শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৮০. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori80.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৭৯. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori79.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৮০. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori80.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৮০)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
   *শ্রীপাদ্ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*🌹যে কথা পূর্বেই বলা হয়েছে শ্রীহট্টের পূর্ণিপাট গ্রামে এক ধর্মপরায়ণ ব্রাহ্মণবংশে তাঁর জন্ম হয়  এবং তিনি ছিলেন বারেন্দ্র শ্রেণীর ব্রাহ্মণ।উপনয়ন সংস্কারের পর এই বালককে চতুষ্পাঠীতে ভর্তি করে দেওয়া হয়। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সব শাস্ত্র আয়ত্ত করে ফেলেন যা দেখে তার শিক্ষক বা আচার্য‍্যগণ বিস্ময়াবিষ্ট হয়ে যান।এইভাবে তিনি সর্ব শাস্ত্রে বিপুল জ্ঞানার্জন করেন এবং ক্রমে যৌবনকালে পূর্বজন্মের সংস্কার বলে ভগবদ্ প্রেমের বিকাশ ঘটতে থাকে।বেদ,বেদান্ত,ভাগবদ্ ইত্যাদি হিন্দুধর্মের সুপ্রাচীন গ্রন্থ সমূহ অধ‍্যয়ন করে তৎকালীন শ্রীহট্ট তথা পূর্ববঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাঁর প্রতিভার আলোক ছড়িয়ে পড়ে। এই সময় মাধবেন্দ্রপুরী অধ‍্যাপনার মাধ‍্যমে বেশ অর্থও উপার্জন করতে লাগলেন এবং পুত্রের যৌবনকাল সমাগত দেখে মাতাপিতা তাঁর বিবাহ দিবার সিদ্ধান্ত নেন। এইভাবে তিনি সংসার আশ্রমে আবদ্ধ হন।ক্রমে এই বিবাহের ফলে তাঁর একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে যাঁর নাম বিষ্ণুদাস*।
*🔵সাধারণতঃ মনে হয় যে কৃষ্ণ প্রেমের আকর মাধবেন্দ্রপুরী,যিনি হচ্ছেন শ্রীপাদ ঈশ্বরপুরীর গুরুদেব তিনি বোধহয় কখনও সংসারী জীবন যাপন করেন নাই কিন্তু তা প্রকৃত তথ‍্য সত‍্য নহে। কিন্তু তাঁর পরবর্তী জীবন পর্য‍্যালোচনা করলে দেখা যায় যে এই বিবাহ এবং সন্তান জন্মের মাধ‍্যমে তাঁর ভক্তিময় জীবনের উন্মেষ ঘটেছিল।অর্থ‍্যাৎ পুত্রের জন্মের কিছুদিনের মধ্যেই তাঁর পত্নীবিয়োগ হয় এবং ধীরে ধীরে সংসার জীবনের প্রতি তাঁর বীতস্পৃহা (আকাঙ্ক্ষারহিত) বা অনীহা জন্মে। তিনি এই নাবালক পুত্রকে সঙ্গে করে গঙ্গাতীরে বাস করবার মানসে বঙ্গদেশের কুমার হট্টের সন্নিকটে (বর্তমান কামারহাটী) বিষ্ণুগ্রামে আগমন করে এক চতুষ্পাঠী খুলে অধ‍্যাপনার কাজে নিজেকে নিয়োগ করেন এবং এই সময়ে তাঁর কৃষ্ণভক্তির বিকাশ দর্শন করে শ্রীপাদ ঈশ্বরপুরী তাঁর শিষ‍্যত্ব গ্রহণ করেন কারণ তাঁর আদি নিবাসও ছিল এই অঞ্চলে। অতঃপর শ্রীহট্টের লাউড় গ্রামের এক তরুণ ছাত্র (কমলাক্ষ)তাঁর ভক্তিশাস্ত্রের পান্ডিত‍্য এবং শাস্ত্রজ্ঞানে আকৃষ্ট হয়ে তাঁর চতুষ্পাঠীতে ভর্ত্তি হন। ক্রমে তাঁর শিষ‍্যত্ব গ্রহণ করেন।এই কমলাক্ষই হচ্ছেন মহিবিষ্ণুর অবতার শ্রীঅদ্বৈতাচার্য‍্য।কমলাক্ষকে দর্শন করা মাত্র মাধবেন্দ্রপুরী তাঁর মধ্যে অনন‍্য সাধারণ গুণাবত্তার পরিচয় প্রাপ্ত হলেন এবং তাঁর সূক্ষ্মদৃষ্টির দ্বারা  সাগ্রহে এবং সানন্দে তাঁকে নিজ কোলে স্থান দিলেন।অধ‍্যাপনা কালে কৃষ্ণপ্রেমের অফুরন্ত পিপাসা তাঁর মধ্যে ধীরে ধীরে জেগে উঠতে থাকে এবং তখন আর তাঁর বিষ্ণুগ্রামে থেকে অধ‍্যাপনা করতে মন চাইল না। সেজন‍্য প্রিয়শিষ‍্য কমলাক্ষের কাছে নিজপুত্র বিষ্ণুদাসকে সমর্পণ করে মায়ার বন্ধন হতে নিজেকে চিরতরে মুক্ত করে দক্ষিণ ভারত পরিক্রমায় বাহির হয়ে পড়লেন।*
*🦚বিদায় বেলায় গুরু-শিষ‍্যের সংলাপ বড়ই করুণ এবং হৃদয়গ্রাহী।তিনি বিষ্ণুদাসকে কমলাক্ষের হাতে সমার্পণ করে কহিলেন যে বাবা!কৃপাময় ভগবান তোমাকে আমার সান্নিধ্যে এনে দিয়েছিলেন।বিষ্ণুদাস আমার নাবালক সন্তান ওর দেখাশোনার সব দায়িত্ব তোমার উপর রইল। আমি চলিলাম এক নব জীবনের সন্ধানে।মনের গোপন বাসনা কন্থাকরঙ্গধারী হয়ে বেড়িয়ে পরব এবং কোনদিন যদি আমার ইষ্টদেবের দর্শন মেলে তখনই আবার আসিব।*
*🙏গুরুদেবের এই মনোবাঞ্জা শুনে কমলাক্ষের শিরে যেন বজ্রাঘাত হ'ল এবং তিনি অশ্রুসজল কন্ঠে রোদন করতে লাগলেন।শিষ‍্যের এই অবস্থা দেখে গুরুদেব তাঁকে সান্ত্বনা দিবার ছলে বললেন যে, বাবা! আমার মত অভাগার জন্য তোমার এই নয়নবারি শোভা পায় না।🌹কাঁদতেই যদি হয়  তবে কলির এই হতভাগা কৃষ্ণবহির্মুখ জীবের জন্য কাঁদ,যাতে তিনি (ভগবান) আবির্ভূত হয়ে জীব উদ্ধার কার্য‍্য সম্পাদন করেন।কমলাক্ষ তখন গুরুদেবের কথা শুনে কিছু  শান্ত হয়ে কহিলেন গুরুদেব!কলির জীবের কি এই ভাগ‍্য হবে?তখন তাঁকে আশ্বাসবাণী প্রদান করে তিনি বললেন হ‍্যাঁ বাবা, তাঁর আসবার সময় হয়ে গেছে। পৃথিবী আজ পাপে পরিপূর্ণ,ধর্মের গ্লানিতে ভরপুর, সেইজন‍্য গীতার বাণী সত‍্যতা প্রকটের সময় আগত প্রায়। সেই জন্য তাঁর আবির্ভাবকে বাস্তবে রূপায়িত করবার জন্য আমি তিল-তুলসী হাতে নিয়ে ভারতের তীর্থে তীর্থে কাঁদতে বেরোচ্ছি আর তুমিও তুলসী-গঙ্গাজলের দ্বারা তাঁর জন্য কেঁদে কেঁদে প্রার্থনা জানাও।এই সমস্ত গোপন কথা প্রিয়শিষ‍্য কমলাক্ষকে বলে তিনি তাঁকে নানারকম প্রবোধ দিয়ে কৌপীন ও বহির্বাস সম্বল করে দক্ষিণ ভারত মুখে যাত্রা করেন।🍀আমরা গঙ্গাজল ও তুলসী দ্বারা অদ্বৈতাচার্য‍্যের যে প্রার্থনার কথা জানি তার মূল হোতা হচ্ছেন শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী। গুরুবাক‍্য শিরোধার্য‍্য করে তিনি সাধন পথে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। যে কথা বৈষ্ণব পদাবলীতে পাওয়া যায়।*

