✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৭৫. শ্রীগোপালগুরু প্রসঙ্গ সংক্ষেপে 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori75.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭৬. শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori76.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৬)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*🌷শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ🌷*
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🔶এই মহাপুরুষ ছিলেন শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজের ছোট ভাই।বাল্যকালে মাতামহের আশ্রয়ে লালিত পালিত হওয়ার প্রভাবে তিনি শক্তি দেবীর উপাসনা করতেন। তাঁর সেবানিষ্ঠায় মুগ্ধ হয়ে শক্তিদেবী তাঁকে নানাভাবে কৃপা করেছিলেন।তাঁর শক্তি পূজোর কয়েকটি অপূর্ব কাহিনী এখানে বর্ণিত হবে।*
*🍀একদিন এক বিপ্রবৈষ্ণব তাঁর ধর্মমত ধা জেনে তাঁর গৃহে আতিথ্য গ্রহণ করেন।নিত্যসেবার প্রথানুযায়ী তিনি গোবিন্দ কবিরাজের পূজার ঘরে সন্ধ্যা আহ্নিক নিমিত্ত প্রবেশ করেন।দেবী গৃহে সাজসজ্জা এবং পূজার উপচার দেখে তিনি মনে মনে বড়ই তৃপ্তিলাভ করলেন এবং পত্র পুষ্প ফল জল প্রসাদ যা সব দেবী পূজার জন্য আগেই সাজানো ছিল তা সব মানসে শালগ্রাম শিলার উদ্দেশ্যে সমর্পণ করলেন যদিও সেই পূজাগৃহে কোন শালগ্রাম শিলা বিগ্রহ স্থাপিত ছিলেন না।অতঃপর নিত্যসেবার জন্য নিয়োজিত পূজারী এসে যথাসময়ে দেবী পূজো আরম্ভ করলেন। এবং সেইসব পূজার উপচার যথারীতি দেবী পূজায় সমর্পণ করলেন।এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে আগের বিপ্রবৈষ্ণব সব প্রসাদ মনে মনে সঙ্কল্প করে শালগ্রাম শিলার উদ্দেশ্যে সমর্পণ করেছিলেন অর্থ্যাৎ তিনি কোন উপচার স্পর্শ করে বিগ্রহের উদ্দেশ্যে সাধারণ পূজার প্রথা অনুযায়ী সমর্পণ করেননি।সেই জন্য নিত্যসেবার অধিকারী যে পূজারী, তিনি আগের ব্যাপার কিছুই জানা ছিল না এবং তিনি শালগ্রামে সমর্পিত সেইসব দ্রব্যাদি যথারীতি দেবী পূজায় ব্যবহার করে পূজা সমর্পণ করে চলে গেলেন। অর্থ্যাৎ শালগ্রমে সমর্পিত প্রসাদী দ্রব্যাদি দেবীকে সমর্পণ করা হয় পূজারীর অজান্তে।*
*🌺কৃপাময়ী শক্তিদেবী রাত্রে স্বপ্নযোগে গোবিন্দ কবিরাজকে বললেন যে সেই দিনের প্রসাদে তিনি যে তৃপ্তি এবং সুখ পেয়েছেন এইরকম আর আগে তিনি কখনও পাননি।গোবিন্দ কবিরাজ পূর্বাপর (আগাগোড়া)কিছু অবগত না হয়ে স্বপ্নের মাধ্যমে শক্তি দেবীকে কহিলেন যে "মাতঃ আপনার কথা তো আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না, কৃপা করে মূল কথার রহস্য উদ্ঘাটন করে অধমকে কৃতার্থ করুন।" শক্তদেবী তখন স্বপ্নের মাধ্যমে সমস্ত বৃত্তান্ত বিবৃত করে আগাগোড়া সব ঘটনা বললেন। বললেন যে বিষ্ণুপ্রসাদ পেয়ে নিজেকে কৃতার্থ বোধ করেছেন এবং এতেই তাঁর এত তৃপ্তি এবং এত আনন্দ।সেইদিন হতেই গোবিন্দ কবিরাজ মহাশয় বিষ্ণু প্রসাদের মহিমা উপলব্ধি করতে পারলেন, যদিও তিনি মনে প্রাণে শাক্ত ছিলেন।*
