✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ অনন্ত কোটি ব্রম্ভান্ডের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণঃ সচ্চিদানন্দ বিগ্রহঃ।।
অনাদিরাদিগােবিন্দঃ সর্বকারণকারণম্ ॥
(ব্ৰহ্ম সংহিতা )
অর্থাৎ, কৃষ্ণই পরম ঈশ্বর, যাঁর বিগ্রহ সর্বদা আনন্দদায়ক। তিনি সকল অবতারের আদি, এবং সকল কারনের কারন।।
শ্রীকৃষ্ণই হচ্ছেন পরম ঈশ্বর, সর্বকারণের পরম কারণ। চৈতন্যচরিতামৃতে বলা আছে- একলা ঈশ্বর কৃষ্ণ আর সব ভৃত্য। আবার ভাগবতম্ এ বলা আছে-কৃষ্ণস্তু ভগবান স্বয়ম্। অর্থাৎ, শ্রীকৃষ্ণই হচ্ছে ভগবান। ব্যাসদেবের পিতা পরাশর মুনি ভগবানের ব্যাখ্যায় বলেছেন- সমগ্র ঐশ্বর্য,সমগ্র বীর্য,সমগ্র যশ,সমগ্র সৌন্দর্য,সমগ্র শক্তি ও সমগ্র বৈরাগ্য যার মধ্যে পূর্ণরুপে বিদ্যমান তিনিই ভগবান।"একমাত্র কৃষ্ণের মাঝেই সব কিছু বিদ্যমান।
হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে।
গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধা কান্ত নমহস্তুতে।।
নমো ব্রহ্মণ্য দেবায় গো-ব্রহ্মণ্য হিতায় চঃ।
জগদ্ধিতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমঃ নমঃ।।
পরমেশ্বর ভগবানের সমগ্র সৃষ্টিতে দুই প্রকারের জগত রয়েছে। একটি হচ্ছে চিন্ময় জগত এবং অপরটি হচ্ছে জড় জগত। এর মধ্যে ৩ ভাগ হচ্ছে চিন্ময়.জগত আর কেবল ১ ভাগ হচ্ছে জড় জগত।
চিন্ময় জগতের পরিচিতি সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তার কিছু বৈশিষ্ঠ আছে। সেই. চিন্ময় জগতের বৈশিষ্ট হচ্ছে, "মহাপ্রলয়ের সময় সমস্ত কিছু ধ্বংস হলেও এই চিন্ময় গ্রহলোক গুলোর.কখনো বিনাশ হয় না। এখানে সব কিছুই সদা নিত্য এবং পরম আনন্দময়।"
ভগবান শ্রীগীতায় বলেছেন, "সেখানে যে একবার যায়, তাকে আর এই দুঃখময় জড় জগতে ফিরে আসতে হয় না। জন্ম-মৃত্যু, জরা-ব্যাধি, দুঃখ-কষ্টের লেশ পর্যন্ত নাই সেখানে।" সেটাই হচ্ছে সকল জীবের পরমাগতির স্থান।
শ্রীগোলক বৃন্দাবন:- চিন্ময় জগতের সর্বোচ্চ ধাম হচ্ছে শ্রীগোলোক বৃন্দাবন। স্বয়ং ভগবান এখানে শ্রীব্রজেন্দ্রনন্দনকৃষ্ণ রুপে অবস্থান করেন। মুলত এটিই হচ্ছে ভগবানের আদি রুপ। আদি এই চিন্ময় শ্রীগোলোক বৃন্দাবন ধামটি দেখতে সুবিশাল পদ্মফুলের মতো। এটিই হচ্ছে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পরমধাম। এই চিন্ময় ধামকে আলোকিত করার জন্য কোনো সুর্য বা নক্ষত্রের প্রয়োজন হয় না। মুলত এই শ্রীগোলোক বৃন্দাবন ধাম থেকে যে ব্রহ্মজ্যোতি