✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৫৭. বালক অচ্যুদানন্দ প্রসঙ্গ ও নামাচার্য্য হরিদাসের নীলাচলে আগমন 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori57.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৫৭)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*বালক অচ্যুদানন্দ প্রসঙ্গ ও নামাচার্য্য হরিদাসের নীলাচলে আগমন।*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌷শুভলগ্নে আইলাম অদ্বৈত দেখিতে।*
*🌷অদ্ভুদ্ মহিমা দেখিলাম নয়নেতে।।*
*🌻এই বলে পিতা পুত্র উভয়কে দন্ডবৎ প্রণাম করে সন্ন্যাসী ঠাকুর সে জায়গা হতে অলক্ষিতে প্রস্থান করলেন।এতদিনে যেন তাঁর মনস্কামনা সিদ্ধ হল।বালকের মুখে গৌরাঙ্গ তত্ত্বের যে ব্যাখ্যা তিনি শুনলেন,তাঁর সাধক জীবনের চির পাথেয় হল এবং সর্বাপেক্ষা আশ্চর্য্যের বিষয় হল এই যে পাঁচ বৎসরের বালক অচ্যুতানন্দ এই প্রধান সন্ন্যাসীর গুরু হলেন।অদ্বৈত আচার্য্যের আনন্দের আজ আর সীমা নাই।কারণ তিনি নিজে গৌর আনা গোসাঞী হলেও শিশু পুত্রের এই জ্ঞানগর্ভ তত্ত্ব কথায় মুগ্ধ হয়ে পুত্রগর্বে স্ফীত(গর্বিত) হয়ে গেলেন। কিন্তু তথাপি তাঁর বাহ্যজ্ঞান নাই যে বালকপুত্রকে কোলে করে তাঁর শ্রীঅঙ্গে শত শতচুম্বন দান করতে লাগলেন। বাৎসল্য ভাবে তার সর্বাঙ্গে হাত বুলাচ্ছেন আর অঝোর নয়নে কাঁদছেন।সন্ন্যাসী ঠাকুর যে ভিক্ষা না করে চলে গেলেন তা পর্যন্ত তাঁর দৃষ্টি গোচর হল না। হঠাৎ তিনি আনন্দাতিশয্যে বলে উঠলেন "চৈতন্যের পার্ষদ জন্মিলা মোর ঘরে " এই বলে হাতে তালি দিয়ে মধুর অঙ্গ ভঙ্গিতে নৃত্য করতে লাগলেন।এই প্রসঙ্গে শ্রীচরিতামৃতে লেখা আছে =*
*🌷পুত্রের মহিমা দেখি অদ্বৈত আচার্য্য।*
*🌷পুত্র কোলে করি কান্দে ছাড়ি সর্বকার্য্য।।*
*🌷পুত্রের অঙ্গের ধূলা আপনার অঙ্গে।*
*🌷লেপেন অদ্বৈত,অতি পরমানন্দ রঙ্গে।।*
*🌷চৈতন্য পার্ষদ জন্মিলা মোর ঘরে।*
*🌷এত বলি নাচে প্রভু তালি দিয়া করে।।*
*🍀যেদিনে শান্তিপুরে অদ্বৈত ভবনে এই লীলারঙ্গ প্রকাশ হয়েছিল সেই দিনই সেই সময় ভুবনমঙ্গল হরি সংকীর্তন করতে করতে মহাপ্রভু সপার্ষদ তাঁর ভবনে শুভাগমন করেছিলেন (এটি অবশ্য তাঁর নীলাচল হতে গৌড়দেশে আগমন কালে)।কি অপূর্ব যোগাযোগ কি শুভ সংযোগ সবই যেন পূর্ব পরিকল্পিত, শুভলগ্নে শুভক্ষণে মহাপ্রভুর পদার্পণে পুত্রসহ অদ্বৈত আচার্য্য যেন দিশেহারা হয়ে গেলেন কারণ তাঁদের হৃদয় মন্দিরে তখন গৌরাঙ্গদেবের অভিষেক সমাপ্ত। এই প্রসঙ্গে শ্রীপাদ বৃন্দাবন দাসঠাকুর লিখেছেন=*
*🌷পুত্রের মহিমা দেখি অদ্বৈত বিহ্বল।*
*🌷হেন কালে উপসন্ন সর্ব সুমঙ্গল।।*
*🌷সপার্ষদে শ্রীগৌরসুন্দর সেইক্ষণে।*
*🌷আসি আবির্ভাব হইলা অদ্বৈত ভবনে।।*
*🌹আশাকরি সুধী পাঠকগণ এইসব তত্ত্বকথা পাঠ বা শুনে মহাপ্রভু বা গৌরাঙ্গ পার্ষদগণের মহিমা উপলব্ধি করতে পারবেন।ইঁনারা সকলেই চিহ্নিতদাস-নররূপে আবির্ভূত শুধুমাত্র লীলা প্রকট করবার উদ্দেশ্যে।*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌
