শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৮০. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori80.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৭৯. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori79.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৮০. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori80.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৮০)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
   *শ্রীপাদ্ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*🌹যে কথা পূর্বেই বলা হয়েছে শ্রীহট্টের পূর্ণিপাট গ্রামে এক ধর্মপরায়ণ ব্রাহ্মণবংশে তাঁর জন্ম হয়  এবং তিনি ছিলেন বারেন্দ্র শ্রেণীর ব্রাহ্মণ।উপনয়ন সংস্কারের পর এই বালককে চতুষ্পাঠীতে ভর্তি করে দেওয়া হয়। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সব শাস্ত্র আয়ত্ত করে ফেলেন যা দেখে তার শিক্ষক বা আচার্য‍্যগণ বিস্ময়াবিষ্ট হয়ে যান।এইভাবে তিনি সর্ব শাস্ত্রে বিপুল জ্ঞানার্জন করেন এবং ক্রমে যৌবনকালে পূর্বজন্মের সংস্কার বলে ভগবদ্ প্রেমের বিকাশ ঘটতে থাকে।বেদ,বেদান্ত,ভাগবদ্ ইত্যাদি হিন্দুধর্মের সুপ্রাচীন গ্রন্থ সমূহ অধ‍্যয়ন করে তৎকালীন শ্রীহট্ট তথা পূর্ববঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাঁর প্রতিভার আলোক ছড়িয়ে পড়ে। এই সময় মাধবেন্দ্রপুরী অধ‍্যাপনার মাধ‍্যমে বেশ অর্থও উপার্জন করতে লাগলেন এবং পুত্রের যৌবনকাল সমাগত দেখে মাতাপিতা তাঁর বিবাহ দিবার সিদ্ধান্ত নেন। এইভাবে তিনি সংসার আশ্রমে আবদ্ধ হন।ক্রমে এই বিবাহের ফলে তাঁর একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে যাঁর নাম বিষ্ণুদাস*।
*🔵সাধারণতঃ মনে হয় যে কৃষ্ণ প্রেমের আকর মাধবেন্দ্রপুরী,যিনি হচ্ছেন শ্রীপাদ ঈশ্বরপুরীর গুরুদেব তিনি বোধহয় কখনও সংসারী জীবন যাপন করেন নাই কিন্তু তা প্রকৃত তথ‍্য সত‍্য নহে। কিন্তু তাঁর পরবর্তী জীবন পর্য‍্যালোচনা করলে দেখা যায় যে এই বিবাহ এবং সন্তান জন্মের মাধ‍্যমে তাঁর ভক্তিময় জীবনের উন্মেষ ঘটেছিল।অর্থ‍্যাৎ পুত্রের জন্মের কিছুদিনের মধ্যেই তাঁর পত্নীবিয়োগ হয় এবং ধীরে ধীরে সংসার জীবনের প্রতি তাঁর বীতস্পৃহা (আকাঙ্ক্ষারহিত) বা অনীহা জন্মে। তিনি এই নাবালক পুত্রকে সঙ্গে করে গঙ্গাতীরে বাস করবার মানসে বঙ্গদেশের কুমার হট্টের সন্নিকটে (বর্তমান কামারহাটী) বিষ্ণুগ্রামে আগমন করে এক চতুষ্পাঠী খুলে অধ‍্যাপনার কাজে নিজেকে নিয়োগ করেন এবং এই সময়ে তাঁর কৃষ্ণভক্তির বিকাশ দর্শন করে শ্রীপাদ ঈশ্বরপুরী তাঁর শিষ‍্যত্ব গ্রহণ করেন কারণ তাঁর আদি নিবাসও ছিল এই অঞ্চলে। অতঃপর শ্রীহট্টের লাউড় গ্রামের এক তরুণ ছাত্র (কমলাক্ষ)তাঁর ভক্তিশাস্ত্রের পান্ডিত‍্য এবং শাস্ত্রজ্ঞানে আকৃষ্ট হয়ে তাঁর চতুষ্পাঠীতে ভর্ত্তি হন। ক্রমে তাঁর শিষ‍্যত্ব গ্রহণ করেন।এই কমলাক্ষই হচ্ছেন মহিবিষ্ণুর অবতার শ্রীঅদ্বৈতাচার্য‍্য।কমলাক্ষকে দর্শন করা মাত্র মাধবেন্দ্রপুরী তাঁর মধ্যে অনন‍্য সাধারণ গুণাবত্তার পরিচয় প্রাপ্ত হলেন এবং তাঁর সূক্ষ্মদৃষ্টির দ্বারা  সাগ্রহে এবং সানন্দে তাঁকে নিজ কোলে স্থান দিলেন।অধ‍্যাপনা কালে কৃষ্ণপ্রেমের অফুরন্ত পিপাসা তাঁর মধ্যে ধীরে ধীরে জেগে উঠতে থাকে এবং তখন আর তাঁর বিষ্ণুগ্রামে থেকে অধ‍্যাপনা করতে মন চাইল না। সেজন‍্য প্রিয়শিষ‍্য কমলাক্ষের কাছে নিজপুত্র বিষ্ণুদাসকে সমর্পণ করে মায়ার বন্ধন হতে নিজেকে চিরতরে মুক্ত করে দক্ষিণ ভারত পরিক্রমায় বাহির হয়ে পড়লেন।*
