনই এক সময়ে দেবর্ষি নারদ শ্রীকৃষ্ণকে দর্শন করবার জন্য দ্বারকায় এসে উপস্থিত হলেন এবং রাজসভায় রামকৃষ্ণকে দেখতে না পেয়ে উদ্ধবকে জিজ্ঞাসা করায় তিনি বললেন যে কিছুক্ষণ পূর্বে তাঁরা উভয়ে অন্তঃপুর অভিমুখে গিয়েছেন।নারদ তখন অন্তঃপুর অভিমুখে যাত্রা করলেন এবং অন্তঃপুরের দ্বারদেশে উপনীত হয়ে দেখলেন যে ঃ--*
*🍀সুভদ্রাদেবীর ডানদিকে বলরাম, মধ‍্যস্থলে সুভদ্রাদেবী,বাম ভাগে কৃষ্ণচন্দ্র এবং তদ্ বামে সুদর্শন চক্র। এই চার মূর্তি স্থির ভাবে ভাববিহ্বল পরিবেশে পাশাপাশি অবস্থান করছেন।সকলেরই নয়নে অশ্রুধারা হাত-পা সব সঙ্কুচিত (কোঁকড়ান), নেত্রদ্বয় বিস্ফারিত (বিকম্পিত) এবং সুদর্শন চক্র লম্বিত ভাবে অবস্থিত। প্রেমে বিগলিত,ভাবসাগরে ডুবে আছেন, এই চতুর্ধা মূর্তি দর্শনে দেবর্ষি নারদ চরম অবাক হয়ে খানিক দূরে দাঁড়িয়ে উঁনাদের পূর্ব অবস্থা পাওয়ার সময় পর্যন্ত প্রতীক্ষা করতে লাগলেন। অবশেষে অন্তঃপুরের মধ্যে রোহিণীদেবীর বৃন্দাবন লীলাকথা এবং রাধাপ্রেম ও গোপীপ্রেমের বিশুদ্ধ কাহিনী যখন সমাপ্তি হল তখন কৃষ্ণচন্দ্র ঘুম থেকে উঠার মতো চমকিত ভাবে ভাব সম্বরণ করে পূর্বাবস্থা পেলেন।ক্রমে বলরাম সুভদ্রা ও সুদর্শনেরও ধীরে ধীরে তাঁদের আগের অবস্থায় ফিরে এলেন।প্রেমাবেশে হাত-পা ও শরীরের সব গ্রন্থিগুলি যে কিরকম বিগলিত আকার ধারণ করতে পারে তার কিঞ্চিৎ পরিচয় আমরা মহাপ্রভুর গম্ভীরা লীলায় দেখতে পাই।প্রেমাবেশে তিনি যখন যমুনা ভ্রমে নীলাচলে ঝাঁপ দিয়ে ছিলেন এবং পরে যখন জেলের জালে তিনি ধরা পড়েন তখনও তাঁর হাত-পা ও শরীরের সব গ্রন্থিগুলি সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। সুতরাং রাধাপ্রেমের যে কি সম্মোহোনী শক্তি আছে তা আশাকরি ভক্ত পাঠকগণের কাছে অবিশ্বাস্য বলে মনে হবে না।*
*🔥যাইহোক,কৃষ্ণচন্দ্র তখন সহসা দেবর্ষি নারদকে সেখানে দেখে একটু অবাক হয়েই বললেন "দেবর্ষি কতক্ষণ আগমন হয়েছে,সব কুশল মঙ্গল তো? নারদ তখন বললেন, প্রভু আমার বিষয় পরে আলোচনা করব, আগে আপনি আমার কৌতূহলের নিবৃত্তি করুন। কৃষ্ণ ভগবান তখন বললেন--, নারদ তোমার মনে কি কৌতূহল জন্মেছে তা আমাকে খুলে বলো। নারদ তখন অতীব বিনীতভাবে কহিলেন--, প্রভু হে!আজ এইক্ষণে তোমাদের এই যে অপূর্ব স্বর্গীয় প্রেমময় মূর্তি আমি দেখলাম এর কারণ কি? কৃষ্ণ ভগবান বললেন, "নারদ এই ত্রিজগতে তোমার অজানা কিছুই নাই তথাপি তোমার যখন কৌতূহল জন্মেছে তা শ্রবণ করো।