*🍀অন্য একদিনেও এইরকম একটি ঘটনা ঘটেছিল যাঁর হোতা ছিলেন শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ স্বয়ং।আপনারা সকলে নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে তাঁর জ্যেষ্ঠ ভাই রামচন্দ্র কবিরাজ ছিলেন বিষ্ণুভক্ত যদিও তাঁর ভাই এই গোবিন্দ ছিলেন পরম শাক্ত।এই রামচন্দ্র কবিরাজ একদিন বুধুরিতে ভাই গোবিন্দ কবিরাজের গৃহে আগমন করেন এবং দেখেন যে তাঁর পুষ্পোদ্যানে নানারকম ফুল ফুটে মনোরম শোভা সৃষ্টি করেছে। গোবিন্দ কবিরাজ এইসব ফুল দিয়ে শক্তি পূজো করতেন এবং সেইজন্য নানারকম ফুলের বাগান তাঁর বাড়ীতে ছিল।বিষ্ণুভক্ত রামচন্দ্র কবিরাজ মনোরম সেইসব সুন্দর সুন্দর ফুল দেখে মানসে সব শ্রীকৃষ্ণ পাদপদ্মে সমর্পণ করলেন। অর্থ্যাৎ গাছের ফুর গাছেই রইল কিন্তু রামচন্দ্র কবিরাজ মানসে তা শ্রীগোবিন্দ পাদপদ্মে সমর্পণ করলেন এবং এইকথা একমাত্র রামচন্দ্র কবিরাজ ছাড়া আর অন্য কেউই জানতে বা বুঝতে পারলেন না।পরে যথারীতি গোবিন্দ কবিরাজ সেইসব ফুল চয়ন করে দেবীর শ্রীচরণে যখন সমর্পণ করতে যান তখন শক্তিদেবী সাক্ষাৎ আবির্ভূতা হয়ে তাঁকে বললেন--,*
*🍁সম্বর,সম্বর গোবিন্দ এ যে শ্রীকৃষ্ণ পূজার ফুল, এ তো আমার চরণে দেওয়া সাজে না, এ ফুল আমার মাথায় দাও।এ ফুল কৃষ্ণের প্রসাদী ফুল, আমার মস্তকে দাও। গোবিন্দ কবিরাজ আগাগোড়া কিছুই জানতেন না কিন্তু শক্তিদেবী কৃপা করে এই রহস্রের উদ্ঘাটন করে সব আগাগোড়া ঘটনা বললে গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীকৃষ্ণের মহিমা বা গোবিন্দ মহিমা উপলব্ধি করতে পারলেন।পরে এই গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য্যের কৃপায় দুরারোগ্য গ্রহণী রোগ হতে নিরাময় হন এবং বিষ্ণুমন্ত্রে দীক্ষিত হন।আগে থেকেই তাঁর হৃদয় মন্দিরে ভক্তি বীজের উন্মেষ বা উদয় ঘটেছিল। পরে শ্রীগুরু কৃপায় তা সম্পূর্ণরূপে বিকশিত হয়। অর্থ্যাৎ আজীবনের শাক্ত গোবিন্দ কবিরাজ মহাবৈষ্ণবে পরিণত হলেন। তাঁরই রচিত একটি কৃষ্ণ-গুণগান বৈষ্ণব জগতের এক অমূল্য সম্পদ যা অদ্যাপি তাঁর স্মৃতি বহন করে বিরাজিত।*
*ভজহু রে মন, শ্রীকৃষ্ণ নন্দন,*
*অভয়চরণার বিন্দরে।*
*দুর্লভ এ মানব, তা সহ তরহ,*
*এ ভব সিন্ধুরে।।*
*শীত আতপ, বাত বরিখনে,*
*এ দিন যামিনী জাগিরে।*
*বিফলে সেবিনু, কৃপণ দুরজন,*
*চপল সুখলব লাগিরে।।*
*এ ধন যৌবন, পুত্র পরিজন,*
*ইথে কি আছে পরতিত রে।*
*নলিনী দল জল, জীবন টলমল,*
*ভজহুঁ হরিপদ নিতিরে।।*
*শ্রবণ কীর্তন, স্মরণ বন্দন,*
*পাদ সেবন দাস্য রে।*
*পূজহুঁ সখীজন, আত্ম নিবেদন*
*গোবিন্দ দাস অভিলাষ রে।।*
*🌹কৃষ্ণভক্তি জগতে এক মাতার দুই সন্তান হিসাবে তাঁরা উভয়েই চিরভাস্বর হয়ে আছেন।বড় শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ এবং ছোট শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ।এই গোবিন্দ কবিরাজের ভক্তিময় জীবনের অনেক কাহিনী আছে।*
🔵🔵🔵🔵🔵🔵🔴🔵🔵🔵🔵🔵🔵
*জননীর স্নেহ যত,বর্ণিতে অশক্ত অত,*
*এ স্নেহ সঞ্চিত শুধু সন্তান কারণে।*
*মাতা সম গুরুজন,নাহি বিশ্বে কোন জন,*
*তাঁর সম বন্ধু নাই এ তিন ভুবন।।*
*শত বর্ষ পুত্র যদি,সমর্পিয়া নিজ হৃদি,*
*সেবা করে নিরবধি পিতা ও মাতারে।*
*তবুও সে নাহি পারে,পূর্ণ সেবা করিবারে,*
*পিতৃ মাতৃ ঋণ কেহ শোধিতে না পারে।।*
🌸🌸🌸🌸🌸🌸🦜🌸🌸🌸🌸🌸🌸
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৭৭. বাসুদেব ঘোষের একটি পদাবলী 🌻 পাশাখেলা লীলার 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori77.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
