✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭১. শ্রীনিবাস কন্যা হেমলতাদেবীর সেবা 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori71.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭১)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*শ্রীনিবাস কন্যা হেমলতাদেবীর সেবা*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🔷শ্রীনিবাস আচার্য্যের তিন পুত্র ও তিন কন্যা।কন্যাদের মধ্যে হেমলতা দেবীই সর্বপ্রধানা।বুধাইপাড়া নিবাসী শ্রীরামকৃষ্ণ চট্টরাজের পুত্র গোপীবল্লভের সঙ্গে হেমলতা দেবীর বিবাহ হয়।এই হেমলতা দেবীর কোন সন্তান সন্ততি ছিল না এবং তিনি শ্রীবংশীবদন ঠাকুরকে বাৎসল্য ভাবে সেবাপূজো করতেন।কথিত আছে যে একদিন ভোগ রন্ধনের পরে তা তাঁর সেবিত বিগ্রহকে সমর্পণের জন্য নিয়ে যাবার সময় হঠাৎ তাঁর স্তন হতে ক্ষীরধারা সেই ভোগের থালার উপর পড়ে।এতে তিনি খুবই কুন্ঠিত হয়ে নিজেকে অপরাধিনী মনে করে সেই ভোগের আয়োজিত দ্রব্যাদি ফেলে দিয়ে পুনরায় ভোগ রন্ধন করে সমর্পণ করেন।সেই রাত্রে বংশীবদন ঠাকুর স্বপ্নে তাঁকে আদেশ করেন যে "মা আমি তোমার স্তন্য পান অভিলাষী হয়ে স্বেচ্ছায় সেই ক্ষীরধারা পান করেছি এবং তাতে আর কারও অধিকার নাই। অর্থ্যাৎ বংশীবদন ঠাকুর ইঙ্গিতে এইই বললেন যে তাঁর গর্ভে কোন সন্তানাদি হবে না। আশ্চর্য্যের বিষয় এই যে তাঁর গর্ভে তাঁর ঔরসজাত কোন সন্তানাদি আর হয়নি।সেই হতে সেই বংশের প্রথা অনুযায়ী পোষ্যপুত্র রূপে কাউকেও না কাউকেও গ্রহণ করে সেবা পূজা চালিত হতে থাকে।ধন্য বংশীবদন ঠাকুরের মহিমা।এইরূপ বিগ্রহকে পুত্ররূপে পাওয়া যায় তাহলে আর কি কোন নারীর সন্তান বাসনা থাকতে পারে?*
*🔵হেমলতাদেবীর সেবার অপর ঘটনা*
*🌺শ্রীনিবাস আচার্য্যকে গোপালভট্ট প্রভু খুবই ভালবাসা ও শ্রদ্ধার চক্ষে দেখতেন কারণ তিনিই ছিলেন তাঁর দীক্ষাগুরু।এই হিসাবে তিনি তাঁর প্রিয় শিষ্যকে বংশীবদন শিলা প্রদান করে তাঁর সেবাপূজা করতে আদেশ করেছিলেন।শ্রীনিবাস কোন জায়গায় গমন করলে শ্রীগুরুদত্ত এই বংশীবদন শিলা নিজ কন্ঠে ধারণ করে যাত্রা করতেন।যথাকালে তাঁর কন্যা হেমলতা দেবী এই সেবাভার গ্রহণ করেন। এইভাবে যুগল বংশীবদন এবং রাধারমণের সেবা হ'ত।এই সেবার অন্য বিশেষত্ব এই যে বাল্য ভোগের জন্য বার (১২) সের মুড়ি এবং সমস্ত দিনে অন্তত বার সের চালের অন্ন ভোগ হ'ত।এছাড়াও শীতকালে উষ্ণ খিচুড়ি এবং গ্রীষ্মকালে শীতল অন্নের ভোগ হ'ত।*
*🌻এই রাধারমণ বিগ্রহের সঙ্গে হেমলতা দেবীর মাতাপুত্র সম্বন্ধ ছিল এবং কথিত আছে যে এই শ্রীবিগ্রহ বাৎসল্য ভাবে প্রকট মূর্তিতে আবির্ভূত হয়ে হেমলতা দেবীর সঙ্গে একপাত্রে আহার করতেন।*
*🍀বনবিষ্ণুপুরে থাকাকালীন একদিন হেমলতাদেবী নিজহাতে পরিবেশন করে বৈষ্ণব সেবা করেছিলেন।তাঁর দুই হাতই তখন প্রসাদ বিতরণে আবদ্ধ, হঠাৎ সেখানে তাঁর স্বামী গোপীবল্লভ এসে পড়েন। হেমলতা দেবীর মাথায় তখন ঘোমটা জাতীয় কোন আবরণ ছিল না, দুই হাতই প্রসাদে লিপ্ত, হিন্দু রমণী স্বামীর উপস্থিতিতে বাইরের লোকজনের সামনে লজ্জাশীলা হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু স্বহস্তে দেওয়া তো তখন সম্ভব নয়।