আজ অন্তঃপুর মধ্যে মা রোহিণী দেবী, আমার মহিষীগণের কাছে রসময় বৃন্দাবন লীলাকথা, গোপীপ্রেম  ও রাধাপ্রেমের গূঢ় তত্ত্বকথা,ব‍্যাখ‍্যা করছিলেন এবং সেখানে যাতে বাইরের বা আমরা যেতে না পারি সেজন‍্য ভগিনী সুভদ্রাকে অন্তঃপুরের দ্বারী হিসাবে রেখেছিলেন। কিন্তু তুমি তো জানো,যে এই বিশুদ্ধ প্রেমের এমনই আকর্ষণী শক্তি যে যেখানেই এইসব লীলাকথা বা প্রসঙ্গ আলোচনা হয় সেখানে আমরা উপস্থিত না হয়ে থাকতে পারি না।সেজন‍্য রাজ সিংহাসনে বসেও আমরা মনে শান্তি পাচ্ছিলাম না এবং এই শোনার জন্য অন্তঃপুর অভিমুখে ধাবিত হই এবং এখানে এসে বাধা প্রাপ্ত হই।সেহেতু প্রেমের তরঙ্গে ঐসব লীলাকথা শুনতে শুনতে আমাদের ওই বিগলিত ভাবের সঞ্চার হয়েছিল এবং প্রসঙ্গের শেষে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসি। এই সব কথা শুনে নারদ পর্যন্ত নিজেকে ভাগ‍্যবান মনে করলেন এবং বৃন্দাবন লীলা ও বৃন্দাবন বাসিনীদেরকে ধন‍্য ধন‍্য করতে লাগলেন।তখন কৃষ্ণ ভগবান বললেন--,নারদ আজ আমার বড় আনন্দের দিন,তুমি তোমার ইচ্ছেমত বর প্রার্থনা করো।নারদ তখন বললেন, হে ত্রিজগৎনাথ! আপনি যদি আমার উপর এতই সদয় হলেন, তাহলে এমন বর দিন যাতে প্রেমে বিগলিত এই রসময় চতুর্ধা মূতি জগতে প্রকাশিত হয়ে বৃন্দাবন লীলাবিলাস,গোপীপ্রেম ও রাধাপ্রেমের উৎকর্ষতা ও আপনাদের এই অপরূপ স্বর্গীয় মূর্তি জীব জগতের লোকে চিরকাল উপভোগ করতে পারে এবং আপামর জনসাধারণ এর মহিমা উপলব্ধি করতে পারে।*
*🌷কৃষ্ণ ভগবান তখন দেবর্ষি নারদের এই প্রার্থনা সম্মতি হলেন এবং বললেন "নারদ আগে থেকেই আমি মহামায়ার তপস‍্যায় তুষ্ট হয়ে সর্বসাধারণকে মহাপ্রসাদ বিতরণের জন্য প্রতিশ্রুত আছি।এইছাড়া রাজা ইন্দ্রদ‍্যুম্নের আরাধনায় নীলাদ্রীতে প্রকাশ হব বলেও প্রতিশ্রুত আছি।  সুতরাং তোমার এই মনোবাসনা পূরণের জন্য আমি নীলাচলে দারুব্রহ্মরূপে এই মূর্তিতে প্রকাশিত হব। নারদ তখন আনন্দের আতিশয‍্যে ভগবানকে তাঁর প্রণতি জানিয়ে বীণা বাজাতে বাজাতে ও কৃষ্ণগুণগান করতে করতে প্রস্থান করলেন। এর ফলে অর্থ‍্যাৎ দেবর্ষি নারদের কৃপায় এবং কৃষ্ণ ভগবানের ইচ্ছায় নীলাচলে আমরা দারুময় মূর্তিতে এই চার মূর্তির বিকাশ দেখতে পায়। মূর্তির অবয়ব এবং গঠন যে কেন এই অস্বাভাবিক তার কারণ আশাকরি সকলে বুঝতে পেরেছেন।*
*🌻অন‍্যান‍্য গ্রন্থে দেখা যায় যে বিশ্বকর্মা তাঁর মনোমত শ্রীভগবানের মূর্তি নির্মাণে আবিষ্ট হয়েছিলেন এবং তাতে তিনি সম্মত হয়ে বলেছিলেন যে তাঁর এই কাজের সময় যেন কেউ তাঁর বিঘ্ন না ঘটায়।শ্রীমূর্তি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নিশ্চিন্ত মনে একাকী তা প্রকাশ করবেন কিন্তু বাধাপ্রাপ্ত হওয়াতে শ্রীমূর্তির অবয়ব এইরূপে অসম্পূর্ণ থেকে যায় ইত‍্যাদি। কিন্তু তাইই যদি হয়, তাহলে সুভদ্রার উপস্থিতি কিভাবে হল?*
👣👣👣👣👣👣🙏👣👣👣👣👣👣
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds