✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৭৭. বাসুদেব ঘোষের একটি পদাবলী 🌻 পাশাখেলা লীলার 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori77.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭৮. দলমাদল---কামান 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori78.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৮)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*দলমাদল---কামান*
🌏🌏🌏🌏🌏🌏🌏🌏
*বীর হাম্বীর ছিলেন বনবিষ্ণুপুরের রাজা এবং শ্রীনিবাস আচার্য্যের কৃপাশক্তির দ্বারা তিনি বৈষ্ণব জগতের অশেষ মঙ্গল সাধন করে গিয়েছেন।এইরকম একজন দোর্দন্ড প্রতাপশালী রাজা শ্রীগুরু কৃপায় যে কিভাবে ভক্তিপথের পথিক হয়েছিলেন তা পাঠ করলে মনপ্রাণ জুড়িয়ে যায়।ক্রমে কালের বিবর্তনের সঙ্গে এই মল্লরাজ বংশ "সিং" উপাধিতে ভূষিত হন।রাজা বীর সিং এর রাজত্বকালে তাঁরই ভক্তিমতি পত্নী শ্রীমতী চূড়ামণি দেবী বিষ্ণুপুরে "মদন গোপাল" এবং "মুরলী মোহন" মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন।*
*☘এর পূর্বে বীর সিংহের পূর্বপুরুষ শ্রীরঘুনাথ সিং "শ্যাম রায়" এবং "জোড় বাংলা" মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।এই সকল মন্দিরভাস্কর্য্য অতীব মনোমুগ্ধকর এবং অদ্যাপি সেই অতীত ঐতিহ্যকে বহন করে জীর্ণ দশায় বিদ্যমান। বীর সিং এর পর গোপাল সিং বিষ্ণুপুরের রাজ সিংহাসনে আসীন হন।ক্ষাত্র তেজে বলীয়ান এই মল্ল রাজা বৈষ্ণব ধর্মের প্রতি এতই অনুরক্ত ছিলেন যে তিনি সদাসর্বদা নিজেকে "তৃণদপি সুনীচেন" ভাবে রাজত্ব করতেন। তিনি সারা রাজ্যময় এই ফরমান জারি করেন যে প্রত্যেক লোককে প্রতি সন্ধ্যায় নির্দিষ্ট সংখ্যক হরিনাম জপ করতেই হবে। রাজাজ্ঞা, এর নড়চড় হবার উপায় নাই।ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক হরিনাম সকলকেই করতেই হবে। এই জন্য চলতি কথায় অনেকে বলত যে, "চলো এখন গোপাল সিং এর বেগার খাটি"।*
*🔶দিল্লীতে তখন মোঘল শাসনের অবলুপ্তি প্রায়, সারা ভারত জুড়ে বিশৃঙ্খলা। সীমান্ত রাজারা এবং বর্গীর দল যথেচ্ছ অত্যাচার এবং লুঠতরাজ করে বেড়াত।এইরকম পরিবেশে এক বর্গীর দল ভাস্কর রাও এর নেতৃত্বে হানা দেয় এই পূণ্য মল্লভূমি দখলের মানসে।এমত পরিবেশে মুসলমান বর্গী সৈন্যদল বিষ্ণুপুর আক্রমণ করে।মল্ল সৈন্যরা তখন তাদের প্রতিরোধে ব্যর্থ হওয়ায় দূর্গ প্রাচীরের ভিতর অবস্থিত সব নগরবাসীকে রাজা গোপাল সিং আদেশ করেন যে বাইরে দুর্দান্ত বর্গী আক্রমণ প্রতিরোধ করবার মত সৈন্যদল যখন তাঁর নাই তখন একমাত্র "মদনমোহনই" ভরসা।সেই জন্য তিনি দূর্গ প্রাচীরের ভিতর হরিনাম মহাসংকীর্তন যজ্ঞের আদেশ করলেন। সমস্ত নগরবাসী ব্যাকুল প্রাণে শ্রীহরি কীর্তনে মেতে গেলেন।কি প্রগাঢ় বিশ্বাস ছিল রাজা গোপাল সিং এর যা বাস্তব দৃষ্টিতে দেখলে হাস্যস্পদ মনে হয়।