*আঁখি মুদি রহে, প্রেমে নদী বহে,*
        *বসন তিতিল ঘামে।।*
*নিজ প্রভু মনে,        ঘন গরজনে,*
      *উঠে জোড়ে জোড়ে লম্ফ।*
*ডাকে বাহু তুলি,কাঁদে ফুলি ফুলি,*
       *দেহে বিপরীত কম্প।।*
*অদ্বৈত হুঙ্কারে,  সুরধূনীর তীরে,*
       *আইলা নাগর রাজ।*
*তাহারই পিরীতে, আইলা তুরিতে,*
        *উদয় নদীয়া মাঝ।।*
*🪷এইভাবে প্রিয় শিষ্য কমলাক্ষের উপর যৌথ-দায়িত্ব অর্পণ করে মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী দাক্ষিণাত‍্য ভ্রমণে বাহির হন। উপরিউক্ত ঘটনাবলীর মধ‍্য দিয়ে কৃষ্ণপ্রেমের উন্মাদনায় পুনরায় নবদ্বীপে প্রত‍্যাগমন করেন এবং অবশেষে মনস্থ করেন যে কৃষ্ণপ্রেমের যে আদি উৎস সেই বৃন্দাবন ধামে গমন করে ইষ্টদেবের আরাধনায় নিজেকে নিবদ্ধ রাখবেন।* *পুরী গোস্বামী কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা হয়ে এমনই ভাবান্তর হয়েছিলেন যে নীল আকাশের দিকে তাকালেই তাঁর মনে কৃষ্ণস্ফূর্তি হত।আকাশে মেঘ দেখে ময়ূর ময়ূরী যখন শিখিপুচ্ছ বিস্তার করে নৃত্য করিত, তারদর্শনে মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামীর হৃদয় মনও কৃষ্ণপ্রেমের উন্মাদনায় নৃত্য করিত।নীল নভোমন্ডলের দিকে তাকালে তাঁর মনে সেই শ‍্যামসুন্দরের স্মৃতি জাগরিত হত এবং বিরহের উন্মাদনায় তাঁর কপোলদ্বয় অশ্রুধারায় ভেসে যেত। অর্থ‍্যাৎ তিনি শয়নে স্বপনে জাগরণে সদাসর্বদা কৃষ্ণ সান্নিধ্য এবং কৃষ্ণবিরহ অনুভব করতেন।তাঁর এইসব ভাব-বিকার দেখে ব্রজবাসীগণ তাঁকে কৃষ্ণপাগল সন্ন‍্যাসী আখ‍্যা দিয়েছিলেন।*
👣👣👣👣👣👣🙏👣👣👣👣👣👣
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৮১. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori81.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




৭৯. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori79.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৭৮. দলমাদল---কামান 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori78.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭৯. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori79.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৯)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী*
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

*🙏শ্রীপাদ্ মাধবেন্দ্রপুরীর জীবনচরিত প্রসঙ্গ আলোচনা করতে গেলে কিঞ্চিৎ প্রসঙ্গ করা অপরিহার্য‍্য, কারণ দক্ষিণ ভারতে যে মাধ্ব সম্প্রদায় বৈদিক ভক্তির প্রবর্ত্তক ছিলেন তার জন্য অনেকেই এ বিষয়ে সামান্য সংশয়ের সৃষ্টি হয়।খৃষ্টীয় চতুর্দশ শতাব্দীর মধ‍্যভাগে দাক্ষিণাত‍্যে তুঙ্গভদ্রা নদীর তীরে পদ্মা নগরীতে এই মহাপুরুষের আবির্ভাব। তাঁর পিতার নাম সায়ন এবং মাতার নাম শ্রীমতী।এই মাধবাচার্য‍্যের প্রভাবে সমগ্র ভারতে বৈদিক ধর্মের পুনঃ প্রতিষ্ঠা হয়।এই সম্প্রদায়কে মাধ্ব সম্প্রদায় বলা হয়।*
*🙏কবি কর্ণপুর তাঁর রচিত "গৌর গণোদ্দেশ দীপিকা" গ্রন্থে লিখেছেন যে মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামীর আবির্ভাব খৃষ্টীয় পঞ্চদশ শতাব্দীতে (১৪০১-১৪৯৯ সাল হচ্ছে পঞ্চদশ শতাব্দী) কিন্তু মধ্বাচার্য‍্যের আবির্ভাব তার পূর্বে অর্থ‍্যাৎ চতুর্দশ শতাব্দীর মধ‍্যভাগে এবং এই হিসাবে (১৩০১-১৩৯৯ সালকে চতুর্দশ শতাব্দী হিসাবে গণ‍্য)।সেই জন্য আমাদের গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামীর আবির্ভাব তাঁর পরে এটিই ঠিক।*
*💧এছাড়াও হৃষীকেশ বেদান্তশাস্ত্রী প্রণীত "মাধবেন্দ্রপুরী" গ্রন্থে পাওয়া যায় যে তাঁর আবির্ভাব শ্রীহট্ট জেলার পূর্ণীপাট গ্রামে এবং তিনি ছিলেন কশ‍্যপ গোত্রীয় বারেন্দ্র ব্রাহ্মণ। সুতরাং এই মাধ্ব সম্প্রদায়ের এবং মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী সম্পূর্ণ দুই স্বতন্ত্র পুরুষ তারউপরে মাধবেন্দ্রপুরী ছিলেন কৃষ্ণপ্রেমের এবং কৃষ্ণভক্তির প্রযোজক এবং মাধবাচার্য‍্য ছিলেন বৈদিক ধর্মের প্রবর্ত্তক।*
*🙏শ্রীহট্টে তাঁর জন্ম হলেও পরমার্থ জগতের প্রেরণায় তিনি যে দক্ষিণ ভারতেই গুরুকরণ করেন তা অতীব সত‍্য। সেই হিসাবে অনেকের মনে এইরকম বিভ্রান্তি হওয়া স্বাভাবিক যে তিনি যদি বাঙ্গালী হবেন তাহলে দক্ষিণ ভারতের এক মহাপুরুষকে গুরুপদে বরণ করবেন কেন?এর পেছনে নানা কারণ আছে।বাংলার প্রেম ভক্তির নিজস্ব সম্পদের অধিকারী হন শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী এবং তারসঙ্গে এসে সংমিশ্রণ হয় দাক্ষিণাত‍্যের আড়বাদের ভক্তিরস। মাধবেন্দ্রপুরীর জীবনে প্রেমভক্তি অঙ্কুরোগ্দম হয় বিদ‍্যাপতি ও চন্ডীদাসের গ্রন্থের প্রভাবে।তৎকালে দক্ষিণ ভারতে ভাগবদ ধর্মের এক অপূর্ব বিকাশলাভ শ্রবণে পুরী গোস্বামী সেই সঙ্গ মানসে পদব্রজে দাক্ষিণাত‍্য অভিমুখে রওনা হন, পরিক্রমার মাধ‍্যমে উদীপিমঠে এসে উপস্থিত হন।তখনকার দিনে মাধবাচার্য‍্যের উত্তর সাধকদের শ্রেষ্ঠ কেন্দ্র ছিল এই "উদীপিমঠ" মঠের যিনি ধর্মনেতা বা প্রধান ছিলেন সেই লক্ষ্মীপতি মহারাজকেই মাধবেন্দ্রপুরী গুরুরূপে বরণ করেন।বেশ কিছুদিন এই মাধ্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে অবস্থান করেন এবং মনে মনে সঙ্কল্প করেন যে, শ্রীগুরুদেব প্রবর্ত্তিত দ্বৈতবাদী সাধনার মধ‍্য দিয়েই নিজ অভীষ্টে পৌঁছবেন। কিন্তু করুণাময় ভগবানের ইচ্ছা এইরকম নয়, সেহেতু এই ধর্মের মূল তত্ত্বসমূহ আয়ত্ত করে তিনি কৃষ্ণপ্রেমের প্রেমভক্তিরূপ সাধন পথকেই শ্রেয়জ্ঞানে সেই পথে নিজের জীবনকে চালনা করবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।এই সময়ে কবি শ্রীজয়দেব গোস্বামীর গীত-গোবিন্দ, বিল্বমঙ্গল, এবং বিদ‍্যাপতি ও চন্ডীদাসের কৃষ্ণভক্তিময় গ্রন্থগুলি তাঁর জীবনকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে, তারসঙ্গে দক্ষিণ ভারতের আড়বা সম্প্রদায়ের প্রেমধর্মও তাঁর সহায়ক হয়।*
*🌹কিন্তু এ কথাও ঠিক যে গৌড়ীয় বৈষ্ণব প্রসঙ্গে অনেকে মাধবেন্দ্রপুরীর এই সম্প্রদায়কে মাধ্ব সম্প্রদায় বলে আখ‍্যা দিয়েছেন। যেমনটি দেখা যায় শ্রীচৈতন‍্যচরিতামৃতে শ্রীবাস পন্ডিতকে বহুক্ষেত্রে শ্রীনিবাস আখ‍্যা দেওয়া হয়েছে।তবে মাধবেন্দ্রপুরী যে এক নববৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্ত্তক একথা কবি কর্ণপুর এবং শ্রীজীব গোস্বামী পর্য‍্যন্ত স্বীকার করে গিয়েছেন। শ্রীজীব গোস্বামী এক বৈষ্ণব বন্দনার শেষে বলেছেন যে =*
*🌷এতদ্বৈষ্ণব বন্দনঃ সুখকরং সর্ব্বার্থ সিদ্ধি প্রদং শ্রীমন্মাধব সম্প্রদায় গমনং শ্রীকৃষ্ণ ভক্তি প্রদম্।*
*🌻আবার এও দেখা যায় যে পুরীগোস্বামী যেরকম শ্রীহট্টে জন্মগ্রহণ করে দাক্ষিণাত‍্যের উদিপী মঠের লক্ষ্মীপতি মহারাজকে গুরুপদে বরণ করেছিলেন, সেইরকম দক্ষিণ ভারতের পরমানন্দ পুরীও তাঁর শিষ‍্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এইরকম আর একজন শিষ‍্য ছিলেন যাঁর নাম শ্রীরঙ্গপুরী। এছাড়াও কমলাক্ষ (অদ্বৈতাচার্য‍্য)পুন্ডরীক বিদ‍্যানিধি,নৃসিংহ তীর্থ,ব্রহ্মানন্দপুরী, ব্রহ্মানন্দভারতী, মৈথিলী ব্রাহ্মণ বিষ্ণুপুরী,রঘুপতি উপাধ‍্যায়,কৃষ্ণানন্দ, সুখানন্দপুরী,রামচন্দ্রপুরী,রঘুনাথপুরী, অনন্তপুরী,গোপালপুরী ইত‍্যাদি সকলে পুরীগোস্বামীর শিষ‍্য ছিলেন।শ্রীরায় রামানন্দের শ্রীগুরুদেব শ্রীপাদ রাঘবেন্দ্রও ছিলেন তাঁর শিষ্য। এছাড়াও নবদ্বীপের রত্নগর্ভ আচার্য‍্য (যিনি ছিলেন শ্রীজগন্নাথ মিশ্রের ঘনিষ্ঠ সুহৃদ) শুক্লম্বর ব্রহ্মচারী,গঙ্গাদাস,হিরণ‍্য,সদাশিব, জগদীশ পন্ডিত প্রভৃতি ভক্তগণও তাঁর শিষ‍্যত্ব গ্রহণ করেন।*
*🙏সুতরাং এইসব ঘটনা প্রবাহের মধ‍্য দিয়ে এইই সুপ্রতিষ্ঠিত হয় যে গৌড়ীয় বৈষ্ণব সমাজের মূল প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রবর্ত্তক হচ্ছেন শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী  এবং দক্ষিণ ভারতের মাধবাচার্য‍্য সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই মহাপুরুষ। এইবার আমরা এই মহাপুরুষের জীবনী প্রসঙ্গে অবতারণা করব।*
🦚🦚🦚🦚🦚🦚🙏🦚🦚🦚🦚🦚🦚