নির্গত হয়, তার আলোতেই সমস্ত চিন্ময় জগত আলোকিত হয়। এখানে ঋতু মানেই বসন্তকাল। সেখানকার বৃক্ষগুলো হচ্ছে কল্পবৃক্ষ, গাভী গুলো হচ্ছে সুরভী গাভী। সেখানকার ঘর-বাড়ী এবং রাস্তাগুলো চিন্তামণি পাথর দ্বারা নির্মিত। সেখানে সহস্র শত লক্ষ্মীদেবী একনিষ্ঠ প্রেমোময়ী শ্রদ্ধা ও ভক্তির সাথে শ্রীকৃষ্ণের সেবা করে চলেছেন। মুলতঃ গোলোকের লক্ষীদেবীরাই হচ্ছেন সমস্ত বৈকুন্ঠলোকের লক্ষ্মীদেবীদের উৎস।
সেখানে চলা মানেই নৃত্য এবং কথা মানেই গীত। মুলত এই গীত থেকেই গীতা শব্দটি এসেছে। পরম আনন্দময় সেই জগতে কোনো জন্ম-মৃত্যু, জরা-ব্যাধি, রোগ-শোকের লেশ পর্যন্ত নেই সেখানে। সদা নিত্য এবং চির আনন্দময় শ্রীকৃষ্ণের সেই পরমধাম। শ্রীকৃষ্ণ সেখানে তাঁর সখাদের সাথে মনের আনন্দে গাভী চরান এবং সখীদের সহিত নানান রকম লীলাবিলাসের মাধ্যমে ভক্তদের আনন্দে মাতিয়ে রাখেন।
চিন্ময় জগতের অন্যান্য ধামসমুহ:-
শ্রীগোলোক বৃন্দাবন থেকে যে.ব্রহ্মজ্যোতি নির্গত হচ্ছে, তার আলোতেই সমস্ত চিন্ময় জগত আলোকিত হয়। এই ব্রহ্ম জ্যোতির মাঝে রয়েছে অসংখ্য চিন্ময় গ্রহপুঞ্জ। প্রতিটি গ্রহপুঞ্জ গুলোই হচ্ছে এক একটি বৈকুন্ঠ জগত। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অংশ প্রকাশ শ্রীনারায়ণ হচ্ছেন এই বৈকুন্ঠ জগতের অধীশ্বর। অর্থাৎ ভগবান এখানে শ্রীনারায়ণ রুপে পুজিত হন। প্রতিটি বৈকুন্ঠে একজন করে নারায়ণ এবং লক্ষ্মীদেবী রয়েছেন।
সেখানকার সকলেই হচ্ছেন নিত্য মুক্ত জীব। এরা সকলেই ভগবান শ্রীনারায়ণের মতস চতুর্ভুজ স্বরুপ প্রাপ্ত হন। অর্থাৎ চার বাহু বিশিষ্ট চতুর্ভুজাকৃতির। সাধারণত বৈধী ভক্তির মাধ্যমে যাঁরা ভগবানের আরাধনা করেন, তাঁরা মুক্তির পর বৈকুন্ঠধাম প্রাপ্ত হন। আবার যাঁরা ভগবানের আদিরুপ শ্রীকৃষ্ণের প্রেমোময়ী সেবায় যুক্ত। মুক্তির পর তাদের পরমাগতি হয় কৃষ্ণলোকে অর্থাৎ শ্রীগোলোক বৃন্দাবনে। আর যাঁরা ভগবানের নিরাকার রূপের উপাসক এবং ভগবানের সাথে বিরুদ্ধাচরণ করে মুক্তি লাভ করেন, তাঁরা এই ব্রহ্মজ্যোতিতে লীন হয়ে থাকেন। একে বলা হয় সাযুজ্য মুক্তি। এটাই হচ্ছে মায়াবাদী এবং আসুরিক প্রকৃতির জীবদের পরমাগতির স্থান। তারা কখনই ভগবদ ধামে প্রবেশ করতে পারেনা।
ভগবান তাদের কাছে নিরাকার রুপেই প্রকাশিত হন। চিন্ময় জগতে গোলোক বৃন্দাবন এবং বৈকুন্ঠধামের মাঝেও ভগবানের আরো ৪টি ধাম রয়েছে। পর্যায়ক্রমিক ভাবে এই ধামগুলোর পরিচিতি দেওয়া হলো।