বাইরে প্রচণ্ড শত্রুর আক্রমণ, যখন তখন দূর্গ দখল হতে পারে, কিন্তু প্রতিরোধের কোন ব্যবস্থাই নাই। সম্বল শুধু মাত্র হরিনাম মহামন্ত্র।সেই আকুল প্রার্থনায় বিচলিত হয়ে মদনমোহনদেবের কৃপায় দুটি অতিকায় কামান হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গোলা বাহির হতে থাকে যার ফলে বর্গী সৈন্যদল ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়।হরিনামের উপর চরম বিশ্বাস থাকায় স্বয়ং মদনমোহন ভক্তবাঞ্জা পূরণ করেন এবং সেই বারের মত বিষ্ণুপুর রাজসম্মান অক্ষুন্ন থাকে।মদনমোহন যে কামান দুটি ব্যবহার করেছিলেন সেই কামান দুটি এখনও সযত্নে রক্ষিত আছে।যাকে "দলমর্দন" কামান বলা হয়।চলতি কথায় গ্রামের লোক একে "দলমাদল" কামান বলেন।*
*🌑হরিনামে বিশ্বাস, হরিনাম যে সর্বশক্তিদাতা ইহা অপেক্ষা জাজ্জ্বল্য প্রমাণ আর কি হতে পারে। অদ্যাপি বিষ্ণুপুর শহরের একপ্রান্তে এই সুবিখ্যাত দলমাদল কামানটি ভূপৃষ্ঠে পড়ে আছেন। বর্তমানে দর্শন করলে এইসব প্রসঙ্গ সহজে বিশ্বাস হয় না।কামান একটি লৌহজাত দ্রব্য ছাড়া আর কিছুই নয় কিন্তু কুলদেবতা মদনমোহনের কৃপায় সে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গোলা বর্ষণ করেছিল।এটি কোন উপন্যাসিক কল্পনা প্রসূত ঘটনা নয় সাক্ষাৎ সত্য বাস্তব ঘটনা। সুতরাং ভগবদ্ কৃপায় সবই সম্ভব, প্রয়োজন সেই অচলা ভক্তি,সুদৃঢ় নিষ্ঠা,যা ভক্তপ্রবর মহারাজ গোপাল সিং এর ছিল। এর দ্বারাই গীতার সত্যতা পুনঃ প্রতিষ্ঠিত হয় যে সেই মাধবের কৃপা হলে সবই সম্ভব।এছাড়াও হরিনামের শক্তিও এর মধ্য দিয়ে প্রকটিত হয় যে শ্রীনাম সর্বশক্তিদাতা। বিষ্ণুপুরের সর্বাপেক্ষা আকর্ষণ হচ্ছে প্রাচীন ভাষ্কর্য্য যা বিভিন্ন মন্দির গায়ে খোদিত।বাঁকুড়ার ঘোড়া বাংলার কলাশিল্পের একটি নিজস্ব অবদান। বিভিন্ন মন্দিরগুলি ভাঙ্গা এবং জরাজীর্ণ।এইরকম ভাষ্কর্য্য এবং শিল্পকলার পরিচয় বাংলাদেশে তথা ভারতে কোথাও নাই। এখানকার রাসমঞ্চ এক অতি অদ্ভুত শিল্পকলার পরিচয় প্রদান করে।*
💧💧💧💧💧💧💧💧💧💧💧💧💧
*সমর্থ হইয়া যেবা,নাহি করে মাতৃ সেবা,*
*চরম দুর্গতি হয় নিশ্চয় তাহার।*
*দোঁহে আমার কারণ,পেলে দুঃখ অনুক্ষণ,*
*হইনু অধম পুত্র গর্ভেতে তোমার।।*
*জননী গো ক্ষম দোষ,নাহি কর কোন রোষ,*
*পিতৃমাতৃ পদসেবা করিব এখন*।
*শুনি তাঁহার বচন,পিতা মাতা মুগ্ধ হন,*
*কৃষ্ণের মায়ায় তবে হইল বন্ধন*।।
*কংসের বিনাশকারী,সর্বজন ত্রাতা হরি,*
*উগ্রসেন রাজ্য দেন হ'য়ে ফুল্লমন।*
*পিতৃপদে নারায়ণ,করিলেন নিবেদন,*
*শোন পিতা আমরা যে দেবকী নন্দন।।*
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🦜🌷🌷🌷🌷🌷🌷
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৭৯. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori79.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