তখন তাঁর স্বামী গোপীবল্লভ দেখলেন যে হেমলতাদেবীর অঙ্গ হতে হঠাৎ আরও দুটি হাত বের হয়ে তাঁর মাথায় বসনের আঁচল তুলে দিলেন এবং মুহূর্তের মধ্যে এই হস্তদ্বয় অদৃশ্য হয়ে গেলেন।স্বচক্ষে এই অপ্রাকৃত ঘটনা দেখে তাঁর স্বামী গোপীবল্লভ আর হেমলতাকে পত্নী বুদ্ধি করতেন ন।কারণ সত্যই তো তিনি মানবী ছিলেন না, তিনি দেবী ছিলেন এবং বংশীবদন ঠাকুরের মাতা।সন্তানের কৃপায় মাতৃ মহিমা উজ্জ্বল হতে উজ্জ্বলতর হয়ে উঠিল।এইই ছিল শ্রীনিবাস কন্যা হেমলতা দেবীর বিগ্রহ সেবার আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠা।প্রকৃত আধার বুঝেই বংশীবদন ঠাকুর মাতৃস্তন্য পান করে তাঁকে ধন্যা করেছিলেন এবং ঘোমটা দিয়ে এইভাবে মাতৃ মর্য্যাদা রক্ষা করেছিলেন।সর্বাপেক্ষা আশ্চর্য্যের বিষয় যে নিঃসন্তান নারীর বক্ষ হতে স্তন্যধারা বাহির হওয়া প্রাকৃত দেহে কখনই সম্ভব নহে।সর্বাপেক্ষা পরিতাপের বিষয় এই যে বর্তমানে বাঁকুড়ার অন্তর্গত বনবিষ্ণুপুরে এই হেমলতা দেবীর সেবিত মন্দিরে না আছে কোন বিগ্রহ না আছে কোন সেবা এবং শুধুমাত্র ভাঙ্গা জরাজীর্ণ এক মন্দির মাত্র বিদ্যমান।*
*🔴কৃষ্ণভক্তি জগতে এইসব প্রত্যক্ষ ঘটনার বিবরণ পাঠ করলে মনপ্রাণ সুশীতল হয়ে যায় এবং সেবার মাধ্যমে যে শ্রীবিগ্রহকে প্রকট করে তোলা যায় তাতে চরম বিশ্বাস জন্মে। কৃপাময় ভগবান ভক্তের কাছে ধরা দিবার জন্য সদা প্রস্তুত কিন্তু প্রকৃত আধারের বড়ই অভাব।বৈষ্ণব জগতে দেখা যায় যে বাৎসল্য সেবাই যেন সর্বশ্রেষ্ঠ। অর্থ্যাৎ ভগবানকে সন্তান জ্ঞানে সেবা করা।কতখানি ভালবাসা থাকলে যে ভক্ত ইহা করতে পারেন তা গভীর চিন্তার বিষয়।ভক্তমাল গ্রন্থে দেখা যায় যে এক বৈষ্ণব নাড়ুগোপালকে বাৎসর্য সেবা করতেন।রাত্রে কোলের মধ্যে নিয়ে ঘুমিয়ে থাকতেন।আবার কোন মেলায় গমন করলে খেলনা ঝুমঝুমি সব কিনে দিতেন।ভক্তপ্রেমে বাঁধা পড়ে সেই নাড়ুগোপালও তার প্রতিদানে সেবকের মনস্তুষ্টি করতেন।যার একেবারে সত্য ঘটনা বা দৃষ্টান্ত হচ্ছে একদিন রাত্রে বিড়ালের ডাক, অর্থ্যাৎ একদিন রাত্রে বিড়ালের "ম্যাও ম্যাও" ডাক শুনে সেই নাড়ুগোপাল ভয় পেয়ে সেই বিপ্রকে জড়িয়ে ধরে বললেন বাবা কি যেন ডাকছে, আর জন্য আমার ভীষণ ভয় হচ্ছে।বিপ্র বললেন, "বাবা ভয় নেই ও বিড়াল ডাকছে" ইত্যাদি।সারা বিশ্বের যিনি অধিপতি তিনি কিনা বিড়ালের ডাকে ভয় পাচ্ছেন। এতেই বুঝা যায় ভক্তমহিমা প্রকাশ করা ছাড়া আর কোন উদ্দেশ্যই নাই।এইরকম ভুরি ভুরি দৃষ্টান্ত বৈষ্ণব জগতে বিদ্যমান। হেমলতাদেবীর এই সেবা কোন প্রাগৈতিহাসিক যুগের কথা নয়, মাত্র ২৫০|৩০০শত বৎসর আগে কথা।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*সদা যেন নারায়ণ,ভক্তি ডোরে বাঁধা রন,*
*যাহার যেমন ইচ্ছা পূরাণ তখন।*
*পরম দয়াল হরি,ভক্ত জনে কৃপা করি,*
*পাপ তাপ যত তার করেন হরণ।।*
*👹কংসবধ👹*
*কংসের নিধন জানি,শোকান্বিত দুই রাণী,*
*ভূমেতে লুটায় পড়ি হয় অচেতন*।
*জ্ঞান যবে ফিরে পায়,করে শুধু হায় হায়,*
*নাহি জানি কোন পাপে হইল এমন।।*
*হেনকালে যদুপতি,আসি তথা দ্রুতগতি,*
*কংস জায়া প্রতি কন সান্ত্বনা বচন।*
*দুঃখ কেন অকারণ,কেন কাঁদ অনুক্ষণ,*
*শান্ত হও,যাও চলি আপন ভবন।।*
🦜🌸🪔🌷🙏🦚🪷🪔🌷🙏🌸🦚🪷
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