*সযতনে যশোমতী,আর তুমি মহামতি,*
    *পালন করেছ মোরে স্নেহে অতুলন।*
*হৃষ্ট চিত্তে এইবারে,যাও ফিরে নিজ ঘরে,*
    *না হইও পিতা তুমি শোকে নিমগন।।*
*🪷🪷গুরুগৃহে আগমন🪷🪷*
*রামকৃষ্ণ ভ্রাতা দোঁহে,যান তবে গুরু গৃহে,*
    *অবন্তী নগরে ধাম,সান্দীপনি নাম।*
*উপনীত হ'য়ে সেথা,ভক্তিতে কহিয়া কথা,*
   *শ্রদ্ধাভরে দুই ভাই করিলা প্রণাম।।*
*আমাদের সবে মাত্র,ছিল অত্র এক পুত্র,*
    *প্রভাসে সাগরে তার হয়েছে মরণ।*
*যদি কিছু দিতে চাও,মৃত পুত্র আনি দাও,*
     *তবে সে দক্ষিণা মোরা করিব গ্রহণ।।*
       *🙏ক্রমাগত🙏*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৮০. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori80.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




৭৮. দলমাদল---কামান 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori78.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৭৭. বাসুদেব ঘোষের একটি পদাবলী 🌻 পাশাখেলা লীলার 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori77.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭৮. দলমাদল---কামান 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori78.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৮)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
           *দলমাদল---কামান*
      🌏🌏🌏🌏🌏🌏🌏🌏
*বীর হাম্বীর ছিলেন বনবিষ্ণুপুরের রাজা এবং শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের কৃপাশক্তির দ্বারা তিনি বৈষ্ণব জগতের অশেষ মঙ্গল সাধন করে গিয়েছেন।এইরকম একজন দোর্দন্ড প্রতাপশালী রাজা শ্রীগুরু কৃপায় যে কিভাবে ভক্তিপথের পথিক হয়েছিলেন তা পাঠ করলে মনপ্রাণ জুড়িয়ে যায়।ক্রমে কালের বিবর্তনের সঙ্গে এই মল্লরাজ বংশ "সিং" উপাধিতে ভূষিত হন।রাজা বীর সিং এর রাজত্বকালে তাঁরই ভক্তিমতি পত্নী শ্রীমতী চূড়ামণি দেবী বিষ্ণুপুরে "মদন গোপাল" এবং "মুরলী মোহন" মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন।*
*☘এর পূর্বে বীর সিংহের পূর্বপুরুষ শ্রীরঘুনাথ সিং "শ‍্যাম রায়" এবং "জোড় বাংলা" মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।এই সকল মন্দিরভাস্কর্য‍্য অতীব মনোমুগ্ধকর এবং অদ‍্যাপি সেই অতীত ঐতিহ্যকে বহন করে জীর্ণ দশায় বিদ‍্যমান। বীর সিং এর পর গোপাল সিং বিষ্ণুপুরের রাজ সিংহাসনে আসীন হন।ক্ষাত্র তেজে বলীয়ান এই মল্ল রাজা বৈষ্ণব ধর্মের প্রতি এতই অনুরক্ত ছিলেন যে তিনি সদাসর্বদা নিজেকে "তৃণদপি সুনীচেন" ভাবে রাজত্ব করতেন। তিনি সারা রাজ‍্যময় এই ফরমান জারি করেন যে প্রত‍্যেক লোককে প্রতি সন্ধ‍্যায় নির্দিষ্ট সংখ‍্যক হরিনাম জপ করতেই হবে। রাজাজ্ঞা, এর নড়চড় হবার উপায় নাই।ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক হরিনাম সকলকেই করতেই হবে। এই জন্য চলতি কথায় অনেকে বলত যে, "চলো এখন গোপাল সিং এর বেগার খাটি"।*
*🔶দিল্লীতে তখন মোঘল শাসনের অবলুপ্তি প্রায়, সারা ভারত জুড়ে বিশৃঙ্খলা। সীমান্ত রাজারা এবং বর্গীর দল যথেচ্ছ অত‍্যাচার এবং লুঠতরাজ করে বেড়াত।এইরকম পরিবেশে এক বর্গীর দল ভাস্কর রাও এর নেতৃত্বে হানা দেয় এই পূণ‍্য মল্লভূমি দখলের মানসে।এমত পরিবেশে মুসলমান বর্গী সৈন‍্যদল বিষ্ণুপুর আক্রমণ করে।মল্ল সৈন‍্যরা তখন তাদের প্রতিরোধে ব‍্যর্থ হওয়ায় দূর্গ প্রাচীরের ভিতর অবস্থিত সব নগরবাসীকে রাজা গোপাল সিং আদেশ করেন যে বাইরে দুর্দান্ত বর্গী আক্রমণ প্রতিরোধ করবার মত সৈন‍্যদল যখন তাঁর নাই তখন একমাত্র "মদনমোহনই" ভরসা।সেই জন্য তিনি দূর্গ প্রাচীরের ভিতর হরিনাম মহাসংকীর্তন যজ্ঞের আদেশ করলেন। সমস্ত নগরবাসী ব‍্যাকুল প্রাণে শ্রীহরি কীর্তনে মেতে গেলেন।কি প্রগাঢ় বিশ্বাস ছিল রাজা গোপাল সিং এর যা বাস্তব দৃষ্টিতে দেখলে হাস‍্যস্পদ মনে হয়।বাইরে প্রচণ্ড শত্রুর আক্রমণ, যখন তখন দূর্গ দখল হতে পারে, কিন্তু প্রতিরোধের কোন ব‍্যবস্থাই নাই। সম্বল শুধু মাত্র হরিনাম মহামন্ত্র।সেই আকুল প্রার্থনায় বিচলিত হয়ে মদনমোহনদেবের কৃপায় দুটি অতিকায় কামান হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গোলা বাহির হতে থাকে যার ফলে বর্গী সৈন‍্যদল ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়।হরিনামের উপর চরম বিশ্বাস থাকায় স্বয়ং মদনমোহন ভক্তবাঞ্জা পূরণ করেন এবং সেই বারের মত বিষ্ণুপুর রাজসম্মান অক্ষুন্ন থাকে।মদনমোহন যে কামান দুটি ব‍্যবহার করেছিলেন সেই কামান দুটি এখনও সযত্নে রক্ষিত আছে।যাকে "দলমর্দন" কামান বলা হয়।চলতি কথায় গ্রামের লোক একে "দলমাদল" কামান বলেন।*
*🌑হরিনামে বিশ্বাস, হরিনাম যে সর্বশক্তিদাতা ইহা অপেক্ষা জাজ্জ্বল‍্য প্রমাণ আর কি হতে পারে। অদ‍্যাপি বিষ্ণুপুর শহরের একপ্রান্তে এই সুবিখ‍্যাত দলমাদল কামানটি ভূপৃষ্ঠে পড়ে আছেন। বর্তমানে দর্শন করলে এইসব প্রসঙ্গ সহজে বিশ্বাস হয় না।কামান একটি লৌহজাত দ্রব‍্য ছাড়া আর কিছুই নয় কিন্তু কুলদেবতা মদনমোহনের কৃপায় সে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গোলা বর্ষণ করেছিল।এটি কোন উপন‍্যাসিক কল্পনা প্রসূত ঘটনা নয় সাক্ষাৎ সত‍্য বাস্তব ঘটনা। সুতরাং ভগবদ্ কৃপায় সবই সম্ভব, প্রয়োজন সেই অচলা ভক্তি,সুদৃঢ় নিষ্ঠা,যা ভক্তপ্রবর মহারাজ গোপাল সিং এর ছিল। এর দ্বারাই গীতার সত‍্যতা পুনঃ প্রতিষ্ঠিত হয় যে সেই মাধবের কৃপা হলে সবই সম্ভব।এছাড়াও হরিনামের শক্তিও এর মধ‍্য দিয়ে প্রকটিত হয় যে শ্রীনাম সর্বশক্তিদাতা। বিষ্ণুপুরের সর্বাপেক্ষা আকর্ষণ হচ্ছে প্রাচীন ভাষ্কর্য‍্য যা বিভিন্ন মন্দির গায়ে খোদিত।বাঁকুড়ার ঘোড়া বাংলার কলাশিল্পের একটি নিজস্ব অবদান। বিভিন্ন মন্দিরগুলি ভাঙ্গা এবং জরাজীর্ণ।এইরকম ভাষ্কর্য‍্য এবং শিল্পকলার পরিচয় বাংলাদেশে তথা ভারতে কোথাও নাই। এখানকার রাসমঞ্চ এক অতি অদ্ভুত  শিল্পকলার পরিচয় প্রদান করে।*
💧💧💧💧💧💧💧💧💧💧💧💧💧