মথুরা:- মথুরেশ কৃষ্ণ এবং তদ্রুপ অভিমান দ্বিভুজ এবং চতুর্ভুজ রুপে অবস্থান করেন।
দ্বারকাপুরী:- দ্বারকাধীশ কৃষ্ণ, তদ্রুপ অভিমান দ্বিভুজ এবং চতুর্ভুজ রুপে অবস্থান করেন।
অযোধ্যা:- ভগবান এখানে শ্রীরামচন্দ্র তথা দ্বিভুজ রুপে অবস্থান করেন।
বৈকুন্ঠধাম:- এখানে ভগবান শ্রীনারায়ণ তথা চতুর্ভুজ রুপে অবস্থান করেন।
কৈলাস:- এই স্থানে শিব-পার্ব্বতী এবং তাহাদের পুত্র কন্যাগণের বাস। ব্রহ্মবৈবর্ত্ত পুরাণের ব্রহ্মখণ্ডে উদ্ধৃত আছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বামপার্শ্ব হইতে শুদ্ধ স্ফটিকের ন্যায় শুক্লবর্ণ পঞ্চবদন দিগম্বর মহেশ্বর আবির্ভূত হয়েছিলেন। এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কাছে সর্বপ্রথম নববিধা ভক্তি ( ভক্তির এই নয়টি অঙ্গ হল- ১. শ্রবণ, ২. কীর্তন, ৩. অর্চ্চন, ৪. বন্দন, ৫. স্মরণ, ৬. পাদসেবন, ৭. দাস্য, ৮. সখ্য ও ৯. আত্ম নিবেদন) বর দান পান এবং তেনার ভক্তি লক্ষণ দেখে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মহেশ্বরকে অমরত্ব প্রাপ্ত লাভের বর দান করেন এবং তিনি বলেন মৃত্যুঞ্জয় হইয়া তুমি সকলের হইতে মহান হও, তুমি সিদ্ধি, সমুদয় বেদ ও সর্ব্বজ্ঞাতা লাভ কর। হে বৎস শিব! তুমি অবলীলাক্রমে অসংখ্যবার ব্রহ্মার পতন দর্শন করবে, আজ হইতে তুমি জ্ঞান, তেজ , বয়ক্রম, পরাক্রম, মশা প্রতাপে আমারই তুল্য, তুমি আমার প্রাণ হইতে অধিক প্রিয়, তোমার সদৃশ ভক্ত আর নাই। তোমার অপেক্ষায় আমার প্রিয় বন্ধু কেহ নাই, তুমি হলে আমার আত্মার স্বরূপ তাই তোমার নাম দিলাম শিব।
জড় জগতের সৃষ্টি:- জড় জগতটি হচ্ছে চিন্ময় জগতের সম্পুর্ণ বিপরীত। এখানে সব কিছুই বিনাশশীল। এখানে নিত্য সৃষ্টি এবং ধ্বংস লীলা প্রতিনিয়ত চলতেই থাকে। সৃষ্টির আদিতে শ্রীকৃষ্ণের প্রথম প্রকাশ হচ্ছেন শ্রীবলরাম। তাঁর থেকে মহাসংকর্ষণ। মহাসংকর্ষণ থেকে ভগবানের ৩ পুরুষ অবতারঃ-
১, কারণোদকশায়ী বা মহাবিষ্ণু,
২, গর্ভোদকশায়ী বিষ্ণু এবং
৩, ক্ষীরদকশায়ী বিষ্ণু প্রকাশ।
১. মহাবিষ্ণুর প্রকাশ:-
জড় জগত সৃষ্টির শুরুতে কখনো কখনো একখন্ড চিন্ময় মেঘ ব্রহ্মজ্যোতি সমন্বিত চিদাকাশের একটি ক্ষুদ্র অংশকে আচ্ছাদিত করে। সেই আচ্ছাদিত অংশের নাম “মহতত্ত্ব”। তারপর ভগবান নিজেকে মহাবিষ্ণু রুপে বিস্তার করেন এবং এই মহতত্ত্বের জলে শায়িত হন। সেই জলকে বলা হয় কারণসমুদ্র বা কারণজল। মহাবিষ্ণু যখন কারণ সমুদ্রে যোগনিদ্রায় শায়িত হন, তখন তাঁর নিঃশ্বাস থেকে অসংখ্য ব্রহ্মান্ড নির্গত হয়। এই সকল ব্রহ্মান্ডগুলো ভাসমান অবস্থায় কারণ সমুদ্রের জলে সর্বত্র ইতস্তত ছড়ানো থাকে।