*🦚বিদায় বেলায় গুরু-শিষ‍্যের সংলাপ বড়ই করুণ এবং হৃদয়গ্রাহী।তিনি বিষ্ণুদাসকে কমলাক্ষের হাতে সমার্পণ করে কহিলেন যে বাবা!কৃপাময় ভগবান তোমাকে আমার সান্নিধ্যে এনে দিয়েছিলেন।বিষ্ণুদাস আমার নাবালক সন্তান ওর দেখাশোনার সব দায়িত্ব তোমার উপর রইল। আমি চলিলাম এক নব জীবনের সন্ধানে।মনের গোপন বাসনা কন্থাকরঙ্গধারী হয়ে বেড়িয়ে পরব এবং কোনদিন যদি আমার ইষ্টদেবের দর্শন মেলে তখনই আবার আসিব।*
*🙏গুরুদেবের এই মনোবাঞ্জা শুনে কমলাক্ষের শিরে যেন বজ্রাঘাত হ'ল এবং তিনি অশ্রুসজল কন্ঠে রোদন করতে লাগলেন।শিষ‍্যের এই অবস্থা দেখে গুরুদেব তাঁকে সান্ত্বনা দিবার ছলে বললেন যে, বাবা! আমার মত অভাগার জন্য তোমার এই নয়নবারি শোভা পায় না।🌹কাঁদতেই যদি হয়  তবে কলির এই হতভাগা কৃষ্ণবহির্মুখ জীবের জন্য কাঁদ,যাতে তিনি (ভগবান) আবির্ভূত হয়ে জীব উদ্ধার কার্য‍্য সম্পাদন করেন।কমলাক্ষ তখন গুরুদেবের কথা শুনে কিছু  শান্ত হয়ে কহিলেন গুরুদেব!কলির জীবের কি এই ভাগ‍্য হবে?তখন তাঁকে আশ্বাসবাণী প্রদান করে তিনি বললেন হ‍্যাঁ বাবা, তাঁর আসবার সময় হয়ে গেছে। পৃথিবী আজ পাপে পরিপূর্ণ,ধর্মের গ্লানিতে ভরপুর, সেইজন‍্য গীতার বাণী সত‍্যতা প্রকটের সময় আগত প্রায়। সেই জন্য তাঁর আবির্ভাবকে বাস্তবে রূপায়িত করবার জন্য আমি তিল-তুলসী হাতে নিয়ে ভারতের তীর্থে তীর্থে কাঁদতে বেরোচ্ছি আর তুমিও তুলসী-গঙ্গাজলের দ্বারা তাঁর জন্য কেঁদে কেঁদে প্রার্থনা জানাও।এই সমস্ত গোপন কথা প্রিয়শিষ‍্য কমলাক্ষকে বলে তিনি তাঁকে নানারকম প্রবোধ দিয়ে কৌপীন ও বহির্বাস সম্বল করে দক্ষিণ ভারত মুখে যাত্রা করেন।🍀আমরা গঙ্গাজল ও তুলসী দ্বারা অদ্বৈতাচার্য‍্যের যে প্রার্থনার কথা জানি তার মূল হোতা হচ্ছেন শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী। গুরুবাক‍্য শিরোধার্য‍্য করে তিনি সাধন পথে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। যে কথা বৈষ্ণব পদাবলীতে পাওয়া যায়।*

*আঁখি মুদি রহে, প্রেমে নদী বহে,*
        *বসন তিতিল ঘামে।।*
*নিজ প্রভু মনে,        ঘন গরজনে,*
      *উঠে জোড়ে জোড়ে লম্ফ।*
*ডাকে বাহু তুলি,কাঁদে ফুলি ফুলি,*
       *দেহে বিপরীত কম্প।।*
*অদ্বৈত হুঙ্কারে,  সুরধূনীর তীরে,*
       *আইলা নাগর রাজ।*
*তাহারই পিরীতে, আইলা তুরিতে,*
        *উদয় নদীয়া মাঝ।।*
*🪷এইভাবে প্রিয় শিষ্য কমলাক্ষের উপর যৌথ-দায়িত্ব অর্পণ করে মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী দাক্ষিণাত‍্য ভ্রমণে বাহির হন। উপরিউক্ত ঘটনাবলীর মধ‍্য দিয়ে কৃষ্ণপ্রেমের উন্মাদনায় পুনরায় নবদ্বীপে প্রত‍্যাগমন করেন এবং অবশেষে মনস্থ করেন যে কৃষ্ণপ্রেমের যে আদি উৎস সেই বৃন্দাবন ধামে গমন করে ইষ্টদেবের আরাধনায় নিজেকে নিবদ্ধ রাখবেন।* *পুরী গোস্বামী কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা হয়ে এমনই ভাবান্তর হয়েছিলেন যে নীল আকাশের দিকে তাকালেই তাঁর মনে কৃষ্ণস্ফূর্তি হত।আকাশে মেঘ দেখে ময়ূর ময়ূরী যখন শিখিপুচ্ছ বিস্তার করে নৃত্য করিত, তারদর্শনে মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামীর হৃদয় মনও কৃষ্ণপ্রেমের উন্মাদনায় নৃত্য করিত।নীল নভোমন্ডলের দিকে তাকালে তাঁর মনে সেই শ‍্যামসুন্দরের স্মৃতি জাগরিত হত এবং বিরহের উন্মাদনায় তাঁর কপোলদ্বয় অশ্রুধারায় ভেসে যেত। অর্থ‍্যাৎ তিনি শয়নে স্বপনে জাগরণে সদাসর্বদা কৃষ্ণ সান্নিধ্য এবং কৃষ্ণবিরহ অনুভব করতেন।তাঁর এইসব ভাব-বিকার দেখে ব্রজবাসীগণ তাঁকে কৃষ্ণপাগল সন্ন‍্যাসী আখ‍্যা দিয়েছিলেন।*
👣👣👣👣👣👣🙏👣👣👣👣👣👣
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৮১. শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori81.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




adds