*সমর্থ হইয়া যেবা,নাহি করে মাতৃ সেবা,*
   *চরম দুর্গতি হয় নিশ্চয় তাহার।*
*দোঁহে আমার কারণ,পেলে দুঃখ অনুক্ষণ,*
   *হইনু অধম পুত্র গর্ভেতে তোমার।।*
*জননী গো ক্ষম দোষ,নাহি কর কোন রোষ,*
   *পিতৃমাতৃ পদসেবা করিব এখন*।
*শুনি তাঁহার বচন,পিতা মাতা মুগ্ধ হন,*
   *কৃষ্ণের মায়ায় তবে হইল বন্ধন*।।
*কংসের বিনাশকারী,সর্বজন ত্রাতা হরি,*
   *উগ্রসেন রাজ‍্য দেন হ'য়ে ফুল্লমন।*
*পিতৃপদে নারায়ণ,করিলেন নিবেদন,*
   *শোন পিতা আমরা যে দেবকী নন্দন।।*
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🦜🌷🌷🌷🌷🌷🌷
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৭৯. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori79.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




৭৭. বাসুদেব ঘোষের একটি পদাবলী 🌻 পাশাখেলা লীলার 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori77.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৭৬. শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori76.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭৭. বাসুদেব ঘোষের একটি পদাবলী 🌻 পাশাখেলা লীলার 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori77.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৭)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*বাসুদেব ঘোষের একটি পদাবলী*
          *পাশাখেলা লীলার*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*"🌷দুই চারি বলি দান ফেলে গদাধর।*
*🌷পঞ্চ তিন বলি ডাকে রসিক নাগর।।*
*🌻এই ভক্তিমূলক পদাবলীটি সুবিখ‍্যাত শ্রীগৌরাঙ্গ পার্ষদ শ্রীবাসুদেব ঘোষ কর্তৃক রচিত।তাঁর যে সব পদাবলী আছে তা খুবই সরল এবং সহজ কিন্তু কিছু কিছু পদাবলী আছে তা আপাতদৃষ্টিতে খুবই সহজ এবং সরল বলে মনে হলেও এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য‍্য খুবই গভীর।*
*🌺সাধারণতভাবে দেখলে মনে হয় যেন দুইজনের মধ্যে দান ডেকে পাশা খেলা হচ্ছে, একজন হচ্ছেন গদাধর এবং অপরপক্ষ হচ্ছেন রসিকনাগর গৌরসুন্দর।গদাধর যেন "দুই-চার" এইরকম দান ডেকে পাশা খেলছেন এবং রসিকনাগর "পাঁচ-তিন" ইত‍্যাদি বলে দান ফেলছেন। কিন্তু বাস্তবপক্ষে এর ব‍্যাখ‍্যা কিন্তু তা নহে।*
*🍁আপনারা সকলেই জানেন যে পঞ্চতত্ত্বের গদাধর পন্ডিত হয়েছেন  "রাধাভাবে ভাবিতা গদাধর" এবং মহাপ্রভুকে "রসিকনাগর" স্বরূপে চিন্তা করে প্রসিদ্ধ পদকর্তা বাসুদেব ঘোষ এই পদাবলীটি রচনা করেছেন। অর্থ‍্যাৎ পদকর্তা শ্রীবাসুদেব ঘোষ যেন এই উভয়ের মধ্যে একটি দান ডেকে অক্ষ ক্রীড়াচ্ছলে এই উভয়ের মধ্যে কথোপকথন সৃষ্টি করে এটি রচনা করেছেন।সেজন‍্য বিস্তৃত ব‍্যখ‍্যার পূর্বে এর কিছু শব্দার্থ বা ভাবার্থ হচ্ছে=*
*🔴দুই=এই দুই অক্ষর বিশিষ্ট শব্দটির অর্থ হচ্ছে রাধা ও কৃষ্ণ।*
*🔴চার=এই চার অক্ষর বিশিষ্ট শব্দটির অর্থ হচ্ছে রাধাকৃষ্ণ এবং হরেকৃষ্ণ।*
*🍀দুই এবং চারের সংমিশ্রণে হয়  ছয় এবং ছয় এর অর্থ হচ্ছে ষড়রিপু অর্থ‍্যাৎ কাম-ক্রোধ-লোভ-মোহ-মদ-মাৎসর্য‍্য।*
*🌳তিন=এই তিন শব্দটির অর্থ হচ্ছে পিরীতি।*
*🌲পঞ্চ বা পাঁচ =এই পাঁচ অক্ষর বিশিষ্ট শব্দটির অর্থ হচ্ছে, পঞ্চভাব, অর্থ‍্যাৎ শান্ত-দাস‍্য-সখ‍্য-বাৎসল‍্য ও মধুর।*
*🌹পুনঃ=পাঁচ এবং তিনের সংমিশ্রণে আট হয়। এই আট এর দুই রকম ভাবার্থ আছে,যথা--, অষ্ট সাত্ত্বিক ভাব এবং অষ্টসখী।*
*🌺অর্থ‍্যাৎ পদকর্তা শ্রীবাসুদেব ঘোষ যেন গদাধরের মনের কথাটি দান ডাকবার ছলে বলছেন যে এই দুর্লভ মনুষ‍্য জনম লাভ করে রাধা এবং কৃষ্ণ অথবা রাধাকৃষ্ণ ভজনের মাধ‍্যমে জীবন রূপ পাশা খেলায় মানুষ জয়ী হতে পারে। এবং এই পর্য‍্যায়ে যদি কোন মানুষ নিজেকে আনতে চান তাহলে তাঁকে ষড়রিপুকে বশে রেখে তা করতে হবে কারণ ষড়রিপুর প্রাধান্য থাকলে মানুষের চিত্ত দর্পণের ময়লা দূর হয় না এবং তা ভগবদ্ আসনের উপযোগী হয় না।*
*☘অপরপক্ষে পদকর্তা শ্রীবাসুদেব ঘোষ আবার মহাপ্রভুর মনের কথাটি প্রকাশ করে যেন মহাপ্রভুকে দিয়ে বলাচ্ছেন যে পিরীতির মাধ‍্যমে সাধন ভজন করলেই শ্রীরাধাকৃষ্ণ চরণ প্রাপ্তি অনিবার্য‍্য। কিন্তু এই পিরীতি রসে ভজন করা খুবই উচ্চাঙ্গের বস্তু এবং সকলের পক্ষে তা করা সম্ভব নহে।সেইজন‍্য তিনি বলেছেন যে সাধক যদি এতে অপারগ হন তাহলে তিনি শান্ত,দাস‍্য,সখ‍্য,বাৎসল‍্য ও মধুর রসে ভাবিত হয়ে শ্রীরাধাকৃষ্ণ চরণ প্রাপ্তির আশায় ভজন করতে পারেন। কারণ এই ভাবগুলি অতীব মনোরম এবং সাধন ভজনের অনুকূল।"তুমি প্রভু আমি দাস"--,গোপ বালকের মত সখ‍্যভাব ও সন্তানবৎ বাৎসল‍্যের সঙ্গে সাধন ভজন করে সিদ্ধিলাভ করেছেন এর ভরি ভুরি দৃষ্টান্ত গ্রন্থে আছে।*
*🌻রসিক নাগর মহাপ্রভু পাশা খেলিবার ছলে বলছেন যে--, এ ছাড়াও সাধন মার্গে আরোহণ করলে তখন সেই ভক্তের মধ্যে অষ্টসাত্ত্বিক ভাবের পরলক্ষিত হয়,তখন বুঝতে হবে যে ক্রমাগত অভ‍্যাস এবং মনঃসংযোগের ফলে সাধক তখন সদাসর্বদা ভগবদ্ সান্নিধ্য উপলব্ধি করেন।*
*🌹এই আটের অপর সঙ্কেত হচ্ছে অষ্টসখী।যেহেতু রসিকনাগর মহাপ্রভু যেন পাশা খেলিবার ছলে বলছেন যে সাধন রাজ‍্যে যদি কেউ শ্রীরাধাকৃষ্ণ পদাম্বুজ লাভের আশায় প্রবেশ করতে চান তাহলে তাঁকে অষ্টসখীর আনুগত‍্যে ভজন করতে হবে।কারণ সখীর অনুগা হয়ে ভজন না করলে শ্রীরাধাকৃষ্ণ যুগলচরণ পাওয়ার কোন আশা নাই যে কথা শ্রীপাদ কবিরাজ গোস্বামী মহোদয় তাঁর শ্রীচরিতামৃত গ্রন্থে প্রকাশ করেছেন। যথা=*
*🔴সখী বিনা এই লীলার পুষ্টি নাহি হয়।*
*🔴সখী লীলা বিস্তারিয়া সখী আস্বাদয়।।*
*🔴সখী বিনা এই লীলায় অন‍্যের নাহি গতি।*
*🔴সখী ভাবে যেই তারে করে অনুগতি।।*
*🔴রাধার স্বরূপ কৃষ্ণ প্রেম কল্পলতা।*
*🔴সখীগণ হয় তার পল্লব পুষ্প পাতা।।*
*🔵পরিশেষে বলতে চাই যে শ্রীবাসুদেব ঘোষ যদিও এখানে এই পদাবলীর মাধ‍্যমে গদাধর এবং রসিক নাগরের মধ‍্যে অক্ষ ক্রীড়ার অভিনয় করেছেন আসলে এটি দ্বারা বাসুদেব ঘোষের ভজন সাধনের শ্রেষ্ঠত্বই প্রমাণিত হয় এবং তাঁর এই পদাবলীটির মধ্যে যে গূঢ় ভাবার্থ আছে তা কিঞ্চিৎ আস্বাদন করা হয়।ধন‍্য পদকর্তা শ্রীবাসুদেব ঘোষ🙏।মহাপ্রভুর কৃপায় তাঁর যে কবিত্ব শক্তির বিকাশ হয়েছিল,তা রসিক ভক্তগণের কাছে চির আদরের বস্তু হয়ে আছে এবং থাকবে।( শ্রীমন্মহাপ্রভু অপ্রকট হ'লে যখন তিনি জানতে পারলেন, তখন তিনি জীবন্ত সমাধির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, অনেক কাহিনী আছে।)*
*জয় জয় শ্রীবাসুদেব ঘোষের জয়🙏*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৭৮. দলমাদল---কামান 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori78.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