২. গর্ভোদকশায়ী বিষ্ণুর প্রকাশ:-
মহাবিষ্ণু আবার প্রতিটি ব্রহ্মান্ডের ভেতরে নিজেকে গর্ভদোকশায়ী বিষ্ণু রুপে প্রকাশ করেন। প্রতিটি ব্রহ্মান্ডের অর্ধেকাংশ তিনি জল দ্বারা পুর্ণ করেন। এটিই হচ্ছে গর্ভসাগর। সেই গর্ভসাগরে ভগবান গর্ভদোকশায়ী বিষ্ণু শেষ নাগের কুন্ডলীর উপর যোগনিদ্রায় শায়িত হন। তখন তাঁর নাভীকমল থেকে পদ্মনালের সৃষ্টি হয়। সেই পদ্মনালের উপর ব্রহ্মান্ডের রচয়িতা শ্রীব্রহ্মাজির প্রকাশ হয়। ভগবানের নির্দেশ অনুসারে জীবের কামনা বাসনা অনুসারে, ব্রহ্মাজি বিভিন্ন আকৃতির জীবদের সৃষ্টি করেন। ডিম্বাকৃতির ব্রহ্মান্ডের অভ্যন্তরের অংশটি অন্ধকারময়। এই অন্ধকার দূর করার জন্য তিনিই সুর্য, চন্দ্র ও অন্যান্য দেবতাদের সৃষ্টি করেন। ভগবানের সমগ্র সৃষ্টিতে এরকম অনন্ত কোটি ব্রহ্মাণ্ড রয়েছে। প্রতিটি ব্রহ্মান্ডেই একজন করে ব্রহ্মান্ডের রচয়িতা ব্রহ্মাজি রয়েছেন। আমাদের ব্রহ্মান্ডের ১৪টি গ্রহলোক সমুহ-
১. সত্যলোক বা ব্রহ্মলোক- ব্রহ্মাজির নিবাস।
২. তপোলোক:- ব্রহ্মার চার পুত্র সনক, সনাতন, সনন্দন এবং সনৎকুমারদের নিবাস।
৩. জনলোক:- নব যোগেন্দ্র ঋষিদের নিবাস।
৪. মহর্লোক:- ভৃগুমণি ও অন্যান্য ঋষিদের নিবাস।
৫. স্বর্গলোক:- দেবতাদের নিবাস।
৬. ভুবর্লোক:- পিতৃপুরুষদের নিবাস।
৭. ভুবলোক বা পৃথিবী:- মনুষ্য, পশু-পাখি ও অন্যান্য জীবদের নিবাস।
৮. অতল:- বল দানবদের নিবাস।
৯. বিতল:- হাটকেশ্বর শিবের নিবাস।
১০. সুতল:- বামন অবতার দ্বারা রক্ষিত বলী মহারাজের নিবাস।
১১. তলাতল:- শিব দ্বারা রক্ষিত ময় দানবদের নিবাস।
১২. মহাতল:- কালীয়নাগ এবং দিতিপুত্র দৈত্যদের নিবাস।
১৩. রসাতল:- অসুরদের নিবাস।
১৪. পাতাল:- বাসুকি নাগের নিবাস।
৩. ক্ষীরোদকশায়ী বিষ্ণুর প্রকাশ:-
ব্রহ্মান্ডের অভ্যন্তরে উর্ধভাগে রয়েছে ক্ষীর সাগর। ভগবান এখানে নিজেকে আবার ক্ষীরোদকশায়ী বিষ্ণুরুপে প্রকাশ করেন এবং ক্ষীরসাগরে অনন্ত শেষ নাগের কুন্ডলির উপর তিনি শায়িত হন। এটি ব্রহ্মান্ডের সত্যলোকের উপরে অবস্থিত। দেবতারা সংকটময় মুহুর্তে এই ক্ষীর সাগরে ক্ষীরোদকশায়ী বিষ্ণুর নিকট স্মরণাগত হন। প্রতি যুগে যুগে ভগবানের যে স্বাংশ প্রকাশের আবির্ভাব ঘটে, তা মুলত এই ক্ষীরোদকশায়ী বিষ্ণুরই অবতার। পৃথিবীর মানুষ তাঁকেই ভগবান নারায়ণ বলে জানে। তিনি আবার প্রতিটি জীবের হৃদয়ে পরমাত্মা রুপেও বিরাজ করেন।
মহাপ্রলয়:-
