✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 পূর্ব লীলা 👉 ৭৩. রামচন্দ্র কবিরাজ ও গুরুভক্তি 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori73.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭৪. নরোত্তম দাস ঠাকুরের পরীক্ষা 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori74.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৪)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*নরোত্তমদাস ঠাকুরের পরীক্ষা*
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
*🙏শ্রীজীব গোস্বামী ছিলেন শ্রীধাম বৃন্দাবনের মুকুটমণি।সব ব্যাপারেই তিনিই ছিলেন সর্বপ্রধান।কোনও এক সময় "কৃষ্ণদাস ও রামদাস" নামক দুইজন পরম বৈষ্ণব বৃন্দাবন দর্শন করতে আসেন।কিছুদিন থাকবার পর তাঁরা পদব্রজে নীলাচল ধাম দর্শনের ইচ্ছায় শ্রীজীব গোস্বামীর কাছ হতে বিদায় ভিক্ষা করেন।শ্রীজীব গোস্বামী তাঁদের বিদায় দিবার কালে এক অভূতপূর্ব আদেশ করলেন যে তাঁরা যেন সোজা নীলাচল গমন না করেন এবং যেন খেতুরী দর্শন করে নীলাচল গমন করেন। মহাপুরুষদের সব কাজের মধ্যেই একটা প্রচ্ছন্ন (গুপ্ত) ইঙ্গিত থাকে এবং সেই হিসাবে শ্রীজীব গোস্বামী এর কারণ ব্যাখ্যা করে বললেন যে খেতুরীতে উপস্থিত হয়েই তাঁরা যেন নরোত্তম ঠাকুরের কাছে বলেন যে তাঁদের খুবই ক্ষুধা পেয়েছে, তাঁরা ক্ষণকাল দেরী করতে পারবেন না ইত্যাদি।এর কারণ কি তা জিজ্ঞাসা করবার মত সৎ সাহস তাঁদের কারও ছিল না কারণ বৈষ্ণব জগতের আজ্ঞা বলবান।*
*🌺যথারীতি বহুদিন পরে তাঁরা পদব্রজে একদিন দুপুরবেলা খেতুরীতে এসে উপস্থিত হয়ে নরোত্তম ঠাকুরকে যথাযোগ্য সম্মানের সঙ্গে নিজ পরিচয় দিলেন এবং বললেন যে তাঁরা ক্ষুধার জ্বালায় মরণাপন্ন এবং অবিলম্বে প্রসাদান্নের ব্যবস্থা করতে হবে।ধাম প্রত্যাগত,পথশ্রান্ত দুইজন বৈষ্ণবকে এইরকম ক্ষুধার্ত দেখে ঠাকুর মহাশয় শশব্যস্তে তখুনি ভোগ মন্দির অভিমুখে গমন করলেন এবং খবর নিয়ে জানতে পারলেন যে ভোগের সব ব্যবস্থা হয়েছে ও অতি সত্ত্বর ভোগ সমর্পণ হবে।এই বৃত্তান্ত অভ্যাগত বৈষ্ণবদ্বয়কে বলিলে তাঁরা বললেন যে ভোগের পর প্রসাদ পেতে গেলে অনেক দেরী হবে এবং তাঁরা এত ক্ষুধার্ত যে অত সময় পর্যন্ত তাঁরা অপেক্ষা করতে পারবেন না।*
*🍀ঐ দুই বৈষ্ণবগণ ক্ষুধার জ্বালায় কষ্ট পাচ্ছেন,ভোগ সমর্পণ করে আরতি ইত্যাদি হবার পর প্রসাদান্ন পেতে অনেক দেরী হবে বুঝে নরোত্তম ঠাকুর ভোগের আগেই সেইসব ভোগের দ্রব্য শ্রীবিগ্রহকে সমর্পণ না করেই তা উঠিয়ে এনে বৈষ্ণবগণকে পরম পরিতোষ সহকারে ভোজন করালেন।তাঁর সিদ্ধান্তের উপর কথা বলবার মত সাহস কারও ছিল না এবং বৈষ্ণবগণের ক্ষুধা নিবারণের পর তিনি পুনরায় সব সংস্কার করিয়ে দ্বিতীয়বার ভোগ রন্ধনের ব্যবস্থাদি করে, খুব দেরীতেই সেদিন মন্দিরের ভোগ আরতি ইত্যাদি সব কাজ করালেন।আশ্রমবাসী শিষ্যভক্তগণ মুখে কিছু না বললেও মনে মনে এই দুইজন বৈষ্ণব সম্বন্ধে খুবই বিরূপ ধারণা পোষণ করলেন যা খুবই স্বাভাবিক।অভ্যাগত বৈষ্ণবগণ অতীব সঙ্কোচ বোধ করলেও তাঁদের কোন স্বাধীনতা ছিল না কারণ তাঁরা শ্রীজীব গোস্বামীর আদেশ পালন করছেন মাত্র।সেই রাত্রে মহাপ্রভু নরোত্তম ঠাকুরকে স্বপ্নযোগে বললেন যে "বৈষ্ণব সেবাতেই আমার সেবা হয়, আমার জন্য আর দ্বিতীয়বার ভোগ রন্ধনের প্রয়োজন ছিল না। কারণ বৈষ্ণব সেবাতেই আমি পরিতৃপ্ত"।পরদিন সকালবেলা নরোত্তম ঠাকুর মহাশয় এই স্বপ্ন বৃত্তান্ত সকলের বলিলে অভ্যাগত বৈষ্ণবদ্বয় আনন্দাশ্রু বর্ষণ করতে লাগলেন এবং মহাপ্রভুর প্রীতির গভীরতা উপলব্ধি করলেন।আশ্রমবাসী বৈষ্ণব মহান্তগণ নিজেদের সঙ্কীর্ণ মানসিকতার জন্য অনুতাপানলে দগ্ধ হতে লাগলেন।"বৈষ্ণব যে কি বস্তু, কিভাবে যে তাঁদের মর্য্যাদা দিতে হয় এটি জীবজগতকে বুঝাবার জন্যই শ্রীজীব গোস্বামী এইরকম আদেশ করে নরোত্তম ঠাকুরের মাধ্যমে বৈষ্ণব মহিমা প্রকাশ করেছিলেন।সেজন্য বৈষ্ণবের গুণাগুণ বিচার করবার অধিকার আমাদের নেই,তাঁদের বিষ্ণুদাস জ্ঞানে,প্রত্যেকেরই মর্য্যাদা দান করা উচিৎ।কারণ শ্রীজীব গোস্বামীর আদেশ মানেই মহাপ্রভুর ইচ্ছা।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*জনার্দন সেইক্ষণ,মায়া করি বিস্তারণ,*
*তাঁহাদের দেবজ্ঞান করেন হরণ*।
*মাতা দেবকী তখন,পুত্রে ত্বরা কোলে লন,*
*স্নেহের পরশ দেন করিয়া চুম্বন*।।
*মাতা তবে পুত্রে বলে,বাপ কত ব্যথা দিলে,*
*সহিয়াছি কত ক্লেশ তোমার কারণ।*
*বড় কঠিন জীবন,আছে তাই এতক্ষণ,*
*ডেকেছি তোমায় কত করেছি রোদন।।*
🦚🦚🦚🦚🦚🦚🪔🦚🦚🦚🦚🦚🦚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৭৫. শ্রীগোপালগুরু প্রসঙ্গ সংক্ষেপে 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori75.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