৭৬. শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori76.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৭৫. শ্রীগোপালগুরু প্রসঙ্গ সংক্ষেপে 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori75.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭৬. শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori76.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৬)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
   *🌷শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ🌷*
      """"""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🔶এই মহাপুরুষ ছিলেন শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজের ছোট ভাই।বাল‍্যকালে মাতামহের আশ্রয়ে লালিত পালিত হওয়ার প্রভাবে তিনি শক্তি দেবীর উপাসনা করতেন। তাঁর সেবানিষ্ঠায় মুগ্ধ হয়ে শক্তিদেবী তাঁকে নানাভাবে কৃপা করেছিলেন।তাঁর শক্তি পূজোর কয়েকটি অপূর্ব কাহিনী এখানে বর্ণিত হবে।*
*🍀একদিন এক বিপ্রবৈষ্ণব তাঁর ধর্মমত ধা জেনে তাঁর গৃহে আতিথ‍্য গ্রহণ করেন।নিত‍্যসেবার প্রথানুযায়ী তিনি গোবিন্দ কবিরাজের পূজার ঘরে সন্ধ‍্যা আহ্নিক নিমিত্ত প্রবেশ করেন।দেবী গৃহে সাজসজ্জা এবং পূজার উপচার দেখে তিনি মনে মনে বড়ই তৃপ্তিলাভ করলেন এবং পত্র পুষ্প ফল জল প্রসাদ যা সব দেবী পূজার জন্য আগেই সাজানো ছিল তা সব মানসে শালগ্রাম শিলার উদ্দেশ্যে সমর্পণ করলেন যদিও সেই পূজাগৃহে কোন শালগ্রাম শিলা বিগ্রহ স্থাপিত ছিলেন না।অতঃপর নিত‍্যসেবার জন্য নিয়োজিত পূজারী এসে যথাসময়ে দেবী পূজো আরম্ভ করলেন। এবং সেইসব পূজার উপচার যথারীতি দেবী পূজায় সমর্পণ করলেন।এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে আগের বিপ্রবৈষ্ণব সব প্রসাদ মনে মনে সঙ্কল্প করে শালগ্রাম শিলার উদ্দেশ্যে  সমর্পণ করেছিলেন অর্থ‍্যাৎ তিনি কোন উপচার স্পর্শ করে বিগ্রহের উদ্দেশ্যে সাধারণ পূজার প্রথা অনুযায়ী সমর্পণ করেননি।সেই জন্য নিত‍্যসেবার অধিকারী যে পূজারী, তিনি আগের ব‍্যাপার কিছুই জানা ছিল না এবং তিনি শালগ্রামে সমর্পিত সেইসব দ্রব‍্যাদি যথারীতি দেবী পূজায় ব‍্যবহার করে পূজা সমর্পণ করে চলে গেলেন। অর্থ‍্যাৎ শালগ্রমে সমর্পিত প্রসাদী দ্রব‍্যাদি দেবীকে সমর্পণ করা হয় পূজারীর অজান্তে।*
*🌺কৃপাময়ী শক্তিদেবী রাত্রে স্বপ্নযোগে গোবিন্দ কবিরাজকে বললেন যে সেই দিনের প্রসাদে তিনি যে তৃপ্তি এবং সুখ পেয়েছেন এইরকম আর আগে তিনি কখনও পাননি।গোবিন্দ কবিরাজ পূর্বাপর (আগাগোড়া)কিছু অবগত না হয়ে স্বপ্নের মাধ‍্যমে শক্তি দেবীকে কহিলেন যে "মাতঃ আপনার কথা তো আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না, কৃপা করে মূল কথার রহস‍্য উদ্ঘাটন করে অধমকে কৃতার্থ করুন।" শক্তদেবী তখন স্বপ্নের মাধ‍্যমে সমস্ত বৃত্তান্ত বিবৃত করে আগাগোড়া সব ঘটনা বললেন। বললেন যে বিষ্ণুপ্রসাদ পেয়ে নিজেকে কৃতার্থ বোধ করেছেন এবং এতেই তাঁর এত তৃপ্তি এবং এত আনন্দ।সেইদিন হতেই গোবিন্দ কবিরাজ মহাশয় বিষ্ণু প্রসাদের মহিমা উপলব্ধি করতে পারলেন, যদিও তিনি মনে প্রাণে শাক্ত ছিলেন।*
*🍀অন‍্য একদিনেও এইরকম একটি ঘটনা ঘটেছিল যাঁর হোতা ছিলেন শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ স্বয়ং।আপনারা সকলে নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে তাঁর জ‍্যেষ্ঠ ভাই রামচন্দ্র কবিরাজ ছিলেন বিষ্ণুভক্ত যদিও তাঁর ভাই এই গোবিন্দ ছিলেন পরম শাক্ত।এই রামচন্দ্র কবিরাজ একদিন বুধুরিতে ভাই গোবিন্দ কবিরাজের গৃহে আগমন করেন এবং দেখেন যে তাঁর পুষ্পোদ‍্যানে নানারকম ফুল ফুটে মনোরম শোভা সৃষ্টি করেছে। গোবিন্দ কবিরাজ এইসব ফুল দিয়ে শক্তি পূজো করতেন এবং সেইজন‍্য নানারকম ফুলের বাগান তাঁর বাড়ীতে ছিল।বিষ্ণুভক্ত রামচন্দ্র কবিরাজ মনোরম সেইসব সুন্দর সুন্দর ফুল দেখে মানসে সব শ্রীকৃষ্ণ পাদপদ্মে সমর্পণ করলেন। অর্থ‍্যাৎ গাছের ফুর গাছেই রইল কিন্তু রামচন্দ্র কবিরাজ মানসে তা শ্রীগোবিন্দ পাদপদ্মে সমর্পণ করলেন এবং এইকথা একমাত্র রামচন্দ্র কবিরাজ ছাড়া আর অন‍্য কেউই জানতে বা বুঝতে পারলেন না।পরে যথারীতি গোবিন্দ কবিরাজ সেইসব ফুল চয়ন করে দেবীর শ্রীচরণে যখন সমর্পণ করতে যান তখন শক্তিদেবী সাক্ষাৎ আবির্ভূতা হয়ে তাঁকে বললেন--,*
*🍁সম্বর,সম্বর গোবিন্দ এ যে শ্রীকৃষ্ণ পূজার ফুল, এ তো আমার চরণে দেওয়া সাজে না, এ ফুল আমার মাথায় দাও।এ ফুল কৃষ্ণের প্রসাদী ফুল, আমার মস্তকে দাও। গোবিন্দ কবিরাজ আগাগোড়া কিছুই জানতেন না কিন্তু শক্তিদেবী কৃপা করে এই রহস্রের উদ্ঘাটন করে সব আগাগোড়া ঘটনা বললে গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীকৃষ্ণের মহিমা বা গোবিন্দ মহিমা উপলব্ধি করতে পারলেন।পরে এই গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের কৃপায় দুরারোগ‍্য গ্রহণী রোগ হতে নিরাময় হন এবং বিষ্ণুমন্ত্রে দীক্ষিত হন।আগে থেকেই তাঁর হৃদয় মন্দিরে ভক্তি বীজের উন্মেষ বা উদয় ঘটেছিল। পরে শ্রীগুরু কৃপায় তা সম্পূর্ণরূপে বিকশিত হয়। অর্থ‍্যাৎ আজীবনের শাক্ত গোবিন্দ কবিরাজ মহাবৈষ্ণবে পরিণত হলেন। তাঁরই রচিত একটি কৃষ্ণ-গুণগান বৈষ্ণব জগতের এক অমূল‍্য সম্পদ যা অদ‍্যাপি তাঁর স্মৃতি বহন করে বিরাজিত।*