কল্পারম্ভে অর্থাৎ ব্রহ্মার দিনের শুরুতে সকল কিছুর প্রকাশ ঘটে। আবার কল্পান্তে অর্থাৎ ব্রহ্মার রাত্রিকালীন সময়ে সমস্ত কিছু ধ্বংস প্রাপ্ত হয়ে যায়। একে বলা হয়
আংশিক প্রলয়। পৃথিবীর সময়ে সহস্র চতুর্যুগে হচ্ছে ১ কল্প। অর্থাৎ ব্রহ্মার ২৪ ঘন্টা হচ্ছে পৃথিবীর সময়ের ৮৬৪ কোটি বছর। এভাবে ব্রহ্মা ব্রহ্মলোকের ১০৮ বছর পর্যন্ত জীবিত থাকার পর, দেহ ত্যাগ করেন।
ব্রহ্মার জীবন অবসানের সাথে সাথে সমস্ত ব্রহ্মান্ডের প্রলয় ঘটে। একে বলা হয় মহাপ্রলয়। মহাপ্রলয়ের সময়, এরকম অনন্ত কোটি কোটি ব্রহ্মান্ড মহাবিষ্ণুর দেহাভ্যন্তরে বিলীন হয়ে যায়। অর্থাৎ মহাবিষ্ণু যখন শ্বাস ত্যাগ করেন, তখন তার নিঃশ্বাস ও দেহের লোমকুপ থেকে অনন্ত কোটি কোটি ব্রহ্মান্ডের সৃষ্টি হয়। তিনি যখন উল্টো শ্বাস গ্রহণ করেন তখন সমস্ত ব্রহ্মান্ড তার মুখগহ্বরে প্রবেশ করে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। মহাবিষ্ণুর একটি নিঃশ্বাসকাল পর্যন্তই হচ্ছে সমস্ত ব্রহ্মান্ডের স্থিতি। জড় জগতে এরকম সৃষ্টি এবং প্রলয় বারংবার চলতেই থাকে। এটিই হচ্ছে এই জড় জগতের বৈশিষ্ট।
গীতার বাণী:-
দেবতাদের উপাসকেরা দেবলোক প্রাপ্ত হবে, ভূত প্রেতাদির উপাসকেরা ভূতলোক প্রাপ্ত হবে, পিতৃপুরুষদের উপাসকেরা পিতৃলোক প্রাপ্ত হবে, আমার ভক্তরা আমার পরমধাম লাভ করবে।
(গীতা- ২৫/৯)
এই পুরাণ-সূত্র পূর্বে নিরাময় গোলক ধামে পরমাত্মা শ্রীকৃষ্ণ , ব্রহ্মাকে দান করেন। পরে ব্রহ্মা , পুষ্করনামক মহাতীর্থে ইহা ধর্ম্মকে অর্পণ করেন। অনন্তর ধর্ম্মদেব প্রীতি পূর্বক পুত্র নারায়ণকে সমর্পণ করেন। ভগবান নারায়ণ পরে তা ঋষি নারদকে প্রদান করেন। নারদ তা গঙ্গাতীরে ব্যাসদেবের হস্তে সমর্পণ করেন। ব্যাসদেব সেই সুমনোহর বিপুল পুরাণ-সূত্র , সংক্ষিপ্ত রুপে প্রকাশ করেন।
অনন্ত কোটি ব্রম্ভান্ডের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রকাশ করলাম জানিনা আপনাদের কাছে কতটা প্রকাশ করতে পারলাম, ব্রহ্মান্ড অসীম যাহার পূর্ণ প্রকাশ আমার মত ক্ষুদ্র জীবের পক্ষে সাধ্য নহে। যদি বিশদ জানতে চান আমার কাছে ব্রহ্মবৈবর্ত্ত পুরাণ যে গ্রন্থটি আছে তা অধ্যায়ন করলে অনেকটা আরো জানতে পারবেন, নিম্নে বইটি ছবি প্রকাশ করলাম। আমি খুবই সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করলাম কিছু ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন। 🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