*🌹নামাচার্য্য হরিদাসের নীলাচলে আগমন।*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌺নবদ্বীপ,কালনা,কাটোয়া, যাজিগ্রাম,শ্রীখন্ডবাসী এবং গৃহীভক্তগণ সংসারের মায়া ত্যাগ করে অশেষ কষ্ট স্বীকার করে প্রত্যেক বৎসর রথের আগে নীলাচলে আসিতেন পদব্রজে।তখনকার দিনে রেলপথ ছিল না।মুসলমানদের রাজত্বে নানাস্থানে নানা বিড়ম্বনাকে তুচ্ছজ্ঞান করে সকলে নামানন্দে বিভোর হয়ে এই সুদীর্ঘ পথ অতিক্রম করতেন শুধু মহাপ্রভুর সঙ্গলাভ এবং শ্রীচরণ দর্শন মানসে।এমন কি মহিলারাও তাঁদের অনুগামী হতেন। যে সমস্ত ভক্তগণ আসতেন তাঁদের মধ্যে শ্রীঅদ্বৈতাচার্য্য,হরিদাস ঠাকুর,শিবানন্দ সেন,বাসুদেব ঘোষ,বাসুদেব দত্ত, গঙ্গাদাস পন্ডিত,শঙ্কর পন্ডিত, মুরারি গুপ্ত, নারায়ণ পন্ডিত,হরিভট্ট,নৃসিংহানন্দ, গোবিন্দ,মাধব,রাঘব পন্ডিত, শ্রীমান, শ্রীকান্ত, শুক্লাম্বর ব্রহ্মচারী, শ্রীধর, আখুরিয়া বিজয়,বল্লভ সেন,পুরুষোত্তম, সঞ্জয়,সত্যরাজ খান, মুকুন্দ দাস, নরহরি সরকার, রঘুনন্দন, শ্রীখন্ডবাসী চিরঞ্জীব,সুলোচন, আরো বহু প্রবীণগণ ভক্ত প্রধান।*
*🍀রাজা প্রতাপরুদ্র এই সমস্ত বৈষ্ণবদের কীর্তনের ভঙ্গি এবং আর্তি দেখে অবাক হয়ে যেতেন।বৈষ্ণবগণের শরীর হতে বিচ্ছুরিত অপূর্ব তেজোরাশি দর্শন করে তিনি সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যকে বলেছিলেন=*
*🌷রাজা কহে দেখি আমার হৈল চমৎকার।*
*🌷বৈষ্ণবের ঐছে তেজ নাহি দেখি আর।।*
*🌷কোটি সূর্য্যসম সবার উজ্জ্বল বরণ।*
*🌷কভু নাহি শুনি এই মধুর কীর্তন।।*
*🌷ঐছে প্রেম ঐছে নৃত্য ঐছে হরিধ্বনি।*
*🌷কাঁহা নাহি দেখি ঐছে কাঁহা নাহি শুনি।।*
*🌹এইকথা শুনে সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য কহিলেন=*
*🌷রাজা তোমার সুসত্য বচন।*
*🌷চৈতন্যের সৃষ্টি এই নাম সংকীর্তন।।*
*🌷অবতার চৈতন্য কৈল ধর্ম্ম প্রচারণ।*
*🌷কলিকালের ধর্ম্ম কৃষ্ণনাম সঙ্কীর্ত্তন।*
*🌷সংকীর্তন যজ্ঞে তাঁর করে আরাধন।।*
*🌷সেই তো সুমেধা আর কলিহত জন।*
*🌺সকলকে নিজের মধ্যে পেয়ে করুণাময় গৌরহরি তাঁদের সেবা যত্নের ব্যবস্থা করতেন এবং এই কাজে রাজা প্রতাপরুদ্রের রাজভান্ডার দরাজভাবে খোলা ছিল। কাশীমিশ্র পন্ডিত, বাণীনাথ পট্টনায়ক, গোপীনাথ আচার্য্য এই ব্যাপারে সবার আগে থাকতেন।সবাইকে পেয়েও মহাপ্রভু যেন উদাস ভাবে চারিদিকে তাকিয়ে দেখতে লাগলেন যেন তাঁর প্রাণপ্রিয় একজনকে দেখতে পাচ্ছেন না।তখন তিনি উপস্থিত ভক্তগণকে নামাচার্য্য হরিদাস ঠাকুর সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করায় তাঁরা বললেন তিনি নীচ জাতি ও যবনান্নে প্রতিপালিত বলে সঙ্কোচে পুরুষোত্তমের ক্ষেত্রের ভিতর আসেননি। পুরুষোত্তমের সীমানার বাইরে বসে নীলাচলপ্রভুকে স্মরণ করে উচ্চৈঃস্বরে নামসংকীর্তন করছেন এবং নয়নজলে ভেসে যাচ্ছেন।*
😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭
*সুমধুর তাঁর হাসি,মুগ্ধ করে মনে পশি,*
*রাসস্থলে কত লীলা করিলেন হরি।*
*সবে করিয়া রোদন, কত জানায় বেদন,*
*কহে কে বাজাবে বাঁশী মন মুগ্ধ করি।।*
*প্রাণকৃষ্ণে ল'য়ে যবে, যাত্রা করে গোপ সবে,*
*রথের পশ্চাতে ত্বরা ধায় গোপীগণ।*
*রথচক্র তারা তবে,ধরি রাখে দৃঢ়ভাবে,*
*গোপগণ রথে রহি করে দরশন*।।
*কৃষ্ণগত রহে প্রাণ,কৃষ্ণগোপী ধ্যান জ্ঞান,*
*বিচ্ছেদ স্মরিয়া হয় সজল নয়ন*।
*লাজমান পরিহরি,উচ্চরব তবে করি,*
*কাতর অন্তরে তারা করিল রোদন।।*
🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦜🦚🦚🦚🦚🦚🦚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৫৮. নামাচার্য্য হরিদাসের নীলাচলে আগমন 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori58.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