*ভজহু রে মন,        শ্রীকৃষ্ণ নন্দন,*
         *অভয়চরণার বিন্দরে।*
*দুর্লভ এ মানব,         তা সহ তরহ,*
           *এ  ভব   সিন্ধুরে।।*
*শীত  আতপ,        বাত বরিখনে,*
     *এ দিন যামিনী জাগিরে।*
*বিফলে  সেবিনু,    কৃপণ দুরজন,*
        *চপল সুখলব লাগিরে।।*
*এ ধন যৌবন,         পুত্র পরিজন,*
     *ইথে কি আছে পরতিত রে।*
*নলিনী দল জল,  জীবন টলমল,*
       *ভজহুঁ হরিপদ নিতিরে।।*
*শ্রবণ  কীর্তন,         স্মরণ  বন্দন,*
          *পাদ সেবন দাস‍্য রে।*
*পূজহুঁ সখীজন,   আত্ম নিবেদন*
   *গোবিন্দ দাস অভিলাষ রে।।*
*🌹কৃষ্ণভক্তি জগতে এক মাতার দুই সন্তান হিসাবে তাঁরা উভয়েই চিরভাস্বর হয়ে আছেন।বড় শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ এবং ছোট শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ।এই গোবিন্দ কবিরাজের ভক্তিময় জীবনের অনেক কাহিনী আছে।*
🔵🔵🔵🔵🔵🔵🔴🔵🔵🔵🔵🔵🔵

*জননীর স্নেহ যত,বর্ণিতে অশক্ত অত,*
   *এ স্নেহ সঞ্চিত শুধু সন্তান কারণে।*
*মাতা সম গুরুজন,নাহি বিশ্বে কোন জন,*
  *তাঁর সম বন্ধু নাই এ তিন ভুবন।।*
*শত বর্ষ পুত্র যদি,সমর্পিয়া নিজ হৃদি,*
  *সেবা করে নিরবধি পিতা ও মাতারে।*
*তবুও সে নাহি পারে,পূর্ণ সেবা করিবারে,*
  *পিতৃ মাতৃ ঋণ কেহ শোধিতে না পারে।।*
🌸🌸🌸🌸🌸🌸🦜🌸🌸🌸🌸🌸🌸
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৭৭. বাসুদেব ঘোষের একটি পদাবলী 🌻 পাশাখেলা লীলার 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori77.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




৭৫. শ্রীগোপালগুরু প্রসঙ্গ সংক্ষেপে 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori75.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৭৪. নরোত্তম দাস ঠাকুরের পরীক্ষা 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori74.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭৫. শ্রীগোপালগুরু প্রসঙ্গ সংক্ষেপে 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori75.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৫)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*শ্রীগোপালগুরু প্রসঙ্গ সংক্ষেপে*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

*শ্রীমন্মহাপ্রভুর অন্তরঙ্গ পার্ষদ ছিলেন বক্রেশ্বর পন্ডিত এবং তাঁর প্রধান শিষ‍্য ছিলেন শ্রীমকরধ্বজ, পরে যাঁকে মহাপ্রভু "গোপালগুরু" আখ‍্যা দেন।এক হিসাবে শুনলে অবাক লাগে যে মহাপ্রভুর আবার "গুরু" এবং সে কিরকমে সম্ভব!যিনি স্বয়ং জগৎগুরু তিনি কিভাবে তাঁরই পার্ষদের আশ্রিত শিষ্যকে, তারপরেও যিনি ছিলেন একজন বালক মাত্র তাঁকে কি প্রকারে গুরুরূপে গ্রহণ করতে পারেন?এই প্রসঙ্গ অতীব মনোরম এবং শিক্ষামূলক এবং সেহেতু সাধারণের অবগতির জন্য সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ করবার বাসনা রইল।মহাপ্রভু প্রীতি করে তাঁকে গোপাল বলে ডাকতেন।*
*🍀প্রকৃতপক্ষে মহাপ্রভু ছিলেন গোপালের প্রাণস্বরূপ।ক্ষণমাত্র অদর্শন জ্বালা সইতে পারতেন না।সেজন‍্য তিনি বহির্দেশে বা বাইরে গমন করলেও গোপাল তাঁর অনুগমন করতেন। তাঁর জন্য শৌচের জল বহন করতেন।এই প্রসঙ্গটি সরল পদ‍্যছন্দে যেভাবে গ্রন্থে লেখা আছে তা আস্বাদন করুন।*
*🌷গোপাল শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্য বিনা অন‍্য নাহি জানে।*
*🌷গোরারূপ সদা হেরে শয়নে স্বপনে।।*
*🌷গৌর দেখে গোপালের প্রাণের সমান।*
*🌷ক্ষণে গৌর না দেখলে গোপাল করে অভিমান।।*
*🌷অন‍্যস্থান দূরে থাকুক গৌর গেলে বহির্দেশে।*
*🌷বিচ্ছেদের ভয়ে গোপাল দাঁড়ায় প্রভুর পাশে।।*
*🌷শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্য জিহ্বা সদা কৃষ্ণ বলে।*
*🌷দেখে গোপাল প্রভু জিহ্বা ধরিয়াছেন করে।।*
*🌷গৌর জল শৌচ করি আইলা তার পাশে।*
*🌷গৌর করে জল ঢালে,গোপাল মৃদু মৃদু হাসে।।*
*🌷গৌর বলে কিরে গোপাল হাসিতেছ কেনে।*
*🌷বল্ বল্ কি ভাব তোর উঠিল রে মনে।।*
*🌷গোপাল মুচকি হাসি বলে প্রভুর প্রতি।*
*🌷না বুঝিয়ে মহাপ্রভু তোমার এই রীতি।।*
*🌷বহির্দেশ কালে কেন জিহ্বা ধর করে।*
*🌷সেই কথা মনে করি হাসি না সম্বরে।।*
*🌷গৌর বলে আরে গোপাল কি করিব মুই।*
*🌷মোর জিহ্বা অবিরত কৃষ্ণ উচ্চারই।।*
*🌷বর্হিভূমি কালে কেমনে লব কৃষ্ণনাম।*
*🌷সেই লাগি এ জিহ্বারে ধরি ততক্ষণ।।*
*🌷গোপাল হাসিয়া বলে প্রভু হে সে কালে।*
*🌷প্রাণ যদি যায় চলে কেবা কৃষ্ণ বলে।।*
*🌷প্রেমাবেশে প্রভু গোপালেরে কোলে করি।*
*🌷নেত্র জলে অঙ্গ সিঞ্চে আপনা পাসরি।।*
*🌷শিরে চুম্বি করে স্পর্শি আশীর্বাদ করি।*
*🌷আবেশে গৌরাঙ্গ বলে গুরু তু হামারি।।*
*🌷ভক্তপাশে ভাবাবেশে বলে ঢুলিঢুলি।*
*🌷আজ হইতে সবাই ডেকো গোপালগুরু বলি।।*
*🌷গোপালে করুণা দেখি সবাই হরি বলে।*
*🌷সুখসিন্ধু উথলিল ভাসে নেত্র জলে।।*
*🌷সবে বলে প্রভুদত্ত শ্রীগোপালগুরু নাম।*
*🌷এ নাম কীর্তনে সত‍্য যাবে কৃষ্ণধাম।।*
*🌹সুতরাং ইহা হতে সুধী পাঠকবৃন্দ আশাকরি "গোপালগুরু" নামের তাৎপর্য‍্য বুঝতে পারবেন। মহাপ্রভু অপ্রকটের পর এই গোপালগুরুর উপরই গম্ভীরার সেবার দায়িত্ব ন‍্যাস্ত ছিল, তিনিই ছিলেন এই সেবার প্রকৃত অধিকারী এবং তিনি তাঁর সিদ্ধ দেহের মাধ‍্যমে শচীসুতকে দর্শন পেতেন।মহাপ্রভুর বিরহ ব‍্যথায় জর্জরিত হলেও এই গম্ভীরা মন্দিরের "রাধাকান্ত" সেবা তিনি যেরকম নিষ্ঠার সঙ্গে গিয়েছেন তা বর্ণনাতীত।কথিত আছে যে তাঁর অপ্রকটের পর হতে প্রত‍্যেক সেবক সেবার সব আয়োজন করে শ্রীগোপালগুরুর প্রতিমূর্তি এনে মন্দিরের ভিতর রেখে দিয়ে প্রকোষ্ঠ (কক্ষ)হতে বাহিরে চলে আসেন যাতে এই ভোগ সমর্পণ কার্য‍্য গোপালগুরুর দ্বারাই সমাধা হয়।সেবক বাইরে অপেক্ষা করেন এবং বিধিমত পুনরায় মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করে আনুষ্ঠানিক ক্রিয়াকর্ম করেন।অদ‍্যাপি এই বিধি পালিত হচ্ছে।গম্ভীরা মন্দিরে কাশীমিশ্র পন্ডিতের সেবিত যে রাধাকান্ত মন্দির আছেন সেখানে অদ‍্যাপি বিধিমত সেবা হয়ে থাকে এবং গোপালগুরুর প্রতিমূর্তিও ভক্তগণ সেখানে দেখতে পাবেন।*
*🌻গোপালগুরুর জীবনে আর একটি অত‍্যাশ্চর্য‍্য কাহিনী হচ্ছে তাঁর অপ্রকট লীলা।শ্রীধাম পুরীতে তিনি দেহরক্ষা করেন কিন্তু সেই একই ধাত্রী নবমীতে বৃন্দাবনবাসী বৈষ্ণবগণ তাঁকে বংশীবটের পাপড়ি তরুমূলে ভজনরত অবস্থায় দর্শন পান।তখন পর্যন্ত বৃন্দাবনবাসীগণ তাঁর অপ্রকটের কোন সংবাদ জানতেন না কিন্তু পরে পুরীধাম হতে তাঁর অপ্রকটের সংবাদ পেয়ে তাঁরা বিস্ময়াবিষ্ট হয়ে যান।বৈষ্ণব দেহ যে চিন্ময় এবং এইসব সিদ্ধ দেহের কাছে প্রকট-অপ্রকট যে একই ব‍্যাপার তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ গোপালগুরুর তিরোভাব।সাধন ভজন জগতে কত উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত হলে যে ইহা সম্ভব তা বৈষ্ণব চরণাশ্রিত ভক্তগণ ধীর স্থির চিত্তে অনুধাবন করতে পারবেন।*
*🔷তাঁর প্রধান শিষ‍্যের নাম শ্রীধ‍্যানচন্দ্র, তাঁর সর্বপ্রধান কাজ ছিল তাঁর শ্রীগুরুদেবের কাছে অবিরত নাম কীর্তন করা। ধন‍্য গোপালগুরু এইরকম গুণেরসাগর না হলে কি মহাপ্রভু তাঁকে "গুরু" বলে গ্রহণ করতেন।আর ধন‍্য বক্রেশ্বর পন্ডিত যাঁর পদাশ্রয়ে তাঁর ভক্তিময় জীবনের উন্মেষ ঘটেছিল।সর্বশেষে সভক্তি প্রণাম জানাই প্রভু ধ‍্যানচন্দ্রকে যিনি হচ্ছেন এই মহাপুরুষের সুযোগ‍্য শিষ‍্য🙏।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🪔🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*উভে করি সম্বোধন,তবে কন জনার্দন,*
   *মিলিয়াছে এই দেহ তোমাদের তরে।*
*জনক ও জননীরে,যেবা না পালন করে,*
    *তার সম পাপী নাই এ বিশ্ব মাঝারে।।*
*তাঁরা দোঁহে শ্রেষ্ঠ হন,কহে বিশ্ব সর্বজন,*
   *পিতা হতে মাতে শ্রেষ্ঠ জানিও নিশ্চয়।*
*শিশু যবে গর্ভে রহে,মাতা কত ব‍্যথা সহে,*
    *তাই সদা পূজনীয় মাতৃ পদদ্বয়।।*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🌹🙌🙌🌲🌲🙌🙌
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৭৬. শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori76.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




৭৪. নরোত্তম দাস ঠাকুরের পরীক্ষা 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori74.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৭৩. রামচন্দ্র কবিরাজ ও গুরুভক্তি 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori73.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭৪. নরোত্তম দাস ঠাকুরের পরীক্ষা 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori74.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৪)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*নরোত্তমদাস ঠাকুরের পরীক্ষা*
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
*🙏শ্রীজীব গোস্বামী ছিলেন শ্রীধাম বৃন্দাবনের মুকুটমণি।সব ব‍্যাপারেই তিনিই ছিলেন সর্বপ্রধান।কোনও এক সময় "কৃষ্ণদাস ও রামদাস" নামক দুইজন পরম বৈষ্ণব বৃন্দাবন দর্শন করতে আসেন।কিছুদিন থাকবার পর তাঁরা পদব্রজে নীলাচল ধাম দর্শনের ইচ্ছায় শ্রীজীব গোস্বামীর কাছ হতে বিদায় ভিক্ষা করেন।শ্রীজীব গোস্বামী তাঁদের বিদায় দিবার কালে এক অভূতপূর্ব আদেশ করলেন যে তাঁরা যেন সোজা নীলাচল গমন না করেন এবং যেন খেতুরী দর্শন করে নীলাচল গমন করেন। মহাপুরুষদের সব কাজের মধ্যেই একটা প্রচ্ছন্ন (গুপ্ত) ইঙ্গিত থাকে এবং সেই হিসাবে শ্রীজীব গোস্বামী এর কারণ ব‍্যাখ‍্যা করে বললেন যে খেতুরীতে উপস্থিত হয়েই তাঁরা যেন নরোত্তম ঠাকুরের কাছে বলেন যে তাঁদের খুবই ক্ষুধা পেয়েছে, তাঁরা ক্ষণকাল দেরী করতে পারবেন না ইত‍্যাদি।এর কারণ কি তা জিজ্ঞাসা করবার মত সৎ সাহস তাঁদের কারও ছিল না কারণ বৈষ্ণব জগতের আজ্ঞা বলবান।*
*🌺যথারীতি বহুদিন পরে তাঁরা পদব্রজে একদিন দুপুরবেলা খেতুরীতে এসে উপস্থিত হয়ে নরোত্তম ঠাকুরকে যথাযোগ্য সম্মানের সঙ্গে নিজ পরিচয় দিলেন এবং বললেন যে তাঁরা ক্ষুধার জ্বালায় মরণাপন্ন এবং অবিলম্বে প্রসাদান্নের ব‍্যবস্থা করতে হবে।ধাম প্রত‍্যাগত,পথশ্রান্ত দুইজন বৈষ্ণবকে এইরকম ক্ষুধার্ত দেখে ঠাকুর মহাশয় শশব‍্যস্তে তখুনি ভোগ মন্দির অভিমুখে গমন করলেন এবং খবর নিয়ে জানতে পারলেন যে ভোগের সব ব‍্যবস্থা হয়েছে ও অতি সত্ত্বর ভোগ সমর্পণ হবে।এই বৃত্তান্ত অভ‍্যাগত বৈষ্ণবদ্বয়কে বলিলে তাঁরা বললেন যে ভোগের পর প্রসাদ পেতে গেলে অনেক দেরী হবে  এবং তাঁরা এত ক্ষুধার্ত যে অত সময় পর্যন্ত তাঁরা অপেক্ষা করতে পারবেন না।*
*🍀ঐ দুই বৈষ্ণবগণ ক্ষুধার জ্বালায় কষ্ট পাচ্ছেন,ভোগ সমর্পণ করে আরতি ইত‍্যাদি হবার পর প্রসাদান্ন পেতে অনেক দেরী হবে বুঝে নরোত্তম ঠাকুর ভোগের আগেই সেইসব ভোগের দ্রব‍্য শ্রীবিগ্রহকে সমর্পণ না করেই তা উঠিয়ে এনে বৈষ্ণবগণকে পরম পরিতোষ সহকারে ভোজন করালেন।তাঁর সিদ্ধান্তের উপর কথা বলবার মত সাহস কারও ছিল না এবং বৈষ্ণবগণের ক্ষুধা নিবারণের পর তিনি পুনরায় সব সংস্কার করিয়ে দ্বিতীয়বার ভোগ রন্ধনের ব‍্যবস্থাদি করে, খুব দেরীতেই সেদিন মন্দিরের ভোগ আরতি ইত‍্যাদি সব কাজ করালেন।আশ্রমবাসী শিষ‍্যভক্তগণ মুখে কিছু না বললেও মনে মনে এই দুইজন বৈষ্ণব সম্বন্ধে খুবই বিরূপ ধারণা পোষণ করলেন যা খুবই স্বাভাবিক।অভ‍্যাগত বৈষ্ণবগণ অতীব সঙ্কোচ বোধ করলেও তাঁদের কোন স্বাধীনতা ছিল না কারণ তাঁরা শ্রীজীব গোস্বামীর আদেশ পালন করছেন মাত্র।সেই রাত্রে মহাপ্রভু নরোত্তম ঠাকুরকে স্বপ্নযোগে বললেন যে "বৈষ্ণব সেবাতেই আমার সেবা হয়, আমার জন্য আর দ্বিতীয়বার ভোগ রন্ধনের প্রয়োজন ছিল না। কারণ বৈষ্ণব সেবাতেই আমি পরিতৃপ্ত"।পরদিন সকালবেলা নরোত্তম ঠাকুর মহাশয় এই স্বপ্ন বৃত্তান্ত সকলের বলিলে অভ‍্যাগত বৈষ্ণবদ্বয় আনন্দাশ্রু বর্ষণ করতে লাগলেন এবং মহাপ্রভুর প্রীতির গভীরতা উপলব্ধি করলেন।আশ্রমবাসী বৈষ্ণব মহান্তগণ নিজেদের সঙ্কীর্ণ মানসিকতার জন্য অনুতাপানলে দগ্ধ হতে লাগলেন।"বৈষ্ণব যে কি বস্তু, কিভাবে যে তাঁদের মর্য‍্যাদা দিতে হয় এটি জীবজগতকে বুঝাবার জন্যই শ্রীজীব গোস্বামী এইরকম আদেশ করে নরোত্তম ঠাকুরের মাধ‍্যমে বৈষ্ণব মহিমা প্রকাশ করেছিলেন।সেজন‍্য বৈষ্ণবের গুণাগুণ বিচার করবার অধিকার  আমাদের নেই,তাঁদের বিষ্ণুদাস জ্ঞানে,প্রত‍্যেকেরই মর্য‍্যাদা দান করা উচিৎ।কারণ শ্রীজীব গোস্বামীর আদেশ মানেই মহাপ্রভুর ইচ্ছা।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*জনার্দন সেইক্ষণ,মায়া করি বিস্তারণ,*
   *তাঁহাদের দেবজ্ঞান করেন হরণ*।
*মাতা দেবকী তখন,পুত্রে ত্বরা কোলে লন,*
   *স্নেহের পরশ দেন করিয়া চুম্বন*।।
*মাতা তবে পুত্রে বলে,বাপ কত ব‍্যথা দিলে,*
  *সহিয়াছি কত ক্লেশ তোমার কারণ।*
*বড় কঠিন জীবন,আছে তাই এতক্ষণ,*
   *ডেকেছি তোমায় কত করেছি রোদন।।*
🦚🦚🦚🦚🦚🦚🪔🦚🦚🦚🦚🦚🦚
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৭৫. শ্রীগোপালগুরু প্রসঙ্গ সংক্ষেপে 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori75.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




৬৯. মহাপ্রভুর শ্রীপাট "শ্রীশ্রীগম্ভীরা" 🚩 শ্রীশ্রীবক্রেশ্বর-চরিত 🏵️ শ্রীশ্রীগৌরাঙ্গ পার্ষদ-প্রবর শ্রীমৎ বক্রেশ্বর প্রভুর জীবন চরিত 🙏 রচয়িতা 🙏 শ্রীঅমৃতলাল পাল দাস 🙏 শ্রীমৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/bokreshwar69.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৬৮. শ্রীমদ্ গোপাল গুরুর পূর্ব্বজন্ম 🚩 শ্রীশ্রীবক্রেশ্বর-চরিত 🏵️ শ্রীশ্রীগৌরাঙ্গ পার্ষদ-প্রবর শ্রীমৎ বক্রেশ্বর প্রভুর জীবন চরিত 🙏 রচয়িতা 🙏 শ্রীঅমৃতলাল পাল দাস 🙏 শ্রীমৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/bokreshwar68.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৬৯. মহাপ্রভুর শ্রীপাট "শ্রীশ্রীগম্ভীরা" 🚩 শ্রীশ্রীবক্রেশ্বর-চরিত 🏵️ শ্রীশ্রীগৌরাঙ্গ পার্ষদ-প্রবর শ্রীমৎ বক্রেশ্বর প্রভুর জীবন চরিত 🙏 রচয়িতা 🙏 শ্রীঅমৃতলাল পাল দাস 🙏 শ্রীমৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/bokreshwar69.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
কিন্তু তাঁহারা কখনও মন্ত্র দীক্ষা দিবার জন্য কোন গৃহীর আলয়ে গমন করেন না। ঐ মঠে দেবসেবা ও অতিথিসেবা অতি সুচারুরূপে সম্পন্ন হইয়া আসিতেছে। শুনিতে পাওয়া যায়, শ্রীশ্রীরাধাকান্তের সেবা নিৰ্ব্বাহ জন্য কিছু বিত্ত আছে এবং যাত্রীদের প্রদত্ত এবং শিষ্যদিগের প্রদত্ত প্রণামী ও দর্শনি দ্বারাও কিছু অর্থ সংগ্রহ হইয়া থাকে। নীলাচলে যে সকল যাত্রিগণ শ্রীশ্রীজগন্নাথ দেবকে দর্শন করিতে গমন করেন, তাঁহাদের মধ্যে অনেকেই এই মহাপ্রভুর শ্রীপাট দর্শন না করিয়া প্রত্যাবর্ত্তন করেন না। তাহাত না করি- বারই কথা, কারণ যে আলয়ে শ্রীমন্মহাপ্রভু সুদীর্ঘ অষ্টাদশ বর্ষকাল বাস করিয়াছিলেন, তাহা গৌরভক্তগণের অবশ্য প্রধান তীর্থ স্থান, তাহাতে আর সন্দেহ কি। ঐ আশ্রমের যে গম্ভীরায় মহাপ্রভু বাস করিয়াছিলেন এবং যাহাতে তাঁহার অপ্রকটের পর তাঁহার কান্থা, করঙ্গ ও খড়ম দেবমূৰ্ত্তিতে পূজিত হইয়া আসিতেছেন, তথায় প্রভুর নিদর্শন স্বরূপ ঐ দ্রব্যগুলি দেখিতে কোন্ গৌরভক্তের অভিলাষ না হইবে? যে কান্থার তিনি শয়ন করিয়াছিলেন ও যে করঙ্গ আর খড়ম তাঁহার নিত্য ব্যবহারের দ্রব্য ছিল, সেগুলি যে কি পবিত্র বস্তু, তাহা আর বলিবার প্রয়োজন করে না। এছাড়াও সেই গম্ভীরা মন্দিরের অন্ধকার দূর করিবার জন্য যে ঘৃত প্রদীপ প্রজ্জলীত ছিলো আজো তা অদ্যাবধি প্রজ্জ্বলিত আছে।

                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
এই মধুমাখা মহাপ্রভুর নাম সেই সময় হইতে অখন্ড রূপে বিরাজ করছেন। এই মন্দিরে প্রবেশ মাত্রই দেহ-মন সুশীতল হয়ে যায়,  পূর্ব সময় হইতে গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণ এই মন্দিরকে মহাপ্রভুর বাড়ি বলিয়া অনেকেই চিহ্নিত করিয়া থাকেন। এই মন্দিরের প্রধান শ্রীবিগ্রহ "শ্রীশ্রীরাধাকান্ত দেব", এই শ্রীবিগ্রহ শুধু বক্রেশ্বর পরিবার না সকল পরিবারের প্রধান শ্রীবিগ্রহ কারণ এই বিগ্রহ হইতেই যে শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর একান্ত অনুচর শ্রীপাদ গোপাল গুরু গোস্বামি কর্ত্তৃক যে পদ্ধতি প্রকাশ হয় তা "শ্রীশ্রীধ্যানচন্দ্র পদ্ধতি" নামে অভিহিত। এই পদ্ধতি সকল গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণের প্রধান সেবা পদ্ধতি,  তৎসম্ভন্ধে আরো বলা যাইতে পারে শ্রীশ্রীরাধাকান্তদেব মহাপ্রভুর বাড়ির শ্রীবিগ্রহ তাই এই শ্রীবিগ্রহ সকল গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণের এক অন্যতম শ্রীকৃষ্ণ বিগ্রহ যাহার দর্শনে ভব-সংসারের সকলেরই চিত্ত শুদ্ধি করে, এ বলতে বাকি রাখে না। যেহেতু মহাপ্রভু স্বয়ং এই রাধাকান্ত দেবের সেবার নিমিত্তে শ্রীমদ্ গোপালগুরু গোস্বামিকে নির্বাচিত করিয়াছিলেন তাই এই শ্রীবিগ্রহ তদীয় শিষ্য পরম্পরায় সেবা পূজা অদ্যাবধি চলিতেছে
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৭০. আমারে তো যে যে ভক্ত ভজে যে যে ভাবে 👏👏 তারে সে সে ভাবে ভজি এ মোর স্বভাবে  🚩 শ্রীশ্রীবক্রেশ্বর-চরিত 🏵️ শ্রীশ্রীগৌরাঙ্গ পার্ষদ-প্রবর শ্রীমৎ বক্রেশ্বর প্রভুর জীবন চরিত 🙏 রচয়িতা 🙏 শ্রীঅমৃতলাল পাল দাস 🙏 শ্রীমৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/bokreshwar70.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     ꧁ 👇📖 সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী 📖👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





adds